
০৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১৭:৩৮
মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত পলাতক সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ফিরিয়ে আনার ঘোষণা দিয়েছেন জাতীয় পার্টির কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য অ্যাডভোকেট মোকাম্মেল হক চৌধুরী। একইসঙ্গে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে হওয়া সকল মামলা প্রত্যাহার করার কথাও জানান তিনি।
বৃহস্পতিবার (৫ ফেব্রুয়ারি) রাতে রংপুর-২ আসনের জাতীয় পার্টির প্রার্থী ও সাবেক সংসদ সদস্য আনিছুল ইসলাম মণ্ডলের নির্বাচনী জনসভায় এ বক্তব্য দেন মোকাম্মেল হক চৌধুরী। সেখানে জাতীয় পার্টির সংসদ সদস্য প্রার্থীসহ বদরগঞ্জ ও তারাগঞ্জ উপজেলার নেতারা উপস্থিত ছিলেন।
জনসভায় মোকাম্মেল হক বলেন, ‘আমাদের নেতা জি এম কাদের বুক ফুলিয়ে আওয়ামী লীগের পক্ষে কথা বলেছেন। জাতীয় পার্টিই একমাত্র দল, যারা সত্য কথা বলেছে। ক্ষমতায় যেতে পারলে আওয়ামী লীগের সকল মামলা আমরা প্রত্যাহার করে দেব। জননেত্রী শেখ হাসিনাকে সসম্মানে ফিরিয়ে আনব।’
তিনি আরো বলেন, ‘আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা যারা ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছেন, ভয় পাইয়েন না। সকাল আটটার মধ্যে নির্বাচনের মাঠে থাকবেন, ভোট দিয়ে বাড়িতে যাবেন। লাঙ্গল মার্কা জয়যুক্ত হবে, আনিছুল ইসলাম মন্ডল ভাই জয়যুক্ত হবে। মিছিল নিয়ে আমরা বের হব। কোন শক্তি আপনাদের ক্ষতি করে সেটাই আমরা দেখব।’
জাপা নেতা বলেন, ‘আজকে বড় দুঃখ লাগে, ভোট হচ্ছে। ভোটের মাঠে আমরা দাপিয়ে বেড়াচ্ছি। অথচ স্বাধীনতার পক্ষে নেতৃত্ব দেওয়া দলটিকে বাদ দিয়ে নির্বাচন করতে হচ্ছে। আওয়ামী লীগের সমর্থনের ভাইয়েরা ঘরে বসে থাইকেন না। তাহলে আপনাদেরই বেশি ক্ষতি হবে। ওই স্বাধীনতাবিরোধীরা যদি কোনোদিন ঘটনা ঘটিয়ে ফেলে, তখন সবচেয়ে বড় ক্ষতি করবে আওয়ামী লীগের।’
একমাত্র জাতীয় পার্টি আওয়ামী লীগের পক্ষে দাঁড়িয়েছে বলে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘আমরা যারা আওয়ামী লীগের পক্ষে আছি, তারা জেল-জুলুমকে ভয় করি না। আমরা বলতে চাই, নিরীহ আওয়ামী লীগের নেতাদের ওপর কোনো অত্যাচার-নির্যাতন হতে দেব না।’
এ বিষয়ে জানতে জাতীয় পার্টির কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য অ্যাডভোকেট মোকাম্মেল হক চৌধুরীর ফোন নম্বরে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তা বন্ধ পাওয়া যায়।
তবে এই ঘটনায় উপজেলা জাতীয় পার্টি নিজেদের অবস্থান জানিয়েছে। উপজেলা কমিটির যুগ্ম আহবায়ক মো. মোস্তাকুর রহমান একটি প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানান, মোকাম্মেল চৌধুরীর বক্তব্যে শেখ হাসিনা সংক্রান্ত যে কথা বলেছেন সেটা ভুলবশত হয়েছে এবং সেটি তার ব্যক্তিগত মতামত।
জাতীয় পার্টির প্রেসিডিয়াম সদস্য এস এম ইয়াসির কালবেলাকে বলেন, 'শেখ হাসিনাকে কেন আমরা ফিরিয়ে আনবো? এ ধরনের কথা আমরা বলিনা। আমরা ওই নেতাকে শোকজ করব।'
এদিকে জাপা নেতার দেওয়া এমন বক্তব্যের তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছে বিএনপি, জামায়াত, এনসিপিসহ ফ্যাসিবাদবিরোধী অন্যান্য রাজনৈতিক দল।
বদরগঞ্জ উপজেলা জামায়াতের আমির মো. কামরুজ্জামান কবির বলেন, ‘ফ্যাসিবাদী আওয়ামী লীগকে বাংলাদেশে ফিরিয়ে আনতে তাদের দোসর জাতীয় পার্টি কাজ করছে। খুনি হাসিনাকে যারা ফিরিয়ে আনতে চায় তাদেরকে জনগণ দাঁতভাঙ্গা জবাব দেবে।’
উল্লেখ্য, মোকাম্মেল হক চৌধুরীর চাচাতো ভাই আওয়ামী লীগের সাবেক সংসদ সদস্য ডিউক চৌধুরী এবং আওয়ামী সরকারের সাবেক যোগাযোগ প্রতিমন্ত্রী আনিছুল হক চৌধুরী তার চাচা।
মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত পলাতক সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ফিরিয়ে আনার ঘোষণা দিয়েছেন জাতীয় পার্টির কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য অ্যাডভোকেট মোকাম্মেল হক চৌধুরী। একইসঙ্গে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে হওয়া সকল মামলা প্রত্যাহার করার কথাও জানান তিনি।
বৃহস্পতিবার (৫ ফেব্রুয়ারি) রাতে রংপুর-২ আসনের জাতীয় পার্টির প্রার্থী ও সাবেক সংসদ সদস্য আনিছুল ইসলাম মণ্ডলের নির্বাচনী জনসভায় এ বক্তব্য দেন মোকাম্মেল হক চৌধুরী। সেখানে জাতীয় পার্টির সংসদ সদস্য প্রার্থীসহ বদরগঞ্জ ও তারাগঞ্জ উপজেলার নেতারা উপস্থিত ছিলেন।
জনসভায় মোকাম্মেল হক বলেন, ‘আমাদের নেতা জি এম কাদের বুক ফুলিয়ে আওয়ামী লীগের পক্ষে কথা বলেছেন। জাতীয় পার্টিই একমাত্র দল, যারা সত্য কথা বলেছে। ক্ষমতায় যেতে পারলে আওয়ামী লীগের সকল মামলা আমরা প্রত্যাহার করে দেব। জননেত্রী শেখ হাসিনাকে সসম্মানে ফিরিয়ে আনব।’
তিনি আরো বলেন, ‘আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা যারা ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছেন, ভয় পাইয়েন না। সকাল আটটার মধ্যে নির্বাচনের মাঠে থাকবেন, ভোট দিয়ে বাড়িতে যাবেন। লাঙ্গল মার্কা জয়যুক্ত হবে, আনিছুল ইসলাম মন্ডল ভাই জয়যুক্ত হবে। মিছিল নিয়ে আমরা বের হব। কোন শক্তি আপনাদের ক্ষতি করে সেটাই আমরা দেখব।’
জাপা নেতা বলেন, ‘আজকে বড় দুঃখ লাগে, ভোট হচ্ছে। ভোটের মাঠে আমরা দাপিয়ে বেড়াচ্ছি। অথচ স্বাধীনতার পক্ষে নেতৃত্ব দেওয়া দলটিকে বাদ দিয়ে নির্বাচন করতে হচ্ছে। আওয়ামী লীগের সমর্থনের ভাইয়েরা ঘরে বসে থাইকেন না। তাহলে আপনাদেরই বেশি ক্ষতি হবে। ওই স্বাধীনতাবিরোধীরা যদি কোনোদিন ঘটনা ঘটিয়ে ফেলে, তখন সবচেয়ে বড় ক্ষতি করবে আওয়ামী লীগের।’
একমাত্র জাতীয় পার্টি আওয়ামী লীগের পক্ষে দাঁড়িয়েছে বলে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘আমরা যারা আওয়ামী লীগের পক্ষে আছি, তারা জেল-জুলুমকে ভয় করি না। আমরা বলতে চাই, নিরীহ আওয়ামী লীগের নেতাদের ওপর কোনো অত্যাচার-নির্যাতন হতে দেব না।’
এ বিষয়ে জানতে জাতীয় পার্টির কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য অ্যাডভোকেট মোকাম্মেল হক চৌধুরীর ফোন নম্বরে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তা বন্ধ পাওয়া যায়।
তবে এই ঘটনায় উপজেলা জাতীয় পার্টি নিজেদের অবস্থান জানিয়েছে। উপজেলা কমিটির যুগ্ম আহবায়ক মো. মোস্তাকুর রহমান একটি প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানান, মোকাম্মেল চৌধুরীর বক্তব্যে শেখ হাসিনা সংক্রান্ত যে কথা বলেছেন সেটা ভুলবশত হয়েছে এবং সেটি তার ব্যক্তিগত মতামত।
জাতীয় পার্টির প্রেসিডিয়াম সদস্য এস এম ইয়াসির কালবেলাকে বলেন, 'শেখ হাসিনাকে কেন আমরা ফিরিয়ে আনবো? এ ধরনের কথা আমরা বলিনা। আমরা ওই নেতাকে শোকজ করব।'
এদিকে জাপা নেতার দেওয়া এমন বক্তব্যের তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছে বিএনপি, জামায়াত, এনসিপিসহ ফ্যাসিবাদবিরোধী অন্যান্য রাজনৈতিক দল।
বদরগঞ্জ উপজেলা জামায়াতের আমির মো. কামরুজ্জামান কবির বলেন, ‘ফ্যাসিবাদী আওয়ামী লীগকে বাংলাদেশে ফিরিয়ে আনতে তাদের দোসর জাতীয় পার্টি কাজ করছে। খুনি হাসিনাকে যারা ফিরিয়ে আনতে চায় তাদেরকে জনগণ দাঁতভাঙ্গা জবাব দেবে।’
উল্লেখ্য, মোকাম্মেল হক চৌধুরীর চাচাতো ভাই আওয়ামী লীগের সাবেক সংসদ সদস্য ডিউক চৌধুরী এবং আওয়ামী সরকারের সাবেক যোগাযোগ প্রতিমন্ত্রী আনিছুল হক চৌধুরী তার চাচা।

২২ জুন, ২০২৬ ১৫:০৬
কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীকে কেন্দ্র করে রাজধানী ঢাকাসহ ছয় জেলায় সেনাবাহিনীর মোতায়েনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। ঢাকার বাইরের জেলাগুলো হলো- নারায়ণগঞ্জ, গাজীপুর, গোপালগঞ্জ, ফরিদপুর ও চট্টগ্রাম।
সোমবার (২২ জুন) স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে জারি করা এক চিঠিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
চিঠিতে বলা হয়েছে, কার্যক্রম নিষিদ্ধ ঘোষিত বিভিন্ন সংগঠন কর্তৃক দেশের বিভিন্ন স্থানে বেআইনি মিছিল, শোডাউন ও অন্যান্য কর্মসূচির মাধ্যমে নাশকতা ও বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির আশঙ্কা রয়েছে। এর ফলে দেশের বিভিন্ন জেলার সার্বিক আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি ঘটার পাশাপাশি জানমালের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির সম্ভাবনা রয়েছে।
এমতাবস্থায়, ঢাকা মেট্রোপলিটন এলাকা, চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন এলাকা, গাজীপুর মেট্রোপলিটন এলাকা, নারায়ণগঞ্জ জেলা, গোপালগঞ্জ জেলা এবং ফরিদপুর জেলার শান্তি-শৃঙ্খলা রক্ষা, জননিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ এবং জনগণের জানমালের সুরক্ষার লক্ষ্যে ২২ জুন থেকে ৩০ জুন পর্যন্ত 'ইন এইড টু সিভিল পাওয়ার'-এর আওতায় প্রয়োজনীয় সংখ্যক সেনাসদস্য মোতায়েনের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য নির্দেশক্রমে অনুরোধ করা হলো।
বরিশাল টাইমস
কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীকে কেন্দ্র করে রাজধানী ঢাকাসহ ছয় জেলায় সেনাবাহিনীর মোতায়েনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। ঢাকার বাইরের জেলাগুলো হলো- নারায়ণগঞ্জ, গাজীপুর, গোপালগঞ্জ, ফরিদপুর ও চট্টগ্রাম।
সোমবার (২২ জুন) স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে জারি করা এক চিঠিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
চিঠিতে বলা হয়েছে, কার্যক্রম নিষিদ্ধ ঘোষিত বিভিন্ন সংগঠন কর্তৃক দেশের বিভিন্ন স্থানে বেআইনি মিছিল, শোডাউন ও অন্যান্য কর্মসূচির মাধ্যমে নাশকতা ও বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির আশঙ্কা রয়েছে। এর ফলে দেশের বিভিন্ন জেলার সার্বিক আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি ঘটার পাশাপাশি জানমালের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির সম্ভাবনা রয়েছে।
এমতাবস্থায়, ঢাকা মেট্রোপলিটন এলাকা, চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন এলাকা, গাজীপুর মেট্রোপলিটন এলাকা, নারায়ণগঞ্জ জেলা, গোপালগঞ্জ জেলা এবং ফরিদপুর জেলার শান্তি-শৃঙ্খলা রক্ষা, জননিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ এবং জনগণের জানমালের সুরক্ষার লক্ষ্যে ২২ জুন থেকে ৩০ জুন পর্যন্ত 'ইন এইড টু সিভিল পাওয়ার'-এর আওতায় প্রয়োজনীয় সংখ্যক সেনাসদস্য মোতায়েনের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য নির্দেশক্রমে অনুরোধ করা হলো।
বরিশাল টাইমস

২২ জুন, ২০২৬ ১৩:৫২
নেত্রকোনার কলমাকান্দা উপজেলার পোগলা ইউনিয়নের বাহাত্তরকাহন গ্রামে বিদ্যুৎস্পর্শে বাচ্চু খান (৬৫) নামে এক বৃদ্ধের মৃত্যু হয়েছে। নিহত বাচ্চু খান ওই গ্রামের মৃত আবাল হোসেন খানের ছেলে।
রোববার (২১ জুন) সন্ধ্যা আনুমানিক ৮টার দিকে নিজ বাড়িতে অটোরিকশার ব্যাটারিতে চার্জ দেওয়ার সময় হঠাৎ শর্টসার্কিটের ঘটনায় তিনি বিদ্যুৎস্পর্শ হন। এ সময় পরিবারের সদস্যরা তাকে দ্রুত উদ্ধার করে কলমাকান্দা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। তবে হাসপাতালে পৌঁছানোর পর কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
কলমাকান্দা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেডিকেল অফিসার ডা. শৌভিক শ্রাবণ দত্ত বলেন, বাচ্চু খানকে হাসপাতালে আনার আগেই তার মৃত্যু হয়েছে।
ঘটনার খবর পেয়ে কলমাকান্দা থানা পুলিশ হাসপাতাল ও ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে।
কলমাকান্দা থানার ওসি (তদন্ত) সজল সরকার ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল ও হাসপাতালে যায়। আজ রাতেই আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন শেষে নিহতের মরদেহ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
এ ঘটনায় নিহতের পরিবার ও স্বজনদের মধ্যে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
নেত্রকোনার কলমাকান্দা উপজেলার পোগলা ইউনিয়নের বাহাত্তরকাহন গ্রামে বিদ্যুৎস্পর্শে বাচ্চু খান (৬৫) নামে এক বৃদ্ধের মৃত্যু হয়েছে। নিহত বাচ্চু খান ওই গ্রামের মৃত আবাল হোসেন খানের ছেলে।
রোববার (২১ জুন) সন্ধ্যা আনুমানিক ৮টার দিকে নিজ বাড়িতে অটোরিকশার ব্যাটারিতে চার্জ দেওয়ার সময় হঠাৎ শর্টসার্কিটের ঘটনায় তিনি বিদ্যুৎস্পর্শ হন। এ সময় পরিবারের সদস্যরা তাকে দ্রুত উদ্ধার করে কলমাকান্দা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। তবে হাসপাতালে পৌঁছানোর পর কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
কলমাকান্দা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেডিকেল অফিসার ডা. শৌভিক শ্রাবণ দত্ত বলেন, বাচ্চু খানকে হাসপাতালে আনার আগেই তার মৃত্যু হয়েছে।
ঘটনার খবর পেয়ে কলমাকান্দা থানা পুলিশ হাসপাতাল ও ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে।
কলমাকান্দা থানার ওসি (তদন্ত) সজল সরকার ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল ও হাসপাতালে যায়। আজ রাতেই আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন শেষে নিহতের মরদেহ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
এ ঘটনায় নিহতের পরিবার ও স্বজনদের মধ্যে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

২১ জুন, ২০২৬ ২৩:২৯
গাইবান্ধার সাঘাটা উপজেলার বোনারপাড়ায় একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি নির্বাচনকে কেন্দ্র করে বিরোধের জেরে সাইফুল ইসলাম (২২) নামের এক ছাত্রশিবির কর্মীকে ছুরিকাঘাতে হত্যা করা হয়েছে। এই ঘটনায় সালাউদ্দিন নামের আরও একজন গুরুতর আহত হয়েছেন।
রোববার (২১ জুন) দুপুর আড়াইটার দিকে বোনারপাড়া চৌরাস্তা মোড়ে এই হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। নিহত সাইফুল ইসলাম বোনারপাড়া ইউনিয়ন ছাত্রশিবিরের সভাপতি এবং শিমুল তাইড় গ্রামের হাবিবুর রহমানের ছেলে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, দুপুরে বোনারপাড়া চৌরাস্তা মোড়ে কচুয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক হাবিবুল্লাহর সঙ্গে ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি নির্বাচন নিয়ে বাটি গ্রামের জাহিদুল ইসলামের ছেলে মুকুলের কথা কাটাকাটি হচ্ছিল। ওই সময় ছাত্রশিবির নেতা সাইফুল ইসলাম ও সালাউদ্দিন সেখানে উপস্থিত হয়ে প্রধান শিক্ষকের সঙ্গে এমন আচরণের প্রতিবাদ জানান। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে মুকুল, তার সহোদর ভাই পলাশ এবং জনৈক আশরাফ ধারালো ছুরি দিয়ে সাইফুল ও সালাউদ্দিনকে উপর্যুপরি ছুরিকাঘাত করে পালিয়ে যায়।
পরে স্থানীয় লোকজন রক্তাক্ত অবস্থায় দুজনকে উদ্ধার করে গাইবান্ধা জেলা সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক সাইফুল ইসলামকে মৃত ঘোষণা করেন। অন্যদিকে, আশঙ্কাজনক অবস্থায় সালাউদ্দিনকে বগুড়ার শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে, যেখানে তিনি বর্তমানে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
সাঘাটা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মাহবুব আলম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, হত্যাকাণ্ডের পর থেকে এলাকায় চরম উত্তেজনা ও থমথমে অবস্থা বিরাজ করছে। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে ঘটনাস্থলে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। জড়িতদের গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান চলছে।
গাইবান্ধার সাঘাটা উপজেলার বোনারপাড়ায় একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি নির্বাচনকে কেন্দ্র করে বিরোধের জেরে সাইফুল ইসলাম (২২) নামের এক ছাত্রশিবির কর্মীকে ছুরিকাঘাতে হত্যা করা হয়েছে। এই ঘটনায় সালাউদ্দিন নামের আরও একজন গুরুতর আহত হয়েছেন।
রোববার (২১ জুন) দুপুর আড়াইটার দিকে বোনারপাড়া চৌরাস্তা মোড়ে এই হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। নিহত সাইফুল ইসলাম বোনারপাড়া ইউনিয়ন ছাত্রশিবিরের সভাপতি এবং শিমুল তাইড় গ্রামের হাবিবুর রহমানের ছেলে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, দুপুরে বোনারপাড়া চৌরাস্তা মোড়ে কচুয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক হাবিবুল্লাহর সঙ্গে ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি নির্বাচন নিয়ে বাটি গ্রামের জাহিদুল ইসলামের ছেলে মুকুলের কথা কাটাকাটি হচ্ছিল। ওই সময় ছাত্রশিবির নেতা সাইফুল ইসলাম ও সালাউদ্দিন সেখানে উপস্থিত হয়ে প্রধান শিক্ষকের সঙ্গে এমন আচরণের প্রতিবাদ জানান। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে মুকুল, তার সহোদর ভাই পলাশ এবং জনৈক আশরাফ ধারালো ছুরি দিয়ে সাইফুল ও সালাউদ্দিনকে উপর্যুপরি ছুরিকাঘাত করে পালিয়ে যায়।
পরে স্থানীয় লোকজন রক্তাক্ত অবস্থায় দুজনকে উদ্ধার করে গাইবান্ধা জেলা সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক সাইফুল ইসলামকে মৃত ঘোষণা করেন। অন্যদিকে, আশঙ্কাজনক অবস্থায় সালাউদ্দিনকে বগুড়ার শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে, যেখানে তিনি বর্তমানে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
সাঘাটা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মাহবুব আলম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, হত্যাকাণ্ডের পর থেকে এলাকায় চরম উত্তেজনা ও থমথমে অবস্থা বিরাজ করছে। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে ঘটনাস্থলে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। জড়িতদের গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান চলছে।
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.