
২৩ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৯:৩৫
নিজস্ব প্রতিবেদক, বরিশাল: জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, শূন্য থেকে ৫ বছরের সব শিশুর বিনা পয়সায় চিকিৎসা নিশ্চিত করা হবে, ৬০ থেকে ৬৫ বছরের বৃদ্ধদের বিনা পয়সায় চিকিৎসা ব্যবস্থা চালু করা হবে।
আর মাঝামাঝি রয়েছেন যারা নিজেদের চিকিৎসা খরচ নিজেরা চালাতে পারবে, তারা পারবেন। আর যারা পারবেন না তাদের চিকিৎসার দায়িত্ব নেওয়া হবে। আর এসব কিছু করা হবে জনগণের দেওয়া ভ্যাট, ট্যাক্স, করের টাকায়।
কারণ আমরা এত টাকা কোথায় পাব।
শুক্রবার (২৩ জানুয়ারি) বিকাল সোয়া ৩টায় গোর-এ শহীদ ময়দানের দক্ষিণ অংশে পুলিশ সুপার কার্যালয়ের সামনে হেলিপ্যাড মাঠে ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে দিনাজপুরে ১০ দলীয় নির্বাচনী ঐক্য আয়োজিত সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি।
জামায়াত আমির বলেন, দিনাজপুরবাসীর সঙ্গে সৎভাইয়ের মতো আচরণ করা হয়েছে। দেশের বিভিন্ন পৌরসভাকে সিটি করপোরেশন করা হলেও প্রাচীন পৌরসভা হওয়ার পরও দিনাজপুরকে সিটি করপোরেশন করা হয়নি।
আপনাদেরকে বিশ্বস্ততার সঙ্গে বলছি জামায়াতে ইসলামী সরকার গঠন করলে দিনাজপুরকে সিটি করপোরেশন করা হবে।
ডা. শফিকুর রহমান বলেন, আমার ভোট আমি দেব, তোমার ভোটও আমি দেব, এই দিন শেষ, এবার যদি আমার ভোট অন্য কেউ দিতে চায় তাহলে তাকে ছেড়ে দেওয়া হবে না। আমার ভোট আমি দেব, যাকে পছন্দ তাকে দেব।
জামায়াত আমির বলেন, অনেক জেলায় গ্যাস সুবিধা থাকলেও দিনাজপুরে নেই। এ জেলায় কয়লা পাওয়া গেছে, এই কারণে গ্যাস পাওয়ারও সম্ভাবনা রয়েছে। কিন্তু বিগত সময়ে গ্যাস নিয়ে বৈজ্ঞানিক কোনো জরিপ চালানো হয়নি। অনেক দেশে স্বাধীনতার মাত্র ২৫ বছরে কৃষিতে আধুনিক যন্ত্রপাতির ব্যবহার করা হচ্ছে। অথচ এই অঞ্চলের মানুষ হাড়ভাঙা পরিশ্রম করে ফসল ফলাচ্ছেন। আবার সঠিক মূল্য পান না।
আমরা ক্ষমতায় গেলে আম, লিচু, টমেটোসহ কৃষিপণ্য সংরক্ষণ ও প্রসেসিং কারখানা স্থাপন করব। সিটি করপোরেশন হলে ও কারখানা স্থাপন করা হলে কৃষক সুবিধামতো সময়ে তার পণ্য বিক্রি করে ন্যায্যমূল্য পাবেন। কর্মসংস্থান হবে। উত্তরাঞ্চল হবে কৃষির রাজধানী।
তিনি বলেন, দিনাজপুরে চাঁদাবাজি হয় না। এ সময় উপস্থিত জনগণ চিৎকার করে চাঁদাবাজি হয়। তখন তিনি বলেন, ফুটপাতেও চাঁদাবাজি হয়। এটা আমাদের জন্য লজ্জার। আমরা চাঁদাবাজি করি না, করব না, আমরা কাউকে চাঁদা নিতেও দেব না। দুর্নীতি করব না, করতেও দেব না একথা বলাতে তারা বিপদে পড়েছেন।
আমির বলেন, গুজব ছড়ানো হচ্ছে, আমরা ক্ষমতায় গেলে নাকি মায়েদেরকে ঘরে বন্দি করে রাখব। আমরা বলছি নারীরা ঘরে-বাইরে কর্মস্থলে কোথাও নিরাপদ নয়। আমরা ক্ষমতায় গেলে সব ক্ষেত্রে নারীদের জন্য নিরাপদ রাখব।
তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়সহ বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র সংসদ নির্বাচনে নারীদের অংশগ্রহণ ও বিজয়ী হওয়া নিয়ে বলেন, শিক্ষার্থীরা মনে করেছে তারা নারী শিক্ষার্থীদের কাছেই নিরাপদ। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ছয় মাস হয়ে গেছে চাঁদাবাজি, মাদক, সন্ত্রাস নেই।
তিনি বলেন, জনগণের জন্য, জনবান্ধব বাংলাদেশ গড়ে তোলা হবে। আমরা কিছু দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেব না। সরকার গঠন করলে প্রতিটি জেলায় মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতাল করা হবে। দিনাজপুরে মেডিক্যাল কলেজ হাসাপাতালকে ১ হাজার শয্যায় উন্নীত করা হবে। প্রয়োজনে স্পেশালাইজড হাসপাতাল করা হবে। সব জেলায় মানসম্পন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান করা হবে।
তিনি বলেন, আসুন আমরা পরিবর্তনের জন্য হ্যাঁ ভোট দিই। ভোটে সন্ত্রাস, নৈরাজ্য, অনিয়ম ও ইঞ্জিনিয়ারিং করবেন না, করলে কাউকে ছেড়ে দেওয়া হবে না। কারণ মানুষ বিগত কয়েকটি নির্বাচনে ভোট দিতে পারেননি। ভোটের জন্যই এত আন্দোলন, এত ত্যাগ।
দিনাজপুর জেলা জামায়াতের আমির অধ্যক্ষ আনিসুর রহমানের সভাপতিত্বে জনসভায় প্রধান অতিথি হিসেবে ভাষণ দেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা আব্দুল হালিম, ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় সভাপতি নুরুল ইসলাম সাদ্দাম, ছয়টি আসনের প্রার্থী ও জেলার নেতৃবৃন্দ।
নিজস্ব প্রতিবেদক, বরিশাল: জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, শূন্য থেকে ৫ বছরের সব শিশুর বিনা পয়সায় চিকিৎসা নিশ্চিত করা হবে, ৬০ থেকে ৬৫ বছরের বৃদ্ধদের বিনা পয়সায় চিকিৎসা ব্যবস্থা চালু করা হবে।
আর মাঝামাঝি রয়েছেন যারা নিজেদের চিকিৎসা খরচ নিজেরা চালাতে পারবে, তারা পারবেন। আর যারা পারবেন না তাদের চিকিৎসার দায়িত্ব নেওয়া হবে। আর এসব কিছু করা হবে জনগণের দেওয়া ভ্যাট, ট্যাক্স, করের টাকায়।
কারণ আমরা এত টাকা কোথায় পাব।
শুক্রবার (২৩ জানুয়ারি) বিকাল সোয়া ৩টায় গোর-এ শহীদ ময়দানের দক্ষিণ অংশে পুলিশ সুপার কার্যালয়ের সামনে হেলিপ্যাড মাঠে ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে দিনাজপুরে ১০ দলীয় নির্বাচনী ঐক্য আয়োজিত সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি।
জামায়াত আমির বলেন, দিনাজপুরবাসীর সঙ্গে সৎভাইয়ের মতো আচরণ করা হয়েছে। দেশের বিভিন্ন পৌরসভাকে সিটি করপোরেশন করা হলেও প্রাচীন পৌরসভা হওয়ার পরও দিনাজপুরকে সিটি করপোরেশন করা হয়নি।
আপনাদেরকে বিশ্বস্ততার সঙ্গে বলছি জামায়াতে ইসলামী সরকার গঠন করলে দিনাজপুরকে সিটি করপোরেশন করা হবে।
ডা. শফিকুর রহমান বলেন, আমার ভোট আমি দেব, তোমার ভোটও আমি দেব, এই দিন শেষ, এবার যদি আমার ভোট অন্য কেউ দিতে চায় তাহলে তাকে ছেড়ে দেওয়া হবে না। আমার ভোট আমি দেব, যাকে পছন্দ তাকে দেব।
জামায়াত আমির বলেন, অনেক জেলায় গ্যাস সুবিধা থাকলেও দিনাজপুরে নেই। এ জেলায় কয়লা পাওয়া গেছে, এই কারণে গ্যাস পাওয়ারও সম্ভাবনা রয়েছে। কিন্তু বিগত সময়ে গ্যাস নিয়ে বৈজ্ঞানিক কোনো জরিপ চালানো হয়নি। অনেক দেশে স্বাধীনতার মাত্র ২৫ বছরে কৃষিতে আধুনিক যন্ত্রপাতির ব্যবহার করা হচ্ছে। অথচ এই অঞ্চলের মানুষ হাড়ভাঙা পরিশ্রম করে ফসল ফলাচ্ছেন। আবার সঠিক মূল্য পান না।
আমরা ক্ষমতায় গেলে আম, লিচু, টমেটোসহ কৃষিপণ্য সংরক্ষণ ও প্রসেসিং কারখানা স্থাপন করব। সিটি করপোরেশন হলে ও কারখানা স্থাপন করা হলে কৃষক সুবিধামতো সময়ে তার পণ্য বিক্রি করে ন্যায্যমূল্য পাবেন। কর্মসংস্থান হবে। উত্তরাঞ্চল হবে কৃষির রাজধানী।
তিনি বলেন, দিনাজপুরে চাঁদাবাজি হয় না। এ সময় উপস্থিত জনগণ চিৎকার করে চাঁদাবাজি হয়। তখন তিনি বলেন, ফুটপাতেও চাঁদাবাজি হয়। এটা আমাদের জন্য লজ্জার। আমরা চাঁদাবাজি করি না, করব না, আমরা কাউকে চাঁদা নিতেও দেব না। দুর্নীতি করব না, করতেও দেব না একথা বলাতে তারা বিপদে পড়েছেন।
আমির বলেন, গুজব ছড়ানো হচ্ছে, আমরা ক্ষমতায় গেলে নাকি মায়েদেরকে ঘরে বন্দি করে রাখব। আমরা বলছি নারীরা ঘরে-বাইরে কর্মস্থলে কোথাও নিরাপদ নয়। আমরা ক্ষমতায় গেলে সব ক্ষেত্রে নারীদের জন্য নিরাপদ রাখব।
তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়সহ বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র সংসদ নির্বাচনে নারীদের অংশগ্রহণ ও বিজয়ী হওয়া নিয়ে বলেন, শিক্ষার্থীরা মনে করেছে তারা নারী শিক্ষার্থীদের কাছেই নিরাপদ। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ছয় মাস হয়ে গেছে চাঁদাবাজি, মাদক, সন্ত্রাস নেই।
তিনি বলেন, জনগণের জন্য, জনবান্ধব বাংলাদেশ গড়ে তোলা হবে। আমরা কিছু দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেব না। সরকার গঠন করলে প্রতিটি জেলায় মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতাল করা হবে। দিনাজপুরে মেডিক্যাল কলেজ হাসাপাতালকে ১ হাজার শয্যায় উন্নীত করা হবে। প্রয়োজনে স্পেশালাইজড হাসপাতাল করা হবে। সব জেলায় মানসম্পন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান করা হবে।
তিনি বলেন, আসুন আমরা পরিবর্তনের জন্য হ্যাঁ ভোট দিই। ভোটে সন্ত্রাস, নৈরাজ্য, অনিয়ম ও ইঞ্জিনিয়ারিং করবেন না, করলে কাউকে ছেড়ে দেওয়া হবে না। কারণ মানুষ বিগত কয়েকটি নির্বাচনে ভোট দিতে পারেননি। ভোটের জন্যই এত আন্দোলন, এত ত্যাগ।
দিনাজপুর জেলা জামায়াতের আমির অধ্যক্ষ আনিসুর রহমানের সভাপতিত্বে জনসভায় প্রধান অতিথি হিসেবে ভাষণ দেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা আব্দুল হালিম, ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় সভাপতি নুরুল ইসলাম সাদ্দাম, ছয়টি আসনের প্রার্থী ও জেলার নেতৃবৃন্দ।

০৭ এপ্রিল, ২০২৬ ১৭:০০
শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের স্মৃতিবিজরিত উলাশী খাল পুনঃখননে যশোরে আসছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। আগামী ২৭ এপ্রিল তিনি যশোর সফর করবেন বলে জানা গেছে।
বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদমন্ত্রী ও যশোর-৩ (সদর) আসনের সংসদ সদস্য অনিন্দ্য ইসলাম অমিত বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। সফরে যশোর ৫০০ শয্যাবিশিষ্ট মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপনসহ কিছু উন্নয়ন প্রকল্পের উদ্বোধন ও যশোর ঈদগাহে জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য দেবেন বলে জানা গেছে।
বাংলাদেশে প্রথম খাল খননে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের স্মৃতিবিজড়িত উলাসী-যদুনাথপুর খালটি এলাকার মানুষের কাছে ‘জিয়া খাল’ নামেই বেশি পরিচিত। খালটি দীর্ঘদিনেও সংস্কার করা হয়নি। ফলে পলি জমে ভরাট হয়েছে। শুষ্ক মৌসুমে পানিশূন্য হয়ে পড়ে। খালটি পুনঃখননে দীর্ঘদিনের দাবি ছিল এলাকাবাসীর।
১৯৭৬ সালের ১ নভেম্বর তারেক রহমানের বাবা তৎকালীন রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান নিজে মাটি কেটে যশোরের শার্শা উপজেলার বেতনা নদীর সংযোগ উলাসী-যদুনাথপুরে প্রায় চার কিলোমিটার খাল খনন কার্যক্রমের উদ্বোধন করেছিলেন। সে সময় এলাকার সাধারণ মানুষ জিয়াউর রহমানের আহ্বানে সাড়া দিয়ে স্থানীয় কৃষি ব্যবস্থার উন্নয়নের লক্ষ্যে সেই খাল খনন কর্মসূচিতে স্বেচ্ছাশ্রমে অংশ নিয়েছিলেন।
ধারবাহিক কার্যক্রমের পর ছয় মাস পর ১৯৭৭ সালের ৩০ এপ্রিল উলাশী খালের উদ্বোধন করেন রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান। পরবর্তীতে তার এই কর্মসূচি সারা দেশে ব্যাপক জনপ্রিয়তা অর্জন করে। এই খাল খনন কর্মসূচি সে সময় কৃষি ব্যবস্থার উন্নয়নে অভূতপূর্ব এক নজির স্থাপন করে।
গত ২ ফেব্রুয়ারি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে যশোরে বিএনপির নির্বাচনী জনসভায় অংশ নিয়েছিলেন বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান। সেই জনসভায় তারেক রহমান ঘোষণা করেছিলেন, ‘বিএনপি আবার ক্ষমতায় যেতে পারলে উলাশী খাল পুনরায় খননসহ দেশে হাজার হাজার খাল খনন করে কৃষি ব্যবস্থার উন্নয়ন ঘটানো হবে। আমি নিজে সেই খাল পুনর্খনন করতে আসবো ইনশাল্লাহ।’
যশোর জেলা বিএনপির সভাপতি অ্যাডভোকেট সৈয়দ সাবেরুল হক সাবু বলেন, প্রধানমন্ত্রীর যশোর কর্মসূচির মধ্যে উলাশী খালের পুনঃখনন ছাড়াও রয়েছে ৫০০ শয্যাবিশিষ্ট যশোর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন এবং শহরের কেন্দ্রীয় ঈদগাহে জনসভা।
যশোর পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী পলাশ কুমার ব্যানার্জী জানান, এরই মধ্যে চার কিলোমিটার খাল পুনর্খননের জন্য এক কোটি ৩৭ লাখ টাকার প্রাক্কলিত ব্যয় নির্ধারণ করে তালিকা প্রস্তুত করে পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে।
এদিকে প্রধানমন্ত্রীর আগমন উপলক্ষে গত ২ এপ্রিল খাল এলাকা পরিদর্শন করেছেন যশোরের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ আশেক হাসান। পরিদর্শনকালে জেলা প্রশাসক খাল খনন কাজের অগ্রগতি, নির্মাণমান এবং স্থানীয় জনগণের সম্ভাব্য উপকারিতা সম্পর্কে বিস্তারিত খোঁজখবর নেন। তিনি সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা প্রদান করেন, যাতে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কাজ সম্পন্ন হয় এবং জলাবদ্ধতা নিরসনের পাশাপাশি কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধিতে কার্যকর ভূমিকা রাখে।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন পুলিশ সুপার সৈয়দ রফিকুল ইসলাম, জেলা বিএনপির সভাপতি সৈয়দ সাবেরুল হক সাবু, জেলা পরিষদের প্রশাসক ও জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক দেলোয়ার হোসেন খোকন, শার্শা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ফজলে ওয়াহিদ, উপজেলা বিএনপির সভাপতি আবুল হাসান জহির, সাধারণ সম্পাদক নুরুজ্জামান লিটন প্রমুখ।
শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের স্মৃতিবিজরিত উলাশী খাল পুনঃখননে যশোরে আসছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। আগামী ২৭ এপ্রিল তিনি যশোর সফর করবেন বলে জানা গেছে।
বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদমন্ত্রী ও যশোর-৩ (সদর) আসনের সংসদ সদস্য অনিন্দ্য ইসলাম অমিত বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। সফরে যশোর ৫০০ শয্যাবিশিষ্ট মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপনসহ কিছু উন্নয়ন প্রকল্পের উদ্বোধন ও যশোর ঈদগাহে জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য দেবেন বলে জানা গেছে।
বাংলাদেশে প্রথম খাল খননে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের স্মৃতিবিজড়িত উলাসী-যদুনাথপুর খালটি এলাকার মানুষের কাছে ‘জিয়া খাল’ নামেই বেশি পরিচিত। খালটি দীর্ঘদিনেও সংস্কার করা হয়নি। ফলে পলি জমে ভরাট হয়েছে। শুষ্ক মৌসুমে পানিশূন্য হয়ে পড়ে। খালটি পুনঃখননে দীর্ঘদিনের দাবি ছিল এলাকাবাসীর।
১৯৭৬ সালের ১ নভেম্বর তারেক রহমানের বাবা তৎকালীন রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান নিজে মাটি কেটে যশোরের শার্শা উপজেলার বেতনা নদীর সংযোগ উলাসী-যদুনাথপুরে প্রায় চার কিলোমিটার খাল খনন কার্যক্রমের উদ্বোধন করেছিলেন। সে সময় এলাকার সাধারণ মানুষ জিয়াউর রহমানের আহ্বানে সাড়া দিয়ে স্থানীয় কৃষি ব্যবস্থার উন্নয়নের লক্ষ্যে সেই খাল খনন কর্মসূচিতে স্বেচ্ছাশ্রমে অংশ নিয়েছিলেন।
ধারবাহিক কার্যক্রমের পর ছয় মাস পর ১৯৭৭ সালের ৩০ এপ্রিল উলাশী খালের উদ্বোধন করেন রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান। পরবর্তীতে তার এই কর্মসূচি সারা দেশে ব্যাপক জনপ্রিয়তা অর্জন করে। এই খাল খনন কর্মসূচি সে সময় কৃষি ব্যবস্থার উন্নয়নে অভূতপূর্ব এক নজির স্থাপন করে।
গত ২ ফেব্রুয়ারি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে যশোরে বিএনপির নির্বাচনী জনসভায় অংশ নিয়েছিলেন বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান। সেই জনসভায় তারেক রহমান ঘোষণা করেছিলেন, ‘বিএনপি আবার ক্ষমতায় যেতে পারলে উলাশী খাল পুনরায় খননসহ দেশে হাজার হাজার খাল খনন করে কৃষি ব্যবস্থার উন্নয়ন ঘটানো হবে। আমি নিজে সেই খাল পুনর্খনন করতে আসবো ইনশাল্লাহ।’
যশোর জেলা বিএনপির সভাপতি অ্যাডভোকেট সৈয়দ সাবেরুল হক সাবু বলেন, প্রধানমন্ত্রীর যশোর কর্মসূচির মধ্যে উলাশী খালের পুনঃখনন ছাড়াও রয়েছে ৫০০ শয্যাবিশিষ্ট যশোর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন এবং শহরের কেন্দ্রীয় ঈদগাহে জনসভা।
যশোর পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী পলাশ কুমার ব্যানার্জী জানান, এরই মধ্যে চার কিলোমিটার খাল পুনর্খননের জন্য এক কোটি ৩৭ লাখ টাকার প্রাক্কলিত ব্যয় নির্ধারণ করে তালিকা প্রস্তুত করে পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে।
এদিকে প্রধানমন্ত্রীর আগমন উপলক্ষে গত ২ এপ্রিল খাল এলাকা পরিদর্শন করেছেন যশোরের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ আশেক হাসান। পরিদর্শনকালে জেলা প্রশাসক খাল খনন কাজের অগ্রগতি, নির্মাণমান এবং স্থানীয় জনগণের সম্ভাব্য উপকারিতা সম্পর্কে বিস্তারিত খোঁজখবর নেন। তিনি সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা প্রদান করেন, যাতে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কাজ সম্পন্ন হয় এবং জলাবদ্ধতা নিরসনের পাশাপাশি কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধিতে কার্যকর ভূমিকা রাখে।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন পুলিশ সুপার সৈয়দ রফিকুল ইসলাম, জেলা বিএনপির সভাপতি সৈয়দ সাবেরুল হক সাবু, জেলা পরিষদের প্রশাসক ও জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক দেলোয়ার হোসেন খোকন, শার্শা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ফজলে ওয়াহিদ, উপজেলা বিএনপির সভাপতি আবুল হাসান জহির, সাধারণ সম্পাদক নুরুজ্জামান লিটন প্রমুখ।

০৭ এপ্রিল, ২০২৬ ১৬:৩১
জুলাই আন্দোলন কেন্দ্রিক রাজধানীর লালবাগ থানার আশরাফুল ওরফে ফাহিম নামে একজনকে হত্যাচেষ্টা মামলায় সাবেক স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরীর রিমান্ড আবেদন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়েছেন আদালত।
মঙ্গলবার (০৭ এপ্রিল) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. জুয়েল রানার এই আদেশ দেন।
এর আগে আদালতে হাজির করে শিরীন শারমিন চৌধুরীকে দুই দিনের রিমান্ডে নিতে আবেদন করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা গোয়েন্দা পুলিশের পরিদর্শক মোহসিন উদ্দিন।
মঙ্গলবার শিরীন শারমিনকে গ্রেপ্তার করে ঢাকা মহানগর পুলিশের গোয়েন্দা শাখা (ডিবি)।
এদিন ভোর সাড়ে ৪টার দিকে ধানমন্ডির ৮/এ রোডের একটি বাসা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। এরপর বেলা ১টা ৫৫ মিনিটের দিকে তাকে পুরান ঢাকার সিএমএম আদালতে আনা হয়।
তাকে আদালতের হাজতখানায় রাখা হয়েছে।
মামলার বিবরণ অনুযায়ী, জুলাই আন্দোলনের সময় ২০২৪ সালের ১৮ জুলাই বিকেলে আজিমপুর বাসস্ট্যান্ডে আন্দোলন চলছিল।
সেখানে দেশি-বিদেশি অস্ত্র নিয়ে তাদের ওপর হামলা চালানো হয়। একটি গুলি আশরাফুল ওরফে ফাহিমের চোখে লাগে। বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসা নেন তিনি।
এ ঘটনায় গত বছরের ২৫ মে শেখ হাসিনাসহ ১৩০ জনের নাম উল্লেখ এবং অচেনা ১১৫-১২০ জনের বিরুদ্ধে মামলা করেন আশরাফুল।
প্রসঙ্গত, ২০২৪-এর জুলাই গণঅভ্যুত্থানে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর দলটির শীর্ষ নেতাদের অনেকেই আত্মগোপনে চলে যান। এ সময় সাবেক মন্ত্রী ও সংসদ সদস্যদের কেউ কেউ গ্রেপ্তার হলেও ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী প্রকাশ্যে আসেননি। এমনকি গত ৮ আগস্ট অন্তর্বর্তী সরকারের শপথ অনুষ্ঠানেও তিনি উপস্থিত ছিলেন না।
বরিশাল টাইমস
জুলাই আন্দোলন কেন্দ্রিক রাজধানীর লালবাগ থানার আশরাফুল ওরফে ফাহিম নামে একজনকে হত্যাচেষ্টা মামলায় সাবেক স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরীর রিমান্ড আবেদন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়েছেন আদালত।
মঙ্গলবার (০৭ এপ্রিল) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. জুয়েল রানার এই আদেশ দেন।
এর আগে আদালতে হাজির করে শিরীন শারমিন চৌধুরীকে দুই দিনের রিমান্ডে নিতে আবেদন করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা গোয়েন্দা পুলিশের পরিদর্শক মোহসিন উদ্দিন।
মঙ্গলবার শিরীন শারমিনকে গ্রেপ্তার করে ঢাকা মহানগর পুলিশের গোয়েন্দা শাখা (ডিবি)।
এদিন ভোর সাড়ে ৪টার দিকে ধানমন্ডির ৮/এ রোডের একটি বাসা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। এরপর বেলা ১টা ৫৫ মিনিটের দিকে তাকে পুরান ঢাকার সিএমএম আদালতে আনা হয়।
তাকে আদালতের হাজতখানায় রাখা হয়েছে।
মামলার বিবরণ অনুযায়ী, জুলাই আন্দোলনের সময় ২০২৪ সালের ১৮ জুলাই বিকেলে আজিমপুর বাসস্ট্যান্ডে আন্দোলন চলছিল।
সেখানে দেশি-বিদেশি অস্ত্র নিয়ে তাদের ওপর হামলা চালানো হয়। একটি গুলি আশরাফুল ওরফে ফাহিমের চোখে লাগে। বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসা নেন তিনি।
এ ঘটনায় গত বছরের ২৫ মে শেখ হাসিনাসহ ১৩০ জনের নাম উল্লেখ এবং অচেনা ১১৫-১২০ জনের বিরুদ্ধে মামলা করেন আশরাফুল।
প্রসঙ্গত, ২০২৪-এর জুলাই গণঅভ্যুত্থানে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর দলটির শীর্ষ নেতাদের অনেকেই আত্মগোপনে চলে যান। এ সময় সাবেক মন্ত্রী ও সংসদ সদস্যদের কেউ কেউ গ্রেপ্তার হলেও ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী প্রকাশ্যে আসেননি। এমনকি গত ৮ আগস্ট অন্তর্বর্তী সরকারের শপথ অনুষ্ঠানেও তিনি উপস্থিত ছিলেন না।
বরিশাল টাইমস

০৭ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:২৩
দেশের জ্বালানি সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে মালয়েশিয়া থেকে মোট ৫১ হাজার মেট্রিক টন অকটেন ও ফার্নেস অয়েল নিয়ে দুটি জাহাজ চট্টগ্রাম বন্দরের পথে রয়েছে। আগামী ৮ এপ্রিল জাহাজ দুটি বন্দরের বহির্নোঙরে পৌঁছানোর কথা রয়েছে।
বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশনের (বিপিসি) সহকারী ব্যবস্থাপক (গণসংযোগ) ফারজিন হাসান মৌমিতা বিষয়টি নিশ্চিত করেন। তিনি বলেন, নির্ধারিত সময় অনুযায়ী জাহাজ দুটি চট্টগ্রাম বন্দরের বহির্নোঙরে নোঙর করবে এবং পরবর্তী সময়ে খালাস কার্যক্রম শুরু হবে।
বিপিসি সূত্র জানায়, মালয়েশিয়া থেকে ২৬ হাজার মেট্রিক টন পরিশোধিত অকটেন নিয়ে ‘এমটি সেন্ট্রাল স্টার’ নামের একটি জাহাজ ৮ এপ্রিল রাতে বহির্নোঙরে পৌঁছাবে। একই দিনে প্রায় ২৫ হাজার মেট্রিক টন ফার্নেস অয়েল নিয়ে ‘এমটি ইস্টার্ন কুইন্স’ নামের আরেকটি জাহাজও পৌঁছানোর কথা রয়েছে।
চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের তথ্যমতে, মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতির মধ্যে জ্বালানি তেল সরবরাহ বজায় রাখতে ধারাবাহিকভাবে জাহাজ আসছে বন্দরে। যুদ্ধ শুরুর পর থেকে গত ৩১ মার্চ পর্যন্ত মোট ৩৮টি জাহাজ বিভিন্ন ধরনের জ্বালানি তেল নিয়ে চট্টগ্রাম বন্দরে এসেছে। এছাড়া চলতি এপ্রিল মাসের প্রথম সপ্তাহেই আরও ৬টি জাহাজ জ্বালানি তেল নিয়ে বন্দরে ভিড়েছে।
দেশের জ্বালানি সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে মালয়েশিয়া থেকে মোট ৫১ হাজার মেট্রিক টন অকটেন ও ফার্নেস অয়েল নিয়ে দুটি জাহাজ চট্টগ্রাম বন্দরের পথে রয়েছে। আগামী ৮ এপ্রিল জাহাজ দুটি বন্দরের বহির্নোঙরে পৌঁছানোর কথা রয়েছে।
বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশনের (বিপিসি) সহকারী ব্যবস্থাপক (গণসংযোগ) ফারজিন হাসান মৌমিতা বিষয়টি নিশ্চিত করেন। তিনি বলেন, নির্ধারিত সময় অনুযায়ী জাহাজ দুটি চট্টগ্রাম বন্দরের বহির্নোঙরে নোঙর করবে এবং পরবর্তী সময়ে খালাস কার্যক্রম শুরু হবে।
বিপিসি সূত্র জানায়, মালয়েশিয়া থেকে ২৬ হাজার মেট্রিক টন পরিশোধিত অকটেন নিয়ে ‘এমটি সেন্ট্রাল স্টার’ নামের একটি জাহাজ ৮ এপ্রিল রাতে বহির্নোঙরে পৌঁছাবে। একই দিনে প্রায় ২৫ হাজার মেট্রিক টন ফার্নেস অয়েল নিয়ে ‘এমটি ইস্টার্ন কুইন্স’ নামের আরেকটি জাহাজও পৌঁছানোর কথা রয়েছে।
চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের তথ্যমতে, মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতির মধ্যে জ্বালানি তেল সরবরাহ বজায় রাখতে ধারাবাহিকভাবে জাহাজ আসছে বন্দরে। যুদ্ধ শুরুর পর থেকে গত ৩১ মার্চ পর্যন্ত মোট ৩৮টি জাহাজ বিভিন্ন ধরনের জ্বালানি তেল নিয়ে চট্টগ্রাম বন্দরে এসেছে। এছাড়া চলতি এপ্রিল মাসের প্রথম সপ্তাহেই আরও ৬টি জাহাজ জ্বালানি তেল নিয়ে বন্দরে ভিড়েছে।
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.