Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.

২৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১২:০০
যশোরে তালাক দেওয়া স্ত্রীর সঙ্গে দৈহিক সম্পর্ক ও ভিডিও ফেসবুকে ছড়িয়ে দেওয়ার অভিযোগে তানভীর নামে এক যুবককে আটক করেছে পুলিশ।
কোতোয়ালি মডেল থানা পুলিশ তাকে আটকের পর সোমবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠিয়েছে। আটক তানভীর যশোর সদর উপজেলার হামিদপুর নুড়িতলা গ্রামের মাসুদ রানার ছেলে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী নারীর বাবা বাদী হয়ে মামলা করেছেন।
মামলার অভিযোগে জানা গেছে, ২০২৫ সালের ৫ জানুয়ারি তানভীর পারিবারিকভাবে ওই নারীকে বিয়ে করেন। বিয়ের পর বনিবনা না হওয়ায় ৩ ডিসেম্বর তাদের বিবাহবিচ্ছেদ হয়। এর পর থেকে ওই নারী তার বাবার বাড়িতে অবস্থান করছিল। কিছুদিন যেতে না যেতে তানভীর পুনরায় ওই নারীর সঙ্গে যোগাযোগ শুরু করেন। একপর্যায়ে তানভীর তার তালাক দেওয়া স্ত্রীকে কৌশলে বাড়ি নিয়ে শারীরিক সম্পর্ক ও গোপনে তার ভিডিও ধারণ করেন। তানভীর ওই ভিডিও ফেসবুকে ছড়িয়ে দেওয়ার ভয় দেখিয়ে বারবার দেখা করার জন্য চাপ দেন।
দেখা না করায় গত ১৮ ফেব্রুয়ারি তানভীর তার তালাক দেওয়া স্ত্রীর ভিডিও ও ছবি ফেসবুকে ছেড়ে দেন। বিষয়টি পরিবারকে জানান ভুক্তভোগী নারী। এ ঘটনায় ওই নারীর পিতা বাদী হয়ে কোতোয়ালি থানায় মামলা করেন। পুলিশ অভিযোগের ভিত্তিতে তানভীরকে রোববার রাতে আটক করে।
যশোরে তালাক দেওয়া স্ত্রীর সঙ্গে দৈহিক সম্পর্ক ও ভিডিও ফেসবুকে ছড়িয়ে দেওয়ার অভিযোগে তানভীর নামে এক যুবককে আটক করেছে পুলিশ।
কোতোয়ালি মডেল থানা পুলিশ তাকে আটকের পর সোমবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠিয়েছে। আটক তানভীর যশোর সদর উপজেলার হামিদপুর নুড়িতলা গ্রামের মাসুদ রানার ছেলে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী নারীর বাবা বাদী হয়ে মামলা করেছেন।
মামলার অভিযোগে জানা গেছে, ২০২৫ সালের ৫ জানুয়ারি তানভীর পারিবারিকভাবে ওই নারীকে বিয়ে করেন। বিয়ের পর বনিবনা না হওয়ায় ৩ ডিসেম্বর তাদের বিবাহবিচ্ছেদ হয়। এর পর থেকে ওই নারী তার বাবার বাড়িতে অবস্থান করছিল। কিছুদিন যেতে না যেতে তানভীর পুনরায় ওই নারীর সঙ্গে যোগাযোগ শুরু করেন। একপর্যায়ে তানভীর তার তালাক দেওয়া স্ত্রীকে কৌশলে বাড়ি নিয়ে শারীরিক সম্পর্ক ও গোপনে তার ভিডিও ধারণ করেন। তানভীর ওই ভিডিও ফেসবুকে ছড়িয়ে দেওয়ার ভয় দেখিয়ে বারবার দেখা করার জন্য চাপ দেন।
দেখা না করায় গত ১৮ ফেব্রুয়ারি তানভীর তার তালাক দেওয়া স্ত্রীর ভিডিও ও ছবি ফেসবুকে ছেড়ে দেন। বিষয়টি পরিবারকে জানান ভুক্তভোগী নারী। এ ঘটনায় ওই নারীর পিতা বাদী হয়ে কোতোয়ালি থানায় মামলা করেন। পুলিশ অভিযোগের ভিত্তিতে তানভীরকে রোববার রাতে আটক করে।

২৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১৬:৩২
বগুড়ার ধুনটে ছাতিয়ানী রোকেয়া ওবেদুল হক উচ্চ বিদ্যালয়ের গণিত শিক্ষক আফরিনা রহমানের বিরুদ্ধে কর্মস্থলে অনুপস্থিত থেকে বেতন-ভাতা উত্তোলনের অভিযোগ উঠেছে।
তিনি মাসে একদিন কর্মস্থলে এসে হাজিরা খাতায় পুরো মাসের সই করে ইএফটির (ইলেকট্রনিক ফান্ড ট্রান্সফার) মাধ্যমে ব্যাংক থেকে বেতনের টাকা তুলছেন। প্রশাসনিক অনুমতি ছাড়াই দীর্ঘদিন কর্মস্থলে না থেকেও কীভাবে তিনি এ সুযোগ পাচ্ছেন, তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরা।
বিদ্যালয় সূত্রে জানা যায়, বগুড়া সদরের আতাউর রহমানের মেয়ে আফরিনা রহমান ২০২৩ সালের ২০ সেপ্টেম্বর বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও সার্টিফিকেট প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান (এসটিআরসিএ) কর্তৃক সহকারী শিক্ষক (গণিত) পদে নিয়োগের জন্য সুপারিশপ্রাপ্ত হন।
বিধি মোতাবেক আফরিনা রহমান ২০২৩ সালের ১ অক্টোবর ছাতিয়ানী রোকেয়া ওবেদুল হক উচ্চ বিদ্যালয়ে যোগদান করেন। তবে অভিযোগ রয়েছে, ওই বিদ্যালয়ে মাসে একদিন উপস্থিত হয়ে তিনি হাজিরা খাতায় পুরো মাসের সই করে ভেতন-ভাতা উত্তোলন করেন।
বিদ্যালয়ের কয়েকজন শিক্ষার্থীর ভাষ্য, তারা শুনেছেন গণিত বিষয়ের একজন ম্যাডাম বিদ্যালয়ে যোগদান করেছেন। কিন্তু তাকে কোনোদিন বিদ্যালয়ে দেখেনি। এমনকি তার নামও জানা নেই।
এ বিষয়ে শিক্ষিকা আফরিনা রহমান বলেন, ‘বিনা বেতনে আমাকে ছুটিতে রাখার জন্য বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষককে বলেছি। বিষয়টি নিয়ে জেলা শিক্ষা কর্মকর্তার সঙ্গেও যোগাযোগ করা হচ্ছে। তবে যে কয়েক মাসের বেতন উত্তোলন করেছি, সেসব মাসের হাজিরা খাতায় আমার সই করা আছে।’
বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক (ভারপ্রাপ্ত) শফিকুল ইসলাম বলেন, ‘বিদ্যালয়ে যোগদানের পর ওই শিক্ষিকা মাত্র দুদিন উপস্থিত ছিলেন। তবে প্রতিমাসেই বেতন উত্তোলন করেছেন।
তাকে বারবার তাগিদ দিয়েও বিদ্যালয়ে উপস্থিত করতে পারিনি। ফলে জেলা শিক্ষা কর্মকর্তার সঙ্গে কথা বলে ২০২৫ সালের ডিসেম্বর থেকে তার বেতন বন্ধের ব্যবস্থা করা হয়েছে। কিন্তু গণিত বিষয়ের শিক্ষক সংকটের কারণে শিক্ষার্থীদের পাঠদান ব্যাহত হচ্ছে।’
জানতে চাইলে ধুনট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) প্রীতিলতা বর্মন বলেন, বিষয়টি খতিয়ে দেখে বিধিমোতাবেক প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

২৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১৩:০১
কুমিল্লার চান্দিনায় একটি যাত্রীবাহী বাসের চাপায় আসমা বেগম (৫৫) নামের এক পথচারীর নিহত হয়েছেন। মঙ্গলবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) সকাল ৯টার দিকে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের কুমিল্লার চান্দিনা উপজেলার কুটুম্বপুর ফুট ওভার ব্রিজের নিচে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহত আসমা বেগম চান্দিনা উপজেলার গাটিগড়া গ্রামের বাসিন্দা মৃত কেরামত আলীর স্ত্রী। ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে একটি যাত্রীবাহী বাস চাপায় আসমা বেগম (৫৫) নামের এক নারী নিহত হয়েছেন। মঙ্গলবার সকাল আনুমানিক ৮টা ৪৫ মিনিটে কুটুম্বপুর ফুট ওভার ব্রিজের নিচে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহত আসমা বেগম চান্দিনা উপজেলার গাটিগড়া গ্রামের বাসিন্দা মৃত কেরামত আলী’র স্ত্রী। ইলিয়টগঞ্জ হাইওয়ে থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রুহুল আমিন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
পুলিশ জানায়, নোয়াখালী থেকে ঢাকাগামী সারা এক্সপ্রেস নামের একটি বাস দ্রুত ও বেপরোয়া গতিতে চলার সময় রাস্তার পাশে দাঁড়িয়ে থাকা আসমা বেগমকে চাপা দেয়। এতে তিনি গুরুতর আহত হন।
সংবাদ পেয়ে ইলিয়টগঞ্জ হাইওয়ে থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে আহত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে চান্দিনা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
ওসি মো. রুহুল আমিন জানান, দুর্ঘটনার পরপরই বাসচালক পালিয়ে যান। তবে বাসটি জব্দ করে পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। মহাসড়কে যান চলাচল স্বাভাবিক রয়েছে। নিহতের মরদেহ স্বজনদের কাছে হস্তান্তরের প্রক্রিয়া চলছে। এ ঘটনায় আইনি প্রক্রিয়া চলছে।

২৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১১:৫৩
আড়াই মাস ধরে কারাগারে বন্দী কক্সবাজারের রামুর দক্ষিণ মিঠাছড়ি ইউনিয়নের আপন দুই ভাই ফরিদুল আলম (৪৩) ও মোহাম্মদ ইসমাইল (৩৮)।
মায়ের জানাজা পড়ার দুই দিনের ব্যবধানে এবার তাদের বাবা নুর আহমদও (৯০) মারা গেছেন। সোমবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় নিজ বাড়িতে তিনি মৃত্যুবরণ করেন।
এর আগে বার্ধক্যজনিত কারণে গত শনিবার (২১ ফেব্রুয়ারি) সকালে তাদের মা মোস্তফা বেগমের (৮০) মৃত্যু হয়। মায়ের জানাজা ও দাফনে অংশ নিতে পাঁচ ঘণ্টার জন্য প্যারোলে মুক্তি মেলে। সেদিন দুপুরে পুলিশি পাহারায় মাকে শেষবিদায় জানান দুই ভাই, তারা মায়ের জানাজা ও দাফনে হাতকড়া পরেই অংশ নেন। এর পর ফের কারাগারে পাঠানো হয়।
এ ঘটনায় 'প্যারোলে মুক্তি/ রামুতে হাতে হাতকড়া পরে মায়ের জানাজায় দুই ভাই' শিরোনামে ঢাকা পোস্টে একটি প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়।
মঙ্গলবার দুপুরে রামুর দক্ষিণ মিঠাছড়ি ইউনিয়নের পানেরছড়া কেন্দ্রীয় জামে মসজিদ সংলগ্ন মাঠে নূর আহমদের জানাজার নামাজ অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। ঠিক একই মাঠে গত শনিবার তাদের মায়ের জানাজায় বাবার জন্য দোয়া চেয়েছিলেন কারাবন্দী ছেলেরা।
জানা গেছে, ফরিদুল ও ইসমাইল দীর্ঘদিন ধরে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের রাজনীতিতে যুক্ত। তাদের বিরুদ্ধে রামু থানায় একাধিক মামলা রয়েছে।
স্বজন ও স্থানীয়রা জানান, প্রথমে খুঁনিয়াপালং ইউনিয়নের একটি মামলায় ফরিদুল ও ইসমাইলকে আটক করে কারাগারে পাঠানো হয়েছিল। সেই মামলায় জামিন হওয়ার পর দক্ষিণ মিঠাছড়ির একটি মামলায় ফের আটক দেখানো হয়।
ইসমাইলের স্ত্রী কুলছুমা বেগম বলেন, আমার স্বামী নির্দোষ। সে কোনো রাজনীতির সঙ্গে জড়িত নয়। তাদেরকে অহেতুক মামলায় জড়িয়ে জেল খাটানো হচ্ছে। মা ও বাবা দুজনই মারা গেলেন। অথচ সন্তান হিসাবে শেষ সেবাটুকু করতে পারলেন না।
রামু থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মনিরুল ইসলাম ভূঁইয়া জানান, গত শনিবার তারা প্যারোলে মুক্তি পেয়েছিলেন, পরে তাদের জেলা কারাগারে পাঠানো হয়েছে। দুই ভাইয়ের বিরুদ্ধে রামু থানায় একাধিক মামলা রয়েছে। প্যারোলের আবেদন করলে মঙ্গলবারও তারা মুক্তি পেতে পারেন বলে জানান তিনি।
বগুড়ার ধুনটে ছাতিয়ানী রোকেয়া ওবেদুল হক উচ্চ বিদ্যালয়ের গণিত শিক্ষক আফরিনা রহমানের বিরুদ্ধে কর্মস্থলে অনুপস্থিত থেকে বেতন-ভাতা উত্তোলনের অভিযোগ উঠেছে।
তিনি মাসে একদিন কর্মস্থলে এসে হাজিরা খাতায় পুরো মাসের সই করে ইএফটির (ইলেকট্রনিক ফান্ড ট্রান্সফার) মাধ্যমে ব্যাংক থেকে বেতনের টাকা তুলছেন। প্রশাসনিক অনুমতি ছাড়াই দীর্ঘদিন কর্মস্থলে না থেকেও কীভাবে তিনি এ সুযোগ পাচ্ছেন, তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরা।
বিদ্যালয় সূত্রে জানা যায়, বগুড়া সদরের আতাউর রহমানের মেয়ে আফরিনা রহমান ২০২৩ সালের ২০ সেপ্টেম্বর বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও সার্টিফিকেট প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান (এসটিআরসিএ) কর্তৃক সহকারী শিক্ষক (গণিত) পদে নিয়োগের জন্য সুপারিশপ্রাপ্ত হন।
বিধি মোতাবেক আফরিনা রহমান ২০২৩ সালের ১ অক্টোবর ছাতিয়ানী রোকেয়া ওবেদুল হক উচ্চ বিদ্যালয়ে যোগদান করেন। তবে অভিযোগ রয়েছে, ওই বিদ্যালয়ে মাসে একদিন উপস্থিত হয়ে তিনি হাজিরা খাতায় পুরো মাসের সই করে ভেতন-ভাতা উত্তোলন করেন।
বিদ্যালয়ের কয়েকজন শিক্ষার্থীর ভাষ্য, তারা শুনেছেন গণিত বিষয়ের একজন ম্যাডাম বিদ্যালয়ে যোগদান করেছেন। কিন্তু তাকে কোনোদিন বিদ্যালয়ে দেখেনি। এমনকি তার নামও জানা নেই।
এ বিষয়ে শিক্ষিকা আফরিনা রহমান বলেন, ‘বিনা বেতনে আমাকে ছুটিতে রাখার জন্য বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষককে বলেছি। বিষয়টি নিয়ে জেলা শিক্ষা কর্মকর্তার সঙ্গেও যোগাযোগ করা হচ্ছে। তবে যে কয়েক মাসের বেতন উত্তোলন করেছি, সেসব মাসের হাজিরা খাতায় আমার সই করা আছে।’
বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক (ভারপ্রাপ্ত) শফিকুল ইসলাম বলেন, ‘বিদ্যালয়ে যোগদানের পর ওই শিক্ষিকা মাত্র দুদিন উপস্থিত ছিলেন। তবে প্রতিমাসেই বেতন উত্তোলন করেছেন।
তাকে বারবার তাগিদ দিয়েও বিদ্যালয়ে উপস্থিত করতে পারিনি। ফলে জেলা শিক্ষা কর্মকর্তার সঙ্গে কথা বলে ২০২৫ সালের ডিসেম্বর থেকে তার বেতন বন্ধের ব্যবস্থা করা হয়েছে। কিন্তু গণিত বিষয়ের শিক্ষক সংকটের কারণে শিক্ষার্থীদের পাঠদান ব্যাহত হচ্ছে।’
জানতে চাইলে ধুনট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) প্রীতিলতা বর্মন বলেন, বিষয়টি খতিয়ে দেখে বিধিমোতাবেক প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
কুমিল্লার চান্দিনায় একটি যাত্রীবাহী বাসের চাপায় আসমা বেগম (৫৫) নামের এক পথচারীর নিহত হয়েছেন। মঙ্গলবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) সকাল ৯টার দিকে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের কুমিল্লার চান্দিনা উপজেলার কুটুম্বপুর ফুট ওভার ব্রিজের নিচে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহত আসমা বেগম চান্দিনা উপজেলার গাটিগড়া গ্রামের বাসিন্দা মৃত কেরামত আলীর স্ত্রী। ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে একটি যাত্রীবাহী বাস চাপায় আসমা বেগম (৫৫) নামের এক নারী নিহত হয়েছেন। মঙ্গলবার সকাল আনুমানিক ৮টা ৪৫ মিনিটে কুটুম্বপুর ফুট ওভার ব্রিজের নিচে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহত আসমা বেগম চান্দিনা উপজেলার গাটিগড়া গ্রামের বাসিন্দা মৃত কেরামত আলী’র স্ত্রী। ইলিয়টগঞ্জ হাইওয়ে থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রুহুল আমিন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
পুলিশ জানায়, নোয়াখালী থেকে ঢাকাগামী সারা এক্সপ্রেস নামের একটি বাস দ্রুত ও বেপরোয়া গতিতে চলার সময় রাস্তার পাশে দাঁড়িয়ে থাকা আসমা বেগমকে চাপা দেয়। এতে তিনি গুরুতর আহত হন।
সংবাদ পেয়ে ইলিয়টগঞ্জ হাইওয়ে থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে আহত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে চান্দিনা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
ওসি মো. রুহুল আমিন জানান, দুর্ঘটনার পরপরই বাসচালক পালিয়ে যান। তবে বাসটি জব্দ করে পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। মহাসড়কে যান চলাচল স্বাভাবিক রয়েছে। নিহতের মরদেহ স্বজনদের কাছে হস্তান্তরের প্রক্রিয়া চলছে। এ ঘটনায় আইনি প্রক্রিয়া চলছে।
আড়াই মাস ধরে কারাগারে বন্দী কক্সবাজারের রামুর দক্ষিণ মিঠাছড়ি ইউনিয়নের আপন দুই ভাই ফরিদুল আলম (৪৩) ও মোহাম্মদ ইসমাইল (৩৮)।
মায়ের জানাজা পড়ার দুই দিনের ব্যবধানে এবার তাদের বাবা নুর আহমদও (৯০) মারা গেছেন। সোমবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় নিজ বাড়িতে তিনি মৃত্যুবরণ করেন।
এর আগে বার্ধক্যজনিত কারণে গত শনিবার (২১ ফেব্রুয়ারি) সকালে তাদের মা মোস্তফা বেগমের (৮০) মৃত্যু হয়। মায়ের জানাজা ও দাফনে অংশ নিতে পাঁচ ঘণ্টার জন্য প্যারোলে মুক্তি মেলে। সেদিন দুপুরে পুলিশি পাহারায় মাকে শেষবিদায় জানান দুই ভাই, তারা মায়ের জানাজা ও দাফনে হাতকড়া পরেই অংশ নেন। এর পর ফের কারাগারে পাঠানো হয়।
এ ঘটনায় 'প্যারোলে মুক্তি/ রামুতে হাতে হাতকড়া পরে মায়ের জানাজায় দুই ভাই' শিরোনামে ঢাকা পোস্টে একটি প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়।
মঙ্গলবার দুপুরে রামুর দক্ষিণ মিঠাছড়ি ইউনিয়নের পানেরছড়া কেন্দ্রীয় জামে মসজিদ সংলগ্ন মাঠে নূর আহমদের জানাজার নামাজ অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। ঠিক একই মাঠে গত শনিবার তাদের মায়ের জানাজায় বাবার জন্য দোয়া চেয়েছিলেন কারাবন্দী ছেলেরা।
জানা গেছে, ফরিদুল ও ইসমাইল দীর্ঘদিন ধরে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের রাজনীতিতে যুক্ত। তাদের বিরুদ্ধে রামু থানায় একাধিক মামলা রয়েছে।
স্বজন ও স্থানীয়রা জানান, প্রথমে খুঁনিয়াপালং ইউনিয়নের একটি মামলায় ফরিদুল ও ইসমাইলকে আটক করে কারাগারে পাঠানো হয়েছিল। সেই মামলায় জামিন হওয়ার পর দক্ষিণ মিঠাছড়ির একটি মামলায় ফের আটক দেখানো হয়।
ইসমাইলের স্ত্রী কুলছুমা বেগম বলেন, আমার স্বামী নির্দোষ। সে কোনো রাজনীতির সঙ্গে জড়িত নয়। তাদেরকে অহেতুক মামলায় জড়িয়ে জেল খাটানো হচ্ছে। মা ও বাবা দুজনই মারা গেলেন। অথচ সন্তান হিসাবে শেষ সেবাটুকু করতে পারলেন না।
রামু থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মনিরুল ইসলাম ভূঁইয়া জানান, গত শনিবার তারা প্যারোলে মুক্তি পেয়েছিলেন, পরে তাদের জেলা কারাগারে পাঠানো হয়েছে। দুই ভাইয়ের বিরুদ্ধে রামু থানায় একাধিক মামলা রয়েছে। প্যারোলের আবেদন করলে মঙ্গলবারও তারা মুক্তি পেতে পারেন বলে জানান তিনি।