
০২ মার্চ, ২০২৬ ০৯:৪৯
ছয়দফা দাবি আদায়ে কর্মবিরতি শুরু করেছেন বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের (ববি) কর্মচারীরা। রোববার (১ মার্চ) সকাল ৯টা থেকে বেলা সাড়ে ৩টা পর্যন্ত এ কর্মসূচি চলে। এতে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন দপ্তরের কার্যক্রম অনেকটা ব্যাহত হয়।
কর্মচারীদের দাবিগুলো হচ্ছে, নিয়মিত আপগ্রেডেশন বোর্ড বসানো ও প্রাপ্য তারিখ থেকে তা কার্যকর করা, সিন্ডিকেট অনুমোদিত অধিককাল কাজের বকেয়া বিল পরিশোধ, সরল সুদে সাধারণ গৃহনির্মাণ ঋণ প্রকল্প দ্রুত বাস্তবায়ন, সার্ভিস রুল ও নিজস্ব পেনশন বিধিমালা প্রণয়ন না হওয়া পর্যন্ত সরকারি বিধি অনুযায়ী পেনশন প্রদান, কর্মচারীদের সংগঠন করার অধিকার এবং কর্মচারীদের বিমা, আবাসনব্যবস্থা ও কল্যাণ তহবিলের আওতাভুক্ত করা।
কর্মচারী প্রতিনিধি রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের অফিস সহায়ক মো. হাসানুজ্জামান জানান, উপাচার্য প্রফেসর ড. মোহাম্মদ তৌফিক আলম ইউজিসির দোহাই দিয়ে তাদের ন্যায্য অধিকার থেকে বঞ্চিত করছেন। দাবি আদায়ে ১১ থেকে ২০তম গ্রেডের প্রায় ১৬০ জন কর্মচারী এই কর্মবিরতিতে অংশ নেন। তাদের এ দাবি আগামী তিন দিনের মধ্যে মানা না হলে আরও কঠোর কর্মসূচি দেবেন।
এ সময় কর্মচারীদের পক্ষে আরও বক্তব্য দেন বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্মচারী পরিষদের সাবেক সভাপতি আজিজ শিকদার, সাবেক সভাপতি আরিফুল ইসলাম সুমন প্রমুখ।
এ বিষয়ে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. মোহাম্মদ তৌফিক আলম জানান, কর্মচারীদের নিয়ে সোমবার তিনি বসবেন। তাদের ছয়টি দাবি থাকলেও মূল বিষয় হলো আপগ্রেডেশনে পদোন্নতি।
বরিশাল টাইমস
ছবি: বরিশাল টাইমস
ছয়দফা দাবি আদায়ে কর্মবিরতি শুরু করেছেন বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের (ববি) কর্মচারীরা। রোববার (১ মার্চ) সকাল ৯টা থেকে বেলা সাড়ে ৩টা পর্যন্ত এ কর্মসূচি চলে। এতে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন দপ্তরের কার্যক্রম অনেকটা ব্যাহত হয়।
কর্মচারীদের দাবিগুলো হচ্ছে, নিয়মিত আপগ্রেডেশন বোর্ড বসানো ও প্রাপ্য তারিখ থেকে তা কার্যকর করা, সিন্ডিকেট অনুমোদিত অধিককাল কাজের বকেয়া বিল পরিশোধ, সরল সুদে সাধারণ গৃহনির্মাণ ঋণ প্রকল্প দ্রুত বাস্তবায়ন, সার্ভিস রুল ও নিজস্ব পেনশন বিধিমালা প্রণয়ন না হওয়া পর্যন্ত সরকারি বিধি অনুযায়ী পেনশন প্রদান, কর্মচারীদের সংগঠন করার অধিকার এবং কর্মচারীদের বিমা, আবাসনব্যবস্থা ও কল্যাণ তহবিলের আওতাভুক্ত করা।
কর্মচারী প্রতিনিধি রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের অফিস সহায়ক মো. হাসানুজ্জামান জানান, উপাচার্য প্রফেসর ড. মোহাম্মদ তৌফিক আলম ইউজিসির দোহাই দিয়ে তাদের ন্যায্য অধিকার থেকে বঞ্চিত করছেন। দাবি আদায়ে ১১ থেকে ২০তম গ্রেডের প্রায় ১৬০ জন কর্মচারী এই কর্মবিরতিতে অংশ নেন। তাদের এ দাবি আগামী তিন দিনের মধ্যে মানা না হলে আরও কঠোর কর্মসূচি দেবেন।
এ সময় কর্মচারীদের পক্ষে আরও বক্তব্য দেন বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্মচারী পরিষদের সাবেক সভাপতি আজিজ শিকদার, সাবেক সভাপতি আরিফুল ইসলাম সুমন প্রমুখ।
এ বিষয়ে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. মোহাম্মদ তৌফিক আলম জানান, কর্মচারীদের নিয়ে সোমবার তিনি বসবেন। তাদের ছয়টি দাবি থাকলেও মূল বিষয় হলো আপগ্রেডেশনে পদোন্নতি।
বরিশাল টাইমস

১১ মার্চ, ২০২৬ ১৪:৪১
সাতক্ষীরা কেন্দ্রীয় মন্দিরে চুরির ঘটনা ঘটেছে। গভীর রাতে মন্দিরের একাধিক কক্ষের তালা কেটে প্রতিমার স্বর্ণালংকার, রুপা ও দানবাক্সের নগদ অর্থ লুট করে নিয়ে গেছে দুর্বৃত্তরা। মন্দির কর্তৃপক্ষের প্রাথমিক হিসাব অনুযায়ী, প্রায় ১৮ লাখ টাকার সম্পদ চুরি হয়েছে।
বুধবার (১১ মার্চ) মধ্যরাতে এ ঘটনা ঘটে। সাতক্ষীরা জেলা মন্দির সমিতির সাধারণ সম্পাদক নিত্যানন্দ আমিন বলেন, চোরেরা ‘মায়ের বাড়ি’ মন্দিরের কালীমন্দির, অন্নপূর্ণা মন্দির, রাধাগোবিন্দ মন্দির ও জগন্নাথ মন্দিরের তালা কেটে ভেতরে প্রবেশ করে। পরে প্রতিমার বিভিন্ন স্বর্ণালংকার ও দানবাক্সের অর্থ চুরি করে নিয়ে যায়।
চুরি হওয়া সামগ্রীর মধ্যে রয়েছে চার ভরি ওজনের দুই জোড়া স্বর্ণের বালা, এক ভরি ওজনের দুই জোড়া শাঁখা, চার আনা ওজনের এক জোড়া কানের দুল, আট আনা ওজনের একটি ‘মায়ের জিভ’, আট আনা ওজনের একটি চেন, দশ আনা ওজনের একটি নথ, চার আনা ওজনের দুই জোড়া পেটি, প্রায় পাঁচ ভরি রুপা, দানবাক্সের নগদ সাত হাজার টাকা এবং অন্যান্য মূল্যবান সামগ্রী।
মন্দির সমিতির কার্যনির্বাহী সদস্য শিক্ষক দীপাসিন্ধু তরফদার বলেন, দুই দিন আগে শহরের কাটিয়া মন্দিরেও চুরির ঘটনা ঘটেছে। বারবার মন্দিরে চুরির ঘটনায় স্থানীয় হিন্দু সম্প্রদায়ের মধ্যে উদ্বেগ ও ক্ষোভ তৈরি হয়েছে। আমরা দ্রুত দোষীদের গ্রেপ্তার ও মন্দিরের নিরাপত্তা জোরদারের দাবি জানাই।
মন্দিরের কর্মকর্তা অসীম দাশ সোনা বলেন, মন্দিরের সিসিটিভি ফুটেজে কিছু তথ্য পাওয়া গেছে। প্রশাসনের কাছে দ্রুত চোরদের শনাক্ত করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানাই।
সাতক্ষীরা সদর পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ রেজাউল করিম বলেন, পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে বিভিন্ন আলামত সংগ্রহ করেছে। বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।
সাতক্ষীরা কেন্দ্রীয় মন্দিরে চুরির ঘটনা ঘটেছে। গভীর রাতে মন্দিরের একাধিক কক্ষের তালা কেটে প্রতিমার স্বর্ণালংকার, রুপা ও দানবাক্সের নগদ অর্থ লুট করে নিয়ে গেছে দুর্বৃত্তরা। মন্দির কর্তৃপক্ষের প্রাথমিক হিসাব অনুযায়ী, প্রায় ১৮ লাখ টাকার সম্পদ চুরি হয়েছে।
বুধবার (১১ মার্চ) মধ্যরাতে এ ঘটনা ঘটে। সাতক্ষীরা জেলা মন্দির সমিতির সাধারণ সম্পাদক নিত্যানন্দ আমিন বলেন, চোরেরা ‘মায়ের বাড়ি’ মন্দিরের কালীমন্দির, অন্নপূর্ণা মন্দির, রাধাগোবিন্দ মন্দির ও জগন্নাথ মন্দিরের তালা কেটে ভেতরে প্রবেশ করে। পরে প্রতিমার বিভিন্ন স্বর্ণালংকার ও দানবাক্সের অর্থ চুরি করে নিয়ে যায়।
চুরি হওয়া সামগ্রীর মধ্যে রয়েছে চার ভরি ওজনের দুই জোড়া স্বর্ণের বালা, এক ভরি ওজনের দুই জোড়া শাঁখা, চার আনা ওজনের এক জোড়া কানের দুল, আট আনা ওজনের একটি ‘মায়ের জিভ’, আট আনা ওজনের একটি চেন, দশ আনা ওজনের একটি নথ, চার আনা ওজনের দুই জোড়া পেটি, প্রায় পাঁচ ভরি রুপা, দানবাক্সের নগদ সাত হাজার টাকা এবং অন্যান্য মূল্যবান সামগ্রী।
মন্দির সমিতির কার্যনির্বাহী সদস্য শিক্ষক দীপাসিন্ধু তরফদার বলেন, দুই দিন আগে শহরের কাটিয়া মন্দিরেও চুরির ঘটনা ঘটেছে। বারবার মন্দিরে চুরির ঘটনায় স্থানীয় হিন্দু সম্প্রদায়ের মধ্যে উদ্বেগ ও ক্ষোভ তৈরি হয়েছে। আমরা দ্রুত দোষীদের গ্রেপ্তার ও মন্দিরের নিরাপত্তা জোরদারের দাবি জানাই।
মন্দিরের কর্মকর্তা অসীম দাশ সোনা বলেন, মন্দিরের সিসিটিভি ফুটেজে কিছু তথ্য পাওয়া গেছে। প্রশাসনের কাছে দ্রুত চোরদের শনাক্ত করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানাই।
সাতক্ষীরা সদর পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ রেজাউল করিম বলেন, পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে বিভিন্ন আলামত সংগ্রহ করেছে। বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।

১১ মার্চ, ২০২৬ ১৪:০৫
ইরানে নতুন সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ মোজতবা খামেনি দায়িত্ব নেওয়ার পর হামলার গতি বাড়িয়েছে তেহরান। ব্যবহার করছে আগের চেয়ে ভয়ংকর ও বিধ্বংসী ক্ষেপণাস্ত্র। দফায় দফায় প্রতিশোধমূলক হামলা চালিয়ে যাচ্ছে ইসরায়েলে। ফলে যুদ্ধ থেকে ‘পালানোর রাস্তা খুঁজতে’ শুরু করেছে তেল আবিব।
ইসরায়েলি পররাষ্ট্রমন্ত্রী গিডিয়ন সার মঙ্গলবার (১০ মার্চ) বলেছেন, ইরানের সঙ্গে ‘অনন্তকাল যুদ্ধ’ চায় না তেল আবিব। তিনি বলেন, ইসরায়েল ইরানের সঙ্গে কোনো ‘অনন্তকালব্যাপী যুদ্ধ’ করতে চাইছে না। এই সংঘাত কখন শেষ করা হবে, সে বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সমন্বয় করবে তারা।
জেরুজালেমে সাংবাদিকদের গিডিয়ন বলেন, ‘যখন আমরা মনে করব এটি (যুদ্ধ বন্ধ করার) সঠিক সময়, তখন আমরা আমাদের আমেরিকান বন্ধুদের সঙ্গে এ বিষয়ে পরামর্শ করব।’
এদিকে, ইরানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সংঘাত শুরুর পর মধ্যপ্রাচ্য থেকে পালিয়েছে ৪৩ হাজারের বেশি মার্কিন সেনা। মঙ্গলবার (১০ মার্চ) এক ব্রিফিংয়ে মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের মুখপাত্র টমি পিগট এ তথ্য নিশ্চিত করেন।
টমি পিগট বলেন, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি সংঘাত শুরুর পর থেকে নাগরিকদের নিরাপদে ফিরিয়ে আনতে বিশেষ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এ পর্যন্ত ফিরিয়ে আনা ব্যক্তিদের মধ্যে প্রায় ৩০ হাজার জনকে সহায়তা করেছে এ উদ্দেশ্যে গঠিত একটি বিশেষ টাস্কফোর্স।
পররাষ্ট্র দপ্তর জানায়, মধ্যপ্রাচ্য থেকে নাগরিকদের সরিয়ে নিতে দুই ডজনের বেশি চার্টার ফ্লাইট পরিচালনা করা হয়েছে। তবে এসব ফ্লাইট গড়ে ৪০ শতাংশের কম আসন পূর্ণ ছিল, কারণ অনেক মার্কিন নাগরিক বাণিজ্যিক ফ্লাইট ব্যবহার করে নিজ উদ্যোগেই দেশে ফিরেছে।
ইরানে নতুন সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ মোজতবা খামেনি দায়িত্ব নেওয়ার পর হামলার গতি বাড়িয়েছে তেহরান। ব্যবহার করছে আগের চেয়ে ভয়ংকর ও বিধ্বংসী ক্ষেপণাস্ত্র। দফায় দফায় প্রতিশোধমূলক হামলা চালিয়ে যাচ্ছে ইসরায়েলে। ফলে যুদ্ধ থেকে ‘পালানোর রাস্তা খুঁজতে’ শুরু করেছে তেল আবিব।
ইসরায়েলি পররাষ্ট্রমন্ত্রী গিডিয়ন সার মঙ্গলবার (১০ মার্চ) বলেছেন, ইরানের সঙ্গে ‘অনন্তকাল যুদ্ধ’ চায় না তেল আবিব। তিনি বলেন, ইসরায়েল ইরানের সঙ্গে কোনো ‘অনন্তকালব্যাপী যুদ্ধ’ করতে চাইছে না। এই সংঘাত কখন শেষ করা হবে, সে বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সমন্বয় করবে তারা।
জেরুজালেমে সাংবাদিকদের গিডিয়ন বলেন, ‘যখন আমরা মনে করব এটি (যুদ্ধ বন্ধ করার) সঠিক সময়, তখন আমরা আমাদের আমেরিকান বন্ধুদের সঙ্গে এ বিষয়ে পরামর্শ করব।’
এদিকে, ইরানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সংঘাত শুরুর পর মধ্যপ্রাচ্য থেকে পালিয়েছে ৪৩ হাজারের বেশি মার্কিন সেনা। মঙ্গলবার (১০ মার্চ) এক ব্রিফিংয়ে মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের মুখপাত্র টমি পিগট এ তথ্য নিশ্চিত করেন।
টমি পিগট বলেন, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি সংঘাত শুরুর পর থেকে নাগরিকদের নিরাপদে ফিরিয়ে আনতে বিশেষ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এ পর্যন্ত ফিরিয়ে আনা ব্যক্তিদের মধ্যে প্রায় ৩০ হাজার জনকে সহায়তা করেছে এ উদ্দেশ্যে গঠিত একটি বিশেষ টাস্কফোর্স।
পররাষ্ট্র দপ্তর জানায়, মধ্যপ্রাচ্য থেকে নাগরিকদের সরিয়ে নিতে দুই ডজনের বেশি চার্টার ফ্লাইট পরিচালনা করা হয়েছে। তবে এসব ফ্লাইট গড়ে ৪০ শতাংশের কম আসন পূর্ণ ছিল, কারণ অনেক মার্কিন নাগরিক বাণিজ্যিক ফ্লাইট ব্যবহার করে নিজ উদ্যোগেই দেশে ফিরেছে।

১১ মার্চ, ২০২৬ ১৩:৫৪
বরগুনার তালতলীতে গৃহবধূ আছিয়া আক্তার হত্যার প্রতিবাদে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। এ সময় মায়ের হত্যার বিচার দাবিতে প্ল্যাকার্ড হাতে দাঁড়িয়ে থাকা আছিয়ার চার বছরের শিশু সন্তান উপস্থিত সবাইকে আবেগাপ্লুত করেছে।
মঙ্গলবার (১০ মার্চ) সকাল ১১টার দিকে উপজেলার নিশানবাড়িয়া ইউনিয়নের মৌরভী এলাকায় ঘণ্টাব্যাপী মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। এতে প্রায় ছয় শতাধিক নারী-পুরুষ অংশগ্রহণ করেন। অংশগ্রহণকারীরা ‘আছিয়া হত্যার বিচার চাই’ এবং ‘হত্যাকারীদের ফাঁসি চাই’ লেখা প্ল্যাকার্ড হাতে নিয়ে প্রতিবাদ জানান।
এ সময় বক্তব্য দেন নিহত আছিয়ার বাবা মজিবর জমাদ্দার, চাচা জাহাঙ্গীর জমাদ্দার, বোন মনিরা বেগম, স্থানীয় মসজিদের ইমামসহ গ্রামবাসী। বক্তারা অভিযোগ করেন, যৌতুকের টাকার জন্য দীর্ঘদিন ধরে নির্যাতনের শিকার হচ্ছিলেন আছিয়া আক্তার। সামান্য ঈদের কাপড়চোপড়ের টাকা দিতে দেরি হওয়ায় তাকে হত্যা করা হয়।
তারা আরও অভিযোগ করেন, হত্যাকারীরা ঘটনাটি ধামাচাপা দিতে আত্মহত্যার নাটক সাজানোর চেষ্টা করেছিল। পুলিশ যখন মৃতদেহ উদ্ধার করতে যায়, তখনই আসামিরা পালিয়ে যায়, যা প্রমাণ করে তারা প্রকৃতপক্ষে হত্যাকারী।
নিহত আছিয়ার শিশু সন্তান যে প্ল্যাকার্ড হাতে দাঁড়িয়ে ছিল, তাতে লেখা ছিল, ‘বাবা, আমার মাকে ফিরিয়ে দাও। আমার মা কেন কবরে? প্রশাসনের কাছে জবাব চাই।’ হৃদয়বিদারক এ দৃশ্য উপস্থিত সবাইকে আবেগাপ্লুত করে।
[125311
মানববন্ধনে বক্তারা প্রশাসনকে ৪৮ ঘণ্টার আল্টিমেটাম দিয়ে বলেন, ‘এর মধ্যে হত্যাকাণ্ডে জড়িত সব আসামিকে গ্রেপ্তার করতে হবে। অন্যথায় এলাকাবাসী তালতলী থানা ঘেরাওসহ কঠোর কর্মসূচি ঘোষণা করবে।’
তালতলী থানার ওসি আশাদুর রহমান বলেন, ‘এ ঘটনায় একটি হত্যা মামলা হয়েছে। আমরা মামলাটি তদন্ত করছি। এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত সব আসামিকে আইনের আওতায় আনা হবে। আমরা সর্বোচ্চ চেষ্টা করে যাচ্ছি।’
বরিশাল টাইমস
বরগুনার তালতলীতে গৃহবধূ আছিয়া আক্তার হত্যার প্রতিবাদে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। এ সময় মায়ের হত্যার বিচার দাবিতে প্ল্যাকার্ড হাতে দাঁড়িয়ে থাকা আছিয়ার চার বছরের শিশু সন্তান উপস্থিত সবাইকে আবেগাপ্লুত করেছে।
মঙ্গলবার (১০ মার্চ) সকাল ১১টার দিকে উপজেলার নিশানবাড়িয়া ইউনিয়নের মৌরভী এলাকায় ঘণ্টাব্যাপী মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। এতে প্রায় ছয় শতাধিক নারী-পুরুষ অংশগ্রহণ করেন। অংশগ্রহণকারীরা ‘আছিয়া হত্যার বিচার চাই’ এবং ‘হত্যাকারীদের ফাঁসি চাই’ লেখা প্ল্যাকার্ড হাতে নিয়ে প্রতিবাদ জানান।
এ সময় বক্তব্য দেন নিহত আছিয়ার বাবা মজিবর জমাদ্দার, চাচা জাহাঙ্গীর জমাদ্দার, বোন মনিরা বেগম, স্থানীয় মসজিদের ইমামসহ গ্রামবাসী। বক্তারা অভিযোগ করেন, যৌতুকের টাকার জন্য দীর্ঘদিন ধরে নির্যাতনের শিকার হচ্ছিলেন আছিয়া আক্তার। সামান্য ঈদের কাপড়চোপড়ের টাকা দিতে দেরি হওয়ায় তাকে হত্যা করা হয়।
তারা আরও অভিযোগ করেন, হত্যাকারীরা ঘটনাটি ধামাচাপা দিতে আত্মহত্যার নাটক সাজানোর চেষ্টা করেছিল। পুলিশ যখন মৃতদেহ উদ্ধার করতে যায়, তখনই আসামিরা পালিয়ে যায়, যা প্রমাণ করে তারা প্রকৃতপক্ষে হত্যাকারী।
নিহত আছিয়ার শিশু সন্তান যে প্ল্যাকার্ড হাতে দাঁড়িয়ে ছিল, তাতে লেখা ছিল, ‘বাবা, আমার মাকে ফিরিয়ে দাও। আমার মা কেন কবরে? প্রশাসনের কাছে জবাব চাই।’ হৃদয়বিদারক এ দৃশ্য উপস্থিত সবাইকে আবেগাপ্লুত করে।
[125311
মানববন্ধনে বক্তারা প্রশাসনকে ৪৮ ঘণ্টার আল্টিমেটাম দিয়ে বলেন, ‘এর মধ্যে হত্যাকাণ্ডে জড়িত সব আসামিকে গ্রেপ্তার করতে হবে। অন্যথায় এলাকাবাসী তালতলী থানা ঘেরাওসহ কঠোর কর্মসূচি ঘোষণা করবে।’
তালতলী থানার ওসি আশাদুর রহমান বলেন, ‘এ ঘটনায় একটি হত্যা মামলা হয়েছে। আমরা মামলাটি তদন্ত করছি। এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত সব আসামিকে আইনের আওতায় আনা হবে। আমরা সর্বোচ্চ চেষ্টা করে যাচ্ছি।’
বরিশাল টাইমস
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
১১ মার্চ, ২০২৬ ১৪:৪১
১১ মার্চ, ২০২৬ ১৪:০৫
১১ মার্চ, ২০২৬ ১৩:৫৪
১১ মার্চ, ২০২৬ ১৩:৩৮