
১৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৫ ১৮:১৫
উঠতি বয়সী ২০-২২ বছরের তরুণীদের একটি চক্র। নিজেদের রূপ-লাবাণ্য দেখিয়ে আকৃষ্ট করতে যুবকদের। আবার কখনো টোপ ফেলত টু-লেট ফাঁদ দিয়ে। ফেসবুকে টু-লেট গ্রুপ করে বিজ্ঞাপন দেওয়া হতো বাসা ভাড়ার। এরপর বিজ্ঞাপন দেখে যারা সাড়া দিত তাদের মধ্যে কলেজ-ইউনির্ভাসিটিতে পড়ুয়া যুবকদের টার্গেট করা হতো।
পরে যারা বাসা দেখতে যেত তাদেরই ব্ল্যাকমেইল করত এসব উঠতি বয়সী তরুণীরা। একপর্যায়ে মারধর করে সর্বস্ব লুট করে নিত। এখানেই শেষ নয়, তাদের এই অপকর্ম যেন কেউ না জেনে যায় সে জন্যও নেওয়া হতো অপকৌশল।
আটকে রাখা যুবকদের ছেড়ে দেওয়ার আগেই নিজেদের মুঠোফোনে ধারণ করা হতো অশ্লীল ভিডিও। হুমকি দেওয়া হতো ঘটনা বলে দিলেই ভিডিও ভাইরাল করে দেবে তারা। এমনকি ফোনের ভিডিও অন করে যুবকদের বলতো খারাপ কাজ করতে এসেছি এমন জবানবন্দি দিতে।
সম্প্রতি বাসা ভাড়া নিতে গিয়ে এই তরুণীদের খপ্পরে পড়েন অনার্স প্রথম বর্ষে পড়ুয়া এক শিক্ষার্থী। টু-লেট দেখে কল দিলে বলা হয় সাবলেট বাসা। এক রুম ভাড়া দেবেন তারা। বাসা দেখতে গেলেই প্রতারক তরুণীদের ফাঁদে পড়ে নাজমুল হাসান। এ সময় ভিডিও ধারণ, মারধর ও ফোন, ল্যাপটপ সঙ্গে থাকা ৫ হাজার টাকা এবং বুথ থেকে আরও ২৫ হাজার টাকা লুটে নেয় তারা।
ময়মনসিংহ শহরে এই ঘটনার পরই সামনে আসে বিষয়টি। নাজমুল ভয় না পেয়ে সরাসরি থানায় গিয়ে অভিযোগ জানান। এরপর পুলিশ অভিযান চালিয়ে চক্রের ২ তরুণীকে গ্রেপ্তার করে। তবে ঘটনার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন ৪ তরুণী ও ৪ তরুণ। তারা সবাই বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থী।
ঘটনার শিকার শিক্ষার্থী নাজমুল হাসান নগরের আনন্দ মোহন কলেজের গণিত বিভাগের প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থী। তিনি জামালপুরের সরিষাবাড়ী উপজেলার ভূরারবাড়ী গ্রামের জহুরুল ইসলামের ছেলে।
বর্তমানে নগরীর কলেজ রোডের মীরবাড়ি এলাকায় একটি মেসে থেকে পড়াশোনা করছেন তিনি। সেখানে ট্রেনের শব্দে পড়ালেখার সমস্যা হওয়ায় নতুন বাসার সন্ধান করছিলেন।
ভুক্তভোগী নাজমুল জানান, ফেসবুকে ‘টু-লেট ময়মনসিংহ’ লেখা গ্রুপে ব্যাচেলর ১ রুমের সাবলেট ভাড়ার বিজ্ঞাপন দেখতে পান। সেখানে দেওয়া মোবাইল ফোনের নম্বরে ফোন করলে বলা হয় দুই কক্ষের বাসায় এক কক্ষে স্বামী-স্ত্রী থাকেন আরেকটি কক্ষ সাবলেট ভাড়া দেওয়া হবে।
তিনি জানন, গুলকিবাড়ী এলাকার ফখরুজ্জামান টাওয়ারের দ্বিতীয় তলায় আমাকে যে কক্ষটি সাবলেট ভাড়া দেওয়া হবে সেটি দেখানোর জন্য ভেতরে ঢোকানো হয়। পরে চারজন নারী ও চারজন যুবক সে রুমে ঢোকেন। আমাকে অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে মারধর করতে থাকে। মারধরের একপর্যায়ে তারা আমার আইফোন, ল্যাপটপ নিয়ে যায় এবং সঙ্গে থাকা ৫ হাজার টাকা নিয়ে যায়।
আমার কাছ থেকে লিখিত একটি জবানবন্দিও নেয় তারা, যেন বোঝাতে পারে আমি এখানে খারাপ কাজ করতে এসে আটকা পড়েছিলাম। এরপর সেই বাসা থেকে বের করে অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে এটিএম বুথে থেকে ২০ হাজার টাকা তুলে হেলথ অফিসারের গলিতে নামিয়ে দেয়। তারা বলে, এ নিয়ে কাউকে কিছু বললে আমার ক্ষতি হবে। আমি পরে থানায় অভিযোগ জানাই।
পুলিশ জানায়, কলেজছাত্রের কাছ থেকে পাওয়া লিখিত অভিযোগ নিয়ে তদন্ত শুরু করা হয়। সাবলেট ভাড়ার নামে তরুণকে আটকে মারধর করা বাসায় অভিযান চালিয়ে দুই তরুণীকে আটক করা হয়।
তারা হলেন সাদিয়া জাহান ওরফে মেঘলা (২১) ও ফারিয়া আক্তার ওরফে পায়েল (১৯)। তাদের দুজনের বাড়ি কিশোরগঞ্জের তাড়াইল উপজেলায়।
এর মধ্যে সাদিয়া ময়মনসিংহ কমার্স কলেজ থেকে উচ্চ মাধ্যমিক শেষ করে বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তির প্রস্তুতি নিচ্ছেন। আর ফারিয়া তাড়াইল উপজেলার সহিলাটি মুক্তিযোদ্ধা কলেজের উচ্চ মাধ্যমিক প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থী।
এই চক্রের চারজন তরুণী ও চারজন তরুণের সম্পৃক্ততা পেয়েছে পুলিশ। তারা বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থী। দুই তরুণীর জিম্মা থেকে কলেজছাত্রের মোবাইল ফোন ও ল্যাপটপ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
কোতোয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. শিবিরুল ইসলাম জানান, এ চক্রের দুই তরুণীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে ওই দুই তরুণী চাঞ্চল্যকর তথ্য দিয়েছে। নগরীতে এরকম একাধিক চক্র রয়েছে। চক্রটির সাথে বখাটে ছাত্ররাও জড়িত।
তরুণীদের এই টু-লেট ফাঁদের ঘটনায় তোলপাড় জেলা শহর। সবার মুখে মুখে এই ঘটনাটি। এদিকে বিষয়টিকে হালকাভাবে না দেখে তাদের বিরুদ্ধে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান এলাকাবাসীর।
উঠতি বয়সী ২০-২২ বছরের তরুণীদের একটি চক্র। নিজেদের রূপ-লাবাণ্য দেখিয়ে আকৃষ্ট করতে যুবকদের। আবার কখনো টোপ ফেলত টু-লেট ফাঁদ দিয়ে। ফেসবুকে টু-লেট গ্রুপ করে বিজ্ঞাপন দেওয়া হতো বাসা ভাড়ার। এরপর বিজ্ঞাপন দেখে যারা সাড়া দিত তাদের মধ্যে কলেজ-ইউনির্ভাসিটিতে পড়ুয়া যুবকদের টার্গেট করা হতো।
পরে যারা বাসা দেখতে যেত তাদেরই ব্ল্যাকমেইল করত এসব উঠতি বয়সী তরুণীরা। একপর্যায়ে মারধর করে সর্বস্ব লুট করে নিত। এখানেই শেষ নয়, তাদের এই অপকর্ম যেন কেউ না জেনে যায় সে জন্যও নেওয়া হতো অপকৌশল।
আটকে রাখা যুবকদের ছেড়ে দেওয়ার আগেই নিজেদের মুঠোফোনে ধারণ করা হতো অশ্লীল ভিডিও। হুমকি দেওয়া হতো ঘটনা বলে দিলেই ভিডিও ভাইরাল করে দেবে তারা। এমনকি ফোনের ভিডিও অন করে যুবকদের বলতো খারাপ কাজ করতে এসেছি এমন জবানবন্দি দিতে।
সম্প্রতি বাসা ভাড়া নিতে গিয়ে এই তরুণীদের খপ্পরে পড়েন অনার্স প্রথম বর্ষে পড়ুয়া এক শিক্ষার্থী। টু-লেট দেখে কল দিলে বলা হয় সাবলেট বাসা। এক রুম ভাড়া দেবেন তারা। বাসা দেখতে গেলেই প্রতারক তরুণীদের ফাঁদে পড়ে নাজমুল হাসান। এ সময় ভিডিও ধারণ, মারধর ও ফোন, ল্যাপটপ সঙ্গে থাকা ৫ হাজার টাকা এবং বুথ থেকে আরও ২৫ হাজার টাকা লুটে নেয় তারা।
ময়মনসিংহ শহরে এই ঘটনার পরই সামনে আসে বিষয়টি। নাজমুল ভয় না পেয়ে সরাসরি থানায় গিয়ে অভিযোগ জানান। এরপর পুলিশ অভিযান চালিয়ে চক্রের ২ তরুণীকে গ্রেপ্তার করে। তবে ঘটনার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন ৪ তরুণী ও ৪ তরুণ। তারা সবাই বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থী।
ঘটনার শিকার শিক্ষার্থী নাজমুল হাসান নগরের আনন্দ মোহন কলেজের গণিত বিভাগের প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থী। তিনি জামালপুরের সরিষাবাড়ী উপজেলার ভূরারবাড়ী গ্রামের জহুরুল ইসলামের ছেলে।
বর্তমানে নগরীর কলেজ রোডের মীরবাড়ি এলাকায় একটি মেসে থেকে পড়াশোনা করছেন তিনি। সেখানে ট্রেনের শব্দে পড়ালেখার সমস্যা হওয়ায় নতুন বাসার সন্ধান করছিলেন।
ভুক্তভোগী নাজমুল জানান, ফেসবুকে ‘টু-লেট ময়মনসিংহ’ লেখা গ্রুপে ব্যাচেলর ১ রুমের সাবলেট ভাড়ার বিজ্ঞাপন দেখতে পান। সেখানে দেওয়া মোবাইল ফোনের নম্বরে ফোন করলে বলা হয় দুই কক্ষের বাসায় এক কক্ষে স্বামী-স্ত্রী থাকেন আরেকটি কক্ষ সাবলেট ভাড়া দেওয়া হবে।
তিনি জানন, গুলকিবাড়ী এলাকার ফখরুজ্জামান টাওয়ারের দ্বিতীয় তলায় আমাকে যে কক্ষটি সাবলেট ভাড়া দেওয়া হবে সেটি দেখানোর জন্য ভেতরে ঢোকানো হয়। পরে চারজন নারী ও চারজন যুবক সে রুমে ঢোকেন। আমাকে অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে মারধর করতে থাকে। মারধরের একপর্যায়ে তারা আমার আইফোন, ল্যাপটপ নিয়ে যায় এবং সঙ্গে থাকা ৫ হাজার টাকা নিয়ে যায়।
আমার কাছ থেকে লিখিত একটি জবানবন্দিও নেয় তারা, যেন বোঝাতে পারে আমি এখানে খারাপ কাজ করতে এসে আটকা পড়েছিলাম। এরপর সেই বাসা থেকে বের করে অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে এটিএম বুথে থেকে ২০ হাজার টাকা তুলে হেলথ অফিসারের গলিতে নামিয়ে দেয়। তারা বলে, এ নিয়ে কাউকে কিছু বললে আমার ক্ষতি হবে। আমি পরে থানায় অভিযোগ জানাই।
পুলিশ জানায়, কলেজছাত্রের কাছ থেকে পাওয়া লিখিত অভিযোগ নিয়ে তদন্ত শুরু করা হয়। সাবলেট ভাড়ার নামে তরুণকে আটকে মারধর করা বাসায় অভিযান চালিয়ে দুই তরুণীকে আটক করা হয়।
তারা হলেন সাদিয়া জাহান ওরফে মেঘলা (২১) ও ফারিয়া আক্তার ওরফে পায়েল (১৯)। তাদের দুজনের বাড়ি কিশোরগঞ্জের তাড়াইল উপজেলায়।
এর মধ্যে সাদিয়া ময়মনসিংহ কমার্স কলেজ থেকে উচ্চ মাধ্যমিক শেষ করে বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তির প্রস্তুতি নিচ্ছেন। আর ফারিয়া তাড়াইল উপজেলার সহিলাটি মুক্তিযোদ্ধা কলেজের উচ্চ মাধ্যমিক প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থী।
এই চক্রের চারজন তরুণী ও চারজন তরুণের সম্পৃক্ততা পেয়েছে পুলিশ। তারা বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থী। দুই তরুণীর জিম্মা থেকে কলেজছাত্রের মোবাইল ফোন ও ল্যাপটপ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
কোতোয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. শিবিরুল ইসলাম জানান, এ চক্রের দুই তরুণীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে ওই দুই তরুণী চাঞ্চল্যকর তথ্য দিয়েছে। নগরীতে এরকম একাধিক চক্র রয়েছে। চক্রটির সাথে বখাটে ছাত্ররাও জড়িত।
তরুণীদের এই টু-লেট ফাঁদের ঘটনায় তোলপাড় জেলা শহর। সবার মুখে মুখে এই ঘটনাটি। এদিকে বিষয়টিকে হালকাভাবে না দেখে তাদের বিরুদ্ধে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান এলাকাবাসীর।
১৭ ডিসেম্বর, ২০২৫ ০২:১৮
১৬ ডিসেম্বর, ২০২৫ ২১:১২
১৬ ডিসেম্বর, ২০২৫ ১৯:০১
১৬ ডিসেম্বর, ২০২৫ ১৮:৪৯

১৭ ডিসেম্বর, ২০২৫ ০২:১৮
রাজধানী ঢাকা-৮ আসনের সম্ভাব্য স্বতন্ত্র এমপি প্রার্থী ও ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরিফ ওসমান হাদিকে গুলি করার ঘটনায় মূল অভিযুক্ত ফয়সাল করিম মাসুদের বাবা হুমায়ুনকে গ্রেপ্তার করেছে র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব)। এসময় হত্যাচেষ্টায় ব্যবহৃত তিনটি অস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে।মঙ্গলবার (১৬ ডিসেম্বর) রাতে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে র্যাব।
এতে বলা হয়, ওসমান হাদিকে হত্যাচেষ্টার ঘটনায় মূল অভিযুক্ত শুটার ফয়সাল করিম মাসুদের বাবা হুমায়ুনকে ফয়সালের শ্বশুরবাড়ি নরসিংদী থেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এসময় পুকুর থেকে হত্যাচেষ্টায় ব্যবহৃত ৩টি অস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে।
এর আগে শুক্রবার (১২ ডিসেম্বর) দুপুরে রাজধানীর পুরানা পল্টনের বক্স-কালভার্ট রোডে বিজয়নগর এলাকায় ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক এবং ঢাকা-৮ আসনের সম্ভাব্য স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য প্রার্থী শরিফ ওসমান হাদি একটি রিকশায় যাওয়ার সময় মোটরসাইকেল করে আসা দুইজনের একজন তাকে লক্ষ্য করে গুলি করে পালিয়ে যায়। গুলিতে হাদি মাথায় গুরুতর আঘাতপ্রাপ্ত হন।
আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী গুলি চালানোর সঙ্গে জড়িত সন্দেহে দুজনকে শনাক্ত করে। তারা হলেন, ফয়সাল করিম মাসুদ ওরফে দাউদ খান (প্রধান সন্দেহভাজন শুটার) এবং আলমগীর হোসেন (বাইক চালক)। এ ঘটনায় ফয়সাল করিমের স্ত্রী, প্রেমিকা ও শ্যালককে গ্রেপ্তারের পর রিমান্ডে নিয়েছে পুলিশ।’
রাজধানী ঢাকা-৮ আসনের সম্ভাব্য স্বতন্ত্র এমপি প্রার্থী ও ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরিফ ওসমান হাদিকে গুলি করার ঘটনায় মূল অভিযুক্ত ফয়সাল করিম মাসুদের বাবা হুমায়ুনকে গ্রেপ্তার করেছে র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব)। এসময় হত্যাচেষ্টায় ব্যবহৃত তিনটি অস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে।মঙ্গলবার (১৬ ডিসেম্বর) রাতে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে র্যাব।
এতে বলা হয়, ওসমান হাদিকে হত্যাচেষ্টার ঘটনায় মূল অভিযুক্ত শুটার ফয়সাল করিম মাসুদের বাবা হুমায়ুনকে ফয়সালের শ্বশুরবাড়ি নরসিংদী থেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এসময় পুকুর থেকে হত্যাচেষ্টায় ব্যবহৃত ৩টি অস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে।
এর আগে শুক্রবার (১২ ডিসেম্বর) দুপুরে রাজধানীর পুরানা পল্টনের বক্স-কালভার্ট রোডে বিজয়নগর এলাকায় ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক এবং ঢাকা-৮ আসনের সম্ভাব্য স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য প্রার্থী শরিফ ওসমান হাদি একটি রিকশায় যাওয়ার সময় মোটরসাইকেল করে আসা দুইজনের একজন তাকে লক্ষ্য করে গুলি করে পালিয়ে যায়। গুলিতে হাদি মাথায় গুরুতর আঘাতপ্রাপ্ত হন।
আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী গুলি চালানোর সঙ্গে জড়িত সন্দেহে দুজনকে শনাক্ত করে। তারা হলেন, ফয়সাল করিম মাসুদ ওরফে দাউদ খান (প্রধান সন্দেহভাজন শুটার) এবং আলমগীর হোসেন (বাইক চালক)। এ ঘটনায় ফয়সাল করিমের স্ত্রী, প্রেমিকা ও শ্যালককে গ্রেপ্তারের পর রিমান্ডে নিয়েছে পুলিশ।’

১৬ ডিসেম্বর, ২০২৫ ১৮:৪৯
পদ্মা সেতুতে দুই যাত্রীবাহী বাসের সংঘর্ষে এক হেলপার নিহত হয়েছেন। দুর্ঘটনায় আহত হয়েছে অন্তত ১৫ জন যাত্রী। গতকাল সোমবার (১৫ ডিসেম্বর) দিবাগত রাতে জাজিরা প্রান্তে পদ্মা সেতুর ২৯ নম্বর পিলারের ওপর এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহত হেলপারের নাম মো. তোফায়েল মিয়া (২৭)। তিনি মাদারীপুরের দক্ষিণপাড়া এলাকার মৃত সেলিম মিয়ার ছেলে।
পদ্মা সেতু দক্ষিণ থানা পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, ঢাকা থেকে ভাঙ্গাগামী বসুমতি পরিবহনের একটি বাস পদ্মা সেতুর ওপর পৌঁছালে পেছন থেকে ঢাকা-কুয়াকাটাগামী পদ্মা স্পেশাল পরিবহনের একটি বাস ধাক্কা দেয়। এতে বসুমতি পরিবহনের হেলপার মো. তোফায়েল মিয়া ঘটনাস্থলেই নিহত হন। দুর্ঘটনায় বসুমতি পরিবহনের অন্তত ১৫ জন যাত্রী আহত হন।
পরে স্থানীয়দের সহায়তায় আহতদের বিভিন্ন হাসপাতালে পাঠানো হয়। এদিকে, দুর্ঘটনার পর পদ্মা সেতুতে সাময়িক যান চলাচল ব্যাহত হলেও আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনীর তৎপরতায় দ্রুত স্বাভাবিক করা হয়। দুর্ঘটনাকবলিত বাস দুটি জব্দ করেছে পুলিশ।
এ ব্যাপারে পদ্মা সেতু দক্ষিণ থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) কবির আহমেদ বলেন, ‘পদ্মা সেতুর ২৯ নম্বর পিলারের কাছে ভাঙ্গাগামী বসুমতী পরিবহনের একটি বাস চলমান আরেকটি বাসের পেছনে ধাক্কা দেয়।
এতে বসুমতী পরিবহনের হেলপার তোফায়েল মিয়া ঘটনাস্থলেই নিহত হন। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে লাশ উদ্ধার করে। পরে ময়নাতদন্তের জন্য তা শরীয়তপুর সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠায়।’
আহতদের বিভিন্ন হাসপাতালে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। আর বাস দুটি থানা হেফাজতে রাখা হয়েছে। এ ঘটনায় আইনি ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন বলে জানান এসআই কবির।
পদ্মা সেতুতে দুই যাত্রীবাহী বাসের সংঘর্ষে এক হেলপার নিহত হয়েছেন। দুর্ঘটনায় আহত হয়েছে অন্তত ১৫ জন যাত্রী। গতকাল সোমবার (১৫ ডিসেম্বর) দিবাগত রাতে জাজিরা প্রান্তে পদ্মা সেতুর ২৯ নম্বর পিলারের ওপর এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহত হেলপারের নাম মো. তোফায়েল মিয়া (২৭)। তিনি মাদারীপুরের দক্ষিণপাড়া এলাকার মৃত সেলিম মিয়ার ছেলে।
পদ্মা সেতু দক্ষিণ থানা পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, ঢাকা থেকে ভাঙ্গাগামী বসুমতি পরিবহনের একটি বাস পদ্মা সেতুর ওপর পৌঁছালে পেছন থেকে ঢাকা-কুয়াকাটাগামী পদ্মা স্পেশাল পরিবহনের একটি বাস ধাক্কা দেয়। এতে বসুমতি পরিবহনের হেলপার মো. তোফায়েল মিয়া ঘটনাস্থলেই নিহত হন। দুর্ঘটনায় বসুমতি পরিবহনের অন্তত ১৫ জন যাত্রী আহত হন।
পরে স্থানীয়দের সহায়তায় আহতদের বিভিন্ন হাসপাতালে পাঠানো হয়। এদিকে, দুর্ঘটনার পর পদ্মা সেতুতে সাময়িক যান চলাচল ব্যাহত হলেও আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনীর তৎপরতায় দ্রুত স্বাভাবিক করা হয়। দুর্ঘটনাকবলিত বাস দুটি জব্দ করেছে পুলিশ।
এ ব্যাপারে পদ্মা সেতু দক্ষিণ থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) কবির আহমেদ বলেন, ‘পদ্মা সেতুর ২৯ নম্বর পিলারের কাছে ভাঙ্গাগামী বসুমতী পরিবহনের একটি বাস চলমান আরেকটি বাসের পেছনে ধাক্কা দেয়।
এতে বসুমতী পরিবহনের হেলপার তোফায়েল মিয়া ঘটনাস্থলেই নিহত হন। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে লাশ উদ্ধার করে। পরে ময়নাতদন্তের জন্য তা শরীয়তপুর সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠায়।’
আহতদের বিভিন্ন হাসপাতালে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। আর বাস দুটি থানা হেফাজতে রাখা হয়েছে। এ ঘটনায় আইনি ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন বলে জানান এসআই কবির।

১৪ ডিসেম্বর, ২০২৫ ১৩:১৯
এনবিআরের কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সেল (সিআইসি) ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র ও ঢাকা-৮ আসনের সম্ভাব্য স্বতন্ত্র প্রার্থী শরিফ ওসমান হাদিকে হত্যাচেষ্টায় সন্দেহভাজন ফয়সাল করিম মাসুদ ও তার আইটি প্রতিষ্ঠান অ্যাপল সফট আইটি লিমিটেডের সব ব্যাংক হিসাব জব্দ করেছে।
রবিবার (১৪ ডিসেম্বর) জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) ঊর্ধ্বতন এক সূত্র আজকের পত্রিকাকে বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, ওসমান হাদির ওপর হামলার পর যেহেতু ফয়সাল করিম মাসুদ প্রাথমিকভাবে অভিযুক্ত হয়েছেন, সেহেতু তার বিভিন্ন বিষয় অনুসন্ধান করবে গোয়েন্দা সংস্থাগুলো। আমরাও তার আর্থিক কোনো অপরাধ আছে কি না, সেগুলোর অনুসন্ধান করব।
শোনা যাচ্ছে এবং অনেক আলোচনা রয়েছে যে এই ধরনের অপরাধ সংঘটিত করার জন্য এবং দেশে অস্থিতিশীল পরিস্থিতি তৈরির জন্য ভারত থেকে অনেক ফান্ডিং হচ্ছে উল্লেখ করে তিনি জানান, ফলে সে বিষয়গুলো খতিয়ে দেখার জন্য মূলত হিসাবগুলো ফ্রিজ করা হয়েছে।
জানা গেছে, অভিযুক্ত ফয়সাল করিম মাসুদ ওরফে দাউদ খান বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব সফটওয়্যার অ্যান্ড ইনফরমেশন সার্ভিসেসের (বেসিস) সদস্য। এর আগে ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) পক্ষ থেকে সন্দেহভাজনের ছবি প্রকাশ করে তথ্য চাওয়া হয়। পুলিশের বিবৃতিতে সন্দেহভাজন তরুণের নাম উল্লেখ করা না হলেও ছবি দেখে ‘ফয়সাল করিম মাসুদ ওরফে দাউদ খান’ বলে ধারণা করা হয়। তাকে আগেও হাদির সঙ্গে দেখা গেছে।
তবে কয়েক দিন ধরে হাদির সঙ্গে গণসংযোগে থাকা মাস্ক পরা তরুণই যে তিনি সে বিষয়ে পুলিশের কাছ থেকে কোনো তথ্য মেলেনি।
গত মঙ্গলবার (৯ ডিসেম্বর) রাজধানীর বাংলামোটর এলাকায় হাদির ইনকিলাব কালচারাল সেন্টারে গিয়ে হাদির পাশে বসে আলোচনা শুনছিলেন ফয়সাল করিম। সেই আলোচনার ছবি সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যম ফেসবুকে ভাইরাল হয়েছে।
জানা গেছে, ফয়সাল করিম নামের ওই তরুণ কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের নিষিদ্ধঘোষিত সহযোগী সংগঠন ছাত্রলীগের সঙ্গে জড়িত ছিলেন। ২০১৯ সালের ১১ মে ঘোষিত কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের পূর্ণাঙ্গ কমিটিতে তিনি সদস্য হন।
এদিকে, ওসমান হাদির ওপর হামলার ঘটনায় ব্যবহৃত মোটরসাইকেলটি শনাক্ত করেছে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনী। মোটরসাইকেলটির মালিক সন্দেহে রাজধানীর মোহাম্মদপুর থেকে রবিবার (১৪ ডিসেম্বর) আব্দুল হান্নান (৪০) নামে এক ব্যক্তিকে আটক করা হয়েছে।
গত শুক্রবার (১২ ডিসেম্বর) দুপুরে ঢাকায় গুলিবিদ্ধ হন ওসমান হাদি। তিনি জাতীয় সংসদের ঢাকা-৮ আসনে সম্ভাব্য স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে প্রচার-প্রচারণা চালাচ্ছিলেন। সেদিন রাত থেকে তিনি এভারকেয়ার হাসপাতালে ভর্তি আছেন।
হাদির চিকিৎসার জন্য গঠিত মেডিক্যাল বোর্ড জানিয়েছে, গুলিবিদ্ধ হয়ে হাসপাতালে থাকা শরিফ ওসমান হাদির সার্বিক পরিস্থিতি ‘অত্যন্ত আশঙ্কাজনক।’
এনবিআরের কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সেল (সিআইসি) ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র ও ঢাকা-৮ আসনের সম্ভাব্য স্বতন্ত্র প্রার্থী শরিফ ওসমান হাদিকে হত্যাচেষ্টায় সন্দেহভাজন ফয়সাল করিম মাসুদ ও তার আইটি প্রতিষ্ঠান অ্যাপল সফট আইটি লিমিটেডের সব ব্যাংক হিসাব জব্দ করেছে।
রবিবার (১৪ ডিসেম্বর) জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) ঊর্ধ্বতন এক সূত্র আজকের পত্রিকাকে বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, ওসমান হাদির ওপর হামলার পর যেহেতু ফয়সাল করিম মাসুদ প্রাথমিকভাবে অভিযুক্ত হয়েছেন, সেহেতু তার বিভিন্ন বিষয় অনুসন্ধান করবে গোয়েন্দা সংস্থাগুলো। আমরাও তার আর্থিক কোনো অপরাধ আছে কি না, সেগুলোর অনুসন্ধান করব।
শোনা যাচ্ছে এবং অনেক আলোচনা রয়েছে যে এই ধরনের অপরাধ সংঘটিত করার জন্য এবং দেশে অস্থিতিশীল পরিস্থিতি তৈরির জন্য ভারত থেকে অনেক ফান্ডিং হচ্ছে উল্লেখ করে তিনি জানান, ফলে সে বিষয়গুলো খতিয়ে দেখার জন্য মূলত হিসাবগুলো ফ্রিজ করা হয়েছে।
জানা গেছে, অভিযুক্ত ফয়সাল করিম মাসুদ ওরফে দাউদ খান বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব সফটওয়্যার অ্যান্ড ইনফরমেশন সার্ভিসেসের (বেসিস) সদস্য। এর আগে ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) পক্ষ থেকে সন্দেহভাজনের ছবি প্রকাশ করে তথ্য চাওয়া হয়। পুলিশের বিবৃতিতে সন্দেহভাজন তরুণের নাম উল্লেখ করা না হলেও ছবি দেখে ‘ফয়সাল করিম মাসুদ ওরফে দাউদ খান’ বলে ধারণা করা হয়। তাকে আগেও হাদির সঙ্গে দেখা গেছে।
তবে কয়েক দিন ধরে হাদির সঙ্গে গণসংযোগে থাকা মাস্ক পরা তরুণই যে তিনি সে বিষয়ে পুলিশের কাছ থেকে কোনো তথ্য মেলেনি।
গত মঙ্গলবার (৯ ডিসেম্বর) রাজধানীর বাংলামোটর এলাকায় হাদির ইনকিলাব কালচারাল সেন্টারে গিয়ে হাদির পাশে বসে আলোচনা শুনছিলেন ফয়সাল করিম। সেই আলোচনার ছবি সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যম ফেসবুকে ভাইরাল হয়েছে।
জানা গেছে, ফয়সাল করিম নামের ওই তরুণ কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের নিষিদ্ধঘোষিত সহযোগী সংগঠন ছাত্রলীগের সঙ্গে জড়িত ছিলেন। ২০১৯ সালের ১১ মে ঘোষিত কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের পূর্ণাঙ্গ কমিটিতে তিনি সদস্য হন।
এদিকে, ওসমান হাদির ওপর হামলার ঘটনায় ব্যবহৃত মোটরসাইকেলটি শনাক্ত করেছে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনী। মোটরসাইকেলটির মালিক সন্দেহে রাজধানীর মোহাম্মদপুর থেকে রবিবার (১৪ ডিসেম্বর) আব্দুল হান্নান (৪০) নামে এক ব্যক্তিকে আটক করা হয়েছে।
গত শুক্রবার (১২ ডিসেম্বর) দুপুরে ঢাকায় গুলিবিদ্ধ হন ওসমান হাদি। তিনি জাতীয় সংসদের ঢাকা-৮ আসনে সম্ভাব্য স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে প্রচার-প্রচারণা চালাচ্ছিলেন। সেদিন রাত থেকে তিনি এভারকেয়ার হাসপাতালে ভর্তি আছেন।
হাদির চিকিৎসার জন্য গঠিত মেডিক্যাল বোর্ড জানিয়েছে, গুলিবিদ্ধ হয়ে হাসপাতালে থাকা শরিফ ওসমান হাদির সার্বিক পরিস্থিতি ‘অত্যন্ত আশঙ্কাজনক।’

Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.