
০৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১৯:০৯
বরিশাল-৪ (হিজলা-মেহেন্দিগঞ্জ) আসনে অবস্থিত সরকারি পাতারহাট আরসি কলেজ মাঠে জনসভায় বক্তব্য রাখবেন জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। শুক্রবার (৬ ফেব্রুয়ারি) এ জনসভা অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। এ উপলক্ষে সার্বিক প্রস্তুতি নিয়েছে দলটির নেতাকর্মীরা।
তবে জনসভাস্থল ঘিরে দেখা গেছে ভিন্ন চিত্র। বুধবার (৪ ফেব্রুয়ারি) সরকারি পাতারহাট আরসি কলেজ মাঠ ও তার আশপাশ এলাকা ঘুরে দেখা যায়, চারদিক ছেয়ে গেছে ধানের শীষের ফেস্টুন-ব্যানারে।
বরিশাল-৪ আসনের বিএনপি মনোনীত ধানের শীষের প্রার্থী রাজিব আহসানের ছবি ও প্রতীক সম্বলিত ব্যানার ও ফেস্টুন লাগানো হয়েছে মাঠের চারদিক এবং সমাবেশস্থলের আশপাশের পথে। প্রথম দেখায় মনে হবে, সেখানে জামায়াতের নয় বিএনপির কোনো সমাবেশ অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে।
বিষয়টিকে ‘গায়ে পড়ে সংঘর্ষ লাগতে আসা’ বলে মন্তব্য করছেন স্থানীয় জামায়াতে ইসলামীর নেতাকর্মীরা। একইসঙ্গে এটিকে রাজনৈতিক শিষ্টাচারবহির্ভূত কাজ বলেও মন্তব্য করেন তারা।
জামায়াতে ইসলামীর বরিশাল-৪ আসনের মিডিয়া বিভাগের আহ্বায়ক মুজাহিদুল ইসলাম ইউসুফ ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, ‘ন্যূনতম রাজনৈতিক শিষ্টাচার থাকলে এহেন কাজ কোনো রাজনৈতিক দল করতে পারে না। যেখানে একটি রাজনৈতিক দলের প্রধান আসবেন, সেই মাঠের আশপাশে অন্য প্রতিদ্বন্দ্বী রাজনৈতিক দলের ব্যানার-ফেস্টুন এভাবে টানানো কোন লেভেলের শিষ্টাচার?’
মেহেন্দিগঞ্জ উপজেলা জামায়াতের আমির মাওলানা শহিদুল ইসলাম বলেন, ‘এটি অত্যন্ত দুঃখজনক। তাদের উচিত ছিল আমাদের দলীয় প্রধানের আগমনের অনুষ্ঠানে সহযোগিতা করা। উল্টো তারা এখানে পায়ে পাড়া দিয়ে আমাদের সঙ্গে ঝামেলা করতে চাচ্ছে। এ আচরণ অগণতান্ত্রিক।’
এ বিষয়ে জানতে বরিশাল-৪ আসনের বিএনপি মনোনীত ধানের শীষের প্রার্থী রাজিব আহসানের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করেও তাকে পাওয়া যায়নি।
তবে মেহেন্দিগঞ্জ উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক গিয়াস উদ্দিন দীপেন বলেন, ‘আমরা নির্বাচনি কোনো আচরণবিধি লঙ্ঘন করে ব্যানার-ফেস্টুন লাগাইনি। রাস্তার আশপাশে ব্যানার-ফেস্টুন লাগাতেই পারি।
আর জামায়াতের আমির আসার বিষয়ে তারা আমাদের কাছে কোনো ধরনের সহযোগিতাও চায়নি। বরং বিগত দিনে জামায়াতের লোকজন বিএনপির ব্যানার-ফেস্টুনের ওপর তাদের নিজেদেরটা লাগিয়েছে। আমরাতো কারও কাছে অভিযোগ করিনি।’
বরিশাল-৪ (হিজলা-মেহেন্দিগঞ্জ) আসনে অবস্থিত সরকারি পাতারহাট আরসি কলেজ মাঠে জনসভায় বক্তব্য রাখবেন জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। শুক্রবার (৬ ফেব্রুয়ারি) এ জনসভা অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। এ উপলক্ষে সার্বিক প্রস্তুতি নিয়েছে দলটির নেতাকর্মীরা।
তবে জনসভাস্থল ঘিরে দেখা গেছে ভিন্ন চিত্র। বুধবার (৪ ফেব্রুয়ারি) সরকারি পাতারহাট আরসি কলেজ মাঠ ও তার আশপাশ এলাকা ঘুরে দেখা যায়, চারদিক ছেয়ে গেছে ধানের শীষের ফেস্টুন-ব্যানারে।
বরিশাল-৪ আসনের বিএনপি মনোনীত ধানের শীষের প্রার্থী রাজিব আহসানের ছবি ও প্রতীক সম্বলিত ব্যানার ও ফেস্টুন লাগানো হয়েছে মাঠের চারদিক এবং সমাবেশস্থলের আশপাশের পথে। প্রথম দেখায় মনে হবে, সেখানে জামায়াতের নয় বিএনপির কোনো সমাবেশ অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে।
বিষয়টিকে ‘গায়ে পড়ে সংঘর্ষ লাগতে আসা’ বলে মন্তব্য করছেন স্থানীয় জামায়াতে ইসলামীর নেতাকর্মীরা। একইসঙ্গে এটিকে রাজনৈতিক শিষ্টাচারবহির্ভূত কাজ বলেও মন্তব্য করেন তারা।
জামায়াতে ইসলামীর বরিশাল-৪ আসনের মিডিয়া বিভাগের আহ্বায়ক মুজাহিদুল ইসলাম ইউসুফ ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, ‘ন্যূনতম রাজনৈতিক শিষ্টাচার থাকলে এহেন কাজ কোনো রাজনৈতিক দল করতে পারে না। যেখানে একটি রাজনৈতিক দলের প্রধান আসবেন, সেই মাঠের আশপাশে অন্য প্রতিদ্বন্দ্বী রাজনৈতিক দলের ব্যানার-ফেস্টুন এভাবে টানানো কোন লেভেলের শিষ্টাচার?’
মেহেন্দিগঞ্জ উপজেলা জামায়াতের আমির মাওলানা শহিদুল ইসলাম বলেন, ‘এটি অত্যন্ত দুঃখজনক। তাদের উচিত ছিল আমাদের দলীয় প্রধানের আগমনের অনুষ্ঠানে সহযোগিতা করা। উল্টো তারা এখানে পায়ে পাড়া দিয়ে আমাদের সঙ্গে ঝামেলা করতে চাচ্ছে। এ আচরণ অগণতান্ত্রিক।’
এ বিষয়ে জানতে বরিশাল-৪ আসনের বিএনপি মনোনীত ধানের শীষের প্রার্থী রাজিব আহসানের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করেও তাকে পাওয়া যায়নি।
তবে মেহেন্দিগঞ্জ উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক গিয়াস উদ্দিন দীপেন বলেন, ‘আমরা নির্বাচনি কোনো আচরণবিধি লঙ্ঘন করে ব্যানার-ফেস্টুন লাগাইনি। রাস্তার আশপাশে ব্যানার-ফেস্টুন লাগাতেই পারি।
আর জামায়াতের আমির আসার বিষয়ে তারা আমাদের কাছে কোনো ধরনের সহযোগিতাও চায়নি। বরং বিগত দিনে জামায়াতের লোকজন বিএনপির ব্যানার-ফেস্টুনের ওপর তাদের নিজেদেরটা লাগিয়েছে। আমরাতো কারও কাছে অভিযোগ করিনি।’

০৬ এপ্রিল, ২০২৬ ২১:৩০
বরিশাল শহরের ২৬ নং ওয়ার্ড বিএনপির শীর্ষ নেতা আব্দুল খালেক এবং তার পুত্র উজ্জল হাওলাদারের বিরুদ্ধে বিরোধপূর্ণ পুকুরের মাছ লুটের অভিযোগ পাওয়া গেছে। সাউথ এ্যাপোলো মেডিকেলসংলগ্ন পুকুরে রোববার রাতে সেচ করে বিভিন্ন প্রজাতির অন্তত মণ মাছ ক্ষমতার প্রভাব খাটিয়ে নিয়ে যায়। এসময় তাদের বাধা দিতে গেলে পুকুরসহ ভূমির মালিক দাবিদার মোহসেনা শহীদের লোক শহিদকে প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হয়। এই মাছ লুটের ঘটনায় ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি খালেক এবং তার ছেলে উজ্জলকে অভিযুক্ত করে সংশ্লিষ্ট কোতয়ালি মডেল থানায় মোহসেনা শহীদ একটি অভিযোগ করলে পুলিশ সোমবার ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে।
মোহসেনা শহীদ অভিযোগ করেন, তার স্বামী জীবিত থাকাকালীন পুকুরসহ ভূমিটি বিএনপি নেতা আব্দুল খালেকের মাধ্যমে ক্রয় করা হয়েছিল। কিন্তু তিনি এখন ভূমির মালিকানা দাবি করছেন এবং জোর-জবরদস্তি দখল দেওয়ার পায়তারা চালাচ্ছেন। রোববার ছেলেসহ লোকজন নিয়ে পুকুর সেচ করে বিভিন্ন প্রজাতির অন্তত মণ মাছ জোরপূর্বক ধরে। তখন তাদের বাধা দিতে গিয়ে পাহারাদার শহিদ হুমকি-ধামকির শিকার হয়ে ভয়ে সরে গেলে মাছ ট্রাকভর্তি করে নিয়ে যাওয়া হয়।
তবে মাছ চুরি বা লুটপাটের মতো গুরুতর এই অভিযোগ অস্বীকার করেছেন ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি আব্দুল খালেক। বরং তিনি নিজেকে এই ভূমির মালিক দাবি করে মাছ ধরে নেওয়ার বিষয়ে সরল স্বীকারোক্তি দেন। বিএনপি নেতার দাবি, এই ভূমি নিয়ে তিনি আদালতে একটি মামলা করেছেন, কিন্তু বিবাদী মোহসেনা শহীদ সেই মামলায় আইনি লড়াইয়ে যাচ্ছেন না। সোমবার মোহসেনা শহীদের অভিযোগের সূত্র ধরে কোতয়ালি মডেল থানা পুলিশের একটি টিম ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে।
বরিশাল কোতয়ালি মডেল থানা পুলিশের ওসি মো. আল মামুন-উল ইসলাম সাংবাদিকদের বলেন, ঘটনাটি তদন্ত করা হচ্ছে। পরবর্তীতে আইনগত ব্যবস্থাগ্রহণ করা হতে পারে। তবে যদ্দুর জানা গেছে, জমি নিয়ে আব্দুল খালেকের সাথে নারীর পূর্ব-বিরোধ রয়েছে এবং বিষয়টি নিয়ে আদালতে মামলাও চলছে, জানান ওসি।’
বরিশাল শহরের ২৬ নং ওয়ার্ড বিএনপির শীর্ষ নেতা আব্দুল খালেক এবং তার পুত্র উজ্জল হাওলাদারের বিরুদ্ধে বিরোধপূর্ণ পুকুরের মাছ লুটের অভিযোগ পাওয়া গেছে। সাউথ এ্যাপোলো মেডিকেলসংলগ্ন পুকুরে রোববার রাতে সেচ করে বিভিন্ন প্রজাতির অন্তত মণ মাছ ক্ষমতার প্রভাব খাটিয়ে নিয়ে যায়। এসময় তাদের বাধা দিতে গেলে পুকুরসহ ভূমির মালিক দাবিদার মোহসেনা শহীদের লোক শহিদকে প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হয়। এই মাছ লুটের ঘটনায় ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি খালেক এবং তার ছেলে উজ্জলকে অভিযুক্ত করে সংশ্লিষ্ট কোতয়ালি মডেল থানায় মোহসেনা শহীদ একটি অভিযোগ করলে পুলিশ সোমবার ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে।
মোহসেনা শহীদ অভিযোগ করেন, তার স্বামী জীবিত থাকাকালীন পুকুরসহ ভূমিটি বিএনপি নেতা আব্দুল খালেকের মাধ্যমে ক্রয় করা হয়েছিল। কিন্তু তিনি এখন ভূমির মালিকানা দাবি করছেন এবং জোর-জবরদস্তি দখল দেওয়ার পায়তারা চালাচ্ছেন। রোববার ছেলেসহ লোকজন নিয়ে পুকুর সেচ করে বিভিন্ন প্রজাতির অন্তত মণ মাছ জোরপূর্বক ধরে। তখন তাদের বাধা দিতে গিয়ে পাহারাদার শহিদ হুমকি-ধামকির শিকার হয়ে ভয়ে সরে গেলে মাছ ট্রাকভর্তি করে নিয়ে যাওয়া হয়।
তবে মাছ চুরি বা লুটপাটের মতো গুরুতর এই অভিযোগ অস্বীকার করেছেন ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি আব্দুল খালেক। বরং তিনি নিজেকে এই ভূমির মালিক দাবি করে মাছ ধরে নেওয়ার বিষয়ে সরল স্বীকারোক্তি দেন। বিএনপি নেতার দাবি, এই ভূমি নিয়ে তিনি আদালতে একটি মামলা করেছেন, কিন্তু বিবাদী মোহসেনা শহীদ সেই মামলায় আইনি লড়াইয়ে যাচ্ছেন না। সোমবার মোহসেনা শহীদের অভিযোগের সূত্র ধরে কোতয়ালি মডেল থানা পুলিশের একটি টিম ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে।
বরিশাল কোতয়ালি মডেল থানা পুলিশের ওসি মো. আল মামুন-উল ইসলাম সাংবাদিকদের বলেন, ঘটনাটি তদন্ত করা হচ্ছে। পরবর্তীতে আইনগত ব্যবস্থাগ্রহণ করা হতে পারে। তবে যদ্দুর জানা গেছে, জমি নিয়ে আব্দুল খালেকের সাথে নারীর পূর্ব-বিরোধ রয়েছে এবং বিষয়টি নিয়ে আদালতে মামলাও চলছে, জানান ওসি।’

০৬ এপ্রিল, ২০২৬ ১৯:১৮
বরিশালের বাবুগঞ্জে ৫টি ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসনিক কর্মকর্তাদের একযোগে বদলি করা হয়েছে। বরিশাল জেলা প্রশাসক মো. খায়রুল আলম সুমন বদলির লিখিত এ আদেশ দেন।
বাবুগঞ্জ উপজেলা সদর রহমতপুর ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসনিক কর্মকর্তা তারিকুল ইসলামকে হিজলা উপজেলার গুয়াবাড়ী ইউনিয়ন পরিষদ, মাধবপাশা ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসনিক কর্মকর্তা মো. আবুল বাশারকে বাকেরগঞ্জ উপজেলার রঙ্গশ্রী ইউনিয়ন পরিষদ, কেদারপুর ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসনিক কর্মকর্তা ইউসুফ আলী দেওয়ানকে উজিরপুর উপজেলার গুঠিয়া ইউনিয়নে পরিষদে, জাহাঙ্গীরনগর ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসনিক কর্মকর্তা আমিনুল ইসলামকে মেহেন্দিগঞ্জ উপজেলার জাঙ্গালিয়া ইউনিয়ন পরিষদ, দেহেরগতি ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসনিক কর্মকর্তা জিয়াউল হককে বাকেরগঞ্জ উপজেলার ভরপাশা ইউনিয়ন পরিষদে বদলি করা হয়েছে।
বাবুগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আসমাউল হুসনা জানান, কাজের গতি বাড়ানোর লক্ষ্যে বাবুগঞ্জ উপজেলার ৫টি ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসনিক কর্মকর্তারা দীর্ঘদিন ধরে একই উপজেলায় কর্মরত ছিলেন। তাদের অন্যত্র বদলির আদেশ দেওয়া হয়েছে।
বরিশালের বাবুগঞ্জে ৫টি ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসনিক কর্মকর্তাদের একযোগে বদলি করা হয়েছে। বরিশাল জেলা প্রশাসক মো. খায়রুল আলম সুমন বদলির লিখিত এ আদেশ দেন।
বাবুগঞ্জ উপজেলা সদর রহমতপুর ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসনিক কর্মকর্তা তারিকুল ইসলামকে হিজলা উপজেলার গুয়াবাড়ী ইউনিয়ন পরিষদ, মাধবপাশা ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসনিক কর্মকর্তা মো. আবুল বাশারকে বাকেরগঞ্জ উপজেলার রঙ্গশ্রী ইউনিয়ন পরিষদ, কেদারপুর ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসনিক কর্মকর্তা ইউসুফ আলী দেওয়ানকে উজিরপুর উপজেলার গুঠিয়া ইউনিয়নে পরিষদে, জাহাঙ্গীরনগর ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসনিক কর্মকর্তা আমিনুল ইসলামকে মেহেন্দিগঞ্জ উপজেলার জাঙ্গালিয়া ইউনিয়ন পরিষদ, দেহেরগতি ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসনিক কর্মকর্তা জিয়াউল হককে বাকেরগঞ্জ উপজেলার ভরপাশা ইউনিয়ন পরিষদে বদলি করা হয়েছে।
বাবুগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আসমাউল হুসনা জানান, কাজের গতি বাড়ানোর লক্ষ্যে বাবুগঞ্জ উপজেলার ৫টি ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসনিক কর্মকর্তারা দীর্ঘদিন ধরে একই উপজেলায় কর্মরত ছিলেন। তাদের অন্যত্র বদলির আদেশ দেওয়া হয়েছে।

০৬ এপ্রিল, ২০২৬ ১৬:০৭
বরিশালের উজিরপুরে মাছের ঘের দখলকে কেন্দ্র করে যুবদলের দুই সদস্যকে কুপিয়ে ও পিটিয়ে আহত করার অভিযোগ উঠেছে বিএনপি ও ছাত্রদল নেতার বিরুদ্ধে।
রোববার (৫ এপ্রিল) রাতে উজিরপুর থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। এর আগে, শনিবার রাত সাড়ে নয়টার দিকে উপজেলার সাতলা ইউনিয়নের মুড়িবাড়ি এলাকায় এ হামলার ঘটনা ঘটে।
যুবদল নেতা জাহাঙ্গীর আলম জুয়েল বলেন, সাতলা ৯ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সহ-সভাপতি সরোয়ার সরদার ও ইউনিয়ন ছাত্রদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক রাহাত খন্দকার তাদের সহযোগীদের নিয়ে গত বছর পটিবাড়ি এলাকার প্রায় ১৪শ’ একর মৎস্য ঘের দখল করেন।
জমির মালিকদের না জানিয়ে এ বছরও ওই ঘেরে মাছ চাষের চেষ্টা চালাচ্ছেন তিনি। গত শনিবার বিকেলে জমির মালিকদের নিয়ে স্থানীয় মাহবুব খন্দকারের বাড়িতে সভা করা হলে সরোয়ার ও রাহাত তাদের লোকজন নিয়ে সভাস্থলে এসে তা পণ্ড করে দেন এবং জুয়েলকে খুঁজতে থাকেন। পরে ওইদিন রাত সাড়ে নয়টার দিকে মুড়িবাড়ি এলাকায় তাকে কুপিয়ে রক্তাক্ত করা হয়। এ সময় তার চিৎকারে ছুটে আসা যুবদল কর্মী মামুন হাওলাদারকেও পিটিয়ে আহত করা হয়। স্থানীয়রা আহতদের উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করেছেন।
আহতদের মধ্যে জাহাঙ্গীর আলম জুয়েল সাতলা ইউনিয়ন যুবদলের সদস্য ও মামুন হাওলাদার যুবদলের কর্মী। অভিযোগ অস্বীকার করে ছাত্রদল নেতা রাহাত খন্দকার বলেন, তারা কোনো হামলা করেননি বরং প্রতিপক্ষই তাদের ওপর হামলা করেছে।
এতে তাদের পক্ষের চারজন আহত হয়েছেন এবং সরোয়ার সরদারের অবস্থা গুরুতর। উজিরপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. রকিবুল ইসলাম বলেন, লিখিত অভিযোগ পাওয়া গেছে। বিষয়টি তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
বরিশালের উজিরপুরে মাছের ঘের দখলকে কেন্দ্র করে যুবদলের দুই সদস্যকে কুপিয়ে ও পিটিয়ে আহত করার অভিযোগ উঠেছে বিএনপি ও ছাত্রদল নেতার বিরুদ্ধে।
রোববার (৫ এপ্রিল) রাতে উজিরপুর থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। এর আগে, শনিবার রাত সাড়ে নয়টার দিকে উপজেলার সাতলা ইউনিয়নের মুড়িবাড়ি এলাকায় এ হামলার ঘটনা ঘটে।
যুবদল নেতা জাহাঙ্গীর আলম জুয়েল বলেন, সাতলা ৯ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সহ-সভাপতি সরোয়ার সরদার ও ইউনিয়ন ছাত্রদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক রাহাত খন্দকার তাদের সহযোগীদের নিয়ে গত বছর পটিবাড়ি এলাকার প্রায় ১৪শ’ একর মৎস্য ঘের দখল করেন।
জমির মালিকদের না জানিয়ে এ বছরও ওই ঘেরে মাছ চাষের চেষ্টা চালাচ্ছেন তিনি। গত শনিবার বিকেলে জমির মালিকদের নিয়ে স্থানীয় মাহবুব খন্দকারের বাড়িতে সভা করা হলে সরোয়ার ও রাহাত তাদের লোকজন নিয়ে সভাস্থলে এসে তা পণ্ড করে দেন এবং জুয়েলকে খুঁজতে থাকেন। পরে ওইদিন রাত সাড়ে নয়টার দিকে মুড়িবাড়ি এলাকায় তাকে কুপিয়ে রক্তাক্ত করা হয়। এ সময় তার চিৎকারে ছুটে আসা যুবদল কর্মী মামুন হাওলাদারকেও পিটিয়ে আহত করা হয়। স্থানীয়রা আহতদের উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করেছেন।
আহতদের মধ্যে জাহাঙ্গীর আলম জুয়েল সাতলা ইউনিয়ন যুবদলের সদস্য ও মামুন হাওলাদার যুবদলের কর্মী। অভিযোগ অস্বীকার করে ছাত্রদল নেতা রাহাত খন্দকার বলেন, তারা কোনো হামলা করেননি বরং প্রতিপক্ষই তাদের ওপর হামলা করেছে।
এতে তাদের পক্ষের চারজন আহত হয়েছেন এবং সরোয়ার সরদারের অবস্থা গুরুতর। উজিরপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. রকিবুল ইসলাম বলেন, লিখিত অভিযোগ পাওয়া গেছে। বিষয়টি তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.