বরিশালের বাকেরগঞ্জে কবাই ইউনিয়ন বিএনপির ৮নং ওয়ার্ডের সাবেক সভাপতি শাহিন হাওলাদারের মুক্তি ও মামলা প্রত্যাহারের দাবিতে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বুধবার (১ অক্টোবর) সকাল ১১ টায় উপজেলার কবাই ইউনিয়নের উত্তর কবাই গ্রামে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। এ সময় মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন হাসিনা বেগম, ফাতেমা আক্তার, ফারজানা বেগম, রেবা বেগম প্রমূখ।
মানববন্ধনে শতশত নারীরা অংশগ্রহণ করেন। মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, গত ২৮ সেপ্টেম্বর দিবাগত রাত ১২টার সময় বিএনপি নেতা শাহিন হাওলাদার ও শওকত খানের বাড়ীতে ডাকাতি সংগঠিত হয়।
ডাকাতির বিষয়টি রাত ১টার সময় এলাকার মসজিদে মাইকিং করে দিলে ওই সময় এলাকাবাসী ডাকাত সোহেল খানকে আটক করে। পরবর্তীতে এলাকাবাসীর গণপিটুনিতে সে নিহত হয়। এ ঘটনাকে পুঁজি করে এলাকার বিএনপির আরেকটি গ্রুপ ডাকাত সোহেল খানের মাকে বাদি করে বাকেরগঞ্জ থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।
ওই মামলায় পুলিশ ২৮ সেপ্টেম্বর বিএনপি নেতা শাহীন হাওলাদার সহ তার ভাই শামীম হাওলাদার ও শওকত খানসহ ৩জন গ্রেপ্তার করে। বর্তমানে তারা হাজতে রয়েছে। বিএনপি নেতা শাহিন হাওলাদারের স্ত্রী ফারজানা আক্তার সাংবাদিকদের জানান, তার স্বামী বাড়িতে না থাকায় গত রবিবার দিবাগত রাত সাড়ে ১২ টার সময় ডাকাত সোহেল তার বাহিনী নিয়ে ঘরের দরজা ভেঙে ভিতরে প্রবেশ করে গলায় রামদা ঠেকিয়ে নগদ টাকা ও স্বর্ণালংকার নিয়ে যায়।
এ ঘটনায় তিনি বাদী হয়ে ৩০ সেপ্টেম্বর বরিশালে আদালতে একটি ডাকাতির মামলা দায়ের করেছেন। বিজ্ঞ বিচারক মামলাটি তদন্তের জন্য পিবিআইকে নির্দেশ দিয়েছে। মামলা দায়েরের পর থেকে তিনি ও তার পরিবার নিরাপত্তাহীনতায় রয়েছেন।
তিনি সুষ্ঠু তদন্ত সাপেক্ষে ন্যায় বিচারের দাবি জানান। মানববন্ধনে ফাতেমা আক্তার বলেন, ডাকাত সোহেল নিহতের ঘটনায় স্থানীয় একটি প্রভাবশালী মহল এলাকায় নিরীহ মানুষদের আসামি করে হয়রানি করে আসছে।
এলাকা এখন মামলা আতঙ্কে পুরুষ শূন্য হয়ে পড়েছে। আমরা নারীরা শুধু বাড়িতে রয়েছি। ডাকাতদের বিরুদ্ধে আমরা মামলা করায় তারা আমাদেরকে বিভিন্ন রকম হুমকি দিয়ে আসছে।
ডাকাত সোহেলের বিরুদ্ধে বিভিন্ন থানায় দশটির উপর মামলা রয়েছে। সে একজন চিহ্নিত ডাকাত ছিল। দ্রুত সময়ের মধ্যে ডাকাত গ্রেফতারের দাবিও জানান তারা। মানববন্ধনে বক্তারা অবিলম্বে বিএনপি নেতা শাহীন হাওলাদারের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা প্রত্যাহারপূর্বক তার নিঃশর্ত মুক্তির দাবি জানান।

১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ০৫:৫৬
বরিশাল নগরের ফজলুল হক এভিনিউ ও সদর রোড এলাকা ফুটপাত দখল করে ব্যবসা পরিচালনা, মেয়াদোত্তীর্ণ ট্রেড লাইসেন্সে ব্যবসা এবং অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে খাদ্য সরবরাহের বিরুদ্ধে উচ্ছেদ অভিযান ও মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করেছে বরিশাল সিটি করপোরেশন (বিসিসি)।
মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) বিসিসির এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ উজ জামানের নেতৃত্বে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।
অভিযানকালে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে ব্যবসা পরিচালনা করার দায়ে মুসলিম সুইটস এন্ড রেস্তোরাঁ ও মা গৌরনদী মিষ্টান্ন ভান্ডারকে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন ২০০৯ এর ৫৩ ধারায় মোট ১৩ হাজার টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়।
এ সময় সর্বসাধারণের চলাচলের নির্ধারিত স্থান (ফুটপাত) দখল করে ব্যবসা পরিচালনা করার দায়ে ২ টি ব্যবসা প্রতিষ্ঠানসহ একাধিক পরিচালিত বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানে স্থানীয় সরকার (সিটি কর্পোরেশন) আইন ২০০৯-এর ৯২(৭) ধারা, স্থানীয় সরকার (সিটি কর্পোরেশন) আইন ২০০৯ এর ৯২(৩) ধারায় মোট ২৩ হাজার টাকা জরিমানা করা হয় এবং তাৎক্ষণিকভাবে আদায় করা হয়।
জনস্বার্থে নগরীর সড়ক ও ফুটপাত দখলমুক্ত রাখতে, জনসাধারণের নির্বিঘ্ন চলাচল নিশ্চিত করা এবং অনিয়মের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নিতে এ ধরনের উচ্ছেদ অভিযান ও মোবাইল কোর্ট কার্যক্রম ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে বলে জানিয়েছে বরিশাল সিটি করপোরেশন(বিসিসি)।
বরিশাল টাইমস
বরিশাল নগরের ফজলুল হক এভিনিউ ও সদর রোড এলাকা ফুটপাত দখল করে ব্যবসা পরিচালনা, মেয়াদোত্তীর্ণ ট্রেড লাইসেন্সে ব্যবসা এবং অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে খাদ্য সরবরাহের বিরুদ্ধে উচ্ছেদ অভিযান ও মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করেছে বরিশাল সিটি করপোরেশন (বিসিসি)।
মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) বিসিসির এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ উজ জামানের নেতৃত্বে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।
অভিযানকালে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে ব্যবসা পরিচালনা করার দায়ে মুসলিম সুইটস এন্ড রেস্তোরাঁ ও মা গৌরনদী মিষ্টান্ন ভান্ডারকে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন ২০০৯ এর ৫৩ ধারায় মোট ১৩ হাজার টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়।
এ সময় সর্বসাধারণের চলাচলের নির্ধারিত স্থান (ফুটপাত) দখল করে ব্যবসা পরিচালনা করার দায়ে ২ টি ব্যবসা প্রতিষ্ঠানসহ একাধিক পরিচালিত বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানে স্থানীয় সরকার (সিটি কর্পোরেশন) আইন ২০০৯-এর ৯২(৭) ধারা, স্থানীয় সরকার (সিটি কর্পোরেশন) আইন ২০০৯ এর ৯২(৩) ধারায় মোট ২৩ হাজার টাকা জরিমানা করা হয় এবং তাৎক্ষণিকভাবে আদায় করা হয়।
জনস্বার্থে নগরীর সড়ক ও ফুটপাত দখলমুক্ত রাখতে, জনসাধারণের নির্বিঘ্ন চলাচল নিশ্চিত করা এবং অনিয়মের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নিতে এ ধরনের উচ্ছেদ অভিযান ও মোবাইল কোর্ট কার্যক্রম ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে বলে জানিয়েছে বরিশাল সিটি করপোরেশন(বিসিসি)।
বরিশাল টাইমস

১৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১৬:৪৪
বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ, সংগঠক ও বীর মুক্তিযোদ্ধা অধ্যক্ষ মো. বেলায়েত হোসেনের প্রথম মৃত্যুবার্ষিকী আগামী ১৭ সেপ্টেম্বর (বৃহস্পতিবার)। এ উপলক্ষে ‘বেলায়েত হোসেন ফাউন্ডেশন’-এর উদ্যোগে দিনব্যাপী নানা কর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছে।
কর্মসূচির সূচনা হবে ১৭ সেপ্টেম্বর সকাল ১০টায় বরিশাল আঞ্জুমানের মুসলিম গোরস্থানে মরহুমের কবর জিয়ারতের মাধ্যমে। এরপর বেলা ১১টায় সরকারি সৈয়দ হাতেম আলী কলেজে বৃক্ষরোপণ, বাদ যোহর মরহুমের নিজ এলাকা ২৭ নম্বর ওয়ার্ডের সোনা মিয়ার পুল এবং পার্শ্ববর্তী মসজিদ ও স্থানীয় এতিমখানাসমূহে দোয়া ও মোনাজাত অনুষ্ঠিত হবে। দুপুর ২টায় কাউনিয়া হাউজিংয়ে অবস্থিত বৃদ্ধাশ্রমে প্রবীণদের সাথে সহমর্মিতার মধ্যাহ্নভোজ এবং বিকেল ৩টা থেকে সেখানে ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প পরিচালিত হবে।
দিনব্যাপী এ কর্মসূচির অংশ হিসেবে বিকেল ৫টায় বরিশাল রায় রোডস্থ বীর মুক্তিযোদ্ধা মিন্টু বসু সড়কের ‘খেয়ালী গ্রুপ থিয়েটার’ মিলনায়তনে স্মরণসভার আয়োজন করা হয়েছে। সেখানে প্রদর্শিত হবে অধ্যক্ষ বেলায়েত হোসেনের বর্নাঢ্য জীবন ও কর্ম নিয়ে নির্মিত প্রামাণ্য চিত্র, যে জীবন মানুষের।
আয়োজকদের পক্ষ থেকে মরহুমের আত্মীয়-স্বজন, সহকর্মী, গুণগ্রাহী ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের সকল কর্মসূচিতে উপস্থিত থাকার জন্য অনুরোধ জানানো হয়েছে।
উল্লেখ্য যে, তিনি বরিশালের বিশ্ববিদ্যালয়ের ডেপুটি রেজিস্ট্রার, প্রাবন্ধিক ও সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব বাহাউদ্দিন গোলাপের পিতা।
বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ, সংগঠক ও বীর মুক্তিযোদ্ধা অধ্যক্ষ মো. বেলায়েত হোসেনের প্রথম মৃত্যুবার্ষিকী আগামী ১৭ সেপ্টেম্বর (বৃহস্পতিবার)। এ উপলক্ষে ‘বেলায়েত হোসেন ফাউন্ডেশন’-এর উদ্যোগে দিনব্যাপী নানা কর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছে।
কর্মসূচির সূচনা হবে ১৭ সেপ্টেম্বর সকাল ১০টায় বরিশাল আঞ্জুমানের মুসলিম গোরস্থানে মরহুমের কবর জিয়ারতের মাধ্যমে। এরপর বেলা ১১টায় সরকারি সৈয়দ হাতেম আলী কলেজে বৃক্ষরোপণ, বাদ যোহর মরহুমের নিজ এলাকা ২৭ নম্বর ওয়ার্ডের সোনা মিয়ার পুল এবং পার্শ্ববর্তী মসজিদ ও স্থানীয় এতিমখানাসমূহে দোয়া ও মোনাজাত অনুষ্ঠিত হবে। দুপুর ২টায় কাউনিয়া হাউজিংয়ে অবস্থিত বৃদ্ধাশ্রমে প্রবীণদের সাথে সহমর্মিতার মধ্যাহ্নভোজ এবং বিকেল ৩টা থেকে সেখানে ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প পরিচালিত হবে।
দিনব্যাপী এ কর্মসূচির অংশ হিসেবে বিকেল ৫টায় বরিশাল রায় রোডস্থ বীর মুক্তিযোদ্ধা মিন্টু বসু সড়কের ‘খেয়ালী গ্রুপ থিয়েটার’ মিলনায়তনে স্মরণসভার আয়োজন করা হয়েছে। সেখানে প্রদর্শিত হবে অধ্যক্ষ বেলায়েত হোসেনের বর্নাঢ্য জীবন ও কর্ম নিয়ে নির্মিত প্রামাণ্য চিত্র, যে জীবন মানুষের।
আয়োজকদের পক্ষ থেকে মরহুমের আত্মীয়-স্বজন, সহকর্মী, গুণগ্রাহী ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের সকল কর্মসূচিতে উপস্থিত থাকার জন্য অনুরোধ জানানো হয়েছে।
উল্লেখ্য যে, তিনি বরিশালের বিশ্ববিদ্যালয়ের ডেপুটি রেজিস্ট্রার, প্রাবন্ধিক ও সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব বাহাউদ্দিন গোলাপের পিতা।

১৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১৫:৩৫
বরিশালের বাবুগঞ্জে দ্রুতগতির বাসের ধাক্কায় এক সহকারী শিক্ষিকা নিহত হয়েছেন। মঙ্গলবার সকাল ৯টা ৪০ মিনিটের দিকে ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কের দ্বারিকা-শিকারপুর ব্রিজের ঢালের পশ্চিম পাশে রাকুদিয়া এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহত রেহানা বেগম (৪৫) রাকুদিয়া দাখিল মাদরাসার সুপার মাওলানা নাসিরউদ্দিনের স্ত্রী।
স্থানীয় ও মাদরাসা সূত্রে জানা গেছে, মঙ্গলবার সকালে শিকারপুর ব্রিজের ঢাল এলাকায় ঢাকা-বরিশাল মহাসড়ক পার হচ্ছিলেন রেহানা বেগম। এ সময় ঢাকা থেকে বরিশালগামী লাবিবা কোম্পানির ‘আহনাফ পরিবহন’ নামের একটি বেপরোয়া গতির বাস তাকে সজোরে ধাক্কা দেয়। এতে তিনি ছিটকে সড়কের পাশে পড়ে গিয়ে মাথায় ও শরীরের বিভিন্ন স্থানে গুরুতর আঘাত পান। দুর্ঘটনার খবর পেয়ে মাদরাসার শিক্ষকেরা দ্রুত ঘটনাস্থলে ছুটে গিয়ে তাকে উদ্ধার করেন। পরবর্তীতে রেহানা বেগমকে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে (শেবাচিম) ভর্তি করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সকাল সাড়ে ১১টার দিকে তার মৃত্যু হয়।
তার মৃত্যুর খবর মাদরাসায় পৌঁছালে শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও স্থানীয়দের মধ্যে গভীর শোক ও তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়। একপর্যায়ে ক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীরা নিরাপদ সড়ক নিশ্চিত করা, দুর্ঘটনার জন্য দায়ী চালকের বিচার ও কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া এবং মহাসড়কে বেপরোয়া গতিতে যানবাহন চলাচল বন্ধের দাবিতে সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ প্রদর্শন করে।
শিক্ষার্থীদের দীর্ঘ সময় সড়ক অবরোধ করে রাখার কারণে ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কের উভয় পাশে তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়, ফলে দুর্ভোগে পড়েন হাজার হাজার যাত্রী ও সাধারণ মানুষ।
সংবাদ পেয়ে বরিশাল মেট্রোপলিটন বিমানবন্দর থানার পুলিশ, হাইওয়ে পুলিশ ও বাবুগঞ্জ থানার পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করে। পরে চালক ও বাস আটকের আশ্বাসসহ লাবিবা কোম্পানির কয়েকটি বাস আটক করা হলে প্রায় এক ঘণ্টা পর শিক্ষার্থীরা অবরোধ প্রত্যাহার করে নেয়। এরপর মহাসড়কে যান চলাচল স্বাভাবিক হয়। ব্রেকিংনিউজ
ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বাবুগঞ্জ থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মিজানুর রহমান বরিশালটাইমসকে জানান, সড়ক দুর্ঘটনায় গুরুতর আহত নারী হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন। বর্তমানে মহাসড়কে যান চলাচল স্বাভাবিক রয়েছে এবং দুর্ঘটনার বিষয়ে প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থাগ্রহণ প্রক্রিয়াধীন।’
বরিশালের বাবুগঞ্জে দ্রুতগতির বাসের ধাক্কায় এক সহকারী শিক্ষিকা নিহত হয়েছেন। মঙ্গলবার সকাল ৯টা ৪০ মিনিটের দিকে ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কের দ্বারিকা-শিকারপুর ব্রিজের ঢালের পশ্চিম পাশে রাকুদিয়া এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহত রেহানা বেগম (৪৫) রাকুদিয়া দাখিল মাদরাসার সুপার মাওলানা নাসিরউদ্দিনের স্ত্রী।
স্থানীয় ও মাদরাসা সূত্রে জানা গেছে, মঙ্গলবার সকালে শিকারপুর ব্রিজের ঢাল এলাকায় ঢাকা-বরিশাল মহাসড়ক পার হচ্ছিলেন রেহানা বেগম। এ সময় ঢাকা থেকে বরিশালগামী লাবিবা কোম্পানির ‘আহনাফ পরিবহন’ নামের একটি বেপরোয়া গতির বাস তাকে সজোরে ধাক্কা দেয়। এতে তিনি ছিটকে সড়কের পাশে পড়ে গিয়ে মাথায় ও শরীরের বিভিন্ন স্থানে গুরুতর আঘাত পান। দুর্ঘটনার খবর পেয়ে মাদরাসার শিক্ষকেরা দ্রুত ঘটনাস্থলে ছুটে গিয়ে তাকে উদ্ধার করেন। পরবর্তীতে রেহানা বেগমকে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে (শেবাচিম) ভর্তি করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সকাল সাড়ে ১১টার দিকে তার মৃত্যু হয়।
তার মৃত্যুর খবর মাদরাসায় পৌঁছালে শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও স্থানীয়দের মধ্যে গভীর শোক ও তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়। একপর্যায়ে ক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীরা নিরাপদ সড়ক নিশ্চিত করা, দুর্ঘটনার জন্য দায়ী চালকের বিচার ও কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া এবং মহাসড়কে বেপরোয়া গতিতে যানবাহন চলাচল বন্ধের দাবিতে সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ প্রদর্শন করে।
শিক্ষার্থীদের দীর্ঘ সময় সড়ক অবরোধ করে রাখার কারণে ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কের উভয় পাশে তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়, ফলে দুর্ভোগে পড়েন হাজার হাজার যাত্রী ও সাধারণ মানুষ।
সংবাদ পেয়ে বরিশাল মেট্রোপলিটন বিমানবন্দর থানার পুলিশ, হাইওয়ে পুলিশ ও বাবুগঞ্জ থানার পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করে। পরে চালক ও বাস আটকের আশ্বাসসহ লাবিবা কোম্পানির কয়েকটি বাস আটক করা হলে প্রায় এক ঘণ্টা পর শিক্ষার্থীরা অবরোধ প্রত্যাহার করে নেয়। এরপর মহাসড়কে যান চলাচল স্বাভাবিক হয়। ব্রেকিংনিউজ
ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বাবুগঞ্জ থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মিজানুর রহমান বরিশালটাইমসকে জানান, সড়ক দুর্ঘটনায় গুরুতর আহত নারী হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন। বর্তমানে মহাসড়কে যান চলাচল স্বাভাবিক রয়েছে এবং দুর্ঘটনার বিষয়ে প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থাগ্রহণ প্রক্রিয়াধীন।’

০১ অক্টোবর, ২০২৫ ২০:২৫
বরিশালের বাকেরগঞ্জে কবাই ইউনিয়ন বিএনপির ৮নং ওয়ার্ডের সাবেক সভাপতি শাহিন হাওলাদারের মুক্তি ও মামলা প্রত্যাহারের দাবিতে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বুধবার (১ অক্টোবর) সকাল ১১ টায় উপজেলার কবাই ইউনিয়নের উত্তর কবাই গ্রামে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। এ সময় মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন হাসিনা বেগম, ফাতেমা আক্তার, ফারজানা বেগম, রেবা বেগম প্রমূখ।
মানববন্ধনে শতশত নারীরা অংশগ্রহণ করেন। মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, গত ২৮ সেপ্টেম্বর দিবাগত রাত ১২টার সময় বিএনপি নেতা শাহিন হাওলাদার ও শওকত খানের বাড়ীতে ডাকাতি সংগঠিত হয়।
ডাকাতির বিষয়টি রাত ১টার সময় এলাকার মসজিদে মাইকিং করে দিলে ওই সময় এলাকাবাসী ডাকাত সোহেল খানকে আটক করে। পরবর্তীতে এলাকাবাসীর গণপিটুনিতে সে নিহত হয়। এ ঘটনাকে পুঁজি করে এলাকার বিএনপির আরেকটি গ্রুপ ডাকাত সোহেল খানের মাকে বাদি করে বাকেরগঞ্জ থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।
ওই মামলায় পুলিশ ২৮ সেপ্টেম্বর বিএনপি নেতা শাহীন হাওলাদার সহ তার ভাই শামীম হাওলাদার ও শওকত খানসহ ৩জন গ্রেপ্তার করে। বর্তমানে তারা হাজতে রয়েছে। বিএনপি নেতা শাহিন হাওলাদারের স্ত্রী ফারজানা আক্তার সাংবাদিকদের জানান, তার স্বামী বাড়িতে না থাকায় গত রবিবার দিবাগত রাত সাড়ে ১২ টার সময় ডাকাত সোহেল তার বাহিনী নিয়ে ঘরের দরজা ভেঙে ভিতরে প্রবেশ করে গলায় রামদা ঠেকিয়ে নগদ টাকা ও স্বর্ণালংকার নিয়ে যায়।
এ ঘটনায় তিনি বাদী হয়ে ৩০ সেপ্টেম্বর বরিশালে আদালতে একটি ডাকাতির মামলা দায়ের করেছেন। বিজ্ঞ বিচারক মামলাটি তদন্তের জন্য পিবিআইকে নির্দেশ দিয়েছে। মামলা দায়েরের পর থেকে তিনি ও তার পরিবার নিরাপত্তাহীনতায় রয়েছেন।
তিনি সুষ্ঠু তদন্ত সাপেক্ষে ন্যায় বিচারের দাবি জানান। মানববন্ধনে ফাতেমা আক্তার বলেন, ডাকাত সোহেল নিহতের ঘটনায় স্থানীয় একটি প্রভাবশালী মহল এলাকায় নিরীহ মানুষদের আসামি করে হয়রানি করে আসছে।
এলাকা এখন মামলা আতঙ্কে পুরুষ শূন্য হয়ে পড়েছে। আমরা নারীরা শুধু বাড়িতে রয়েছি। ডাকাতদের বিরুদ্ধে আমরা মামলা করায় তারা আমাদেরকে বিভিন্ন রকম হুমকি দিয়ে আসছে।
ডাকাত সোহেলের বিরুদ্ধে বিভিন্ন থানায় দশটির উপর মামলা রয়েছে। সে একজন চিহ্নিত ডাকাত ছিল। দ্রুত সময়ের মধ্যে ডাকাত গ্রেফতারের দাবিও জানান তারা। মানববন্ধনে বক্তারা অবিলম্বে বিএনপি নেতা শাহীন হাওলাদারের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা প্রত্যাহারপূর্বক তার নিঃশর্ত মুক্তির দাবি জানান।
১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ২১:০৬
১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ২০:০৩
১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১৯:০৯
১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১৮:৫৪