
১০ আগস্ট, ২০২৫ ১৭:৪৪
রাজধানীর বাংলা কলেজ কেন্দ্রের এইচএসসি পরীক্ষার্থী আনিসা আহমেদ বাংলা প্রথম পত্রের পরীক্ষা দেওয়ার সুযোগ পাচ্ছেন না। রোববার (১০ আগস্ট) ঢাকা মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড, ঢাকা শিক্ষা বোর্ড ল্যাবরেটরি স্কুল অ্যান্ড কলেজ এবং শিক্ষা মন্ত্রণালয় সূত্র এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত হতে একই সঙ্গে দুটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়। একটি কমিটি করে ঢাকা মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড এবং আরেকটি কমিটি করা হয় আনিসার পরীক্ষা কেন্দ্র সরকারি বাঙলা কলেজের পক্ষ থেকে। দুই পক্ষের তদন্তে ঘটনা সম্পর্কে আনিসার বর্ণনা অনুযায়ী সত্যতা মেলেনি।
ঢাকা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক এস এম কামাল উদ্দিন হায়দার গণমাধ্যমকে বলেন, ওই ছাত্রীর (আনিসা) পরীক্ষা নেওয়ার বিষয়ে কোনো সিদ্ধান্ত এখনও হয়নি। তার দেওয়া তথ্যগুলো যাচাইয়ের কাজ করা হয়েছে। সেগুলো বিবেচনা করা হচ্ছে। সে পরীক্ষা না দিয়েও পাস করতে পারে। সেক্ষেত্রে তাকে দুই পত্র (বাংলা প্রথম ও দ্বিতীয়পত্র) মিলিয়ে ৬৬ নম্বর পেতে হবে। তাহলে তার রেজাল্ট আসবে।
এদিকে শিক্ষা মন্ত্রণালয় সূত্র জানায়, মায়ের অসুস্থতা নিয়ে আনিসা যেভাবে তথ্যগুলো দিয়েছিল, তার সত্যতা মেলে না। তার মা ওই হাসপাতালের নিয়মিত রোগী। সেদিন সকালে যে হঠাৎ সেখানে ভর্তি হয়েছিল হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়েছিল; এমন তথ্যেরও সত্যতা মেলেনি। এমনকি হাসপাতালে ভর্তির যে তথ্য দেওয়া হয়েছে, তা নিয়েও প্রশ্ন রয়েছে।
এর আগে গত ২৬ জুন প্রথম দিনের পরীক্ষায় ল্যাবরেটরি স্কুল অ্যান্ড কলেজের এই ছাত্রী এক ঘণ্টা দেরিতে কেন্দ্রে পৌঁছান। সময়মতো কেন্দ্রে না আসায় এইচএসসির প্রথমদিনে বাংলা প্রথমপত্র পরীক্ষা দিতে না পেরে কান্নায় ভেঙে পড়েন তিনি।
কাঁদতে কাঁদতে সেদিন আনিসা জানিয়েছিলেন, অসুস্থ মাকে নিয়ে হাসপাতালে ছুটতে হয়েছিল তাকে। সেজন্য কেন্দ্রে আসতে দেরি হয়েছে। আর দেরির কারণে কেন্দ্রে প্রবেশ করতে পারেননি তিনি।
সরকারি বাঙলা কলেজ কেন্দ্রের সামনে আনিসার ছোটাছুটি ও কান্নার সেই ছবি-ভিডিও ছড়িয়ে পড়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে। এ নিয়ে তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখান নেটিজেনরা। তাকে বাংলা প্রথমপত্র পরীক্ষার সুযোগ দেওয়ার দাবি ওঠে। সেই দাবি মেনে আনিসাকে পরীক্ষায় বসানো হবে বলে ঘোষণাও দেয় শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও ঢাকা বোর্ড।
রাজধানীর বাংলা কলেজ কেন্দ্রের এইচএসসি পরীক্ষার্থী আনিসা আহমেদ বাংলা প্রথম পত্রের পরীক্ষা দেওয়ার সুযোগ পাচ্ছেন না। রোববার (১০ আগস্ট) ঢাকা মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড, ঢাকা শিক্ষা বোর্ড ল্যাবরেটরি স্কুল অ্যান্ড কলেজ এবং শিক্ষা মন্ত্রণালয় সূত্র এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত হতে একই সঙ্গে দুটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়। একটি কমিটি করে ঢাকা মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড এবং আরেকটি কমিটি করা হয় আনিসার পরীক্ষা কেন্দ্র সরকারি বাঙলা কলেজের পক্ষ থেকে। দুই পক্ষের তদন্তে ঘটনা সম্পর্কে আনিসার বর্ণনা অনুযায়ী সত্যতা মেলেনি।
ঢাকা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক এস এম কামাল উদ্দিন হায়দার গণমাধ্যমকে বলেন, ওই ছাত্রীর (আনিসা) পরীক্ষা নেওয়ার বিষয়ে কোনো সিদ্ধান্ত এখনও হয়নি। তার দেওয়া তথ্যগুলো যাচাইয়ের কাজ করা হয়েছে। সেগুলো বিবেচনা করা হচ্ছে। সে পরীক্ষা না দিয়েও পাস করতে পারে। সেক্ষেত্রে তাকে দুই পত্র (বাংলা প্রথম ও দ্বিতীয়পত্র) মিলিয়ে ৬৬ নম্বর পেতে হবে। তাহলে তার রেজাল্ট আসবে।
এদিকে শিক্ষা মন্ত্রণালয় সূত্র জানায়, মায়ের অসুস্থতা নিয়ে আনিসা যেভাবে তথ্যগুলো দিয়েছিল, তার সত্যতা মেলে না। তার মা ওই হাসপাতালের নিয়মিত রোগী। সেদিন সকালে যে হঠাৎ সেখানে ভর্তি হয়েছিল হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়েছিল; এমন তথ্যেরও সত্যতা মেলেনি। এমনকি হাসপাতালে ভর্তির যে তথ্য দেওয়া হয়েছে, তা নিয়েও প্রশ্ন রয়েছে।
এর আগে গত ২৬ জুন প্রথম দিনের পরীক্ষায় ল্যাবরেটরি স্কুল অ্যান্ড কলেজের এই ছাত্রী এক ঘণ্টা দেরিতে কেন্দ্রে পৌঁছান। সময়মতো কেন্দ্রে না আসায় এইচএসসির প্রথমদিনে বাংলা প্রথমপত্র পরীক্ষা দিতে না পেরে কান্নায় ভেঙে পড়েন তিনি।
কাঁদতে কাঁদতে সেদিন আনিসা জানিয়েছিলেন, অসুস্থ মাকে নিয়ে হাসপাতালে ছুটতে হয়েছিল তাকে। সেজন্য কেন্দ্রে আসতে দেরি হয়েছে। আর দেরির কারণে কেন্দ্রে প্রবেশ করতে পারেননি তিনি।
সরকারি বাঙলা কলেজ কেন্দ্রের সামনে আনিসার ছোটাছুটি ও কান্নার সেই ছবি-ভিডিও ছড়িয়ে পড়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে। এ নিয়ে তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখান নেটিজেনরা। তাকে বাংলা প্রথমপত্র পরীক্ষার সুযোগ দেওয়ার দাবি ওঠে। সেই দাবি মেনে আনিসাকে পরীক্ষায় বসানো হবে বলে ঘোষণাও দেয় শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও ঢাকা বোর্ড।
২৯ এপ্রিল, ২০২৬ ১০:৫৭
২৮ এপ্রিল, ২০২৬ ২৩:০১
২৮ এপ্রিল, ২০২৬ ২২:৪৫
২৮ এপ্রিল, ২০২৬ ২২:০৪

২৮ এপ্রিল, ২০২৬ ১৬:৫০
পাবনার ঈশ্বরদীতে দেশের প্রথম পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রে জ্বালানি লোডিং শুরু হয়েছে। এর মাধমে পারমানবিক শক্তি ব্যবহারকারীর আন্তর্জাতিক দেশের তালিকায় ৩৩তম দেশ হলো বাংলাদেশ।
মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) দুপুর ৩ টার দিকে পদ্মার তীর ঘেষা রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রে এ কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিমন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম। এর থেকে আগামী আগস্ট মাসের মাঝামাঝিতে ৩০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ যোগ হবে জাতীয় গ্রীডে। পরবর্তীতে নানা ধাপ পেরিয়ে বিভিন্ন পরীক্ষা নিরীক্ষার পর আগামী বছর ফেব্রুয়ারিতে পূর্ণাঙ্গ বিদ্যুৎ উৎপাদনে যেতে পারে রূপপুরের প্রথম ইউনিট।
ফকির মাহবুব আনাম বলেন, আন্তর্জাতিক মানদণ্ড অনুযায়ী সব কার্যক্রম সম্পন্ন করা হচ্ছে। কারণ নিরাপত্তাই বাংলাদেশের প্রথম অগ্রাধিকার। এই পারমাণবিক কেন্দ্র ঢাকা ও মস্কোর মধ্যকার ঐতিহাসিক সম্পর্ক আরও এগিয়ে নেবে।
প্রধানমন্ত্রীর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিবিষয়ক উপদেষ্টা রেহান আসিফ আসাদ বলেন, আজকের দিনটি বাংলাদেশের জন্য তাৎপর্যপূর্ণ। প্রযুক্তিগত দিক দিয়ে বাংলাদেশ আরও একধাপ এগিয়ে গেল।
রুশ পরমাণু শক্তি করপোরেশনের (রোসাটম) মহাপরিচালক আলেক্সি লিখাচেভ বলেন, পারমানবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণে বাংলাদেশকে যেভাবে সহযোগিতা করা হয়েছে, ভবিষ্যতেও সেভাবে পাশে থাকবে। বাংলাদেশের মানুষকে আশ্বস্থ করতে চাই নিরাপত্তা নিয়ে। সর্বাধুনিক প্রযুক্তি ও সর্বোচ্চ মানদন্ড বজায় রাখা হয়েছে। নিরাপদ পারমানবিক কেন্দ্র থেকেই সরবরাহ করা হবে বিদ্যুৎ। এমনকি বর্জ্য ব্যবস্থাপনাসহ ভবিষ্যতের প্রয়োজনে সহযোগিতা থাকবে রোসাটমের।
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রনালয়ের সচিব আনোয়ার হোসেন বলেন, প্রযুক্তিগত রূপান্তরের সুযোগ এনে দিয়েছে রূপপুর। এই কেন্দ্র বাংলাদেশের বিজ্ঞান প্রযুক্তিকে আরও এগিয়ে নিবে।
অনুষ্ঠানে ভার্চ্যুয়ালি যুক্ত হন আন্তর্জাতিক পরমাণু শক্তি সংস্থার মহাপরিচালক রাফায়েল গ্রসি। এই জ্বালানি লোডিংয়ের মধ্য দিয়েই মূলত এই কেন্দ্র থেকে ধাপে ধাপে শুরু হবে বহুল কাঙ্ক্ষিত সেই বিদ্যুৎ উৎপাদন।
উল্লেখ্য, ২০২৩ সালের ২৮ সেপ্টেম্বর আকাশপথে রাশিয়া থেকে ঢাকায় পৌঁছায় পারমাণবিক জ্বালানির প্রথম চালান। এরপর আসে আরও কয়েকটি চালান। বিশেষ নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে সড়কপথে অক্টোবরে রূপপুরে নিয়ে যাওয়া হয় জ্বালানি। এরপর এটি মজুত করে রাখা হয়েছে রূপপুরে। অতিরিক্ত একটিসহ মোট ১৬৪টি বান্ডিল দেশে আনা হয়। রূপপুরে ব্যবহৃত প্রতিটি বান্ডিলে ৩১২টি জ্বালানি রড আছে ।
পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের জ্বালানি মূলত ইউরেনিয়াম থেকে তৈরি হয়। প্রথমে ইউরেনিয়াম অক্সাইড দিয়ে ছোট ট্যাবলেটের মতো জ্বালানি দানা (প্যালেট) বানানো হয়। এগুলোর ব্যাস সাধারণত ৮ থেকে ১৫ মিলিমিটার এবং দৈর্ঘ্য ১০ থেকে ১৫ মিলিমিটার। এমন অনেক জ্বালানি দানা প্রায় চার মিটার দীর্ঘ ধাতব নলের ভেতরে সাজিয়ে তৈরি হয় জ্বালানি রড। আবার নির্দিষ্ট কাঠামোতে অনেকগুলো রড একসঙ্গে যুক্ত করলে তৈরি হয় জ্বালানি বান্ডিল বা ফুয়েল অ্যাসেম্বলি।
বরিশাল টাইমস
পাবনার ঈশ্বরদীতে দেশের প্রথম পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রে জ্বালানি লোডিং শুরু হয়েছে। এর মাধমে পারমানবিক শক্তি ব্যবহারকারীর আন্তর্জাতিক দেশের তালিকায় ৩৩তম দেশ হলো বাংলাদেশ।
মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) দুপুর ৩ টার দিকে পদ্মার তীর ঘেষা রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রে এ কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিমন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম। এর থেকে আগামী আগস্ট মাসের মাঝামাঝিতে ৩০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ যোগ হবে জাতীয় গ্রীডে। পরবর্তীতে নানা ধাপ পেরিয়ে বিভিন্ন পরীক্ষা নিরীক্ষার পর আগামী বছর ফেব্রুয়ারিতে পূর্ণাঙ্গ বিদ্যুৎ উৎপাদনে যেতে পারে রূপপুরের প্রথম ইউনিট।
ফকির মাহবুব আনাম বলেন, আন্তর্জাতিক মানদণ্ড অনুযায়ী সব কার্যক্রম সম্পন্ন করা হচ্ছে। কারণ নিরাপত্তাই বাংলাদেশের প্রথম অগ্রাধিকার। এই পারমাণবিক কেন্দ্র ঢাকা ও মস্কোর মধ্যকার ঐতিহাসিক সম্পর্ক আরও এগিয়ে নেবে।
প্রধানমন্ত্রীর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিবিষয়ক উপদেষ্টা রেহান আসিফ আসাদ বলেন, আজকের দিনটি বাংলাদেশের জন্য তাৎপর্যপূর্ণ। প্রযুক্তিগত দিক দিয়ে বাংলাদেশ আরও একধাপ এগিয়ে গেল।
রুশ পরমাণু শক্তি করপোরেশনের (রোসাটম) মহাপরিচালক আলেক্সি লিখাচেভ বলেন, পারমানবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণে বাংলাদেশকে যেভাবে সহযোগিতা করা হয়েছে, ভবিষ্যতেও সেভাবে পাশে থাকবে। বাংলাদেশের মানুষকে আশ্বস্থ করতে চাই নিরাপত্তা নিয়ে। সর্বাধুনিক প্রযুক্তি ও সর্বোচ্চ মানদন্ড বজায় রাখা হয়েছে। নিরাপদ পারমানবিক কেন্দ্র থেকেই সরবরাহ করা হবে বিদ্যুৎ। এমনকি বর্জ্য ব্যবস্থাপনাসহ ভবিষ্যতের প্রয়োজনে সহযোগিতা থাকবে রোসাটমের।
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রনালয়ের সচিব আনোয়ার হোসেন বলেন, প্রযুক্তিগত রূপান্তরের সুযোগ এনে দিয়েছে রূপপুর। এই কেন্দ্র বাংলাদেশের বিজ্ঞান প্রযুক্তিকে আরও এগিয়ে নিবে।
অনুষ্ঠানে ভার্চ্যুয়ালি যুক্ত হন আন্তর্জাতিক পরমাণু শক্তি সংস্থার মহাপরিচালক রাফায়েল গ্রসি। এই জ্বালানি লোডিংয়ের মধ্য দিয়েই মূলত এই কেন্দ্র থেকে ধাপে ধাপে শুরু হবে বহুল কাঙ্ক্ষিত সেই বিদ্যুৎ উৎপাদন।
উল্লেখ্য, ২০২৩ সালের ২৮ সেপ্টেম্বর আকাশপথে রাশিয়া থেকে ঢাকায় পৌঁছায় পারমাণবিক জ্বালানির প্রথম চালান। এরপর আসে আরও কয়েকটি চালান। বিশেষ নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে সড়কপথে অক্টোবরে রূপপুরে নিয়ে যাওয়া হয় জ্বালানি। এরপর এটি মজুত করে রাখা হয়েছে রূপপুরে। অতিরিক্ত একটিসহ মোট ১৬৪টি বান্ডিল দেশে আনা হয়। রূপপুরে ব্যবহৃত প্রতিটি বান্ডিলে ৩১২টি জ্বালানি রড আছে ।
পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের জ্বালানি মূলত ইউরেনিয়াম থেকে তৈরি হয়। প্রথমে ইউরেনিয়াম অক্সাইড দিয়ে ছোট ট্যাবলেটের মতো জ্বালানি দানা (প্যালেট) বানানো হয়। এগুলোর ব্যাস সাধারণত ৮ থেকে ১৫ মিলিমিটার এবং দৈর্ঘ্য ১০ থেকে ১৫ মিলিমিটার। এমন অনেক জ্বালানি দানা প্রায় চার মিটার দীর্ঘ ধাতব নলের ভেতরে সাজিয়ে তৈরি হয় জ্বালানি রড। আবার নির্দিষ্ট কাঠামোতে অনেকগুলো রড একসঙ্গে যুক্ত করলে তৈরি হয় জ্বালানি বান্ডিল বা ফুয়েল অ্যাসেম্বলি।
বরিশাল টাইমস

২৭ এপ্রিল, ২০২৬ ১৯:১৮
চলমান এপ্রিল মাসের প্রথম ২৬ দিনেই দেশে প্রবাসী আয় (রেমিট্যান্স) এসেছে ২৭১ কোটি ৮০ লাখ মার্কিন ডলার। যা বাংলাদেশি মুদ্রায় ৩৩ হাজার ১৫৯ কোটি ৬০ লাখ টাকা (প্রতি ডলার ১২২ টাকা হিসেবে)।
সোমবার (২৭ এপ্রিল) বিকেলে বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান এ তথ্য জানিয়েছেন। বাংলাদেশ ব্যাংকের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, গতকাল রোববার প্রবাসী আয় এসেছে এক হাজার ৬৯৫ কোটি ৮০ লাখ টাকা। গত বছরের এপ্রিল মাসের প্রথম ২৬ দিনে রেমিট্যান্স এসেছিল ২২৭ কোটি ১০ লাখ মার্কিন ডলার। সেই তুলনায় চলতি বছরের একই সময়ে প্রবাসী আয় বেড়েছে ১৯ দশমিক ৬০ শতাংশ।
চলতি অর্থবছরের (১ জুলাই থেকে ২৬ এপ্রিল পর্যন্ত) সামগ্রিক চিত্র বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, এ পর্যন্ত দেশে দুই হাজার ৮৯২ কোটি ৬০ লাখ ডলারের প্রবাসী আয় এসেছে। গত অর্থবছরের একই সময়ে এই আয়ের পরিমাণ ছিল দুই হাজার ৪০৫ কোটি ৬০ লাখ ডলার। অর্থাৎ গত অর্থবছরের তুলনায় এ বছর একই সময়ে প্রবাসী আয় বেড়েছে ২০ দশমিক ২০ শতাংশ
চলমান এপ্রিল মাসের প্রথম ২৬ দিনেই দেশে প্রবাসী আয় (রেমিট্যান্স) এসেছে ২৭১ কোটি ৮০ লাখ মার্কিন ডলার। যা বাংলাদেশি মুদ্রায় ৩৩ হাজার ১৫৯ কোটি ৬০ লাখ টাকা (প্রতি ডলার ১২২ টাকা হিসেবে)।
সোমবার (২৭ এপ্রিল) বিকেলে বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান এ তথ্য জানিয়েছেন। বাংলাদেশ ব্যাংকের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, গতকাল রোববার প্রবাসী আয় এসেছে এক হাজার ৬৯৫ কোটি ৮০ লাখ টাকা। গত বছরের এপ্রিল মাসের প্রথম ২৬ দিনে রেমিট্যান্স এসেছিল ২২৭ কোটি ১০ লাখ মার্কিন ডলার। সেই তুলনায় চলতি বছরের একই সময়ে প্রবাসী আয় বেড়েছে ১৯ দশমিক ৬০ শতাংশ।
চলতি অর্থবছরের (১ জুলাই থেকে ২৬ এপ্রিল পর্যন্ত) সামগ্রিক চিত্র বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, এ পর্যন্ত দেশে দুই হাজার ৮৯২ কোটি ৬০ লাখ ডলারের প্রবাসী আয় এসেছে। গত অর্থবছরের একই সময়ে এই আয়ের পরিমাণ ছিল দুই হাজার ৪০৫ কোটি ৬০ লাখ ডলার। অর্থাৎ গত অর্থবছরের তুলনায় এ বছর একই সময়ে প্রবাসী আয় বেড়েছে ২০ দশমিক ২০ শতাংশ

২৭ এপ্রিল, ২০২৬ ১৬:৫২
হত্যা মামলায় প্রতিরক্ষা গোয়েন্দা মহাপরিদপ্তরের (ডিজিএফআই) সাবেক পরিচালক ও ইউনাইটেড গ্রুপের নির্বাহী পরিচালক (অ্যাডমিন) অবসরপ্রাপ্ত কর্নেল আফজাল নাছের ভূঁইয়াকে দ্বিতীয় দফায় দুদিনের রিমান্ডে পাঠিয়েছেন আদালত।
সোমবার (২৭ এপ্রিল) ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে চারদিনের রিমান্ড শেষে তাকে হাজির করে পুলিশ। এরপর মামলার সুষ্ঠু তদন্তের স্বার্থে আরও সাতদিনের রিমান্ড আবেদন করেন তদন্ত কর্মকর্তা।
শুনানি শেষে ঢাকার অতিরিক্ত মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জাকির হোসাইন আসামির দুদিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।
এর আগে গত ২৩ এপ্রিল ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট সেফাতুল্লাহ একই মামলায় তার চারদিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছিলেন
মামলার নথি অনুযায়ী, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট জুলাই আন্দোলন চলাকালে রাজধানীর উত্তরা পূর্ব থানাধীন আজমপুর এলাকায় ছাত্র-জনতার একটি মিছিলে হামলা ও গুলিবর্ষণের ঘটনা ঘটে। এসময় মাহমুদুল হাসান (২৬) নামের একজন গুলিবিদ্ধ হয়ে গুরুতর আহত হন। পরে তাকে বাংলাদেশ কুয়েত মৈত্রী সরকারি হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
এ ঘটনায় ২০২৪ সালের ২৬ সেপ্টেম্বর উত্তরা পূর্ব থানায় হত্যা মামলা দায়ের করা হয়।
পুলিশ সূত্র জানায়, গত ৩০ মার্চ রাজধানীর মিরপুর ডিওএইচএস এলাকার একটি বাসা থেকে আফজাল নাছের ভূঁইয়াকে গ্রেফতার করে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। এরপর থেকে মামলার তদন্তের অংশ হিসেবে তাকে দফায় দফায় রিমান্ডে নেওয়া হচ্ছে।
বরিশাল টাইমস
হত্যা মামলায় প্রতিরক্ষা গোয়েন্দা মহাপরিদপ্তরের (ডিজিএফআই) সাবেক পরিচালক ও ইউনাইটেড গ্রুপের নির্বাহী পরিচালক (অ্যাডমিন) অবসরপ্রাপ্ত কর্নেল আফজাল নাছের ভূঁইয়াকে দ্বিতীয় দফায় দুদিনের রিমান্ডে পাঠিয়েছেন আদালত।
সোমবার (২৭ এপ্রিল) ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে চারদিনের রিমান্ড শেষে তাকে হাজির করে পুলিশ। এরপর মামলার সুষ্ঠু তদন্তের স্বার্থে আরও সাতদিনের রিমান্ড আবেদন করেন তদন্ত কর্মকর্তা।
শুনানি শেষে ঢাকার অতিরিক্ত মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জাকির হোসাইন আসামির দুদিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।
এর আগে গত ২৩ এপ্রিল ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট সেফাতুল্লাহ একই মামলায় তার চারদিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছিলেন
মামলার নথি অনুযায়ী, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট জুলাই আন্দোলন চলাকালে রাজধানীর উত্তরা পূর্ব থানাধীন আজমপুর এলাকায় ছাত্র-জনতার একটি মিছিলে হামলা ও গুলিবর্ষণের ঘটনা ঘটে। এসময় মাহমুদুল হাসান (২৬) নামের একজন গুলিবিদ্ধ হয়ে গুরুতর আহত হন। পরে তাকে বাংলাদেশ কুয়েত মৈত্রী সরকারি হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
এ ঘটনায় ২০২৪ সালের ২৬ সেপ্টেম্বর উত্তরা পূর্ব থানায় হত্যা মামলা দায়ের করা হয়।
পুলিশ সূত্র জানায়, গত ৩০ মার্চ রাজধানীর মিরপুর ডিওএইচএস এলাকার একটি বাসা থেকে আফজাল নাছের ভূঁইয়াকে গ্রেফতার করে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। এরপর থেকে মামলার তদন্তের অংশ হিসেবে তাকে দফায় দফায় রিমান্ডে নেওয়া হচ্ছে।
বরিশাল টাইমস
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.