
১৫ ডিসেম্বর, ২০২৫ ১৯:৩১
বাংলাদেশকে অস্থিতিশীল করলে ভারতের সেভেন সিস্টার্সকে আলাদা করে দেওয়া হবে বলে হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক হাসনাত আবদুল্লাহ।
সোমবার (১৫ ডিসেম্বর) শহীদ মিনারে ইনকিলাব মঞ্চ আয়োজিত ওসমান হাদিকে হত্যাচেষ্টার সর্বদলীয় প্রতিরোধ সমাবেশে তিনি এ হুঁশিয়ারি দেন।
হাসনাত আবদুল্লাহ বলেন, যারা দেশে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করছে, নির্বাচন বানচাল করতে চায়, ওসমান হাদিকে হত্যার সঙ্গে জড়িত, এমনকি সীমান্তে বাংলাদেশি ভাই–বোনদের ঝুলিয়ে রাখছে—তাদের পৃষ্ঠপোষকতা করছে ভারত।
তিনি বলেন, ভারতকে স্পষ্ট ভাষায় জানাতে চাই— যারা বাংলাদেশের সার্বভৌমত্ব, সম্ভাবনা, ভোটাধিকার ও মানবাধিকারকে বিশ্বাস করে না, যারা এ দেশের সন্তানদের ওপর আস্থা রাখে না, আপনারা যেহেতু তাদের আশ্রয়–প্রশ্রয় দিচ্ছেন, তাই বাংলাদেশের পক্ষ থেকে ভারতের সেপারেটিস্টদের আশ্রয় দিয়ে সেভেন সিস্টার্সকে ভারত থেকে আলাদা করে দেওয়া হবে। বাংলাদেশকে অস্থিতিশীল করলে তার জবাব দেওয়া হবে এবং সেই বিদ্রোহের আগুন সারা পৃথিবীতে ছড়িয়ে পড়বে।
ভারতের ভূমিকার সমালোচনা করে তিনি বলেন, স্বাধীনতার ৫৪ বছর পরও শকুনদের হাত থেকে মুক্তির জন্য আন্দোলন করতে হচ্ছে। আবারও শকুনেরা বাংলাদেশের মানচিত্রে থাবা বসানোর চেষ্টা করছে। ভারত বাংলাদেশকে আরেকটি ফিলিস্তিন রাষ্ট্রে পরিণত করতে চায় বলেও অভিযোগ করেন তিনি।
হাসনাত আবদুল্লাহ বলেন, সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং তার পৃষ্ঠপোষকেরা অর্থ, অস্ত্র ও প্রশিক্ষণ দিয়ে বাংলাদেশের বিরুদ্ধে মানুষ দাঁড় করাচ্ছে। ক্ষমতা, গদি ও মন্ত্রণালয়ের লোভে যারা দিল্লিকে ‘কেবলা’ বানিয়েছে, তারা বাংলাদেশের স্বাধীনতা তৃতীয়বারের মতো বিক্রি করে দেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছে।
নির্বাচন কমিশনের কঠোর সমালোচনা করে তিনি বলেন, বর্তমান নির্বাচন কমিশন মেরুদণ্ডহীন। একজন ইলেকশন কমিশনার ওসমান হাদির মৃত্যুকে ‘বিচ্ছিন্ন ঘটনা’ বলে উল্লেখ করেছেন—এটি অমানবিক। তিনি প্রশ্ন তোলেন, কোনো প্রেসক্রিপশনে ইলেকশন কমিশনার নিয়োগ দেওয়া হয়? যোগ্য ইলেকশন কমিশনারের অভাব হবে না। শাহবাগ থেকে শহীদ মিনার পর্যন্ত বহু যোগ্য মানুষ পাওয়া যাবে। কিন্তু যে হাদি অনন্তকালের উদ্দেশ্যে যাত্রা করেছে, তাকে আর কখনো ফিরে পাওয়া যাবে না।
বিশ্ববিদ্যালয় ও সাংস্কৃতিক অঙ্গন নিয়েও তীব্র বক্তব্য দেন এই এনসিপি নেতা। তিনি বলেন, এখনও এক শ্রেণির আওয়ামী লীগ শিক্ষক পরিচয়ে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে কার্যক্রম চালাচ্ছে। টকশোর নামে টেলিভিশনে হত্যার বৈধতা উৎপাদন করা হচ্ছে। নাটক ও সিনেমার মাধ্যমে সংগ্রামী মানুষের মৃত্যুকে বৈধতা দেওয়া হচ্ছে। বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে নীল দলের আওয়ামী ‘পা-চাটা’ শিক্ষকদের ধরে ধরে বের করে দিতে হবে। একইভাবে নাটক–সিনেমা থেকে আওয়ামী ও মুজিবপন্থি শিল্পীদের স্টেজ থেকে নামিয়ে বাড়িতে পাঠাতে হবে।
টকশোজীবীদের উদ্দেশে তিনি বলেন, ভারতের আধিপত্যে বসে এসব টকশো তৈরি করা হচ্ছে। সেখানে ফ্যাসিস্টদের মানবাধিকার নিয়ে আলোচনা হলেও মজলুমের মানবাধিকারকে উপেক্ষা করা হয়।
জাতীয় ঐক্য প্রসঙ্গে হাসনাত আবদুল্লাহ বলেন, মঞ্চে এক কথা বলে গোপনে সমঝোতা করে জাতীয় ঐক্য হয় না—এগুলো ‘মেকিং’ ঐক্য। আরপিও সংশোধনের পর ফ্যাসিবাদীরা অন্য দলের মার্কায় নির্বাচন করতে পারবে না বলে নিজের দলের মার্কা বিলীন করতেও প্রস্তুত। এসব দিয়ে সত্যিকারের জাতীয় ঐক্য গড়ে ওঠে না।
বাংলাদেশকে অস্থিতিশীল করলে ভারতের সেভেন সিস্টার্সকে আলাদা করে দেওয়া হবে বলে হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক হাসনাত আবদুল্লাহ।
সোমবার (১৫ ডিসেম্বর) শহীদ মিনারে ইনকিলাব মঞ্চ আয়োজিত ওসমান হাদিকে হত্যাচেষ্টার সর্বদলীয় প্রতিরোধ সমাবেশে তিনি এ হুঁশিয়ারি দেন।
হাসনাত আবদুল্লাহ বলেন, যারা দেশে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করছে, নির্বাচন বানচাল করতে চায়, ওসমান হাদিকে হত্যার সঙ্গে জড়িত, এমনকি সীমান্তে বাংলাদেশি ভাই–বোনদের ঝুলিয়ে রাখছে—তাদের পৃষ্ঠপোষকতা করছে ভারত।
তিনি বলেন, ভারতকে স্পষ্ট ভাষায় জানাতে চাই— যারা বাংলাদেশের সার্বভৌমত্ব, সম্ভাবনা, ভোটাধিকার ও মানবাধিকারকে বিশ্বাস করে না, যারা এ দেশের সন্তানদের ওপর আস্থা রাখে না, আপনারা যেহেতু তাদের আশ্রয়–প্রশ্রয় দিচ্ছেন, তাই বাংলাদেশের পক্ষ থেকে ভারতের সেপারেটিস্টদের আশ্রয় দিয়ে সেভেন সিস্টার্সকে ভারত থেকে আলাদা করে দেওয়া হবে। বাংলাদেশকে অস্থিতিশীল করলে তার জবাব দেওয়া হবে এবং সেই বিদ্রোহের আগুন সারা পৃথিবীতে ছড়িয়ে পড়বে।
ভারতের ভূমিকার সমালোচনা করে তিনি বলেন, স্বাধীনতার ৫৪ বছর পরও শকুনদের হাত থেকে মুক্তির জন্য আন্দোলন করতে হচ্ছে। আবারও শকুনেরা বাংলাদেশের মানচিত্রে থাবা বসানোর চেষ্টা করছে। ভারত বাংলাদেশকে আরেকটি ফিলিস্তিন রাষ্ট্রে পরিণত করতে চায় বলেও অভিযোগ করেন তিনি।
হাসনাত আবদুল্লাহ বলেন, সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং তার পৃষ্ঠপোষকেরা অর্থ, অস্ত্র ও প্রশিক্ষণ দিয়ে বাংলাদেশের বিরুদ্ধে মানুষ দাঁড় করাচ্ছে। ক্ষমতা, গদি ও মন্ত্রণালয়ের লোভে যারা দিল্লিকে ‘কেবলা’ বানিয়েছে, তারা বাংলাদেশের স্বাধীনতা তৃতীয়বারের মতো বিক্রি করে দেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছে।
নির্বাচন কমিশনের কঠোর সমালোচনা করে তিনি বলেন, বর্তমান নির্বাচন কমিশন মেরুদণ্ডহীন। একজন ইলেকশন কমিশনার ওসমান হাদির মৃত্যুকে ‘বিচ্ছিন্ন ঘটনা’ বলে উল্লেখ করেছেন—এটি অমানবিক। তিনি প্রশ্ন তোলেন, কোনো প্রেসক্রিপশনে ইলেকশন কমিশনার নিয়োগ দেওয়া হয়? যোগ্য ইলেকশন কমিশনারের অভাব হবে না। শাহবাগ থেকে শহীদ মিনার পর্যন্ত বহু যোগ্য মানুষ পাওয়া যাবে। কিন্তু যে হাদি অনন্তকালের উদ্দেশ্যে যাত্রা করেছে, তাকে আর কখনো ফিরে পাওয়া যাবে না।
বিশ্ববিদ্যালয় ও সাংস্কৃতিক অঙ্গন নিয়েও তীব্র বক্তব্য দেন এই এনসিপি নেতা। তিনি বলেন, এখনও এক শ্রেণির আওয়ামী লীগ শিক্ষক পরিচয়ে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে কার্যক্রম চালাচ্ছে। টকশোর নামে টেলিভিশনে হত্যার বৈধতা উৎপাদন করা হচ্ছে। নাটক ও সিনেমার মাধ্যমে সংগ্রামী মানুষের মৃত্যুকে বৈধতা দেওয়া হচ্ছে। বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে নীল দলের আওয়ামী ‘পা-চাটা’ শিক্ষকদের ধরে ধরে বের করে দিতে হবে। একইভাবে নাটক–সিনেমা থেকে আওয়ামী ও মুজিবপন্থি শিল্পীদের স্টেজ থেকে নামিয়ে বাড়িতে পাঠাতে হবে।
টকশোজীবীদের উদ্দেশে তিনি বলেন, ভারতের আধিপত্যে বসে এসব টকশো তৈরি করা হচ্ছে। সেখানে ফ্যাসিস্টদের মানবাধিকার নিয়ে আলোচনা হলেও মজলুমের মানবাধিকারকে উপেক্ষা করা হয়।
জাতীয় ঐক্য প্রসঙ্গে হাসনাত আবদুল্লাহ বলেন, মঞ্চে এক কথা বলে গোপনে সমঝোতা করে জাতীয় ঐক্য হয় না—এগুলো ‘মেকিং’ ঐক্য। আরপিও সংশোধনের পর ফ্যাসিবাদীরা অন্য দলের মার্কায় নির্বাচন করতে পারবে না বলে নিজের দলের মার্কা বিলীন করতেও প্রস্তুত। এসব দিয়ে সত্যিকারের জাতীয় ঐক্য গড়ে ওঠে না।

০২ মার্চ, ২০২৬ ২০:২৪
মিয়া নুরুদ্দিন আহাম্মেদ অপুসহ ছয়জনকে হুইপ নিয়োগ দিয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করেছে বাংলাদেশ জাতীয় সংসদ সচিবালয়। সোমবার (২ মার্চ) এ-সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে।
প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, বাংলাদেশ হুইপ অধ্যাদেশ ১৯৭২-এর আর্টিকেল ৩(১)-এর বিধান অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি নিম্নবর্ণিত সংসদ সদস্যগণকে বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের হুইপ নিয়োগ করলেন।
নিয়োগপ্রাপ্ত হুইপরা হলেন, আলহাজ মো. জি কে গউছ (২৪১ হবিগঞ্জ-৩), রফিকুল ইসলাম (১০১ খুলনা-৩), মিয়া নুরুদ্দিন আহাম্মেদ (২২৩ শরীয়তপুর-৩), এম রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলু (৫৯ নাটোর-২), মো. আখতারুজ্জামান মিয়া (৯ দিনাজপুর-৪), এ বি এম আশরাফ উদ্দিন নিজান (২৭৭ লক্ষ্মীপুর-৪)।
মিয়া নুরুদ্দিন আহাম্মেদ অপুসহ ছয়জনকে হুইপ নিয়োগ দিয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করেছে বাংলাদেশ জাতীয় সংসদ সচিবালয়। সোমবার (২ মার্চ) এ-সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে।
প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, বাংলাদেশ হুইপ অধ্যাদেশ ১৯৭২-এর আর্টিকেল ৩(১)-এর বিধান অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি নিম্নবর্ণিত সংসদ সদস্যগণকে বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের হুইপ নিয়োগ করলেন।
নিয়োগপ্রাপ্ত হুইপরা হলেন, আলহাজ মো. জি কে গউছ (২৪১ হবিগঞ্জ-৩), রফিকুল ইসলাম (১০১ খুলনা-৩), মিয়া নুরুদ্দিন আহাম্মেদ (২২৩ শরীয়তপুর-৩), এম রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলু (৫৯ নাটোর-২), মো. আখতারুজ্জামান মিয়া (৯ দিনাজপুর-৪), এ বি এম আশরাফ উদ্দিন নিজান (২৭৭ লক্ষ্মীপুর-৪)।

০২ মার্চ, ২০২৬ ১২:৪৫
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে রাজশাহী-১, কুড়িগ্রাম-২, রংপুর-৬ ও রংপুর-৪ আসনের ভোটের ফল চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে বিএনপির প্রার্থীরা আবেদন করেছেন।
এই চার প্রার্থী হলেন, বিএনপির কুড়িগ্রাম-২ আসনের সোহেল হোসনাইন কায়কোবাদ, বিএনপির রংপুর-৬ আসনের মো. সাইফুল ইসলাম, বিএনপির রংপুর-৪ আসনের মোহাম্মদ এমদাদুল হক ভরসা এবং বিএনপির রাজশাহী-১ আসনের মেজর জেনারেল (অব.) মো. শরীফ উদ্দিন।
সোমবার (২ মার্চ) হাইকোর্টের বিচারপতি মো. জাকির হোসেনের একক বেঞ্চে এসব আবেদনের ওপর শুনানি হওয়ার কথা রয়েছ।
এর আগে রোববার বিএনপির প্রার্থী ডি এম ডি জিয়াউর এবং পাবনা-৪ আসনে বিএনপির প্রার্থী মো. হাবিবুর রহমান হাবিবের পৃথক আবেদন শুনানির জন্য গ্রহণ করেছেন হাইকোর্ট।
এ ছাড়া বৃহস্পতিবার চারটি আবেদন শুনানির জন্য গ্রহণ করা হয়েছে। যে চারটি আবেদন শুনানির জন্য গ্রহণ করা হয়েছে সেগুলো হলো-শেরপুর-১, ঢাকা-৬ ও ৭ এবং গাইবান্ধা-৪।
আবেদনকারী চার প্রার্থী হলেন, শেরপুর-১ আসনে বিএনপির সানসিলা জেবরিন, ঢাকা-৬ আসনে জামায়াতের মো. আবদুল মান্নান, ঢাকা-৭ আসনে জামায়াতের মো. এনায়াত উল্লাহ এবং গাইবান্ধা-৪ আসনে জামায়াতের মো. আবদুর রহিম সরকার।
গণপ্রতিনিধিত্ব অধ্যাদেশের ৪৯ ধারা অনুযায়ী অনিয়মের বিরুদ্ধে আবেদনপত্র শুনানির জন্য হাইকোর্টে নির্বাচনি ট্রাইব্যুনাল গঠন করা হয়।
বিচারপতি মো. জাকির হোসেনের নেতৃত্বে একক বেঞ্চ এসব আবেদনের ওপর শুনানি গ্রহণ করছেন। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ভোটগ্রহণ হয় বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি)।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে রাজশাহী-১, কুড়িগ্রাম-২, রংপুর-৬ ও রংপুর-৪ আসনের ভোটের ফল চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে বিএনপির প্রার্থীরা আবেদন করেছেন।
এই চার প্রার্থী হলেন, বিএনপির কুড়িগ্রাম-২ আসনের সোহেল হোসনাইন কায়কোবাদ, বিএনপির রংপুর-৬ আসনের মো. সাইফুল ইসলাম, বিএনপির রংপুর-৪ আসনের মোহাম্মদ এমদাদুল হক ভরসা এবং বিএনপির রাজশাহী-১ আসনের মেজর জেনারেল (অব.) মো. শরীফ উদ্দিন।
সোমবার (২ মার্চ) হাইকোর্টের বিচারপতি মো. জাকির হোসেনের একক বেঞ্চে এসব আবেদনের ওপর শুনানি হওয়ার কথা রয়েছ।
এর আগে রোববার বিএনপির প্রার্থী ডি এম ডি জিয়াউর এবং পাবনা-৪ আসনে বিএনপির প্রার্থী মো. হাবিবুর রহমান হাবিবের পৃথক আবেদন শুনানির জন্য গ্রহণ করেছেন হাইকোর্ট।
এ ছাড়া বৃহস্পতিবার চারটি আবেদন শুনানির জন্য গ্রহণ করা হয়েছে। যে চারটি আবেদন শুনানির জন্য গ্রহণ করা হয়েছে সেগুলো হলো-শেরপুর-১, ঢাকা-৬ ও ৭ এবং গাইবান্ধা-৪।
আবেদনকারী চার প্রার্থী হলেন, শেরপুর-১ আসনে বিএনপির সানসিলা জেবরিন, ঢাকা-৬ আসনে জামায়াতের মো. আবদুল মান্নান, ঢাকা-৭ আসনে জামায়াতের মো. এনায়াত উল্লাহ এবং গাইবান্ধা-৪ আসনে জামায়াতের মো. আবদুর রহিম সরকার।
গণপ্রতিনিধিত্ব অধ্যাদেশের ৪৯ ধারা অনুযায়ী অনিয়মের বিরুদ্ধে আবেদনপত্র শুনানির জন্য হাইকোর্টে নির্বাচনি ট্রাইব্যুনাল গঠন করা হয়।
বিচারপতি মো. জাকির হোসেনের নেতৃত্বে একক বেঞ্চ এসব আবেদনের ওপর শুনানি গ্রহণ করছেন। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ভোটগ্রহণ হয় বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি)।

০২ মার্চ, ২০২৬ ১২:১১
বাংলাদেশসহ নির্দিষ্ট কিছু দেশের নাগরিকদের জন্য অভিবাসী ভিসা প্রদান স্থগিত করেছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। গত ২১ জানুয়ারি ২০২৬ থেকে এই সিদ্ধান্ত কার্যকর করা হয়েছে। সোমবার (২ মার্চ) সকালে ঢাকাস্থ মার্কিন দূতাবাস নিজেদের ভেরিফায়েড ফেসবুকের এক পোস্টে এসব নিশ্চিত করেছে।
এতে বলা হয়, ‘২১ জানুয়ারি ২০২৬ থেকে কার্যকরভাবে যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তর বাংলাদেশসহ কিছু দেশের নাগরিকদের জন্য অভিবাসী ভিসা দেওয়া স্থগিত করেছে। যেসব দেশের অভিবাসীরা যুক্তরাষ্ট্রের করদাতাদের ব্যয়ে তুলনামূলক বেশি হারে সরকারি সহায়তা নেন, তাদের ক্ষেত্রেই এই সিদ্ধান্ত প্রযোজ্য।’
মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর জানিয়েছে, ‘প্রভাবিত দেশগুলোর নাগরিকরা অভিবাসী ভিসার আবেদন জমা দিতে পারবেন এবং নির্ধারিত সাক্ষাৎকারে অংশ নিতে পারবেন। পররাষ্ট্র দপ্তর ভিসা সাক্ষাৎকারের সময় নির্ধারণ কার্যক্রম চালিয়ে যাবে।’
বাংলাদেশসহ নির্দিষ্ট কিছু দেশের নাগরিকদের জন্য অভিবাসী ভিসা প্রদান স্থগিত করেছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। গত ২১ জানুয়ারি ২০২৬ থেকে এই সিদ্ধান্ত কার্যকর করা হয়েছে। সোমবার (২ মার্চ) সকালে ঢাকাস্থ মার্কিন দূতাবাস নিজেদের ভেরিফায়েড ফেসবুকের এক পোস্টে এসব নিশ্চিত করেছে।
এতে বলা হয়, ‘২১ জানুয়ারি ২০২৬ থেকে কার্যকরভাবে যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তর বাংলাদেশসহ কিছু দেশের নাগরিকদের জন্য অভিবাসী ভিসা দেওয়া স্থগিত করেছে। যেসব দেশের অভিবাসীরা যুক্তরাষ্ট্রের করদাতাদের ব্যয়ে তুলনামূলক বেশি হারে সরকারি সহায়তা নেন, তাদের ক্ষেত্রেই এই সিদ্ধান্ত প্রযোজ্য।’
মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর জানিয়েছে, ‘প্রভাবিত দেশগুলোর নাগরিকরা অভিবাসী ভিসার আবেদন জমা দিতে পারবেন এবং নির্ধারিত সাক্ষাৎকারে অংশ নিতে পারবেন। পররাষ্ট্র দপ্তর ভিসা সাক্ষাৎকারের সময় নির্ধারণ কার্যক্রম চালিয়ে যাবে।’
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
০২ মার্চ, ২০২৬ ২৩:২০
০২ মার্চ, ২০২৬ ২৩:০৮
০২ মার্চ, ২০২৬ ২১:৩৯
০২ মার্চ, ২০২৬ ২১:৩৫