
০১ অক্টোবর, ২০২৫ ২০:২৫
বরিশালের বাকেরগঞ্জে কবাই ইউনিয়ন বিএনপির ৮নং ওয়ার্ডের সাবেক সভাপতি শাহিন হাওলাদারের মুক্তি ও মামলা প্রত্যাহারের দাবিতে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বুধবার (১ অক্টোবর) সকাল ১১ টায় উপজেলার কবাই ইউনিয়নের উত্তর কবাই গ্রামে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। এ সময় মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন হাসিনা বেগম, ফাতেমা আক্তার, ফারজানা বেগম, রেবা বেগম প্রমূখ।
মানববন্ধনে শতশত নারীরা অংশগ্রহণ করেন। মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, গত ২৮ সেপ্টেম্বর দিবাগত রাত ১২টার সময় বিএনপি নেতা শাহিন হাওলাদার ও শওকত খানের বাড়ীতে ডাকাতি সংগঠিত হয়।
ডাকাতির বিষয়টি রাত ১টার সময় এলাকার মসজিদে মাইকিং করে দিলে ওই সময় এলাকাবাসী ডাকাত সোহেল খানকে আটক করে। পরবর্তীতে এলাকাবাসীর গণপিটুনিতে সে নিহত হয়। এ ঘটনাকে পুঁজি করে এলাকার বিএনপির আরেকটি গ্রুপ ডাকাত সোহেল খানের মাকে বাদি করে বাকেরগঞ্জ থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।
ওই মামলায় পুলিশ ২৮ সেপ্টেম্বর বিএনপি নেতা শাহীন হাওলাদার সহ তার ভাই শামীম হাওলাদার ও শওকত খানসহ ৩জন গ্রেপ্তার করে। বর্তমানে তারা হাজতে রয়েছে। বিএনপি নেতা শাহিন হাওলাদারের স্ত্রী ফারজানা আক্তার সাংবাদিকদের জানান, তার স্বামী বাড়িতে না থাকায় গত রবিবার দিবাগত রাত সাড়ে ১২ টার সময় ডাকাত সোহেল তার বাহিনী নিয়ে ঘরের দরজা ভেঙে ভিতরে প্রবেশ করে গলায় রামদা ঠেকিয়ে নগদ টাকা ও স্বর্ণালংকার নিয়ে যায়।
এ ঘটনায় তিনি বাদী হয়ে ৩০ সেপ্টেম্বর বরিশালে আদালতে একটি ডাকাতির মামলা দায়ের করেছেন। বিজ্ঞ বিচারক মামলাটি তদন্তের জন্য পিবিআইকে নির্দেশ দিয়েছে। মামলা দায়েরের পর থেকে তিনি ও তার পরিবার নিরাপত্তাহীনতায় রয়েছেন।
তিনি সুষ্ঠু তদন্ত সাপেক্ষে ন্যায় বিচারের দাবি জানান। মানববন্ধনে ফাতেমা আক্তার বলেন, ডাকাত সোহেল নিহতের ঘটনায় স্থানীয় একটি প্রভাবশালী মহল এলাকায় নিরীহ মানুষদের আসামি করে হয়রানি করে আসছে।
এলাকা এখন মামলা আতঙ্কে পুরুষ শূন্য হয়ে পড়েছে। আমরা নারীরা শুধু বাড়িতে রয়েছি। ডাকাতদের বিরুদ্ধে আমরা মামলা করায় তারা আমাদেরকে বিভিন্ন রকম হুমকি দিয়ে আসছে।
ডাকাত সোহেলের বিরুদ্ধে বিভিন্ন থানায় দশটির উপর মামলা রয়েছে। সে একজন চিহ্নিত ডাকাত ছিল। দ্রুত সময়ের মধ্যে ডাকাত গ্রেফতারের দাবিও জানান তারা। মানববন্ধনে বক্তারা অবিলম্বে বিএনপি নেতা শাহীন হাওলাদারের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা প্রত্যাহারপূর্বক তার নিঃশর্ত মুক্তির দাবি জানান।
বরিশালের বাকেরগঞ্জে কবাই ইউনিয়ন বিএনপির ৮নং ওয়ার্ডের সাবেক সভাপতি শাহিন হাওলাদারের মুক্তি ও মামলা প্রত্যাহারের দাবিতে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বুধবার (১ অক্টোবর) সকাল ১১ টায় উপজেলার কবাই ইউনিয়নের উত্তর কবাই গ্রামে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। এ সময় মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন হাসিনা বেগম, ফাতেমা আক্তার, ফারজানা বেগম, রেবা বেগম প্রমূখ।
মানববন্ধনে শতশত নারীরা অংশগ্রহণ করেন। মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, গত ২৮ সেপ্টেম্বর দিবাগত রাত ১২টার সময় বিএনপি নেতা শাহিন হাওলাদার ও শওকত খানের বাড়ীতে ডাকাতি সংগঠিত হয়।
ডাকাতির বিষয়টি রাত ১টার সময় এলাকার মসজিদে মাইকিং করে দিলে ওই সময় এলাকাবাসী ডাকাত সোহেল খানকে আটক করে। পরবর্তীতে এলাকাবাসীর গণপিটুনিতে সে নিহত হয়। এ ঘটনাকে পুঁজি করে এলাকার বিএনপির আরেকটি গ্রুপ ডাকাত সোহেল খানের মাকে বাদি করে বাকেরগঞ্জ থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।
ওই মামলায় পুলিশ ২৮ সেপ্টেম্বর বিএনপি নেতা শাহীন হাওলাদার সহ তার ভাই শামীম হাওলাদার ও শওকত খানসহ ৩জন গ্রেপ্তার করে। বর্তমানে তারা হাজতে রয়েছে। বিএনপি নেতা শাহিন হাওলাদারের স্ত্রী ফারজানা আক্তার সাংবাদিকদের জানান, তার স্বামী বাড়িতে না থাকায় গত রবিবার দিবাগত রাত সাড়ে ১২ টার সময় ডাকাত সোহেল তার বাহিনী নিয়ে ঘরের দরজা ভেঙে ভিতরে প্রবেশ করে গলায় রামদা ঠেকিয়ে নগদ টাকা ও স্বর্ণালংকার নিয়ে যায়।
এ ঘটনায় তিনি বাদী হয়ে ৩০ সেপ্টেম্বর বরিশালে আদালতে একটি ডাকাতির মামলা দায়ের করেছেন। বিজ্ঞ বিচারক মামলাটি তদন্তের জন্য পিবিআইকে নির্দেশ দিয়েছে। মামলা দায়েরের পর থেকে তিনি ও তার পরিবার নিরাপত্তাহীনতায় রয়েছেন।
তিনি সুষ্ঠু তদন্ত সাপেক্ষে ন্যায় বিচারের দাবি জানান। মানববন্ধনে ফাতেমা আক্তার বলেন, ডাকাত সোহেল নিহতের ঘটনায় স্থানীয় একটি প্রভাবশালী মহল এলাকায় নিরীহ মানুষদের আসামি করে হয়রানি করে আসছে।
এলাকা এখন মামলা আতঙ্কে পুরুষ শূন্য হয়ে পড়েছে। আমরা নারীরা শুধু বাড়িতে রয়েছি। ডাকাতদের বিরুদ্ধে আমরা মামলা করায় তারা আমাদেরকে বিভিন্ন রকম হুমকি দিয়ে আসছে।
ডাকাত সোহেলের বিরুদ্ধে বিভিন্ন থানায় দশটির উপর মামলা রয়েছে। সে একজন চিহ্নিত ডাকাত ছিল। দ্রুত সময়ের মধ্যে ডাকাত গ্রেফতারের দাবিও জানান তারা। মানববন্ধনে বক্তারা অবিলম্বে বিএনপি নেতা শাহীন হাওলাদারের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা প্রত্যাহারপূর্বক তার নিঃশর্ত মুক্তির দাবি জানান।

২৯ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৯:০৬
বরিশাল জেলা বিএনপির সদস্য ও বানারীপাড়া উপজেলা বিএনপির সহসভাপতি গোলাম মাহমুদ মাহাবুব মাষ্টার দল থেকে পদত্যাগ করেছেন। এর মধ্য দিয়ে জননন্দিত এ নেতা তার দীর্ঘ ৪০ বছরের বিএনপির রাজনীতির ইতি টানলেন। বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারী) সকালে তিনি বরিশাল জেলা বিএনপির (দক্ষিণ) সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক বরাবর জেলা বিএনপির সদস্য ও উপজেলা শাখার সহসভাপতি পদ থেকে লিখিত অব্যাহতি পত্র জমা দেন।
তিনি তার সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুক আইডিতেও এ পদত্যাগপত্র পোষ্ট করেন। পদত্যাগের কারন হিসেবে তিনি অব্যাহতি পত্রে উল্লেখ করেন দীর্ঘ চার দশক ধরে তিনি সুনাম ও নিষ্ঠার সঙ্গে জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির একজন নিবেদিত প্রাণ কর্মী হিসেবে রাজনীতি করেছেন।
এ দীর্ঘ সময় বিএনপির রাজনীতি করতে গিয়ে তিনি মামলা-হামলা,জেল,জুলুম, নীপিড়ন ও নির্যাতনের শিকার হয়েছেন। বর্তমানে তিনি নিজ দলে লাঞ্চিত, বঞ্চিত ও ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছেন।
তাই দল থেকে পদত্যাগ করেছেন। প্রসঙ্গত গোলাম মাহমুদ মাহাবুব মাষ্টার এর আগে বানারীপাড়া পৌর ও উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ছিলেন। গত বছর জুলাইতে অনুষ্ঠিত বানারীপাড়া উপজেলা বিএনপির ত্রি-বার্ষিক কাউন্সিলে তিনি সাধারণ সম্পাদক পদ প্রত্যাশী ছিলেন। সেই কাউন্সিলে তাকে ২ নম্বর সহসভাপতি পদ দেওয়া হয়।
বরিশাল জেলা বিএনপির সদস্য ও বানারীপাড়া উপজেলা বিএনপির সহসভাপতি গোলাম মাহমুদ মাহাবুব মাষ্টার দল থেকে পদত্যাগ করেছেন। এর মধ্য দিয়ে জননন্দিত এ নেতা তার দীর্ঘ ৪০ বছরের বিএনপির রাজনীতির ইতি টানলেন। বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারী) সকালে তিনি বরিশাল জেলা বিএনপির (দক্ষিণ) সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক বরাবর জেলা বিএনপির সদস্য ও উপজেলা শাখার সহসভাপতি পদ থেকে লিখিত অব্যাহতি পত্র জমা দেন।
তিনি তার সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুক আইডিতেও এ পদত্যাগপত্র পোষ্ট করেন। পদত্যাগের কারন হিসেবে তিনি অব্যাহতি পত্রে উল্লেখ করেন দীর্ঘ চার দশক ধরে তিনি সুনাম ও নিষ্ঠার সঙ্গে জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির একজন নিবেদিত প্রাণ কর্মী হিসেবে রাজনীতি করেছেন।
এ দীর্ঘ সময় বিএনপির রাজনীতি করতে গিয়ে তিনি মামলা-হামলা,জেল,জুলুম, নীপিড়ন ও নির্যাতনের শিকার হয়েছেন। বর্তমানে তিনি নিজ দলে লাঞ্চিত, বঞ্চিত ও ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছেন।
তাই দল থেকে পদত্যাগ করেছেন। প্রসঙ্গত গোলাম মাহমুদ মাহাবুব মাষ্টার এর আগে বানারীপাড়া পৌর ও উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ছিলেন। গত বছর জুলাইতে অনুষ্ঠিত বানারীপাড়া উপজেলা বিএনপির ত্রি-বার্ষিক কাউন্সিলে তিনি সাধারণ সম্পাদক পদ প্রত্যাশী ছিলেন। সেই কাউন্সিলে তাকে ২ নম্বর সহসভাপতি পদ দেওয়া হয়।

২৯ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৮:৫৯
বরিশালের হিজলা উপজেলার মেমানিয়া ইউনিয়নের ছোট লক্ষীপুর গ্রাম সংক্রান্ত বিরোধী ১৩ জন নিরীহ চাষাকে মিথ্যা মামলায় ফাঁসানোর অভিযোগ পাওয়া গেছে।
জানাযায় গত ২০ শে জানুয়ারি হিজলা থানায় আমির হোসেন গাজী বাদী হয়ে এ মামলা দায়ের করেন। মিথ্যা মামলার বিষয়ে সরোজমিনে গেলে জানাযায় আব্দুল হাকিম গাজি গং ও আব্দুল গনি গাজী গং দীর্ঘ ৪০ বছর তাদের প্রায় ২১ একর পৈত্রিক সম্পত্তি ভোগ দখল করে আসছে।
এ জমির মালিকানা আমির হোসেন গাজী দাবি করে আদালতে মামলা দায়ের করলে এখনো মামলা চলমান রয়েছে। ঘটনা স্থানে প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান,ঘটনার দিন সকাল এগারোটায় আমির হোসেন গাজী ৫০ /৬০ জন মানুষ ও ৪ টি ট্রাক্টর নিয়ে সয়াবিন চাষ করা জমিতে পূণরায় সয়াবিন চাষ করা করতে আসে।
তখন দ্রুত গতিতে ট্রাক্টর চালানোর কারণে উল্টে পড়ে যায়। ট্রাক্টর ড্রাইভার ছিটকে নিচে পড়ে।তাতে ধারালো ব্লেড পায়ে ঢুকে পরে।পরে স্থানীয়রা উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যায়।
কিছু দিন পর চাষারা জানতে পারেন তাদের বিরুদ্ধে মামলা দিয়েছে। স্থানীয় বাসিন্দা প্রত্যক্ষদর্শী আলমগীর হাওলাদারের স্ত্রী সেলিনা জানান সেদিন বিরোধী জমিতে কোনো মারামারি হয়নি। অনেক গুলো ট্রাক্টর একসাথে জোরে চালানোর কারণে উল্টে পড়ে এই দুর্ঘটনা হয়। প্রতিপক্ষকে ঘায়েল করার জন্য মিথ্যা মামলা দিয়েছে।
মামলার বাদী পক্ষের আনোয়ার হোসেন বলেন আমির হোসেন গাজী লক্ষীপুর মৌজায় ২১ একর পৈতৃক সম্পত্তির মালিক।এ জমি হাকিম গাজি গং ও গনি গাজী গং জোর দখল ভোগদখল করে আসছে। ঘটনার দিন আমির গাজী চাষাবাদ করতে গেলে তাদের ধাওয়া দেয়। তখন ট্রাক্টর ড্রাইভার গুরুতর আহত হয়।
হিজলা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোঃ আদিল হোসেন জানান জমি বিরোধ কে কেন্দ্র করে একজনকে কুপিয়ে জখম করা হয়েছে মর্মে একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। সঠিক তদন্ত সাপেক্ষে আদালতে প্রতিবেদন দেওয়া হবে।
বরিশালের হিজলা উপজেলার মেমানিয়া ইউনিয়নের ছোট লক্ষীপুর গ্রাম সংক্রান্ত বিরোধী ১৩ জন নিরীহ চাষাকে মিথ্যা মামলায় ফাঁসানোর অভিযোগ পাওয়া গেছে।
জানাযায় গত ২০ শে জানুয়ারি হিজলা থানায় আমির হোসেন গাজী বাদী হয়ে এ মামলা দায়ের করেন। মিথ্যা মামলার বিষয়ে সরোজমিনে গেলে জানাযায় আব্দুল হাকিম গাজি গং ও আব্দুল গনি গাজী গং দীর্ঘ ৪০ বছর তাদের প্রায় ২১ একর পৈত্রিক সম্পত্তি ভোগ দখল করে আসছে।
এ জমির মালিকানা আমির হোসেন গাজী দাবি করে আদালতে মামলা দায়ের করলে এখনো মামলা চলমান রয়েছে। ঘটনা স্থানে প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান,ঘটনার দিন সকাল এগারোটায় আমির হোসেন গাজী ৫০ /৬০ জন মানুষ ও ৪ টি ট্রাক্টর নিয়ে সয়াবিন চাষ করা জমিতে পূণরায় সয়াবিন চাষ করা করতে আসে।
তখন দ্রুত গতিতে ট্রাক্টর চালানোর কারণে উল্টে পড়ে যায়। ট্রাক্টর ড্রাইভার ছিটকে নিচে পড়ে।তাতে ধারালো ব্লেড পায়ে ঢুকে পরে।পরে স্থানীয়রা উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যায়।
কিছু দিন পর চাষারা জানতে পারেন তাদের বিরুদ্ধে মামলা দিয়েছে। স্থানীয় বাসিন্দা প্রত্যক্ষদর্শী আলমগীর হাওলাদারের স্ত্রী সেলিনা জানান সেদিন বিরোধী জমিতে কোনো মারামারি হয়নি। অনেক গুলো ট্রাক্টর একসাথে জোরে চালানোর কারণে উল্টে পড়ে এই দুর্ঘটনা হয়। প্রতিপক্ষকে ঘায়েল করার জন্য মিথ্যা মামলা দিয়েছে।
মামলার বাদী পক্ষের আনোয়ার হোসেন বলেন আমির হোসেন গাজী লক্ষীপুর মৌজায় ২১ একর পৈতৃক সম্পত্তির মালিক।এ জমি হাকিম গাজি গং ও গনি গাজী গং জোর দখল ভোগদখল করে আসছে। ঘটনার দিন আমির গাজী চাষাবাদ করতে গেলে তাদের ধাওয়া দেয়। তখন ট্রাক্টর ড্রাইভার গুরুতর আহত হয়।
হিজলা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোঃ আদিল হোসেন জানান জমি বিরোধ কে কেন্দ্র করে একজনকে কুপিয়ে জখম করা হয়েছে মর্মে একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। সঠিক তদন্ত সাপেক্ষে আদালতে প্রতিবেদন দেওয়া হবে।

২৯ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৭:৫০
সাইবার মামলায় বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের (ববি) শারীরিক শিক্ষা দপ্তরের সহকারী পরিচালক সেলিনা বেগমের জামিন নামঞ্জুর করে তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছে আদালত। বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি) বরিশাল অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে শুনানি শেষে বিচারক এই আদেশ দেন।
বিশ্ববিদ্যালয় ও মামলার নথিপত্রে জানা গেছে, সেলিনা বেগমের বিরুদ্ধে একাধিক বিয়ে, সরকারি কর্মকর্তাদের সঙ্গে অনৈতিক সম্পর্ক স্থাপন, ব্ল্যাকমেইল ও শারীরিক নির্যাতনের অভিযোগ রয়েছে। এসব সুনির্দিষ্ট অভিযোগের ভিত্তিতে ২০২৫ সালের ৫ ডিসেম্বর তার বিরুদ্ধে সাইবার ট্রাইব্যুনালে একটি মামলা দায়ের করা হয়।
এছাড়া সম্প্রতি লালমনিরহাট জেলা শিল্পকলা অ্যাকাডেমির সাবেক এক কালচারাল কর্মকর্তাকে অফিসকক্ষে নির্যাতনের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে বিষয়টি নতুন করে আলোচনায় আসে।
বাদি পক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট আবুল কালাম আজাদ ইমন বলেন, আদালত ও তদন্তকারী কর্মকর্তাকে মিথ্যা তথ্য দিয়ে বিভ্রান্তি করায় আমাদের আবেদনের প্রেক্ষিতে আদালত তার জামিন নামঞ্জুর করে জেল হাজতে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
এই বিষয়ে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যকে ড. মোহাম্মদ তৌফিক আলম বলেন, বিষয়টি আদালতে বিচারাধীন রয়েছে। তাই আদালত যে সিদ্ধান্ত দেবেন, বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ সে অনুযায়ীই পরবর্তী পদক্ষেপ নেবে।
সাইবার মামলায় বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের (ববি) শারীরিক শিক্ষা দপ্তরের সহকারী পরিচালক সেলিনা বেগমের জামিন নামঞ্জুর করে তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছে আদালত। বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি) বরিশাল অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে শুনানি শেষে বিচারক এই আদেশ দেন।
বিশ্ববিদ্যালয় ও মামলার নথিপত্রে জানা গেছে, সেলিনা বেগমের বিরুদ্ধে একাধিক বিয়ে, সরকারি কর্মকর্তাদের সঙ্গে অনৈতিক সম্পর্ক স্থাপন, ব্ল্যাকমেইল ও শারীরিক নির্যাতনের অভিযোগ রয়েছে। এসব সুনির্দিষ্ট অভিযোগের ভিত্তিতে ২০২৫ সালের ৫ ডিসেম্বর তার বিরুদ্ধে সাইবার ট্রাইব্যুনালে একটি মামলা দায়ের করা হয়।
এছাড়া সম্প্রতি লালমনিরহাট জেলা শিল্পকলা অ্যাকাডেমির সাবেক এক কালচারাল কর্মকর্তাকে অফিসকক্ষে নির্যাতনের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে বিষয়টি নতুন করে আলোচনায় আসে।
বাদি পক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট আবুল কালাম আজাদ ইমন বলেন, আদালত ও তদন্তকারী কর্মকর্তাকে মিথ্যা তথ্য দিয়ে বিভ্রান্তি করায় আমাদের আবেদনের প্রেক্ষিতে আদালত তার জামিন নামঞ্জুর করে জেল হাজতে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
এই বিষয়ে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যকে ড. মোহাম্মদ তৌফিক আলম বলেন, বিষয়টি আদালতে বিচারাধীন রয়েছে। তাই আদালত যে সিদ্ধান্ত দেবেন, বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ সে অনুযায়ীই পরবর্তী পদক্ষেপ নেবে।

Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
২৯ জানুয়ারি, ২০২৬ ২৩:৩৫
২৯ জানুয়ারি, ২০২৬ ২১:১৭
২৯ জানুয়ারি, ২০২৬ ২০:৫৮
২৯ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৯:৩৮