
১৫ ডিসেম্বর, ২০২৫ ২১:৫২
‘আর একটি লাশ পড়লে আমরাও লাশ নেব’ এই হুঁশিয়ারি দিয়েছেন অন্তর্বর্তী সরকারের সাবেক উপদেষ্টা মাহফুজ আলম।
সোমবার (১৫ ডিসেম্বর) বিকেলে রাজধানীর কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে ইনকিলাব মঞ্চের সর্বদলীয় প্রতিরোধ সমাবেশে এ হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেন তিনি।
মাহফুজ আলম বলেন, ‘খুবই সংকটময় পরিস্থিতি সামনে। একটি লাশ পড়লে আমরাও লাশ নেব। অনেক ধৈর্য ধরা হয়েছে, আর না। আইনের ফাঁকফোকর গলিয়ে ভারতে আশ্রয় নিয়ে ভাইদের ওপর হামলা করবেন, এটা আমরা বরদাশত করব না।
‘অভ্যুত্থানের পর লড়াইয়ে পরাস্ত হয়েছি বলেই হাদি গুলিবিদ্ধ’ মন্তব্য করে মাহফুজ আলম বলেন, ‘এই লড়াই দীর্ঘ, এর জন্য আমার প্রথমে বলেছি মুজিববাদের মূল উৎখাত করতে হবে। কিন্তু সেই চেষ্টা কমই দেখছি। এখনো মুজিববাদবিরোধী লড়াইয়ে আমরা পিছিয়ে আছি।’
‘বাংলাদেশে থেকে দেশের বিরুদ্ধে অপতৎপরতা বজায় রাখছে একদল’ মন্তব্য করে তিনি বলেন, ‘৫ আগস্টের পর আমরা চাইলে এদের সব ধ্বংস করে দিতে পারতাম, করিনি। আমরা ক্ষমা করে ভুল করে থাকলে প্রতিজ্ঞা করি, আর ক্ষমা করব না।’
তিনি বলেন, ‘আমরা নিরাপদ না থাকলে, দেশে আমাদের শত্রুরাও নিরাপদ থাকতে পারবে না। জুলাই শক্তি গঠনমূলকভাবে শক্তিশালী হয়ে উঠলে সব লড়াই রুখে দেওয়া যাবে।’
প্রতিরোধ সমাবেশে বক্তারা বলেন, ‘স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টাকে জিজ্ঞেস করতে চাই, বারবার হাদির জীবন শঙ্কা দেখা দেওয়ার পরও আপনারা কী ব্যবস্থা নিয়েছেন? এই উপদেষ্টাকে নিয়ে নির্বাচন পর্যন্ত যাওয়া যাবে না। আগামী ২৪ থেকে ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টাকে পদত্যাগ করতে হবে।’
বক্তারা আরও বলেন, ‘হাদি আমাদের সবার মধ্যে রয়েছে। হাদির ওপর হামলাকারীদের গ্রেপ্তার করতে হবে। এ দেশে থেকে আওয়ামী লীগের দালালদের বিতাড়িত করতে হবে।’
এর আগে, সোমবার বিকেল ৩টায় আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হওয়া এই সমাবেশে বিভিন্ন রাজনৈতিক দল, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের নেতাকর্মীরা অংশ নেন। সমাবেশস্থলে উপস্থিত নেতাকর্মীরা একের পর এক প্রতিবাদী স্লোগান দিতে থাকেন। স্লোগানে স্লোগানে তারা বলেন, ‘আমরা সবাই হাদি হব, ভুলের মুখে কথা বলব’, ‘এক হাদি রক্ত দেবে, লক্ষ হাদি জন্ম নেবে’। পাশাপাশি শরিফ ওসমান বিন হাদির ওপর হামলার ঘটনার ন্যায়বিচারের দাবিতে বিভিন্ন স্লোগানে তারা ক্ষোভ প্রকাশ করেন এবং হামলাকারীদের দ্রুত বিচারের দাবি তোলেন।
‘আর একটি লাশ পড়লে আমরাও লাশ নেব’ এই হুঁশিয়ারি দিয়েছেন অন্তর্বর্তী সরকারের সাবেক উপদেষ্টা মাহফুজ আলম।
সোমবার (১৫ ডিসেম্বর) বিকেলে রাজধানীর কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে ইনকিলাব মঞ্চের সর্বদলীয় প্রতিরোধ সমাবেশে এ হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেন তিনি।
মাহফুজ আলম বলেন, ‘খুবই সংকটময় পরিস্থিতি সামনে। একটি লাশ পড়লে আমরাও লাশ নেব। অনেক ধৈর্য ধরা হয়েছে, আর না। আইনের ফাঁকফোকর গলিয়ে ভারতে আশ্রয় নিয়ে ভাইদের ওপর হামলা করবেন, এটা আমরা বরদাশত করব না।
‘অভ্যুত্থানের পর লড়াইয়ে পরাস্ত হয়েছি বলেই হাদি গুলিবিদ্ধ’ মন্তব্য করে মাহফুজ আলম বলেন, ‘এই লড়াই দীর্ঘ, এর জন্য আমার প্রথমে বলেছি মুজিববাদের মূল উৎখাত করতে হবে। কিন্তু সেই চেষ্টা কমই দেখছি। এখনো মুজিববাদবিরোধী লড়াইয়ে আমরা পিছিয়ে আছি।’
‘বাংলাদেশে থেকে দেশের বিরুদ্ধে অপতৎপরতা বজায় রাখছে একদল’ মন্তব্য করে তিনি বলেন, ‘৫ আগস্টের পর আমরা চাইলে এদের সব ধ্বংস করে দিতে পারতাম, করিনি। আমরা ক্ষমা করে ভুল করে থাকলে প্রতিজ্ঞা করি, আর ক্ষমা করব না।’
তিনি বলেন, ‘আমরা নিরাপদ না থাকলে, দেশে আমাদের শত্রুরাও নিরাপদ থাকতে পারবে না। জুলাই শক্তি গঠনমূলকভাবে শক্তিশালী হয়ে উঠলে সব লড়াই রুখে দেওয়া যাবে।’
প্রতিরোধ সমাবেশে বক্তারা বলেন, ‘স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টাকে জিজ্ঞেস করতে চাই, বারবার হাদির জীবন শঙ্কা দেখা দেওয়ার পরও আপনারা কী ব্যবস্থা নিয়েছেন? এই উপদেষ্টাকে নিয়ে নির্বাচন পর্যন্ত যাওয়া যাবে না। আগামী ২৪ থেকে ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টাকে পদত্যাগ করতে হবে।’
বক্তারা আরও বলেন, ‘হাদি আমাদের সবার মধ্যে রয়েছে। হাদির ওপর হামলাকারীদের গ্রেপ্তার করতে হবে। এ দেশে থেকে আওয়ামী লীগের দালালদের বিতাড়িত করতে হবে।’
এর আগে, সোমবার বিকেল ৩টায় আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হওয়া এই সমাবেশে বিভিন্ন রাজনৈতিক দল, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের নেতাকর্মীরা অংশ নেন। সমাবেশস্থলে উপস্থিত নেতাকর্মীরা একের পর এক প্রতিবাদী স্লোগান দিতে থাকেন। স্লোগানে স্লোগানে তারা বলেন, ‘আমরা সবাই হাদি হব, ভুলের মুখে কথা বলব’, ‘এক হাদি রক্ত দেবে, লক্ষ হাদি জন্ম নেবে’। পাশাপাশি শরিফ ওসমান বিন হাদির ওপর হামলার ঘটনার ন্যায়বিচারের দাবিতে বিভিন্ন স্লোগানে তারা ক্ষোভ প্রকাশ করেন এবং হামলাকারীদের দ্রুত বিচারের দাবি তোলেন।
০২ মার্চ, ২০২৬ ২৩:২০
০২ মার্চ, ২০২৬ ২৩:০৮
০২ মার্চ, ২০২৬ ২১:৩৯
০২ মার্চ, ২০২৬ ২১:৩৫

০২ মার্চ, ২০২৬ ২০:২৪
মিয়া নুরুদ্দিন আহাম্মেদ অপুসহ ছয়জনকে হুইপ নিয়োগ দিয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করেছে বাংলাদেশ জাতীয় সংসদ সচিবালয়। সোমবার (২ মার্চ) এ-সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে।
প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, বাংলাদেশ হুইপ অধ্যাদেশ ১৯৭২-এর আর্টিকেল ৩(১)-এর বিধান অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি নিম্নবর্ণিত সংসদ সদস্যগণকে বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের হুইপ নিয়োগ করলেন।
নিয়োগপ্রাপ্ত হুইপরা হলেন, আলহাজ মো. জি কে গউছ (২৪১ হবিগঞ্জ-৩), রফিকুল ইসলাম (১০১ খুলনা-৩), মিয়া নুরুদ্দিন আহাম্মেদ (২২৩ শরীয়তপুর-৩), এম রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলু (৫৯ নাটোর-২), মো. আখতারুজ্জামান মিয়া (৯ দিনাজপুর-৪), এ বি এম আশরাফ উদ্দিন নিজান (২৭৭ লক্ষ্মীপুর-৪)।
মিয়া নুরুদ্দিন আহাম্মেদ অপুসহ ছয়জনকে হুইপ নিয়োগ দিয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করেছে বাংলাদেশ জাতীয় সংসদ সচিবালয়। সোমবার (২ মার্চ) এ-সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে।
প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, বাংলাদেশ হুইপ অধ্যাদেশ ১৯৭২-এর আর্টিকেল ৩(১)-এর বিধান অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি নিম্নবর্ণিত সংসদ সদস্যগণকে বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের হুইপ নিয়োগ করলেন।
নিয়োগপ্রাপ্ত হুইপরা হলেন, আলহাজ মো. জি কে গউছ (২৪১ হবিগঞ্জ-৩), রফিকুল ইসলাম (১০১ খুলনা-৩), মিয়া নুরুদ্দিন আহাম্মেদ (২২৩ শরীয়তপুর-৩), এম রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলু (৫৯ নাটোর-২), মো. আখতারুজ্জামান মিয়া (৯ দিনাজপুর-৪), এ বি এম আশরাফ উদ্দিন নিজান (২৭৭ লক্ষ্মীপুর-৪)।

০২ মার্চ, ২০২৬ ১২:৪৫
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে রাজশাহী-১, কুড়িগ্রাম-২, রংপুর-৬ ও রংপুর-৪ আসনের ভোটের ফল চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে বিএনপির প্রার্থীরা আবেদন করেছেন।
এই চার প্রার্থী হলেন, বিএনপির কুড়িগ্রাম-২ আসনের সোহেল হোসনাইন কায়কোবাদ, বিএনপির রংপুর-৬ আসনের মো. সাইফুল ইসলাম, বিএনপির রংপুর-৪ আসনের মোহাম্মদ এমদাদুল হক ভরসা এবং বিএনপির রাজশাহী-১ আসনের মেজর জেনারেল (অব.) মো. শরীফ উদ্দিন।
সোমবার (২ মার্চ) হাইকোর্টের বিচারপতি মো. জাকির হোসেনের একক বেঞ্চে এসব আবেদনের ওপর শুনানি হওয়ার কথা রয়েছ।
এর আগে রোববার বিএনপির প্রার্থী ডি এম ডি জিয়াউর এবং পাবনা-৪ আসনে বিএনপির প্রার্থী মো. হাবিবুর রহমান হাবিবের পৃথক আবেদন শুনানির জন্য গ্রহণ করেছেন হাইকোর্ট।
এ ছাড়া বৃহস্পতিবার চারটি আবেদন শুনানির জন্য গ্রহণ করা হয়েছে। যে চারটি আবেদন শুনানির জন্য গ্রহণ করা হয়েছে সেগুলো হলো-শেরপুর-১, ঢাকা-৬ ও ৭ এবং গাইবান্ধা-৪।
আবেদনকারী চার প্রার্থী হলেন, শেরপুর-১ আসনে বিএনপির সানসিলা জেবরিন, ঢাকা-৬ আসনে জামায়াতের মো. আবদুল মান্নান, ঢাকা-৭ আসনে জামায়াতের মো. এনায়াত উল্লাহ এবং গাইবান্ধা-৪ আসনে জামায়াতের মো. আবদুর রহিম সরকার।
গণপ্রতিনিধিত্ব অধ্যাদেশের ৪৯ ধারা অনুযায়ী অনিয়মের বিরুদ্ধে আবেদনপত্র শুনানির জন্য হাইকোর্টে নির্বাচনি ট্রাইব্যুনাল গঠন করা হয়।
বিচারপতি মো. জাকির হোসেনের নেতৃত্বে একক বেঞ্চ এসব আবেদনের ওপর শুনানি গ্রহণ করছেন। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ভোটগ্রহণ হয় বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি)।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে রাজশাহী-১, কুড়িগ্রাম-২, রংপুর-৬ ও রংপুর-৪ আসনের ভোটের ফল চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে বিএনপির প্রার্থীরা আবেদন করেছেন।
এই চার প্রার্থী হলেন, বিএনপির কুড়িগ্রাম-২ আসনের সোহেল হোসনাইন কায়কোবাদ, বিএনপির রংপুর-৬ আসনের মো. সাইফুল ইসলাম, বিএনপির রংপুর-৪ আসনের মোহাম্মদ এমদাদুল হক ভরসা এবং বিএনপির রাজশাহী-১ আসনের মেজর জেনারেল (অব.) মো. শরীফ উদ্দিন।
সোমবার (২ মার্চ) হাইকোর্টের বিচারপতি মো. জাকির হোসেনের একক বেঞ্চে এসব আবেদনের ওপর শুনানি হওয়ার কথা রয়েছ।
এর আগে রোববার বিএনপির প্রার্থী ডি এম ডি জিয়াউর এবং পাবনা-৪ আসনে বিএনপির প্রার্থী মো. হাবিবুর রহমান হাবিবের পৃথক আবেদন শুনানির জন্য গ্রহণ করেছেন হাইকোর্ট।
এ ছাড়া বৃহস্পতিবার চারটি আবেদন শুনানির জন্য গ্রহণ করা হয়েছে। যে চারটি আবেদন শুনানির জন্য গ্রহণ করা হয়েছে সেগুলো হলো-শেরপুর-১, ঢাকা-৬ ও ৭ এবং গাইবান্ধা-৪।
আবেদনকারী চার প্রার্থী হলেন, শেরপুর-১ আসনে বিএনপির সানসিলা জেবরিন, ঢাকা-৬ আসনে জামায়াতের মো. আবদুল মান্নান, ঢাকা-৭ আসনে জামায়াতের মো. এনায়াত উল্লাহ এবং গাইবান্ধা-৪ আসনে জামায়াতের মো. আবদুর রহিম সরকার।
গণপ্রতিনিধিত্ব অধ্যাদেশের ৪৯ ধারা অনুযায়ী অনিয়মের বিরুদ্ধে আবেদনপত্র শুনানির জন্য হাইকোর্টে নির্বাচনি ট্রাইব্যুনাল গঠন করা হয়।
বিচারপতি মো. জাকির হোসেনের নেতৃত্বে একক বেঞ্চ এসব আবেদনের ওপর শুনানি গ্রহণ করছেন। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ভোটগ্রহণ হয় বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি)।

০২ মার্চ, ২০২৬ ১২:১১
বাংলাদেশসহ নির্দিষ্ট কিছু দেশের নাগরিকদের জন্য অভিবাসী ভিসা প্রদান স্থগিত করেছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। গত ২১ জানুয়ারি ২০২৬ থেকে এই সিদ্ধান্ত কার্যকর করা হয়েছে। সোমবার (২ মার্চ) সকালে ঢাকাস্থ মার্কিন দূতাবাস নিজেদের ভেরিফায়েড ফেসবুকের এক পোস্টে এসব নিশ্চিত করেছে।
এতে বলা হয়, ‘২১ জানুয়ারি ২০২৬ থেকে কার্যকরভাবে যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তর বাংলাদেশসহ কিছু দেশের নাগরিকদের জন্য অভিবাসী ভিসা দেওয়া স্থগিত করেছে। যেসব দেশের অভিবাসীরা যুক্তরাষ্ট্রের করদাতাদের ব্যয়ে তুলনামূলক বেশি হারে সরকারি সহায়তা নেন, তাদের ক্ষেত্রেই এই সিদ্ধান্ত প্রযোজ্য।’
মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর জানিয়েছে, ‘প্রভাবিত দেশগুলোর নাগরিকরা অভিবাসী ভিসার আবেদন জমা দিতে পারবেন এবং নির্ধারিত সাক্ষাৎকারে অংশ নিতে পারবেন। পররাষ্ট্র দপ্তর ভিসা সাক্ষাৎকারের সময় নির্ধারণ কার্যক্রম চালিয়ে যাবে।’
বাংলাদেশসহ নির্দিষ্ট কিছু দেশের নাগরিকদের জন্য অভিবাসী ভিসা প্রদান স্থগিত করেছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। গত ২১ জানুয়ারি ২০২৬ থেকে এই সিদ্ধান্ত কার্যকর করা হয়েছে। সোমবার (২ মার্চ) সকালে ঢাকাস্থ মার্কিন দূতাবাস নিজেদের ভেরিফায়েড ফেসবুকের এক পোস্টে এসব নিশ্চিত করেছে।
এতে বলা হয়, ‘২১ জানুয়ারি ২০২৬ থেকে কার্যকরভাবে যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তর বাংলাদেশসহ কিছু দেশের নাগরিকদের জন্য অভিবাসী ভিসা দেওয়া স্থগিত করেছে। যেসব দেশের অভিবাসীরা যুক্তরাষ্ট্রের করদাতাদের ব্যয়ে তুলনামূলক বেশি হারে সরকারি সহায়তা নেন, তাদের ক্ষেত্রেই এই সিদ্ধান্ত প্রযোজ্য।’
মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর জানিয়েছে, ‘প্রভাবিত দেশগুলোর নাগরিকরা অভিবাসী ভিসার আবেদন জমা দিতে পারবেন এবং নির্ধারিত সাক্ষাৎকারে অংশ নিতে পারবেন। পররাষ্ট্র দপ্তর ভিসা সাক্ষাৎকারের সময় নির্ধারণ কার্যক্রম চালিয়ে যাবে।’
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.