বিডিয়ারের সাবেক ল্যান্স নায়েক মো.মঞ্জুরুল ইসলাম (৫৫)। গত বুধবার (১৫ অক্টোবর) ঢাকার কেরনিগঞ্জের কারাগার থেকে তিনি জামিনে মুক্তি পান।
মুক্তি পেয়ে দীর্ঘ ১৬ বছর পর নিজ সন্তানদের বাবার স্পর্শ দিতে পেরে আনন্দে আত্মহারা তিনি। মঞ্জুরুল ইসলামের মুক্তিতে আনন্দে ভাসছে পুরো গ্রাম। মো.মঞ্জুরুল ইসলামের বাড়ি পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলার কালিশুরী ইউনিয়নের কবিরকাঠী গ্রামে। মঞ্জুরুল ইসলাম বৃহস্পতিবার বাড়ি পৌঁছালে গ্রামের নারী-পুরুষ ও স্বজনেরা তাকে দেখতে আসেন।
কেউ কেউ তাকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানিয়েছেন, আবার মিষ্টি খাইয়ে দিয়েছেন। ওই এলাকায় যেন আনন্দের বন্যা বইছে। কালিশুরী ডিগ্রী কলেজের ইংরেজি বিষয়ের শিক্ষক মো. খালিদুর রহমান এসেছেন ফুল ও মিষ্টি নিয়ে।
তিনি বলেন,‘মঞ্জুরুল ইসলাম তার বন্ধু। খুবই ভালো মানুষ। ফ্যাসিষ্ট শেখ হাসিনা সরকার নিজেদের দোষ যাতে প্রকাশ না পায়, সেই উদ্দেশ্যে নিরাপরাদ বিডিআর সদস্যদের কারাগারে রেখে অবিচার ও জুলুম করেছেন।
এরও বিচার হওয়া উচিৎ।’ মঞ্জুরুল ইসলাম বলেন, বিচারের আগ পর্যন্ত জেল খানায় থাকাকালীন আদালতে আনা নেওয়া ছাড়া তারা সূর্য্যরে আলো দেখতে পেতেন না। জেলাখানার মধ্যে কক্ষের বাহিরে যেতে দেওয়া হত না।
রিমান্ডে নিয়ে সাবেক সেনা কর্মকর্তা জিয়াউল আহসানও তাকেসহ অন্যদের মিথ্যা স্বীকারোক্তি আদায়ের জন্য নির্যাতন করেছিলেন। খুবই মানবেতর জীবন যাপন করেছেন।
মঞ্জুরুল ইসলাম বলেন, যখন আত্মসমর্পন করি তখন সাড়ে তিন বছর ও সাত বছরের দুটি কন্যা সন্তান রেখে যাই। তার অবর্তমানেই বড় মেয়ে পলি আক্তারের ২০১৭ সালে বিয়ে হয়।
তার সাত বছরের ছেলে মশিউর রহমান ও পাঁচ দিনের একটি কন্যা হয়েছে। আর সাড়ে তিন বছরের শাহানা আক্তার মনি এখন ডিগ্রী প্রথম বর্ষের ছাত্রী।
কারাগারে থাকাকালীন মা আমিনজান বিবি, ভাই মো. দুলাল, দুই বোন রাহেলা বেগম ও ফোকন বিবি, চাচী হনুফা বিবি মারা গেছেন। কারো লাশ পর্যন্ত দেখতে পারেননি। আজ মা বেঁচে থাকলে তিনি সবেচেয়ে বেশি খুশি হতেন।
ছোট মেয়ে শাহানা আক্তার মনি (২০) বলেন,‘বাবা কেমন তা বোঝার আগেই তিনি তাকে ছেড়ে কারাগারে চলে যান। সেই থেকে ১৬ টি বছর বাবাকে কাছে পাননি, আদর-সোহাগ থেকে বঞ্চিত হয়েছেন, বাবাকে স্পর্শ করতে পারেননি।
বাবা যখন গতকাল বুধবার জেল থেকে বের হয়ে তাকে জড়িয়ে ধরে আদর করছিল, আর কান্না করছিল সেই অনুভ‚তির কথা বোঝানোর মত ভাষা তার জানা নেই।’ স্ত্রী নিলুফা বেগম (৫০) বলেন,‘আমি স্বামী পেয়েছি, সন্তানেরা তার বাবাকে ফিরে পেয়েছে।
আমার আনন্দের অনুভ‚তি প্রকাশ করার মত ভাষা জানা নাই।’ মঞ্জুরুল ইসলাম ২০০৯ সালের ৩ মার্চ পিলখানায় আত্মসমর্পন করেন। তাকে প্রথমে হত্যা মামলায় আসামি করা হয়।
ওই মামলায় ২০১৩ সালের ৫ নভেম্বর বিচারিক আদালত তাকে সাত বছরের সশ্রম কারাদÐ দেন। পরে হাইকোর্ট ২০১৭ সালের ২৭ নভেম্বর বেকসুর খালাস দিলে বিস্ফোরক দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনের মামলায় পরে আটক দেখানো হয়।

৩০ জুলাই, ২০২৬ ১৩:২৫
পটুয়াখালীর বাউফলে এক গৃহবধূকে উত্ত্যক্তের অভিযোগে দাসপাড়া ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ড জামায়াতের সেক্রেটারি ফারুক হোসেন প্যাদাকে (৪০) মারধর করার ঘটনা ঘটেছে।
বুধবার (২৯ জুলাই) রাত সাড়ে ৮টার দিকে উপজেলার দাসপাড়া ইউনিয়নে খেজুরবাড়ীয়া গ্রমে এ ঘটনাটি ঘটে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, রাত ৮টার দিকে স্থানীয় কয়েকজন ব্যক্তি ফারুক হোসেন প্যাদার বিরুদ্ধে এক গৃহবধূকে উত্ত্যক্ত করার অভিযোগ এনে ওই গৃহবধূর স্বামী পারভেজ সহ কয়েকজন তাকে জিজ্ঞাসা করলে উভয়ের মধ্যে বাকবিতন্ডা হয়। একপর্যায়ে তাকে মারধর করা হয়। পরে স্থানীয়রা আহত ফারুককে উদ্ধার করে বাউফল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন।
অভিযোগ অস্বীকার করেছেন ফারুক হোসেন প্যাদা বলেন, স্থানীয় সাইদুল, পারভেজ মৃধা সহ তাদের বাড়ির ৪-৫ জন আমাকে মারধর করেছে। তারা আমার কাছে থাকা ৫০ হাজার টাকা ও একটি মোবাইল ফোন নিয়ে গেছে। অতীতে তাদের সঙ্গে আমার বিরোধ ছিল। সেই বিরোধের জেরে আমার বিরুদ্ধে এক নারীর সম্পর্ক রয়েছে বলে গুজব ছড়াচ্ছে। আমি তাদের এ ধরনের মিথ্যা অপবাদ না ছড়ানোর অনুরোধ করি। আমি কোনো নারীকে উত্ত্যক্ত করিনি। তারপরও কথিত অভিযোগে আমাকে মারধর করা হয়েছে।
অন্যদিকে, ওই গৃহবধূর পরিবারের সদস্যরা দাবি করেন, ফারুক দীর্ঘদিন ধরে আমার পুত্রবধূকে বিভিন্নভাবে বিরক্ত করত। তাকে টাকা-পয়সার প্রলোভন দিত। একপর্যায়ে সে আমাদের পরিবারের সঙ্গে সখ্য গড়ে তোলে। বিষয়টি নিয়ে এলাকায় কানাঘুষা চলছিল। প্রথমে আমরা তা বিশ্বাস করিনি। পরে কিছু ছবি দেখানোর পর বিষয়টি বিশ্বাস করি। এ নিয়ে স্থানীয়ভাবে সালিশও হয়েছিল। এরপরও সে আমার পুত্রবধূকে কুপ্রস্তাব দিত।
বাউফল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সিরাজুল ইসলাম বলেন, মারধরের ঘটনার খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পাঠানো হয়েছে। এ বিষয়ে লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
পটুয়াখালীর বাউফলে এক গৃহবধূকে উত্ত্যক্তের অভিযোগে দাসপাড়া ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ড জামায়াতের সেক্রেটারি ফারুক হোসেন প্যাদাকে (৪০) মারধর করার ঘটনা ঘটেছে।
বুধবার (২৯ জুলাই) রাত সাড়ে ৮টার দিকে উপজেলার দাসপাড়া ইউনিয়নে খেজুরবাড়ীয়া গ্রমে এ ঘটনাটি ঘটে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, রাত ৮টার দিকে স্থানীয় কয়েকজন ব্যক্তি ফারুক হোসেন প্যাদার বিরুদ্ধে এক গৃহবধূকে উত্ত্যক্ত করার অভিযোগ এনে ওই গৃহবধূর স্বামী পারভেজ সহ কয়েকজন তাকে জিজ্ঞাসা করলে উভয়ের মধ্যে বাকবিতন্ডা হয়। একপর্যায়ে তাকে মারধর করা হয়। পরে স্থানীয়রা আহত ফারুককে উদ্ধার করে বাউফল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন।
অভিযোগ অস্বীকার করেছেন ফারুক হোসেন প্যাদা বলেন, স্থানীয় সাইদুল, পারভেজ মৃধা সহ তাদের বাড়ির ৪-৫ জন আমাকে মারধর করেছে। তারা আমার কাছে থাকা ৫০ হাজার টাকা ও একটি মোবাইল ফোন নিয়ে গেছে। অতীতে তাদের সঙ্গে আমার বিরোধ ছিল। সেই বিরোধের জেরে আমার বিরুদ্ধে এক নারীর সম্পর্ক রয়েছে বলে গুজব ছড়াচ্ছে। আমি তাদের এ ধরনের মিথ্যা অপবাদ না ছড়ানোর অনুরোধ করি। আমি কোনো নারীকে উত্ত্যক্ত করিনি। তারপরও কথিত অভিযোগে আমাকে মারধর করা হয়েছে।
অন্যদিকে, ওই গৃহবধূর পরিবারের সদস্যরা দাবি করেন, ফারুক দীর্ঘদিন ধরে আমার পুত্রবধূকে বিভিন্নভাবে বিরক্ত করত। তাকে টাকা-পয়সার প্রলোভন দিত। একপর্যায়ে সে আমাদের পরিবারের সঙ্গে সখ্য গড়ে তোলে। বিষয়টি নিয়ে এলাকায় কানাঘুষা চলছিল। প্রথমে আমরা তা বিশ্বাস করিনি। পরে কিছু ছবি দেখানোর পর বিষয়টি বিশ্বাস করি। এ নিয়ে স্থানীয়ভাবে সালিশও হয়েছিল। এরপরও সে আমার পুত্রবধূকে কুপ্রস্তাব দিত।
বাউফল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সিরাজুল ইসলাম বলেন, মারধরের ঘটনার খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পাঠানো হয়েছে। এ বিষয়ে লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

২৯ জুলাই, ২০২৬ ১৭:১৬
পটুয়াখালীর দুমকিতে মাদক ব্যবসার প্রতিবাদ করায় চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ী ফিরোজ খান এবং মিরাজ খান গং কর্তৃক সাবেক ছাত্রনেতা সাইফুল আলম শুভ খানসহ কয়েকজন যুবকের ওপর হামলা ও প্রাণনাশের হুমকির ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় এলাকায় সাধারণ মানুষের মধ্যে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। এ ঘটনায় দুমকি থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করেন হামলার শিকার সাইফুল আলম।
জানা যায়, উপজেলার শ্রীরামপুর ইউনিয়নের ৩ নং ওয়ার্ডের পশ্চিম শ্রীরামপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় সংলগ্ন মৃত্যু সোলাইমান খানের ছেলে চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ী ফিরোজ খান প্রায় এক যুগ ধরে দাপটের সাথে গাঁজা ইয়াবার ব্যবসা করে আসছে। ব্যবসা করতে গিয়ে তিনি বেশ কয়েকবার মাদকসহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর হাতে মাদকসহ গ্রেফতার হন। কিছুদিন জেল খেটে বেরিয়ে পূনরায় বীরদর্পে প্রকাশ্যে মাদক ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছেন। এতে এলাকায় সাধারণ মানুষের মধ্যে আতংক বিরাজ করছে।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, সম্প্রতি ফিরোজ খান ও মিরাজ খানের প্রকাশ্যে মাদক ব্যবসার প্রতিবাদ করেন একই এলাকার বাসিন্দা সাবেক ছাত্রনেতা মোঃ সাইফুল আলম শুভ সহ কয়েকজন যুবক।এতে ক্ষিপ্ত হয়ে পূর্ব পরিকল্পিতভাবে ওঁৎ পেতে থেকে গত ২৪ জুলাই রাতে ফিরোজ খান ও মিরাজ খানসহ তাদের সহযোগীদের নিয়ে সাইফুল আলম শুভ, মনির হোসেন,আবু তাহের সহ কয়েকজন যুবকের ওপর অতর্কিত হামলা চালায়। এবং এ ঘটনায় আইনি পদক্ষেপ গ্রহন করলে প্রাণনাশের হুমকি দেয়।
এ বিষয়ে দুমকি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোঃ সেলিম উদ্দিন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, ঘটনা শুনে তাৎক্ষণিকভাবে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। এ ব্যাপারে পরবর্তী আইনগত কার্যক্রম চলমান রয়েছে।’
পটুয়াখালীর দুমকিতে মাদক ব্যবসার প্রতিবাদ করায় চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ী ফিরোজ খান এবং মিরাজ খান গং কর্তৃক সাবেক ছাত্রনেতা সাইফুল আলম শুভ খানসহ কয়েকজন যুবকের ওপর হামলা ও প্রাণনাশের হুমকির ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় এলাকায় সাধারণ মানুষের মধ্যে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। এ ঘটনায় দুমকি থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করেন হামলার শিকার সাইফুল আলম।
জানা যায়, উপজেলার শ্রীরামপুর ইউনিয়নের ৩ নং ওয়ার্ডের পশ্চিম শ্রীরামপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় সংলগ্ন মৃত্যু সোলাইমান খানের ছেলে চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ী ফিরোজ খান প্রায় এক যুগ ধরে দাপটের সাথে গাঁজা ইয়াবার ব্যবসা করে আসছে। ব্যবসা করতে গিয়ে তিনি বেশ কয়েকবার মাদকসহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর হাতে মাদকসহ গ্রেফতার হন। কিছুদিন জেল খেটে বেরিয়ে পূনরায় বীরদর্পে প্রকাশ্যে মাদক ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছেন। এতে এলাকায় সাধারণ মানুষের মধ্যে আতংক বিরাজ করছে।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, সম্প্রতি ফিরোজ খান ও মিরাজ খানের প্রকাশ্যে মাদক ব্যবসার প্রতিবাদ করেন একই এলাকার বাসিন্দা সাবেক ছাত্রনেতা মোঃ সাইফুল আলম শুভ সহ কয়েকজন যুবক।এতে ক্ষিপ্ত হয়ে পূর্ব পরিকল্পিতভাবে ওঁৎ পেতে থেকে গত ২৪ জুলাই রাতে ফিরোজ খান ও মিরাজ খানসহ তাদের সহযোগীদের নিয়ে সাইফুল আলম শুভ, মনির হোসেন,আবু তাহের সহ কয়েকজন যুবকের ওপর অতর্কিত হামলা চালায়। এবং এ ঘটনায় আইনি পদক্ষেপ গ্রহন করলে প্রাণনাশের হুমকি দেয়।
এ বিষয়ে দুমকি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোঃ সেলিম উদ্দিন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, ঘটনা শুনে তাৎক্ষণিকভাবে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। এ ব্যাপারে পরবর্তী আইনগত কার্যক্রম চলমান রয়েছে।’

২৯ জুলাই, ২০২৬ ১৪:৫৩
বিধবা নারীকে ধর্ষণের অভিযোগে পটুয়াখালী সদর উপজেলা যুব জামায়াতের সভাপতি মো. শহিদুল ইসলামের বিরুদ্ধে আদালতে মামলা দায়ের করেছেন এক ভুক্তভোগী নারী। চলতি মাসের ২২ তারিখ পটুয়াখালী নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল আদালতে বাদি হয়ে মামলা দায়ের করা হয়।
এদিকে, মামলাটি আদালত আমলে নিয়ে পটুয়াখালী সদর থানায় এজাহার পূর্বক আসামির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন।
অভিযুক্ত শহিদুল ইসলাম পটুয়াখালী সদর উপজেলার ইটবাড়িয়া ইউনিয়নের বানিয়াকাঠী গ্রামের আবুল কালামের ছেলে।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, প্রায় ৭ বছর আগে ভুক্তভোগী নারীর স্বামী মারা যান। এরপর তিনি একমাত্র ছেলেকে নিয়ে বাবা বাড়ি ইটবাড়িয়া ইউনিয়নে চলে যান। সেখানে তাকে দেখার পর শহিদুল ইসলাম বিভিন্ন সময় কু-প্রস্তাব দেন। এতে রাজী না হলে শহিদুল তাকে বিবাহের প্রস্তাব দেন।
চলতি বছরের ২৪ মার্চ ওই বিধবা ভুক্তভোগী নারীকে প্রলোভন দেখিয়ে শহরের শেরে বাংলা সড়কে শহীদুলের বোনের বাসায় নিয়ে গেলে কক্ষের মধ্যে আটকে তাকে জোরপূর্বক ধর্ষণ করেন অভিযুক্ত শহিদুল। পরে ভয়ভীতি দেখিয়ে একাধিকবার ধর্ষণ করলে অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়েন তিনি।
এ বিষয়ে বাদীপক্ষের আইনজীবী মো. হুমায়ুন কবির বলেন, ওই নারীকে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে শহরে নিয়ে আসা হয়। পরে শহিদুলের বোনের বাসায় নিয়ে ভয়ভীতি দেখিয়ে একাধিকবার ধর্ষণ করা হয়েছে। আদালতের বিচারক মামলাটি আমলে নিয়েছেন। পটুয়াখালী সদর থানায় মামলা এজাহার পূর্বক আসামির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য ওসিকে নির্দেশ দিয়েছেন।
এ বিষয়ে জেলা জামায়াতের আমির অ্যাডভোকেট নাজমুল আহসান বলেন, যেহেতু তার (মো.শহিদুল) নামে আদালতে মামলা হয়েছে, এ বিষয়ে আমাদের কিছু বলা উচিত না। আদালত তার বিচার করবেন। আদালত দেখবেন সত্য নাকি মিথ্যা। দোষী হলে পরে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেয়া হবে।
পটুয়াখালী সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মনিরুজ্জামান বরিশালটাইমসকে বলেন, আমরা এখন পর্যন্ত মামলার কপি হাতে পাইনি। কপি হাতে পেলে আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী আসামির বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’
বিধবা নারীকে ধর্ষণের অভিযোগে পটুয়াখালী সদর উপজেলা যুব জামায়াতের সভাপতি মো. শহিদুল ইসলামের বিরুদ্ধে আদালতে মামলা দায়ের করেছেন এক ভুক্তভোগী নারী। চলতি মাসের ২২ তারিখ পটুয়াখালী নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল আদালতে বাদি হয়ে মামলা দায়ের করা হয়।
এদিকে, মামলাটি আদালত আমলে নিয়ে পটুয়াখালী সদর থানায় এজাহার পূর্বক আসামির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন।
অভিযুক্ত শহিদুল ইসলাম পটুয়াখালী সদর উপজেলার ইটবাড়িয়া ইউনিয়নের বানিয়াকাঠী গ্রামের আবুল কালামের ছেলে।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, প্রায় ৭ বছর আগে ভুক্তভোগী নারীর স্বামী মারা যান। এরপর তিনি একমাত্র ছেলেকে নিয়ে বাবা বাড়ি ইটবাড়িয়া ইউনিয়নে চলে যান। সেখানে তাকে দেখার পর শহিদুল ইসলাম বিভিন্ন সময় কু-প্রস্তাব দেন। এতে রাজী না হলে শহিদুল তাকে বিবাহের প্রস্তাব দেন।
চলতি বছরের ২৪ মার্চ ওই বিধবা ভুক্তভোগী নারীকে প্রলোভন দেখিয়ে শহরের শেরে বাংলা সড়কে শহীদুলের বোনের বাসায় নিয়ে গেলে কক্ষের মধ্যে আটকে তাকে জোরপূর্বক ধর্ষণ করেন অভিযুক্ত শহিদুল। পরে ভয়ভীতি দেখিয়ে একাধিকবার ধর্ষণ করলে অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়েন তিনি।
এ বিষয়ে বাদীপক্ষের আইনজীবী মো. হুমায়ুন কবির বলেন, ওই নারীকে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে শহরে নিয়ে আসা হয়। পরে শহিদুলের বোনের বাসায় নিয়ে ভয়ভীতি দেখিয়ে একাধিকবার ধর্ষণ করা হয়েছে। আদালতের বিচারক মামলাটি আমলে নিয়েছেন। পটুয়াখালী সদর থানায় মামলা এজাহার পূর্বক আসামির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য ওসিকে নির্দেশ দিয়েছেন।
এ বিষয়ে জেলা জামায়াতের আমির অ্যাডভোকেট নাজমুল আহসান বলেন, যেহেতু তার (মো.শহিদুল) নামে আদালতে মামলা হয়েছে, এ বিষয়ে আমাদের কিছু বলা উচিত না। আদালত তার বিচার করবেন। আদালত দেখবেন সত্য নাকি মিথ্যা। দোষী হলে পরে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেয়া হবে।
পটুয়াখালী সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মনিরুজ্জামান বরিশালটাইমসকে বলেন, আমরা এখন পর্যন্ত মামলার কপি হাতে পাইনি। কপি হাতে পেলে আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী আসামির বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’

১৮ অক্টোবর, ২০২৫ ১৯:৩৭
বিডিয়ারের সাবেক ল্যান্স নায়েক মো.মঞ্জুরুল ইসলাম (৫৫)। গত বুধবার (১৫ অক্টোবর) ঢাকার কেরনিগঞ্জের কারাগার থেকে তিনি জামিনে মুক্তি পান।
মুক্তি পেয়ে দীর্ঘ ১৬ বছর পর নিজ সন্তানদের বাবার স্পর্শ দিতে পেরে আনন্দে আত্মহারা তিনি। মঞ্জুরুল ইসলামের মুক্তিতে আনন্দে ভাসছে পুরো গ্রাম। মো.মঞ্জুরুল ইসলামের বাড়ি পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলার কালিশুরী ইউনিয়নের কবিরকাঠী গ্রামে। মঞ্জুরুল ইসলাম বৃহস্পতিবার বাড়ি পৌঁছালে গ্রামের নারী-পুরুষ ও স্বজনেরা তাকে দেখতে আসেন।
কেউ কেউ তাকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানিয়েছেন, আবার মিষ্টি খাইয়ে দিয়েছেন। ওই এলাকায় যেন আনন্দের বন্যা বইছে। কালিশুরী ডিগ্রী কলেজের ইংরেজি বিষয়ের শিক্ষক মো. খালিদুর রহমান এসেছেন ফুল ও মিষ্টি নিয়ে।
তিনি বলেন,‘মঞ্জুরুল ইসলাম তার বন্ধু। খুবই ভালো মানুষ। ফ্যাসিষ্ট শেখ হাসিনা সরকার নিজেদের দোষ যাতে প্রকাশ না পায়, সেই উদ্দেশ্যে নিরাপরাদ বিডিআর সদস্যদের কারাগারে রেখে অবিচার ও জুলুম করেছেন।
এরও বিচার হওয়া উচিৎ।’ মঞ্জুরুল ইসলাম বলেন, বিচারের আগ পর্যন্ত জেল খানায় থাকাকালীন আদালতে আনা নেওয়া ছাড়া তারা সূর্য্যরে আলো দেখতে পেতেন না। জেলাখানার মধ্যে কক্ষের বাহিরে যেতে দেওয়া হত না।
রিমান্ডে নিয়ে সাবেক সেনা কর্মকর্তা জিয়াউল আহসানও তাকেসহ অন্যদের মিথ্যা স্বীকারোক্তি আদায়ের জন্য নির্যাতন করেছিলেন। খুবই মানবেতর জীবন যাপন করেছেন।
মঞ্জুরুল ইসলাম বলেন, যখন আত্মসমর্পন করি তখন সাড়ে তিন বছর ও সাত বছরের দুটি কন্যা সন্তান রেখে যাই। তার অবর্তমানেই বড় মেয়ে পলি আক্তারের ২০১৭ সালে বিয়ে হয়।
তার সাত বছরের ছেলে মশিউর রহমান ও পাঁচ দিনের একটি কন্যা হয়েছে। আর সাড়ে তিন বছরের শাহানা আক্তার মনি এখন ডিগ্রী প্রথম বর্ষের ছাত্রী।
কারাগারে থাকাকালীন মা আমিনজান বিবি, ভাই মো. দুলাল, দুই বোন রাহেলা বেগম ও ফোকন বিবি, চাচী হনুফা বিবি মারা গেছেন। কারো লাশ পর্যন্ত দেখতে পারেননি। আজ মা বেঁচে থাকলে তিনি সবেচেয়ে বেশি খুশি হতেন।
ছোট মেয়ে শাহানা আক্তার মনি (২০) বলেন,‘বাবা কেমন তা বোঝার আগেই তিনি তাকে ছেড়ে কারাগারে চলে যান। সেই থেকে ১৬ টি বছর বাবাকে কাছে পাননি, আদর-সোহাগ থেকে বঞ্চিত হয়েছেন, বাবাকে স্পর্শ করতে পারেননি।
বাবা যখন গতকাল বুধবার জেল থেকে বের হয়ে তাকে জড়িয়ে ধরে আদর করছিল, আর কান্না করছিল সেই অনুভ‚তির কথা বোঝানোর মত ভাষা তার জানা নেই।’ স্ত্রী নিলুফা বেগম (৫০) বলেন,‘আমি স্বামী পেয়েছি, সন্তানেরা তার বাবাকে ফিরে পেয়েছে।
আমার আনন্দের অনুভ‚তি প্রকাশ করার মত ভাষা জানা নাই।’ মঞ্জুরুল ইসলাম ২০০৯ সালের ৩ মার্চ পিলখানায় আত্মসমর্পন করেন। তাকে প্রথমে হত্যা মামলায় আসামি করা হয়।
ওই মামলায় ২০১৩ সালের ৫ নভেম্বর বিচারিক আদালত তাকে সাত বছরের সশ্রম কারাদÐ দেন। পরে হাইকোর্ট ২০১৭ সালের ২৭ নভেম্বর বেকসুর খালাস দিলে বিস্ফোরক দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনের মামলায় পরে আটক দেখানো হয়।