
১৩ নভেম্বর, ২০২৫ ১৩:২২
বরিশালের ৩টি নির্বাচনি এলাকায় শক্ত অবস্থানের জানান দিচ্ছে চরমোনাই পীরের দল ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ। বিএনপি ও জাতীয় পার্টি থেকে আসা সাবেক দুই সংসদ-সদস্যকে সামনে রেখে তাদের এই অবস্থান। তাদের সঙ্গে আছেন দলের নায়েবে আমির মুফতি সৈয়দ মুহাম্মাদ ফয়জুল করীম। পিরোজপুর-৩ (মঠবাড়িয়া), বরিশাল-৫ (সদর) ও পটুয়াখালী-৪ (কলাপাড়া-রাঙ্গাবালী) আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন তারা। বিভাগের ২১ নির্বাচনি এলাকার সবকটিতে প্রার্থী দিলেও এ ৩টি আসনে বিএনপির সামনে বাধার প্রাচীর হয়ে দাঁড়াবে ইসলামী আন্দোলনের হাতপাখা। এমনটাই মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।
পিরোজপুর-৩ (মঠবাড়িয়া): একটিমাত্র উপজেলা মঠবাড়িয়া নিয়ে গঠিত এই নির্বাচনি এলাকায় ইসলামী আন্দোলনের প্রার্থী সাবেক সংসদ-সদস্য ডা. রুস্তম আলী ফরাজী। বিএনপি-জাতীয় পার্টি ঘুরে চলতি বছরের আগস্টে ইসলামী আন্দোলনে যোগ দিয়েছেন চারবারের সাবেক এই সংসদ-সদস্য। যে কোনো মূল্যে সংসদ-সদস্য হওয়ার টার্গেটে ফরাজীর এই দলবদল অবশ্য নতুন নয়। ১৯৯৬ সালে তিনি প্রথমবার সংসদ-সদস্য হন জাতীয় পার্টির টিকিটে। সেবার ভোট পান ২৯ হাজার ৮৩৭। পরেরবার ২০০১-এর নির্বাচনে জাতীয় পার্টি ছেড়ে যোগ দেন বিএনপিতে। ৬৪ হাজার ৯৫৮ ভোট পেয়ে আবার নির্বাচিত হন। ২০০৮-এ তাকে আর মনোনয়ন দেয়নি বিএনপি। সেবার স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়ে নির্বাচন করে হেরে যান। ২০১৪ সালে পুনরায় স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসাবে ২৯ হাজার ৩৪২ ভোট পেয়ে যান সংসদে। ২০১৮-এর নির্বাচনে আবার জাতীয় পার্টিতে ফেরেন ফরাজী। লাঙ্গল প্রতীকে ভোট করে নির্বাচিত হন সংসদ-সদস্য। এরপর নামেন আওয়ামী লীগে যোগ দেওয়ার চেষ্টায়। জাতীয় পার্টির সংসদ-সদস্য হয়েও সংসদে শেখ হাসিনার প্রশংসা করে বক্তব্য দিতে থাকেন। অবশ্য তাকে দলে নেয়নি আওয়ামী লীগ। জাতীয় পার্টিও দেয় মাইনাস করে। ফলে ২০২৪-এর নির্বাচনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়ে নির্বাচন করলেও হেরে যান ফরাজী। এবার তিনি হয়েছেন হাতপাখার প্রার্থী। সকাল-বিকাল পোশাক পালটানোর মতো দল বদলালেও মঠবাড়িয়ায় রুস্তম আলী ফরাজীর রয়েছে ব্যক্তিগত ভোটব্যাংক। বহু বছর বিনা পয়সায় চিকিৎসা দিয়ে দরিদ্র একটি শ্রেণির কাছে জনপ্রিয়তা অর্জন করেছেন তিনি।
বরিশাল-৫ (সদর): বিএনপির ভোটের ঘাঁটি হিসাবে পরিচিত এই আসনে ইসলামী আন্দোলনের হয়ে ভোটে লড়বেন দলটির নায়েবে আমির মুফতি ফয়জুল করীম। এই আসনে সিটি ও জাতীয় নির্বাচনে প্রার্থী দিয়ে বেশ কয়েকবার নিজেদের অবস্থানের জানান দিয়েছে ইসলামী আন্দোলন। সর্বশেষ সিটি নির্বাচনে শেখ হাসিনার ফুপাতো ভাই খোকন সেরনিয়াবাতের বিরুদ্ধে ভোটে লড়েন ফয়জুল। ভোট জালিয়াতির সেই নির্বাচনে ইসলামী আন্দোলনের কর্মী-সমর্থকদের যেমন রাখা হয় হামলা-মামলার মুখে, তেমনই বর্জনের ঘোষণা দিয়ে ভোটকেন্দ্রে যাননি বিএনপি-জামায়াতের ভোটাররা। ভোটের দিন আওয়ামী লীগের হামলায় গুরুতর আহত পর্যন্ত হন মেয়রপ্রার্থী ফয়জুল। এতকিছুর পরও ওই নির্বাচনে ৩৩ হাজারের বেশি ভোট পান তিনি। এছাড়া ২০০১, ২০০৮ ও ২০১৮’র জাতীয় নির্বাচনে প্রার্থী হয়ে প্রতিবার গড়ে ৩০ হাজারের বেশি ভোট পায় হাতপাখা। জামায়াতে ইসলামী, ইসলামী আন্দোলনসহ ৮ ইসলামী দলের ঐক্য যদি শেষ পর্যন্ত থাকে আর সবাই মিলে ফয়জুল করিমকে একক প্রার্থী দিলে এই আসনেও জিতেও আসতে পারেন ফয়জুল করীম।
পটুয়াখালী-৪ (কলাপাড়া-রাঙ্গাবালী): কলাপাড়া উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি ও সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান মুস্তাফিজুর রহমানের রয়েছে এই নির্বাচনি এলাকায় বেশ শক্ত অবস্থান। ১৯৯৬-এর নির্বাচনে বিএনপির মনোনয়নে সংসদ-সদস্য নির্বাচন করেছিলেন তিনি। বিএনপি ছেড়ে হাতপাখায় যাওয়া এই নেতার সবচেয়ে বড় অর্জন ২০০১ সালে স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়ে ৩৮ হাজার ৯৮ ভোট পাওয়া। ষড়যন্ত্রসহ নানা কারণে দলীয় রাজনীতিতে কোণঠাসা হয়ে চলতি বছর বিএনপি ছেড়ে ইসলামী আন্দোলনে যোগ দেন মুস্তাফিজুর। এর পরপরই তাকে এই আসনে প্রার্থী ঘোষণা করে দলটি। এখানে বিএনপির মনোনয়ন পেয়েছেন দলের প্রশিক্ষণবিষয়ক সম্পাদক এবিএম মোশাররফ হোসেন। নির্বাচনি এলাকার দুই উপজেলা ঘুরে দেখা গেছে, বিএনপির পাশাপাশি বেশ শক্ত অবস্থান ইসলামী আন্দোলনের এই প্রার্থীর। পেশায় চিকিৎসক মুস্তাফিজ গ্রামে গ্রামে ঘুরে বিনা পয়সায় চিকিৎসা দিয়ে সমর্থন পাচ্ছেন বহু সাধারণ মানুষের। তাছাড়া মোশাররফের রাজনৈতিক প্রতিপক্ষরাও ভেতরে ভেতরে তার সঙ্গে রাখছেন যোগাযোগ। কেবল বিএনপি নয়, দুই উপজেলায় থাকা আওয়ামী লীগের ভোটাররাও ঝুঁকছেন মুস্তাফিজের দিকে।
বরিশালের ৩টি নির্বাচনি এলাকায় শক্ত অবস্থানের জানান দিচ্ছে চরমোনাই পীরের দল ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ। বিএনপি ও জাতীয় পার্টি থেকে আসা সাবেক দুই সংসদ-সদস্যকে সামনে রেখে তাদের এই অবস্থান। তাদের সঙ্গে আছেন দলের নায়েবে আমির মুফতি সৈয়দ মুহাম্মাদ ফয়জুল করীম। পিরোজপুর-৩ (মঠবাড়িয়া), বরিশাল-৫ (সদর) ও পটুয়াখালী-৪ (কলাপাড়া-রাঙ্গাবালী) আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন তারা। বিভাগের ২১ নির্বাচনি এলাকার সবকটিতে প্রার্থী দিলেও এ ৩টি আসনে বিএনপির সামনে বাধার প্রাচীর হয়ে দাঁড়াবে ইসলামী আন্দোলনের হাতপাখা। এমনটাই মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।
পিরোজপুর-৩ (মঠবাড়িয়া): একটিমাত্র উপজেলা মঠবাড়িয়া নিয়ে গঠিত এই নির্বাচনি এলাকায় ইসলামী আন্দোলনের প্রার্থী সাবেক সংসদ-সদস্য ডা. রুস্তম আলী ফরাজী। বিএনপি-জাতীয় পার্টি ঘুরে চলতি বছরের আগস্টে ইসলামী আন্দোলনে যোগ দিয়েছেন চারবারের সাবেক এই সংসদ-সদস্য। যে কোনো মূল্যে সংসদ-সদস্য হওয়ার টার্গেটে ফরাজীর এই দলবদল অবশ্য নতুন নয়। ১৯৯৬ সালে তিনি প্রথমবার সংসদ-সদস্য হন জাতীয় পার্টির টিকিটে। সেবার ভোট পান ২৯ হাজার ৮৩৭। পরেরবার ২০০১-এর নির্বাচনে জাতীয় পার্টি ছেড়ে যোগ দেন বিএনপিতে। ৬৪ হাজার ৯৫৮ ভোট পেয়ে আবার নির্বাচিত হন। ২০০৮-এ তাকে আর মনোনয়ন দেয়নি বিএনপি। সেবার স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়ে নির্বাচন করে হেরে যান। ২০১৪ সালে পুনরায় স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসাবে ২৯ হাজার ৩৪২ ভোট পেয়ে যান সংসদে। ২০১৮-এর নির্বাচনে আবার জাতীয় পার্টিতে ফেরেন ফরাজী। লাঙ্গল প্রতীকে ভোট করে নির্বাচিত হন সংসদ-সদস্য। এরপর নামেন আওয়ামী লীগে যোগ দেওয়ার চেষ্টায়। জাতীয় পার্টির সংসদ-সদস্য হয়েও সংসদে শেখ হাসিনার প্রশংসা করে বক্তব্য দিতে থাকেন। অবশ্য তাকে দলে নেয়নি আওয়ামী লীগ। জাতীয় পার্টিও দেয় মাইনাস করে। ফলে ২০২৪-এর নির্বাচনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়ে নির্বাচন করলেও হেরে যান ফরাজী। এবার তিনি হয়েছেন হাতপাখার প্রার্থী। সকাল-বিকাল পোশাক পালটানোর মতো দল বদলালেও মঠবাড়িয়ায় রুস্তম আলী ফরাজীর রয়েছে ব্যক্তিগত ভোটব্যাংক। বহু বছর বিনা পয়সায় চিকিৎসা দিয়ে দরিদ্র একটি শ্রেণির কাছে জনপ্রিয়তা অর্জন করেছেন তিনি।
বরিশাল-৫ (সদর): বিএনপির ভোটের ঘাঁটি হিসাবে পরিচিত এই আসনে ইসলামী আন্দোলনের হয়ে ভোটে লড়বেন দলটির নায়েবে আমির মুফতি ফয়জুল করীম। এই আসনে সিটি ও জাতীয় নির্বাচনে প্রার্থী দিয়ে বেশ কয়েকবার নিজেদের অবস্থানের জানান দিয়েছে ইসলামী আন্দোলন। সর্বশেষ সিটি নির্বাচনে শেখ হাসিনার ফুপাতো ভাই খোকন সেরনিয়াবাতের বিরুদ্ধে ভোটে লড়েন ফয়জুল। ভোট জালিয়াতির সেই নির্বাচনে ইসলামী আন্দোলনের কর্মী-সমর্থকদের যেমন রাখা হয় হামলা-মামলার মুখে, তেমনই বর্জনের ঘোষণা দিয়ে ভোটকেন্দ্রে যাননি বিএনপি-জামায়াতের ভোটাররা। ভোটের দিন আওয়ামী লীগের হামলায় গুরুতর আহত পর্যন্ত হন মেয়রপ্রার্থী ফয়জুল। এতকিছুর পরও ওই নির্বাচনে ৩৩ হাজারের বেশি ভোট পান তিনি। এছাড়া ২০০১, ২০০৮ ও ২০১৮’র জাতীয় নির্বাচনে প্রার্থী হয়ে প্রতিবার গড়ে ৩০ হাজারের বেশি ভোট পায় হাতপাখা। জামায়াতে ইসলামী, ইসলামী আন্দোলনসহ ৮ ইসলামী দলের ঐক্য যদি শেষ পর্যন্ত থাকে আর সবাই মিলে ফয়জুল করিমকে একক প্রার্থী দিলে এই আসনেও জিতেও আসতে পারেন ফয়জুল করীম।
পটুয়াখালী-৪ (কলাপাড়া-রাঙ্গাবালী): কলাপাড়া উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি ও সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান মুস্তাফিজুর রহমানের রয়েছে এই নির্বাচনি এলাকায় বেশ শক্ত অবস্থান। ১৯৯৬-এর নির্বাচনে বিএনপির মনোনয়নে সংসদ-সদস্য নির্বাচন করেছিলেন তিনি। বিএনপি ছেড়ে হাতপাখায় যাওয়া এই নেতার সবচেয়ে বড় অর্জন ২০০১ সালে স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়ে ৩৮ হাজার ৯৮ ভোট পাওয়া। ষড়যন্ত্রসহ নানা কারণে দলীয় রাজনীতিতে কোণঠাসা হয়ে চলতি বছর বিএনপি ছেড়ে ইসলামী আন্দোলনে যোগ দেন মুস্তাফিজুর। এর পরপরই তাকে এই আসনে প্রার্থী ঘোষণা করে দলটি। এখানে বিএনপির মনোনয়ন পেয়েছেন দলের প্রশিক্ষণবিষয়ক সম্পাদক এবিএম মোশাররফ হোসেন। নির্বাচনি এলাকার দুই উপজেলা ঘুরে দেখা গেছে, বিএনপির পাশাপাশি বেশ শক্ত অবস্থান ইসলামী আন্দোলনের এই প্রার্থীর। পেশায় চিকিৎসক মুস্তাফিজ গ্রামে গ্রামে ঘুরে বিনা পয়সায় চিকিৎসা দিয়ে সমর্থন পাচ্ছেন বহু সাধারণ মানুষের। তাছাড়া মোশাররফের রাজনৈতিক প্রতিপক্ষরাও ভেতরে ভেতরে তার সঙ্গে রাখছেন যোগাযোগ। কেবল বিএনপি নয়, দুই উপজেলায় থাকা আওয়ামী লীগের ভোটাররাও ঝুঁকছেন মুস্তাফিজের দিকে।
১৪ এপ্রিল, ২০২৬ ১৭:০৫
১৪ এপ্রিল, ২০২৬ ১৬:৩০
১৪ এপ্রিল, ২০২৬ ১৬:১০
১৪ এপ্রিল, ২০২৬ ১৩:৩৫

১৪ এপ্রিল, ২০২৬ ০১:০৬
বরিশালের বাবুগঞ্জে ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকদের মাঝে বিনামূল্যে বীজ এবং সার বিতরণ কার্যক্রমের শুভ উদ্বোধন করা হয়েছে। সোমবার (১৩ এপ্রিল) উপজেলা কৃষি ভবন মিলনায়তনে ওই বীজ-সার বিতরণ কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন বরিশাল-৩ (বাবুগঞ্জ-মুলাদী) আসনের সংসদ সদস্য ও বিএনপির কেন্দ্রীয় ভাইস চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট জয়নুল আবেদীন।
বাবুগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) আসমা উল হুসনার সভাপতিত্বে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ মোঃ আবদুর রউফ। উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা বিবি হাজেরা রিমি ও আতিকুর রহমান সুমনের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন উপজেলা বিএনপির আহবায়ক সুলতান আহমেদ খান, সদস্য সচিব ওয়াহিদুল ইসলাম প্রিন্স, সাবেক সভাপতি ইসরাত হোসেন কচি তালুকদার ও সফল কৃষক আমিনুল ইসলাম।
এসময় আমন্ত্রিত অতিথিদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন বিআরডিবি চেয়ারম্যান আলমগীর হোসেন স্বপন, বরিশাল জেলা কৃষকদলের সভাপতি মহসিন আলম, জেলা যুবদলের (দক্ষিণ) যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক মাইনুল ইসলাম শিহাব, বাবুগঞ্জ উপজেলা বিএনপির যুগ্ম-আহবায়ক আরিফুর রহমান শিমুল সিকদার, উপজেলা যুবদল আহবায়ক রাকিবুল হাসান খান রাকিব, সিনিয়র যুগ্ম-আহবায়ক রফিকুল ইসলাম রাফিল, যুগ্ম-আহবায়ক মাহমুদুল হাসান লিমন, ইশতিয়াক আহমেদ জুয়েল, উজ্জল হাওলাদার, সদস্য সচিব ওবায়দুল হক, উপজেলা কৃষক দলের সভাপতি আরিফুর রহমান রতন তালুকদার, শ্রমিক দলের সভাপতি ফরিদ হোসেন, সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান মিন্টু, উপজেলা ছাত্রদলের আহবায়ক আতিকুর রহমান আল-আমিন, সিনিয়র যুগ্ম-আহবায়ক আকিব হোসেন ইমরান, সদস্য সচিব ইয়াসির আরাফাত মৃধা প্রমুখ।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতাকালে বরিশাল-৩ আসনের এমপি অ্যাডভোকেট জয়নুল আবেদীন বলেন, 'যতই বিরোধিতা করা হোক না কেন ভারত আমাদের পানি দেবে না। তাই আল্লাহর দেওয়া বৃষ্টির পানি আমাদের নদী আর খালে সংরক্ষণ করতে হবে। সেজন্য নদী-খাল খননের কোনো বিকল্প নাই। এই বাস্তবতা শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান আরো ৫০ বছর আগেই অনুভব করেছিলেন। সেজন্য তিনি কৃষক বাঁচাতে খাল খনন কর্মসূচি চালু করেছিলেন। বর্তমান বিএনপি সরকার কৃষিবান্ধব সরকার। কৃষকদের জন্য স্মার্ট কৃষি কার্ড বিতরণ কার্যক্রম শুরু হচ্ছে। এই কার্ডের মাধ্যমে সকল কৃষি সেবা ও সু্বিধা পাবেন দেশের কৃষকরা।'
বাবুগঞ্জ উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ মোঃ আবদুর রউফ জানান, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উদ্যোগে ২০২৫-২৬ অর্থবছরে কৃষি প্রণোদনা কর্মসূচির আওতায় খরিফ-১ মৌসুমে আউশ ধান ও পাটের উৎপাদন বৃদ্ধির লক্ষ্যে বাবুগঞ্জ উপজেলায় ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকদের মাঝে বীজ এবং সার বিতরণ কর্মসূচির আওতায় উপজেলার ৫৫০ জন কৃষক পাচ্ছেন বিনামূল্যে বীজ ও সার। এদের মধ্যে ২৫০ জন কৃষক পাচ্ছেন উন্নত জাতের ৫ কেজি করে উফশী আউশ ধানের বীজ এবং সেইসাথে ২০ কেজি করে ডিএপি ও এমওপি সার। এছাড়া উপজেলার ৩০০ পাট চাষীর প্রত্যেকে ১ কেজি করে পাট বীজের সাথে পাচ্ছেন ১০ কেজি ডিএপি এবং এমওপি সার। #
বরিশালের বাবুগঞ্জে ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকদের মাঝে বিনামূল্যে বীজ এবং সার বিতরণ কার্যক্রমের শুভ উদ্বোধন করা হয়েছে। সোমবার (১৩ এপ্রিল) উপজেলা কৃষি ভবন মিলনায়তনে ওই বীজ-সার বিতরণ কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন বরিশাল-৩ (বাবুগঞ্জ-মুলাদী) আসনের সংসদ সদস্য ও বিএনপির কেন্দ্রীয় ভাইস চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট জয়নুল আবেদীন।
বাবুগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) আসমা উল হুসনার সভাপতিত্বে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ মোঃ আবদুর রউফ। উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা বিবি হাজেরা রিমি ও আতিকুর রহমান সুমনের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন উপজেলা বিএনপির আহবায়ক সুলতান আহমেদ খান, সদস্য সচিব ওয়াহিদুল ইসলাম প্রিন্স, সাবেক সভাপতি ইসরাত হোসেন কচি তালুকদার ও সফল কৃষক আমিনুল ইসলাম।
এসময় আমন্ত্রিত অতিথিদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন বিআরডিবি চেয়ারম্যান আলমগীর হোসেন স্বপন, বরিশাল জেলা কৃষকদলের সভাপতি মহসিন আলম, জেলা যুবদলের (দক্ষিণ) যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক মাইনুল ইসলাম শিহাব, বাবুগঞ্জ উপজেলা বিএনপির যুগ্ম-আহবায়ক আরিফুর রহমান শিমুল সিকদার, উপজেলা যুবদল আহবায়ক রাকিবুল হাসান খান রাকিব, সিনিয়র যুগ্ম-আহবায়ক রফিকুল ইসলাম রাফিল, যুগ্ম-আহবায়ক মাহমুদুল হাসান লিমন, ইশতিয়াক আহমেদ জুয়েল, উজ্জল হাওলাদার, সদস্য সচিব ওবায়দুল হক, উপজেলা কৃষক দলের সভাপতি আরিফুর রহমান রতন তালুকদার, শ্রমিক দলের সভাপতি ফরিদ হোসেন, সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান মিন্টু, উপজেলা ছাত্রদলের আহবায়ক আতিকুর রহমান আল-আমিন, সিনিয়র যুগ্ম-আহবায়ক আকিব হোসেন ইমরান, সদস্য সচিব ইয়াসির আরাফাত মৃধা প্রমুখ।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতাকালে বরিশাল-৩ আসনের এমপি অ্যাডভোকেট জয়নুল আবেদীন বলেন, 'যতই বিরোধিতা করা হোক না কেন ভারত আমাদের পানি দেবে না। তাই আল্লাহর দেওয়া বৃষ্টির পানি আমাদের নদী আর খালে সংরক্ষণ করতে হবে। সেজন্য নদী-খাল খননের কোনো বিকল্প নাই। এই বাস্তবতা শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান আরো ৫০ বছর আগেই অনুভব করেছিলেন। সেজন্য তিনি কৃষক বাঁচাতে খাল খনন কর্মসূচি চালু করেছিলেন। বর্তমান বিএনপি সরকার কৃষিবান্ধব সরকার। কৃষকদের জন্য স্মার্ট কৃষি কার্ড বিতরণ কার্যক্রম শুরু হচ্ছে। এই কার্ডের মাধ্যমে সকল কৃষি সেবা ও সু্বিধা পাবেন দেশের কৃষকরা।'
বাবুগঞ্জ উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ মোঃ আবদুর রউফ জানান, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উদ্যোগে ২০২৫-২৬ অর্থবছরে কৃষি প্রণোদনা কর্মসূচির আওতায় খরিফ-১ মৌসুমে আউশ ধান ও পাটের উৎপাদন বৃদ্ধির লক্ষ্যে বাবুগঞ্জ উপজেলায় ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকদের মাঝে বীজ এবং সার বিতরণ কর্মসূচির আওতায় উপজেলার ৫৫০ জন কৃষক পাচ্ছেন বিনামূল্যে বীজ ও সার। এদের মধ্যে ২৫০ জন কৃষক পাচ্ছেন উন্নত জাতের ৫ কেজি করে উফশী আউশ ধানের বীজ এবং সেইসাথে ২০ কেজি করে ডিএপি ও এমওপি সার। এছাড়া উপজেলার ৩০০ পাট চাষীর প্রত্যেকে ১ কেজি করে পাট বীজের সাথে পাচ্ছেন ১০ কেজি ডিএপি এবং এমওপি সার। #

১৩ এপ্রিল, ২০২৬ ২৩:৩০
বরিশালের বানারীপাড়া উপজেলার বিশারকান্দি ইউনিয়নে শ্রমিক দলের সভাপতি জিয়া সরদারের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি ও হামলার গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় পুরো এলাকায় চরম ক্ষোভ ও চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, রোববার ( ১২ এপ্রিল) সন্ধ্যায় উপজেলার বিশারকান্দি ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডে অবস্থিত ‘নাহার মেডিকেল হলের স্বত্বাধিকারী পল্লী চিকিৎসক নাছির উদ্দিন মিলনের কাছে ৫০ হাজার টাকা চাঁদা দাবি করেন জিয়া সরদার। ভুক্তভোগী চাঁদা দিতে অস্বীকৃতি জানালে তার ওপর হামলা চালানো হয়। এ সময় দোকানের ক্যাশে থাকা নগদ অর্থ ছিনিয়ে নেওয়ার অভিযোগও উঠেছে।
পল্লী চিকিৎসক নাছির উদ্দিন মিলন জানান, গত প্রায় দুই বছরে বিভিন্ন সময়ে ৫০০ টাকা থেকে শুরু করে ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত একাধিকবার জোরপূর্বক তার কাছ থেকে অর্থ আদায় করা হয়েছে। সর্বশেষ চাঁদা দাবির ঘটনায় টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানানোয় তাকে মারধরের শিকার হতে হয়।
গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে রোববার রাত ৯টার দিকে বানারীপাড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। পরে অবস্থার অবনতি হলে কর্তব্যরত চিকিৎসকরা তাকে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার্ড করেন। বর্তমানে তিনি সেখানে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
এ বিষয়ে বিশারকান্দি ইউনিয়ন ছাত্রদলের সভাপতি ওয়াসিম সাজ্জাদ জানান, তিনি ঘটনাটি সম্পর্কে অবগত রয়েছেন এবং প্রাথমিকভাবে অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেছে। তিনি আরও বলেন, ভুক্তভোগী তার মামা। বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে দেখা হচ্ছে এবং অভিযুক্ত জিয়া সরদারের বিরুদ্ধে দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে।
এ ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যে উদ্বেগ ও ক্ষোভ বিরাজ করছে। এলাকাবাসী দোষীদের দ্রুত আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন। অভিযুক্ত বিশারকান্দি ইউনিয়নে শ্রমিক দলের সভাপতি জিয়া সরদার অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন ওই পল্লী চিকিৎসকের ভুল চিকিৎসায় ওয়ার্ড বিএনপির সাধারণ সম্পাদক জাকির হোসেনের ভাইয়ের ছেলে রহমত গুরুতর অসুস্থ হওয়ার বিষয়ে তার উন্নত চিকিৎসার জন্য ক্ষতিপূরণ দিতে বলায় তার নামে চাঁদাবাজি ও হামলার অভিযোগ আনা হয়েছে।
বরিশালের বানারীপাড়া উপজেলার বিশারকান্দি ইউনিয়নে শ্রমিক দলের সভাপতি জিয়া সরদারের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি ও হামলার গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় পুরো এলাকায় চরম ক্ষোভ ও চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, রোববার ( ১২ এপ্রিল) সন্ধ্যায় উপজেলার বিশারকান্দি ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডে অবস্থিত ‘নাহার মেডিকেল হলের স্বত্বাধিকারী পল্লী চিকিৎসক নাছির উদ্দিন মিলনের কাছে ৫০ হাজার টাকা চাঁদা দাবি করেন জিয়া সরদার। ভুক্তভোগী চাঁদা দিতে অস্বীকৃতি জানালে তার ওপর হামলা চালানো হয়। এ সময় দোকানের ক্যাশে থাকা নগদ অর্থ ছিনিয়ে নেওয়ার অভিযোগও উঠেছে।
পল্লী চিকিৎসক নাছির উদ্দিন মিলন জানান, গত প্রায় দুই বছরে বিভিন্ন সময়ে ৫০০ টাকা থেকে শুরু করে ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত একাধিকবার জোরপূর্বক তার কাছ থেকে অর্থ আদায় করা হয়েছে। সর্বশেষ চাঁদা দাবির ঘটনায় টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানানোয় তাকে মারধরের শিকার হতে হয়।
গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে রোববার রাত ৯টার দিকে বানারীপাড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। পরে অবস্থার অবনতি হলে কর্তব্যরত চিকিৎসকরা তাকে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার্ড করেন। বর্তমানে তিনি সেখানে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
এ বিষয়ে বিশারকান্দি ইউনিয়ন ছাত্রদলের সভাপতি ওয়াসিম সাজ্জাদ জানান, তিনি ঘটনাটি সম্পর্কে অবগত রয়েছেন এবং প্রাথমিকভাবে অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেছে। তিনি আরও বলেন, ভুক্তভোগী তার মামা। বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে দেখা হচ্ছে এবং অভিযুক্ত জিয়া সরদারের বিরুদ্ধে দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে।
এ ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যে উদ্বেগ ও ক্ষোভ বিরাজ করছে। এলাকাবাসী দোষীদের দ্রুত আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন। অভিযুক্ত বিশারকান্দি ইউনিয়নে শ্রমিক দলের সভাপতি জিয়া সরদার অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন ওই পল্লী চিকিৎসকের ভুল চিকিৎসায় ওয়ার্ড বিএনপির সাধারণ সম্পাদক জাকির হোসেনের ভাইয়ের ছেলে রহমত গুরুতর অসুস্থ হওয়ার বিষয়ে তার উন্নত চিকিৎসার জন্য ক্ষতিপূরণ দিতে বলায় তার নামে চাঁদাবাজি ও হামলার অভিযোগ আনা হয়েছে।

১৩ এপ্রিল, ২০২৬ ১৮:২৩
বরিশালের বাবুগঞ্জে ১২ বছর বয়সী এক মাদ্রাসা ছাত্রকে বলাৎকারের অভিযোগে মাদ্রাসার সহকারী শিক্ষকের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে। এদিকে ঘটনার পর থেকেই পলাতক রয়েছেন অভিযুক্ত মাদ্রাসা শিক্ষক। বলাৎকারের দায়ে অভিযুক্ত ওই শিক্ষকের নাম মাসুম বিল্লাহ (২৬)। তিনি বাবুগঞ্জ থানার সামনে অবস্থিত আল ইকরা দারুল উলুম নূরানী ও হাফিজিয়া মাদ্রাসার সহকারী শিক্ষক এবং নাটোর জেলার সিংড়া উপজেলার চকহিয়াতপুর গ্রামের শাহাদাৎ হোসেনের ছেলে।
থানা পুলিশ ও ভুক্তভোগী পরিবার সূত্রে জানা যায়, গত ১৫ মার্চ রাত আনুমানিক ১টার দিকে হিফজ শাখার ১২ বছর বয়সী এক আবাসিক শিশু শিক্ষার্থীকে ঘুম থেকে ডেকে তুলে পাশের কক্ষে নিয়ে যান মাদ্রাসা শিক্ষক মাসুম বিল্লাহ। সেখানে তাকে রাতভর অনৈতিক শারীরিক নির্যাতনসহ বলাৎকার করা হয়। পরবর্তীতে বিষয়টি কাউকে না জানানোর জন্য শিশুটিকে নানান ভয়ভীতি দেখানো হয়। এতে শিশুটি বাড়িতে গিয়ে অসুস্থ হয়ে পড়ে এবং মারপিটের ভয়ে পরিবারের কাছে ঘটনাটি গোপন রাখে। পরবর্তীতে তার পায়ুপথে সংক্রমণ দেখা দিলে এবং মাদ্রাসায় যেতে অস্বীকৃতি জানালে পরিবারের সন্দেহ হয়। পরে সে বিষয়টি স্বীকার করে এবং এর আগেও শিক্ষক মাসুম বিল্লাহ একাধিকবার তাকে বলাৎকার এবং শারীরিক নির্যাতন করেছে বলে পরিবারকে জানায়। ঘটনা জানার পরে ভুক্তভোগী শিশুটির বাবা বাদী হয়ে রোববার রাতে বাবুগঞ্জ থানায় শিশু ধর্ষণ ও বলাৎকারের অভিযোগে একটি মামলা দায়ের করেন।
এদিকে ঘটনা জানাজানি হওয়ার পর পালিয়ে যান অভিযুক্ত মাদ্রাসা শিক্ষক মাসুম বিল্লাহ। স্থানীয়দের অভিযোগ, মাদ্রাসা পরিচালক মুফতি আমিনুল ইসলাম নাটোর জেলার বাসিন্দা হওয়ায় তিনিই সহকারী শিক্ষক মাসুম বিল্লাহকে নাটোর থেকে এনে অবৈধভাবে চাকরি দিয়েছেন এবং মাদ্রাসার একটি কক্ষে থাকতে দিয়েছেন। এর আগেও এই প্রতিষ্ঠানে শিক্ষার্থী নির্যাতনের ঘটনা ঘটলেও রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে তা ধামাচাপা দেওয়া হয়। এবারও স্থানীয় বিভিন্ন প্রভাবশালী মহলের সঙ্গে যোগাযোগ করে থানার মাধ্যমে বিষয়টি মীমাংসার চেষ্টা করা হচ্ছে। তবে এসব অভিযোগ সরাসরি অস্বীকার করেছেন মাদ্রাসা পরিচালক মুফতি আমিনুল ইসলাম। অভিযুক্ত শিক্ষক মাসুম বিল্লাহ পলাতক এবং মোবাইল বন্ধ থাকায় তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
বাবুগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ শেখ মোহাম্মদ এহতেশামুল ইসলাম বলেন, 'ভিকটিমের বাবা কবির হোসেনের লিখিত অভিযোগ পাওয়ার পরে তা আমলে নিয়ে মামলা গ্রহণ করা হয়েছে। অভিযুক্ত শিক্ষকের অবস্থান সনাক্ত করে তাকে আটকের চেষ্টা চলছে। এটা মীমাংসাযোগ্য অপরাধ নয়। থানার বাইরে কেউ মীমাংসার চেষ্টা করছে কিনা তা আমাদের জানা নেই।' #
বরিশালের বাবুগঞ্জে ১২ বছর বয়সী এক মাদ্রাসা ছাত্রকে বলাৎকারের অভিযোগে মাদ্রাসার সহকারী শিক্ষকের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে। এদিকে ঘটনার পর থেকেই পলাতক রয়েছেন অভিযুক্ত মাদ্রাসা শিক্ষক। বলাৎকারের দায়ে অভিযুক্ত ওই শিক্ষকের নাম মাসুম বিল্লাহ (২৬)। তিনি বাবুগঞ্জ থানার সামনে অবস্থিত আল ইকরা দারুল উলুম নূরানী ও হাফিজিয়া মাদ্রাসার সহকারী শিক্ষক এবং নাটোর জেলার সিংড়া উপজেলার চকহিয়াতপুর গ্রামের শাহাদাৎ হোসেনের ছেলে।
থানা পুলিশ ও ভুক্তভোগী পরিবার সূত্রে জানা যায়, গত ১৫ মার্চ রাত আনুমানিক ১টার দিকে হিফজ শাখার ১২ বছর বয়সী এক আবাসিক শিশু শিক্ষার্থীকে ঘুম থেকে ডেকে তুলে পাশের কক্ষে নিয়ে যান মাদ্রাসা শিক্ষক মাসুম বিল্লাহ। সেখানে তাকে রাতভর অনৈতিক শারীরিক নির্যাতনসহ বলাৎকার করা হয়। পরবর্তীতে বিষয়টি কাউকে না জানানোর জন্য শিশুটিকে নানান ভয়ভীতি দেখানো হয়। এতে শিশুটি বাড়িতে গিয়ে অসুস্থ হয়ে পড়ে এবং মারপিটের ভয়ে পরিবারের কাছে ঘটনাটি গোপন রাখে। পরবর্তীতে তার পায়ুপথে সংক্রমণ দেখা দিলে এবং মাদ্রাসায় যেতে অস্বীকৃতি জানালে পরিবারের সন্দেহ হয়। পরে সে বিষয়টি স্বীকার করে এবং এর আগেও শিক্ষক মাসুম বিল্লাহ একাধিকবার তাকে বলাৎকার এবং শারীরিক নির্যাতন করেছে বলে পরিবারকে জানায়। ঘটনা জানার পরে ভুক্তভোগী শিশুটির বাবা বাদী হয়ে রোববার রাতে বাবুগঞ্জ থানায় শিশু ধর্ষণ ও বলাৎকারের অভিযোগে একটি মামলা দায়ের করেন।
এদিকে ঘটনা জানাজানি হওয়ার পর পালিয়ে যান অভিযুক্ত মাদ্রাসা শিক্ষক মাসুম বিল্লাহ। স্থানীয়দের অভিযোগ, মাদ্রাসা পরিচালক মুফতি আমিনুল ইসলাম নাটোর জেলার বাসিন্দা হওয়ায় তিনিই সহকারী শিক্ষক মাসুম বিল্লাহকে নাটোর থেকে এনে অবৈধভাবে চাকরি দিয়েছেন এবং মাদ্রাসার একটি কক্ষে থাকতে দিয়েছেন। এর আগেও এই প্রতিষ্ঠানে শিক্ষার্থী নির্যাতনের ঘটনা ঘটলেও রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে তা ধামাচাপা দেওয়া হয়। এবারও স্থানীয় বিভিন্ন প্রভাবশালী মহলের সঙ্গে যোগাযোগ করে থানার মাধ্যমে বিষয়টি মীমাংসার চেষ্টা করা হচ্ছে। তবে এসব অভিযোগ সরাসরি অস্বীকার করেছেন মাদ্রাসা পরিচালক মুফতি আমিনুল ইসলাম। অভিযুক্ত শিক্ষক মাসুম বিল্লাহ পলাতক এবং মোবাইল বন্ধ থাকায় তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
বাবুগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ শেখ মোহাম্মদ এহতেশামুল ইসলাম বলেন, 'ভিকটিমের বাবা কবির হোসেনের লিখিত অভিযোগ পাওয়ার পরে তা আমলে নিয়ে মামলা গ্রহণ করা হয়েছে। অভিযুক্ত শিক্ষকের অবস্থান সনাক্ত করে তাকে আটকের চেষ্টা চলছে। এটা মীমাংসাযোগ্য অপরাধ নয়। থানার বাইরে কেউ মীমাংসার চেষ্টা করছে কিনা তা আমাদের জানা নেই।' #
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.