
০৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১৩:৩৮
ভোলায় একটি প্রাইভেট ক্লিনিকে ফাবিহা নামের এক প্রসূতির মৃত্যু হয়েছে। পরে ভুল ইনজেকশন পুশ করার অভিযোগ তুলে ওই ক্লিনিকে হামলা-ভাঙচুর করেছেন স্বজন ও বিক্ষুব্ধরা। সোমবার (২ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে ভোলা সদর রোডের হাবিব ডায়াগনস্টিক ও ক্লিনিক সেন্টারে এ ঘটনা ঘটে।
মৃতের স্বজনরা জানান, সকালে প্রসব বেদনা দেখা দিলে ফাবিহা আক্তারকে (১৮) শহরের হাবিব মেডিকেল সেন্টারে নেওয়া হয়। সেখানে দায়িত্বরত পলি নামের এক নার্স স্বাভাবিক প্রসবের জন্য তাকে একটি ইনজেকশন পুশ করেন। এর পরপরই তার শরীর কালো হয়ে যায়। একপর্যায়ে তিনি মারা যান।
এ ঘটনার পরই রোগীর স্বজনরা উত্তেজিত হয়ে ক্লিনিকে হামলা চালিয়ে ভাঙচুর করেন। তারা সঠিক বিচারের দাবিতে বিক্ষোভ করতে থাকেন। এ সময় ক্লিনিকের মালিকসহ কর্মচারীরা পালিয়ে যান।
ভোলা সদর হাসপাতালের সিভিল সার্জন মো. মনিরুল ইসলাম বলেন, ঘটনা শুনে আমি ক্লিনিকে এসেছি। রোগীর নরমাল ডেলিভারি হওয়ার কথা ছিল। ইনজেকশন পুশ করার পর তার মৃত্যু হয়েছে। আমরা অভিযোগ নেব এবং পুলিশও অভিযোগ নেবে। একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হবে। পোস্টমর্টেম করার জন্য মরদেহ মর্গে পাঠানো হয়েছে।
এ ঘটনার পর মালিক ও কর্তব্যরতরা পালিয়ে যাওয়ায় তাদের বক্তব্য পাওয়া যায়নি। ভোলা সদর মডেল থানার ওসি মো. মনিরুল ইসলাম বলেন, অভিযোগ পেলে মামলা নেওয়া হবে।
ভোলায় একটি প্রাইভেট ক্লিনিকে ফাবিহা নামের এক প্রসূতির মৃত্যু হয়েছে। পরে ভুল ইনজেকশন পুশ করার অভিযোগ তুলে ওই ক্লিনিকে হামলা-ভাঙচুর করেছেন স্বজন ও বিক্ষুব্ধরা। সোমবার (২ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে ভোলা সদর রোডের হাবিব ডায়াগনস্টিক ও ক্লিনিক সেন্টারে এ ঘটনা ঘটে।
মৃতের স্বজনরা জানান, সকালে প্রসব বেদনা দেখা দিলে ফাবিহা আক্তারকে (১৮) শহরের হাবিব মেডিকেল সেন্টারে নেওয়া হয়। সেখানে দায়িত্বরত পলি নামের এক নার্স স্বাভাবিক প্রসবের জন্য তাকে একটি ইনজেকশন পুশ করেন। এর পরপরই তার শরীর কালো হয়ে যায়। একপর্যায়ে তিনি মারা যান।
এ ঘটনার পরই রোগীর স্বজনরা উত্তেজিত হয়ে ক্লিনিকে হামলা চালিয়ে ভাঙচুর করেন। তারা সঠিক বিচারের দাবিতে বিক্ষোভ করতে থাকেন। এ সময় ক্লিনিকের মালিকসহ কর্মচারীরা পালিয়ে যান।
ভোলা সদর হাসপাতালের সিভিল সার্জন মো. মনিরুল ইসলাম বলেন, ঘটনা শুনে আমি ক্লিনিকে এসেছি। রোগীর নরমাল ডেলিভারি হওয়ার কথা ছিল। ইনজেকশন পুশ করার পর তার মৃত্যু হয়েছে। আমরা অভিযোগ নেব এবং পুলিশও অভিযোগ নেবে। একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হবে। পোস্টমর্টেম করার জন্য মরদেহ মর্গে পাঠানো হয়েছে।
এ ঘটনার পর মালিক ও কর্তব্যরতরা পালিয়ে যাওয়ায় তাদের বক্তব্য পাওয়া যায়নি। ভোলা সদর মডেল থানার ওসি মো. মনিরুল ইসলাম বলেন, অভিযোগ পেলে মামলা নেওয়া হবে।

০২ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১৯:৪৫
ভোলার লালমোহনে বাথরুমের আড়ার সঙ্গে গলায় দড়ি পেঁচানো অবস্থায় মুক্তা আক্তার নামে এক গৃহবধূর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
সোমবার (২ ফেব্রুয়ারি) ভোরে উপজেলার রহিমপুর ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডে ওই গৃহবধূর বাড়ির পেছনের বাথরুমে মরদেহটি দেখতে পান পরিবারের সদস্যরা। পরে খবর পেয়ে লালমোহন থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করে।
নিহত গৃহবধূর নাম মুক্তা বেগম। তিনি ওই এলাকার আবুল হোসেনের ছেলে জুয়েলের স্ত্রী।
নিহতের মা রানু বেগম অভিযোগ করে বলেন, ‘আমার মেয়ে কীভাবে মারা গেছে তা আমি জানি না। তবে এটা আত্মহত্যা নয়। শ্বশুরবাড়ির লোকজনের নির্যাতনের কারণেই আমার মেয়েকে মেরে ফেলা হয়েছে। শাশুড়ি, দেবরসহ শ্বশুরবাড়ির সবাই দীর্ঘদিন ধরে আমার মেয়ের সঙ্গে খারাপ আচরণ করত। আমি এর সঠিক বিচার চাই।’
অন্যদিকে নিহতের স্বামী জুয়েল দাবি করেন, ‘ফজরের নামাজের পর মুক্তা আমার পাশ থেকে উঠে যায়। তখন সবকিছু স্বাভাবিক ছিল। কিছুক্ষণ পর ঘুম থেকে উঠে দেখি ওকে ঘরে পাওয়া যাচ্ছে না। অনেক খোঁজাখুঁজির পর বাড়ির পেছনের বাথরুমে আড়ার সঙ্গে ঝুলন্ত অবস্থায় ওকে দেখতে পাই। পরে আশপাশের লোকজন ডাকলে সবাই মিলে ওকে নামানো হয়।’
খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করে এবং মরদেহ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসে। প্রাথমিক তদন্ত শেষে ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ ভোলা সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে।
এ বিষয়ে লালমোহন থানার ওসি মো. অলিউল ইসলাম বলেন, ‘খবর পাওয়ার পরপরই পুলিশ টিম ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে। মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানতে ময়নাতদন্ত প্রয়োজন। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট পাওয়ার পর আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’
বরিশাল টাইমস

৩১ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৪:০১

২৮ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৭:০৯

Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
ভোলার লালমোহনে বাথরুমের আড়ার সঙ্গে গলায় দড়ি পেঁচানো অবস্থায় মুক্তা আক্তার নামে এক গৃহবধূর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
সোমবার (২ ফেব্রুয়ারি) ভোরে উপজেলার রহিমপুর ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডে ওই গৃহবধূর বাড়ির পেছনের বাথরুমে মরদেহটি দেখতে পান পরিবারের সদস্যরা। পরে খবর পেয়ে লালমোহন থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করে।
নিহত গৃহবধূর নাম মুক্তা বেগম। তিনি ওই এলাকার আবুল হোসেনের ছেলে জুয়েলের স্ত্রী।
নিহতের মা রানু বেগম অভিযোগ করে বলেন, ‘আমার মেয়ে কীভাবে মারা গেছে তা আমি জানি না। তবে এটা আত্মহত্যা নয়। শ্বশুরবাড়ির লোকজনের নির্যাতনের কারণেই আমার মেয়েকে মেরে ফেলা হয়েছে। শাশুড়ি, দেবরসহ শ্বশুরবাড়ির সবাই দীর্ঘদিন ধরে আমার মেয়ের সঙ্গে খারাপ আচরণ করত। আমি এর সঠিক বিচার চাই।’
অন্যদিকে নিহতের স্বামী জুয়েল দাবি করেন, ‘ফজরের নামাজের পর মুক্তা আমার পাশ থেকে উঠে যায়। তখন সবকিছু স্বাভাবিক ছিল। কিছুক্ষণ পর ঘুম থেকে উঠে দেখি ওকে ঘরে পাওয়া যাচ্ছে না। অনেক খোঁজাখুঁজির পর বাড়ির পেছনের বাথরুমে আড়ার সঙ্গে ঝুলন্ত অবস্থায় ওকে দেখতে পাই। পরে আশপাশের লোকজন ডাকলে সবাই মিলে ওকে নামানো হয়।’
খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করে এবং মরদেহ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসে। প্রাথমিক তদন্ত শেষে ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ ভোলা সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে।
এ বিষয়ে লালমোহন থানার ওসি মো. অলিউল ইসলাম বলেন, ‘খবর পাওয়ার পরপরই পুলিশ টিম ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে। মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানতে ময়নাতদন্ত প্রয়োজন। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট পাওয়ার পর আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’
বরিশাল টাইমস
ভোলা-২ আসনের বোরহানউদ্দিন উপজেলায় নির্বাচনী প্রচারণাকে কেন্দ্র করে জামায়াতে ইসলামী ও বিএনপির কর্মী সমর্থকদের মধ্যে উত্তেজনা ও সংঘর্ষের খবর পাওয়া গেছে। এতে দুই পক্ষের অন্তত ১৫ জন আহত হয়েছেন বলে জানা গেছে। তাদের মধ্যে ৬ জনকে বোরহানউদ্দিন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ও দুজনের অবস্থা গুরুতর হওয়ায় তাদেরকে ভোলা ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
শনিবার (৩১ জানুয়ারি) সকাল সাড়ে ৮টার দিকে উপজেলার টবগী ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের মনিরাম বাজার এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় দুই পক্ষ একে অপরকে দায়ী করেন।
বোরহানউদ্দিন উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর আমির মাওলানা মাকসুদুর রহমান জানান, আজ সকালের দিকে টবগী ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডে জামায়াতের নেতাকর্মীরা দাঁড়িপাল্লার নির্বাচনী প্রচারণার যান। এসময় স্থানীয় চকিদার বাড়ির সামনে দিয়ে যাওয়ার সময় সেখানকার বিএনপির কর্মী বাহার ও সৌরভের নেতৃত্বে বিএনপি কর্মী ইউছুফ, আইয়ুব, শামিম, সোহাগ ও ইউনুস তাদেরকে বাধা দেন এবং লাঠিসোঁটা নিয়ে তাদের ওপর হামলা চালান। এতে ইউনিয়ন জামায়াতের আমির আব্দুল হালিমসহ তাদের ১০-১২ জন আহত হয়েছে।
তিনি আরো জানান, হামলায় গুরুতর আহতরা হলেন: ফয়জুল্লাহ, ইমন, আবদুল হালিম, শাহে আলম, রায়হান, শামিম ও তানজিল। তাদের মধ্যে ৬ জনকে বোরহানউদ্দিন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ও দুজনকে ভোলা ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এ ঘটনায় টবগী ইউনিয়ন জামায়াতে ইসলামী তাৎক্ষনিক প্রতিবাদ মিছিল করেছেন।
এদিকে, পাল্টা অভিযোগ করে উপজেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক সরোয়ার আলম খান জানান, সকাল ৭টার দিকে জামায়াতের কিছু কর্মী বিএনপি কর্মীর বাড়িতে প্রচারণায় যান। এসময় বাড়িতে এক নারী গোসল করছিলেন। এর মধ্যে প্রচারণায় যাওয়াকে কেন্দ্র করে কর্মীদের বাকবিতণ্ডা হয়। এর জেরে স্থানীয় বাজারে বিএনপি কর্মীদের সঙ্গে জামায়াতে কর্মীদের হাতাহাতি হয়। এতে তাদের ৪-৫ জন আহত হয়েছেন। পরে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনী গিয়ে পরিস্থিতি শান্ত করে।
পরে জামায়াতের লোকজন জড়ো হয়ে এলাকায় মহড়া দেয়। বোরহানউদ্দনি থানার ওসি মো. মনরিুজ্জামান জানান, গণসংযোগকালে দুই পক্ষের মধ্যে হাতাহাতি হয়ছে। খবর পেয়ে পুলিশ ও নৌবাহিনী গিয়ে পরিস্থিতি শান্ত করে। এ বিষয়ে কোনো অভিযোগ থাকলে সহকারী রিটার্নিং অফিসারকে জানানোর জন্য বলা হয়ছে।
বোরাহানউদ্দিন উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা ও সহকারী রিটার্নিং অফিসার মনোরঞ্জন বর্মন জানান, এ ঘটনায় বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামীর পক্ষ থেকে মুঠোফোনে বিষয়টি জানালে সংঘর্ষ এড়াতে তাক্ষনিক ঘটনাস্থলে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনীর সদস্যদের পাঠানো হয়েছে। তবে এ ঘটনায় এখনো লিখিত অভিযোগ পাননি তিনি।
ভোলা-২ আসনের বোরহানউদ্দিন উপজেলায় নির্বাচনী প্রচারণাকে কেন্দ্র করে জামায়াতে ইসলামী ও বিএনপির কর্মী সমর্থকদের মধ্যে উত্তেজনা ও সংঘর্ষের খবর পাওয়া গেছে। এতে দুই পক্ষের অন্তত ১৫ জন আহত হয়েছেন বলে জানা গেছে। তাদের মধ্যে ৬ জনকে বোরহানউদ্দিন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ও দুজনের অবস্থা গুরুতর হওয়ায় তাদেরকে ভোলা ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
শনিবার (৩১ জানুয়ারি) সকাল সাড়ে ৮টার দিকে উপজেলার টবগী ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের মনিরাম বাজার এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় দুই পক্ষ একে অপরকে দায়ী করেন।
বোরহানউদ্দিন উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর আমির মাওলানা মাকসুদুর রহমান জানান, আজ সকালের দিকে টবগী ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডে জামায়াতের নেতাকর্মীরা দাঁড়িপাল্লার নির্বাচনী প্রচারণার যান। এসময় স্থানীয় চকিদার বাড়ির সামনে দিয়ে যাওয়ার সময় সেখানকার বিএনপির কর্মী বাহার ও সৌরভের নেতৃত্বে বিএনপি কর্মী ইউছুফ, আইয়ুব, শামিম, সোহাগ ও ইউনুস তাদেরকে বাধা দেন এবং লাঠিসোঁটা নিয়ে তাদের ওপর হামলা চালান। এতে ইউনিয়ন জামায়াতের আমির আব্দুল হালিমসহ তাদের ১০-১২ জন আহত হয়েছে।
তিনি আরো জানান, হামলায় গুরুতর আহতরা হলেন: ফয়জুল্লাহ, ইমন, আবদুল হালিম, শাহে আলম, রায়হান, শামিম ও তানজিল। তাদের মধ্যে ৬ জনকে বোরহানউদ্দিন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ও দুজনকে ভোলা ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এ ঘটনায় টবগী ইউনিয়ন জামায়াতে ইসলামী তাৎক্ষনিক প্রতিবাদ মিছিল করেছেন।
এদিকে, পাল্টা অভিযোগ করে উপজেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক সরোয়ার আলম খান জানান, সকাল ৭টার দিকে জামায়াতের কিছু কর্মী বিএনপি কর্মীর বাড়িতে প্রচারণায় যান। এসময় বাড়িতে এক নারী গোসল করছিলেন। এর মধ্যে প্রচারণায় যাওয়াকে কেন্দ্র করে কর্মীদের বাকবিতণ্ডা হয়। এর জেরে স্থানীয় বাজারে বিএনপি কর্মীদের সঙ্গে জামায়াতে কর্মীদের হাতাহাতি হয়। এতে তাদের ৪-৫ জন আহত হয়েছেন। পরে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনী গিয়ে পরিস্থিতি শান্ত করে।
পরে জামায়াতের লোকজন জড়ো হয়ে এলাকায় মহড়া দেয়। বোরহানউদ্দনি থানার ওসি মো. মনরিুজ্জামান জানান, গণসংযোগকালে দুই পক্ষের মধ্যে হাতাহাতি হয়ছে। খবর পেয়ে পুলিশ ও নৌবাহিনী গিয়ে পরিস্থিতি শান্ত করে। এ বিষয়ে কোনো অভিযোগ থাকলে সহকারী রিটার্নিং অফিসারকে জানানোর জন্য বলা হয়ছে।
বোরাহানউদ্দিন উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা ও সহকারী রিটার্নিং অফিসার মনোরঞ্জন বর্মন জানান, এ ঘটনায় বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামীর পক্ষ থেকে মুঠোফোনে বিষয়টি জানালে সংঘর্ষ এড়াতে তাক্ষনিক ঘটনাস্থলে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনীর সদস্যদের পাঠানো হয়েছে। তবে এ ঘটনায় এখনো লিখিত অভিযোগ পাননি তিনি।
ভোলা-৪ আসনে ইসলামী আন্দোলনের মনোনীত প্রার্থীর নারী কর্মীদের ওপর একই আসনের জামায়াত প্রার্থীর কর্মীদের হামলার অভিযোগ উঠেছে। এতে ইসলামী আন্দোলনের প্রার্থী কামাল উদ্দিনের তিন কর্মী আহত হয়েছেন।
বুধবার (২৮ জানুয়ারি) সকাল ৯টায় চরফ্যাশন পৌরসভার ৬ নম্বর ওয়ার্ডে ইসলামী আন্দোলনের মনোনীত প্রার্থীর পক্ষে নির্বাচনি প্রচারণা চলাকালে এ হামলা ও মারধরের ঘটনা ঘটে।
স্থানীয়রা আহত তিনজনকে উদ্ধার করে চরফ্যাশন হাসপাতালে পাঠিয়েছেন। এই ঘটনায় ইসলামী আন্দোলনের পক্ষ থেকে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তার বরাবর একটি অভিযোগ করা হয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ভোলা-৪ আসনে ইসলামী আন্দোলনের মনোনীত হাতা পাখা প্রতীকের প্রার্থী কামাল উদ্দিনের মেয়ে মারিয়া কামাল ও তার দুই ভাইসহ কয়েকজন নারী কর্মীদের নিয়ে পৌরসভার ৬ নম্বর ওয়ার্ডের সকাল ৯টার দিকে তার বাবার পক্ষে নির্বাচনি প্রচারণা চালান।
এ সময় জামায়াত ইসলামীর প্রার্থী মোস্তফা কামালের কর্মী সোহেল ও আলাউদ্দিন তাদের নির্বাচনি প্রচারণায় বাঁধা দেন। এ নিয়ে উভয় পক্ষের মধ্যে বাকবিতণ্ডা হয়। পরে সোহেল ও আলাউদ্দিন দলবদ্ধ হয়ে হাত পাখার কর্মীদের ওপর হামলা চালায়।
ভোলা-৪ আসনে ইসলামী আন্দোলনের প্রার্থী কামাল উদ্দিনের মেয়ে মারিয়া কামাল চরফ্যাশন প্রেসক্লাবে লিখিত বক্তব্যে জানান, তিনি তার দুই ভাই ফয়সাল আহমেদ ও তাহজিবসহ ৭/৮ জন নারী কর্মীকে নিয়ে সকাল ৯টায় পৌরসভার ৬ নম্বর ওয়ার্ডের নির্বাচনি প্রচারণা চালায়।
এ সময় জামায়াত ইসলামীর কর্মী সোহেল ও আলাউদ্দিন তাদের প্রচারণায় বাধা দেন এবং এলাকা ছেড়ে যেতে হুমকি দেন। এ নিয়ে তাদের সাথে বাকবিতণ্ডা শুরু হয়। এ সময় জামায়াত ইসলামীর কর্মীরা দলবদ্ধভাবে তাদের ওপর হামলা চালায়। পরে স্বজন ও স্থানীয়রা আহত অবস্থায় তাদের উদ্ধার করে চরফ্যাশন হাসপাতালে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়েছেন।
ভোলা-৪ আসনে ইসলামী আন্দোলনের হাতপাখা প্রতীকের প্রার্থী কামাল উদ্দিন জানান, জামায়াত ইসলামীর কর্মীরা আমাদের নারী কর্মীদের ওপর হামলা চালিয়েছে। তারা বিভিন্নভাবে আমার নির্বাচনি প্রচারণা বানচাল করতে চায়। এতে নির্বাচনের পরিবেশ বিঘ্ন সৃষ্টি হয়। তারা স্থানীয়দের মধ্যে আতংক সৃষ্টি করছে।
ঘটনার পরপরই জামায়াত কর্মী আলাউদ্দিন ও সোহেল মোবাইল ফোন বন্ধ করে আত্মগোপনে চলে যাওয়ায় তাদের বক্তব্য নেওয়া যায়নি। তবে চরফ্যাশন উপজেলা জামায়াত ইসলামীর আমীর অধ্যক্ষ মীর মো. শরিফ জানান, যদি আমাদের কর্মী এই ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকে তাহলে তার বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা মো. লোকমান হোসেন জানান, ইসলামী আন্দোলনের পক্ষ থেকে আমাকে ঘটনাটি অবগত করেছে। তবে তারা নিজেরাই সমঝোতা করবে বলেও জানিয়েছে।
ভোলা-৪ আসনে ইসলামী আন্দোলনের মনোনীত প্রার্থীর নারী কর্মীদের ওপর একই আসনের জামায়াত প্রার্থীর কর্মীদের হামলার অভিযোগ উঠেছে। এতে ইসলামী আন্দোলনের প্রার্থী কামাল উদ্দিনের তিন কর্মী আহত হয়েছেন।
বুধবার (২৮ জানুয়ারি) সকাল ৯টায় চরফ্যাশন পৌরসভার ৬ নম্বর ওয়ার্ডে ইসলামী আন্দোলনের মনোনীত প্রার্থীর পক্ষে নির্বাচনি প্রচারণা চলাকালে এ হামলা ও মারধরের ঘটনা ঘটে।
স্থানীয়রা আহত তিনজনকে উদ্ধার করে চরফ্যাশন হাসপাতালে পাঠিয়েছেন। এই ঘটনায় ইসলামী আন্দোলনের পক্ষ থেকে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তার বরাবর একটি অভিযোগ করা হয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ভোলা-৪ আসনে ইসলামী আন্দোলনের মনোনীত হাতা পাখা প্রতীকের প্রার্থী কামাল উদ্দিনের মেয়ে মারিয়া কামাল ও তার দুই ভাইসহ কয়েকজন নারী কর্মীদের নিয়ে পৌরসভার ৬ নম্বর ওয়ার্ডের সকাল ৯টার দিকে তার বাবার পক্ষে নির্বাচনি প্রচারণা চালান।
এ সময় জামায়াত ইসলামীর প্রার্থী মোস্তফা কামালের কর্মী সোহেল ও আলাউদ্দিন তাদের নির্বাচনি প্রচারণায় বাঁধা দেন। এ নিয়ে উভয় পক্ষের মধ্যে বাকবিতণ্ডা হয়। পরে সোহেল ও আলাউদ্দিন দলবদ্ধ হয়ে হাত পাখার কর্মীদের ওপর হামলা চালায়।
ভোলা-৪ আসনে ইসলামী আন্দোলনের প্রার্থী কামাল উদ্দিনের মেয়ে মারিয়া কামাল চরফ্যাশন প্রেসক্লাবে লিখিত বক্তব্যে জানান, তিনি তার দুই ভাই ফয়সাল আহমেদ ও তাহজিবসহ ৭/৮ জন নারী কর্মীকে নিয়ে সকাল ৯টায় পৌরসভার ৬ নম্বর ওয়ার্ডের নির্বাচনি প্রচারণা চালায়।
এ সময় জামায়াত ইসলামীর কর্মী সোহেল ও আলাউদ্দিন তাদের প্রচারণায় বাধা দেন এবং এলাকা ছেড়ে যেতে হুমকি দেন। এ নিয়ে তাদের সাথে বাকবিতণ্ডা শুরু হয়। এ সময় জামায়াত ইসলামীর কর্মীরা দলবদ্ধভাবে তাদের ওপর হামলা চালায়। পরে স্বজন ও স্থানীয়রা আহত অবস্থায় তাদের উদ্ধার করে চরফ্যাশন হাসপাতালে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়েছেন।
ভোলা-৪ আসনে ইসলামী আন্দোলনের হাতপাখা প্রতীকের প্রার্থী কামাল উদ্দিন জানান, জামায়াত ইসলামীর কর্মীরা আমাদের নারী কর্মীদের ওপর হামলা চালিয়েছে। তারা বিভিন্নভাবে আমার নির্বাচনি প্রচারণা বানচাল করতে চায়। এতে নির্বাচনের পরিবেশ বিঘ্ন সৃষ্টি হয়। তারা স্থানীয়দের মধ্যে আতংক সৃষ্টি করছে।
ঘটনার পরপরই জামায়াত কর্মী আলাউদ্দিন ও সোহেল মোবাইল ফোন বন্ধ করে আত্মগোপনে চলে যাওয়ায় তাদের বক্তব্য নেওয়া যায়নি। তবে চরফ্যাশন উপজেলা জামায়াত ইসলামীর আমীর অধ্যক্ষ মীর মো. শরিফ জানান, যদি আমাদের কর্মী এই ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকে তাহলে তার বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা মো. লোকমান হোসেন জানান, ইসলামী আন্দোলনের পক্ষ থেকে আমাকে ঘটনাটি অবগত করেছে। তবে তারা নিজেরাই সমঝোতা করবে বলেও জানিয়েছে।
০৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ০২:৪৮
০৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ২০:২৯
০৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ২০:২৬
০৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ২০:০৩