
০৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১৭:৩৮
মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত পলাতক সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ফিরিয়ে আনার ঘোষণা দিয়েছেন জাতীয় পার্টির কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য অ্যাডভোকেট মোকাম্মেল হক চৌধুরী। একইসঙ্গে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে হওয়া সকল মামলা প্রত্যাহার করার কথাও জানান তিনি।
বৃহস্পতিবার (৫ ফেব্রুয়ারি) রাতে রংপুর-২ আসনের জাতীয় পার্টির প্রার্থী ও সাবেক সংসদ সদস্য আনিছুল ইসলাম মণ্ডলের নির্বাচনী জনসভায় এ বক্তব্য দেন মোকাম্মেল হক চৌধুরী। সেখানে জাতীয় পার্টির সংসদ সদস্য প্রার্থীসহ বদরগঞ্জ ও তারাগঞ্জ উপজেলার নেতারা উপস্থিত ছিলেন।
জনসভায় মোকাম্মেল হক বলেন, ‘আমাদের নেতা জি এম কাদের বুক ফুলিয়ে আওয়ামী লীগের পক্ষে কথা বলেছেন। জাতীয় পার্টিই একমাত্র দল, যারা সত্য কথা বলেছে। ক্ষমতায় যেতে পারলে আওয়ামী লীগের সকল মামলা আমরা প্রত্যাহার করে দেব। জননেত্রী শেখ হাসিনাকে সসম্মানে ফিরিয়ে আনব।’
তিনি আরো বলেন, ‘আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা যারা ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছেন, ভয় পাইয়েন না। সকাল আটটার মধ্যে নির্বাচনের মাঠে থাকবেন, ভোট দিয়ে বাড়িতে যাবেন। লাঙ্গল মার্কা জয়যুক্ত হবে, আনিছুল ইসলাম মন্ডল ভাই জয়যুক্ত হবে। মিছিল নিয়ে আমরা বের হব। কোন শক্তি আপনাদের ক্ষতি করে সেটাই আমরা দেখব।’
জাপা নেতা বলেন, ‘আজকে বড় দুঃখ লাগে, ভোট হচ্ছে। ভোটের মাঠে আমরা দাপিয়ে বেড়াচ্ছি। অথচ স্বাধীনতার পক্ষে নেতৃত্ব দেওয়া দলটিকে বাদ দিয়ে নির্বাচন করতে হচ্ছে। আওয়ামী লীগের সমর্থনের ভাইয়েরা ঘরে বসে থাইকেন না। তাহলে আপনাদেরই বেশি ক্ষতি হবে। ওই স্বাধীনতাবিরোধীরা যদি কোনোদিন ঘটনা ঘটিয়ে ফেলে, তখন সবচেয়ে বড় ক্ষতি করবে আওয়ামী লীগের।’
একমাত্র জাতীয় পার্টি আওয়ামী লীগের পক্ষে দাঁড়িয়েছে বলে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘আমরা যারা আওয়ামী লীগের পক্ষে আছি, তারা জেল-জুলুমকে ভয় করি না। আমরা বলতে চাই, নিরীহ আওয়ামী লীগের নেতাদের ওপর কোনো অত্যাচার-নির্যাতন হতে দেব না।’
এ বিষয়ে জানতে জাতীয় পার্টির কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য অ্যাডভোকেট মোকাম্মেল হক চৌধুরীর ফোন নম্বরে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তা বন্ধ পাওয়া যায়।
তবে এই ঘটনায় উপজেলা জাতীয় পার্টি নিজেদের অবস্থান জানিয়েছে। উপজেলা কমিটির যুগ্ম আহবায়ক মো. মোস্তাকুর রহমান একটি প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানান, মোকাম্মেল চৌধুরীর বক্তব্যে শেখ হাসিনা সংক্রান্ত যে কথা বলেছেন সেটা ভুলবশত হয়েছে এবং সেটি তার ব্যক্তিগত মতামত।
জাতীয় পার্টির প্রেসিডিয়াম সদস্য এস এম ইয়াসির কালবেলাকে বলেন, 'শেখ হাসিনাকে কেন আমরা ফিরিয়ে আনবো? এ ধরনের কথা আমরা বলিনা। আমরা ওই নেতাকে শোকজ করব।'
এদিকে জাপা নেতার দেওয়া এমন বক্তব্যের তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছে বিএনপি, জামায়াত, এনসিপিসহ ফ্যাসিবাদবিরোধী অন্যান্য রাজনৈতিক দল।
বদরগঞ্জ উপজেলা জামায়াতের আমির মো. কামরুজ্জামান কবির বলেন, ‘ফ্যাসিবাদী আওয়ামী লীগকে বাংলাদেশে ফিরিয়ে আনতে তাদের দোসর জাতীয় পার্টি কাজ করছে। খুনি হাসিনাকে যারা ফিরিয়ে আনতে চায় তাদেরকে জনগণ দাঁতভাঙ্গা জবাব দেবে।’
উল্লেখ্য, মোকাম্মেল হক চৌধুরীর চাচাতো ভাই আওয়ামী লীগের সাবেক সংসদ সদস্য ডিউক চৌধুরী এবং আওয়ামী সরকারের সাবেক যোগাযোগ প্রতিমন্ত্রী আনিছুল হক চৌধুরী তার চাচা।
মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত পলাতক সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ফিরিয়ে আনার ঘোষণা দিয়েছেন জাতীয় পার্টির কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য অ্যাডভোকেট মোকাম্মেল হক চৌধুরী। একইসঙ্গে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে হওয়া সকল মামলা প্রত্যাহার করার কথাও জানান তিনি।
বৃহস্পতিবার (৫ ফেব্রুয়ারি) রাতে রংপুর-২ আসনের জাতীয় পার্টির প্রার্থী ও সাবেক সংসদ সদস্য আনিছুল ইসলাম মণ্ডলের নির্বাচনী জনসভায় এ বক্তব্য দেন মোকাম্মেল হক চৌধুরী। সেখানে জাতীয় পার্টির সংসদ সদস্য প্রার্থীসহ বদরগঞ্জ ও তারাগঞ্জ উপজেলার নেতারা উপস্থিত ছিলেন।
জনসভায় মোকাম্মেল হক বলেন, ‘আমাদের নেতা জি এম কাদের বুক ফুলিয়ে আওয়ামী লীগের পক্ষে কথা বলেছেন। জাতীয় পার্টিই একমাত্র দল, যারা সত্য কথা বলেছে। ক্ষমতায় যেতে পারলে আওয়ামী লীগের সকল মামলা আমরা প্রত্যাহার করে দেব। জননেত্রী শেখ হাসিনাকে সসম্মানে ফিরিয়ে আনব।’
তিনি আরো বলেন, ‘আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা যারা ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছেন, ভয় পাইয়েন না। সকাল আটটার মধ্যে নির্বাচনের মাঠে থাকবেন, ভোট দিয়ে বাড়িতে যাবেন। লাঙ্গল মার্কা জয়যুক্ত হবে, আনিছুল ইসলাম মন্ডল ভাই জয়যুক্ত হবে। মিছিল নিয়ে আমরা বের হব। কোন শক্তি আপনাদের ক্ষতি করে সেটাই আমরা দেখব।’
জাপা নেতা বলেন, ‘আজকে বড় দুঃখ লাগে, ভোট হচ্ছে। ভোটের মাঠে আমরা দাপিয়ে বেড়াচ্ছি। অথচ স্বাধীনতার পক্ষে নেতৃত্ব দেওয়া দলটিকে বাদ দিয়ে নির্বাচন করতে হচ্ছে। আওয়ামী লীগের সমর্থনের ভাইয়েরা ঘরে বসে থাইকেন না। তাহলে আপনাদেরই বেশি ক্ষতি হবে। ওই স্বাধীনতাবিরোধীরা যদি কোনোদিন ঘটনা ঘটিয়ে ফেলে, তখন সবচেয়ে বড় ক্ষতি করবে আওয়ামী লীগের।’
একমাত্র জাতীয় পার্টি আওয়ামী লীগের পক্ষে দাঁড়িয়েছে বলে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘আমরা যারা আওয়ামী লীগের পক্ষে আছি, তারা জেল-জুলুমকে ভয় করি না। আমরা বলতে চাই, নিরীহ আওয়ামী লীগের নেতাদের ওপর কোনো অত্যাচার-নির্যাতন হতে দেব না।’
এ বিষয়ে জানতে জাতীয় পার্টির কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য অ্যাডভোকেট মোকাম্মেল হক চৌধুরীর ফোন নম্বরে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তা বন্ধ পাওয়া যায়।
তবে এই ঘটনায় উপজেলা জাতীয় পার্টি নিজেদের অবস্থান জানিয়েছে। উপজেলা কমিটির যুগ্ম আহবায়ক মো. মোস্তাকুর রহমান একটি প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানান, মোকাম্মেল চৌধুরীর বক্তব্যে শেখ হাসিনা সংক্রান্ত যে কথা বলেছেন সেটা ভুলবশত হয়েছে এবং সেটি তার ব্যক্তিগত মতামত।
জাতীয় পার্টির প্রেসিডিয়াম সদস্য এস এম ইয়াসির কালবেলাকে বলেন, 'শেখ হাসিনাকে কেন আমরা ফিরিয়ে আনবো? এ ধরনের কথা আমরা বলিনা। আমরা ওই নেতাকে শোকজ করব।'
এদিকে জাপা নেতার দেওয়া এমন বক্তব্যের তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছে বিএনপি, জামায়াত, এনসিপিসহ ফ্যাসিবাদবিরোধী অন্যান্য রাজনৈতিক দল।
বদরগঞ্জ উপজেলা জামায়াতের আমির মো. কামরুজ্জামান কবির বলেন, ‘ফ্যাসিবাদী আওয়ামী লীগকে বাংলাদেশে ফিরিয়ে আনতে তাদের দোসর জাতীয় পার্টি কাজ করছে। খুনি হাসিনাকে যারা ফিরিয়ে আনতে চায় তাদেরকে জনগণ দাঁতভাঙ্গা জবাব দেবে।’
উল্লেখ্য, মোকাম্মেল হক চৌধুরীর চাচাতো ভাই আওয়ামী লীগের সাবেক সংসদ সদস্য ডিউক চৌধুরী এবং আওয়ামী সরকারের সাবেক যোগাযোগ প্রতিমন্ত্রী আনিছুল হক চৌধুরী তার চাচা।

০৬ এপ্রিল, ২০২৬ ১৯:৩৬
মৌলভীবাজারের কুলাউড়ায় বন্ধুর বিয়েতে প্রচলিত উপহারের বদলে অকটেন উপহার দিয়েছেন এক যুবক ও তার বন্ধুরা। ব্যতিক্রমী এ ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
সোমবার (৬ এপ্রিল) দুপুরে উপজেলার সীমান্তবর্তী কর্মধা ইউনিয়নে আতিকুর রহমান ও নাদিয়া বেগমের বিয়েতে এ ঘটনা ঘটে। উপহার প্রদানকারী মাসুম বলেন, ‘বর্তমানে জ্বালানি তেলের সংকট চলছে। এ জন্য একটু ভিন্নভাবে বন্ধুকে শুভেচ্ছা জানাতে আমরা প্রতীকীভাবে দুই লিটার অকটেন উপহার দিয়েছি।’
বন্ধুদের এমন অভিনব উপহার ঘিরে বিয়ের অনুষ্ঠানে উপস্থিত অতিথি ও স্থানীয়দের মাঝে ব্যাপক আলোচনা ও কৌতূহলের সৃষ্টি হয়। অনেকেই বিষয়টিকে সময়ের প্রেক্ষাপটে ভিন্নধর্মী ও রসিকতাপূর্ণ উদ্যোগ হিসেবে দেখছেন।
মৌলভীবাজারের কুলাউড়ায় বন্ধুর বিয়েতে প্রচলিত উপহারের বদলে অকটেন উপহার দিয়েছেন এক যুবক ও তার বন্ধুরা। ব্যতিক্রমী এ ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
সোমবার (৬ এপ্রিল) দুপুরে উপজেলার সীমান্তবর্তী কর্মধা ইউনিয়নে আতিকুর রহমান ও নাদিয়া বেগমের বিয়েতে এ ঘটনা ঘটে। উপহার প্রদানকারী মাসুম বলেন, ‘বর্তমানে জ্বালানি তেলের সংকট চলছে। এ জন্য একটু ভিন্নভাবে বন্ধুকে শুভেচ্ছা জানাতে আমরা প্রতীকীভাবে দুই লিটার অকটেন উপহার দিয়েছি।’
বন্ধুদের এমন অভিনব উপহার ঘিরে বিয়ের অনুষ্ঠানে উপস্থিত অতিথি ও স্থানীয়দের মাঝে ব্যাপক আলোচনা ও কৌতূহলের সৃষ্টি হয়। অনেকেই বিষয়টিকে সময়ের প্রেক্ষাপটে ভিন্নধর্মী ও রসিকতাপূর্ণ উদ্যোগ হিসেবে দেখছেন।

০৬ এপ্রিল, ২০২৬ ১৭:৩৫
দিনাজপুরের হাকিমপুর উপজেলার আলিহাট এলাকায় অবস্থিত হিলি ফিলিং স্টেশনে জ্বালানি তেলের আশায় রাতভর অপেক্ষা করছেন মোটরসাইকেল চালকরা। সীমিত সরবরাহের কারণে পাম্প এলাকায় দীর্ঘ লাইনের সৃষ্টি হয়েছে, যা নিয়ন্ত্রণ করতে সংশ্লিষ্টদের হিমশিম খেতে হচ্ছে।
সোমবার (৬ এপ্রিল) সকালে সরেজমিনে দেখা যায়, তেল পাওয়ার আশায় অনেক বাইকার আগের রাত থেকেই পাম্প সংলগ্ন সড়কে অবস্থান করছেন। কেউ কেউ সড়কের পাশে বিছানা পেতে রাত যাপন করছেন, আবার কেউ মোটরসাইকেলের ওপর বা পাশে বসেই সময় পার করছেন।
জানা গেছে, প্রতিটি মোটরসাইকেলে সর্বোচ্চ ৩০০ টাকার জ্বালানি তেল সরবরাহ করা হচ্ছে। সীমিত এই বরাদ্দের কারণে অনেক চালক আগেভাগেই লাইনে দাঁড়িয়ে থাকছেন, যাতে অন্তত কিছু জ্বালানি পাওয়া যায়।
একাধিক মোটরসাইকেল চালক জানান, ৩০০ টাকার পরিবর্তে যদি ৫০০ টাকার তেল দেওয়া হতো, তাহলে তাদের ভোগান্তি কিছুটা কমত। তারা বলেন, দূর-দূরান্ত থেকে এসে দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করেও প্রয়োজন অনুযায়ী তেল না পাওয়ায় চরম দুর্ভোগে পড়তে হচ্ছে।
দিনাজপুরের হাকিমপুর উপজেলার আলিহাট এলাকায় অবস্থিত হিলি ফিলিং স্টেশনে জ্বালানি তেলের আশায় রাতভর অপেক্ষা করছেন মোটরসাইকেল চালকরা। সীমিত সরবরাহের কারণে পাম্প এলাকায় দীর্ঘ লাইনের সৃষ্টি হয়েছে, যা নিয়ন্ত্রণ করতে সংশ্লিষ্টদের হিমশিম খেতে হচ্ছে।
সোমবার (৬ এপ্রিল) সকালে সরেজমিনে দেখা যায়, তেল পাওয়ার আশায় অনেক বাইকার আগের রাত থেকেই পাম্প সংলগ্ন সড়কে অবস্থান করছেন। কেউ কেউ সড়কের পাশে বিছানা পেতে রাত যাপন করছেন, আবার কেউ মোটরসাইকেলের ওপর বা পাশে বসেই সময় পার করছেন।
জানা গেছে, প্রতিটি মোটরসাইকেলে সর্বোচ্চ ৩০০ টাকার জ্বালানি তেল সরবরাহ করা হচ্ছে। সীমিত এই বরাদ্দের কারণে অনেক চালক আগেভাগেই লাইনে দাঁড়িয়ে থাকছেন, যাতে অন্তত কিছু জ্বালানি পাওয়া যায়।
একাধিক মোটরসাইকেল চালক জানান, ৩০০ টাকার পরিবর্তে যদি ৫০০ টাকার তেল দেওয়া হতো, তাহলে তাদের ভোগান্তি কিছুটা কমত। তারা বলেন, দূর-দূরান্ত থেকে এসে দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করেও প্রয়োজন অনুযায়ী তেল না পাওয়ায় চরম দুর্ভোগে পড়তে হচ্ছে।

০৬ এপ্রিল, ২০২৬ ১৬:৫১
কিশোরগঞ্জে একটি ফিলিং স্টেশনে অপেক্ষারতদের লাইনের তোয়াক্কা না করে নম্বরবিহীন মোটরসাইকেলে তেল নিতে গিয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) কামরুল হাসান মারুফের হাতে আটক হয়েছেন এক কারারক্ষী।
আজ সোমবার (৬ এপ্রিল) দুপুরে সদর উপজেলার চৌধুরী ফিলিং স্টেশনে এ ঘটনা ঘটে। আটক কারারক্ষীর নাম শিহাব আহমেদ। তিনি কিশোরগঞ্জ জেলা কারাগারে কর্মরত আছেন।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, শিহাব আহমেদ নম্বরবিহীন একটি কালো মোটরসাইকেল নিয়ে চৌধুরী ফিলিং স্টেশনে তেল নিতে আসেন। ওই সময় সাধারণ মানুষ দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে তেল সংগ্রহ করলেও ক্ষমতার অপব্যবহার করে কারারক্ষী শিহাব আহমেদ সেই লাইন অমান্য করে মোটরসাইকেলে তেল নিতে থাকেন।
ওই সময় কিশোরগঞ্জ সদর উপজেলার ইউএনও কামরুল হাসান মারুফ ফিলিং স্টেশনে জ্বালানি তেল বণ্টন (ডিস্ট্রিবিউশন) কার্যক্রম মনিটরিং করছিলেন। মোটরসাইকেলটিতে কোনো রেজিস্ট্রেশন নম্বর না দেখে তিনি কারারক্ষী শিহাব আহমেদকে থামান এবং তাঁর কাছে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র দেখতে চান। শিহাব আহমেদ মোটরসাইকেলের কোনো বৈধ কাগজপত্র দেখাতে পারেননি।
সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) কামরুল হাসান মারুফ বলেন, আটক কারারক্ষীকে জেল সুপারের কাছে বুঝিয়ে দেওয়া হয়েছে এবং তাঁর বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করতে বলা হয়েছে।
এ বিষয়ে কিশোরগঞ্জ জেলা কারাগারের জেল সুপার দিদারুল আলম বলেন, ‘সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বিষয়টি আমাকে অবগত করেছেন। তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে।’
কিশোরগঞ্জে একটি ফিলিং স্টেশনে অপেক্ষারতদের লাইনের তোয়াক্কা না করে নম্বরবিহীন মোটরসাইকেলে তেল নিতে গিয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) কামরুল হাসান মারুফের হাতে আটক হয়েছেন এক কারারক্ষী।
আজ সোমবার (৬ এপ্রিল) দুপুরে সদর উপজেলার চৌধুরী ফিলিং স্টেশনে এ ঘটনা ঘটে। আটক কারারক্ষীর নাম শিহাব আহমেদ। তিনি কিশোরগঞ্জ জেলা কারাগারে কর্মরত আছেন।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, শিহাব আহমেদ নম্বরবিহীন একটি কালো মোটরসাইকেল নিয়ে চৌধুরী ফিলিং স্টেশনে তেল নিতে আসেন। ওই সময় সাধারণ মানুষ দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে তেল সংগ্রহ করলেও ক্ষমতার অপব্যবহার করে কারারক্ষী শিহাব আহমেদ সেই লাইন অমান্য করে মোটরসাইকেলে তেল নিতে থাকেন।
ওই সময় কিশোরগঞ্জ সদর উপজেলার ইউএনও কামরুল হাসান মারুফ ফিলিং স্টেশনে জ্বালানি তেল বণ্টন (ডিস্ট্রিবিউশন) কার্যক্রম মনিটরিং করছিলেন। মোটরসাইকেলটিতে কোনো রেজিস্ট্রেশন নম্বর না দেখে তিনি কারারক্ষী শিহাব আহমেদকে থামান এবং তাঁর কাছে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র দেখতে চান। শিহাব আহমেদ মোটরসাইকেলের কোনো বৈধ কাগজপত্র দেখাতে পারেননি।
সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) কামরুল হাসান মারুফ বলেন, আটক কারারক্ষীকে জেল সুপারের কাছে বুঝিয়ে দেওয়া হয়েছে এবং তাঁর বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করতে বলা হয়েছে।
এ বিষয়ে কিশোরগঞ্জ জেলা কারাগারের জেল সুপার দিদারুল আলম বলেন, ‘সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বিষয়টি আমাকে অবগত করেছেন। তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে।’
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.