প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিন। ছবি: সংগৃহীত
স্থানীয় সরকার নির্বাচনের তফসিল সেপ্টেম্বরের মধ্যে ঘোষণা করা হবে জানিয়ে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিন বলেছেন, নির্বাচন কমিশন স্থানীয় সরকার নির্বাচন এই বছরের মধ্যে শুরু করতে চায়। তবে দুর্গাপূজা, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের পরীক্ষা, আইনগত সময়সীমাসহ বিভিন্ন বিষয় বিবেচনা করে নির্বাচনের সময় নির্ধারণ করা হবে।
বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) রাষ্ট্রপতির সঙ্গে এক সৌজন্য সাক্ষাৎ শেষে নির্বাচন ভবনে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এসব তথ্য জানান প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসিরউদ্দিন।
নাসির উদ্দিন বলেন, নির্বাচনের সার্বিক প্রস্তুতি নিতে সচিবকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে- যাতে তফশিল ঘোষণা হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে নির্বাচন কমিশন মাঠে নামতে পারে। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি সমন্বয়ের জন্যও সংশ্লিষ্ট কমিশনারকে কাজ শুরু করতে বলা হয়েছে।
তফশিলের সময় নিয়ে কথা বলেছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার। তিনি বলেন, আমার মনে হয়, আমরা সেপ্টেম্বরের মধ্যে একটা তফশিল দিতে পারব। তবে নির্বাচন আয়োজনের সময় নির্ধারণে দুর্গাপূজা, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের পরীক্ষা, আইনগত সময়সীমাসহ বিভিন্ন বিষয় বিবেচনা করতে হচ্ছে। এটা নিশ্চিত যে আমাদের এই বছরের মধ্যে শুরু করতে হবে। আইনি বিষয় আছে এখানে। এই বছরের মধ্যে শুরু করতে হবে।
স্থানীয় সরকার নির্বাচনের ভোট ডিসেম্বরের দিকে নেওয়ার সম্ভাবনার কথা জানিয়ে সিইসি বলেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের পরীক্ষা দ্রুত শেষ করা সম্ভব হলে নভেম্বরের শেষ দিকে নির্বাচন শুরু করার বিষয়টি বিবেচনা করা হতে পারে। এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে আলোচনা করা হবে।
নাসির উদ্দিন বলেন, আমাদের সময়ের স্লট খুবই শর্ট। এরপর রমজান চলে আসবে। রমজানের পরে ঈদুল আজহা, তারপর বর্ষাকাল— নানাবিধ জটিলতা আছে। সবকিছু মিলিয়েই আমাদের নির্বাচন করতে হবে।

২৭ আগস্ট, ২০২৬ ২১:১৫
২০১০ সাল থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত দেশে ১৯ হাজার ৬৪১ জনকে আগ্নেয়াস্ত্রের লাইসেন্স দেওয়া হয়েছে বলে জাতীয় সংসদকে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ।
বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) সংসদে জামালপুর-৫ আসনের সরকারি দলের সদস্য শাহ মো. ওয়ারেছ আলী মামুনের এক লিখিত প্রশ্নের জবাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এ তথ্য জানান।
শাহ মো. ওয়ারেছ আলী মামুন জানতে চান, ২০১০ সাল থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত কতজনকে আগ্নেয়াস্ত্রের লাইসেন্স দেওয়া হয়েছে এবং এর বছরওয়ারী হিসাব কী।
জবাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, ওই সময়ে মোট ১৯ হাজার ৬৪১ জনকে আগ্নেয়াস্ত্রের লাইসেন্স দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে শটগানের লাইসেন্স ৭ হাজার ৩০৮টি, পিস্তলের ৫ হাজার ৩৪৭টি, রিভলবারের ৫৯৪টি, রাইফেলের ৯৪৮টি এবং অন্যান্য ধরনের আগ্নেয়াস্ত্রের লাইসেন্স রয়েছে ৫ হাজার ৪৪৪টি।
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানায়, ২০১০ সাল থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত আগ্নেয়াস্ত্রের লাইসেন্স প্রদানের বছরওয়ারী হিসাব দেশের ৬৪টি জেলার জেলা ম্যাজিস্ট্রেট কার্যালয় থেকে সংগ্রহ করে পাঠাতে হবে। এ কারণে প্রয়োজনীয় সময় লাগায় বর্তমানে প্রশ্নটির আংশিক উত্তর দেওয়া হয়েছে।
২০১০ সাল থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত দেশে ১৯ হাজার ৬৪১ জনকে আগ্নেয়াস্ত্রের লাইসেন্স দেওয়া হয়েছে বলে জাতীয় সংসদকে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ।
বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) সংসদে জামালপুর-৫ আসনের সরকারি দলের সদস্য শাহ মো. ওয়ারেছ আলী মামুনের এক লিখিত প্রশ্নের জবাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এ তথ্য জানান।
শাহ মো. ওয়ারেছ আলী মামুন জানতে চান, ২০১০ সাল থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত কতজনকে আগ্নেয়াস্ত্রের লাইসেন্স দেওয়া হয়েছে এবং এর বছরওয়ারী হিসাব কী।
জবাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, ওই সময়ে মোট ১৯ হাজার ৬৪১ জনকে আগ্নেয়াস্ত্রের লাইসেন্স দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে শটগানের লাইসেন্স ৭ হাজার ৩০৮টি, পিস্তলের ৫ হাজার ৩৪৭টি, রিভলবারের ৫৯৪টি, রাইফেলের ৯৪৮টি এবং অন্যান্য ধরনের আগ্নেয়াস্ত্রের লাইসেন্স রয়েছে ৫ হাজার ৪৪৪টি।
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানায়, ২০১০ সাল থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত আগ্নেয়াস্ত্রের লাইসেন্স প্রদানের বছরওয়ারী হিসাব দেশের ৬৪টি জেলার জেলা ম্যাজিস্ট্রেট কার্যালয় থেকে সংগ্রহ করে পাঠাতে হবে। এ কারণে প্রয়োজনীয় সময় লাগায় বর্তমানে প্রশ্নটির আংশিক উত্তর দেওয়া হয়েছে।

২৭ আগস্ট, ২০২৬ ১২:১০
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) ছাত্র-শিক্ষক সাংস্কৃতিক কেন্দ্রে (টিএসসিসি) একটি অনুষ্ঠানে চেয়ারে বসাকে কেন্দ্র করে দুই বিভাগের শিক্ষার্থীদের মধ্যে দফায় দফায় সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। ম্যানেজমেন্ট স্টাডিজ ও রসায়ন বিভাগের শিক্ষার্থীদের মধ্যকার এই সংঘর্ষে অন্তত চারজন আহত হয়েছেন।
বুধবার (২৬ আগস্ট) রাত ১০টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের নবাব আবদুল লতিফ হলের পেছনে এবং সংশ্লিষ্ট দুই বিভাগের একাডেমিক ভবনে এই সংঘর্ষ ও ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে। রাত ১২টায় এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত দুই বিভাগের শিক্ষার্থীরাই নিজ নিজ বিভাগের সামনে লাঠিসোঁটা নিয়ে অবস্থান করছিলেন এবং ক্যাম্পাসে চরম উত্তেজনা বিরাজ করছিল।
সংঘর্ষে আহত শিক্ষার্থীরা হলেন— রসায়ন বিভাগের ফেরদৌস হাসান, সাজিদুর, নোমান ও সামিন। তাঁদের মধ্যে ফেরদৌস ও সাজিদুরের অবস্থা গুরুতর। আহতদের উদ্ধার করে প্রথমে বিশ্ববিদ্যালয় চিকিৎসা কেন্দ্রে নেওয়া হয়। পরে সেখান থেকে তাদের রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
বিশ্ববিদ্যালয় চিকিৎসা কেন্দ্রের অতিরিক্ত প্রধান চিকিৎসক সাজিদ হাফিজ বলেন, ‘সংঘর্ষের ঘটনায় চারজন শিক্ষার্থী চিকিৎসা নিয়েছেন। এর মধ্যে দুজনের মাথায় ও চোখে গুরুতর আঘাত রয়েছে। প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাঁদের রামেক হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।’
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, টিএসসিসিতে আয়োজিত একটি অনুষ্ঠানে বসার চেয়ার নিয়ে ম্যানেজমেন্ট স্টাডিজ ও রসায়ন বিভাগের কয়েকজন শিক্ষার্থীর মধ্যে বাগ্বিতণ্ডা হয়। তাৎক্ষণিকভাবে বিষয়টি মীমাংসার চেষ্টা করা হলেও উত্তেজনা প্রশমিত হয়নি। এর একপর্যায়ে ম্যানেজমেন্ট স্টাডিজ বিভাগের কিছু শিক্ষার্থী নবাব আবদুল লতিফ হলের পেছনে রসায়ন বিভাগের শিক্ষার্থীদের ওপর হামলা চালান। এতে দুই শিক্ষার্থী আহত হন।
এই ঘটনার জের ধরে রসায়ন বিভাগের শিক্ষার্থীরা ম্যানেজমেন্ট স্টাডিজ বিভাগ অবস্থিত রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর একাডেমিক ভবনে হামলা চালিয়ে ভাঙচুর করেন। এ সময় ওই ভবনের ওপরতলা থেকে ম্যানেজমেন্টের শিক্ষার্থীরা ইটপাটকেল নিক্ষেপ করলে রসায়ন বিভাগের আরও দুই শিক্ষার্থী আহত হন। পরে পাল্টা ব্যবস্থা হিসেবে ম্যানেজমেন্ট স্টাডিজের শিক্ষার্থীরা রসায়ন বিভাগের একাডেমিক ভবন জাবির ইবনে হাইয়ান ভবনেও হামলা ও ভাঙচুর চালান।
বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী প্রক্টর অধ্যাপক রফিকুল ইসলাম বলেন, ‘একটি তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে দুই বিভাগের শিক্ষার্থীদের মধ্যে অনাকাঙ্ক্ষিত সংঘর্ষ ঘটেছে। এতে রসায়ন বিভাগের কয়েকজন আহত হয়েছেন, যার মধ্যে একজনকে হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। আমরা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার সর্বোচ্চ চেষ্টা করছি।’
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) ছাত্র-শিক্ষক সাংস্কৃতিক কেন্দ্রে (টিএসসিসি) একটি অনুষ্ঠানে চেয়ারে বসাকে কেন্দ্র করে দুই বিভাগের শিক্ষার্থীদের মধ্যে দফায় দফায় সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। ম্যানেজমেন্ট স্টাডিজ ও রসায়ন বিভাগের শিক্ষার্থীদের মধ্যকার এই সংঘর্ষে অন্তত চারজন আহত হয়েছেন।
বুধবার (২৬ আগস্ট) রাত ১০টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের নবাব আবদুল লতিফ হলের পেছনে এবং সংশ্লিষ্ট দুই বিভাগের একাডেমিক ভবনে এই সংঘর্ষ ও ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে। রাত ১২টায় এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত দুই বিভাগের শিক্ষার্থীরাই নিজ নিজ বিভাগের সামনে লাঠিসোঁটা নিয়ে অবস্থান করছিলেন এবং ক্যাম্পাসে চরম উত্তেজনা বিরাজ করছিল।
সংঘর্ষে আহত শিক্ষার্থীরা হলেন— রসায়ন বিভাগের ফেরদৌস হাসান, সাজিদুর, নোমান ও সামিন। তাঁদের মধ্যে ফেরদৌস ও সাজিদুরের অবস্থা গুরুতর। আহতদের উদ্ধার করে প্রথমে বিশ্ববিদ্যালয় চিকিৎসা কেন্দ্রে নেওয়া হয়। পরে সেখান থেকে তাদের রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
বিশ্ববিদ্যালয় চিকিৎসা কেন্দ্রের অতিরিক্ত প্রধান চিকিৎসক সাজিদ হাফিজ বলেন, ‘সংঘর্ষের ঘটনায় চারজন শিক্ষার্থী চিকিৎসা নিয়েছেন। এর মধ্যে দুজনের মাথায় ও চোখে গুরুতর আঘাত রয়েছে। প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাঁদের রামেক হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।’
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, টিএসসিসিতে আয়োজিত একটি অনুষ্ঠানে বসার চেয়ার নিয়ে ম্যানেজমেন্ট স্টাডিজ ও রসায়ন বিভাগের কয়েকজন শিক্ষার্থীর মধ্যে বাগ্বিতণ্ডা হয়। তাৎক্ষণিকভাবে বিষয়টি মীমাংসার চেষ্টা করা হলেও উত্তেজনা প্রশমিত হয়নি। এর একপর্যায়ে ম্যানেজমেন্ট স্টাডিজ বিভাগের কিছু শিক্ষার্থী নবাব আবদুল লতিফ হলের পেছনে রসায়ন বিভাগের শিক্ষার্থীদের ওপর হামলা চালান। এতে দুই শিক্ষার্থী আহত হন।
এই ঘটনার জের ধরে রসায়ন বিভাগের শিক্ষার্থীরা ম্যানেজমেন্ট স্টাডিজ বিভাগ অবস্থিত রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর একাডেমিক ভবনে হামলা চালিয়ে ভাঙচুর করেন। এ সময় ওই ভবনের ওপরতলা থেকে ম্যানেজমেন্টের শিক্ষার্থীরা ইটপাটকেল নিক্ষেপ করলে রসায়ন বিভাগের আরও দুই শিক্ষার্থী আহত হন। পরে পাল্টা ব্যবস্থা হিসেবে ম্যানেজমেন্ট স্টাডিজের শিক্ষার্থীরা রসায়ন বিভাগের একাডেমিক ভবন জাবির ইবনে হাইয়ান ভবনেও হামলা ও ভাঙচুর চালান।
বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী প্রক্টর অধ্যাপক রফিকুল ইসলাম বলেন, ‘একটি তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে দুই বিভাগের শিক্ষার্থীদের মধ্যে অনাকাঙ্ক্ষিত সংঘর্ষ ঘটেছে। এতে রসায়ন বিভাগের কয়েকজন আহত হয়েছেন, যার মধ্যে একজনকে হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। আমরা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার সর্বোচ্চ চেষ্টা করছি।’

২৭ আগস্ট, ২০২৬ ১১:১৩
গাইবান্ধার পুলিশ সুপারের বাসভবনের ব্যারাক থেকে হাবিবুর রহমান (৩৩) নামে এক পুলিশ সদস্যের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। ব্যারাকে স্ত্রীর সঙ্গে ভিডিও কলে থেকে ওই পুলিশ সদস্য আত্মহত্যা করেছেন বলে জানিয়েছে পুলিশ।
বুধবার (২৬ আগস্ট) সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে বিষয়টি ঢাকা পোস্টকে নিশ্চিত করেছেন গাইবান্ধার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (বি সার্কেল) শেখ মুত্তাজুল ইসলাম।
এদিন বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে পুলিশ সুপার জসিম উদ্দিনের শহরের সরকারি বাসভবনের ব্যারাক থেকে ওই পুলিশ সদস্যের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
নিহত হাবিবুর রহমানের বাড়ি নীলফামারী সদর উপজেলার সরদারপাড়ায়। তিনি ওই এলাকার মন্টু মিয়ার ছেলে। তার ৫-৭ বছরের একটি ছেলে সন্তান রয়েছে বলে জানা গেছে।
পুলিশ সূত্র জানায়, ঢাকা থেকে গত ১২ আগস্ট গাইবান্ধা পুলিশ সুপারের বাংলোতে গার্ডে যোগদান করেন হাবিবুর রহমান। সেখানে আরও কয়েকজন পুলিশ সদস্য দায়িত্ব পালন করেন। আজ বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে ব্যারাকের ওয়াশরুমের দরজা দীর্ঘ সময় বন্ধ পান অন্য সদস্যরা। পরে সন্দেহ হলে ব্যারাকের গার্ড কমান্ডার সোহেল মিয়া তাকে কয়েকবার ডাকেন। এতে সাড়া না মেলায় কয়েকজনকে সঙ্গে নিয়ে ওয়াশরুমের দরজায় ধাক্কা দিয়ে দরজা খুললে ভেতরে প্রবেশ করে হাবিবুরকে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখা যায়। হাবিবুর গলায় গামছা প্যাঁচিয়ে ভবনের রডের সাথে ঝুলছিল। পরে তাকে মৃত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়। পরে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সাব্বির হোসেনের উপস্থিতিতে মরদেহের সুরতহাল রিপোর্ট করে পুলিশ।
গাইবান্ধা সদর থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নাজমুল ঢাকা পোস্টকে বলেন, দুপুরে মোবাইল ফোনে হাবিবুর তার স্ত্রীর সাথে ভিডিও কলে ঝগড়া করছিল। ঝগড়ার একপর্যায়ে সে ওয়াশরুমে প্রবেশ করে এবং স্ত্রীর সাথে ভিডিও কলে থেকে আত্মহত্যা করে।
তিনি বলেন, এটি চরম দুঃখজনক। হাবিবুরের উগ্রতা দেখে তার স্ত্রী আমাদের জানাতে পারতেন অথবা ৯৯৯ নম্বরেও হেল্প চাইতে পারতেন। নিহত হাবিবুর আজ রোজা ছিলেন। তার পরিবারের সদস্যরা আসছেন বলেও জানান ওসি।
গাইবান্ধার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (বি সার্কেল) শেখ মুত্তাজুল ইসলাম ঢাকা পোস্টকে বলেন, বিকেল সাড়ে ৩টার আগে/পরে ওয়াশরুমে গলায় গামছা প্যাঁচিয়ে আত্মহত্যা করেন নায়েক হাবিবুর রহমান। পরে মরদেহ উদ্ধার করে ম্যাজিস্ট্রেটের উপস্থিতিতে সুরতহাল করা হয়। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য গাইবান্ধা জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হচ্ছে।
তিনি বলেন, পারিবারিক কলহ থেকে এই আত্মহত্যা ঘটিয়েছে বলে আমরা প্রাথমিকভাবে জানতে পেরেছি। ঘটনাটি তদন্ত করা হচ্ছে।
গাইবান্ধার পুলিশ সুপারের বাসভবনের ব্যারাক থেকে হাবিবুর রহমান (৩৩) নামে এক পুলিশ সদস্যের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। ব্যারাকে স্ত্রীর সঙ্গে ভিডিও কলে থেকে ওই পুলিশ সদস্য আত্মহত্যা করেছেন বলে জানিয়েছে পুলিশ।
বুধবার (২৬ আগস্ট) সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে বিষয়টি ঢাকা পোস্টকে নিশ্চিত করেছেন গাইবান্ধার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (বি সার্কেল) শেখ মুত্তাজুল ইসলাম।
এদিন বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে পুলিশ সুপার জসিম উদ্দিনের শহরের সরকারি বাসভবনের ব্যারাক থেকে ওই পুলিশ সদস্যের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
নিহত হাবিবুর রহমানের বাড়ি নীলফামারী সদর উপজেলার সরদারপাড়ায়। তিনি ওই এলাকার মন্টু মিয়ার ছেলে। তার ৫-৭ বছরের একটি ছেলে সন্তান রয়েছে বলে জানা গেছে।
পুলিশ সূত্র জানায়, ঢাকা থেকে গত ১২ আগস্ট গাইবান্ধা পুলিশ সুপারের বাংলোতে গার্ডে যোগদান করেন হাবিবুর রহমান। সেখানে আরও কয়েকজন পুলিশ সদস্য দায়িত্ব পালন করেন। আজ বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে ব্যারাকের ওয়াশরুমের দরজা দীর্ঘ সময় বন্ধ পান অন্য সদস্যরা। পরে সন্দেহ হলে ব্যারাকের গার্ড কমান্ডার সোহেল মিয়া তাকে কয়েকবার ডাকেন। এতে সাড়া না মেলায় কয়েকজনকে সঙ্গে নিয়ে ওয়াশরুমের দরজায় ধাক্কা দিয়ে দরজা খুললে ভেতরে প্রবেশ করে হাবিবুরকে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখা যায়। হাবিবুর গলায় গামছা প্যাঁচিয়ে ভবনের রডের সাথে ঝুলছিল। পরে তাকে মৃত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়। পরে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সাব্বির হোসেনের উপস্থিতিতে মরদেহের সুরতহাল রিপোর্ট করে পুলিশ।
গাইবান্ধা সদর থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নাজমুল ঢাকা পোস্টকে বলেন, দুপুরে মোবাইল ফোনে হাবিবুর তার স্ত্রীর সাথে ভিডিও কলে ঝগড়া করছিল। ঝগড়ার একপর্যায়ে সে ওয়াশরুমে প্রবেশ করে এবং স্ত্রীর সাথে ভিডিও কলে থেকে আত্মহত্যা করে।
তিনি বলেন, এটি চরম দুঃখজনক। হাবিবুরের উগ্রতা দেখে তার স্ত্রী আমাদের জানাতে পারতেন অথবা ৯৯৯ নম্বরেও হেল্প চাইতে পারতেন। নিহত হাবিবুর আজ রোজা ছিলেন। তার পরিবারের সদস্যরা আসছেন বলেও জানান ওসি।
গাইবান্ধার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (বি সার্কেল) শেখ মুত্তাজুল ইসলাম ঢাকা পোস্টকে বলেন, বিকেল সাড়ে ৩টার আগে/পরে ওয়াশরুমে গলায় গামছা প্যাঁচিয়ে আত্মহত্যা করেন নায়েক হাবিবুর রহমান। পরে মরদেহ উদ্ধার করে ম্যাজিস্ট্রেটের উপস্থিতিতে সুরতহাল করা হয়। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য গাইবান্ধা জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হচ্ছে।
তিনি বলেন, পারিবারিক কলহ থেকে এই আত্মহত্যা ঘটিয়েছে বলে আমরা প্রাথমিকভাবে জানতে পেরেছি। ঘটনাটি তদন্ত করা হচ্ছে।

২৭ আগস্ট, ২০২৬ ২০:৩৬
স্থানীয় সরকার নির্বাচনের তফসিল সেপ্টেম্বরের মধ্যে ঘোষণা করা হবে জানিয়ে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিন বলেছেন, নির্বাচন কমিশন স্থানীয় সরকার নির্বাচন এই বছরের মধ্যে শুরু করতে চায়। তবে দুর্গাপূজা, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের পরীক্ষা, আইনগত সময়সীমাসহ বিভিন্ন বিষয় বিবেচনা করে নির্বাচনের সময় নির্ধারণ করা হবে।
বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) রাষ্ট্রপতির সঙ্গে এক সৌজন্য সাক্ষাৎ শেষে নির্বাচন ভবনে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এসব তথ্য জানান প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসিরউদ্দিন।
নাসির উদ্দিন বলেন, নির্বাচনের সার্বিক প্রস্তুতি নিতে সচিবকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে- যাতে তফশিল ঘোষণা হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে নির্বাচন কমিশন মাঠে নামতে পারে। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি সমন্বয়ের জন্যও সংশ্লিষ্ট কমিশনারকে কাজ শুরু করতে বলা হয়েছে।
তফশিলের সময় নিয়ে কথা বলেছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার। তিনি বলেন, আমার মনে হয়, আমরা সেপ্টেম্বরের মধ্যে একটা তফশিল দিতে পারব। তবে নির্বাচন আয়োজনের সময় নির্ধারণে দুর্গাপূজা, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের পরীক্ষা, আইনগত সময়সীমাসহ বিভিন্ন বিষয় বিবেচনা করতে হচ্ছে। এটা নিশ্চিত যে আমাদের এই বছরের মধ্যে শুরু করতে হবে। আইনি বিষয় আছে এখানে। এই বছরের মধ্যে শুরু করতে হবে।
স্থানীয় সরকার নির্বাচনের ভোট ডিসেম্বরের দিকে নেওয়ার সম্ভাবনার কথা জানিয়ে সিইসি বলেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের পরীক্ষা দ্রুত শেষ করা সম্ভব হলে নভেম্বরের শেষ দিকে নির্বাচন শুরু করার বিষয়টি বিবেচনা করা হতে পারে। এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে আলোচনা করা হবে।
নাসির উদ্দিন বলেন, আমাদের সময়ের স্লট খুবই শর্ট। এরপর রমজান চলে আসবে। রমজানের পরে ঈদুল আজহা, তারপর বর্ষাকাল— নানাবিধ জটিলতা আছে। সবকিছু মিলিয়েই আমাদের নির্বাচন করতে হবে।
২৭ আগস্ট, ২০২৬ ২১:৫৫
২৭ আগস্ট, ২০২৬ ২১:১৫
২৭ আগস্ট, ২০২৬ ২০:৩৬
২৭ আগস্ট, ২০২৬ ২০:১৮