
১৯ জুন, ২০২৫ ১৯:০৭
বরিশালে এমইপির দখলে বিসিসি'র সড়ক দুর্ভোগে জনসাধারণ। শিরোনামে সংবাদ প্রকাশের পড়ে নজরে এসেছে বরিশাল সিটি করপোরেশন কর্মকর্তাদের। সরেজমিন পরিদর্শন করে বিসিসি।
গত (৫ জুন) বৃহস্পতিবার সংবাদ প্রকাশ করায় আজ (১৯জুন) বিসিসি'র প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তার নির্দেশে সরেজমিন পরিদর্শন করে উচ্ছেদ শাখার কর্মকর্তারা। উল্লেখ্য বরিশাল সিটি করপোরেশনের আওতাধীন জনসাধারণের চলাচলের সড়ক, ড্রেন, আটকিয়ে এমইপি'র ফ্যাক্টরী নির্মাণ করায় জনসাধারণের ক্ষোপ প্রকাশ!
নগরীর ৬ নং ওয়ার্ড হাটখোলা (গগনগলী) এলাকার দীর্ঘদিনের জনসাধারণের চলাচলের খান মজিবর রহমান সংযোগ সড়ক আটকিয়ে ও প্ল্যান বিহীন,এমইপি'র ফ্যাক্টরী করার অভিযোগ করে স্থানীয়রা।
বরিশাল সিটি করপোরেশনের পক্ষ থেকে সরেজমিন পরিদর্শন করায় সকল কর্মকর্তাদের সাধুবাদ জানিয়েছে এলাকাবাসী। সুমন নামে এক যুবক বলেন, আমার বাসা কসাই খানা। আমি গগণগলী মৎস্য শ্রমিক সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পড়াশোনা করেছি। তখন সল্প সময়ে স্কুলে আসার জন্য খান মজিবর রহমান সড়ক ব্যবহার করেছি।
কিন্তু বিগত স্বৈরাচার সরকার আমলে ক্ষমতার বলে জনসাধারণের চলাচলের রাস্তা, ড্রেন, সরকারী কলসহ সড়কটি এমইপি দখল করে আটকিয়ে দেয়। এছাড়াও ফ্যাক্টরিতে তৈরী কেমিক্যালের পানির দুর্গন্ধ অতিষ্ঠ এলাকাবাসী।
একই এলাকার বাসিন্দা রুনু বেগম জানান, এখানের বেশকিছু জমি সরকারের এই জায়গায় যারা বসবাস করেছে সবাই সরকারী জমি দখল করে বসবাস করেছিলেন। কিন্তু একই এলাকায় এমইপি হওয়ায় তারা সাধারণ মানুষকে ভয়ভীতি দেখিয়ে সল্পমূল্যে জমি কিনে ফ্যাক্টরী নির্মাণ করেছে।
যারা এখানে বসবাস করেছে তারা তাদের বসতঘর এমইপি'র কাছে বিক্রি করে চলে গেছে। কিন্তু সরকারী রাস্তা কেউ বিক্রি করেনি। এমইপি জোরপূর্বক রাজনৈতিক দলের নেতাদের অনৈতিক সুবিধা দিয়ে জনসাধারণের চলাচলের রাস্তা আটকিয়ে দেয়। এছাড়াও এমইপির শ্রমিকদের টয়লেটে ব্যবহারের পানি ড্রেনে লাইন করায় দুর্গন্ধে থাকা যাচ্ছে না।
আঃ খালেক মিয়া বলেন, আমি পাকিস্তানের আমল থেকেই এই এলাকায় বসবাস করছি। হাটখোলা(কাঠের ঘোলা) এলাকায় ছোটো পরিসরে মোহম্মদ আলী ইলেকট্রনিকস কোঃ নামে একটি প্রতিষ্ঠান প্রতিষ্ঠিত হয়।তাদের ইলেকট্রনিক সামগ্রী পন্য ভালো মানের হওয়ায় আর পিছনে তাকাতে হয়নি।
তারা দেশের মানুষের চাহিদা পূরণ করে বিদেশেও আমদানি ও রপ্তানি করে থাকেন। এতে বরিশালের সুনাম বেড়েছে। কিন্তু স্থানীয় পর্যায় সাধারণ মানুষ তাদের হয়রানির শিকার হয়েছে। এবং গগণগলী বাজারে গেলে এমইপি'র দেওয়ালে ফাটল দেখা যায়।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক স্থানীয়রা জানান, এমইপি জোরপূর্বক বিসিসি'র সড়ক, ড্রেন, ডিপ টিউবওয়েল,আটকিয়ে সাধারণ মানুষকে অত্যাচার করে যাচ্ছে। আমরা বরিশাল বিভাগীয় কমিশনার দৃষ্টি আকর্ষণ করছি, জনসাধারণের চলাচলের রাস্তাটি দখলমুক্ত করে দেওয়া হোক।
এবিষয়ে বরিশাল সিটি করপোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা রেজাউল বারি বলেন, সিটি করপোরেশন এলাকায় কোনো খাল,ড্রেন, জনসাধারণের চলাচলের রাস্তা, আটকিয়ে ফ্যাক্টরী, গোডাউন,বাসাবাড়ী করা যাবে না।
যদি এধরণের কোনো কোম্পানি রাস্তা আটকিয়ে জনসাধারণের মধ্যে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করেন। তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। তিনি আরও বলেন, জনগনের দুর্ভোগ কমাতে নগরীর বিভিন্ন অপসোস্যালাইন কোম্পানিসহ বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে বেশকিছু কোম্পানিকে উচ্ছেদ করা হয়েছে।
বরিশালে এমইপির দখলে বিসিসি'র সড়ক দুর্ভোগে জনসাধারণ। শিরোনামে সংবাদ প্রকাশের পড়ে নজরে এসেছে বরিশাল সিটি করপোরেশন কর্মকর্তাদের। সরেজমিন পরিদর্শন করে বিসিসি।
গত (৫ জুন) বৃহস্পতিবার সংবাদ প্রকাশ করায় আজ (১৯জুন) বিসিসি'র প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তার নির্দেশে সরেজমিন পরিদর্শন করে উচ্ছেদ শাখার কর্মকর্তারা। উল্লেখ্য বরিশাল সিটি করপোরেশনের আওতাধীন জনসাধারণের চলাচলের সড়ক, ড্রেন, আটকিয়ে এমইপি'র ফ্যাক্টরী নির্মাণ করায় জনসাধারণের ক্ষোপ প্রকাশ!
নগরীর ৬ নং ওয়ার্ড হাটখোলা (গগনগলী) এলাকার দীর্ঘদিনের জনসাধারণের চলাচলের খান মজিবর রহমান সংযোগ সড়ক আটকিয়ে ও প্ল্যান বিহীন,এমইপি'র ফ্যাক্টরী করার অভিযোগ করে স্থানীয়রা।
বরিশাল সিটি করপোরেশনের পক্ষ থেকে সরেজমিন পরিদর্শন করায় সকল কর্মকর্তাদের সাধুবাদ জানিয়েছে এলাকাবাসী। সুমন নামে এক যুবক বলেন, আমার বাসা কসাই খানা। আমি গগণগলী মৎস্য শ্রমিক সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পড়াশোনা করেছি। তখন সল্প সময়ে স্কুলে আসার জন্য খান মজিবর রহমান সড়ক ব্যবহার করেছি।
কিন্তু বিগত স্বৈরাচার সরকার আমলে ক্ষমতার বলে জনসাধারণের চলাচলের রাস্তা, ড্রেন, সরকারী কলসহ সড়কটি এমইপি দখল করে আটকিয়ে দেয়। এছাড়াও ফ্যাক্টরিতে তৈরী কেমিক্যালের পানির দুর্গন্ধ অতিষ্ঠ এলাকাবাসী।
একই এলাকার বাসিন্দা রুনু বেগম জানান, এখানের বেশকিছু জমি সরকারের এই জায়গায় যারা বসবাস করেছে সবাই সরকারী জমি দখল করে বসবাস করেছিলেন। কিন্তু একই এলাকায় এমইপি হওয়ায় তারা সাধারণ মানুষকে ভয়ভীতি দেখিয়ে সল্পমূল্যে জমি কিনে ফ্যাক্টরী নির্মাণ করেছে।
যারা এখানে বসবাস করেছে তারা তাদের বসতঘর এমইপি'র কাছে বিক্রি করে চলে গেছে। কিন্তু সরকারী রাস্তা কেউ বিক্রি করেনি। এমইপি জোরপূর্বক রাজনৈতিক দলের নেতাদের অনৈতিক সুবিধা দিয়ে জনসাধারণের চলাচলের রাস্তা আটকিয়ে দেয়। এছাড়াও এমইপির শ্রমিকদের টয়লেটে ব্যবহারের পানি ড্রেনে লাইন করায় দুর্গন্ধে থাকা যাচ্ছে না।
আঃ খালেক মিয়া বলেন, আমি পাকিস্তানের আমল থেকেই এই এলাকায় বসবাস করছি। হাটখোলা(কাঠের ঘোলা) এলাকায় ছোটো পরিসরে মোহম্মদ আলী ইলেকট্রনিকস কোঃ নামে একটি প্রতিষ্ঠান প্রতিষ্ঠিত হয়।তাদের ইলেকট্রনিক সামগ্রী পন্য ভালো মানের হওয়ায় আর পিছনে তাকাতে হয়নি।
তারা দেশের মানুষের চাহিদা পূরণ করে বিদেশেও আমদানি ও রপ্তানি করে থাকেন। এতে বরিশালের সুনাম বেড়েছে। কিন্তু স্থানীয় পর্যায় সাধারণ মানুষ তাদের হয়রানির শিকার হয়েছে। এবং গগণগলী বাজারে গেলে এমইপি'র দেওয়ালে ফাটল দেখা যায়।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক স্থানীয়রা জানান, এমইপি জোরপূর্বক বিসিসি'র সড়ক, ড্রেন, ডিপ টিউবওয়েল,আটকিয়ে সাধারণ মানুষকে অত্যাচার করে যাচ্ছে। আমরা বরিশাল বিভাগীয় কমিশনার দৃষ্টি আকর্ষণ করছি, জনসাধারণের চলাচলের রাস্তাটি দখলমুক্ত করে দেওয়া হোক।
এবিষয়ে বরিশাল সিটি করপোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা রেজাউল বারি বলেন, সিটি করপোরেশন এলাকায় কোনো খাল,ড্রেন, জনসাধারণের চলাচলের রাস্তা, আটকিয়ে ফ্যাক্টরী, গোডাউন,বাসাবাড়ী করা যাবে না।
যদি এধরণের কোনো কোম্পানি রাস্তা আটকিয়ে জনসাধারণের মধ্যে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করেন। তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। তিনি আরও বলেন, জনগনের দুর্ভোগ কমাতে নগরীর বিভিন্ন অপসোস্যালাইন কোম্পানিসহ বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে বেশকিছু কোম্পানিকে উচ্ছেদ করা হয়েছে।

১২ মার্চ, ২০২৬ ০০:৩৫
বরিশালের বাবুগঞ্জ উপজেলায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের বিশেষ অভিযানে ৩২৬টি ইয়াবাসহ এনামুল হাওলাদার (৪৮) নামের এক বিএনপি নেতাকে আটক করা হয়েছে। এসময় তাঁর কাছ থেকে নগদ ৬ লাখ ৫৯ হাজার টাকা জব্দ করা হয়। আজ বুধবার বেলা আড়াইটার দিকে উপজেলার রহমতপুর ইউনিয়নে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।
আটক এনামুল হাওলাদার বাবুগঞ্জ উপজেলার রহমতপুর ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি।
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের বরিশাল জেলা কার্যালয়ের পরিদর্শক হাওলাদার মো. সিরাজুল ইসলাম বলেন, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে এনামুল হাওলাদারকে আটক করা হয়। পরে তাঁর বাড়িতে তল্লাশি চালিয়ে ৩২৬টি ইয়াবা এবং ইয়াবা বিক্রির নগদ ৬ লাখ ৫৯ হাজার টাকা উদ্ধার করা হয়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা গেছে, এনামুল হাওলাদার দীর্ঘদিন ধরে ইয়াবা সেবন ও বিক্রির সঙ্গে জড়িত।
এ ব্যাপারে বাবুগঞ্জ উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক সুলতান আহমেদ খান বলেন, ঘটনাটি দলের জন্য অত্যন্ত লজ্জাজনক। দ্রুত সময়ের মধ্যে এনামুলের বিরুদ্ধে দলীয় সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
বরিশাল টাইমস
বরিশালের বাবুগঞ্জ উপজেলায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের বিশেষ অভিযানে ৩২৬টি ইয়াবাসহ এনামুল হাওলাদার (৪৮) নামের এক বিএনপি নেতাকে আটক করা হয়েছে। এসময় তাঁর কাছ থেকে নগদ ৬ লাখ ৫৯ হাজার টাকা জব্দ করা হয়। আজ বুধবার বেলা আড়াইটার দিকে উপজেলার রহমতপুর ইউনিয়নে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।
আটক এনামুল হাওলাদার বাবুগঞ্জ উপজেলার রহমতপুর ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি।
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের বরিশাল জেলা কার্যালয়ের পরিদর্শক হাওলাদার মো. সিরাজুল ইসলাম বলেন, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে এনামুল হাওলাদারকে আটক করা হয়। পরে তাঁর বাড়িতে তল্লাশি চালিয়ে ৩২৬টি ইয়াবা এবং ইয়াবা বিক্রির নগদ ৬ লাখ ৫৯ হাজার টাকা উদ্ধার করা হয়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা গেছে, এনামুল হাওলাদার দীর্ঘদিন ধরে ইয়াবা সেবন ও বিক্রির সঙ্গে জড়িত।
এ ব্যাপারে বাবুগঞ্জ উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক সুলতান আহমেদ খান বলেন, ঘটনাটি দলের জন্য অত্যন্ত লজ্জাজনক। দ্রুত সময়ের মধ্যে এনামুলের বিরুদ্ধে দলীয় সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
বরিশাল টাইমস

১১ মার্চ, ২০২৬ ১৭:১৭
ঈদের আগে বেতনসহ বোনাসের দাবিতে কর্মবিরতি পালন করছেন বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের প্রায় দুই হাজার পরিচ্ছন্নতাকর্মী। এই কর্মবিরতির ফলে নগরজুড়ে আবর্জনা জমে সৃষ্টি হয়েছে দুর্ভোগ। বিশেষ করে গত কয়েকদিনে শহরের অলিগলি ময়লার ভাগাড়ে পরিণত হয়েছে। বুধবার সকাল থেকে নগরীর নতুনবাজার, চৌমাথা, বটতলা, রুপাতলীসহ বিভিন্ন এলাকায় রাস্তার পাশ ও ডাস্টবিনে ময়লার স্তূপ জমে থাকতে দেখা গেছে। এতে দুর্গন্ধ ছড়িয়ে পড়ায় নগরবাসীকে পড়তে হচ্ছে ভোগান্তিতে।
পরিচ্ছন্নতাকর্মীরা জানায়, তারা মাসে ৩০ দিন কাজ করলেও বেতন পান মাত্র ২২ দিনের। আগে ঈদসহ বিভিন্ন উৎসবে ভাতা ও ইফতারের জন্য আলাদা অর্থ দেওয়া হলেও এবার ঈদের আগে শুধু বেতন দেওয়ার কথা বলা হয়েছে, কোনো বোনাস বা উৎসব ভাতা দেওয়া হচ্ছে না। শ্রমিকদের দাবি, কম বেতনে সংসার চালানোই কঠিন হয়ে পড়েছে। এর মধ্যে ঈদের আগে বোনাস না পেলে পরিবার নিয়ে উৎসব করা অসম্ভব হয়ে পড়বে।
সিটি কর্পোরেশন ও শ্রমিক সূত্রে জানা গেছে, অন্তর্বর্তী সরকারের সময় শ্রম অধিদপ্তর ও স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের যৌথ সভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী দৈনিক মজুরি ভিত্তিক শ্রমিকদের বেতন ১০ হাজার টাকা থেকে বাড়িয়ে ১৬ হাজার টাকা নির্ধারণ করে গেজেট প্রকাশ করা হয়। তবে ওই গেজেটে উল্লেখ করা হয়েছে, মজুরি ভিত্তিক শ্রমিকরা কোনো ধরনের উৎসব ভাতা পাবেন না। সরকারের এই সিদ্ধান্তে শ্রমিকদের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি করে।
এনিয়ে ক্ষোভপ্রকাশ করে শহরের বাসিন্দারা বরিশালটাইমসকে জানান, ডাস্টবিন ও রাস্তার পাশে ময়লা উপচে পড়ছে। দুর্গন্ধে বাতাসে ছড়িয়ে পড়েছে, জনসাধারণকে নাক-মুখ ঢেকে পথ চলছে দেখা যায়। দ্রুত এই সমস্যা সমাধান না হলে পুরো শহর ময়লার ভাগাড়ে পরিণত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।
পরিচ্ছন্নতা কর্মী রহিম মিয়া বরিশালটাইমসকে বলেন, ‘বেতন বাড়লেও যদি ঈদের সময় বোনাস না পাই, তাহলে আমাদের উৎসবের আনন্দ মাটি হয়ে যাবে। এটা আমাদের সঙ্গে চরম অন্যায়। দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত আমাদের কর্মবিরতি চলবে।’
বরিশালে শ্রমিক এবং দিনমজুরদের স্বার্থ নিয়ে কাজ করেন জেলা বাসদের সমন্বয়ক ডা. মনীষা চক্রবর্তী। তিনি বরিশালটাইমসকে বলেন, ‘পরিচ্ছন্নতা কর্মীদের বেতন ও ঈদ বোনাস অবশ্যই দেওয়া উচিৎ। তারা দীর্ঘদিন ধরে নিয়মিত বোনাস পেয়ে আসছেন। হঠাৎ করে ঈদের আগে বোনাস বা বেতন না দিলে তারা ঈদের বাজার করা কিংবা সন্তানদের জন্য কাপড়-চোপড় কিনতে পারবেন না। এটি অত্যন্ত অমানবিক সিদ্ধান্ত।’
তবে সিটি করপোরেশনের সচিব রুম্পা সিকদার বরিশালটাইমসকে বলছেন, ‘যারা দৈনিক ভিত্তিতে কাজ করেন তাদের আইনে বোনাস ভাতা দেওয়ার কোনো সুযোগ নেই। তবে শ্রমিকরা মানবিক কারণে বিষয়টি দাবি করছেন। প্রশাসক এ বিষয়ে অবগত আছেন এবং বিষয়টি দেখা হচ্ছে।’
ঈদের আগে বেতনসহ বোনাসের দাবিতে কর্মবিরতি পালন করছেন বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের প্রায় দুই হাজার পরিচ্ছন্নতাকর্মী। এই কর্মবিরতির ফলে নগরজুড়ে আবর্জনা জমে সৃষ্টি হয়েছে দুর্ভোগ। বিশেষ করে গত কয়েকদিনে শহরের অলিগলি ময়লার ভাগাড়ে পরিণত হয়েছে। বুধবার সকাল থেকে নগরীর নতুনবাজার, চৌমাথা, বটতলা, রুপাতলীসহ বিভিন্ন এলাকায় রাস্তার পাশ ও ডাস্টবিনে ময়লার স্তূপ জমে থাকতে দেখা গেছে। এতে দুর্গন্ধ ছড়িয়ে পড়ায় নগরবাসীকে পড়তে হচ্ছে ভোগান্তিতে।
পরিচ্ছন্নতাকর্মীরা জানায়, তারা মাসে ৩০ দিন কাজ করলেও বেতন পান মাত্র ২২ দিনের। আগে ঈদসহ বিভিন্ন উৎসবে ভাতা ও ইফতারের জন্য আলাদা অর্থ দেওয়া হলেও এবার ঈদের আগে শুধু বেতন দেওয়ার কথা বলা হয়েছে, কোনো বোনাস বা উৎসব ভাতা দেওয়া হচ্ছে না। শ্রমিকদের দাবি, কম বেতনে সংসার চালানোই কঠিন হয়ে পড়েছে। এর মধ্যে ঈদের আগে বোনাস না পেলে পরিবার নিয়ে উৎসব করা অসম্ভব হয়ে পড়বে।
সিটি কর্পোরেশন ও শ্রমিক সূত্রে জানা গেছে, অন্তর্বর্তী সরকারের সময় শ্রম অধিদপ্তর ও স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের যৌথ সভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী দৈনিক মজুরি ভিত্তিক শ্রমিকদের বেতন ১০ হাজার টাকা থেকে বাড়িয়ে ১৬ হাজার টাকা নির্ধারণ করে গেজেট প্রকাশ করা হয়। তবে ওই গেজেটে উল্লেখ করা হয়েছে, মজুরি ভিত্তিক শ্রমিকরা কোনো ধরনের উৎসব ভাতা পাবেন না। সরকারের এই সিদ্ধান্তে শ্রমিকদের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি করে।
এনিয়ে ক্ষোভপ্রকাশ করে শহরের বাসিন্দারা বরিশালটাইমসকে জানান, ডাস্টবিন ও রাস্তার পাশে ময়লা উপচে পড়ছে। দুর্গন্ধে বাতাসে ছড়িয়ে পড়েছে, জনসাধারণকে নাক-মুখ ঢেকে পথ চলছে দেখা যায়। দ্রুত এই সমস্যা সমাধান না হলে পুরো শহর ময়লার ভাগাড়ে পরিণত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।
পরিচ্ছন্নতা কর্মী রহিম মিয়া বরিশালটাইমসকে বলেন, ‘বেতন বাড়লেও যদি ঈদের সময় বোনাস না পাই, তাহলে আমাদের উৎসবের আনন্দ মাটি হয়ে যাবে। এটা আমাদের সঙ্গে চরম অন্যায়। দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত আমাদের কর্মবিরতি চলবে।’
বরিশালে শ্রমিক এবং দিনমজুরদের স্বার্থ নিয়ে কাজ করেন জেলা বাসদের সমন্বয়ক ডা. মনীষা চক্রবর্তী। তিনি বরিশালটাইমসকে বলেন, ‘পরিচ্ছন্নতা কর্মীদের বেতন ও ঈদ বোনাস অবশ্যই দেওয়া উচিৎ। তারা দীর্ঘদিন ধরে নিয়মিত বোনাস পেয়ে আসছেন। হঠাৎ করে ঈদের আগে বোনাস বা বেতন না দিলে তারা ঈদের বাজার করা কিংবা সন্তানদের জন্য কাপড়-চোপড় কিনতে পারবেন না। এটি অত্যন্ত অমানবিক সিদ্ধান্ত।’
তবে সিটি করপোরেশনের সচিব রুম্পা সিকদার বরিশালটাইমসকে বলছেন, ‘যারা দৈনিক ভিত্তিতে কাজ করেন তাদের আইনে বোনাস ভাতা দেওয়ার কোনো সুযোগ নেই। তবে শ্রমিকরা মানবিক কারণে বিষয়টি দাবি করছেন। প্রশাসক এ বিষয়ে অবগত আছেন এবং বিষয়টি দেখা হচ্ছে।’

১১ মার্চ, ২০২৬ ১৬:৪৪
বরিশাল জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি সাদিকুর রহমান লিংকনসহ বিএনপিপন্থী ৯ আইনজীবী মঙ্গলবার হাইকোর্টে নিঃশর্ত ক্ষমা চেয়েছেন। এর আগে গত ২৩ ফেব্রুয়ারি তারা একটি ফৌজদারি মামলায় আওয়ামী লীগ নেতা ও সাবেক সংসদ সদস্য তালুকদার মো. ইউনুসকে জামিন দেওয়ায় আদালতকক্ষে ভাঙচুর এবং সংশ্লিষ্ট বিচারক সম্পর্কে অবমাননাকর মন্তব্য করেছিলেন। বিচারপতি ফাহমিদা কাদের এবং বিচারপতি মো. আসিফ হাসানের বেঞ্চের সামনে হাজির হয়ে তারা ক্ষমা প্রার্থনা করেন। ওই বেঞ্চ তাদের বিরুদ্ধে এর আগে আদালত অবমাননার রুল জারি করেছিল।
ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল মোহাম্মদ শফিকুর রহমান সাংবাদিকদের জানান, তাদের নিঃশর্ত ক্ষমা প্রার্থনা গ্রহণ করে আদালত তাদের ক্ষমা করে দিয়েছেন।
বাকি আট আইনজীবী হলেন বরিশাল বার অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক মির্জা রিয়াজুল ইসলাম, পিপি আবুল কালাম আজাদ ও নাজিমুদ্দিন পান্না, অ্যাডভোকেট মহসিন মন্টু, মিজানুর রহমান, আবদুল মালেক, সায়েদ এবং হাফিজ উদ্দিন বাবলু।
২৫ ফেব্রুয়ারি সুপ্রিম কোর্টের রেজিস্ট্রার জেনারেলের দপ্তর থেকে পাঠানো একটি চিঠি এবং বরিশাল মহানগর দায়রা জজ মীর মো. আমতাজুল হকের অনুসন্ধান প্রতিবেদনের ভিত্তিতে হাইকোর্ট স্বতঃপ্রণোদিত হয়ে (সুয়োমোটো) তাদের বিরুদ্ধে আদালত অবমাননার রুল জারি করেন। রুলে আইনজীবীদের কাছে জানতে চাওয়া হয়েছিল কেন তাদের বিরুদ্ধে আদালত অবমাননার কার্যক্রম শুরু করা হবে না। এবং এই ধরনের অপরাধের জন্য কেন তাদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থাগ্রহণ করা হবে না।
বরিশাল আইনজীবী সমিতি সূত্র জানায়, বরিশাল জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি সাদিকুর রহমান লিংকন মঙ্গলবার হাইকোর্টে নিঃশর্ত ক্ষমা চেয়েছেন। বিচারপতি ফাহমিদা কাদের এবং বিচারপতি মো. আসিফ হাসানের বেঞ্চের সামনে হাজির হয়ে তারা ক্ষমা প্রার্থনা করেন।’
বরিশাল জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি সাদিকুর রহমান লিংকনসহ বিএনপিপন্থী ৯ আইনজীবী মঙ্গলবার হাইকোর্টে নিঃশর্ত ক্ষমা চেয়েছেন। এর আগে গত ২৩ ফেব্রুয়ারি তারা একটি ফৌজদারি মামলায় আওয়ামী লীগ নেতা ও সাবেক সংসদ সদস্য তালুকদার মো. ইউনুসকে জামিন দেওয়ায় আদালতকক্ষে ভাঙচুর এবং সংশ্লিষ্ট বিচারক সম্পর্কে অবমাননাকর মন্তব্য করেছিলেন। বিচারপতি ফাহমিদা কাদের এবং বিচারপতি মো. আসিফ হাসানের বেঞ্চের সামনে হাজির হয়ে তারা ক্ষমা প্রার্থনা করেন। ওই বেঞ্চ তাদের বিরুদ্ধে এর আগে আদালত অবমাননার রুল জারি করেছিল।
ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল মোহাম্মদ শফিকুর রহমান সাংবাদিকদের জানান, তাদের নিঃশর্ত ক্ষমা প্রার্থনা গ্রহণ করে আদালত তাদের ক্ষমা করে দিয়েছেন।
বাকি আট আইনজীবী হলেন বরিশাল বার অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক মির্জা রিয়াজুল ইসলাম, পিপি আবুল কালাম আজাদ ও নাজিমুদ্দিন পান্না, অ্যাডভোকেট মহসিন মন্টু, মিজানুর রহমান, আবদুল মালেক, সায়েদ এবং হাফিজ উদ্দিন বাবলু।
২৫ ফেব্রুয়ারি সুপ্রিম কোর্টের রেজিস্ট্রার জেনারেলের দপ্তর থেকে পাঠানো একটি চিঠি এবং বরিশাল মহানগর দায়রা জজ মীর মো. আমতাজুল হকের অনুসন্ধান প্রতিবেদনের ভিত্তিতে হাইকোর্ট স্বতঃপ্রণোদিত হয়ে (সুয়োমোটো) তাদের বিরুদ্ধে আদালত অবমাননার রুল জারি করেন। রুলে আইনজীবীদের কাছে জানতে চাওয়া হয়েছিল কেন তাদের বিরুদ্ধে আদালত অবমাননার কার্যক্রম শুরু করা হবে না। এবং এই ধরনের অপরাধের জন্য কেন তাদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থাগ্রহণ করা হবে না।
বরিশাল আইনজীবী সমিতি সূত্র জানায়, বরিশাল জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি সাদিকুর রহমান লিংকন মঙ্গলবার হাইকোর্টে নিঃশর্ত ক্ষমা চেয়েছেন। বিচারপতি ফাহমিদা কাদের এবং বিচারপতি মো. আসিফ হাসানের বেঞ্চের সামনে হাজির হয়ে তারা ক্ষমা প্রার্থনা করেন।’
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.