
১৩ মে, ২০২৬ ১৫:২৫
মাদারীপুরের শিবচর উপজেলায় নীরবে গড়ে উঠেছে জুয়া ও মাদকের বিস্তৃত সাম্রাজ্য। প্রশাসনের চোখের সামনেই দিনের পর দিন প্রকাশ্যে বসছে জুয়ার আসর ও মাদকের হাট।
সকাল থেকে গভীর রাত পর্যন্ত চলছে কোটি কোটি টাকার লেনদেন। এর প্রভাব পড়ছে পুরো জনপদে। বাড়ছে চুরি, ছিনতাই, মাদকসেবন, পারিবারিক কলহ ও সামাজিক অস্থিরতা। নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।
স্থানীয়দের অভিযোগ, উমেদপুর ইউনিয়নের নূরুল আমিন কলেজের পেছনে বাবুর ভিটা এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে পরিচালিত হচ্ছে বড় ধরনের জুয়ার আসর ও মাদক কারবার। এলাকাবাসীর দাবি, শীর্ষ জুয়াড়ি ও কথিত ইয়াবা কারবারি শওকত ঢালী, কালু ঢালী ও হালান ঢালীর নেতৃত্বে সেখানে প্রতিদিন জমে ওঠে জুয়ার আসর। শুধু জুয়াই নয়, সেখানে ইয়াবাসহ বিভিন্ন ধরনের মাদক সেবন ও কেনাবেচাও চলে বলে অভিযোগ রয়েছে।
স্থানীয় সূত্র জানায়, জুয়াড়িদের আনা-নেওয়ার জন্য গড়ে উঠেছে আলাদা মোটরসাইকেল সিন্ডিকেট। খবির খান ও বারেক নামের দুই মোটরসাইকেল চালকের বিরুদ্ধে বিভিন্ন এলাকা থেকে জুয়াড়িদের বহনের অভিযোগ উঠেছে।
প্রতিদিন ৪০ থেকে ৫০টি মোটরসাইকেলে করে বিভিন্ন এলাকা থেকে জুয়াড়িরা সেখানে আসেন। শুধু শিবচর নয়, জাজিরা, শরীয়তপুর, ফরিদপুর, ভাঙ্গা, কালকিনি, নাওডোবা, খাসেরহাটসহ আশপাশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকেও লোকজন এসব জুয়ার আসরে অংশ নিচ্ছেন বলে জানা গেছে।
এলাকাবাসীর দাবি, অন্তত পাঁচটি স্থানে নিয়মিত বসছে জুয়ার আসর। এর মধ্যে রয়েছে চান্দেরচর কলেজের পেছনে বাবুর ভিটা, চান্দেরচর ইটভাটার পাশে লিওন ঢালীর গরুর খামারের পার্শ্ববর্তী এলাকা, কুতুবপুর সীমান্তে পিলারের নিচে সামু মাদবরের বাড়ির পাশ, মাদবরচর ইউনিয়নের নাসিরের মোড় এলাকা এবং ভদ্রাসন ইউনিয়নের ক্রোকচর এলাকায় জব্বার মেম্বারের বাড়ির সংলগ্ন স্থান।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক বাসিন্দা জানান, সন্ধ্যার পর থেকেই এলাকায় ভিড় বাড়তে থাকে। বাইরের বিভিন্ন এলাকা থেকে লোকজন এসে অবস্থান নেয়। গভীর রাত পর্যন্ত চলে জুয়ার আসর ও মাদক সেবন। প্রতিবাদ করার সাহস পাচ্ছেন না সাধারণ মানুষ। অনেকেই আতঙ্কে মুখ খুলতে চান না।
একজন অভিভাবক ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, ‘জুয়ার টেবিলে মানুষ শুধু অর্থ হারায় না, হারায় নিজের বিবেক, পরিবারের শান্তি ও ভবিষ্যৎ। আজ যারা জুয়ার সঙ্গে জড়াচ্ছে, আগামী দিনে তারাই বড় ধরনের অপরাধে জড়িয়ে পড়বে।’
সচেতন মহলের মতে, যেখানে প্রতিদিন শতাধিক মানুষের সমাগম ঘটে, অসংখ্য মোটরসাইকেলের বহর চলাচল করে এবং রাতভর প্রকাশ্যে জুয়ার আসর বসে, সেখানে প্রশাসন কিছুই জানে না—এমনটি বিশ্বাস করা কঠিন। তারা দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।
স্থানীয়দের আশঙ্কা, দ্রুত এসব অবৈধ কর্মকাণ্ড বন্ধ করা না গেলে যুবসমাজ আরও বিপথে যাবে এবং পুরো এলাকায় ভয়াবহ সামাজিক বিপর্যয় নেমে আসতে পারে।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে শিবচর সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার সালাহ উদ্দিন কাদের বলেন, জুয়া ও মাদকের বিরুদ্ধে ইতোমধ্যে বিশেষ অভিযান শুরু হয়েছে। জড়িতদের চিহ্নিত করে দ্রুত আইনের আওতায় আনা হবে। এ ধরনের অপরাধ দমনে পুলিশের অভিযান অব্যাহত থাকবে।
স্থানীয় সচেতন নাগরিকদের দাবি, অবিলম্বে বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে জুয়ার আসর ও মাদক কারবার বন্ধ করতে হবে এবং জড়িতদের বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক ব্যবস্থা নিতে হবে। অন্যথায় শিবচরের বিস্তীর্ণ জনপদ সামাজিক অবক্ষয়ের গভীর সংকটে পড়বে বলে আশঙ্কা করছেন তারা।
মাদারীপুরের শিবচর উপজেলায় নীরবে গড়ে উঠেছে জুয়া ও মাদকের বিস্তৃত সাম্রাজ্য। প্রশাসনের চোখের সামনেই দিনের পর দিন প্রকাশ্যে বসছে জুয়ার আসর ও মাদকের হাট।
সকাল থেকে গভীর রাত পর্যন্ত চলছে কোটি কোটি টাকার লেনদেন। এর প্রভাব পড়ছে পুরো জনপদে। বাড়ছে চুরি, ছিনতাই, মাদকসেবন, পারিবারিক কলহ ও সামাজিক অস্থিরতা। নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।
স্থানীয়দের অভিযোগ, উমেদপুর ইউনিয়নের নূরুল আমিন কলেজের পেছনে বাবুর ভিটা এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে পরিচালিত হচ্ছে বড় ধরনের জুয়ার আসর ও মাদক কারবার। এলাকাবাসীর দাবি, শীর্ষ জুয়াড়ি ও কথিত ইয়াবা কারবারি শওকত ঢালী, কালু ঢালী ও হালান ঢালীর নেতৃত্বে সেখানে প্রতিদিন জমে ওঠে জুয়ার আসর। শুধু জুয়াই নয়, সেখানে ইয়াবাসহ বিভিন্ন ধরনের মাদক সেবন ও কেনাবেচাও চলে বলে অভিযোগ রয়েছে।
স্থানীয় সূত্র জানায়, জুয়াড়িদের আনা-নেওয়ার জন্য গড়ে উঠেছে আলাদা মোটরসাইকেল সিন্ডিকেট। খবির খান ও বারেক নামের দুই মোটরসাইকেল চালকের বিরুদ্ধে বিভিন্ন এলাকা থেকে জুয়াড়িদের বহনের অভিযোগ উঠেছে।
প্রতিদিন ৪০ থেকে ৫০টি মোটরসাইকেলে করে বিভিন্ন এলাকা থেকে জুয়াড়িরা সেখানে আসেন। শুধু শিবচর নয়, জাজিরা, শরীয়তপুর, ফরিদপুর, ভাঙ্গা, কালকিনি, নাওডোবা, খাসেরহাটসহ আশপাশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকেও লোকজন এসব জুয়ার আসরে অংশ নিচ্ছেন বলে জানা গেছে।
এলাকাবাসীর দাবি, অন্তত পাঁচটি স্থানে নিয়মিত বসছে জুয়ার আসর। এর মধ্যে রয়েছে চান্দেরচর কলেজের পেছনে বাবুর ভিটা, চান্দেরচর ইটভাটার পাশে লিওন ঢালীর গরুর খামারের পার্শ্ববর্তী এলাকা, কুতুবপুর সীমান্তে পিলারের নিচে সামু মাদবরের বাড়ির পাশ, মাদবরচর ইউনিয়নের নাসিরের মোড় এলাকা এবং ভদ্রাসন ইউনিয়নের ক্রোকচর এলাকায় জব্বার মেম্বারের বাড়ির সংলগ্ন স্থান।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক বাসিন্দা জানান, সন্ধ্যার পর থেকেই এলাকায় ভিড় বাড়তে থাকে। বাইরের বিভিন্ন এলাকা থেকে লোকজন এসে অবস্থান নেয়। গভীর রাত পর্যন্ত চলে জুয়ার আসর ও মাদক সেবন। প্রতিবাদ করার সাহস পাচ্ছেন না সাধারণ মানুষ। অনেকেই আতঙ্কে মুখ খুলতে চান না।
একজন অভিভাবক ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, ‘জুয়ার টেবিলে মানুষ শুধু অর্থ হারায় না, হারায় নিজের বিবেক, পরিবারের শান্তি ও ভবিষ্যৎ। আজ যারা জুয়ার সঙ্গে জড়াচ্ছে, আগামী দিনে তারাই বড় ধরনের অপরাধে জড়িয়ে পড়বে।’
সচেতন মহলের মতে, যেখানে প্রতিদিন শতাধিক মানুষের সমাগম ঘটে, অসংখ্য মোটরসাইকেলের বহর চলাচল করে এবং রাতভর প্রকাশ্যে জুয়ার আসর বসে, সেখানে প্রশাসন কিছুই জানে না—এমনটি বিশ্বাস করা কঠিন। তারা দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।
স্থানীয়দের আশঙ্কা, দ্রুত এসব অবৈধ কর্মকাণ্ড বন্ধ করা না গেলে যুবসমাজ আরও বিপথে যাবে এবং পুরো এলাকায় ভয়াবহ সামাজিক বিপর্যয় নেমে আসতে পারে।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে শিবচর সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার সালাহ উদ্দিন কাদের বলেন, জুয়া ও মাদকের বিরুদ্ধে ইতোমধ্যে বিশেষ অভিযান শুরু হয়েছে। জড়িতদের চিহ্নিত করে দ্রুত আইনের আওতায় আনা হবে। এ ধরনের অপরাধ দমনে পুলিশের অভিযান অব্যাহত থাকবে।
স্থানীয় সচেতন নাগরিকদের দাবি, অবিলম্বে বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে জুয়ার আসর ও মাদক কারবার বন্ধ করতে হবে এবং জড়িতদের বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক ব্যবস্থা নিতে হবে। অন্যথায় শিবচরের বিস্তীর্ণ জনপদ সামাজিক অবক্ষয়ের গভীর সংকটে পড়বে বলে আশঙ্কা করছেন তারা।

১৮ জুন, ২০২৬ ১৭:২৩
স্ত্রী আফরা ইভনাত ইকরা আত্মহত্যার প্ররোচনার অভিযোগে করা মামলায় অভিনেতা জাহের আলভী ওরফে মো. নিয়ামত উল্লাহ ভূঁইয়াকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়েছেন আদালত।
বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) দুপুরে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট কামাল উদ্দিনের আদালতে আত্মসমর্পণ করে আইনজীবীদের মাধ্যমে জামিন আবেদন করেন আলভী। আদালত শুনানি শেষে দুপুর আড়াইটার দিকে আবেদন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।
এদিন দুপুর দেড়টার দিকে আদালতে আসেন জাহের আলভী। পরে দুপুর ১টা ৫৬ মিনিটে শুনানি শুরু হলে কাঠগড়ায় দাঁড়ান এ অভিনেতা।
শুনানিতে জাহের আলভীর পক্ষে আইনজীবী ঢাকা বারের সভাপতি আনোয়ার জাহিদ ভূইয়া সহ অনেকেই শুনানি করেন। অপরদিকে বাদীপক্ষের আইনজীবীরা তার জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর আবেদেনের শুনানি করেন।
আলভীর জামিন আবেদনে উল্লেখ করা হয়, আসামি এই ঘটনার সঙ্গে কোনোভাবেই সম্পৃক্ত নয়। প্রেমের বিয়ে করার কারণে বাদী শুধুমাত্র ব্যক্তিগত জিদ ও প্রতিহিংসার বশবর্তী হয়ে হয়রানিমূলকভাবে মামলাটির দায়ের করেন। মামলার এজাহারে তার বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট কোন অভিযোগ নেই। আসামি ঈদ উপলক্ষে নাটক নির্মাণের জন্য গত ২৫ ফেব্রুয়ারি নেপালে অবস্থানকালে তার বিরুদ্ধে মামলাটি দায়ের করেন।
মামলার অভিযোগে বলা হয়েছে, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি মিরপুরের ডিওএইচএসে বাসা থেকে সিলিং ফ্যানের সঙ্গে ওড়না দিয়ে গলায় ফাঁস দেওয়া অবস্থায় ইকরাকে উদ্ধার করে পরিবারের সদস্যরা। পরে বাসার মালিকসহ স্বজনরা মিলে তাকে কুর্মিটোলা হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। ওইদিন রাতেই মামলা করেন ইকরার বাবা কবির হায়াত খান। দীর্ঘদিনের ‘পারিবারিক কলহ ও বিভিন্ন ধরনের নির্যাতনের কারণেই’ ইকরা আত্মহত্যা করতে ‘বাধ্য হয়েছেন’ বলে মামলায় অভিযোগ করেন তিনি।
আলভী ও ইকরা বিয়ে করেন ২০১০ সালে; তাদের সংসারে একটি ছেলে সন্তান রয়েছে। এই মামলায় গত ৪ জুন জাহের আলভীর মা নাসরিন সুলতানা শিউলি আত্মসমর্পণ করে জামিন পেয়েছেন।
বরিশাল টাইমস
স্ত্রী আফরা ইভনাত ইকরা আত্মহত্যার প্ররোচনার অভিযোগে করা মামলায় অভিনেতা জাহের আলভী ওরফে মো. নিয়ামত উল্লাহ ভূঁইয়াকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়েছেন আদালত।
বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) দুপুরে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট কামাল উদ্দিনের আদালতে আত্মসমর্পণ করে আইনজীবীদের মাধ্যমে জামিন আবেদন করেন আলভী। আদালত শুনানি শেষে দুপুর আড়াইটার দিকে আবেদন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।
এদিন দুপুর দেড়টার দিকে আদালতে আসেন জাহের আলভী। পরে দুপুর ১টা ৫৬ মিনিটে শুনানি শুরু হলে কাঠগড়ায় দাঁড়ান এ অভিনেতা।
শুনানিতে জাহের আলভীর পক্ষে আইনজীবী ঢাকা বারের সভাপতি আনোয়ার জাহিদ ভূইয়া সহ অনেকেই শুনানি করেন। অপরদিকে বাদীপক্ষের আইনজীবীরা তার জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর আবেদেনের শুনানি করেন।
আলভীর জামিন আবেদনে উল্লেখ করা হয়, আসামি এই ঘটনার সঙ্গে কোনোভাবেই সম্পৃক্ত নয়। প্রেমের বিয়ে করার কারণে বাদী শুধুমাত্র ব্যক্তিগত জিদ ও প্রতিহিংসার বশবর্তী হয়ে হয়রানিমূলকভাবে মামলাটির দায়ের করেন। মামলার এজাহারে তার বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট কোন অভিযোগ নেই। আসামি ঈদ উপলক্ষে নাটক নির্মাণের জন্য গত ২৫ ফেব্রুয়ারি নেপালে অবস্থানকালে তার বিরুদ্ধে মামলাটি দায়ের করেন।
মামলার অভিযোগে বলা হয়েছে, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি মিরপুরের ডিওএইচএসে বাসা থেকে সিলিং ফ্যানের সঙ্গে ওড়না দিয়ে গলায় ফাঁস দেওয়া অবস্থায় ইকরাকে উদ্ধার করে পরিবারের সদস্যরা। পরে বাসার মালিকসহ স্বজনরা মিলে তাকে কুর্মিটোলা হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। ওইদিন রাতেই মামলা করেন ইকরার বাবা কবির হায়াত খান। দীর্ঘদিনের ‘পারিবারিক কলহ ও বিভিন্ন ধরনের নির্যাতনের কারণেই’ ইকরা আত্মহত্যা করতে ‘বাধ্য হয়েছেন’ বলে মামলায় অভিযোগ করেন তিনি।
আলভী ও ইকরা বিয়ে করেন ২০১০ সালে; তাদের সংসারে একটি ছেলে সন্তান রয়েছে। এই মামলায় গত ৪ জুন জাহের আলভীর মা নাসরিন সুলতানা শিউলি আত্মসমর্পণ করে জামিন পেয়েছেন।
বরিশাল টাইমস

১৮ জুন, ২০২৬ ১৭:১০
হামের উপসর্গ নিয়ে দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় (বুধবার সকাল ৮টা থেকে বৃহস্পতিবার সকাল আটটা) আরও পাঁচ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এ সময়ে হাম ও হামের উপসর্গে আক্রান্ত হয়েছে এক হাজার ১৪৮ জন।
এ পর্যন্ত দেশে হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে মৃতের সংখ্যা ৬৬৬ জনে পৌঁছেছে। তাদের মধ্যে হামের উপসর্গ নিয়ে ৫৭৩ শিশু ও নিশ্চিত হামে ৯৩ শিশুর মৃত্যু হয়েছে।
আজ বৃহস্পতিবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সর্বশেষ প্রতিবেদন থেকে এসব তথ্য জানা গেছে।
গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে যে পাঁচ শিশুর মৃত্যু হয়েছে, তার মধ্যে দুটি শিশু মারা গেছে সিলেট বিভাগে। এ ছাড়া ঢাকা, চট্টগ্রাম ও খুলনা বিভাগে একটি করে শিশুর মৃত্যু হয়েছে।
এই সময়ে সন্দেহভাজন হাম রোগী হিসেবে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে ৯০৭ জন। তাদের মধ্যে ৩৩১টি শিশুই ঢাকা বিভাগের। এরপর আছে চট্টগ্রাম (১৭৫) ও বরিশাল (১৩৫)।
গত ২৪ ঘণ্টায় সুস্থ হয়ে ৮১৫ জন হাসপাতাল থেকে ছুটিও পেয়েছেন।
গত ১৫ মার্চ দেশে প্রথম হাম রোগী শনাক্ত হয়। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সর্বশেষ প্রতিবেদনে দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, গত ৯৫ দিনে হামের উপসর্গ দেখা গেছে ৮৯ হাজার ৯০৪ জনের মধ্যে। হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে ৭৪ হাজার ১৮৪ জন। মোট হাম শনাক্ত হয়েছে ১০ হাজার ৭৭৩ জনের। এ ছাড়া ৯৫ দিনে হাসপাতাল থেকে ছুটি পেয়েছেন ৭০ হাজার ৫০৩ জন।
হামের উপসর্গ নিয়ে দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় (বুধবার সকাল ৮টা থেকে বৃহস্পতিবার সকাল আটটা) আরও পাঁচ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এ সময়ে হাম ও হামের উপসর্গে আক্রান্ত হয়েছে এক হাজার ১৪৮ জন।
এ পর্যন্ত দেশে হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে মৃতের সংখ্যা ৬৬৬ জনে পৌঁছেছে। তাদের মধ্যে হামের উপসর্গ নিয়ে ৫৭৩ শিশু ও নিশ্চিত হামে ৯৩ শিশুর মৃত্যু হয়েছে।
আজ বৃহস্পতিবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সর্বশেষ প্রতিবেদন থেকে এসব তথ্য জানা গেছে।
গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে যে পাঁচ শিশুর মৃত্যু হয়েছে, তার মধ্যে দুটি শিশু মারা গেছে সিলেট বিভাগে। এ ছাড়া ঢাকা, চট্টগ্রাম ও খুলনা বিভাগে একটি করে শিশুর মৃত্যু হয়েছে।
এই সময়ে সন্দেহভাজন হাম রোগী হিসেবে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে ৯০৭ জন। তাদের মধ্যে ৩৩১টি শিশুই ঢাকা বিভাগের। এরপর আছে চট্টগ্রাম (১৭৫) ও বরিশাল (১৩৫)।
গত ২৪ ঘণ্টায় সুস্থ হয়ে ৮১৫ জন হাসপাতাল থেকে ছুটিও পেয়েছেন।
গত ১৫ মার্চ দেশে প্রথম হাম রোগী শনাক্ত হয়। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সর্বশেষ প্রতিবেদনে দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, গত ৯৫ দিনে হামের উপসর্গ দেখা গেছে ৮৯ হাজার ৯০৪ জনের মধ্যে। হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে ৭৪ হাজার ১৮৪ জন। মোট হাম শনাক্ত হয়েছে ১০ হাজার ৭৭৩ জনের। এ ছাড়া ৯৫ দিনে হাসপাতাল থেকে ছুটি পেয়েছেন ৭০ হাজার ৫০৩ জন।

১৮ জুন, ২০২৬ ১৪:০৭
গাইবান্ধা শহরে সরকারি হাসপাতালের বিপুল পরিমাণ ইনজেকশন সিরিঞ্জ বাইরে বিক্রির জন্য বহনকালে রওশনা বেগম (৪০) নামের এক নারীকে আটক করেছে স্থানীয় লোকজন।
এ সময় তার কাছে সরকারি ৩০০ ইনজেকশন সিরিঞ্জ পাওয়া গেছে বলে নিশ্চিত করেছেন হাসপাতাল সংশ্লিষ্টরা। ওই নারীকে দিয়ে হাসপাতালের বিভিন্ন কাজ করানো হয় বলে জানা গেছে।
বুধবার (১৭ জুন) রাত সাড়ে ১০ টার দিকে বিষয়টি ঢাকা পোস্টকে নিশ্চিত করেন গাইবান্ধা জেনারেল হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসা কর্মকর্তা (আরএমও) আসিফ রহমান। বিকেলে শহরের হাসপাতাল রোডের ফায়ার সার্ভিস স্টেশনের সামনে এ ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় সূত্র জানায়, বিকেলে সন্দেহজনকভাবে একটি বস্তা বহন করছিলেন ওই নারী। এ সময় স্থানীয়রা তাকে থামিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করলে বস্তার ভেতর থেকে বিপুল পরিমাণ সরকারি সিরিঞ্জ পাওয়া যায়।
পরে তাকে জিজ্ঞাসাবাদের এক পর্যায়ে তিনি দাবি করেন, গাইবান্ধা জেনারেল হাসপাতালের ডায়রিয়া ওয়ার্ডের ঝরনা বেগম নামের দায়িত্বপ্রাপ্ত এক নার্স তাকে এসব সিরিঞ্জ দিয়েছেন। তবে তিনি কেন এগুলো বাইরে নিচ্ছিলেন, সে বিষয়ে স্পষ্ট কোনো ব্যাখ্যা দিতে পারেননি।
গাইবান্ধা জেনারেল হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার (আরএমও) আসিফ রহমান তত্বাবধায়কের বরাতে বলেন, সরকারি সিরিঞ্জ বাইরে যাওয়ার ঘটনায় একটি কমিটি গঠন করা হবে এবং কমিটির ৩ দিনের মধ্যে প্রতিবেদন পেলে জড়িতদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এসময় এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, সিরিঞ্জ প্রথমত স্টোর কিপারের দায়িত্বে থাকে। সেখান থেকে নার্স ইনচার্জ, পরে ডিউটিরত নার্সদেরকে দেওয়া হয়। তিনি জানান, প্রাথমিকভাবে নিশ্চিত হওয়া গেছে হাসপাতলের ৩০০ সিরিঞ্জ ওই নারী বাহিরে নিয়ে যান। যা ওয়ার্ড থেকে নেওয়া হয়েছে।
গাইবান্ধা শহরে সরকারি হাসপাতালের বিপুল পরিমাণ ইনজেকশন সিরিঞ্জ বাইরে বিক্রির জন্য বহনকালে রওশনা বেগম (৪০) নামের এক নারীকে আটক করেছে স্থানীয় লোকজন।
এ সময় তার কাছে সরকারি ৩০০ ইনজেকশন সিরিঞ্জ পাওয়া গেছে বলে নিশ্চিত করেছেন হাসপাতাল সংশ্লিষ্টরা। ওই নারীকে দিয়ে হাসপাতালের বিভিন্ন কাজ করানো হয় বলে জানা গেছে।
বুধবার (১৭ জুন) রাত সাড়ে ১০ টার দিকে বিষয়টি ঢাকা পোস্টকে নিশ্চিত করেন গাইবান্ধা জেনারেল হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসা কর্মকর্তা (আরএমও) আসিফ রহমান। বিকেলে শহরের হাসপাতাল রোডের ফায়ার সার্ভিস স্টেশনের সামনে এ ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় সূত্র জানায়, বিকেলে সন্দেহজনকভাবে একটি বস্তা বহন করছিলেন ওই নারী। এ সময় স্থানীয়রা তাকে থামিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করলে বস্তার ভেতর থেকে বিপুল পরিমাণ সরকারি সিরিঞ্জ পাওয়া যায়।
পরে তাকে জিজ্ঞাসাবাদের এক পর্যায়ে তিনি দাবি করেন, গাইবান্ধা জেনারেল হাসপাতালের ডায়রিয়া ওয়ার্ডের ঝরনা বেগম নামের দায়িত্বপ্রাপ্ত এক নার্স তাকে এসব সিরিঞ্জ দিয়েছেন। তবে তিনি কেন এগুলো বাইরে নিচ্ছিলেন, সে বিষয়ে স্পষ্ট কোনো ব্যাখ্যা দিতে পারেননি।
গাইবান্ধা জেনারেল হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার (আরএমও) আসিফ রহমান তত্বাবধায়কের বরাতে বলেন, সরকারি সিরিঞ্জ বাইরে যাওয়ার ঘটনায় একটি কমিটি গঠন করা হবে এবং কমিটির ৩ দিনের মধ্যে প্রতিবেদন পেলে জড়িতদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এসময় এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, সিরিঞ্জ প্রথমত স্টোর কিপারের দায়িত্বে থাকে। সেখান থেকে নার্স ইনচার্জ, পরে ডিউটিরত নার্সদেরকে দেওয়া হয়। তিনি জানান, প্রাথমিকভাবে নিশ্চিত হওয়া গেছে হাসপাতলের ৩০০ সিরিঞ্জ ওই নারী বাহিরে নিয়ে যান। যা ওয়ার্ড থেকে নেওয়া হয়েছে।
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
১৯ জুন, ২০২৬ ১৬:১১
১৮ জুন, ২০২৬ ২৩:৩৯
১৮ জুন, ২০২৬ ১৯:৫৪
১৮ জুন, ২০২৬ ১৯:২১