
২০ জুলাই, ২০২৫ ১৪:২৩
বঙ্গোপসাগরে মাছ শিকার করতে গিয়ে এফবি ভাই ভাই এবং এফবি রফিক নামে বরগুনার দুটি ট্রলারে ডাকাতির ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় এফবি ভাই ভাই ট্রলারে থাকা কামাল হোসেন (৩২) নামে এক জেলে গুলিবিদ্ধ হয়েছেন। এছাড়াও এ ঘটনায় আহত হয়েছেন কমপক্ষে ৮ জেলে। শনিবার (১৯ জুলাই) বিকেলে আহত জেলেদের নিয়ে ট্রলার দুটি বরগুনা সদর উপজেলার ৭ নম্বর ঢলুয়া ইউনিয়নের নলী চড়কগাছীয়া নামক এলাকায় এসে পৌঁছায়। ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেন বরগুনা সদর থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. ইয়াকুব হোসাইন।
জানা গেছে, গুলিবিদ্ধ কামাল হোসেন উন্নত চিকিৎসার জন্য বরিশাল শের-ই বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি আছেন। তিনি ঢলুয়া ইউনিয়নের বাসিন্দা ইউনুস পহল্লানের ছেলে।
এর আগে শুক্রবার (১৮ জুলাই) রাতে বঙ্গোপসাগরে এ ডাকাতির ঘটনা ঘটে। ডাকাতির শিকার ট্রলার দুটির মালিক জাহাঙ্গীর মোল্লা এবং মাসুম হাওলাদার বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
স্থানীয়রা জানান, এক সপ্তাহ আগে এফবি ভাই ভাই এবং এফবি রফিক নামে দুটি ট্রলার নিয়ে ৩৫ জন জেলে সাগরে মাছ ধরতে যান। পরে গত রাতে সাগরে মাছ ধরা অবস্থায় ২০ থেকে ২৫ জন ডাকাত একটি ট্রলার নিয়ে এসে ওই ট্রলার দুটিতে থাকা জেলেদের ওপর অতর্কিতভাবে হামলা চালায়। এ সময় ভাই ভাই ট্রলারে থাকা জেলে কামাল হোসেন পায়ে গুলিবিদ্ধ হয়ে আহত হন। এ ছাড়াও ডাকাতের হামলায় ট্রলার দুটিতে থাকা কমপক্ষে আরও ৮ জেলে আহত হন। পরে ট্রলার দুটিতে থাকা জাল, মাছ এবং তেলসহ জেলেদের সঙ্গে থাকা মোবাইল ফোনগুলো লুট করে নিয়ে যায় ডাকাতরা।
বিজ্ঞাপন
পরবর্তীতে আহত জেলেদের নিয়ে শনিবার বিকেলে ট্রলার দুটি বরগুনায় পৌঁছালে গুলিবিদ্ধ কামাল হোসেনকে বরগুনা জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়। এ সময় হাসপাতালে দায়িত্বরত চিকিৎসক তাকে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে উন্নত চিকিৎসার জন্য বরিশাল শের-ই বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করেন।
ভাই ভাই ট্রলারের মালিক মাসুম হাওলাদার বলেন, ৭ দিন আগে ট্রলার নিয়ে সাগরে মাছ ধরতে যান জেলেরা। মাছ ধরা শেষে প্রতিবার ঘাটের কাছাকাছি আসলে জেলেরা আমাদেরকে ফোনে জানান। তবে আজকে জেলেরা ঘাটে এসে সরাসরি আমার বাড়িতে গিয়ে জানায় ট্রলারে ডাকাতির ঘটনা ঘটেছে। তাদের সঙ্গে থাকা মোবাইলসহ ট্রলারের বিভিন্ন মালামাল লুট করে নিয়ে গেছে ডাকাতরা। এ ঘটনায় প্রায় ১০ থেকে ১২ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলেও জানান তিনি।
এফবি রফিক নামের ট্রলারটির মালিক জাহাঙ্গীর মোল্লা বলেন, গত শনিবার আমার ট্রলার নিয়ে জেলেরা সাগরে মাছ ধরতে যায়। গতকাল রাতে তারা মাছ ধরা অবস্থায় ডাকাতের কবলে পড়েন জেলেরা।
বরগুনা জেনারেল হাসপাতালের দায়িত্বরত চিকিৎসক মেডিকেল অফিসার ডা. মো. মোস্তফা কামাল বলেন, গুলিবিদ্ধ অবস্থায় একজনকে হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়েছে। বর্তমানে তার শারীরিক অবস্থা ভালো আছে। তবে তার দুই পায়ে অসংখ্য স্প্লিন্টারের চিহ্ন রয়েছে এবং ভেতরে স্প্লিন্টার ঢুকে আছে। আর এ কারণেই স্প্লিন্টারগুলো অপসারণ করতে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে তাকে বরিশাল শের-ই বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
এ বিষয়ে বরগুনা সদর থানা পুলিশের ওসি মো. ইয়াকুব হোসাইন সাংবাদিকদের বলেন, আমাদের থানা এলাকার মধ্যে যদি এমন ঘটনা ঘটে এবং সুনির্দিষ্ট কোনো অভিযোগ পাই, তাহলে আইনগত ব্যবস্থাগ্রহণ করা হবে।’
বঙ্গোপসাগরে মাছ শিকার করতে গিয়ে এফবি ভাই ভাই এবং এফবি রফিক নামে বরগুনার দুটি ট্রলারে ডাকাতির ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় এফবি ভাই ভাই ট্রলারে থাকা কামাল হোসেন (৩২) নামে এক জেলে গুলিবিদ্ধ হয়েছেন। এছাড়াও এ ঘটনায় আহত হয়েছেন কমপক্ষে ৮ জেলে। শনিবার (১৯ জুলাই) বিকেলে আহত জেলেদের নিয়ে ট্রলার দুটি বরগুনা সদর উপজেলার ৭ নম্বর ঢলুয়া ইউনিয়নের নলী চড়কগাছীয়া নামক এলাকায় এসে পৌঁছায়। ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেন বরগুনা সদর থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. ইয়াকুব হোসাইন।
জানা গেছে, গুলিবিদ্ধ কামাল হোসেন উন্নত চিকিৎসার জন্য বরিশাল শের-ই বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি আছেন। তিনি ঢলুয়া ইউনিয়নের বাসিন্দা ইউনুস পহল্লানের ছেলে।
এর আগে শুক্রবার (১৮ জুলাই) রাতে বঙ্গোপসাগরে এ ডাকাতির ঘটনা ঘটে। ডাকাতির শিকার ট্রলার দুটির মালিক জাহাঙ্গীর মোল্লা এবং মাসুম হাওলাদার বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
স্থানীয়রা জানান, এক সপ্তাহ আগে এফবি ভাই ভাই এবং এফবি রফিক নামে দুটি ট্রলার নিয়ে ৩৫ জন জেলে সাগরে মাছ ধরতে যান। পরে গত রাতে সাগরে মাছ ধরা অবস্থায় ২০ থেকে ২৫ জন ডাকাত একটি ট্রলার নিয়ে এসে ওই ট্রলার দুটিতে থাকা জেলেদের ওপর অতর্কিতভাবে হামলা চালায়। এ সময় ভাই ভাই ট্রলারে থাকা জেলে কামাল হোসেন পায়ে গুলিবিদ্ধ হয়ে আহত হন। এ ছাড়াও ডাকাতের হামলায় ট্রলার দুটিতে থাকা কমপক্ষে আরও ৮ জেলে আহত হন। পরে ট্রলার দুটিতে থাকা জাল, মাছ এবং তেলসহ জেলেদের সঙ্গে থাকা মোবাইল ফোনগুলো লুট করে নিয়ে যায় ডাকাতরা।
বিজ্ঞাপন
পরবর্তীতে আহত জেলেদের নিয়ে শনিবার বিকেলে ট্রলার দুটি বরগুনায় পৌঁছালে গুলিবিদ্ধ কামাল হোসেনকে বরগুনা জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়। এ সময় হাসপাতালে দায়িত্বরত চিকিৎসক তাকে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে উন্নত চিকিৎসার জন্য বরিশাল শের-ই বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করেন।
ভাই ভাই ট্রলারের মালিক মাসুম হাওলাদার বলেন, ৭ দিন আগে ট্রলার নিয়ে সাগরে মাছ ধরতে যান জেলেরা। মাছ ধরা শেষে প্রতিবার ঘাটের কাছাকাছি আসলে জেলেরা আমাদেরকে ফোনে জানান। তবে আজকে জেলেরা ঘাটে এসে সরাসরি আমার বাড়িতে গিয়ে জানায় ট্রলারে ডাকাতির ঘটনা ঘটেছে। তাদের সঙ্গে থাকা মোবাইলসহ ট্রলারের বিভিন্ন মালামাল লুট করে নিয়ে গেছে ডাকাতরা। এ ঘটনায় প্রায় ১০ থেকে ১২ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলেও জানান তিনি।
এফবি রফিক নামের ট্রলারটির মালিক জাহাঙ্গীর মোল্লা বলেন, গত শনিবার আমার ট্রলার নিয়ে জেলেরা সাগরে মাছ ধরতে যায়। গতকাল রাতে তারা মাছ ধরা অবস্থায় ডাকাতের কবলে পড়েন জেলেরা।
বরগুনা জেনারেল হাসপাতালের দায়িত্বরত চিকিৎসক মেডিকেল অফিসার ডা. মো. মোস্তফা কামাল বলেন, গুলিবিদ্ধ অবস্থায় একজনকে হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়েছে। বর্তমানে তার শারীরিক অবস্থা ভালো আছে। তবে তার দুই পায়ে অসংখ্য স্প্লিন্টারের চিহ্ন রয়েছে এবং ভেতরে স্প্লিন্টার ঢুকে আছে। আর এ কারণেই স্প্লিন্টারগুলো অপসারণ করতে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে তাকে বরিশাল শের-ই বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
এ বিষয়ে বরগুনা সদর থানা পুলিশের ওসি মো. ইয়াকুব হোসাইন সাংবাদিকদের বলেন, আমাদের থানা এলাকার মধ্যে যদি এমন ঘটনা ঘটে এবং সুনির্দিষ্ট কোনো অভিযোগ পাই, তাহলে আইনগত ব্যবস্থাগ্রহণ করা হবে।’

১৩ জুন, ২০২৬ ১০:৫০
বরগুনা সদর উপজেলায় ইউপি সদস্যকে কুপিয়ে আহত করার ঘটনার জেরে গণপিটুনিতে এক ব্যক্তির মৃত্যু হয়েছে।
শুক্রবার (১২ জুন) বিকেল ৫টার দিকে উপজেলার বদরখালী ইউনিয়নের পাতাকাটা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। নিহত ব্যক্তির নাম ইব্রাহিম হোসেন কালু। পুলিশ জানিয়েছে, তিনি স্থানীয়ভাবে একটি সন্ত্রাসী বাহিনীর প্রধান হিসেবে পরিচিত ছিলেন এবং তার বিরুদ্ধে একাধিক মামলা রয়েছে।
সূত্রে জানা গেছে, ইব্রাহিম হোসেন কালু সম্প্রতি জামিনে কারাগার থেকে বের হয়ে এলাকায় আবারও অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড শুরু করেন। এতে বাধা দেন স্থানীয় ইউপি সদস্য গোলাম মোস্তফা। এর জেরে শুক্রবার দুপুরে দুর্বৃত্তরা ইউপি সদস্য গোলাম মোস্তফাকে কুপিয়ে গুরুতর জখম করে।
এই ঘটনার পর সংক্ষুব্ধ গ্রামবাসী কালু ও তার সহযোগীদের ধাওয়া করে। এক পর্যায়ে গণপিটুনিতে ইব্রাহিম হোসেন কালুর মৃত্যু হয়। এ সময় তার সহযোগী তৌহিদ গুরুতর আহত হন। পরে তাকে উদ্ধার করে বরগুনা সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয় এবং উন্নত চিকিৎসার জন্য বরিশালে স্থানান্তর করা হয়।
বরগুনা সদর থানার অফিসার ইনচার্জ মো. আব্দুল আলীম বরিশালটাইমসকে বলেন, নিহত কালুর বিরুদ্ধে মাদক ও ডাকাতিসহ ১৩–১৪টি মামলা রয়েছে। তিনি একটি সন্ত্রাসী বাহিনী গড়ে তুলে এলাকায় অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড চালিয়ে আসছিলেন। চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে তিনি গ্রেফতার হয়েছিলেন। জামিনে বের হয়েই তিনি ইউপি সদস্যকে কুপিয়ে জখম করেন, এরপর গণপিটুনিতে তার মৃত্যু।
বরগুনা সদর উপজেলায় ইউপি সদস্যকে কুপিয়ে আহত করার ঘটনার জেরে গণপিটুনিতে এক ব্যক্তির মৃত্যু হয়েছে।
শুক্রবার (১২ জুন) বিকেল ৫টার দিকে উপজেলার বদরখালী ইউনিয়নের পাতাকাটা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। নিহত ব্যক্তির নাম ইব্রাহিম হোসেন কালু। পুলিশ জানিয়েছে, তিনি স্থানীয়ভাবে একটি সন্ত্রাসী বাহিনীর প্রধান হিসেবে পরিচিত ছিলেন এবং তার বিরুদ্ধে একাধিক মামলা রয়েছে।
সূত্রে জানা গেছে, ইব্রাহিম হোসেন কালু সম্প্রতি জামিনে কারাগার থেকে বের হয়ে এলাকায় আবারও অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড শুরু করেন। এতে বাধা দেন স্থানীয় ইউপি সদস্য গোলাম মোস্তফা। এর জেরে শুক্রবার দুপুরে দুর্বৃত্তরা ইউপি সদস্য গোলাম মোস্তফাকে কুপিয়ে গুরুতর জখম করে।
এই ঘটনার পর সংক্ষুব্ধ গ্রামবাসী কালু ও তার সহযোগীদের ধাওয়া করে। এক পর্যায়ে গণপিটুনিতে ইব্রাহিম হোসেন কালুর মৃত্যু হয়। এ সময় তার সহযোগী তৌহিদ গুরুতর আহত হন। পরে তাকে উদ্ধার করে বরগুনা সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয় এবং উন্নত চিকিৎসার জন্য বরিশালে স্থানান্তর করা হয়।
বরগুনা সদর থানার অফিসার ইনচার্জ মো. আব্দুল আলীম বরিশালটাইমসকে বলেন, নিহত কালুর বিরুদ্ধে মাদক ও ডাকাতিসহ ১৩–১৪টি মামলা রয়েছে। তিনি একটি সন্ত্রাসী বাহিনী গড়ে তুলে এলাকায় অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড চালিয়ে আসছিলেন। চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে তিনি গ্রেফতার হয়েছিলেন। জামিনে বের হয়েই তিনি ইউপি সদস্যকে কুপিয়ে জখম করেন, এরপর গণপিটুনিতে তার মৃত্যু।

১০ জুন, ২০২৬ ১৬:২৮
বরগুনার আমতলী উপজেলায় পুলিশের বিশেষ অভিযানে জেলার অন্যতম শীর্ষ মাদক কারবারি হিসেবে পরিচিত আবদুল্লাহ আল নোমান ওরফে জনি গাজীসহ দুইজনকে আটক করা হয়েছে। এ সময় তাদের কাছ থেকে ১ হাজার ৯০০ পিস ইয়াবা ও প্রায় ৬০ হাজার টাকা জব্দ করা হয়েছে।
পুলিশ জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে মঙ্গলবার (৯ জুন) বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে আমতলী পৌর এলাকার বটতলা এলাকায় অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানে নেতৃত্ব দেন আমতলী থানার উপপরিদর্শক (এসআই) কমল চন্দ্র। এ সময় সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) মো. হাবিবুর রহমানসহ পুলিশের একটি দল অংশ নেয়।
আটক ব্যক্তিরা হলেন—মাদারীপুর জেলার লক্ষীগঞ্জ এলাকার মৃত ইউনুস হাওলাদারের ছেলে সুজন হাওলাদার এবং আমতলী পৌরসভার ৬ নম্বর ওয়ার্ডের নতুন বাজার এলাকার মৃত জলিল গাজীর ছেলে আবদুল্লাহ আল নোমান ওরফে জনি গাজী। পুলিশ বলছে, জনি গাজী দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িত ছিলেন এবং স্থানীয়ভাবে শীর্ষ মাদক কারবারি হিসেবে পরিচিত।
আমতলী থানার ওসি আবু শাহাদাৎ হাসনাইন পারভেজ জানান, অভিযানে উদ্ধার হওয়া ইয়াবা ও নগদ অর্থের আনুমানিক বাজারমূল্য প্রায় ৫ লাখ ৭৫ হাজার টাকা। আটক দুজনের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
তিনি আরও জানান, এলাকায় মাদকবিরোধী অভিযান আরও জোরদার করা হবে এবং মাদক কারবারিদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ অব্যাহত থাকবে।
বরিশাল টাইমস
বরগুনার আমতলী উপজেলায় পুলিশের বিশেষ অভিযানে জেলার অন্যতম শীর্ষ মাদক কারবারি হিসেবে পরিচিত আবদুল্লাহ আল নোমান ওরফে জনি গাজীসহ দুইজনকে আটক করা হয়েছে। এ সময় তাদের কাছ থেকে ১ হাজার ৯০০ পিস ইয়াবা ও প্রায় ৬০ হাজার টাকা জব্দ করা হয়েছে।
পুলিশ জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে মঙ্গলবার (৯ জুন) বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে আমতলী পৌর এলাকার বটতলা এলাকায় অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানে নেতৃত্ব দেন আমতলী থানার উপপরিদর্শক (এসআই) কমল চন্দ্র। এ সময় সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) মো. হাবিবুর রহমানসহ পুলিশের একটি দল অংশ নেয়।
আটক ব্যক্তিরা হলেন—মাদারীপুর জেলার লক্ষীগঞ্জ এলাকার মৃত ইউনুস হাওলাদারের ছেলে সুজন হাওলাদার এবং আমতলী পৌরসভার ৬ নম্বর ওয়ার্ডের নতুন বাজার এলাকার মৃত জলিল গাজীর ছেলে আবদুল্লাহ আল নোমান ওরফে জনি গাজী। পুলিশ বলছে, জনি গাজী দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িত ছিলেন এবং স্থানীয়ভাবে শীর্ষ মাদক কারবারি হিসেবে পরিচিত।
আমতলী থানার ওসি আবু শাহাদাৎ হাসনাইন পারভেজ জানান, অভিযানে উদ্ধার হওয়া ইয়াবা ও নগদ অর্থের আনুমানিক বাজারমূল্য প্রায় ৫ লাখ ৭৫ হাজার টাকা। আটক দুজনের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
তিনি আরও জানান, এলাকায় মাদকবিরোধী অভিযান আরও জোরদার করা হবে এবং মাদক কারবারিদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ অব্যাহত থাকবে।
বরিশাল টাইমস

০৬ জুন, ২০২৬ ১৩:১০
বরগুনার আমতলীতে যাত্রীবাহী বাসের সঙ্গে মোটরসাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষে সজীব এবং সাইফুল ইসলাম নামে দুইজনর নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আসাদুল ইসলাম নামে আরও একজন গুরুতর আহত হয়েছেন।
শুক্রবার (৫ জুন) রাত ৯টার দিকে আমতলী উপজেলার বরিশাল-কুয়াকাটা মহাসড়কের শাখারিয়া এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহতরা সম্পর্কে শ্যালক এবং ভগ্নিপতি। হতাহতরা মোটরসাইকেলআরোহী ছিলেন।
পুলিশ জানায়, নিহত সজিব তার দুই শ্যালকসহ মোটরসাইকেল নিয়ে পটুয়াখালী থেকে কলাপাড়া যাচ্ছিলেন। পটুয়াখালী-কুয়াকাটা মহাসড়কের শাখারিয়া নামক এলাকায় পৌঁছালে কুয়াকাটা থেকে ছেড়ে আসা সম্রাট পরিবহন নামে একটি যাত্রীবাহী বাসের সঙ্গে মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। পরে ফায়ারসার্ভিস সজিবকে মৃত অবস্থায় উদ্ধার করে। এছাড়া অপর দুজনকে গুরুতর অবস্থায় পটুয়াখালী হাসপাতালে পাঠালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সাইফুল ইসলামের মৃত্যু হয়।
আমতলী ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের ওয়্যারহাউজ ইন্সপেক্টর মো. হানিফ জাগো নিউজকে বলেন, ঘটনাস্থল থেকে সজীব নামের একজনকে মৃত উদ্ধার করা হয়েছে। এছাড়া মোটরসাইকেলে থাকা অপর দুই আরোহীকে গুরুতর অবস্থায় উদ্ধার করা হয়।
আমতলী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবু সাহাদাৎ মো. হাসনাইন পারভেজ বরিশালটাইমসকে বলেন, ঘটনার পর ঘাতক বাসের চালক এবং হেলপার পালিয়ে গেছে। তবে বাসটি আটক রাখা হয়েছে।'
বরগুনার আমতলীতে যাত্রীবাহী বাসের সঙ্গে মোটরসাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষে সজীব এবং সাইফুল ইসলাম নামে দুইজনর নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আসাদুল ইসলাম নামে আরও একজন গুরুতর আহত হয়েছেন।
শুক্রবার (৫ জুন) রাত ৯টার দিকে আমতলী উপজেলার বরিশাল-কুয়াকাটা মহাসড়কের শাখারিয়া এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহতরা সম্পর্কে শ্যালক এবং ভগ্নিপতি। হতাহতরা মোটরসাইকেলআরোহী ছিলেন।
পুলিশ জানায়, নিহত সজিব তার দুই শ্যালকসহ মোটরসাইকেল নিয়ে পটুয়াখালী থেকে কলাপাড়া যাচ্ছিলেন। পটুয়াখালী-কুয়াকাটা মহাসড়কের শাখারিয়া নামক এলাকায় পৌঁছালে কুয়াকাটা থেকে ছেড়ে আসা সম্রাট পরিবহন নামে একটি যাত্রীবাহী বাসের সঙ্গে মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। পরে ফায়ারসার্ভিস সজিবকে মৃত অবস্থায় উদ্ধার করে। এছাড়া অপর দুজনকে গুরুতর অবস্থায় পটুয়াখালী হাসপাতালে পাঠালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সাইফুল ইসলামের মৃত্যু হয়।
আমতলী ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের ওয়্যারহাউজ ইন্সপেক্টর মো. হানিফ জাগো নিউজকে বলেন, ঘটনাস্থল থেকে সজীব নামের একজনকে মৃত উদ্ধার করা হয়েছে। এছাড়া মোটরসাইকেলে থাকা অপর দুই আরোহীকে গুরুতর অবস্থায় উদ্ধার করা হয়।
আমতলী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবু সাহাদাৎ মো. হাসনাইন পারভেজ বরিশালটাইমসকে বলেন, ঘটনার পর ঘাতক বাসের চালক এবং হেলপার পালিয়ে গেছে। তবে বাসটি আটক রাখা হয়েছে।'
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.