
১৩ মে, ২০২৬ ১৫:২৫
মাদারীপুরের শিবচর উপজেলায় নীরবে গড়ে উঠেছে জুয়া ও মাদকের বিস্তৃত সাম্রাজ্য। প্রশাসনের চোখের সামনেই দিনের পর দিন প্রকাশ্যে বসছে জুয়ার আসর ও মাদকের হাট।
সকাল থেকে গভীর রাত পর্যন্ত চলছে কোটি কোটি টাকার লেনদেন। এর প্রভাব পড়ছে পুরো জনপদে। বাড়ছে চুরি, ছিনতাই, মাদকসেবন, পারিবারিক কলহ ও সামাজিক অস্থিরতা। নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।
স্থানীয়দের অভিযোগ, উমেদপুর ইউনিয়নের নূরুল আমিন কলেজের পেছনে বাবুর ভিটা এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে পরিচালিত হচ্ছে বড় ধরনের জুয়ার আসর ও মাদক কারবার। এলাকাবাসীর দাবি, শীর্ষ জুয়াড়ি ও কথিত ইয়াবা কারবারি শওকত ঢালী, কালু ঢালী ও হালান ঢালীর নেতৃত্বে সেখানে প্রতিদিন জমে ওঠে জুয়ার আসর। শুধু জুয়াই নয়, সেখানে ইয়াবাসহ বিভিন্ন ধরনের মাদক সেবন ও কেনাবেচাও চলে বলে অভিযোগ রয়েছে।
স্থানীয় সূত্র জানায়, জুয়াড়িদের আনা-নেওয়ার জন্য গড়ে উঠেছে আলাদা মোটরসাইকেল সিন্ডিকেট। খবির খান ও বারেক নামের দুই মোটরসাইকেল চালকের বিরুদ্ধে বিভিন্ন এলাকা থেকে জুয়াড়িদের বহনের অভিযোগ উঠেছে।
প্রতিদিন ৪০ থেকে ৫০টি মোটরসাইকেলে করে বিভিন্ন এলাকা থেকে জুয়াড়িরা সেখানে আসেন। শুধু শিবচর নয়, জাজিরা, শরীয়তপুর, ফরিদপুর, ভাঙ্গা, কালকিনি, নাওডোবা, খাসেরহাটসহ আশপাশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকেও লোকজন এসব জুয়ার আসরে অংশ নিচ্ছেন বলে জানা গেছে।
এলাকাবাসীর দাবি, অন্তত পাঁচটি স্থানে নিয়মিত বসছে জুয়ার আসর। এর মধ্যে রয়েছে চান্দেরচর কলেজের পেছনে বাবুর ভিটা, চান্দেরচর ইটভাটার পাশে লিওন ঢালীর গরুর খামারের পার্শ্ববর্তী এলাকা, কুতুবপুর সীমান্তে পিলারের নিচে সামু মাদবরের বাড়ির পাশ, মাদবরচর ইউনিয়নের নাসিরের মোড় এলাকা এবং ভদ্রাসন ইউনিয়নের ক্রোকচর এলাকায় জব্বার মেম্বারের বাড়ির সংলগ্ন স্থান।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক বাসিন্দা জানান, সন্ধ্যার পর থেকেই এলাকায় ভিড় বাড়তে থাকে। বাইরের বিভিন্ন এলাকা থেকে লোকজন এসে অবস্থান নেয়। গভীর রাত পর্যন্ত চলে জুয়ার আসর ও মাদক সেবন। প্রতিবাদ করার সাহস পাচ্ছেন না সাধারণ মানুষ। অনেকেই আতঙ্কে মুখ খুলতে চান না।
একজন অভিভাবক ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, ‘জুয়ার টেবিলে মানুষ শুধু অর্থ হারায় না, হারায় নিজের বিবেক, পরিবারের শান্তি ও ভবিষ্যৎ। আজ যারা জুয়ার সঙ্গে জড়াচ্ছে, আগামী দিনে তারাই বড় ধরনের অপরাধে জড়িয়ে পড়বে।’
সচেতন মহলের মতে, যেখানে প্রতিদিন শতাধিক মানুষের সমাগম ঘটে, অসংখ্য মোটরসাইকেলের বহর চলাচল করে এবং রাতভর প্রকাশ্যে জুয়ার আসর বসে, সেখানে প্রশাসন কিছুই জানে না—এমনটি বিশ্বাস করা কঠিন। তারা দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।
স্থানীয়দের আশঙ্কা, দ্রুত এসব অবৈধ কর্মকাণ্ড বন্ধ করা না গেলে যুবসমাজ আরও বিপথে যাবে এবং পুরো এলাকায় ভয়াবহ সামাজিক বিপর্যয় নেমে আসতে পারে।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে শিবচর সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার সালাহ উদ্দিন কাদের বলেন, জুয়া ও মাদকের বিরুদ্ধে ইতোমধ্যে বিশেষ অভিযান শুরু হয়েছে। জড়িতদের চিহ্নিত করে দ্রুত আইনের আওতায় আনা হবে। এ ধরনের অপরাধ দমনে পুলিশের অভিযান অব্যাহত থাকবে।
স্থানীয় সচেতন নাগরিকদের দাবি, অবিলম্বে বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে জুয়ার আসর ও মাদক কারবার বন্ধ করতে হবে এবং জড়িতদের বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক ব্যবস্থা নিতে হবে। অন্যথায় শিবচরের বিস্তীর্ণ জনপদ সামাজিক অবক্ষয়ের গভীর সংকটে পড়বে বলে আশঙ্কা করছেন তারা।
মাদারীপুরের শিবচর উপজেলায় নীরবে গড়ে উঠেছে জুয়া ও মাদকের বিস্তৃত সাম্রাজ্য। প্রশাসনের চোখের সামনেই দিনের পর দিন প্রকাশ্যে বসছে জুয়ার আসর ও মাদকের হাট।
সকাল থেকে গভীর রাত পর্যন্ত চলছে কোটি কোটি টাকার লেনদেন। এর প্রভাব পড়ছে পুরো জনপদে। বাড়ছে চুরি, ছিনতাই, মাদকসেবন, পারিবারিক কলহ ও সামাজিক অস্থিরতা। নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।
স্থানীয়দের অভিযোগ, উমেদপুর ইউনিয়নের নূরুল আমিন কলেজের পেছনে বাবুর ভিটা এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে পরিচালিত হচ্ছে বড় ধরনের জুয়ার আসর ও মাদক কারবার। এলাকাবাসীর দাবি, শীর্ষ জুয়াড়ি ও কথিত ইয়াবা কারবারি শওকত ঢালী, কালু ঢালী ও হালান ঢালীর নেতৃত্বে সেখানে প্রতিদিন জমে ওঠে জুয়ার আসর। শুধু জুয়াই নয়, সেখানে ইয়াবাসহ বিভিন্ন ধরনের মাদক সেবন ও কেনাবেচাও চলে বলে অভিযোগ রয়েছে।
স্থানীয় সূত্র জানায়, জুয়াড়িদের আনা-নেওয়ার জন্য গড়ে উঠেছে আলাদা মোটরসাইকেল সিন্ডিকেট। খবির খান ও বারেক নামের দুই মোটরসাইকেল চালকের বিরুদ্ধে বিভিন্ন এলাকা থেকে জুয়াড়িদের বহনের অভিযোগ উঠেছে।
প্রতিদিন ৪০ থেকে ৫০টি মোটরসাইকেলে করে বিভিন্ন এলাকা থেকে জুয়াড়িরা সেখানে আসেন। শুধু শিবচর নয়, জাজিরা, শরীয়তপুর, ফরিদপুর, ভাঙ্গা, কালকিনি, নাওডোবা, খাসেরহাটসহ আশপাশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকেও লোকজন এসব জুয়ার আসরে অংশ নিচ্ছেন বলে জানা গেছে।
এলাকাবাসীর দাবি, অন্তত পাঁচটি স্থানে নিয়মিত বসছে জুয়ার আসর। এর মধ্যে রয়েছে চান্দেরচর কলেজের পেছনে বাবুর ভিটা, চান্দেরচর ইটভাটার পাশে লিওন ঢালীর গরুর খামারের পার্শ্ববর্তী এলাকা, কুতুবপুর সীমান্তে পিলারের নিচে সামু মাদবরের বাড়ির পাশ, মাদবরচর ইউনিয়নের নাসিরের মোড় এলাকা এবং ভদ্রাসন ইউনিয়নের ক্রোকচর এলাকায় জব্বার মেম্বারের বাড়ির সংলগ্ন স্থান।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক বাসিন্দা জানান, সন্ধ্যার পর থেকেই এলাকায় ভিড় বাড়তে থাকে। বাইরের বিভিন্ন এলাকা থেকে লোকজন এসে অবস্থান নেয়। গভীর রাত পর্যন্ত চলে জুয়ার আসর ও মাদক সেবন। প্রতিবাদ করার সাহস পাচ্ছেন না সাধারণ মানুষ। অনেকেই আতঙ্কে মুখ খুলতে চান না।
একজন অভিভাবক ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, ‘জুয়ার টেবিলে মানুষ শুধু অর্থ হারায় না, হারায় নিজের বিবেক, পরিবারের শান্তি ও ভবিষ্যৎ। আজ যারা জুয়ার সঙ্গে জড়াচ্ছে, আগামী দিনে তারাই বড় ধরনের অপরাধে জড়িয়ে পড়বে।’
সচেতন মহলের মতে, যেখানে প্রতিদিন শতাধিক মানুষের সমাগম ঘটে, অসংখ্য মোটরসাইকেলের বহর চলাচল করে এবং রাতভর প্রকাশ্যে জুয়ার আসর বসে, সেখানে প্রশাসন কিছুই জানে না—এমনটি বিশ্বাস করা কঠিন। তারা দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।
স্থানীয়দের আশঙ্কা, দ্রুত এসব অবৈধ কর্মকাণ্ড বন্ধ করা না গেলে যুবসমাজ আরও বিপথে যাবে এবং পুরো এলাকায় ভয়াবহ সামাজিক বিপর্যয় নেমে আসতে পারে।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে শিবচর সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার সালাহ উদ্দিন কাদের বলেন, জুয়া ও মাদকের বিরুদ্ধে ইতোমধ্যে বিশেষ অভিযান শুরু হয়েছে। জড়িতদের চিহ্নিত করে দ্রুত আইনের আওতায় আনা হবে। এ ধরনের অপরাধ দমনে পুলিশের অভিযান অব্যাহত থাকবে।
স্থানীয় সচেতন নাগরিকদের দাবি, অবিলম্বে বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে জুয়ার আসর ও মাদক কারবার বন্ধ করতে হবে এবং জড়িতদের বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক ব্যবস্থা নিতে হবে। অন্যথায় শিবচরের বিস্তীর্ণ জনপদ সামাজিক অবক্ষয়ের গভীর সংকটে পড়বে বলে আশঙ্কা করছেন তারা।

০৭ জুন, ২০২৬ ১৩:৪০
গাজীপুরের টঙ্গীতে খাবারের লোভ দেখিয়ে ছয় বছর বয়সি এক শিশুকে বলাৎকারের অভিযোগ পাওয়া গেছে তারই ফুফাতো ভাইয়ের বিরুদ্ধে।
শনিবার (৬ জুন) দিবাগত রাত পৌঁনে দশটার দিকে টঙ্গীর এরশাদনগর এলাকায় এই ঘটনা ঘটে।
ঘটনার পর অভিযুক্ত আব্দুল বিজয় হাওলাদার (১৮) পলাতক রয়েছেন। তিনি এরশাদনগর এলাকার ২নং ব্লকের আব্দুল মজিদ হাওলাদারের ছেলে।
পুলিশ জানায়, শনিবার রাতে অভিযুক্ত বিজয় তার ফুফতো ভাইকে খাবার দেওয়ার কথা বলে নিজ কক্ষে ডেকে নিয়ে যায়। পরে শিশুটির উপর পাশবিক নির্যাতন চালায় সে। এ সময় শিশুটির ডাক চিৎকারে আশপাশের লোকজন এগিয়ে এলে বিজয় পালিয়ে যায়। নির্যাতনের পর শিশুটি অতিরিক্ত রক্তক্ষরণে গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়লে পরিবারের সদস্যরা তাকে উদ্ধার করে রাতেই ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যায়।
এ ঘটনা এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে এলাকাবাসী ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠে এবং অভিযুক্তকে দ্রুত আইনের আওতায় আনার দাবি জানায়।
এ ব্যাপারে টঙ্গী পূর্ব থানার ওসি মো. মেহেদী হাসান বলেন, এ ঘটনায় থানায় একটি মামলার প্রস্তুতি চলছে। অভিযুক্তকে গ্রেফতারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
বরিশাল টাইমস

০৭ জুন, ২০২৬ ০১:৫৮
নোয়াখালীর সদর উপজেলায় ছাত্রদলের নেতাকর্মীদের সঙ্গে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ ও তাদের সমর্থকদের সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এ সময় ছাত্রদলের একটি মোটরসাইকেলে অগ্নিসংযোগ করা হয়। শনিবার (৬ জুন) সন্ধ্যায় উপজেলার কালাদরাপ ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের পশ্চিম শুল্লুকিয়া গ্রামের এই সংঘাতে নোয়াখালী শহর শ্রমিক দলের সাংগঠনিক সম্পাদক হৃদয়সহ ছাত্রদল, যুবদলের কমপক্ষে ৬ জন আহত হয়েছেন। বর্তমানে সেখানে বিপুল সংখ্যক আইনশৃঙ্খলা বাহিনী উপস্থিত রয়েছেন।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, শুক্রবার বিকালে উপজেলার নোয়ান্নই ইউনিয়নের বাঁধেরহাট এলাকায় নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগের উদ্যোগে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। এর প্রতিবাদে শনিবার বিকেলে জেলা ছাত্রদলের সভাপতি এন বি এস রাসেলের নেতৃত্বে সেখানে বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সমাবেশ করে ছাত্রদল।
সেখানে থাকাকালীন তারা আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা কাফনের কাপড় মাথায় বেঁধে কালাদরপ ইউনিয়নে একটি মিছিল করে এমন সংবাদ পায়। কর্মসূচি শেষে ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা মোটরসাইকেল বহর নিয়ে ফেরার পথে কালাদরাপ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও সাবেক ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সভাপতি শাহাদাত হোসেন সেলিমকে তার বাড়ির পাশের একটি দোকানে বসে থাকতে দেখতে পান। এ সময় চেয়ারম্যানের সঙ্গে ছাত্রদলের নেতাকর্মীদের মিছিলের কথা নিয়ে বাগবিতণ্ডা হয়।
এদিকে মসজিদের মাইকে চেয়ারম্যানের ওপর হামলার কথা ছড়িয়ে দিলে স্থানীয় আওয়ামী লীগ ও চেয়ারম্যানের সমর্থকরা ঘটনাস্থলে জড়ো হন। পরে উভয়পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ শুরু হয়। এ সময় ইটপাটকেল নিক্ষেপ করা হয় এবং ছাত্রদলের একটি মোটরসাইকেলে আগুন দেওয়া হয়। এতে শ্রমিকদল নেতা হৃদয়সহ ছয় জন আহত হন। পরে রাত পৌনে ৮টার দিকে ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা একত্রিত হয়ে শাহাদাত হোসেন সেলিমের একটি ব্যক্তিগত কার্যালয়ে আগুন ধরিয়ে দেন।
জেলা ছাত্রদলের সভাপতি এন বি এস রাসেল বলেন, চেয়ারম্যানের বাড়ির পাশে ছাত্রলীগের লোকজন মিছিল করার জন্য জড়ো হয়েছিল। খবর পেয়ে ওয়ার্ড ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা সেখানে গেলে তাদের ওপর অতর্কিত হামলা চালানো হয়। পরে আমরা বাঁধেরহাটের কর্মসূচি শেষে ঘটনাস্থলে গিয়ে নেতাকর্মীদের নিরাপদে সরিয়ে আনি। হামলায় আমাদের ছয় জন নেতাকর্মী আহত হয়েছেন এবং একটি মোটরসাইকেলে আগুন দেওয়া হয়েছে।
সুধারাম মডেল থানা পুলিশের ওসি মোহাম্মদ তৌহিদুল ইসলাম সাংবাদিকদের বলেন, পুলিশ ঘটনাস্থলে রয়েছে। হামলা, মোটরসাইকেলে ও একটি অফিসে অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটেছে। ঘটনাস্থলে পুলিশ ও র্যাব সদস্যরা রয়েছেন।’

০৬ জুন, ২০২৬ ১৮:০১
হামের উপসর্গে একদিনে (গত ২৪ ঘণ্টায়) দেশে আরও তিনজনের মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ের মধ্যে হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে আক্রান্ত হয়েছে ১ হাজার ৩২ শিশু।
শনিবার (৬ জুন) বিকেলে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হামবিষয়ক হালনাগাদ প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়েছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে ৯১৫ শিশু সন্দেহজনক হামে আক্রান্ত হয়েছে। গত ১৫ মার্চ থেকে আজ পর্যন্ত দেশে মোট সন্দেহজনক হাম রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৭৭ হাজার ৭৯১ জনে।
এদিকে, গত ২৪ ঘণ্টায় ১১৭ শিশুর শরীরে হাম শনাক্ত হয়েছে। এখন পর্যন্ত মোট নিশ্চিত হাম রোগীর সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ৯ হাজার ৬২০।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্যমতে, ১৫ মার্চ থেকে আজ পর্যন্ত সন্দেহজনক হাম রোগে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে ৬৩ হাজার ১৩৪ শিশু। একই সময়ে সুস্থ হয়ে হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়েছে ৫৮ হাজার ৯৬৪ শিশু।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, এখন পর্যন্ত সন্দেহজনক হামে মোট মৃত্যু হয়েছে ৫২২ শিশুর। এ ছাড়া নিশ্চিত হামে এ পর্যন্ত মারা গেছে ৯১ শিশু।
বরিশাল টাইমস
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
গাজীপুরের টঙ্গীতে খাবারের লোভ দেখিয়ে ছয় বছর বয়সি এক শিশুকে বলাৎকারের অভিযোগ পাওয়া গেছে তারই ফুফাতো ভাইয়ের বিরুদ্ধে।
শনিবার (৬ জুন) দিবাগত রাত পৌঁনে দশটার দিকে টঙ্গীর এরশাদনগর এলাকায় এই ঘটনা ঘটে।
ঘটনার পর অভিযুক্ত আব্দুল বিজয় হাওলাদার (১৮) পলাতক রয়েছেন। তিনি এরশাদনগর এলাকার ২নং ব্লকের আব্দুল মজিদ হাওলাদারের ছেলে।
পুলিশ জানায়, শনিবার রাতে অভিযুক্ত বিজয় তার ফুফতো ভাইকে খাবার দেওয়ার কথা বলে নিজ কক্ষে ডেকে নিয়ে যায়। পরে শিশুটির উপর পাশবিক নির্যাতন চালায় সে। এ সময় শিশুটির ডাক চিৎকারে আশপাশের লোকজন এগিয়ে এলে বিজয় পালিয়ে যায়। নির্যাতনের পর শিশুটি অতিরিক্ত রক্তক্ষরণে গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়লে পরিবারের সদস্যরা তাকে উদ্ধার করে রাতেই ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যায়।
এ ঘটনা এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে এলাকাবাসী ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠে এবং অভিযুক্তকে দ্রুত আইনের আওতায় আনার দাবি জানায়।
এ ব্যাপারে টঙ্গী পূর্ব থানার ওসি মো. মেহেদী হাসান বলেন, এ ঘটনায় থানায় একটি মামলার প্রস্তুতি চলছে। অভিযুক্তকে গ্রেফতারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
বরিশাল টাইমস
নোয়াখালীর সদর উপজেলায় ছাত্রদলের নেতাকর্মীদের সঙ্গে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ ও তাদের সমর্থকদের সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এ সময় ছাত্রদলের একটি মোটরসাইকেলে অগ্নিসংযোগ করা হয়। শনিবার (৬ জুন) সন্ধ্যায় উপজেলার কালাদরাপ ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের পশ্চিম শুল্লুকিয়া গ্রামের এই সংঘাতে নোয়াখালী শহর শ্রমিক দলের সাংগঠনিক সম্পাদক হৃদয়সহ ছাত্রদল, যুবদলের কমপক্ষে ৬ জন আহত হয়েছেন। বর্তমানে সেখানে বিপুল সংখ্যক আইনশৃঙ্খলা বাহিনী উপস্থিত রয়েছেন।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, শুক্রবার বিকালে উপজেলার নোয়ান্নই ইউনিয়নের বাঁধেরহাট এলাকায় নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগের উদ্যোগে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। এর প্রতিবাদে শনিবার বিকেলে জেলা ছাত্রদলের সভাপতি এন বি এস রাসেলের নেতৃত্বে সেখানে বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সমাবেশ করে ছাত্রদল।
সেখানে থাকাকালীন তারা আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা কাফনের কাপড় মাথায় বেঁধে কালাদরপ ইউনিয়নে একটি মিছিল করে এমন সংবাদ পায়। কর্মসূচি শেষে ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা মোটরসাইকেল বহর নিয়ে ফেরার পথে কালাদরাপ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও সাবেক ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সভাপতি শাহাদাত হোসেন সেলিমকে তার বাড়ির পাশের একটি দোকানে বসে থাকতে দেখতে পান। এ সময় চেয়ারম্যানের সঙ্গে ছাত্রদলের নেতাকর্মীদের মিছিলের কথা নিয়ে বাগবিতণ্ডা হয়।
এদিকে মসজিদের মাইকে চেয়ারম্যানের ওপর হামলার কথা ছড়িয়ে দিলে স্থানীয় আওয়ামী লীগ ও চেয়ারম্যানের সমর্থকরা ঘটনাস্থলে জড়ো হন। পরে উভয়পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ শুরু হয়। এ সময় ইটপাটকেল নিক্ষেপ করা হয় এবং ছাত্রদলের একটি মোটরসাইকেলে আগুন দেওয়া হয়। এতে শ্রমিকদল নেতা হৃদয়সহ ছয় জন আহত হন। পরে রাত পৌনে ৮টার দিকে ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা একত্রিত হয়ে শাহাদাত হোসেন সেলিমের একটি ব্যক্তিগত কার্যালয়ে আগুন ধরিয়ে দেন।
জেলা ছাত্রদলের সভাপতি এন বি এস রাসেল বলেন, চেয়ারম্যানের বাড়ির পাশে ছাত্রলীগের লোকজন মিছিল করার জন্য জড়ো হয়েছিল। খবর পেয়ে ওয়ার্ড ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা সেখানে গেলে তাদের ওপর অতর্কিত হামলা চালানো হয়। পরে আমরা বাঁধেরহাটের কর্মসূচি শেষে ঘটনাস্থলে গিয়ে নেতাকর্মীদের নিরাপদে সরিয়ে আনি। হামলায় আমাদের ছয় জন নেতাকর্মী আহত হয়েছেন এবং একটি মোটরসাইকেলে আগুন দেওয়া হয়েছে।
সুধারাম মডেল থানা পুলিশের ওসি মোহাম্মদ তৌহিদুল ইসলাম সাংবাদিকদের বলেন, পুলিশ ঘটনাস্থলে রয়েছে। হামলা, মোটরসাইকেলে ও একটি অফিসে অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটেছে। ঘটনাস্থলে পুলিশ ও র্যাব সদস্যরা রয়েছেন।’
হামের উপসর্গে একদিনে (গত ২৪ ঘণ্টায়) দেশে আরও তিনজনের মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ের মধ্যে হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে আক্রান্ত হয়েছে ১ হাজার ৩২ শিশু।
শনিবার (৬ জুন) বিকেলে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হামবিষয়ক হালনাগাদ প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়েছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে ৯১৫ শিশু সন্দেহজনক হামে আক্রান্ত হয়েছে। গত ১৫ মার্চ থেকে আজ পর্যন্ত দেশে মোট সন্দেহজনক হাম রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৭৭ হাজার ৭৯১ জনে।
এদিকে, গত ২৪ ঘণ্টায় ১১৭ শিশুর শরীরে হাম শনাক্ত হয়েছে। এখন পর্যন্ত মোট নিশ্চিত হাম রোগীর সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ৯ হাজার ৬২০।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্যমতে, ১৫ মার্চ থেকে আজ পর্যন্ত সন্দেহজনক হাম রোগে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে ৬৩ হাজার ১৩৪ শিশু। একই সময়ে সুস্থ হয়ে হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়েছে ৫৮ হাজার ৯৬৪ শিশু।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, এখন পর্যন্ত সন্দেহজনক হামে মোট মৃত্যু হয়েছে ৫২২ শিশুর। এ ছাড়া নিশ্চিত হামে এ পর্যন্ত মারা গেছে ৯১ শিশু।
বরিশাল টাইমস
০৭ জুন, ২০২৬ ২২:৩২
০৭ জুন, ২০২৬ ১৯:০১
০৭ জুন, ২০২৬ ১৭:৩৮
০৭ জুন, ২০২৬ ১৬:২১