
২৭ এপ্রিল, ২০২৬ ১৭:৩৫
সারাদেশে গত ২৪ ঘণ্টায় হামে আক্রান্ত ও হামের উপসর্গ নিয়ে আরও পাঁচজন মারা গেছেন। তাদের মধ্যে একজন হাম আক্রান্ত হয়েই মারা গেছেন বলে নিশ্চিত করেছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। বাকি চারজনের মৃত্যু হয়েছে হামের উপসর্গ নিয়ে।
সোমবার (২৭ এপ্রিল) বিকেলে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোল রুম থেকে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, গত ১৫ মার্চের পর থেকে এ পর্যন্ত হামে ৪৪ জনের মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে সন্দেহভাজন হামজনিত মৃত্যুর সংখ্যা ২২০ জন।
১৫ মার্চের পর থেকে এ পর্যন্ত নিশ্চিত হামে আক্রান্ত হয়েছেন ৪ হাজার ৬৯৩ জন। একই সময়ে সন্দেহভাজন হামে আক্রান্তের সংখ্যা ৩৩ হাজার ৩৮৬ জন।
এ পর্যন্ত হাম সন্দেহে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ২২ হাজার ৪৪২ জন এবং হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেয়েছেন ১৯ হাজার ১৮ জন।
বরিশাল টাইমস
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
ছবি: সংগৃহীত
সারাদেশে গত ২৪ ঘণ্টায় হামে আক্রান্ত ও হামের উপসর্গ নিয়ে আরও পাঁচজন মারা গেছেন। তাদের মধ্যে একজন হাম আক্রান্ত হয়েই মারা গেছেন বলে নিশ্চিত করেছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। বাকি চারজনের মৃত্যু হয়েছে হামের উপসর্গ নিয়ে।
সোমবার (২৭ এপ্রিল) বিকেলে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোল রুম থেকে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, গত ১৫ মার্চের পর থেকে এ পর্যন্ত হামে ৪৪ জনের মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে সন্দেহভাজন হামজনিত মৃত্যুর সংখ্যা ২২০ জন।
১৫ মার্চের পর থেকে এ পর্যন্ত নিশ্চিত হামে আক্রান্ত হয়েছেন ৪ হাজার ৬৯৩ জন। একই সময়ে সন্দেহভাজন হামে আক্রান্তের সংখ্যা ৩৩ হাজার ৩৮৬ জন।
এ পর্যন্ত হাম সন্দেহে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ২২ হাজার ৪৪২ জন এবং হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেয়েছেন ১৯ হাজার ১৮ জন।
বরিশাল টাইমস

০১ মে, ২০২৬ ১৩:২৬
নরসিংদীর শিবপুরে পরিত্যক্ত অবস্থায় রাস্তায় পাওয়া গেল এসএসসি (ভোকেশনাল) পরীক্ষার ২৬৮ টি খাতা। বুধবার (২৯ এপ্রিল) সকালে শিবপুর থানার উপপরিদর্শক মাসুদুর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, রোববার (২৬ এপ্রিল) বিকেলে ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের শিবপুরে শাষপুর শহীদ মিনার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ব্রিজ সংলগ্ন রাস্তার পাশে তিন ব্যান্ডেল খাতা পড়ে থাকতে দেখেন রাহিম নামের এক যুবক। পরে ওই যুবক পড়ে থাকা খাতা বাড়িতে নিয়ে যায়।
পরের দিন সোমবার তার বাড়ির পাশের এক ভাইকে দেখালে, খাতাগুলো এসএসসি পরীক্ষার বলে নিশ্চিত হন। পরে যোগাযোগ করে রাহিম খাতাগুলো থানায় জমা দেন।
রাহিম জানান, বাড়ি আসার পথে বিকেলে রাস্তার পাশে বান্ডেল দেখতে পেয়ে আমি এগুলো বাড়িতে নিয়ে আসি এবং আমার প্রতিবেশী ভাইকে দেখালে নিশ্চিত হই এগুলো পরীক্ষার খাতা। তার পরামর্শে আমি খাতাগুলো থানায় জমা দিই।
এ বিষয়ে শিবপুর মডেল থানার উপপরিদর্শক মাসুদুর রহমান জানান, খাতাগুলো রহিম রাস্তা থেকে পেয়ে থানায় জমা দেয়। আমরা খাতাগুলো পেয়ে শিবপুর উপজেলার ইউএনওকে জানাই। ইউএনও এবং ওসির উপস্থিতিতে পুনরায় সিলগালা করে খাতাগুলো শিবপুর উপজেলা পোস্ট অফিসে জমা দিই। সিলগালা করা তিন প্যাকেটে এসএসসি ভোকেশনাল ইংরেজি দ্বিতীয় পত্রের পরীক্ষার ২৬৮ টি খাতা ছিল।
শিবপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোছা. ফারজানা ইয়াসমিন জানান, খবর পেয়ে থানায় গিয়েছি। খাতাগুলো এক পোস্ট অফিস থেকে আরেক পোস্ট অফিসে নিয়ে যাওয়ার পথে ডাক পিয়নের গাড়ি থেকে রাস্তায় পড়ে যায়। খাতাগুলো সিলগালা অবস্থায় অক্ষত ছিল। খাতাগুলো পুনরায় পোস্ট অফিসে জমা দেওয়া হয়েছে।
নরসিংদীর শিবপুরে পরিত্যক্ত অবস্থায় রাস্তায় পাওয়া গেল এসএসসি (ভোকেশনাল) পরীক্ষার ২৬৮ টি খাতা। বুধবার (২৯ এপ্রিল) সকালে শিবপুর থানার উপপরিদর্শক মাসুদুর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, রোববার (২৬ এপ্রিল) বিকেলে ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের শিবপুরে শাষপুর শহীদ মিনার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ব্রিজ সংলগ্ন রাস্তার পাশে তিন ব্যান্ডেল খাতা পড়ে থাকতে দেখেন রাহিম নামের এক যুবক। পরে ওই যুবক পড়ে থাকা খাতা বাড়িতে নিয়ে যায়।
পরের দিন সোমবার তার বাড়ির পাশের এক ভাইকে দেখালে, খাতাগুলো এসএসসি পরীক্ষার বলে নিশ্চিত হন। পরে যোগাযোগ করে রাহিম খাতাগুলো থানায় জমা দেন।
রাহিম জানান, বাড়ি আসার পথে বিকেলে রাস্তার পাশে বান্ডেল দেখতে পেয়ে আমি এগুলো বাড়িতে নিয়ে আসি এবং আমার প্রতিবেশী ভাইকে দেখালে নিশ্চিত হই এগুলো পরীক্ষার খাতা। তার পরামর্শে আমি খাতাগুলো থানায় জমা দিই।
এ বিষয়ে শিবপুর মডেল থানার উপপরিদর্শক মাসুদুর রহমান জানান, খাতাগুলো রহিম রাস্তা থেকে পেয়ে থানায় জমা দেয়। আমরা খাতাগুলো পেয়ে শিবপুর উপজেলার ইউএনওকে জানাই। ইউএনও এবং ওসির উপস্থিতিতে পুনরায় সিলগালা করে খাতাগুলো শিবপুর উপজেলা পোস্ট অফিসে জমা দিই। সিলগালা করা তিন প্যাকেটে এসএসসি ভোকেশনাল ইংরেজি দ্বিতীয় পত্রের পরীক্ষার ২৬৮ টি খাতা ছিল।
শিবপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোছা. ফারজানা ইয়াসমিন জানান, খবর পেয়ে থানায় গিয়েছি। খাতাগুলো এক পোস্ট অফিস থেকে আরেক পোস্ট অফিসে নিয়ে যাওয়ার পথে ডাক পিয়নের গাড়ি থেকে রাস্তায় পড়ে যায়। খাতাগুলো সিলগালা অবস্থায় অক্ষত ছিল। খাতাগুলো পুনরায় পোস্ট অফিসে জমা দেওয়া হয়েছে।

০১ মে, ২০২৬ ১৩:১৯
রংপুরের পীরগাছায় বিয়ের দাবিতে এক যুবদল নেতার বাড়িতে অবস্থান নিয়েছেন দুই সন্তানের জননী এক বিধবা নারী। বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) রাত ৯টার দিকে উপজেলার কান্দি ইউনিয়নের বালারদিঘী এলাকায় ওই নেতার বাড়িতে গিয়ে তিনি অবস্থান শুরু করেন। অভিযুক্ত রফিকুল ইসলাম কান্দি ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ড যুবদলের সভাপতির দায়িত্বে রয়েছেন।
ওই নারী দাবি করেন, রফিকুল ইসলামের সঙ্গে তার প্রায় ১৫ বছর ধরে প্রেমের সম্পর্ক রয়েছে। গত তিনদিন আগে রফিকুল তার বাড়িতে গেলে বিষয়টি তার ছোট ছেলের নজরে আসে। ঘটনাটি জানাজানি হওয়ার পর সামাজিক ও পারিবারিক চাপের মুখে তিনি বিয়ের দাবিতে রফিকুলের বাড়িতে গিয়ে আশ্রয় নিয়েছেন। তিনি স্পষ্ট জানান, রফিকুল তাকে বিয়ে না করা পর্যন্ত তিনি ওই বাড়ি ছাড়বেন না।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ওই নারীর স্বামী তিন বছর আগে মারা গেছেন। তার দুই ছেলে রয়েছে এবং তারা বিবাহিত। অন্যদিকে অভিযুক্ত রফিকুল ইসলামও বিবাহিত এবং চার কন্যাসন্তানের জনক। প্রেমের সম্পর্কের বিষয়টি রফিকুল ইসলাম অস্বীকার করলেও, উদ্ভূত পরিস্থিতিতে ওই নারীকে বিয়ে করতে রাজি আছেন বলে স্থানীয়রা জানিয়েছেন।
পীরগাছা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এ কে এম খন্দকার মুহিব্বুল ইসলাম জানান, বিষয়টি সম্পর্কে আমরা অবগত হয়েছি। তবে এখন পর্যন্ত কোনো লিখিত অভিযোগ পাওয়া যায়নি। অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
অন্যদিকে, উপজেলা যুবদলের সদস্য সচিব আব্দুল আলিম আলম বলেন, সংগঠনের কোনো নেতার বিরুদ্ধে নৈতিক স্খলনজনিত অভিযোগ প্রমাণিত হলে তার বিরুদ্ধে কঠোর সাংগঠনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
রংপুরের পীরগাছায় বিয়ের দাবিতে এক যুবদল নেতার বাড়িতে অবস্থান নিয়েছেন দুই সন্তানের জননী এক বিধবা নারী। বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) রাত ৯টার দিকে উপজেলার কান্দি ইউনিয়নের বালারদিঘী এলাকায় ওই নেতার বাড়িতে গিয়ে তিনি অবস্থান শুরু করেন। অভিযুক্ত রফিকুল ইসলাম কান্দি ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ড যুবদলের সভাপতির দায়িত্বে রয়েছেন।
ওই নারী দাবি করেন, রফিকুল ইসলামের সঙ্গে তার প্রায় ১৫ বছর ধরে প্রেমের সম্পর্ক রয়েছে। গত তিনদিন আগে রফিকুল তার বাড়িতে গেলে বিষয়টি তার ছোট ছেলের নজরে আসে। ঘটনাটি জানাজানি হওয়ার পর সামাজিক ও পারিবারিক চাপের মুখে তিনি বিয়ের দাবিতে রফিকুলের বাড়িতে গিয়ে আশ্রয় নিয়েছেন। তিনি স্পষ্ট জানান, রফিকুল তাকে বিয়ে না করা পর্যন্ত তিনি ওই বাড়ি ছাড়বেন না।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ওই নারীর স্বামী তিন বছর আগে মারা গেছেন। তার দুই ছেলে রয়েছে এবং তারা বিবাহিত। অন্যদিকে অভিযুক্ত রফিকুল ইসলামও বিবাহিত এবং চার কন্যাসন্তানের জনক। প্রেমের সম্পর্কের বিষয়টি রফিকুল ইসলাম অস্বীকার করলেও, উদ্ভূত পরিস্থিতিতে ওই নারীকে বিয়ে করতে রাজি আছেন বলে স্থানীয়রা জানিয়েছেন।
পীরগাছা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এ কে এম খন্দকার মুহিব্বুল ইসলাম জানান, বিষয়টি সম্পর্কে আমরা অবগত হয়েছি। তবে এখন পর্যন্ত কোনো লিখিত অভিযোগ পাওয়া যায়নি। অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
অন্যদিকে, উপজেলা যুবদলের সদস্য সচিব আব্দুল আলিম আলম বলেন, সংগঠনের কোনো নেতার বিরুদ্ধে নৈতিক স্খলনজনিত অভিযোগ প্রমাণিত হলে তার বিরুদ্ধে কঠোর সাংগঠনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

৩০ এপ্রিল, ২০২৬ ১৬:৩৩
জামালপুরে নার্সের গাফিলতিতে আফসানা আক্তার (১৪) নামের এক কিশোরীর শরীরে ভিন্ন গ্রুপের রক্ত দেওয়ার ঘটনা ঘটেছে। তবে ওই কিশোরীর শরীরে রক্তের কোনো প্রয়োজন ছিল না বলে স্বজনদের বরাতে জানা গেছে। এ ঘটনায় তিন সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করেছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) বিকেলে ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জামালপুর জেনারেল হাসপাতালে এ ঘটনা ঘটে।
ভুক্তভোগী কিশোরী আফসানা শেরপুর সদর উপজেলার মোকসেদপুর এলাকার আনিসুর রহমানের মেয়ে। বর্তমানে তিনি জামালপুর পৌর শহরের কম্পপুর এলাকায় নানাবাড়িতে অবস্থান করছিলেন। আফসানা নারায়ণগঞ্জের রূপসী এলাকার একটি বিদ্যালয়ের পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থী।
ভুক্তভোগী কিশোরীর পরিবার সূত্রে জানা গেছে, কিছু দিন আগে পেটে ব্যথা নিয়ে আফসানাকে জামালপুর জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরে বিভিন্ন পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর কিডনিতে সমস্যা ধরা পড়ে এবং গত মঙ্গলবার তার অস্ত্রোপচার করা হয়।
অস্ত্রোপচারের পর ডাক্তার আফসানার শরীরে রক্ত দিতে না বলার পরও আঁখি নামের একজন নার্স ‘এ’ নেগেটিভধারী আফসানার শরীরে ‘ও’ পজেটিভ রক্ত প্রয়োগ করে। দেওয়ার কিছুক্ষণ পর বিষয়টি বুঝতে পেরে রক্ত দেওয়া বন্ধ করে দেন নার্স।
পরে বিষয়টি জানাজানি হলে আফসানাকে দ্রুত চিকিৎসা দেওয়া হয়। ভুল গ্রুপের রক্ত প্রয়োগের ফলে আফসানা বর্তমানে জ্বরে আক্রান্ত এবং তার বমি বমি ভাব রয়েছে। নার্সের গাফিলতির কারণে ওই রোগীর শরীরে ভিন্ন গ্রুপের রক্ত দেওয়ার বিষয়টি নিয়ে মেডিসিন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক মোসায়েদুল ইসলাম সুমনকে প্রধান করে তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।
আফসানার মামা আবির হাসান বলেন, ‘পেটে ব্যাথার কারণে আমার ভাগ্নিকে কয়েকদিন আগে ঢাকা থেকে জামালপুর এনে শনিবার (২৫ এপ্রিল) স্থানীয় একটি বেসরকারি হাসপাতালের চিকিৎসককে দেখানো হলে চিকিৎসক পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে জানান কিডনিতে ময়লা জমেছে।
পরে তাদের পরামর্শে জামালপুর জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করি এবং গতকাল অপারেশন করা হয়। অপারেশনের পর হাসপাতালের দ্বিতীয় তলার পোস্ট অপারেটিভ কক্ষে তাকে রাখা হয়।’
‘পরে বিকেলে আঁখি নামের একজন নার্স আমার ভাগ্নির শরীরে ‘ও’ পজেটিভ রক্ত প্রয়োগ করে। এদিকে আমার ভাগ্নির রক্ত ‘এ’ নেগেটিভ। রক্ত দেওয়ার কিছুক্ষণ পর বিষয়টি বুঝতে পেরে রক্ত দেওয়া বন্ধ করে দেয় ওই নার্স।
কিন্তু এটা নিয়ে নার্সদের মধ্যে কোনো ধরনের প্রতিক্রিয়া ছিল না। আমি এ খবর পেয়ে হাসপাতালে এসে তাদের সঙ্গে কথা বলার চেষ্টা করি। তখনও কর্তব্যরত চিকিৎসক বা নার্সরা কেউই বিষয়টা নিয়ে কোনো ধরনের ব্যবস্থা নেয়নি।
পরে জানতে পারি আমার ভাগ্নির শরীরে যে রক্ত দেওয়া হয়েছে সেটি ছিল পাশের বিছানার সিজারের রোগীর রক্ত। এ ঘটনায় আমি জেনারেল হাসপাতালের সহকারী পরিচালকের কাছে লিখিত অভিযোগ দিয়েছি।’
আফসানার মা আন্জু আরা বলেন, আমার মেয়ের কোনো রক্তের প্রয়োজন ছিল না। হঠাৎ করেই নার্স রক্ত নিয়ে এসে শরীরে দেওয়া শুরু করেন। ডাক্তারতো রক্তের কথা বলে নাই এমন কথা বললে ওই নার্স খারাপ আচারণ করে বলেন- আমার চেয়ে বেশি বুঝেন। এই বলে আমার মেয়ের শরীরে রক্ত দেওয়া শুরু করেন।
তবে এ বিষয়ে জামালপুর জেনারেল হাসপাতালের ভারপ্রাপ্ত আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডা. শামীম ইফতেখার বলেন, পোস্ট অপারেটিভ রুমে থাকাবস্থায় নার্সের গাফিলতির কারণে ভুলে ‘ও’ পজেটিভ রক্ত দেওয়া হয়েছে। এ ঘটনা জানার পরেই আমরা রক্ত দেওয়া বন্ধ করে চিকিৎসা দিয়েছি। এখন রোগীর অবস্থা ভালো আছে।
তিনি আরও বলেন, নার্সের গাফিলতির কারণে ওই রোগীর শরীরে ভিন্ন গ্রুপের রক্ত দেওয়ার বিষয়টি নিয়ে মেডিসিন বিশেষজ্ঞ ডা. মোশাহিদুল ইসলাম সুমনকে প্রধান করে তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। তিন কার্য দিবসের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তদন্ত করে ওই নার্সের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
জামালপুরে নার্সের গাফিলতিতে আফসানা আক্তার (১৪) নামের এক কিশোরীর শরীরে ভিন্ন গ্রুপের রক্ত দেওয়ার ঘটনা ঘটেছে। তবে ওই কিশোরীর শরীরে রক্তের কোনো প্রয়োজন ছিল না বলে স্বজনদের বরাতে জানা গেছে। এ ঘটনায় তিন সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করেছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) বিকেলে ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জামালপুর জেনারেল হাসপাতালে এ ঘটনা ঘটে।
ভুক্তভোগী কিশোরী আফসানা শেরপুর সদর উপজেলার মোকসেদপুর এলাকার আনিসুর রহমানের মেয়ে। বর্তমানে তিনি জামালপুর পৌর শহরের কম্পপুর এলাকায় নানাবাড়িতে অবস্থান করছিলেন। আফসানা নারায়ণগঞ্জের রূপসী এলাকার একটি বিদ্যালয়ের পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থী।
ভুক্তভোগী কিশোরীর পরিবার সূত্রে জানা গেছে, কিছু দিন আগে পেটে ব্যথা নিয়ে আফসানাকে জামালপুর জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরে বিভিন্ন পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর কিডনিতে সমস্যা ধরা পড়ে এবং গত মঙ্গলবার তার অস্ত্রোপচার করা হয়।
অস্ত্রোপচারের পর ডাক্তার আফসানার শরীরে রক্ত দিতে না বলার পরও আঁখি নামের একজন নার্স ‘এ’ নেগেটিভধারী আফসানার শরীরে ‘ও’ পজেটিভ রক্ত প্রয়োগ করে। দেওয়ার কিছুক্ষণ পর বিষয়টি বুঝতে পেরে রক্ত দেওয়া বন্ধ করে দেন নার্স।
পরে বিষয়টি জানাজানি হলে আফসানাকে দ্রুত চিকিৎসা দেওয়া হয়। ভুল গ্রুপের রক্ত প্রয়োগের ফলে আফসানা বর্তমানে জ্বরে আক্রান্ত এবং তার বমি বমি ভাব রয়েছে। নার্সের গাফিলতির কারণে ওই রোগীর শরীরে ভিন্ন গ্রুপের রক্ত দেওয়ার বিষয়টি নিয়ে মেডিসিন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক মোসায়েদুল ইসলাম সুমনকে প্রধান করে তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।
আফসানার মামা আবির হাসান বলেন, ‘পেটে ব্যাথার কারণে আমার ভাগ্নিকে কয়েকদিন আগে ঢাকা থেকে জামালপুর এনে শনিবার (২৫ এপ্রিল) স্থানীয় একটি বেসরকারি হাসপাতালের চিকিৎসককে দেখানো হলে চিকিৎসক পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে জানান কিডনিতে ময়লা জমেছে।
পরে তাদের পরামর্শে জামালপুর জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করি এবং গতকাল অপারেশন করা হয়। অপারেশনের পর হাসপাতালের দ্বিতীয় তলার পোস্ট অপারেটিভ কক্ষে তাকে রাখা হয়।’
‘পরে বিকেলে আঁখি নামের একজন নার্স আমার ভাগ্নির শরীরে ‘ও’ পজেটিভ রক্ত প্রয়োগ করে। এদিকে আমার ভাগ্নির রক্ত ‘এ’ নেগেটিভ। রক্ত দেওয়ার কিছুক্ষণ পর বিষয়টি বুঝতে পেরে রক্ত দেওয়া বন্ধ করে দেয় ওই নার্স।
কিন্তু এটা নিয়ে নার্সদের মধ্যে কোনো ধরনের প্রতিক্রিয়া ছিল না। আমি এ খবর পেয়ে হাসপাতালে এসে তাদের সঙ্গে কথা বলার চেষ্টা করি। তখনও কর্তব্যরত চিকিৎসক বা নার্সরা কেউই বিষয়টা নিয়ে কোনো ধরনের ব্যবস্থা নেয়নি।
পরে জানতে পারি আমার ভাগ্নির শরীরে যে রক্ত দেওয়া হয়েছে সেটি ছিল পাশের বিছানার সিজারের রোগীর রক্ত। এ ঘটনায় আমি জেনারেল হাসপাতালের সহকারী পরিচালকের কাছে লিখিত অভিযোগ দিয়েছি।’
আফসানার মা আন্জু আরা বলেন, আমার মেয়ের কোনো রক্তের প্রয়োজন ছিল না। হঠাৎ করেই নার্স রক্ত নিয়ে এসে শরীরে দেওয়া শুরু করেন। ডাক্তারতো রক্তের কথা বলে নাই এমন কথা বললে ওই নার্স খারাপ আচারণ করে বলেন- আমার চেয়ে বেশি বুঝেন। এই বলে আমার মেয়ের শরীরে রক্ত দেওয়া শুরু করেন।
তবে এ বিষয়ে জামালপুর জেনারেল হাসপাতালের ভারপ্রাপ্ত আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডা. শামীম ইফতেখার বলেন, পোস্ট অপারেটিভ রুমে থাকাবস্থায় নার্সের গাফিলতির কারণে ভুলে ‘ও’ পজেটিভ রক্ত দেওয়া হয়েছে। এ ঘটনা জানার পরেই আমরা রক্ত দেওয়া বন্ধ করে চিকিৎসা দিয়েছি। এখন রোগীর অবস্থা ভালো আছে।
তিনি আরও বলেন, নার্সের গাফিলতির কারণে ওই রোগীর শরীরে ভিন্ন গ্রুপের রক্ত দেওয়ার বিষয়টি নিয়ে মেডিসিন বিশেষজ্ঞ ডা. মোশাহিদুল ইসলাম সুমনকে প্রধান করে তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। তিন কার্য দিবসের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তদন্ত করে ওই নার্সের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।