বরিশালের বানারীপাড়ায় চিকিৎসকের অনিয়ম ও দুর্নীতির তথ্য সংগ্রহ করতে গিয়ে হামলার শিকার এবং মারধর ও প্রাণনাশের হুমকির মুখে পড়ার অভিযোগে শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ইএনটি (ENT) বহির্বিভাগের মেডিকেল অফিসার ডা. হাফিজুর রহমান শাকিলের বিরুদ্ধে আদালতে মামলা দায়ের করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) বরিশাল বিজ্ঞ সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আমলী আদালতে জাতীয় ‘দৈনিক নিরপেক্ষ’ পত্রিকার বানারীপাড়া থানা প্রতিনিধি মো. আছিবুল ইসলাম বাদী হয়ে এ মামলা দায়ের করেন।
মামলায় শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের নাক-কান গলা ইএনটি (ENT) বহির্বিভাগের মেডিকেল অফিসার ডা. হাফিজুর রহমান শাকিলকে (৩৮) প্রধান আসামি এবং অজ্ঞাতনামা আরও ১ জনকে আসামি করা হয়েছে। মামলায় দণ্ডবিধির ৩৪২, ৩২৩, ৫০৬(২) ও ১০৯ ধারায় অভিযোগ আনা হয়।
মামলার আরজিসূত্রে জানা যায়, অভিযুক্ত চিকিৎসক ডা. হাফিজুর রহমান শাকিল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি বানারীপাড়ার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের প্রধান ফটকের সামনে অবস্থিত ‘মডার্ন ডায়াগনস্টিক সেন্টার’ ও ‘হামিদ মেমোরিয়াল ডায়াগনস্টিক সেন্টার এন্ড হাসপাতাল’-এ নিয়মিত রোগী দেখেন এবং বিভিন্ন অস্ত্রোপচার (সার্জারি) ও অ্যানেস্থেসিয়া পরিচালনা করেন। তবে তাঁর সার্জারি ও অ্যানেস্থেসিয়ার কোনো বৈধ সার্টিফিকেট নেই বলে অভিযোগ রয়েছে। এছাড়া ডায়াগনস্টিক সেন্টারে বেনামে স্বজনদের শেয়ার রেখে এবং নির্দিষ্ট ফার্মেসি থেকে কমিশন গ্রহণের মাধ্যমে চিকিৎসাসেবার নামে অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ ওঠে।
এই অভিযোগের বিষয়ে বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ পরিবেশনের লক্ষ্যে সাংবাদিক মো. আছিবুল ইসলাম গত ২৪ আগস্ট (রবিবার) রাত আনুমানিক ৯:১৫ ঘটিকার সময় বানারীপাড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সামনে অবস্থিত হামিদ মেমোরিয়াল হাসপাতালে গেলে সেখান থেকে একজন অজ্ঞাতনামা ব্যক্তি তাকে ডা. শাকিল মডার্ন ডায়াগনস্টিক সেন্টারের এক্স-রে রুমে আছে বলে এক্স-রে রুমের সামনে নিয়ে যান।
আরজিতে উল্লেখ করা হয়, সেখানে পৌছানোর কয়েক মিনিটের মধ্যেই অজ্ঞাতনামা ব্যক্তি একপর্যায়ে সাংবাদিককে এলোপাতাড়ি মারধর করেন। এছাড়াও ক্লিনিক ও ডা. শাকিলের বিষয়ে পরবর্তীতে আবার কখনো তথ্য সংগ্রহে আসলে প্রাণনাশের হুমকি প্রদান করেন।
ঘটনার পর স্থানীয়ভাবে বিষয়টি নিষ্পত্তির চেষ্টা করা হলেও কোনো সুরাহা না হওয়ায় মামলা দায়ের করতে বিলম্ব হয়েছে বলে নালিশী দরখাস্তে উল্লেখ করা হয়েছে। ঘটনার সত্যতা প্রমাণের জন্য ঘটনাস্থলের সিসিটিভি (CCTV) ফুটেজ সংগ্রহের আর্জি জানানো হয়েছে। এ বিষয়ে আদালত নালিশী দরখাস্তটি গ্রহণ করে আসামিদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া শুরু করেছেন।
এ অভিযোগ অস্বীকার করে ডাঃ হাফিজুর রহমান শাকিল বলেন ওই সাংবাদিকের সঙ্গে ফোনে কথা হলেও সরাসরি তার দেখা হয়নি। সে মামলা করে থাকলে আইনীভাবে মোকাবেলা করা হবে।

১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ২০:০৩
পুলিশিং কার্যক্রম পরিচালনার অবকাঠামোগত সক্ষমতা আরো বাড়াতে, বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের (বিএমপি) বন্দর থানা ভবন (মেট্রো টাইপ-১) নির্মাণকাজের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করা হয়েছে।
বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) বন্দর থানা ভবন নির্মাণকাজের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী আহমদ সোহেল মঞ্জুর, এমপি।
এ সময় বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের কমিশনার আবু রায়হান মুহাম্মদ সালেহ্সহ বরিশাল পুলিশের শীর্ষ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন শেষে গৃহায়ন ও গণপূর্ত প্রতিমন্ত্রী এবং বিএমপি কমিশনার বন্দর থানা পরিদর্শন করেন। এ সময় তারা থানার সার্বিক কার্যক্রম ও বিদ্যমান অবকাঠামোগত পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করেন।
নতুন থানা ভবন নির্মাণের মাধ্যমে বন্দর থানার প্রশাসনিক কার্যক্রম বাড়বে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।
পুলিশিং কার্যক্রম পরিচালনার অবকাঠামোগত সক্ষমতা আরো বাড়াতে, বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের (বিএমপি) বন্দর থানা ভবন (মেট্রো টাইপ-১) নির্মাণকাজের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করা হয়েছে।
বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) বন্দর থানা ভবন নির্মাণকাজের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী আহমদ সোহেল মঞ্জুর, এমপি।
এ সময় বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের কমিশনার আবু রায়হান মুহাম্মদ সালেহ্সহ বরিশাল পুলিশের শীর্ষ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন শেষে গৃহায়ন ও গণপূর্ত প্রতিমন্ত্রী এবং বিএমপি কমিশনার বন্দর থানা পরিদর্শন করেন। এ সময় তারা থানার সার্বিক কার্যক্রম ও বিদ্যমান অবকাঠামোগত পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করেন।
নতুন থানা ভবন নির্মাণের মাধ্যমে বন্দর থানার প্রশাসনিক কার্যক্রম বাড়বে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।

১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১৯:০৯
বিভিন্ন কাজের অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগের বিষয়ে তদন্ত শুরু হয়েছে বলে জানিয়েছেন গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী আহম্মদ সোহেল মঞ্জুর। তিনি বলেন, ‘অতীতে সংঘটিত দুর্নীতির বিষয়েও সরকার সজাগ রয়েছে।’
আজ বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) দুপুরে বরিশাল নগরের বন্দর থানা ভবনের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন অনুষ্ঠানের উদ্বোধন শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে প্রতিমন্ত্রী এসব কথা বলেন।
আহম্মদ সোহেল মঞ্জুর বলেন, ‘দুর্নীতির বিরুদ্ধে আমরা জিরো টলারেন্সে আছি। বিভিন্ন কাজের অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগের বিষয়ে তদন্ত শুরু হয়েছে। অতীতে সংঘটিত দুর্নীতির বিষয়েও সরকার সজাগ রয়েছে। ভবিষ্যতে কোনো কাজে যাতে অনিয়ম ও দুর্নীতি না ঘটে, সে জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। দুর্নীতির বিরুদ্ধে সরকারের অবস্থান কঠোর। এ বিষয়ে কোনো ছাড় দেওয়া হবে না।’
দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি সম্পর্কে জানতে চাইলে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘বর্তমানে দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ভালো রয়েছে। মাদকের বিরুদ্ধেও সরকারের অবস্থান কঠোর।’
মাদক নিয়ন্ত্রণ ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে ইতোমধ্যে পিরোজপুর ও ঝালকাঠি জেলায় সভা হয়েছে জানিয়ে আহম্মদ সোহেল মঞ্জুর বলেন, পর্যায়ক্রমে দেশের সব জেলায় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে সভা করা হবে। মাদক নিয়ন্ত্রণে প্রশাসনসহ সংশ্লিষ্ট সবাই সমন্বিতভাবে কাজ করছে। এ ক্ষেত্রে গণমাধ্যমসহ সবার সহযোগিতা কামনা করেন তিনি।
পরে প্রতিমন্ত্রী বরিশাল বন্দর থানা পরিদর্শন করেন। এ সময় প্রশাসনের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা এবং বিএনপির বিভিন্ন পর্যায়ের নেতারা উপস্থিত ছিলেন।’
বিভিন্ন কাজের অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগের বিষয়ে তদন্ত শুরু হয়েছে বলে জানিয়েছেন গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী আহম্মদ সোহেল মঞ্জুর। তিনি বলেন, ‘অতীতে সংঘটিত দুর্নীতির বিষয়েও সরকার সজাগ রয়েছে।’
আজ বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) দুপুরে বরিশাল নগরের বন্দর থানা ভবনের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন অনুষ্ঠানের উদ্বোধন শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে প্রতিমন্ত্রী এসব কথা বলেন।
আহম্মদ সোহেল মঞ্জুর বলেন, ‘দুর্নীতির বিরুদ্ধে আমরা জিরো টলারেন্সে আছি। বিভিন্ন কাজের অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগের বিষয়ে তদন্ত শুরু হয়েছে। অতীতে সংঘটিত দুর্নীতির বিষয়েও সরকার সজাগ রয়েছে। ভবিষ্যতে কোনো কাজে যাতে অনিয়ম ও দুর্নীতি না ঘটে, সে জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। দুর্নীতির বিরুদ্ধে সরকারের অবস্থান কঠোর। এ বিষয়ে কোনো ছাড় দেওয়া হবে না।’
দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি সম্পর্কে জানতে চাইলে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘বর্তমানে দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ভালো রয়েছে। মাদকের বিরুদ্ধেও সরকারের অবস্থান কঠোর।’
মাদক নিয়ন্ত্রণ ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে ইতোমধ্যে পিরোজপুর ও ঝালকাঠি জেলায় সভা হয়েছে জানিয়ে আহম্মদ সোহেল মঞ্জুর বলেন, পর্যায়ক্রমে দেশের সব জেলায় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে সভা করা হবে। মাদক নিয়ন্ত্রণে প্রশাসনসহ সংশ্লিষ্ট সবাই সমন্বিতভাবে কাজ করছে। এ ক্ষেত্রে গণমাধ্যমসহ সবার সহযোগিতা কামনা করেন তিনি।
পরে প্রতিমন্ত্রী বরিশাল বন্দর থানা পরিদর্শন করেন। এ সময় প্রশাসনের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা এবং বিএনপির বিভিন্ন পর্যায়ের নেতারা উপস্থিত ছিলেন।’

১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১৭:২৫
বরিশালের উজিরপুর উপজেলা নির্বাহী প্রকৌশলী সুব্রত রায়ের বিরুদ্ধে নানা অনিয়ম-দুর্নীতির অভিযোগ তুলে দুর্নীতি দমন কমিশনে (দুদক) লিখিত অভিযোগ করা হয়েছে। তার সরকারি উন্নয়ন কাজের তদারকিতে গাফেলতিসহ নানা অনিয়ম-দুর্নীতির তদন্ত ও বিচারের দাবিতে উজিরপুর উপজেলার ধামুরা গ্রামের বাসিন্দা আব্দুর রব হাওলাদারের ছেলে মো. মাছুম হাওলাদার দুদকের প্রধান কার্যালয়ে এ লিখিত আভিযোগ দিয়েছেন।
এতে তিনি আভিযোগ করেন উপজেলা প্রকৌশলী সুব্রত রায় উজিরপুরে দীর্ঘদিন ধরে কর্মরত থেকে বিভিন্ন অনিয়ম-দুর্নীতি সংক্রান্ত অপকর্মের সাথে জড়িত হয়ে পড়েছেন। তিনি উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় ব্রিজ-কালভার্ট নির্মাণ, সড়ক নির্মাণ ও সংস্কারসহ বিভিন্ন কাজে ঠিকাদারের সঙ্গে যোগসাজসে সরকারের অর্থের অপচয়সহ নানা দুর্নীতি মূলক কর্মকান্ডের সাথে লিপ্ত রয়েছেন। যা তদন্ত করলেই প্রমান মিলবে। ১৩ সেপ্টেম্বর ঢাকার সেগুন বাগিচাস্থ দুদকের প্রধান কর্য্যলয়ে দুদক চেয়ারম্যান বরাবর লিখিত অভিযোগটি করা হয়।
অভিযোগকারী মাছুম হাওলাদার বলেন, বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে দাপটের সাথে চাকুরি করা সুব্রত রায় তার তদারকিতে থাকা বিভিন্ন সড়ক, ব্রিজ ও কালর্ভাট নির্মাণে ঠিকাদারদের ব্যাপক অনিয়মকে অর্থের বিনিময়ে সহয়াতা করেন ।
বর্তমান সরকারের আমলেও তিনি উজিরপুরে একই ভাবে চাকুরি করছেন। তার কারনে রাষ্ট্রের অর্থের অপচয় হচ্ছে। যা দুর্নীতির শামিল। উপজেলার ধামুরা এলাকার বেশ কয়েকটি ব্রিজের পুরাতন মালপত্র নিয়েও তার বিরুদ্ধে অভিযোগ রয়েছে। তার তদারকিতে থাকা উপজেলার বিভিন্ন সরকারি উন্নয়নমূলক কাজের স্বচ্ছতা নিয়ে সাধারণ মানুষের মনে প্রশ্ন রয়েছে বলেও উল্লেখ করা হয়।
এসব অভিযোগ সত্য নয়, ভিত্তিহীন দাবি করে উজিরপুর উপজেলা প্রকৌশলী সুব্রত রায় বলেন, উপজেলার ধামুরা এলাকায়।নির্মিত একটি ব্রিজের সম্প্রতি সংযোগ সড়ক নির্মাণ করতে গেলে কিছু সম্পত্তির মালিকানা দাবি করে মাছুম হাওলাদার কাজে বাধা দেন। কাগজপত্রে দেখা যায় ওটা খাস সম্পত্তি।
তারপরেও বিষয়টি নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত ওই অংশের কাজ আপাতত বন্ধ রাখা হয়। ব্রিজের সংযোগ সড়কের এ সম্পত্তি নিয়ে ক্ষিপ্ত মাছুম হাওলাদার তাকে হয়রাণি ও তার পেশাগত ভাবমূর্তি ক্ষুন্ন করতে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে দুদকে এ অভিযোগ দিয়েছেন।’
বরিশালের উজিরপুর উপজেলা নির্বাহী প্রকৌশলী সুব্রত রায়ের বিরুদ্ধে নানা অনিয়ম-দুর্নীতির অভিযোগ তুলে দুর্নীতি দমন কমিশনে (দুদক) লিখিত অভিযোগ করা হয়েছে। তার সরকারি উন্নয়ন কাজের তদারকিতে গাফেলতিসহ নানা অনিয়ম-দুর্নীতির তদন্ত ও বিচারের দাবিতে উজিরপুর উপজেলার ধামুরা গ্রামের বাসিন্দা আব্দুর রব হাওলাদারের ছেলে মো. মাছুম হাওলাদার দুদকের প্রধান কার্যালয়ে এ লিখিত আভিযোগ দিয়েছেন।
এতে তিনি আভিযোগ করেন উপজেলা প্রকৌশলী সুব্রত রায় উজিরপুরে দীর্ঘদিন ধরে কর্মরত থেকে বিভিন্ন অনিয়ম-দুর্নীতি সংক্রান্ত অপকর্মের সাথে জড়িত হয়ে পড়েছেন। তিনি উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় ব্রিজ-কালভার্ট নির্মাণ, সড়ক নির্মাণ ও সংস্কারসহ বিভিন্ন কাজে ঠিকাদারের সঙ্গে যোগসাজসে সরকারের অর্থের অপচয়সহ নানা দুর্নীতি মূলক কর্মকান্ডের সাথে লিপ্ত রয়েছেন। যা তদন্ত করলেই প্রমান মিলবে। ১৩ সেপ্টেম্বর ঢাকার সেগুন বাগিচাস্থ দুদকের প্রধান কর্য্যলয়ে দুদক চেয়ারম্যান বরাবর লিখিত অভিযোগটি করা হয়।
অভিযোগকারী মাছুম হাওলাদার বলেন, বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে দাপটের সাথে চাকুরি করা সুব্রত রায় তার তদারকিতে থাকা বিভিন্ন সড়ক, ব্রিজ ও কালর্ভাট নির্মাণে ঠিকাদারদের ব্যাপক অনিয়মকে অর্থের বিনিময়ে সহয়াতা করেন ।
বর্তমান সরকারের আমলেও তিনি উজিরপুরে একই ভাবে চাকুরি করছেন। তার কারনে রাষ্ট্রের অর্থের অপচয় হচ্ছে। যা দুর্নীতির শামিল। উপজেলার ধামুরা এলাকার বেশ কয়েকটি ব্রিজের পুরাতন মালপত্র নিয়েও তার বিরুদ্ধে অভিযোগ রয়েছে। তার তদারকিতে থাকা উপজেলার বিভিন্ন সরকারি উন্নয়নমূলক কাজের স্বচ্ছতা নিয়ে সাধারণ মানুষের মনে প্রশ্ন রয়েছে বলেও উল্লেখ করা হয়।
এসব অভিযোগ সত্য নয়, ভিত্তিহীন দাবি করে উজিরপুর উপজেলা প্রকৌশলী সুব্রত রায় বলেন, উপজেলার ধামুরা এলাকায়।নির্মিত একটি ব্রিজের সম্প্রতি সংযোগ সড়ক নির্মাণ করতে গেলে কিছু সম্পত্তির মালিকানা দাবি করে মাছুম হাওলাদার কাজে বাধা দেন। কাগজপত্রে দেখা যায় ওটা খাস সম্পত্তি।
তারপরেও বিষয়টি নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত ওই অংশের কাজ আপাতত বন্ধ রাখা হয়। ব্রিজের সংযোগ সড়কের এ সম্পত্তি নিয়ে ক্ষিপ্ত মাছুম হাওলাদার তাকে হয়রাণি ও তার পেশাগত ভাবমূর্তি ক্ষুন্ন করতে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে দুদকে এ অভিযোগ দিয়েছেন।’

২৭ আগস্ট, ২০২৬ ১৯:২৩
বরিশালের বানারীপাড়ায় চিকিৎসকের অনিয়ম ও দুর্নীতির তথ্য সংগ্রহ করতে গিয়ে হামলার শিকার এবং মারধর ও প্রাণনাশের হুমকির মুখে পড়ার অভিযোগে শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ইএনটি (ENT) বহির্বিভাগের মেডিকেল অফিসার ডা. হাফিজুর রহমান শাকিলের বিরুদ্ধে আদালতে মামলা দায়ের করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) বরিশাল বিজ্ঞ সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আমলী আদালতে জাতীয় ‘দৈনিক নিরপেক্ষ’ পত্রিকার বানারীপাড়া থানা প্রতিনিধি মো. আছিবুল ইসলাম বাদী হয়ে এ মামলা দায়ের করেন।
মামলায় শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের নাক-কান গলা ইএনটি (ENT) বহির্বিভাগের মেডিকেল অফিসার ডা. হাফিজুর রহমান শাকিলকে (৩৮) প্রধান আসামি এবং অজ্ঞাতনামা আরও ১ জনকে আসামি করা হয়েছে। মামলায় দণ্ডবিধির ৩৪২, ৩২৩, ৫০৬(২) ও ১০৯ ধারায় অভিযোগ আনা হয়।
মামলার আরজিসূত্রে জানা যায়, অভিযুক্ত চিকিৎসক ডা. হাফিজুর রহমান শাকিল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি বানারীপাড়ার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের প্রধান ফটকের সামনে অবস্থিত ‘মডার্ন ডায়াগনস্টিক সেন্টার’ ও ‘হামিদ মেমোরিয়াল ডায়াগনস্টিক সেন্টার এন্ড হাসপাতাল’-এ নিয়মিত রোগী দেখেন এবং বিভিন্ন অস্ত্রোপচার (সার্জারি) ও অ্যানেস্থেসিয়া পরিচালনা করেন। তবে তাঁর সার্জারি ও অ্যানেস্থেসিয়ার কোনো বৈধ সার্টিফিকেট নেই বলে অভিযোগ রয়েছে। এছাড়া ডায়াগনস্টিক সেন্টারে বেনামে স্বজনদের শেয়ার রেখে এবং নির্দিষ্ট ফার্মেসি থেকে কমিশন গ্রহণের মাধ্যমে চিকিৎসাসেবার নামে অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ ওঠে।
এই অভিযোগের বিষয়ে বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ পরিবেশনের লক্ষ্যে সাংবাদিক মো. আছিবুল ইসলাম গত ২৪ আগস্ট (রবিবার) রাত আনুমানিক ৯:১৫ ঘটিকার সময় বানারীপাড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সামনে অবস্থিত হামিদ মেমোরিয়াল হাসপাতালে গেলে সেখান থেকে একজন অজ্ঞাতনামা ব্যক্তি তাকে ডা. শাকিল মডার্ন ডায়াগনস্টিক সেন্টারের এক্স-রে রুমে আছে বলে এক্স-রে রুমের সামনে নিয়ে যান।
আরজিতে উল্লেখ করা হয়, সেখানে পৌছানোর কয়েক মিনিটের মধ্যেই অজ্ঞাতনামা ব্যক্তি একপর্যায়ে সাংবাদিককে এলোপাতাড়ি মারধর করেন। এছাড়াও ক্লিনিক ও ডা. শাকিলের বিষয়ে পরবর্তীতে আবার কখনো তথ্য সংগ্রহে আসলে প্রাণনাশের হুমকি প্রদান করেন।
ঘটনার পর স্থানীয়ভাবে বিষয়টি নিষ্পত্তির চেষ্টা করা হলেও কোনো সুরাহা না হওয়ায় মামলা দায়ের করতে বিলম্ব হয়েছে বলে নালিশী দরখাস্তে উল্লেখ করা হয়েছে। ঘটনার সত্যতা প্রমাণের জন্য ঘটনাস্থলের সিসিটিভি (CCTV) ফুটেজ সংগ্রহের আর্জি জানানো হয়েছে। এ বিষয়ে আদালত নালিশী দরখাস্তটি গ্রহণ করে আসামিদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া শুরু করেছেন।
এ অভিযোগ অস্বীকার করে ডাঃ হাফিজুর রহমান শাকিল বলেন ওই সাংবাদিকের সঙ্গে ফোনে কথা হলেও সরাসরি তার দেখা হয়নি। সে মামলা করে থাকলে আইনীভাবে মোকাবেলা করা হবে।
১৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ২০:৩৩
১৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১৮:৪০
১৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১৮:৩৩
১৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১৮:২৪