Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.

১৫ ডিসেম্বর, ২০২৫ ১৩:২৭
জেলার নলছিটিতে ট্রলির ধাক্কায় লিমা আক্তার (৩০) নামে এক নারী মোটরসাইকেল আরোহীর মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় তার স্বামী মোটরসাইকেল চালক আহত হয়েছেন।
আজ সকাল ১০টায় উপজেলার ভৈরবপাশা ইউনিয়নের লক্ষণকাঠি এলাকায় বরিশাল -ঝালকাঠি আঞ্চলিক মহাসড়কে এ দুর্ঘটনা ঘটে। নলছিটি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আরিফুল আলম দুর্ঘটনায় নিহতের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
নিহত লিমা আক্তার ইশ্বরকাঠি এলাকার ব্যবসায়ী রাজু মল্লিকের স্ত্রী। তাদের ৫ বছর বয়সি ও ২ বছর বয়সি দুটি সন্তান রয়েছে।
নিহত লিমার ভাসুর ইউপি সদস্য পারভেজ মল্লিক জানান, বাড়ি থেকে মোটরসাইকেলে ঝালকাঠি আসার সময় পিছন থেকে একটি ট্রলি ধাক্কা দেয়। এতে লিমা আক্তার গুরুতর আহত হন। লিমা আক্তারকে উদ্ধার করে ঝালকাঠি সদর হাসপাতালে নেয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
নলছিটি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আরিফুল আলম বলেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
জেলার নলছিটিতে ট্রলির ধাক্কায় লিমা আক্তার (৩০) নামে এক নারী মোটরসাইকেল আরোহীর মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় তার স্বামী মোটরসাইকেল চালক আহত হয়েছেন।
আজ সকাল ১০টায় উপজেলার ভৈরবপাশা ইউনিয়নের লক্ষণকাঠি এলাকায় বরিশাল -ঝালকাঠি আঞ্চলিক মহাসড়কে এ দুর্ঘটনা ঘটে। নলছিটি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আরিফুল আলম দুর্ঘটনায় নিহতের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
নিহত লিমা আক্তার ইশ্বরকাঠি এলাকার ব্যবসায়ী রাজু মল্লিকের স্ত্রী। তাদের ৫ বছর বয়সি ও ২ বছর বয়সি দুটি সন্তান রয়েছে।
নিহত লিমার ভাসুর ইউপি সদস্য পারভেজ মল্লিক জানান, বাড়ি থেকে মোটরসাইকেলে ঝালকাঠি আসার সময় পিছন থেকে একটি ট্রলি ধাক্কা দেয়। এতে লিমা আক্তার গুরুতর আহত হন। লিমা আক্তারকে উদ্ধার করে ঝালকাঠি সদর হাসপাতালে নেয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
নলছিটি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আরিফুল আলম বলেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

০১ মার্চ, ২০২৬ ১৩:০০

২৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১৫:৪৮
ঝালকাঠি-পিরোজপুর আঞ্চলিক মহাসড়কের সমবায় এলাকায় সড়ক দুর্ঘটনায় খলিলুর রহমান (৪৫) নামের এক অটোরিকশা চালক নিহত হয়েছেন। শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে একটি যাত্রীবাহী অটোরিকশা ও দ্রুতগামী মোটরসাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, রাজাপুর উপজেলা থেকে ভান্ডারিয়াগামী একটি অটোরিকশা সমবায় এলাকায় পৌঁছালে বিপরীত দিক থেকে আসা একটি মোটরসাইকেলের সঙ্গে প্রচণ্ড সংঘর্ষ হয়। সংঘর্ষে অটোরিকশাটি দুমড়ে-মুচড়ে যায় এবং চালক গুরুতর আহত হন। স্থানীয়রা দ্রুত উদ্ধার কাজে এগিয়ে এলেও ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়।
খবর পেয়ে রাজাপুর থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়।
নিহত খলিলুর রহমান রাজাপুর উপজেলার কৈবত্যখালী গ্রামের ইমান আলী খানের ছেলে।
দুর্ঘটনায় মোটরসাইকেল আরোহীও আহত হয়েছেন। তাকে স্থানীয় হাসপাতালে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে।
রাজাপুর থানা পুলিশ জানিয়েছে, দুর্ঘটনাকবলিত যানবাহন দুটি পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয়েছে এবং এ ঘটনায় আইনগত প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।
স্থানীয়দের অভিযোগ, মহাসড়কে বেপরোয়া গতি ও অসতর্কতার কারণে প্রায়ই দুর্ঘটনা ঘটছে। তারা সড়কের গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টগুলোতে গতিরোধক স্থাপন ও ট্রাফিক পুলিশের নজরদারি জোরদারের দাবি জানিয়েছেন।

২৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১৮:৫২
ঝালকাঠির রাজাপুরে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামি-এর নির্বাচনী প্রতীক দাঁড়িপাল্লায় ভোট দেওয়াকে কেন্দ্র করে তিন নারীকে পিটিয়ে আহত করার অভিযোগ উঠেছে বিএনপি সমর্থিত নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় সোমবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) ঝালকাঠি আদালতে একটি মামলা দায়ের করেছেন আহত পরিবারের।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, মৃত নাজেম আলী মুন্সির ছেলে-মেয়েদের সঙ্গে মৃত আব্দুল বয়াতী ও সুফিন কাজীর ছেলে-মেয়েদের দীর্ঘদিন ধরে জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধ চলে আসছিল।
এরই ধারাবাহিকতায় সাম্প্রতিক নির্বাচনে বিএনপি জয়লাভের পর নাজেম আলী মুন্সির স্ত্রী সুফিয়া বেগম, তার মেয়ে মরিয়ম বেগম ও তাছলিমা বেগমকে জামায়াতের পক্ষে দাঁড়িপাল্লায় ভোট দেওয়াকে কেন্দ্র করে বিএনপির স্থানীয় নেতা মনির কাজী ও জাকির কাজীর নেতৃত্বে সুমনা, ফাহিমা ও হাসিনাসহ আরও কয়েকজন ওই তিন নারীকে মারধর করে আহত করেন এবং ঘটনাস্থলে ফেলে রেখে যান।পরে ভুক্তভোগী পরিবার জাতীয় জরুরি সেবা নম্বর ৯৯৯-এ কল দিলে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে এবং আহতদের উদ্ধার করে রাজাপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পাঠায়।
চিকিৎসকরা প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে সুফিয়া বেগম ও তাছলিমা বেগমকে বাড়িতে পাঠিয়ে দেন। তবে মরিয়ম বেগমের শারীরিক অবস্থার অবনতি হওয়ায় তাকে হাসপাতালে ভর্তি রাখা হয়েছে। ঘটনাটি এলাকায় উত্তেজনার সৃষ্টি করেছে। পরিস্থিতি শান্ত রাখতে পুলিশ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে বলে জানা গেছে।
অভিযুক্ত বিএনপি নেতা মনির কাজীর সঙ্গে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, “আমার বিরুদ্ধে আনা সকল অভিযোগ মিথ্যা ও ভিত্তিহীন। পূর্বের জমিজমা বিরোধের জের ধরে আমাকে রাজনৈতিকভাবে হেয়প্রতিপন্ন করতে এ ধরনের অভিযোগ আনা হয়েছে।”
এ বিষয়ে রাজাপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. নজরুল ইসলাম বলেন, “এ ঘটনায় লিখিত অভিযোগ দিলে। বিষয়টি তদন্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।”
জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) কেন্দ্রীয় যুগ্ম সদস্য সচিব ডা. মাহমুদা মিতু ফুসফুসের সংক্রমণসহ কিছু জটিলতার কারণে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। ইতোমধ্যে তার জরুরি অপারেশন সম্পন্ন হয়েছে।
শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) ডা. মাহমুদা মিতুর ভেরিফায়েড ফেসবুক আইডিতে দেওয়া এক পোস্টে এসব তথ্য জানান তার স্বামী। পোস্টে তিনি উল্লেখ করেন, আসসালামু আলাইকুম। আপনাদের সকলের দোয়া ও ভালোবাসার প্রতি গভীর কৃতজ্ঞতা জানিয়ে কিছু জরুরি বিষয় জানাচ্ছি।
আমার স্ত্রী ডা. মাহমুদা মিতুর গত ২৩ তারিখ হঠাৎ গাইনোকোলজিকাল ইমার্জেন্সি দেখা দেওয়ায় জরুরি অপারেশন করতে হয়েছে। অপারেশনের পূর্বে তিনি প্রায় শক অবস্থায় ছিলেন এবং পেটের ভিতরে অতিরিক্ত রক্তক্ষরণজনিত জটিলতা তৈরি হয়েছিল। অনেকেই দৌড়ে এসে রক্ত দিয়ে গেছেন। আপনাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা। আপনাদের সহায়তা, আল্লাহর অশেষ রহমত এবং চিকিৎসকদের সর্বোচ্চ প্রচেষ্টায় সেই কঠিন সংকট সামাল দেওয়া সম্ভব হয়েছে।
তবে অপারেশনের পর কিছু জটিলতা দেখা দেয়। বর্তমানে অপারেশনজনিত সমস্যা না থাকলেও পোস্ট-অপারেটিভ ফুসফুসের সংক্রমণসহ আরও কিছু জটিলতার কারণে তিনি এখনও হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন।
সেপটিসেমিয়ার ফিচারসহ, ডি ডাইমার, লিভার এনজাইম, সি আর পি, WBC সব প্যারামিটার রেইজসড সাথে নিউট্রোফিলিয়া। নতুন করে হাই ডায়বেটিক (অন ইন্সুলিন) অবস্থায় আছে। অক্সিজেন সাপোর্ট ছাড়া তার এখনো স্যাচুরেশন ফল করছে, তবে যেগুলো বেশি ছিল সেগুলো এখন কমে আসছে, আজকে শুধু WBC বেড়েছে।
এই সকল প্যারামিটার রেইজ যেহেতু এবং বর্তমানে তার ফুসফুস আক্রান্ত, তাই আপাতত কোনো ভিজিটর অনুমোদন করা হচ্ছে না, বিষয়টি সবাই সহানুভূতির সাথে গ্রহণ করবেন বলে আশা করছি।
দুদিন আগে তাকে আইসিইউতে স্থানান্তরের পরিকল্পনাও করা হয়েছিল। আল্লাহর অশেষ রহমত এবং চিকিৎসকদের আন্তরিক প্রচেষ্টায় আমরা আপাতত সেই কঠিন সময় অতিক্রম করতে পেরেছি, তবে এখনও পুরোপুরি ঝুঁকিমুক্ত নন। চিকিৎসকরা ধারণা করছেন আরও ৪/৫ দিন সময় লাগতে পারে।
পরিবারের পক্ষ থেকে তিনি সম্পূর্ণ সুস্থ হওয়ার পর বিষয়টি জানাতে চেয়েছিলাম। কিন্তু গত কয়েকদিন তার অনলাইনে অনুপস্থিতি দেখে আপনাদের শত শত কল ও বার্তা এবং এনসিপির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে বিভিন্ন স্থান থেকে নেতাকর্মীদের উদ্বিগ্ন যোগাযোগের কারণে বিষয়টি জানানোকে দায়িত্ব মনে করেছি।
অনেকে হাসপাতালের ঠিকানা জানতে চেয়েছেন। তিনি পাশ করার পর প্রায় ৯ বছর যে গাইনি ক্লিনিকে কাজ করেছেন, সেটিকেই তিনি নিজের দ্বিতীয় ঘর মনে করেন। আমি ঢাকা মেডিকেলে ডিউটিরত থাকার সময়ও তিনি নিজ সিদ্ধান্তে সেখানে ভর্তি হয়েছেন। তার কমফোর্ট জোন বিবেচনায় আমরা তাকে সেখানেই রেখেছি।
গত ২২-২৩ তারিখ থেকেই তিনি অনেক বেশি শারীরিক কষ্ট পেয়েছেন। আমি দেশবাসীর কাছে আমার স্ত্রীর জন্য আন্তরিক দোয়া প্রার্থনা করছি। তার কথা বা অবস্থানের কারণে যদি কেউ কোনোভাবে কষ্ট পেয়ে থাকেন, তাহলে নিজ গুণে ক্ষমা করে দেওয়ার অনুরোধ জানাচ্ছি। আমার বাচ্চারা, আমরা ব্যক্তিগত ও পারিবারিকভাবে এই মুহূর্তে কিছুটা ভঙ্গুর অবস্থার মধ্য দিয়ে যাচ্ছি।
পবিত্র রমযান মাসের বরকতময় সময়ে আপনাদের আন্তরিক দোয়ার উছিলায় মহান আল্লাহ তাআলা যেন তাকে দ্রুত পূর্ণ সুস্থতা দান করেন এই কামনাই করছি। আপনাদের কাছে বিনীত অনুরোধ, তার নাম মনে পড়লেই নাম ধরে আল্লাহর কাছে দোয়া করবেন।
আপনাদের দোয়া, ভালোবাসা ও সমর্থন আমাদের জন্য অনেক বড় শক্তি। মহান রাব্বুল আলামিন আপনাদের অন্তরে তার জন্য যে ভালোবাসা ও সম্মান সৃষ্টি করেছেন, সেই ভালোবাসা ও দোয়াতেই তিনি দ্রুত সুস্থ হয়ে আমাদের মাঝে ফিরে আসবেন এবং আপনাদের আশানুরূপ স্থানে আমরা অতি দ্রুতই তার কণ্ঠস্বর শুনতে পাবো ইনশাআল্লাহ।
জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) কেন্দ্রীয় যুগ্ম সদস্য সচিব ডা. মাহমুদা মিতু ফুসফুসের সংক্রমণসহ কিছু জটিলতার কারণে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। ইতোমধ্যে তার জরুরি অপারেশন সম্পন্ন হয়েছে।
শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) ডা. মাহমুদা মিতুর ভেরিফায়েড ফেসবুক আইডিতে দেওয়া এক পোস্টে এসব তথ্য জানান তার স্বামী। পোস্টে তিনি উল্লেখ করেন, আসসালামু আলাইকুম। আপনাদের সকলের দোয়া ও ভালোবাসার প্রতি গভীর কৃতজ্ঞতা জানিয়ে কিছু জরুরি বিষয় জানাচ্ছি।
আমার স্ত্রী ডা. মাহমুদা মিতুর গত ২৩ তারিখ হঠাৎ গাইনোকোলজিকাল ইমার্জেন্সি দেখা দেওয়ায় জরুরি অপারেশন করতে হয়েছে। অপারেশনের পূর্বে তিনি প্রায় শক অবস্থায় ছিলেন এবং পেটের ভিতরে অতিরিক্ত রক্তক্ষরণজনিত জটিলতা তৈরি হয়েছিল। অনেকেই দৌড়ে এসে রক্ত দিয়ে গেছেন। আপনাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা। আপনাদের সহায়তা, আল্লাহর অশেষ রহমত এবং চিকিৎসকদের সর্বোচ্চ প্রচেষ্টায় সেই কঠিন সংকট সামাল দেওয়া সম্ভব হয়েছে।
তবে অপারেশনের পর কিছু জটিলতা দেখা দেয়। বর্তমানে অপারেশনজনিত সমস্যা না থাকলেও পোস্ট-অপারেটিভ ফুসফুসের সংক্রমণসহ আরও কিছু জটিলতার কারণে তিনি এখনও হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন।
সেপটিসেমিয়ার ফিচারসহ, ডি ডাইমার, লিভার এনজাইম, সি আর পি, WBC সব প্যারামিটার রেইজসড সাথে নিউট্রোফিলিয়া। নতুন করে হাই ডায়বেটিক (অন ইন্সুলিন) অবস্থায় আছে। অক্সিজেন সাপোর্ট ছাড়া তার এখনো স্যাচুরেশন ফল করছে, তবে যেগুলো বেশি ছিল সেগুলো এখন কমে আসছে, আজকে শুধু WBC বেড়েছে।
এই সকল প্যারামিটার রেইজ যেহেতু এবং বর্তমানে তার ফুসফুস আক্রান্ত, তাই আপাতত কোনো ভিজিটর অনুমোদন করা হচ্ছে না, বিষয়টি সবাই সহানুভূতির সাথে গ্রহণ করবেন বলে আশা করছি।
দুদিন আগে তাকে আইসিইউতে স্থানান্তরের পরিকল্পনাও করা হয়েছিল। আল্লাহর অশেষ রহমত এবং চিকিৎসকদের আন্তরিক প্রচেষ্টায় আমরা আপাতত সেই কঠিন সময় অতিক্রম করতে পেরেছি, তবে এখনও পুরোপুরি ঝুঁকিমুক্ত নন। চিকিৎসকরা ধারণা করছেন আরও ৪/৫ দিন সময় লাগতে পারে।
পরিবারের পক্ষ থেকে তিনি সম্পূর্ণ সুস্থ হওয়ার পর বিষয়টি জানাতে চেয়েছিলাম। কিন্তু গত কয়েকদিন তার অনলাইনে অনুপস্থিতি দেখে আপনাদের শত শত কল ও বার্তা এবং এনসিপির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে বিভিন্ন স্থান থেকে নেতাকর্মীদের উদ্বিগ্ন যোগাযোগের কারণে বিষয়টি জানানোকে দায়িত্ব মনে করেছি।
অনেকে হাসপাতালের ঠিকানা জানতে চেয়েছেন। তিনি পাশ করার পর প্রায় ৯ বছর যে গাইনি ক্লিনিকে কাজ করেছেন, সেটিকেই তিনি নিজের দ্বিতীয় ঘর মনে করেন। আমি ঢাকা মেডিকেলে ডিউটিরত থাকার সময়ও তিনি নিজ সিদ্ধান্তে সেখানে ভর্তি হয়েছেন। তার কমফোর্ট জোন বিবেচনায় আমরা তাকে সেখানেই রেখেছি।
গত ২২-২৩ তারিখ থেকেই তিনি অনেক বেশি শারীরিক কষ্ট পেয়েছেন। আমি দেশবাসীর কাছে আমার স্ত্রীর জন্য আন্তরিক দোয়া প্রার্থনা করছি। তার কথা বা অবস্থানের কারণে যদি কেউ কোনোভাবে কষ্ট পেয়ে থাকেন, তাহলে নিজ গুণে ক্ষমা করে দেওয়ার অনুরোধ জানাচ্ছি। আমার বাচ্চারা, আমরা ব্যক্তিগত ও পারিবারিকভাবে এই মুহূর্তে কিছুটা ভঙ্গুর অবস্থার মধ্য দিয়ে যাচ্ছি।
পবিত্র রমযান মাসের বরকতময় সময়ে আপনাদের আন্তরিক দোয়ার উছিলায় মহান আল্লাহ তাআলা যেন তাকে দ্রুত পূর্ণ সুস্থতা দান করেন এই কামনাই করছি। আপনাদের কাছে বিনীত অনুরোধ, তার নাম মনে পড়লেই নাম ধরে আল্লাহর কাছে দোয়া করবেন।
আপনাদের দোয়া, ভালোবাসা ও সমর্থন আমাদের জন্য অনেক বড় শক্তি। মহান রাব্বুল আলামিন আপনাদের অন্তরে তার জন্য যে ভালোবাসা ও সম্মান সৃষ্টি করেছেন, সেই ভালোবাসা ও দোয়াতেই তিনি দ্রুত সুস্থ হয়ে আমাদের মাঝে ফিরে আসবেন এবং আপনাদের আশানুরূপ স্থানে আমরা অতি দ্রুতই তার কণ্ঠস্বর শুনতে পাবো ইনশাআল্লাহ।
ঝালকাঠি-পিরোজপুর আঞ্চলিক মহাসড়কের সমবায় এলাকায় সড়ক দুর্ঘটনায় খলিলুর রহমান (৪৫) নামের এক অটোরিকশা চালক নিহত হয়েছেন। শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে একটি যাত্রীবাহী অটোরিকশা ও দ্রুতগামী মোটরসাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, রাজাপুর উপজেলা থেকে ভান্ডারিয়াগামী একটি অটোরিকশা সমবায় এলাকায় পৌঁছালে বিপরীত দিক থেকে আসা একটি মোটরসাইকেলের সঙ্গে প্রচণ্ড সংঘর্ষ হয়। সংঘর্ষে অটোরিকশাটি দুমড়ে-মুচড়ে যায় এবং চালক গুরুতর আহত হন। স্থানীয়রা দ্রুত উদ্ধার কাজে এগিয়ে এলেও ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়।
খবর পেয়ে রাজাপুর থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়।
নিহত খলিলুর রহমান রাজাপুর উপজেলার কৈবত্যখালী গ্রামের ইমান আলী খানের ছেলে।
দুর্ঘটনায় মোটরসাইকেল আরোহীও আহত হয়েছেন। তাকে স্থানীয় হাসপাতালে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে।
রাজাপুর থানা পুলিশ জানিয়েছে, দুর্ঘটনাকবলিত যানবাহন দুটি পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয়েছে এবং এ ঘটনায় আইনগত প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।
স্থানীয়দের অভিযোগ, মহাসড়কে বেপরোয়া গতি ও অসতর্কতার কারণে প্রায়ই দুর্ঘটনা ঘটছে। তারা সড়কের গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টগুলোতে গতিরোধক স্থাপন ও ট্রাফিক পুলিশের নজরদারি জোরদারের দাবি জানিয়েছেন।
ঝালকাঠির রাজাপুরে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামি-এর নির্বাচনী প্রতীক দাঁড়িপাল্লায় ভোট দেওয়াকে কেন্দ্র করে তিন নারীকে পিটিয়ে আহত করার অভিযোগ উঠেছে বিএনপি সমর্থিত নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় সোমবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) ঝালকাঠি আদালতে একটি মামলা দায়ের করেছেন আহত পরিবারের।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, মৃত নাজেম আলী মুন্সির ছেলে-মেয়েদের সঙ্গে মৃত আব্দুল বয়াতী ও সুফিন কাজীর ছেলে-মেয়েদের দীর্ঘদিন ধরে জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধ চলে আসছিল।
এরই ধারাবাহিকতায় সাম্প্রতিক নির্বাচনে বিএনপি জয়লাভের পর নাজেম আলী মুন্সির স্ত্রী সুফিয়া বেগম, তার মেয়ে মরিয়ম বেগম ও তাছলিমা বেগমকে জামায়াতের পক্ষে দাঁড়িপাল্লায় ভোট দেওয়াকে কেন্দ্র করে বিএনপির স্থানীয় নেতা মনির কাজী ও জাকির কাজীর নেতৃত্বে সুমনা, ফাহিমা ও হাসিনাসহ আরও কয়েকজন ওই তিন নারীকে মারধর করে আহত করেন এবং ঘটনাস্থলে ফেলে রেখে যান।পরে ভুক্তভোগী পরিবার জাতীয় জরুরি সেবা নম্বর ৯৯৯-এ কল দিলে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে এবং আহতদের উদ্ধার করে রাজাপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পাঠায়।
চিকিৎসকরা প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে সুফিয়া বেগম ও তাছলিমা বেগমকে বাড়িতে পাঠিয়ে দেন। তবে মরিয়ম বেগমের শারীরিক অবস্থার অবনতি হওয়ায় তাকে হাসপাতালে ভর্তি রাখা হয়েছে। ঘটনাটি এলাকায় উত্তেজনার সৃষ্টি করেছে। পরিস্থিতি শান্ত রাখতে পুলিশ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে বলে জানা গেছে।
অভিযুক্ত বিএনপি নেতা মনির কাজীর সঙ্গে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, “আমার বিরুদ্ধে আনা সকল অভিযোগ মিথ্যা ও ভিত্তিহীন। পূর্বের জমিজমা বিরোধের জের ধরে আমাকে রাজনৈতিকভাবে হেয়প্রতিপন্ন করতে এ ধরনের অভিযোগ আনা হয়েছে।”
এ বিষয়ে রাজাপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. নজরুল ইসলাম বলেন, “এ ঘটনায় লিখিত অভিযোগ দিলে। বিষয়টি তদন্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।”
০২ মার্চ, ২০২৬ ২৩:২০
০২ মার্চ, ২০২৬ ২৩:০৮
০২ মার্চ, ২০২৬ ২১:৩৯
০২ মার্চ, ২০২৬ ২১:৩৫