Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.

১২ মার্চ, ২০২৬ ০১:৫৩
দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়ন, আন্তর্জাতিক বাণিজ্য সম্প্রসারণ এবং আঞ্চলিক সংযোগ জোরদারে সমুদ্রবন্দরগুলোর ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বাংলাদেশের দক্ষিণাঞ্চলের উন্নয়ন ও নতুন অর্থনৈতিক সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচনের লক্ষ্য নিয়ে প্রতিষ্ঠিত পায়রা বন্দরকে ঘিরে রাষ্ট্রের বড় প্রত্যাশা রয়েছে। এটি শুধু একটি বন্দর নয়, ভবিষ্যৎ অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির অন্যতম ভিত্তি হিসেবে বিবেচিত। কিন্তু অত্যন্ত দুঃখজনক বিষয় হলো, জাতীয় এই গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো প্রকল্প এখন দুর্নীতি ও অনিয়মের গুরুতর অভিযোগে প্রশ্নবিদ্ধ হয়ে উঠেছে। প্রায় ৪২ কোটি টাকা ব্যয়ে একটি মোবাইল হারবার ক্রেন (এমএইচসি) ক্রয়ের প্রক্রিয়ায় যে জালিয়াতির অভিযোগ সামনে এসেছে, তা গভীর উদ্বেগের জন্ম দিয়েছে।
দরপত্র প্রক্রিয়া সাধারণত স্বচ্ছতা, প্রতিযোগিতা এবং দক্ষতা নিশ্চিত করার জন্যই তৈরি করা হয়। কিন্তু পায়রা বন্দরের এই প্রকল্পে দরপত্রের কঠোর শর্ত থাকা সত্ত্বেও একটি অভিজ্ঞতাহীন কোম্পানিকে কাজ পাইয়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। নির্বাচিত চীনা কোম্পানির ক্ষেত্রে কোনো শর্ত যথাযথভাবে যাচাই করা হয়নি। এমনকি তাদের ওয়েবসাইটেও বিশ্বজুড়ে মোবাইল হারবার ক্রেন সরবরাহের সুস্পষ্ট রেকর্ড পাওয়া যায়নি বলে জানা গেছে। যদি এ অভিযোগ সত্য হয়, তবে এটি নিছক প্রশাসনিক ভুল নয়। বরং একটি সুপরিকল্পিত অনিয়মের ইঙ্গিত বহন করে। রাষ্ট্রীয় অর্থ ব্যয়ের ক্ষেত্রে এমন দায়িত্বহীনতা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য হতে পারে না।
এখানে আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন হলো, বিশ্বখ্যাত এবং অভিজ্ঞ প্রতিষ্ঠানগুলোকে কেন এই দরপত্রে অংশগ্রহণের সুযোগ দেওয়া হয়নি? মোবাইল হারবার ক্রেন উৎপাদনে ইতালি, জার্মানি বা চীনের একাধিক প্রতিষ্ঠানের আন্তর্জাতিক সুনাম রয়েছে। অথচ অভিযোগ রয়েছে, অখ্যাত একটি কোম্পানিকে সুবিধা দেওয়ার জন্য এসব প্রতিষ্ঠানের অংশগ্রহণের সুযোগ সীমিত রাখা হয়েছে। যদি সত্যিই এমনটি ঘটে থাকে, তবে তা প্রতিযোগিতামূলক দরপত্র ব্যবস্থার মৌলিক নীতিকেই প্রশ্নবিদ্ধ করে।
প্রায় ৪২ কোটি টাকার এই ক্রেন যদি ভবিষ্যতে নি¤œমানের বা অকার্যকর প্রমাণিত হয়, তবে তার প্রভাব শুধু আর্থিক ক্ষতির মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকবে না। একটি বন্দরের কার্যক্রম নির্ভর করে তার সরঞ্জামের দক্ষতা ও নির্ভরযোগ্যতার ওপর। বন্দরের মূল কাজ হলোÑ দ্রুত ও নিরাপদভাবে পণ্য ওঠানামা নিশ্চিত করা। কিন্তু ব্যবহৃত যন্ত্রপাতি যদি বারবার বিকল হয় বা প্রত্যাশিত সক্ষমতা না থাকে, তবে বন্দরের কার্যক্রম মারাত্মকভাবে ব্যাহত হতে পারে। এতে আন্তর্জাতিক বাণিজ্যেও নেতিবাচক প্রভাব পড়বে।
এর পাশাপাশি প্রায় ১৫৮ কোটি টাকার দুটি শিপ-টু-শোর ক্রেন ক্রয় চুক্তি নিয়েও যে প্রশ্ন উঠেছে, তা বিষয়টিকে আরও গুরুতর করে তুলেছে। এত বড় অঙ্কের ক্রয়প্রক্রিয়া যদি যথাযথ স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি ছাড়া সম্পন্ন হয়, তবে তা রাষ্ট্রীয় অর্থ ব্যবস্থাপনার ওপর বড় ধরনের আস্থাহীনতা তৈরি করে। সরকারি প্রকল্পে দুর্নীতি শুধু অর্থনৈতিক ক্ষতি নয়, এটি প্রশাসনিক নৈতিকতাকেও দুর্বল করে দেয়।
বাংলাদেশের উন্নয়ন অগ্রযাত্রায় বড় বড় অবকাঠামো প্রকল্প গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। কিন্তু এসব প্রকল্প যদি দুর্নীতি ও অনিয়মের কারণে প্রশ্নবিদ্ধ হয়, তবে উন্নয়নের অর্জনও ম্লান হয়ে যায়। পায়রা বন্দরের মতো কৌশলগত প্রকল্পে অনিয়মের অভিযোগ দেশের ভাবমূর্তির ওপরও নেতিবাচক প্রভাব ফেলবে।
যারা এই অনিয়মের সঙ্গে জড়িত, প্রভাবশালী কর্মকর্তা হোক বা অন্য কোনো পক্ষ, তাদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নিতে হবে।
দুর্নীতির বিরুদ্ধে সরকার যে কঠোর অবস্থানের কথা বলে আসছে, এই ঘটনাটি সেই অবস্থানের বাস্তব পরীক্ষা। দোষীদের বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করা গেলে শুধু পায়রা বন্দর নয়, রাষ্ট্রীয় সব প্রকল্পেই স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার সংস্কৃতি শক্তিশালী হবে।
রাষ্ট্রের অর্থ জনগণের অর্থ। সেই অর্থের অপচয় কিংবা আত্মসাতের সুযোগ কেউ পাবে না, এই বার্তা স্পষ্টভাবে প্রতিষ্ঠা করা জরুরি। পায়রা বন্দরের এই অভিযোগের সুষ্ঠু তদন্ত এবং দোষীদের কঠোর শাস্তিই পারে জনআস্থা পুনরুদ্ধার করতে এবং ভবিষ্যতে এমন অনিয়মের পুনরাবৃত্তি রোধ করতে।
বরিশাল টাইমস
ছবি: বরিশাল টাইমস
দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়ন, আন্তর্জাতিক বাণিজ্য সম্প্রসারণ এবং আঞ্চলিক সংযোগ জোরদারে সমুদ্রবন্দরগুলোর ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বাংলাদেশের দক্ষিণাঞ্চলের উন্নয়ন ও নতুন অর্থনৈতিক সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচনের লক্ষ্য নিয়ে প্রতিষ্ঠিত পায়রা বন্দরকে ঘিরে রাষ্ট্রের বড় প্রত্যাশা রয়েছে। এটি শুধু একটি বন্দর নয়, ভবিষ্যৎ অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির অন্যতম ভিত্তি হিসেবে বিবেচিত। কিন্তু অত্যন্ত দুঃখজনক বিষয় হলো, জাতীয় এই গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো প্রকল্প এখন দুর্নীতি ও অনিয়মের গুরুতর অভিযোগে প্রশ্নবিদ্ধ হয়ে উঠেছে। প্রায় ৪২ কোটি টাকা ব্যয়ে একটি মোবাইল হারবার ক্রেন (এমএইচসি) ক্রয়ের প্রক্রিয়ায় যে জালিয়াতির অভিযোগ সামনে এসেছে, তা গভীর উদ্বেগের জন্ম দিয়েছে।
দরপত্র প্রক্রিয়া সাধারণত স্বচ্ছতা, প্রতিযোগিতা এবং দক্ষতা নিশ্চিত করার জন্যই তৈরি করা হয়। কিন্তু পায়রা বন্দরের এই প্রকল্পে দরপত্রের কঠোর শর্ত থাকা সত্ত্বেও একটি অভিজ্ঞতাহীন কোম্পানিকে কাজ পাইয়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। নির্বাচিত চীনা কোম্পানির ক্ষেত্রে কোনো শর্ত যথাযথভাবে যাচাই করা হয়নি। এমনকি তাদের ওয়েবসাইটেও বিশ্বজুড়ে মোবাইল হারবার ক্রেন সরবরাহের সুস্পষ্ট রেকর্ড পাওয়া যায়নি বলে জানা গেছে। যদি এ অভিযোগ সত্য হয়, তবে এটি নিছক প্রশাসনিক ভুল নয়। বরং একটি সুপরিকল্পিত অনিয়মের ইঙ্গিত বহন করে। রাষ্ট্রীয় অর্থ ব্যয়ের ক্ষেত্রে এমন দায়িত্বহীনতা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য হতে পারে না।
এখানে আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন হলো, বিশ্বখ্যাত এবং অভিজ্ঞ প্রতিষ্ঠানগুলোকে কেন এই দরপত্রে অংশগ্রহণের সুযোগ দেওয়া হয়নি? মোবাইল হারবার ক্রেন উৎপাদনে ইতালি, জার্মানি বা চীনের একাধিক প্রতিষ্ঠানের আন্তর্জাতিক সুনাম রয়েছে। অথচ অভিযোগ রয়েছে, অখ্যাত একটি কোম্পানিকে সুবিধা দেওয়ার জন্য এসব প্রতিষ্ঠানের অংশগ্রহণের সুযোগ সীমিত রাখা হয়েছে। যদি সত্যিই এমনটি ঘটে থাকে, তবে তা প্রতিযোগিতামূলক দরপত্র ব্যবস্থার মৌলিক নীতিকেই প্রশ্নবিদ্ধ করে।
প্রায় ৪২ কোটি টাকার এই ক্রেন যদি ভবিষ্যতে নি¤œমানের বা অকার্যকর প্রমাণিত হয়, তবে তার প্রভাব শুধু আর্থিক ক্ষতির মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকবে না। একটি বন্দরের কার্যক্রম নির্ভর করে তার সরঞ্জামের দক্ষতা ও নির্ভরযোগ্যতার ওপর। বন্দরের মূল কাজ হলোÑ দ্রুত ও নিরাপদভাবে পণ্য ওঠানামা নিশ্চিত করা। কিন্তু ব্যবহৃত যন্ত্রপাতি যদি বারবার বিকল হয় বা প্রত্যাশিত সক্ষমতা না থাকে, তবে বন্দরের কার্যক্রম মারাত্মকভাবে ব্যাহত হতে পারে। এতে আন্তর্জাতিক বাণিজ্যেও নেতিবাচক প্রভাব পড়বে।
এর পাশাপাশি প্রায় ১৫৮ কোটি টাকার দুটি শিপ-টু-শোর ক্রেন ক্রয় চুক্তি নিয়েও যে প্রশ্ন উঠেছে, তা বিষয়টিকে আরও গুরুতর করে তুলেছে। এত বড় অঙ্কের ক্রয়প্রক্রিয়া যদি যথাযথ স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি ছাড়া সম্পন্ন হয়, তবে তা রাষ্ট্রীয় অর্থ ব্যবস্থাপনার ওপর বড় ধরনের আস্থাহীনতা তৈরি করে। সরকারি প্রকল্পে দুর্নীতি শুধু অর্থনৈতিক ক্ষতি নয়, এটি প্রশাসনিক নৈতিকতাকেও দুর্বল করে দেয়।
বাংলাদেশের উন্নয়ন অগ্রযাত্রায় বড় বড় অবকাঠামো প্রকল্প গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। কিন্তু এসব প্রকল্প যদি দুর্নীতি ও অনিয়মের কারণে প্রশ্নবিদ্ধ হয়, তবে উন্নয়নের অর্জনও ম্লান হয়ে যায়। পায়রা বন্দরের মতো কৌশলগত প্রকল্পে অনিয়মের অভিযোগ দেশের ভাবমূর্তির ওপরও নেতিবাচক প্রভাব ফেলবে।
যারা এই অনিয়মের সঙ্গে জড়িত, প্রভাবশালী কর্মকর্তা হোক বা অন্য কোনো পক্ষ, তাদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নিতে হবে।
দুর্নীতির বিরুদ্ধে সরকার যে কঠোর অবস্থানের কথা বলে আসছে, এই ঘটনাটি সেই অবস্থানের বাস্তব পরীক্ষা। দোষীদের বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করা গেলে শুধু পায়রা বন্দর নয়, রাষ্ট্রীয় সব প্রকল্পেই স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার সংস্কৃতি শক্তিশালী হবে।
রাষ্ট্রের অর্থ জনগণের অর্থ। সেই অর্থের অপচয় কিংবা আত্মসাতের সুযোগ কেউ পাবে না, এই বার্তা স্পষ্টভাবে প্রতিষ্ঠা করা জরুরি। পায়রা বন্দরের এই অভিযোগের সুষ্ঠু তদন্ত এবং দোষীদের কঠোর শাস্তিই পারে জনআস্থা পুনরুদ্ধার করতে এবং ভবিষ্যতে এমন অনিয়মের পুনরাবৃত্তি রোধ করতে।
বরিশাল টাইমস

২১ জুন, ২০২৬ ১৪:৩৭

২১ জুন, ২০২৬ ১৪:৩৬
আমেরিকার ফ্লোরিডায় ট্রাক চাঁপায় এক ব্যবসায়ী নিহত হয়েছেন। নিহত কবির হোসেন মৃধা (৫৫) বাংলাদেশের বরিশালের উজিরপুর উপজেলার দক্ষিণ মোড়াকাঠী গ্রামের মৃত মেছের উদ্দিন মৃধার ছোট ছেলে।
রবিবার (২১ জুন) দুপুরে কবির হোসেনের নিকট আত্মীয় হেমায়েত হাওলাদার নিহতের স্ত্রী (আমেরিকায় বসবাসরত) রুমা আক্তারের বরাত দিয়ে বলেন, বিগত ১৫ বছর পূর্বে ডিভি লটারিতে বিজয়ী হয়ে কবির হোসেন আমেরিকায় গমন করেন।
মৃত মেছের উদ্দিন মৃধার পাঁচ মেয়ে ও চার ছেলের মধ্যে কবির হোসেন ছিলেন ছোট। হেমায়েত হাওলাদার আরও বলেন, কবির হোসেনের স্ত্রী ও এক ছেলে সেখানেই (আমেরিকা) বসবাস করেন।
কবির হোসেন আমেরিকার ফ্লোরিডায় ব্যবসা করতেন। ঘটনারদিন ২০ জুন সকাল আটটায় (বাংলাদেশ সময় সন্ধ্যা ছয়টা) নিজ ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের সামনে দাঁড়ানো ছিলেন কবির হোসেন। এসময় বেপরোয়াগতির একটি ট্রাকের চাঁপায় ঘটনাস্থলেই তিনি (কবির হোসেন) নিহত হয়েছেন।
হেমায়েত হাওলাদার আরো বলেছেন-জীবিত অবস্থায় কবির হোসেনের ইচ্ছানুযায়ী গ্রামের বাড়ির পারিবারিক কবরস্থানে বাবা ও মায়ের কবরের পাশে তাকে (কবির) দাফন করা হবে। এজন্য আমেরিকা থেকে তার লাশ বাংলাদেশে আনার প্রস্তুতি চলছে। অপরদিকে কবির হোসেন মৃধার নির্মম মৃত্যুর খবর তার গ্রামের বাড়িতে ছড়িয়ে পরলে নিকট আত্মীয়-স্বজনসহ এলাকাবাসীর মধ্যে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

২১ জুন, ২০২৬ ১৪:৩৩
বরিশালের বাকেরগঞ্জে এক মাসের সাজা এড়াতে ছয় মাস পলাতক ছিলেন এক আসামি। অবশেষে তাকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।শনিবার রাতে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পুলিশের একটি টিম উপজেলার চরাদি ইউনিয়নের রানীরহাট এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করে। গ্রেপ্তার আল আমিন (৩৫) উপজেলার চরাদি ইউনিয়নের চরাদি গ্রামের ফারুক হোসেনের ছেলে।
পুলিশ জানায়, একটি চেক জালিয়াতি মামলায় আদালত আল আমিনকে এক মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেন। রায় ঘোষণার পর থেকেই তিনি পলাতক ছিলেন।
বাকেরগঞ্জ থানার ওসি আদিল হোসেন জানান, আল আমিন ছয় মাস ধরে পলাতক ছিলেন। গোপন তথ্যের ভিত্তিতে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। রোববার সকালে তাকে আদালতে পাঠানো হয়েছে।
জাতীয় সাংবাদিক সংস্থা বরিশাল জেলা শাখার দ্বি-বার্ষিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার (২০ জুন) বিকেল তিনটায় নগরীর সদররোডস্থ হোটেল কিং ফিশার হলরুমে অনুষ্ঠিত এ সম্মেলনে জেলা ও উপজেলা শাখার শতাধিক সদস্য অংশগ্রহণ করেন। সম্মেলনে সদস্যদের সমর্থন ও ভোটাভুটির মাধ্যমে আগামী দুই বছরের জন্য নতুন কমিটি নির্বাচন করা হয়।
বরিশাল জেলার সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন দৈনিক বর্তমান পত্রিকার ব্যুরো চিফ ও বরিশাল বাণীর সম্পাদক মো. মামুন-অর-রশিদ এবং সাধারণ সম্পাদক হিসেবে পুনঃনির্বাচিত হয়েছেন দৈনিক যায়যায়দিনের ব্যুরো চিফ মো. আরিফুর রহমান খান। জাতীয় সাংবাদিক সংস্থার কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদের সহ-সভাপতি ও বরিশাল বিভাগীয় সভাপতি এম.আর প্রিন্স নির্বাচন পরিচালনা করেন।
এতে সহ-সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন আবদুস সালাম (স্বাধীনপত্র), মুজিব ফয়সাল (এসএ টিভি), জিহাদ রানা (বাংলাদেশ টুডে), মফিজুর রহমান মিলন (দৈনিক ডেসটিনি), মাসউদ সিকদার (দৈনিক মুক্তখবর), হাবিবুর রহমান (সংবাদ সংস্থা এফটিএন), যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এম.কে রানা (ভোরের কাগজ), এসএন পলাশ (যুগান্তর), আতিকুর রহমান চৌধুরী (দৈনিক ডেসটিনি), সহ-সাধারণ সম্পাদক আরিফ হোসেন (বিজয় টিভি), সাংগঠনিক সম্পাদক আমিনুল শাহীন (দৈনিক আজকের বরিশাল), সহ-সাংগঠনিক পারভেজ সরদার (দৈনিক বর্তমান), দপ্তর সম্পাদক আসাদুজ্জামান মুরাদ (বরিশাল মুখপত্র), সহ-দপ্তর সম্পাদক ইমরান হোসেন (কলমের কণ্ঠ), অর্থ সম্পাদক এইচ এম আসলাম (আজকাল বিডি), সহ-অর্থ সম্পাদক শামীম মীর (আপডেট নিউজ), প্রচার সম্পাদক এম সাইফুল ইসলাম (দৈনিক দক্ষিণাঞ্চল), সহ-প্রচার সম্পাদক নাজমুল হক মুন্না (বর্তমান), সাহিত্য সম্পাদক শাওন খান (জাগো নিউজ), আইন বিষয়ক সম্পাদক মাহফুজ ইসলাম সবুজ ( ঢাকা প্রতিদিন ), সহ-আইন সম্পাদক শফিকুল ইসলাম (আজকের বরিশাল), জনকল্যাণ সম্পাদক আল আমিন (বরিশালের কথা), সমাজসেবা সম্পাদক মহিউদ্দিন মিলন (বরিশাল বাণী), ক্রীড়া সম্পাদক কামরুল আলম মামুন (দৈনিক ঘোষণা), সহঃ ক্রীড়া সম্পাদক রবিউল ইসলাম রবি (বর্তমান), শিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক জাকির জমাদ্দার (আজকের বার্তা), আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক সুব্রত কুমার দাস (দৈনিক সত্য সংবাদ), সাংস্কৃতিক বিষয়ক সম্পাদক জুয়েল মাহমুদ (আজকের পরিবর্তন), মহিলা বিষয়ক সম্পাদক মালা রাখাইন (দৈনিক নবচেতনা) এবং ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক হাফেজ জাকারিয়া (দৈনিক ঐশিবাণী)।
এছাড়া নির্বাহী সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন পারভেজ রাসেল (মাই টিভি), মুশফিক সৌরভ (বাংলানিউজ), ফাহিম ফিরোজ (মানবকন্ঠ), এইচ এম হেলাল (বরিশাল সময়), মশিউর রহমান মন্টু (ভোরের অঙ্গীকার), এম জাহিদ (ফর্মাল নিউজ), শাহজাদা হীরা (শাহনামা), মিজানুর রহমান মৃধা (আজকের বরিশাল), অপূর্ব সাইফুল (মুখপত্র), আম্মার হোসেন (আজকের ক্রাইম টাইমস), এস.এম সেলিম (আজকের বরিশাল), আরিফুর রহমান তালুকদার (বরিশাল বার্তা), রাজিব খান (কলমের কন্ঠ), শহীদুল্লাহ সুমন (ক্রাইম নিউজ), সিহাব তোহা (সকাল সংবাদ), মাসুদুর রহমান আসলাম (তালাশ বিডি), এস.এম আল আমিন (আগামীর বাংলাদেশ), লিটন বাইজিদ (বরিশাল জনপদ), লুৎফুর কবির জুয়েল ( অাজকের সুন্দরবন ), মুজাহিদুল ইসলাম ইউসুফ (বাংলাদেশ বাণী), মাসুদ রানা (ভোরের আকাশ), খলিফা মাইনুল (দখিনের মুখ), সাইফুল ইসলাম (কান্ট্রি টুডে), ছাব্বির আহমেদ অন্তর (বরিশাল বাণী), মাহফুজ ইসলাম সবুজ (ঢাকা প্রতিদিন), আনোয়ার হোসেন (ক্রাইম নিউজ) এনামুল রানা (দৈনিক সুলতান) এবং আরেফিন পারভেজ (জনবাণী)।
এর আগে বিগত দিনের আয় ব্যায়ের হিসাবে পেশ ও সাংগঠনিক রিপোর্ট পেশ করা হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন সংস্থার বরিশাল বিভাগীয় সভাপতি এম আর প্রিন্স। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন জেলা শাখার সাবেক সিনিয়র সহ-সভাপতি ও নবনির্বাচিত সভাপতি মো. মামুন-অর-রশিদ। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন জেলা শাখার পুণঃনির্বাচিত সাধারণ সম্পাদক মো. আরিফুর রহমান খান।
জাতীয় সাংবাদিক সংস্থা বরিশাল জেলা শাখার দ্বি-বার্ষিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার (২০ জুন) বিকেল তিনটায় নগরীর সদররোডস্থ হোটেল কিং ফিশার হলরুমে অনুষ্ঠিত এ সম্মেলনে জেলা ও উপজেলা শাখার শতাধিক সদস্য অংশগ্রহণ করেন। সম্মেলনে সদস্যদের সমর্থন ও ভোটাভুটির মাধ্যমে আগামী দুই বছরের জন্য নতুন কমিটি নির্বাচন করা হয়।
বরিশাল জেলার সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন দৈনিক বর্তমান পত্রিকার ব্যুরো চিফ ও বরিশাল বাণীর সম্পাদক মো. মামুন-অর-রশিদ এবং সাধারণ সম্পাদক হিসেবে পুনঃনির্বাচিত হয়েছেন দৈনিক যায়যায়দিনের ব্যুরো চিফ মো. আরিফুর রহমান খান। জাতীয় সাংবাদিক সংস্থার কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদের সহ-সভাপতি ও বরিশাল বিভাগীয় সভাপতি এম.আর প্রিন্স নির্বাচন পরিচালনা করেন।
এতে সহ-সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন আবদুস সালাম (স্বাধীনপত্র), মুজিব ফয়সাল (এসএ টিভি), জিহাদ রানা (বাংলাদেশ টুডে), মফিজুর রহমান মিলন (দৈনিক ডেসটিনি), মাসউদ সিকদার (দৈনিক মুক্তখবর), হাবিবুর রহমান (সংবাদ সংস্থা এফটিএন), যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এম.কে রানা (ভোরের কাগজ), এসএন পলাশ (যুগান্তর), আতিকুর রহমান চৌধুরী (দৈনিক ডেসটিনি), সহ-সাধারণ সম্পাদক আরিফ হোসেন (বিজয় টিভি), সাংগঠনিক সম্পাদক আমিনুল শাহীন (দৈনিক আজকের বরিশাল), সহ-সাংগঠনিক পারভেজ সরদার (দৈনিক বর্তমান), দপ্তর সম্পাদক আসাদুজ্জামান মুরাদ (বরিশাল মুখপত্র), সহ-দপ্তর সম্পাদক ইমরান হোসেন (কলমের কণ্ঠ), অর্থ সম্পাদক এইচ এম আসলাম (আজকাল বিডি), সহ-অর্থ সম্পাদক শামীম মীর (আপডেট নিউজ), প্রচার সম্পাদক এম সাইফুল ইসলাম (দৈনিক দক্ষিণাঞ্চল), সহ-প্রচার সম্পাদক নাজমুল হক মুন্না (বর্তমান), সাহিত্য সম্পাদক শাওন খান (জাগো নিউজ), আইন বিষয়ক সম্পাদক মাহফুজ ইসলাম সবুজ ( ঢাকা প্রতিদিন ), সহ-আইন সম্পাদক শফিকুল ইসলাম (আজকের বরিশাল), জনকল্যাণ সম্পাদক আল আমিন (বরিশালের কথা), সমাজসেবা সম্পাদক মহিউদ্দিন মিলন (বরিশাল বাণী), ক্রীড়া সম্পাদক কামরুল আলম মামুন (দৈনিক ঘোষণা), সহঃ ক্রীড়া সম্পাদক রবিউল ইসলাম রবি (বর্তমান), শিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক জাকির জমাদ্দার (আজকের বার্তা), আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক সুব্রত কুমার দাস (দৈনিক সত্য সংবাদ), সাংস্কৃতিক বিষয়ক সম্পাদক জুয়েল মাহমুদ (আজকের পরিবর্তন), মহিলা বিষয়ক সম্পাদক মালা রাখাইন (দৈনিক নবচেতনা) এবং ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক হাফেজ জাকারিয়া (দৈনিক ঐশিবাণী)।
এছাড়া নির্বাহী সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন পারভেজ রাসেল (মাই টিভি), মুশফিক সৌরভ (বাংলানিউজ), ফাহিম ফিরোজ (মানবকন্ঠ), এইচ এম হেলাল (বরিশাল সময়), মশিউর রহমান মন্টু (ভোরের অঙ্গীকার), এম জাহিদ (ফর্মাল নিউজ), শাহজাদা হীরা (শাহনামা), মিজানুর রহমান মৃধা (আজকের বরিশাল), অপূর্ব সাইফুল (মুখপত্র), আম্মার হোসেন (আজকের ক্রাইম টাইমস), এস.এম সেলিম (আজকের বরিশাল), আরিফুর রহমান তালুকদার (বরিশাল বার্তা), রাজিব খান (কলমের কন্ঠ), শহীদুল্লাহ সুমন (ক্রাইম নিউজ), সিহাব তোহা (সকাল সংবাদ), মাসুদুর রহমান আসলাম (তালাশ বিডি), এস.এম আল আমিন (আগামীর বাংলাদেশ), লিটন বাইজিদ (বরিশাল জনপদ), লুৎফুর কবির জুয়েল ( অাজকের সুন্দরবন ), মুজাহিদুল ইসলাম ইউসুফ (বাংলাদেশ বাণী), মাসুদ রানা (ভোরের আকাশ), খলিফা মাইনুল (দখিনের মুখ), সাইফুল ইসলাম (কান্ট্রি টুডে), ছাব্বির আহমেদ অন্তর (বরিশাল বাণী), মাহফুজ ইসলাম সবুজ (ঢাকা প্রতিদিন), আনোয়ার হোসেন (ক্রাইম নিউজ) এনামুল রানা (দৈনিক সুলতান) এবং আরেফিন পারভেজ (জনবাণী)।
এর আগে বিগত দিনের আয় ব্যায়ের হিসাবে পেশ ও সাংগঠনিক রিপোর্ট পেশ করা হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন সংস্থার বরিশাল বিভাগীয় সভাপতি এম আর প্রিন্স। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন জেলা শাখার সাবেক সিনিয়র সহ-সভাপতি ও নবনির্বাচিত সভাপতি মো. মামুন-অর-রশিদ। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন জেলা শাখার পুণঃনির্বাচিত সাধারণ সম্পাদক মো. আরিফুর রহমান খান।
আমেরিকার ফ্লোরিডায় ট্রাক চাঁপায় এক ব্যবসায়ী নিহত হয়েছেন। নিহত কবির হোসেন মৃধা (৫৫) বাংলাদেশের বরিশালের উজিরপুর উপজেলার দক্ষিণ মোড়াকাঠী গ্রামের মৃত মেছের উদ্দিন মৃধার ছোট ছেলে।
রবিবার (২১ জুন) দুপুরে কবির হোসেনের নিকট আত্মীয় হেমায়েত হাওলাদার নিহতের স্ত্রী (আমেরিকায় বসবাসরত) রুমা আক্তারের বরাত দিয়ে বলেন, বিগত ১৫ বছর পূর্বে ডিভি লটারিতে বিজয়ী হয়ে কবির হোসেন আমেরিকায় গমন করেন।
মৃত মেছের উদ্দিন মৃধার পাঁচ মেয়ে ও চার ছেলের মধ্যে কবির হোসেন ছিলেন ছোট। হেমায়েত হাওলাদার আরও বলেন, কবির হোসেনের স্ত্রী ও এক ছেলে সেখানেই (আমেরিকা) বসবাস করেন।
কবির হোসেন আমেরিকার ফ্লোরিডায় ব্যবসা করতেন। ঘটনারদিন ২০ জুন সকাল আটটায় (বাংলাদেশ সময় সন্ধ্যা ছয়টা) নিজ ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের সামনে দাঁড়ানো ছিলেন কবির হোসেন। এসময় বেপরোয়াগতির একটি ট্রাকের চাঁপায় ঘটনাস্থলেই তিনি (কবির হোসেন) নিহত হয়েছেন।
হেমায়েত হাওলাদার আরো বলেছেন-জীবিত অবস্থায় কবির হোসেনের ইচ্ছানুযায়ী গ্রামের বাড়ির পারিবারিক কবরস্থানে বাবা ও মায়ের কবরের পাশে তাকে (কবির) দাফন করা হবে। এজন্য আমেরিকা থেকে তার লাশ বাংলাদেশে আনার প্রস্তুতি চলছে। অপরদিকে কবির হোসেন মৃধার নির্মম মৃত্যুর খবর তার গ্রামের বাড়িতে ছড়িয়ে পরলে নিকট আত্মীয়-স্বজনসহ এলাকাবাসীর মধ্যে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
বরিশালের বাকেরগঞ্জে এক মাসের সাজা এড়াতে ছয় মাস পলাতক ছিলেন এক আসামি। অবশেষে তাকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।শনিবার রাতে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পুলিশের একটি টিম উপজেলার চরাদি ইউনিয়নের রানীরহাট এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করে। গ্রেপ্তার আল আমিন (৩৫) উপজেলার চরাদি ইউনিয়নের চরাদি গ্রামের ফারুক হোসেনের ছেলে।
পুলিশ জানায়, একটি চেক জালিয়াতি মামলায় আদালত আল আমিনকে এক মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেন। রায় ঘোষণার পর থেকেই তিনি পলাতক ছিলেন।
বাকেরগঞ্জ থানার ওসি আদিল হোসেন জানান, আল আমিন ছয় মাস ধরে পলাতক ছিলেন। গোপন তথ্যের ভিত্তিতে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। রোববার সকালে তাকে আদালতে পাঠানো হয়েছে।