
১৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১৭:৩৯
পবিত্র রমজান মাস শুরুর প্রাক্কালে ফিলিস্তিনের অধিকৃত পূর্ব জেরুজালেমে পবিত্র আল-আকসা মসজিদ চত্বরের ভেতর থেকে মসজিদের ইমাম শায়খ মোহাম্মদ আল-আব্বাসিকে গ্রেপ্তার করেছে ইসরায়েলি পুলিশ। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে নতুন করে উত্তেজনা ছড়িয়েছে পুরোনো শহরজুড়ে।
মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) টিআরটি ওয়ার্ল্ডের এক প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা যায়।
প্রতিবেদনে বলা হয়, আল-আকসা মসজিদ প্রাঙ্গণের ভেতর থেকে ইসরায়েলি পুলিশ কর্মকর্তারা শেখ আব্বাসিকে গ্রেপ্তার করেন। তবে তাকে গ্রেপ্তার করার কারণ কিংবা তার বিরুদ্ধে কী ধরনের আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে, সে বিষয়ে তাৎক্ষণিকভাবে কিছু জানানো হয়নি।
এতে আরও বলা হয়, পবিত্র আল-আকসা মসজিদকে ঘিরে ইসরায়েলি পদক্ষেপ সাম্প্রতিক সময়ে আরও কঠোর হয়েছে। সেখানে নিয়োজিত ইমাম, খতিব ও মুসল্লিদের ওপর বিধিনিষেধ আরোপ, মুসল্লিদের প্রবেশ সীমিত করা এবং ইসরায়েলি পুলিশের কঠোর নিরাপত্তার মধ্যে বসতি স্থাপনকারীদের ক্রমবর্ধমান তাণ্ডবের নানা পদক্ষেপের প্রেক্ষাপটেই এবার পবিত্র এই মসজিদের ইমামকে আটকের ঘটনা ঘটল।
অবশ্য আটক করার কয়েক ঘণ্টা আগে শায়খ আল-আব্বাসিকে এক সপ্তাহের জন্য মসজিদ প্রাঙ্গণে প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা দেয় ইসরায়েলি কর্তৃপক্ষ। প্রয়োজন হলে এ আদেশ নবায়ন করা হতে পারে বলেও জানানো হয়।
তবে শায়খ আল-আব্বাসি গ্রেপ্তার হওয়ার আগে বলেন, তাকে নিষেধাজ্ঞার কারণ জানানো হয়নি। গুরুতর সড়ক দুর্ঘটনায় আহত হওয়ার পর দীর্ঘ এক বছরের চিকিৎসা শেষে সুস্থ হয়ে উঠে দায়িত্বে ফেরার পর এমন সিদ্ধান্ত তাকে গভীরভাবে ব্যথিত করেছে বলেও জানান তিনি।
পবিত্র মাস মাহে রমজান শুরুর ঠিক আগে ইসরায়েলের এমন আচরণে মুসলিমদের মাঝে ক্ষোভ ছড়িয়েছে।
এর আগে, জেরুজালেমের সাবেক গ্র্যান্ড মুফতি শেখ একরিমা সাবরি অভিযোগ করেন, রমজান মাসে মুসলিমদের আল-আকসা মসজিদে প্রবেশ সীমিত করার পরিকল্পনা করছে নেতানিয়াহু প্রশাসন।
এক বিবৃতিতে ফিলিস্তিনি স্বাধীনতাকামী সংগঠন হামাস জানায়, আল-আব্বাসিকে মসজিদে প্রবেশে নিষেধাজ্ঞার আদেশ দেওয়া হয়েছে। দাবি, এটি আল-আকসার অভ্যন্তরীণ বিষয়ে সরাসরি হস্তক্ষেপ এবং ধর্মীয় স্বাধীনতার ওপর আঘাত।
রমজানকে সামনে রেখে মসজিদে লজিস্টিক প্রস্তুতিতেও বাধা দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ করে সংগঠনটি।
বরিশাল টাইমস
পবিত্র আল-আকসা মসজিদের ইমাম শায়খ মোহাম্মদ আল-আব্বাসি। ছবি : সংগৃহীত
পবিত্র রমজান মাস শুরুর প্রাক্কালে ফিলিস্তিনের অধিকৃত পূর্ব জেরুজালেমে পবিত্র আল-আকসা মসজিদ চত্বরের ভেতর থেকে মসজিদের ইমাম শায়খ মোহাম্মদ আল-আব্বাসিকে গ্রেপ্তার করেছে ইসরায়েলি পুলিশ। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে নতুন করে উত্তেজনা ছড়িয়েছে পুরোনো শহরজুড়ে।
মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) টিআরটি ওয়ার্ল্ডের এক প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা যায়।
প্রতিবেদনে বলা হয়, আল-আকসা মসজিদ প্রাঙ্গণের ভেতর থেকে ইসরায়েলি পুলিশ কর্মকর্তারা শেখ আব্বাসিকে গ্রেপ্তার করেন। তবে তাকে গ্রেপ্তার করার কারণ কিংবা তার বিরুদ্ধে কী ধরনের আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে, সে বিষয়ে তাৎক্ষণিকভাবে কিছু জানানো হয়নি।
এতে আরও বলা হয়, পবিত্র আল-আকসা মসজিদকে ঘিরে ইসরায়েলি পদক্ষেপ সাম্প্রতিক সময়ে আরও কঠোর হয়েছে। সেখানে নিয়োজিত ইমাম, খতিব ও মুসল্লিদের ওপর বিধিনিষেধ আরোপ, মুসল্লিদের প্রবেশ সীমিত করা এবং ইসরায়েলি পুলিশের কঠোর নিরাপত্তার মধ্যে বসতি স্থাপনকারীদের ক্রমবর্ধমান তাণ্ডবের নানা পদক্ষেপের প্রেক্ষাপটেই এবার পবিত্র এই মসজিদের ইমামকে আটকের ঘটনা ঘটল।
অবশ্য আটক করার কয়েক ঘণ্টা আগে শায়খ আল-আব্বাসিকে এক সপ্তাহের জন্য মসজিদ প্রাঙ্গণে প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা দেয় ইসরায়েলি কর্তৃপক্ষ। প্রয়োজন হলে এ আদেশ নবায়ন করা হতে পারে বলেও জানানো হয়।
তবে শায়খ আল-আব্বাসি গ্রেপ্তার হওয়ার আগে বলেন, তাকে নিষেধাজ্ঞার কারণ জানানো হয়নি। গুরুতর সড়ক দুর্ঘটনায় আহত হওয়ার পর দীর্ঘ এক বছরের চিকিৎসা শেষে সুস্থ হয়ে উঠে দায়িত্বে ফেরার পর এমন সিদ্ধান্ত তাকে গভীরভাবে ব্যথিত করেছে বলেও জানান তিনি।
পবিত্র মাস মাহে রমজান শুরুর ঠিক আগে ইসরায়েলের এমন আচরণে মুসলিমদের মাঝে ক্ষোভ ছড়িয়েছে।
এর আগে, জেরুজালেমের সাবেক গ্র্যান্ড মুফতি শেখ একরিমা সাবরি অভিযোগ করেন, রমজান মাসে মুসলিমদের আল-আকসা মসজিদে প্রবেশ সীমিত করার পরিকল্পনা করছে নেতানিয়াহু প্রশাসন।
এক বিবৃতিতে ফিলিস্তিনি স্বাধীনতাকামী সংগঠন হামাস জানায়, আল-আব্বাসিকে মসজিদে প্রবেশে নিষেধাজ্ঞার আদেশ দেওয়া হয়েছে। দাবি, এটি আল-আকসার অভ্যন্তরীণ বিষয়ে সরাসরি হস্তক্ষেপ এবং ধর্মীয় স্বাধীনতার ওপর আঘাত।
রমজানকে সামনে রেখে মসজিদে লজিস্টিক প্রস্তুতিতেও বাধা দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ করে সংগঠনটি।
বরিশাল টাইমস

২২ জুন, ২০২৬ ২০:৪১
মালয়েশিয়ার জোহর অঙ্গরাজ্যের পেকান নেনাস ইমিগ্রেশন ডিপো থেকে জুনের তৃতীয় সপ্তাহজুড়ে বিভিন্ন দেশের ১৮০ জন বিদেশি বন্দিকে নিজ নিজ দেশে ফেরত পাঠানো হয়েছে।
রোববার (২১ জুন) এক বিবৃতিতে মালয়েশিয়ার ইমিগ্রেশন বিভাগ জানায়, ফেরত পাঠানোদের মধ্যে ১৩২ জন মিয়ানমারের, ২২ জন বাংলাদেশের, ১২ জন ভিয়েতনামের, ৯ জন থাইল্যান্ডের, ২ জন নেপালের এবং শ্রীলঙ্কা, চীন ও সিঙ্গাপুরের একজন করে নাগরিক রয়েছেন।
ইমিগ্রেশন বিভাগ জানায়, বন্দিদের কুয়ালালামপুর আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের (কেএলআইএ-১ ও কেএলআইএ-২), সেনাই আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর এবং সুলতান ইস্কান্দার ভবন আইসিকিউএস কমপ্লেক্সের মাধ্যমে নিজ নিজ দেশে পাঠানো হয়েছে।
প্রত্যাবাসনের বিমান টিকিটের ব্যয় বন্দিদের ব্যক্তিগত সঞ্চয়, তাদের পরিবারের আর্থিক সহায়তা এবং বিশেষ কিছু ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট দূতাবাস বহন করেছে।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, এসব বিদেশি নাগরিক মালয়েশিয়ার বিভিন্ন আইনের আওতায় সাজা ভোগ শেষে দেশে ফেরত গেছেন।
ইমিগ্রেশন বিভাগ জানিয়েছে, প্রত্যাবাসিত সব বিদেশিকে বিভাগীয় কালো তালিকাভুক্ত (ব্ল্যাকলিস্ট) করা হয়েছে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে তারা কোনো উদ্দেশ্যেই মালয়েশিয়ায় পুনরায় প্রবেশ করতে পারবেন না।
মালয়েশিয়ার জোহর অঙ্গরাজ্যের পেকান নেনাস ইমিগ্রেশন ডিপো থেকে জুনের তৃতীয় সপ্তাহজুড়ে বিভিন্ন দেশের ১৮০ জন বিদেশি বন্দিকে নিজ নিজ দেশে ফেরত পাঠানো হয়েছে।
রোববার (২১ জুন) এক বিবৃতিতে মালয়েশিয়ার ইমিগ্রেশন বিভাগ জানায়, ফেরত পাঠানোদের মধ্যে ১৩২ জন মিয়ানমারের, ২২ জন বাংলাদেশের, ১২ জন ভিয়েতনামের, ৯ জন থাইল্যান্ডের, ২ জন নেপালের এবং শ্রীলঙ্কা, চীন ও সিঙ্গাপুরের একজন করে নাগরিক রয়েছেন।
ইমিগ্রেশন বিভাগ জানায়, বন্দিদের কুয়ালালামপুর আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের (কেএলআইএ-১ ও কেএলআইএ-২), সেনাই আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর এবং সুলতান ইস্কান্দার ভবন আইসিকিউএস কমপ্লেক্সের মাধ্যমে নিজ নিজ দেশে পাঠানো হয়েছে।
প্রত্যাবাসনের বিমান টিকিটের ব্যয় বন্দিদের ব্যক্তিগত সঞ্চয়, তাদের পরিবারের আর্থিক সহায়তা এবং বিশেষ কিছু ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট দূতাবাস বহন করেছে।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, এসব বিদেশি নাগরিক মালয়েশিয়ার বিভিন্ন আইনের আওতায় সাজা ভোগ শেষে দেশে ফেরত গেছেন।
ইমিগ্রেশন বিভাগ জানিয়েছে, প্রত্যাবাসিত সব বিদেশিকে বিভাগীয় কালো তালিকাভুক্ত (ব্ল্যাকলিস্ট) করা হয়েছে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে তারা কোনো উদ্দেশ্যেই মালয়েশিয়ায় পুনরায় প্রবেশ করতে পারবেন না।

১৫ জুন, ২০২৬ ১৬:২৬
টানা ৫ বছরের আইনি লড়াই, একে অপরের প্রতি একবুক ক্ষোভ আর সম্পর্কের চরম তিক্ততা- সব যেন মিলিয়ে গেল মাত্র কয়েক সেকেন্ডের ম্যাজিকে।
যে আদালত চত্বরে রোজ বিচ্ছেদের আর কান্নার গল্প লেখা হয়, সেখানেই তৈরি হল এক সুন্দর মুহূর্ত। বিচারকের সামনেই ডিভোর্স নথিপত্র ছিঁড়ে ফেলে স্বামীকে জড়িয়ে ধরলেন স্ত্রী।
দিল্লির একটি পারিবারিক আদালতের এই নজিরবিহীন ঘটনা এখন সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল, যা প্রমাণ করল আইনের হাজারো যুক্তি যেখানে হেরে যায়। সেখানে এক ফোঁটা মানবিকতা আর ভালবাসাই জিতে যায়।
২০২০ সালে ধুমধাম করে বিয়ে হয়েছিল শিখা ও সৌরভের। কিন্তু বিয়ের কিছুদিনের মধ্যেই সম্পর্কে ফাটল ধরে। বিয়ের কিছুদিনের মধ্যেই সম্পর্কে চিড় ধরে।
ছোটখাটো অশান্তি থেকে শুরু করে বড় বড় অভিযোগে পরিস্থিতি এতটাই জটিল হয়ে যায় যে বিষয়টি আদালত পর্যন্ত গড়ায়। দু'জনেই ঠিক করেন তাঁরা আর একসঙ্গে থাকবেন না এবং ডিভোর্সের মামলা ফাইল করেন।
এরপর কেটে গেছে দীর্ঘ পাঁচ বছর। একের পর এক শুনানি, আইনজীবীদের সওয়াল-জবাব আর কোর্টের চক্কর কাটতে কাটতে ক্লান্ত হয়ে পড়েছিল দুটি পরিবারই।
বিশেষ করে মেয়েকে আইনি লড়াইয়ে জেতাতে এবং তাঁর ভবিষ্যতের কথা চিন্তা করে শিখার বাবা নিজের জীবনের সিংহভাগ সঞ্চয় শেষ করে ফেলেছিলেন। এই দীর্ঘ টানাপড়েন শুধু আর্থিক ক্ষতিই করেনি, শিখার পরিবারের উপর চরম মানসিক চাপও তৈরি করেছিল।
টানা ৫ বছরের আইনি লড়াই, একে অপরের প্রতি একবুক ক্ষোভ আর সম্পর্কের চরম তিক্ততা- সব যেন মিলিয়ে গেল মাত্র কয়েক সেকেন্ডের ম্যাজিকে।
যে আদালত চত্বরে রোজ বিচ্ছেদের আর কান্নার গল্প লেখা হয়, সেখানেই তৈরি হল এক সুন্দর মুহূর্ত। বিচারকের সামনেই ডিভোর্স নথিপত্র ছিঁড়ে ফেলে স্বামীকে জড়িয়ে ধরলেন স্ত্রী।
দিল্লির একটি পারিবারিক আদালতের এই নজিরবিহীন ঘটনা এখন সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল, যা প্রমাণ করল আইনের হাজারো যুক্তি যেখানে হেরে যায়। সেখানে এক ফোঁটা মানবিকতা আর ভালবাসাই জিতে যায়।
২০২০ সালে ধুমধাম করে বিয়ে হয়েছিল শিখা ও সৌরভের। কিন্তু বিয়ের কিছুদিনের মধ্যেই সম্পর্কে ফাটল ধরে। বিয়ের কিছুদিনের মধ্যেই সম্পর্কে চিড় ধরে।
ছোটখাটো অশান্তি থেকে শুরু করে বড় বড় অভিযোগে পরিস্থিতি এতটাই জটিল হয়ে যায় যে বিষয়টি আদালত পর্যন্ত গড়ায়। দু'জনেই ঠিক করেন তাঁরা আর একসঙ্গে থাকবেন না এবং ডিভোর্সের মামলা ফাইল করেন।
এরপর কেটে গেছে দীর্ঘ পাঁচ বছর। একের পর এক শুনানি, আইনজীবীদের সওয়াল-জবাব আর কোর্টের চক্কর কাটতে কাটতে ক্লান্ত হয়ে পড়েছিল দুটি পরিবারই।
বিশেষ করে মেয়েকে আইনি লড়াইয়ে জেতাতে এবং তাঁর ভবিষ্যতের কথা চিন্তা করে শিখার বাবা নিজের জীবনের সিংহভাগ সঞ্চয় শেষ করে ফেলেছিলেন। এই দীর্ঘ টানাপড়েন শুধু আর্থিক ক্ষতিই করেনি, শিখার পরিবারের উপর চরম মানসিক চাপও তৈরি করেছিল।

১৪ জুন, ২০২৬ ১৬:২৩
ওমান উপসাগরে একটি তেলবাহী জাহাজে মার্কিন হামলায় তিন ভারতীয় নাবিক নিহত হওয়ার ঘটনায় ভারতের তীব্র প্রতিবাদের মুখেও নিজেদের অবস্থান থেকে সরে আসেনি যুক্তরাষ্ট্র। বরং ভারত উদ্বেগ ও ক্ষোভ প্রকাশ করার পর ওয়াশিংটন স্পষ্ট করে জানিয়েছে, হরমুজ প্রণালিতে মার্কিন অবরোধ লঙ্ঘনের কোনো ঘটনা সহ্য করা হবে না এবং মার্কিন বাহিনীর নির্দেশ সব বাণিজ্যিক জাহাজকে মেনে চলতে হবে।
শনিবার (১৩ জুন) এক ফোনালাপে মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও (Marco Rubio) ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এস জয়শঙ্করকে (Subrahmanyam Jaishankar) এই বার্তা দেন। এমন এক সময় এই বার্তা দেওয়া হলো, যখন ভারত সাম্প্রতিক মার্কিন হামলার বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক প্রতিবাদ জানিয়েছে ও তিন ভারতীয় নাবিকের মৃত্যুর ঘটনায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে।
চলতি সপ্তাহে ভারত দু’বার যুক্তরাষ্ট্রের ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রদূত জ্যাসন মিকসকে তলব করে। প্রথমবার তলব করা হয় ওমান উপকূলে পালাউয়ের পতাকাবাহী তেলবাহী জাহাজ ‘এমটি সেট্টেবেলো’তে মার্কিন হামলার পর। ওই হামলায় তিন ভারতীয় নাবিক নিহত হন।
যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনী জাহাজটিতে হামলার বিষয়টি স্বীকার করেছে। মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) দাবি করেছে, জাহাজটি মার্কিন নৌবাহিনীর নির্দেশনা মানেনি ও চলমান মার্কিন অবরোধ অমান্য করে ইরান থেকে তেল পরিবহনের চেষ্টা করছিল।
সেন্টকমের বিবৃতিতে বলা হয়, ওমান উপসাগরে তাদের একটি যুদ্ধবিমান জাহাজটিকে লক্ষ্য করে হামলা চালায়। মার্কিন বাহিনীর দাবি, ক্রুরা বারবার নির্দেশ অমান্য করায় জাহাজটিকে অচল করে দেওয়া হয়।
এর কিছুদিন পর একই এলাকায় ২০ ভারতীয় নাবিক বহনকারী আরেকটি বাণিজ্যিক জাহাজ হামলার শিকার হলে দ্বিতীয়বারের মতো মার্কিন কূটনীতিককে তলব করে ভারত।
পরপর দুইবার তলবের পাশাপাশি জয়শঙ্কর ফোনে রুবিওর সঙ্গে কথা বলেন এবং প্রাণহানির ঘটনায় ভারতের তীব্র আপত্তি ও ক্ষোভের কথা জানান। এরপর দুই নেতার আলোচনার ভিত্তিতে একটি বিবৃতি প্রকাশ করে যুক্তরাষ্ট্র।
বিবৃতিতে বলা হয়, মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী জয়শঙ্করের সঙ্গে কথা বলেছেন। দুই কর্মকর্তা হরমুজ প্রণালির সাম্প্রতিক পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা করেছেন।
এতে আরও বলা হয়, হরমুজ প্রণালিতে শান্তি ও নিরাপত্তা বজায় রাখতে মার্কিন বাহিনী যে নির্দেশনা দিচ্ছে, সব বাণিজ্যিক জাহাজকে তা অবিলম্বে মেনে চলতে হবে। যুক্তরাষ্ট্রের আরোপ করা অবরোধ লঙ্ঘন ও ইরানি তেলের অবৈধ পরিবহন কোনোভাবেই সহ্য করা হবে না।
এর আগে জয়শঙ্কর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে লিখেছিলেন যে, তিনি রুবিওর সঙ্গে কথা বলে মার্কিন হামলার বিরুদ্ধে ভারতের ‘কঠোর প্রতিবাদ’ পুনর্ব্যক্ত করেছেন। তিনি লেখেন, শনিবার (১৩ জুন) সন্ধ্যায় মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিওর সঙ্গে কথা বলেছি। উপসাগরীয় অঞ্চলে মার্কিন নৌবাহিনীর হামলায় তিন ভারতীয় নাবিক নিহত হওয়ার ঘটনায় ভারতের কঠোর প্রতিবাদ পুনর্ব্যক্ত করেছি। বাণিজ্যিক জাহাজের বিরুদ্ধে এ ধরনের প্রাণঘাতী পদক্ষেপ কোনোভাবেই ন্যায্য নয়।
জয়শঙ্কর আরও বলেন, বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচলের বিরুদ্ধে এমন প্রাণঘাতী ব্যবস্থা গ্রহণের কোনো যৌক্তিকতা নেই।
শুক্রবার (১২ জুন) ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ও জানায়, ওমান উপসাগরে ভারতীয় নাবিক বহনকারী বাণিজ্যিক জাহাজগুলোর ওপর মার্কিন নৌবাহিনীর ধারাবাহিক হামলার বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের কাছে জোরালো প্রতিবাদ জানানো হয়েছে।
মন্ত্রণালয়ের বিবৃতিতে বলা হয়, এসব হামলার ফলে এরই মধ্যে তিন ভারতীয় নাগরিকের ‘দুঃখজনক ও এড়ানো সম্ভব ছিল’ এমন মৃত্যু ঘটেছে।
ভারত আরও জানায়, বেসামরিক জাহাজের বিরুদ্ধে প্রাণঘাতী শক্তি প্রয়োগের ঘটনায় তারা গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। নয়াদিল্লির মতে, এ ধরনের পদক্ষেপ সংবেদনশীল অঞ্চলে আন্তর্জাতিক সামুদ্রিক বাণিজ্যের নিরাপত্তা, স্থিতিশীলতা ও সুরক্ষাকে দুর্বল করে।
ভারতীয় কর্তৃপক্ষ মার্কিন কূটনীতিক জেসন মিকসকে অনুরোধ করে, তিনি যেন ওয়াশিংটনের কাছে ভারতের উদ্বেগ পৌঁছে দেন ও অঞ্চলে মোতায়েন মার্কিন বাহিনীকে বেসামরিক প্রাণহানি ঠেকাতে প্রয়োজনীয় সব ব্যবস্থা নিতে বলা হয়।
এদিকে, মার্কিন বিবৃতি প্রকাশের পর প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন ভারতীয় কংগ্রেস নেতা ও সংসদ সদস্য শশী থারুর। তিনি বলেন, এই সরকারি মার্কিন বিবৃতি পড়ে আমি গভীরভাবে বিস্মিত। এতে নিরীহ ভারতীয়দের প্রাণহানির জন্য সামান্য অনুশোচনা বা সমবেদনাও প্রকাশ করা হয়নি। একজন বন্ধু ও কৌশলগত অংশীদার কীভাবে এতটা অসংবেদনশীল হতে পারে?
থারুর প্রশ্ন তোলেন, কোনো জাহাজ নির্দেশ না মানলে তাকে থামানোর জন্য প্রাণঘাতী হামলা ছাড়া অন্য কোনো উপায় কি ছিল না? জাহাজের ইঞ্জিন বা নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা অকেজো করা কি সম্ভব ছিল না, যাতে বেসামরিক নাবিকদের প্রাণহানি এড়ানো যেত?
তিনি আরও বলেন, এই গুরুত্বপূর্ণ জলপথে চলাচলকারী প্রায় প্রতিটি বাণিজ্যিক জাহাজেই ভারতীয় নাবিক রয়েছেন। তাহলে কি এখন তারা সবাই মার্কিন ক্ষেপণাস্ত্র হামলার বৈধ লক্ষ্যবস্তু?
সবশেষে তিনি মন্তব্য করেন, এই ধরনের অবস্থান গ্রহণযোগ্য নয়। আমি আশা করি, ড. জয়শঙ্কর মার্কো রুবিওকে সেটিই স্পষ্টভাবে জানিয়েছেন।
বরিশাল টাইমস
ওমান উপসাগরে একটি তেলবাহী জাহাজে মার্কিন হামলায় তিন ভারতীয় নাবিক নিহত হওয়ার ঘটনায় ভারতের তীব্র প্রতিবাদের মুখেও নিজেদের অবস্থান থেকে সরে আসেনি যুক্তরাষ্ট্র। বরং ভারত উদ্বেগ ও ক্ষোভ প্রকাশ করার পর ওয়াশিংটন স্পষ্ট করে জানিয়েছে, হরমুজ প্রণালিতে মার্কিন অবরোধ লঙ্ঘনের কোনো ঘটনা সহ্য করা হবে না এবং মার্কিন বাহিনীর নির্দেশ সব বাণিজ্যিক জাহাজকে মেনে চলতে হবে।
শনিবার (১৩ জুন) এক ফোনালাপে মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও (Marco Rubio) ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এস জয়শঙ্করকে (Subrahmanyam Jaishankar) এই বার্তা দেন। এমন এক সময় এই বার্তা দেওয়া হলো, যখন ভারত সাম্প্রতিক মার্কিন হামলার বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক প্রতিবাদ জানিয়েছে ও তিন ভারতীয় নাবিকের মৃত্যুর ঘটনায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে।
চলতি সপ্তাহে ভারত দু’বার যুক্তরাষ্ট্রের ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রদূত জ্যাসন মিকসকে তলব করে। প্রথমবার তলব করা হয় ওমান উপকূলে পালাউয়ের পতাকাবাহী তেলবাহী জাহাজ ‘এমটি সেট্টেবেলো’তে মার্কিন হামলার পর। ওই হামলায় তিন ভারতীয় নাবিক নিহত হন।
যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনী জাহাজটিতে হামলার বিষয়টি স্বীকার করেছে। মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) দাবি করেছে, জাহাজটি মার্কিন নৌবাহিনীর নির্দেশনা মানেনি ও চলমান মার্কিন অবরোধ অমান্য করে ইরান থেকে তেল পরিবহনের চেষ্টা করছিল।
সেন্টকমের বিবৃতিতে বলা হয়, ওমান উপসাগরে তাদের একটি যুদ্ধবিমান জাহাজটিকে লক্ষ্য করে হামলা চালায়। মার্কিন বাহিনীর দাবি, ক্রুরা বারবার নির্দেশ অমান্য করায় জাহাজটিকে অচল করে দেওয়া হয়।
এর কিছুদিন পর একই এলাকায় ২০ ভারতীয় নাবিক বহনকারী আরেকটি বাণিজ্যিক জাহাজ হামলার শিকার হলে দ্বিতীয়বারের মতো মার্কিন কূটনীতিককে তলব করে ভারত।
পরপর দুইবার তলবের পাশাপাশি জয়শঙ্কর ফোনে রুবিওর সঙ্গে কথা বলেন এবং প্রাণহানির ঘটনায় ভারতের তীব্র আপত্তি ও ক্ষোভের কথা জানান। এরপর দুই নেতার আলোচনার ভিত্তিতে একটি বিবৃতি প্রকাশ করে যুক্তরাষ্ট্র।
বিবৃতিতে বলা হয়, মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী জয়শঙ্করের সঙ্গে কথা বলেছেন। দুই কর্মকর্তা হরমুজ প্রণালির সাম্প্রতিক পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা করেছেন।
এতে আরও বলা হয়, হরমুজ প্রণালিতে শান্তি ও নিরাপত্তা বজায় রাখতে মার্কিন বাহিনী যে নির্দেশনা দিচ্ছে, সব বাণিজ্যিক জাহাজকে তা অবিলম্বে মেনে চলতে হবে। যুক্তরাষ্ট্রের আরোপ করা অবরোধ লঙ্ঘন ও ইরানি তেলের অবৈধ পরিবহন কোনোভাবেই সহ্য করা হবে না।
এর আগে জয়শঙ্কর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে লিখেছিলেন যে, তিনি রুবিওর সঙ্গে কথা বলে মার্কিন হামলার বিরুদ্ধে ভারতের ‘কঠোর প্রতিবাদ’ পুনর্ব্যক্ত করেছেন। তিনি লেখেন, শনিবার (১৩ জুন) সন্ধ্যায় মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিওর সঙ্গে কথা বলেছি। উপসাগরীয় অঞ্চলে মার্কিন নৌবাহিনীর হামলায় তিন ভারতীয় নাবিক নিহত হওয়ার ঘটনায় ভারতের কঠোর প্রতিবাদ পুনর্ব্যক্ত করেছি। বাণিজ্যিক জাহাজের বিরুদ্ধে এ ধরনের প্রাণঘাতী পদক্ষেপ কোনোভাবেই ন্যায্য নয়।
জয়শঙ্কর আরও বলেন, বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচলের বিরুদ্ধে এমন প্রাণঘাতী ব্যবস্থা গ্রহণের কোনো যৌক্তিকতা নেই।
শুক্রবার (১২ জুন) ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ও জানায়, ওমান উপসাগরে ভারতীয় নাবিক বহনকারী বাণিজ্যিক জাহাজগুলোর ওপর মার্কিন নৌবাহিনীর ধারাবাহিক হামলার বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের কাছে জোরালো প্রতিবাদ জানানো হয়েছে।
মন্ত্রণালয়ের বিবৃতিতে বলা হয়, এসব হামলার ফলে এরই মধ্যে তিন ভারতীয় নাগরিকের ‘দুঃখজনক ও এড়ানো সম্ভব ছিল’ এমন মৃত্যু ঘটেছে।
ভারত আরও জানায়, বেসামরিক জাহাজের বিরুদ্ধে প্রাণঘাতী শক্তি প্রয়োগের ঘটনায় তারা গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। নয়াদিল্লির মতে, এ ধরনের পদক্ষেপ সংবেদনশীল অঞ্চলে আন্তর্জাতিক সামুদ্রিক বাণিজ্যের নিরাপত্তা, স্থিতিশীলতা ও সুরক্ষাকে দুর্বল করে।
ভারতীয় কর্তৃপক্ষ মার্কিন কূটনীতিক জেসন মিকসকে অনুরোধ করে, তিনি যেন ওয়াশিংটনের কাছে ভারতের উদ্বেগ পৌঁছে দেন ও অঞ্চলে মোতায়েন মার্কিন বাহিনীকে বেসামরিক প্রাণহানি ঠেকাতে প্রয়োজনীয় সব ব্যবস্থা নিতে বলা হয়।
এদিকে, মার্কিন বিবৃতি প্রকাশের পর প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন ভারতীয় কংগ্রেস নেতা ও সংসদ সদস্য শশী থারুর। তিনি বলেন, এই সরকারি মার্কিন বিবৃতি পড়ে আমি গভীরভাবে বিস্মিত। এতে নিরীহ ভারতীয়দের প্রাণহানির জন্য সামান্য অনুশোচনা বা সমবেদনাও প্রকাশ করা হয়নি। একজন বন্ধু ও কৌশলগত অংশীদার কীভাবে এতটা অসংবেদনশীল হতে পারে?
থারুর প্রশ্ন তোলেন, কোনো জাহাজ নির্দেশ না মানলে তাকে থামানোর জন্য প্রাণঘাতী হামলা ছাড়া অন্য কোনো উপায় কি ছিল না? জাহাজের ইঞ্জিন বা নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা অকেজো করা কি সম্ভব ছিল না, যাতে বেসামরিক নাবিকদের প্রাণহানি এড়ানো যেত?
তিনি আরও বলেন, এই গুরুত্বপূর্ণ জলপথে চলাচলকারী প্রায় প্রতিটি বাণিজ্যিক জাহাজেই ভারতীয় নাবিক রয়েছেন। তাহলে কি এখন তারা সবাই মার্কিন ক্ষেপণাস্ত্র হামলার বৈধ লক্ষ্যবস্তু?
সবশেষে তিনি মন্তব্য করেন, এই ধরনের অবস্থান গ্রহণযোগ্য নয়। আমি আশা করি, ড. জয়শঙ্কর মার্কো রুবিওকে সেটিই স্পষ্টভাবে জানিয়েছেন।
বরিশাল টাইমস
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.