
০৪ নভেম্বর, ২০২৫ ২০:২৪
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
পরিবারের সবাই আওয়ামী লীগের রাজনীতিতে সম্পৃক্ত। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াকালীন রাজনীতিতে যোগ দেন জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি রওনকুল ইসলাম শ্রাবণ। বিএনপির রাজনীতিতে যুক্ত হওয়ায় পরিবার থেকে বিচ্ছিন্ন হন তিনি। সেই শ্রাবণ এখন লড়বেন ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে যশোর-৬ (কেশবপুর) আসনে।
সোমবার (৩ নভেম্বর) বিকালে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ২৩৭ আসনে দলের প্রার্থীদের প্রাথমিক তালিকার নাম ঘোষণা করেন।
প্রায় একযুগ পরে গত ২০ সেপ্টেম্বর যশোরের কেশবপুর উপজেলায় নিজভূমিতে ফিরে ঘোষণা দেন যশোর-৬ (কেশবপুর) আসনে বিএনপির মনোনয়ন প্রত্যাশী শ্রাবণ। সেদিন বিপুল মানুষের ভালোবাসায় সিক্ত হন তিনি।
মঙ্গলবার সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে শ্রাবণ বলেন, আমার পরিবার ভিন্ন মতাদর্শের হলেও নির্বাচনে প্রভাব পড়বে না। দলে মনোনয়ন নিয়ে দ্বন্দ্ব থাকলেও সবাইকে নিয়ে ধানের শীষকে বিজয়ী করে তারেক রহমানকে এ আসনটি উপহার দিতে চাই।
তিনি বলেন, আমি নির্বাচিত হলে কেশবপুরের বড় সমস্যা জলাবদ্ধতার স্থায়ী সমাধান করতে চাই। কেশবপুরবাসীর মন জয়ে আমি কাজ করব।
যে কারণে পরিবার ত্যাগ করেন রওনকুল ইসলাম শ্রাবণ
শ্রাবণের গ্রামের বাড়ি যশোরের কেশবপুর উপজেলার চিংড়া গ্রামে। ২০০৩ সালে কেশবপুর সরকারি ডিগ্রি কলেজ থেকে উচ্চ মাধ্যমিক পাশ করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগে ভর্তি হন তিনি। থাকতেন বিশ্ববিদ্যালয়ের হাজি মুহম্মদ মুহসীন হলে। কিছুদিনের মধ্যেই ছাত্রদল কর্মী হিসেবে হল ও বিভাগের সহপাঠীদের মধ্যে পরিচিত মুখ হয়ে ওঠেন তিনি। বাংলা বিভাগ থেকে স্নাতক-স্নাতকোত্তর শেষ করে বিশ্ববিদ্যালয়ের তথ্যবিজ্ঞান ও গ্রন্থাগার ব্যবস্থাপনা বিভাগে সান্ধ্য কোর্সে (স্নাতকোত্তর) অধ্যয়নরত থাকায় ২০২২ সালে ছাত্রদলের সভাপতি হয়েছিলেন শ্রাবণ। পরে ‘অসুস্থতার’ কারণ দেখিয়ে ২০২৩ সালের আগস্টে তাকে দায়িত্ব থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়। অবশ্য এর দুই মাসের মাথায় তাকে বিএনপির নির্বাহী কমিটির সদস্য করা হয়।
শ্রাবণের বাবা উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি ও মুক্তিযোদ্ধা কাজী রফিকুল ইসলাম। তিনি কেশবপুর উপজেলা চেয়ারম্যান ছিলেন। শ্রাবণের বড় ভাই মুস্তাফিজুল ইসলাম উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক পদে ছিলেন। পঞ্চম ধাপের ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে বিদ্রোহী প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে সাগরদাঁড়ি ইউনিয়ন থেকে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন তিনি। বিদ্রোহী প্রার্থী হওয়ায় তিনি এখন দল থেকে বহিষ্কৃত। আরেক ভাই মোজাহিদুল ইসলাম উপজেলা যুবলীগের সাবেক আহ্বায়ক। আর ছোট ভাই আজাহারুল ইসলাম উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক আহ্বায়ক।
আওয়ামী লীগ পরিবারের সন্তান হয়েও রওনকুল ইসলাম শ্রাবণ বিএনপির রাজনীতিতে জড়িত হওয়ায় পরিবার থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েন। তিনি পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ রাখেননি। পরিবার ত্যাগ করে বিএনপির রাজনীতিতে দৃঢ়তার প্রমাণ দিয়েছেন।
চলতি বছরের ২০ সেপ্টেম্বর প্রায় একযুগ পর নিজ জন্মভূমি যশোরের কেশবপুরে ফেরেন ছাত্রদলের সাবেক কেন্দ্রীয় সভাপতি কাজী রওনকুল ইসলাম শ্রাবণ। দীর্ঘদিন পর এলাকায় গিয়ে তিনি নেতাকর্মীদের ভালোবাসায় সিক্ত হন। বিএনপির রাষ্ট্র মেরামতে ঘোষিত ৩১ দফা কর্মসূচির প্রচারণার অংশ হিসেবে তিনি কেশবপুরে লিফলেট বিতরণে অংশ নেন। এ সময় তিনি আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রার্থী হওয়ার ঘোষণা দেন।
দীর্ঘ এক যুগের বেশি সময় পর তার নিজ উপজেলায় আসার খবরে মোড়ে মোড়ে ফুল নিয়ে অবস্থান নেন নেতাকর্মীরা। এরপর কেশবপুর থেকে প্রায় দেড় হাজার মোটরসাইকেল এবং শতাধিক মাইক্রোবাসে নেতাকর্মীরা তার বহরে যোগ দেন। বহর নিয়ে তিনি লিফলেট বিতরণ করেন এবং বিএনপির রাষ্ট্র মেরামতের ৩১ দফা সাধারণ মানুষের হাতে পৌঁছে দেন।
জানা গেছে, শ্রাবণ কেশবপুর গেলেও তার নিজ বাড়িতে যাননি। এমনকি তার বাবার বাড়ির কারো সঙ্গে যোগাযোগ রাখেননি।
পরিবারের সবাই আওয়ামী লীগের রাজনীতিতে সম্পৃক্ত। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াকালীন রাজনীতিতে যোগ দেন জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি রওনকুল ইসলাম শ্রাবণ। বিএনপির রাজনীতিতে যুক্ত হওয়ায় পরিবার থেকে বিচ্ছিন্ন হন তিনি। সেই শ্রাবণ এখন লড়বেন ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে যশোর-৬ (কেশবপুর) আসনে।
সোমবার (৩ নভেম্বর) বিকালে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ২৩৭ আসনে দলের প্রার্থীদের প্রাথমিক তালিকার নাম ঘোষণা করেন।
প্রায় একযুগ পরে গত ২০ সেপ্টেম্বর যশোরের কেশবপুর উপজেলায় নিজভূমিতে ফিরে ঘোষণা দেন যশোর-৬ (কেশবপুর) আসনে বিএনপির মনোনয়ন প্রত্যাশী শ্রাবণ। সেদিন বিপুল মানুষের ভালোবাসায় সিক্ত হন তিনি।
মঙ্গলবার সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে শ্রাবণ বলেন, আমার পরিবার ভিন্ন মতাদর্শের হলেও নির্বাচনে প্রভাব পড়বে না। দলে মনোনয়ন নিয়ে দ্বন্দ্ব থাকলেও সবাইকে নিয়ে ধানের শীষকে বিজয়ী করে তারেক রহমানকে এ আসনটি উপহার দিতে চাই।
তিনি বলেন, আমি নির্বাচিত হলে কেশবপুরের বড় সমস্যা জলাবদ্ধতার স্থায়ী সমাধান করতে চাই। কেশবপুরবাসীর মন জয়ে আমি কাজ করব।
যে কারণে পরিবার ত্যাগ করেন রওনকুল ইসলাম শ্রাবণ
শ্রাবণের গ্রামের বাড়ি যশোরের কেশবপুর উপজেলার চিংড়া গ্রামে। ২০০৩ সালে কেশবপুর সরকারি ডিগ্রি কলেজ থেকে উচ্চ মাধ্যমিক পাশ করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগে ভর্তি হন তিনি। থাকতেন বিশ্ববিদ্যালয়ের হাজি মুহম্মদ মুহসীন হলে। কিছুদিনের মধ্যেই ছাত্রদল কর্মী হিসেবে হল ও বিভাগের সহপাঠীদের মধ্যে পরিচিত মুখ হয়ে ওঠেন তিনি। বাংলা বিভাগ থেকে স্নাতক-স্নাতকোত্তর শেষ করে বিশ্ববিদ্যালয়ের তথ্যবিজ্ঞান ও গ্রন্থাগার ব্যবস্থাপনা বিভাগে সান্ধ্য কোর্সে (স্নাতকোত্তর) অধ্যয়নরত থাকায় ২০২২ সালে ছাত্রদলের সভাপতি হয়েছিলেন শ্রাবণ। পরে ‘অসুস্থতার’ কারণ দেখিয়ে ২০২৩ সালের আগস্টে তাকে দায়িত্ব থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়। অবশ্য এর দুই মাসের মাথায় তাকে বিএনপির নির্বাহী কমিটির সদস্য করা হয়।
শ্রাবণের বাবা উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি ও মুক্তিযোদ্ধা কাজী রফিকুল ইসলাম। তিনি কেশবপুর উপজেলা চেয়ারম্যান ছিলেন। শ্রাবণের বড় ভাই মুস্তাফিজুল ইসলাম উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক পদে ছিলেন। পঞ্চম ধাপের ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে বিদ্রোহী প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে সাগরদাঁড়ি ইউনিয়ন থেকে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন তিনি। বিদ্রোহী প্রার্থী হওয়ায় তিনি এখন দল থেকে বহিষ্কৃত। আরেক ভাই মোজাহিদুল ইসলাম উপজেলা যুবলীগের সাবেক আহ্বায়ক। আর ছোট ভাই আজাহারুল ইসলাম উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক আহ্বায়ক।
আওয়ামী লীগ পরিবারের সন্তান হয়েও রওনকুল ইসলাম শ্রাবণ বিএনপির রাজনীতিতে জড়িত হওয়ায় পরিবার থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েন। তিনি পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ রাখেননি। পরিবার ত্যাগ করে বিএনপির রাজনীতিতে দৃঢ়তার প্রমাণ দিয়েছেন।
চলতি বছরের ২০ সেপ্টেম্বর প্রায় একযুগ পর নিজ জন্মভূমি যশোরের কেশবপুরে ফেরেন ছাত্রদলের সাবেক কেন্দ্রীয় সভাপতি কাজী রওনকুল ইসলাম শ্রাবণ। দীর্ঘদিন পর এলাকায় গিয়ে তিনি নেতাকর্মীদের ভালোবাসায় সিক্ত হন। বিএনপির রাষ্ট্র মেরামতে ঘোষিত ৩১ দফা কর্মসূচির প্রচারণার অংশ হিসেবে তিনি কেশবপুরে লিফলেট বিতরণে অংশ নেন। এ সময় তিনি আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রার্থী হওয়ার ঘোষণা দেন।
দীর্ঘ এক যুগের বেশি সময় পর তার নিজ উপজেলায় আসার খবরে মোড়ে মোড়ে ফুল নিয়ে অবস্থান নেন নেতাকর্মীরা। এরপর কেশবপুর থেকে প্রায় দেড় হাজার মোটরসাইকেল এবং শতাধিক মাইক্রোবাসে নেতাকর্মীরা তার বহরে যোগ দেন। বহর নিয়ে তিনি লিফলেট বিতরণ করেন এবং বিএনপির রাষ্ট্র মেরামতের ৩১ দফা সাধারণ মানুষের হাতে পৌঁছে দেন।
জানা গেছে, শ্রাবণ কেশবপুর গেলেও তার নিজ বাড়িতে যাননি। এমনকি তার বাবার বাড়ির কারো সঙ্গে যোগাযোগ রাখেননি।

২৯ জুন, ২০২৬ ২০:৩০
মারা গেছেন আফগানিস্তানের প্রথম মহাকাশচারী আবদুল আহাদ মোমান্দ। ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়ে জার্মানিতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় গত ২১ জুন ৬৭ বছর বয়সে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি।
আবদুল আহাদ মোমান্দ শুধু আফগানিস্তানের প্রথম মহাকাশচারীই নন, ইতিহাসের চতুর্থ মুসলিম মহাকাশচারী হিসেবেও পরিচিত। ১৯৮৮ সালে সোভিয়েত ইউনিয়নের ‘মির’ মহাকাশ স্টেশনে অভিযানে যাওয়ার সময় তিনি সঙ্গে নিয়েছিলেন পবিত্র কোরআন। মহাকাশে অবস্থানকালে কোরআন তেলাওয়াত করার ঘটনাও তাকে মুসলিম বিশ্বে বিশেষভাবে স্মরণীয় করে রেখেছে।
ঐতিহাসিক সেই অভিযানে তিনি টানা নয় দিন মহাকাশে অবস্থান করেন এবং আফগানিস্তানের জন্য গড়ে তোলেন এক অনন্য অর্জনের ইতিহাস।
গজনি প্রদেশে জন্ম নেওয়া মোমান্দ পরবর্তীতে গৃহযুদ্ধের সময় জার্মানিতে চলে যান। এর আগে মস্কোর ইউরি গ্যাগরিন বিমানবাহিনী একাডেমিতে পড়াশোনা করেন। সেখানে প্রায় ৪০০ আবেদনকারীর মধ্য থেকে নির্বাচিত আটজনের একজন ছিলেন তিনি। পরে সোভিয়েত ইউনিয়নের ‘ইন্টারকসমস’ কর্মসূচির আওতায় মহাকাশ অভিযানে অংশ নেওয়ার সুযোগ পান।
বিজ্ঞান, ইতিহাস ও মুসলিম বিশ্বের গৌরবময় অধ্যায়ের এক উজ্জ্বল নাম আবদুল আহাদ মোমান্দের মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করেছেন অনেকেই। তাঁর মহাকাশযাত্রা ও অর্জন আগামী প্রজন্মের জন্য অনুপ্রেরণা হয়ে থাকবে।
মারা গেছেন আফগানিস্তানের প্রথম মহাকাশচারী আবদুল আহাদ মোমান্দ। ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়ে জার্মানিতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় গত ২১ জুন ৬৭ বছর বয়সে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি।
আবদুল আহাদ মোমান্দ শুধু আফগানিস্তানের প্রথম মহাকাশচারীই নন, ইতিহাসের চতুর্থ মুসলিম মহাকাশচারী হিসেবেও পরিচিত। ১৯৮৮ সালে সোভিয়েত ইউনিয়নের ‘মির’ মহাকাশ স্টেশনে অভিযানে যাওয়ার সময় তিনি সঙ্গে নিয়েছিলেন পবিত্র কোরআন। মহাকাশে অবস্থানকালে কোরআন তেলাওয়াত করার ঘটনাও তাকে মুসলিম বিশ্বে বিশেষভাবে স্মরণীয় করে রেখেছে।
ঐতিহাসিক সেই অভিযানে তিনি টানা নয় দিন মহাকাশে অবস্থান করেন এবং আফগানিস্তানের জন্য গড়ে তোলেন এক অনন্য অর্জনের ইতিহাস।
গজনি প্রদেশে জন্ম নেওয়া মোমান্দ পরবর্তীতে গৃহযুদ্ধের সময় জার্মানিতে চলে যান। এর আগে মস্কোর ইউরি গ্যাগরিন বিমানবাহিনী একাডেমিতে পড়াশোনা করেন। সেখানে প্রায় ৪০০ আবেদনকারীর মধ্য থেকে নির্বাচিত আটজনের একজন ছিলেন তিনি। পরে সোভিয়েত ইউনিয়নের ‘ইন্টারকসমস’ কর্মসূচির আওতায় মহাকাশ অভিযানে অংশ নেওয়ার সুযোগ পান।
বিজ্ঞান, ইতিহাস ও মুসলিম বিশ্বের গৌরবময় অধ্যায়ের এক উজ্জ্বল নাম আবদুল আহাদ মোমান্দের মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করেছেন অনেকেই। তাঁর মহাকাশযাত্রা ও অর্জন আগামী প্রজন্মের জন্য অনুপ্রেরণা হয়ে থাকবে।

২৯ জুন, ২০২৬ ১৯:৫০
বরিশাল মহানগরীর কাউনিয়া থানা পুলিশের বিশেষ অভিযানে ৮০০ পিস ইয়াবাসহ এক চিহ্নিত মাদক কারবারিকে আটক করা হয়েছে। রোববার (২৯ জুন) বিকেল ৪টা ৫০ মিনিটের দিকে কাউনিয়া থানার দক্ষিণ পলাশপুর এলাকায় এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।
আটক ব্যক্তি মো. রাসেল হাওলাদার (৩৫)। তিনি কাউনিয়া থানাধীন ৫ নম্বর ওয়ার্ডের মোহাম্মদপুর (মামুন মিয়ার ঘের সংলগ্ন) এলাকার বাসিন্দা। পুলিশের দাবি, তার বিরুদ্ধে কাউনিয়া থানায় একাধিক মাদক মামলা ও গ্রেপ্তারি পরোয়ানা রয়েছে।
পুলিশ জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানা যায়, দক্ষিণ পলাশপুর এলাকায় রাসেল হাওলাদার ও তার সহযোগী আখি দীর্ঘদিন ধরে ইয়াবাসহ বিভিন্ন মাদকদ্রব্য বিক্রি করে আসছেন। তথ্যের সত্যতা যাচাই শেষে কাউনিয়া থানার একটি চৌকস দল এলাকায় অভিযান চালায়। অভিযানের একপর্যায়ে রাসেলকে আটক করে তার হেফাজত থেকে ৮০০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট জব্দ করা হয়। তবে অভিযানের সময় সহযোগী আখি পালিয়ে যেতে সক্ষম হন।
কাউনিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সনজীত চন্দ্র নাথ বলেন, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান পরিচালনা করে ৮০০ পিস ইয়াবাসহ রাসেল হাওলাদারকে আটক করা হয়েছে। পলাতক আসামি আখিকে গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে। এ ঘটনায় আটক ও পলাতক দুই আসামির বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে নিয়মিত মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলছে।
পুলিশ জানিয়েছে, মাদক নির্মূলে কাউনিয়া থানার অভিযান চলমান রয়েছে। মাদক ব্যবসায় জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের পাশাপাশি পলাতকদের গ্রেপ্তারে অভিযান আরও জোরদার করা হবে।
বরিশাল মহানগরীর কাউনিয়া থানা পুলিশের বিশেষ অভিযানে ৮০০ পিস ইয়াবাসহ এক চিহ্নিত মাদক কারবারিকে আটক করা হয়েছে। রোববার (২৯ জুন) বিকেল ৪টা ৫০ মিনিটের দিকে কাউনিয়া থানার দক্ষিণ পলাশপুর এলাকায় এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।
আটক ব্যক্তি মো. রাসেল হাওলাদার (৩৫)। তিনি কাউনিয়া থানাধীন ৫ নম্বর ওয়ার্ডের মোহাম্মদপুর (মামুন মিয়ার ঘের সংলগ্ন) এলাকার বাসিন্দা। পুলিশের দাবি, তার বিরুদ্ধে কাউনিয়া থানায় একাধিক মাদক মামলা ও গ্রেপ্তারি পরোয়ানা রয়েছে।
পুলিশ জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানা যায়, দক্ষিণ পলাশপুর এলাকায় রাসেল হাওলাদার ও তার সহযোগী আখি দীর্ঘদিন ধরে ইয়াবাসহ বিভিন্ন মাদকদ্রব্য বিক্রি করে আসছেন। তথ্যের সত্যতা যাচাই শেষে কাউনিয়া থানার একটি চৌকস দল এলাকায় অভিযান চালায়। অভিযানের একপর্যায়ে রাসেলকে আটক করে তার হেফাজত থেকে ৮০০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট জব্দ করা হয়। তবে অভিযানের সময় সহযোগী আখি পালিয়ে যেতে সক্ষম হন।
কাউনিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সনজীত চন্দ্র নাথ বলেন, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান পরিচালনা করে ৮০০ পিস ইয়াবাসহ রাসেল হাওলাদারকে আটক করা হয়েছে। পলাতক আসামি আখিকে গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে। এ ঘটনায় আটক ও পলাতক দুই আসামির বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে নিয়মিত মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলছে।
পুলিশ জানিয়েছে, মাদক নির্মূলে কাউনিয়া থানার অভিযান চলমান রয়েছে। মাদক ব্যবসায় জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের পাশাপাশি পলাতকদের গ্রেপ্তারে অভিযান আরও জোরদার করা হবে।

২৯ জুন, ২০২৬ ১৯:০৩
বরিশাল নগরীতে যাত্রী পরিবহনকারী অটোরিকশা ও থ্রি-হুইলারের ভাড়া না বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে বরিশাল সিটি কর্পোরেশন (বিসিসি)। সোমবার (২৯ জুন) নগর ভবনের সভাকক্ষে আয়োজিত এক সমন্বয় সভায় এ সিদ্ধান্ত নেয় ত্রিপক্ষীয় প্রতিনিধিরা। একই সঙ্গে আগামী ১ জুলাই থেকে লাইসেন্সবিহীন ও অবৈধ থ্রি-হুইলারের বিরুদ্ধে সম্মিলিত উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বিসিসি প্রশাসক অ্যাডভোকেট বিলকিস আক্তার জাহান শিরিন। সমন্বয় সভায় প্রশাসনিক কর্মকর্তা, বিএম কলেজের ছাত্রশিক্ষক প্রতিনিধিসহ থ্রিহুইলার চালক-মালিকরা উপস্থিত ছিলেন।
সভায় মহানগরীর পরিবহন ব্যবস্থায় শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনা এবং যাত্রীসেবা নিশ্চিত করতে কঠোর অবস্থানের কথা জানানো হয়। সর্বসম্মতিক্রমে সিদ্ধান্ত হয়, থ্রি-হুইলারের বর্তমান ভাড়ার হার অপরিবর্তিত থাকবে এবং যাত্রীসাধারণকে বিদ্যমান ভাড়াতেই সেবা দেওয়া হবে।
একই সঙ্গে থ্রি-হুইলারের বৈধ লাইসেন্স ও প্রয়োজনীয় কাগজপত্র থাকা বাধ্যতামূলক করার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।
সভায় জানানো হয়, যেসব থ্রি-হুইলারের লাইসেন্স নবায়ন করা হয়নি বা বৈধ কাগজপত্র নেই, তাদের বিরুদ্ধে আগামী ১ জুলাই থেকে সম্মিলিত অভিযান পরিচালনা করা হবে। অভিযানে আইন অমান্যকারীদের বিরুদ্ধে বিধি অনুযায়ী ব্যবস্থাগ্রহণ করা হবে।
সভায় উপস্থিত বক্তারা বলেন, নগরবাসীর স্বার্থে পরিবহন খাতে শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠা, নিরাপদ চলাচল নিশ্চিত করা এবং যাত্রীদের অতিরিক্ত ভাড়া আদায় থেকে সুরক্ষা দিতেই এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
বিসিসি প্রশাসক অ্যাডভোকেট বিলকিস আক্তার জাহান শিরিনের সভাপতিত্বে ত্রিপক্ষীয় বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন, বরিশাল বিভাগীয় কমিশনার খলিল আহমেদ, বিসিসির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা রেজাউল বারী, বরিশাল জেলা প্রশাসক মো. খায়রুল কবির সুমন, সরকারি বিএম কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. শেখ মো. তাজুল ইসলাম, বিসিসির প্রধান প্রকৌশলী মো. হুমায়ুন কবির এবং নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. রায়হান উজ জামান।
এর আগে রোববার সকালে অতিরিক্ত ভাড়া চাওয়াকে কেন্দ্র করে দুই শতাধিক থ্রিহুইলার আটকে রাখে বিএম কলেজ শিক্ষার্থীরা। এ ছাড়াও তারা যৌক্তিক ভাড়া নির্ধারণের দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল ও সড়ক অবরোধ করে। তারপর সোমবারের মধ্যে এ সংকট সমাধানের আশ্বাসে শিক্ষার্থীরা কর্মসূচি স্থগিত করে। বর্তমানে নগরীর থ্রি-হুইলার চালকরা দূরত্ব ভেদে ৫-১০ টাকা বেশি ভাড়া আদায় করছে। এ নিয়ে প্রতিদিনই চালক ও যাত্রীদের মধ্যে ঘটছে অপ্রীতিকর ঘটনা। তথ্যমতে, ৫৮ বর্গ কিলোমিটারের বরিশাল নগরীতে বৈধ-অবৈধ মিলিয়ে ৩০ হাজার সিএনজি ও ব্যাটারিচালিত থ্রিহুইলার চলাচল করছে।’
বরিশাল নগরীতে যাত্রী পরিবহনকারী অটোরিকশা ও থ্রি-হুইলারের ভাড়া না বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে বরিশাল সিটি কর্পোরেশন (বিসিসি)। সোমবার (২৯ জুন) নগর ভবনের সভাকক্ষে আয়োজিত এক সমন্বয় সভায় এ সিদ্ধান্ত নেয় ত্রিপক্ষীয় প্রতিনিধিরা। একই সঙ্গে আগামী ১ জুলাই থেকে লাইসেন্সবিহীন ও অবৈধ থ্রি-হুইলারের বিরুদ্ধে সম্মিলিত উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বিসিসি প্রশাসক অ্যাডভোকেট বিলকিস আক্তার জাহান শিরিন। সমন্বয় সভায় প্রশাসনিক কর্মকর্তা, বিএম কলেজের ছাত্রশিক্ষক প্রতিনিধিসহ থ্রিহুইলার চালক-মালিকরা উপস্থিত ছিলেন।
সভায় মহানগরীর পরিবহন ব্যবস্থায় শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনা এবং যাত্রীসেবা নিশ্চিত করতে কঠোর অবস্থানের কথা জানানো হয়। সর্বসম্মতিক্রমে সিদ্ধান্ত হয়, থ্রি-হুইলারের বর্তমান ভাড়ার হার অপরিবর্তিত থাকবে এবং যাত্রীসাধারণকে বিদ্যমান ভাড়াতেই সেবা দেওয়া হবে।
একই সঙ্গে থ্রি-হুইলারের বৈধ লাইসেন্স ও প্রয়োজনীয় কাগজপত্র থাকা বাধ্যতামূলক করার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।
সভায় জানানো হয়, যেসব থ্রি-হুইলারের লাইসেন্স নবায়ন করা হয়নি বা বৈধ কাগজপত্র নেই, তাদের বিরুদ্ধে আগামী ১ জুলাই থেকে সম্মিলিত অভিযান পরিচালনা করা হবে। অভিযানে আইন অমান্যকারীদের বিরুদ্ধে বিধি অনুযায়ী ব্যবস্থাগ্রহণ করা হবে।
সভায় উপস্থিত বক্তারা বলেন, নগরবাসীর স্বার্থে পরিবহন খাতে শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠা, নিরাপদ চলাচল নিশ্চিত করা এবং যাত্রীদের অতিরিক্ত ভাড়া আদায় থেকে সুরক্ষা দিতেই এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
বিসিসি প্রশাসক অ্যাডভোকেট বিলকিস আক্তার জাহান শিরিনের সভাপতিত্বে ত্রিপক্ষীয় বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন, বরিশাল বিভাগীয় কমিশনার খলিল আহমেদ, বিসিসির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা রেজাউল বারী, বরিশাল জেলা প্রশাসক মো. খায়রুল কবির সুমন, সরকারি বিএম কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. শেখ মো. তাজুল ইসলাম, বিসিসির প্রধান প্রকৌশলী মো. হুমায়ুন কবির এবং নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. রায়হান উজ জামান।
এর আগে রোববার সকালে অতিরিক্ত ভাড়া চাওয়াকে কেন্দ্র করে দুই শতাধিক থ্রিহুইলার আটকে রাখে বিএম কলেজ শিক্ষার্থীরা। এ ছাড়াও তারা যৌক্তিক ভাড়া নির্ধারণের দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল ও সড়ক অবরোধ করে। তারপর সোমবারের মধ্যে এ সংকট সমাধানের আশ্বাসে শিক্ষার্থীরা কর্মসূচি স্থগিত করে। বর্তমানে নগরীর থ্রি-হুইলার চালকরা দূরত্ব ভেদে ৫-১০ টাকা বেশি ভাড়া আদায় করছে। এ নিয়ে প্রতিদিনই চালক ও যাত্রীদের মধ্যে ঘটছে অপ্রীতিকর ঘটনা। তথ্যমতে, ৫৮ বর্গ কিলোমিটারের বরিশাল নগরীতে বৈধ-অবৈধ মিলিয়ে ৩০ হাজার সিএনজি ও ব্যাটারিচালিত থ্রিহুইলার চলাচল করছে।’
২৯ জুন, ২০২৬ ২০:৩০
২৯ জুন, ২০২৬ ১৯:৫০
২৯ জুন, ২০২৬ ১৯:০৩
২৯ জুন, ২০২৬ ১৬:১৪