
০৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১৮:০৯
ভোলায় পুলিশ ও নৌবাহিনীর যৌথ অভিযানে আগ্নেয়াস্ত্র, গুলিসহ আন্তঃজেলা ডাকাত চক্রের ২ সদস্যকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) ভোরে ভোলা সদরের কাঠির মাথা এলাকায় পুলিশ ও নৌবাহিনীর যৌথ অভিযানে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তার দুজন হলেন, হাসান (৪২) ও সেলিম (৪৪)। তারা ভোলা সদর উপজেলার ধনিয়া ইউনিয়নের বাসিন্দা। নৌবাহিনী সূত্রে জানা গেছে, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রভাব বিস্তার করতে সংঘবদ্ধ একটি চক্র তৎপর রয়েছে।
গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পুলিশের সহযোগিতায় নৌবাহিনীর একটি টিম ধনিয়া ইউনিয়নের ১নং ওয়ার্ডের বরকন্দাজ জামে মসজিদ সংলগ্ন একটি টিনের ঘর থেকে মো. সেলিম কাজী ও মো. হাসানকে আটক করে।
এ সময় তাদের কাছ থেকে ১টি একনলা দেশীয় পাইপগান, ১টি একনলা বন্দুক, দুটি দেশীয় অস্ত্র, পুলিশের হারানো ০৯ রাউন্ড ৭.৬২ মি.মি. এসএবল, ৩ রাউন্ড শর্টগানের কার্তুজসহ সর্বমোট ১২ রাউন্ড লাইভ অ্যামুনেশন ও ১টি রকেট প্যারাসুট ফ্লেয়ার উদ্ধার করে। গ্রেপ্তারকৃত সেলিম চিহ্নিত সন্ত্রাসী জামাল উদ্দিনের (চকেট জামাল) ঘনিষ্ঠ সহযোগী। আটকের পর তাদের ভোলা সদর মডেল থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
ভোলা মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মনিরুল ইসলাম বলেন, অস্ত্রসহ দুজনকে আটক করা হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে আইনি প্রক্রিয়া চলছে। তবে দুজনের মধ্যে একজন অসুস্থ হওয়ায় তাকে ভোলা সদর ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
ভোলায় পুলিশ ও নৌবাহিনীর যৌথ অভিযানে আগ্নেয়াস্ত্র, গুলিসহ আন্তঃজেলা ডাকাত চক্রের ২ সদস্যকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) ভোরে ভোলা সদরের কাঠির মাথা এলাকায় পুলিশ ও নৌবাহিনীর যৌথ অভিযানে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তার দুজন হলেন, হাসান (৪২) ও সেলিম (৪৪)। তারা ভোলা সদর উপজেলার ধনিয়া ইউনিয়নের বাসিন্দা। নৌবাহিনী সূত্রে জানা গেছে, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রভাব বিস্তার করতে সংঘবদ্ধ একটি চক্র তৎপর রয়েছে।
গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পুলিশের সহযোগিতায় নৌবাহিনীর একটি টিম ধনিয়া ইউনিয়নের ১নং ওয়ার্ডের বরকন্দাজ জামে মসজিদ সংলগ্ন একটি টিনের ঘর থেকে মো. সেলিম কাজী ও মো. হাসানকে আটক করে।
এ সময় তাদের কাছ থেকে ১টি একনলা দেশীয় পাইপগান, ১টি একনলা বন্দুক, দুটি দেশীয় অস্ত্র, পুলিশের হারানো ০৯ রাউন্ড ৭.৬২ মি.মি. এসএবল, ৩ রাউন্ড শর্টগানের কার্তুজসহ সর্বমোট ১২ রাউন্ড লাইভ অ্যামুনেশন ও ১টি রকেট প্যারাসুট ফ্লেয়ার উদ্ধার করে। গ্রেপ্তারকৃত সেলিম চিহ্নিত সন্ত্রাসী জামাল উদ্দিনের (চকেট জামাল) ঘনিষ্ঠ সহযোগী। আটকের পর তাদের ভোলা সদর মডেল থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
ভোলা মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মনিরুল ইসলাম বলেন, অস্ত্রসহ দুজনকে আটক করা হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে আইনি প্রক্রিয়া চলছে। তবে দুজনের মধ্যে একজন অসুস্থ হওয়ায় তাকে ভোলা সদর ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
০৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ২৩:১৬
০৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ২০:৪৩
০৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ২০:৩৬
০৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১৯:৩৩

০৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১৩:৩৪
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভোলার ৪টি সংসদীয় আসনে মোট ৫২৫টি ভোটকেন্দ্র রয়েছে। এর মধ্যে ১৩১টি কেন্দ্রকে ‘ঝুঁকিপূর্ণ’ হিসেবে চিহ্নিত করেছে জেলা প্রশাসন। এসব কেন্দ্রে শান্তিপূর্ণ ভোট গ্রহণ নিশ্চিত করতে সাধারণ কেন্দ্রের তুলনায় বাড়তি নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে।
জেলা নির্বাচন অফিস সূত্রে জানা গেছে, ৪টি আসনে এই ৫২৫টি কেন্দ্রে মোট ৩ হাজার ৬২২টি ভোটকক্ষে ভোট গ্রহণ করা হবে। এরমধ্যে ভোলা-১ (সদর) আসনের কেন্দ্র রয়েছে ১১৪টি, ভোলা-২ (দৌলতখান-বোরহানউদ্দিন) আসনের ১৩৮টি, ভোলা-৩ (লালমোহন-তজুমদ্দিন) আসনের ১১৯টি ও ভোলা-৪ (চরফ্যাশন-মনপুরা) আসনে মোট ১৫৪টি কেন্দ্র রয়েছে।
জেলা প্রশাসন জানিয়েছে, এসব কেন্দ্রগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্র রয়েছে ভোলা-৩ আসনে (৫০টি), যার মধ্যে তজুমদ্দিন উপজেলায় ৩৬টি এবং লালমোহনে ১৪টি। এছাড়া ভোলা-২ আসনের ৩২টি ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্রের মধ্যে দৌলতখানেই ২৫টি। ভোলা-৪ আসনে চরফ্যাশনে ১৬টি ও মনপুরায় ১১টি এবং ভোলা-১ (সদর) আসনে ২২টি কেন্দ্রকে ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।
জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক ডা. শামীম রহমান জানান, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি উৎসবমুখর পরিবেশে ভোট গ্রহণ সম্পন্ন করতে সব ধরনের ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।
তিনি বলেন, নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট, পুলিশ, র্যাব, নৌবাহিনী, কোস্টগার্ড ও বর্ডার গার্ড বাংলাদেশসহ বিভিন্ন আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা নিয়োজিত থাকবেন। এছাড়াও ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্রগুলোকে বাড়তি নিরাপত্তা দেওয়া হবে।
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভোলার ৪টি সংসদীয় আসনে মোট ৫২৫টি ভোটকেন্দ্র রয়েছে। এর মধ্যে ১৩১টি কেন্দ্রকে ‘ঝুঁকিপূর্ণ’ হিসেবে চিহ্নিত করেছে জেলা প্রশাসন। এসব কেন্দ্রে শান্তিপূর্ণ ভোট গ্রহণ নিশ্চিত করতে সাধারণ কেন্দ্রের তুলনায় বাড়তি নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে।
জেলা নির্বাচন অফিস সূত্রে জানা গেছে, ৪টি আসনে এই ৫২৫টি কেন্দ্রে মোট ৩ হাজার ৬২২টি ভোটকক্ষে ভোট গ্রহণ করা হবে। এরমধ্যে ভোলা-১ (সদর) আসনের কেন্দ্র রয়েছে ১১৪টি, ভোলা-২ (দৌলতখান-বোরহানউদ্দিন) আসনের ১৩৮টি, ভোলা-৩ (লালমোহন-তজুমদ্দিন) আসনের ১১৯টি ও ভোলা-৪ (চরফ্যাশন-মনপুরা) আসনে মোট ১৫৪টি কেন্দ্র রয়েছে।
জেলা প্রশাসন জানিয়েছে, এসব কেন্দ্রগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্র রয়েছে ভোলা-৩ আসনে (৫০টি), যার মধ্যে তজুমদ্দিন উপজেলায় ৩৬টি এবং লালমোহনে ১৪টি। এছাড়া ভোলা-২ আসনের ৩২টি ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্রের মধ্যে দৌলতখানেই ২৫টি। ভোলা-৪ আসনে চরফ্যাশনে ১৬টি ও মনপুরায় ১১টি এবং ভোলা-১ (সদর) আসনে ২২টি কেন্দ্রকে ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।
জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক ডা. শামীম রহমান জানান, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি উৎসবমুখর পরিবেশে ভোট গ্রহণ সম্পন্ন করতে সব ধরনের ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।
তিনি বলেন, নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট, পুলিশ, র্যাব, নৌবাহিনী, কোস্টগার্ড ও বর্ডার গার্ড বাংলাদেশসহ বিভিন্ন আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা নিয়োজিত থাকবেন। এছাড়াও ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্রগুলোকে বাড়তি নিরাপত্তা দেওয়া হবে।

০৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১৯:১৪
ভোলা-৪ (চরফ্যাশন-মনপুরা) সংসদীয় আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী ও যুবদলের কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ নূরুল ইসলাম নয়নের সমর্থনে জোরালো গণসংযোগ কর্মসূচি পরিচালনা করেছে পেশাজীবী প্রকৌশলীদের সংগঠন অ্যাসোসিয়েশন অব ইঞ্জিনিয়ার্স বাংলাদেশ (অ্যাব) এর কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ।
শুক্রবার (৬ ফেব্রুয়ারি) সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত চরফ্যাশন উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় বাড়ি বাড়ি গিয়ে ভোটারদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন অ্যাবে’র একটি উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধি দল। আই.ই.বি ঢাকা সেন্টারের সম্মানী সম্পাদক ও অ্যাবে’র সদস্য প্রকৌশলী কে.এম আসাদুজ্জামান চুন্নুর নেতৃত্বে এই প্রতিনিধি দলটি ইউনিয়ন ও ওয়ার্ড পর্যায়ে বিস্তৃতভাবে গণসংযোগ চালায়। এ সময় তারা ধানের শীষ প্রতীকের লিফলেট বিতরণ করেন এবং ভোটারদের সঙ্গে সরাসরি কথা বলেন।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, সাধারণ মানুষের মধ্যে কর্মসূচিকে ঘিরে উল্লেখযোগ্য আগ্রহ ও সাড়া দেখা গেছে। বিশেষ করে তরুণ ভোটার ও স্থানীয় পেশাজীবীদের অনেকেই প্রকৌশলীদের এই উদ্যোগকে ইতিবাচক হিসেবে দেখছেন। গণসংযোগ কার্যক্রমে অর্ধশতাধিক নেতাকর্মী অংশ নেন। তারা স্থানীয় মানুষের সঙ্গে দেশের গণতন্ত্র, ভোটাধিকার এবং নির্বাচনী পরিবেশ নিয়ে কথা বলেন। প্রতিনিধি দলের সদস্যরা জানান, অবাধ ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন নিশ্চিত করতে জনগণের ঐক্যবদ্ধ অংশগ্রহণ জরুরি।
কর্মসূচি চলাকালে অ্যাবে’র সদস্য প্রকৌশলী কে.এম আসাদুজ্জামান চুন্নু বলেন, “গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার ও জনগণের ভোটাধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য ধানের শীষ প্রতীকের পক্ষে সবাইকে একযোগে কাজ করতে হবে।” পাশাপাশি তারা আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য নির্বাচনে ভোলা-৪ আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী মোহাম্মদ নূরুল ইসলাম নয়নকে বিজয়ী করার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন।
এই গণসংযোগে অ্যাবে’র কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক কমিটির সদস্য প্রকৌশলী মোঃ আহসানুল রাসেলসহ অর্ধশতাধিক প্রকৌশলী অংশ নেন। অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য ছিলেন প্রকৌশলী আব্দুস সামাদ রনি, প্রকৌশলী রবিউল আলম উজ্জ্বল, প্রকৌশলী মোঃ নুরুজ্জামান, প্রকৌশলী ইকবাল আব্দুল্লাহ, প্রকৌশলী তৈহিদুর রহমান জুয়েল, প্রকৌশলী অনোয়ার হোসেন শামীম, মোঃ আবু সাঈদ বাদশা, প্রকৌশলী মোঃ মনিরুজ্জামান সোহাগ এবং শাহ মোঃ ছাব্বির।
দিনব্যাপী গণসংযোগ শেষে প্রতিনিধি দলটি বিএনপি মনোনীত প্রার্থী মোহাম্মদ নূরুল ইসলাম নয়নের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন। এ সময় তারা নির্বাচনী পরিবেশ, স্থানীয় সমস্যা, অবকাঠামোগত চ্যালেঞ্জ এবং প্রচার কৌশল নিয়ে মতবিনিময় করেন। বিশেষ করে চরফ্যাশন-মনপুরার যোগাযোগ ব্যবস্থা, নদীভাঙন ও উন্নয়ন প্রয়োজনীয়তা নিয়ে আলোচনা হয়।
স্থানীয় রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, প্রকৌশলীদের মতো পেশাজীবী গোষ্ঠীর সরাসরি মাঠপর্যায়ে অংশগ্রহণ ভোলা-৪ আসনের নির্বাচনী রাজনীতিতে নতুন মাত্রা যোগ করেছে। এতে ভোটারদের মধ্যে নির্বাচনী আগ্রহ বাড়তে পারে বলে মনে করছেন তারা।
ভোলা-৪ (চরফ্যাশন-মনপুরা) সংসদীয় আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী ও যুবদলের কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ নূরুল ইসলাম নয়নের সমর্থনে জোরালো গণসংযোগ কর্মসূচি পরিচালনা করেছে পেশাজীবী প্রকৌশলীদের সংগঠন অ্যাসোসিয়েশন অব ইঞ্জিনিয়ার্স বাংলাদেশ (অ্যাব) এর কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ।
শুক্রবার (৬ ফেব্রুয়ারি) সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত চরফ্যাশন উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় বাড়ি বাড়ি গিয়ে ভোটারদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন অ্যাবে’র একটি উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধি দল। আই.ই.বি ঢাকা সেন্টারের সম্মানী সম্পাদক ও অ্যাবে’র সদস্য প্রকৌশলী কে.এম আসাদুজ্জামান চুন্নুর নেতৃত্বে এই প্রতিনিধি দলটি ইউনিয়ন ও ওয়ার্ড পর্যায়ে বিস্তৃতভাবে গণসংযোগ চালায়। এ সময় তারা ধানের শীষ প্রতীকের লিফলেট বিতরণ করেন এবং ভোটারদের সঙ্গে সরাসরি কথা বলেন।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, সাধারণ মানুষের মধ্যে কর্মসূচিকে ঘিরে উল্লেখযোগ্য আগ্রহ ও সাড়া দেখা গেছে। বিশেষ করে তরুণ ভোটার ও স্থানীয় পেশাজীবীদের অনেকেই প্রকৌশলীদের এই উদ্যোগকে ইতিবাচক হিসেবে দেখছেন। গণসংযোগ কার্যক্রমে অর্ধশতাধিক নেতাকর্মী অংশ নেন। তারা স্থানীয় মানুষের সঙ্গে দেশের গণতন্ত্র, ভোটাধিকার এবং নির্বাচনী পরিবেশ নিয়ে কথা বলেন। প্রতিনিধি দলের সদস্যরা জানান, অবাধ ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন নিশ্চিত করতে জনগণের ঐক্যবদ্ধ অংশগ্রহণ জরুরি।
কর্মসূচি চলাকালে অ্যাবে’র সদস্য প্রকৌশলী কে.এম আসাদুজ্জামান চুন্নু বলেন, “গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার ও জনগণের ভোটাধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য ধানের শীষ প্রতীকের পক্ষে সবাইকে একযোগে কাজ করতে হবে।” পাশাপাশি তারা আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য নির্বাচনে ভোলা-৪ আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী মোহাম্মদ নূরুল ইসলাম নয়নকে বিজয়ী করার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন।
এই গণসংযোগে অ্যাবে’র কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক কমিটির সদস্য প্রকৌশলী মোঃ আহসানুল রাসেলসহ অর্ধশতাধিক প্রকৌশলী অংশ নেন। অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য ছিলেন প্রকৌশলী আব্দুস সামাদ রনি, প্রকৌশলী রবিউল আলম উজ্জ্বল, প্রকৌশলী মোঃ নুরুজ্জামান, প্রকৌশলী ইকবাল আব্দুল্লাহ, প্রকৌশলী তৈহিদুর রহমান জুয়েল, প্রকৌশলী অনোয়ার হোসেন শামীম, মোঃ আবু সাঈদ বাদশা, প্রকৌশলী মোঃ মনিরুজ্জামান সোহাগ এবং শাহ মোঃ ছাব্বির।
দিনব্যাপী গণসংযোগ শেষে প্রতিনিধি দলটি বিএনপি মনোনীত প্রার্থী মোহাম্মদ নূরুল ইসলাম নয়নের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন। এ সময় তারা নির্বাচনী পরিবেশ, স্থানীয় সমস্যা, অবকাঠামোগত চ্যালেঞ্জ এবং প্রচার কৌশল নিয়ে মতবিনিময় করেন। বিশেষ করে চরফ্যাশন-মনপুরার যোগাযোগ ব্যবস্থা, নদীভাঙন ও উন্নয়ন প্রয়োজনীয়তা নিয়ে আলোচনা হয়।
স্থানীয় রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, প্রকৌশলীদের মতো পেশাজীবী গোষ্ঠীর সরাসরি মাঠপর্যায়ে অংশগ্রহণ ভোলা-৪ আসনের নির্বাচনী রাজনীতিতে নতুন মাত্রা যোগ করেছে। এতে ভোটারদের মধ্যে নির্বাচনী আগ্রহ বাড়তে পারে বলে মনে করছেন তারা।

০৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১৫:৫২
ভোলা-৪ আসনের মনপুরা উপজেলার নির্বাচন প্রচারণাকে কেন্দ্র করে বিএনপি ও জামায়াতের নেতাকর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে।
এতে দুইপক্ষ মিলিয়ে অন্তত ১৯ জন আহত হয়েছেন। আহতদের মধ্যে বিএনপির গণি মাঝি ও জামায়াতের ইদ্রিস মাঝিকে মনপুরা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। শুক্রবার (৬ ফেব্রুয়ারি) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে স্থানীয় উত্তর সাকুচিয়া ইউনিয়নের মাস্টারহাট এলাকায়ি এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, সকাল থেকেই স্থানীয় বিএনপির নেতাকর্মীরা ‘ধানের শীষ’ প্রতীকের নির্বাচনি প্রচারণা চালাচ্ছিলেন। একই সময়ে জামায়াতের নেতাকর্মীরাও সেখানে পৌঁছে প্রচারণা চালাতে থাকেন। একপর্যায়ে দু’দলের মধ্যে কথাকাটাকাটি ও বিতর্কিত স্লোগান বিনিময় শুরু হয়। মুহূর্তের মধ্যেই পরিস্থিতি হাতাহাতি ও সংঘর্ষে পরিণত হয়।
সংঘর্ষে আহতদের মধ্যে অধিকাংশকে স্থানীয়ভাবে চিকিৎসা দেয়া হলেও গুরুতর দু’জনকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। স্থানীয়রা জানিয়েছেন, সংঘর্ষের সময় আতঙ্ক ও ভিড়ের কারণে এলাকার পরিবেশ এক সময় উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। ঘটনার খবর পেয়ে মনপুরা থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে দুই গ্রুপকে আলাদা করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
মনপুরা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মাহমুদ আল ফরিদ জানান, দুই পক্ষের মধ্যে হাতাহাতি এবং মারামারি হয়েছে, তবে বড় ধরনের সংঘর্ষ ঘটেনি। পুলিশ পরিস্থিতি দ্রুত শান্ত করতে সক্ষম হয়েছে। আহত দুইজনের অবস্থা বর্তমানে অনেকটাই স্থিতিশীল।
এদিকে স্থানীয়দের মধ্যে এখনো এলাকায় আতঙ্ক ও থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে। বিএনপি ও জামায়াতের নেতারা একে অপরকে দায়ী করলেও কোন পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে ক্ষতি বা অভিযোগ দাখিল করা হয়নি।
ভোলা-৪ আসনের মনপুরা উপজেলার নির্বাচন প্রচারণাকে কেন্দ্র করে বিএনপি ও জামায়াতের নেতাকর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে।
এতে দুইপক্ষ মিলিয়ে অন্তত ১৯ জন আহত হয়েছেন। আহতদের মধ্যে বিএনপির গণি মাঝি ও জামায়াতের ইদ্রিস মাঝিকে মনপুরা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। শুক্রবার (৬ ফেব্রুয়ারি) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে স্থানীয় উত্তর সাকুচিয়া ইউনিয়নের মাস্টারহাট এলাকায়ি এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, সকাল থেকেই স্থানীয় বিএনপির নেতাকর্মীরা ‘ধানের শীষ’ প্রতীকের নির্বাচনি প্রচারণা চালাচ্ছিলেন। একই সময়ে জামায়াতের নেতাকর্মীরাও সেখানে পৌঁছে প্রচারণা চালাতে থাকেন। একপর্যায়ে দু’দলের মধ্যে কথাকাটাকাটি ও বিতর্কিত স্লোগান বিনিময় শুরু হয়। মুহূর্তের মধ্যেই পরিস্থিতি হাতাহাতি ও সংঘর্ষে পরিণত হয়।
সংঘর্ষে আহতদের মধ্যে অধিকাংশকে স্থানীয়ভাবে চিকিৎসা দেয়া হলেও গুরুতর দু’জনকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। স্থানীয়রা জানিয়েছেন, সংঘর্ষের সময় আতঙ্ক ও ভিড়ের কারণে এলাকার পরিবেশ এক সময় উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। ঘটনার খবর পেয়ে মনপুরা থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে দুই গ্রুপকে আলাদা করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
মনপুরা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মাহমুদ আল ফরিদ জানান, দুই পক্ষের মধ্যে হাতাহাতি এবং মারামারি হয়েছে, তবে বড় ধরনের সংঘর্ষ ঘটেনি। পুলিশ পরিস্থিতি দ্রুত শান্ত করতে সক্ষম হয়েছে। আহত দুইজনের অবস্থা বর্তমানে অনেকটাই স্থিতিশীল।
এদিকে স্থানীয়দের মধ্যে এখনো এলাকায় আতঙ্ক ও থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে। বিএনপি ও জামায়াতের নেতারা একে অপরকে দায়ী করলেও কোন পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে ক্ষতি বা অভিযোগ দাখিল করা হয়নি।

Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.