
১১ এপ্রিল, ২০২৬ ১৭:৪২
গাজীপুরের কাপাসিয়া উপজেলার দিগাবো গ্রামের কাজল মিয়ার স্ত্রী মাসুমা বেগম একসঙ্গে পাঁচ সন্তানের জন্ম দিয়েছেন। পাঁচ নবজাতক এবং তাদের মা সম্পূর্ণ সুস্থ রয়েছেন।
রোববার (৫ এপ্রিল) প্রসব বেদনা নিয়ে তিনি ঢাকার পিজি হাসপাতালে (বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়) ভর্তি হন। সেখানে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের নিবিড় তত্ত্বাবধানে একে একে পৃথিবীর আলো দেখে পাঁচ নবজাতক। জন্ম নেয়া এই পাঁচ শিশুর মধ্যে তিনটি ছেলে এবং দুটি মেয়ে।
সাধারণত এমন বহুমাত্রিক প্রসবে শিশুদের ওজন ও স্বাস্থ্য নিয়ে বড় ধরনের ঝুঁকি থাকে। তবে এবারের চিত্রটা একেবারেই ভিন্ন। চিকিৎসকরা একে দেশের চিকিৎসা ইতিহাসে এক অনন্য ও বিরল ঘটনা বলে অভিহিত করেছেন।
সেবা প্রদানকারী চিকিৎসক ডা. কামরুজ্জামান সেলিম জানিয়েছেন, নবজাতকদের সম্মিলিত ওজন প্রায় ৮ কেজি। প্রতিটি শিশুর ওজন এক কেজি ৪০০ গ্রাম থেকে এক কেজি ৫০০ গ্রামের মধ্যে রয়েছে। যা এই পরিস্থিতিতে অত্যন্ত আশাব্যঞ্জক।
এদিকে বিরল এই ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। তবে সন্তানদের নিরাপত্তা ও গোপনীয়তার স্বার্থে এখনই গণমাধ্যমের সামনে আসতে চাননি বাবা-মা ও স্বজনরা।
জানা গেছে, বর্তমানে মা-শিশুরা বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের পরামর্শে ছাড়পত্র নিয়ে নিজেদের বাড়িতে ফিরেছেন। একসঙ্গে পাঁচ সন্তানের সুস্থভাবে জন্ম নেয়ার এই ঘটনাকে দেশের চিকিৎসা খাতের বড় সাফল্য হিসেবেই দেখছেন সংশ্লিষ্টরা।
গাজীপুরের কাপাসিয়া উপজেলার দিগাবো গ্রামের কাজল মিয়ার স্ত্রী মাসুমা বেগম একসঙ্গে পাঁচ সন্তানের জন্ম দিয়েছেন। পাঁচ নবজাতক এবং তাদের মা সম্পূর্ণ সুস্থ রয়েছেন।
রোববার (৫ এপ্রিল) প্রসব বেদনা নিয়ে তিনি ঢাকার পিজি হাসপাতালে (বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়) ভর্তি হন। সেখানে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের নিবিড় তত্ত্বাবধানে একে একে পৃথিবীর আলো দেখে পাঁচ নবজাতক। জন্ম নেয়া এই পাঁচ শিশুর মধ্যে তিনটি ছেলে এবং দুটি মেয়ে।
সাধারণত এমন বহুমাত্রিক প্রসবে শিশুদের ওজন ও স্বাস্থ্য নিয়ে বড় ধরনের ঝুঁকি থাকে। তবে এবারের চিত্রটা একেবারেই ভিন্ন। চিকিৎসকরা একে দেশের চিকিৎসা ইতিহাসে এক অনন্য ও বিরল ঘটনা বলে অভিহিত করেছেন।
সেবা প্রদানকারী চিকিৎসক ডা. কামরুজ্জামান সেলিম জানিয়েছেন, নবজাতকদের সম্মিলিত ওজন প্রায় ৮ কেজি। প্রতিটি শিশুর ওজন এক কেজি ৪০০ গ্রাম থেকে এক কেজি ৫০০ গ্রামের মধ্যে রয়েছে। যা এই পরিস্থিতিতে অত্যন্ত আশাব্যঞ্জক।
এদিকে বিরল এই ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। তবে সন্তানদের নিরাপত্তা ও গোপনীয়তার স্বার্থে এখনই গণমাধ্যমের সামনে আসতে চাননি বাবা-মা ও স্বজনরা।
জানা গেছে, বর্তমানে মা-শিশুরা বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের পরামর্শে ছাড়পত্র নিয়ে নিজেদের বাড়িতে ফিরেছেন। একসঙ্গে পাঁচ সন্তানের সুস্থভাবে জন্ম নেয়ার এই ঘটনাকে দেশের চিকিৎসা খাতের বড় সাফল্য হিসেবেই দেখছেন সংশ্লিষ্টরা।
২০ জুন, ২০২৬ ১৫:৩৮
২০ জুন, ২০২৬ ১৫:২৪
২০ জুন, ২০২৬ ১৪:১০
২০ জুন, ২০২৬ ১৩:৫৩

২০ জুন, ২০২৬ ১৫:২৪
নড়াইলে বিয়েবাড়িতে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে নকুল মল্লিক নামে (৫২) এক ব্যক্তির মৃত্যু হয়েছে। শুক্রবার (১৯ জুন) রাত ৮টার দিকে সদর উপজেলার কলোড়া ইউনিয়নের মুসুড়ি গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। নিহত নকুল মল্লিক ওই গ্রামের মৃত সতিস চন্দ্র মল্লিকের ছেলে।
নিহতের পরিবার ও স্বজন সূত্রে জানা গেছে, শুক্রবার নিহত নকুল মল্লিকের ভাইয়ের মেয়ের বিয়ে ছিল। বিয়ে উপলক্ষে বাড়িতে আলোকসজ্জা করা হয়েছিল। রাত ৮টার দিকে বরযাত্রী গেলে গেটে নতুন বরকে মিষ্টিমুখ করানোর জন্য যান নকুল মল্লিক।
এসময় ধাক্কাধাক্কির একপর্যায়ে তিনি আলোকসজ্জার বৈদ্যুতিক তারের ওপর পড়ে বিদ্যুতায়িত হন। পরে তাকে উদ্ধার করে নড়াইল জেলা হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
এ বিষয়ে নড়াইল সদর থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) অজয় কুমার কুন্ডু বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। এ ঘটনায় অপমৃত্যুর মামলা হচ্ছে।
নড়াইলে বিয়েবাড়িতে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে নকুল মল্লিক নামে (৫২) এক ব্যক্তির মৃত্যু হয়েছে। শুক্রবার (১৯ জুন) রাত ৮টার দিকে সদর উপজেলার কলোড়া ইউনিয়নের মুসুড়ি গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। নিহত নকুল মল্লিক ওই গ্রামের মৃত সতিস চন্দ্র মল্লিকের ছেলে।
নিহতের পরিবার ও স্বজন সূত্রে জানা গেছে, শুক্রবার নিহত নকুল মল্লিকের ভাইয়ের মেয়ের বিয়ে ছিল। বিয়ে উপলক্ষে বাড়িতে আলোকসজ্জা করা হয়েছিল। রাত ৮টার দিকে বরযাত্রী গেলে গেটে নতুন বরকে মিষ্টিমুখ করানোর জন্য যান নকুল মল্লিক।
এসময় ধাক্কাধাক্কির একপর্যায়ে তিনি আলোকসজ্জার বৈদ্যুতিক তারের ওপর পড়ে বিদ্যুতায়িত হন। পরে তাকে উদ্ধার করে নড়াইল জেলা হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
এ বিষয়ে নড়াইল সদর থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) অজয় কুমার কুন্ডু বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। এ ঘটনায় অপমৃত্যুর মামলা হচ্ছে।

২০ জুন, ২০২৬ ১৩:৫৩
ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬ সামনে রেখে টাঙানো বিশাল আকৃতির একটি আর্জেন্টিনা দলের পতাকা চুরির অভিযোগ উঠেছে জামালপুরের দেওয়ানগঞ্জে।
এ ঘটনায় স্থানীয় পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন আর্জেন্টিনা সমর্থকরা। অভিযোগ পাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন সানন্দবাড়ী পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ আবুল খায়ের।
শুক্রবার (১৯ জুন) বিকেলে দেওয়ানগঞ্জ উপজেলার চর আমখাওয়া ইউনিয়নের সানন্দবাড়ী মধ্যপাড়া এলাকার বাসিন্দা ও ‘ভেরুসেল এক্সপ্রেস’ ক্লাবের সদস্যরা সানন্দবাড়ী পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রে অভিযোগটি দায়ের করেন।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, আসন্ন বিশ্বকাপকে ঘিরে উৎসবের আমেজ তৈরি করতে ক্লাবের সদস্যরা চাঁদা তুলে প্রায় ২০ ফুট লম্বা ও ৬ ফুট চওড়া একটি আর্জেন্টিনা পতাকা তৈরি করেন। পরে সেটি এলাকার নদীর তীরবর্তী একটি খুঁটির সঙ্গে টাঙানো হয়।
ক্লাবের সদস্যদের দাবি, বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ৯টার দিকে তারা জানতে পারেন যে পতাকাটি আর সেখানে নেই। এরপর আশপাশের বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি চালিয়েও কোনো সন্ধান মেলেনি। একপর্যায়ে শুক্রবার জুমার নামাজের পর ক্লাবের সদস্য টুটুল শিকদার বাদী হয়ে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।
টুটুল শিকদার বলেন, “অনেক কষ্ট করে টাকা সংগ্রহ করে আমরা পতাকাটি বানিয়েছিলাম। ক্লাবের অধিকাংশ সদস্যই শিক্ষার্থী। কেউ টিফিনের টাকা বাঁচিয়ে, কেউ পরিবারের কাছ থেকে নিয়ে এই পতাকার জন্য অর্থ দিয়েছিল। তাই যারা এ ঘটনা ঘটিয়েছে, তাদের বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হোক।”
ক্লাবের আরেক সদস্য মামুন বলেন, “পতাকাটি কেউ খুঁজে দিতে পারলে তাকে ১০ হাজার টাকা পুরস্কার দেওয়া হবে।” এ বিষয়ে সানন্দবাড়ী পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ আবুল খায়ের বলেন, “পতাকা চুরির বিষয়ে একটি লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।”
ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬ সামনে রেখে টাঙানো বিশাল আকৃতির একটি আর্জেন্টিনা দলের পতাকা চুরির অভিযোগ উঠেছে জামালপুরের দেওয়ানগঞ্জে।
এ ঘটনায় স্থানীয় পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন আর্জেন্টিনা সমর্থকরা। অভিযোগ পাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন সানন্দবাড়ী পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ আবুল খায়ের।
শুক্রবার (১৯ জুন) বিকেলে দেওয়ানগঞ্জ উপজেলার চর আমখাওয়া ইউনিয়নের সানন্দবাড়ী মধ্যপাড়া এলাকার বাসিন্দা ও ‘ভেরুসেল এক্সপ্রেস’ ক্লাবের সদস্যরা সানন্দবাড়ী পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রে অভিযোগটি দায়ের করেন।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, আসন্ন বিশ্বকাপকে ঘিরে উৎসবের আমেজ তৈরি করতে ক্লাবের সদস্যরা চাঁদা তুলে প্রায় ২০ ফুট লম্বা ও ৬ ফুট চওড়া একটি আর্জেন্টিনা পতাকা তৈরি করেন। পরে সেটি এলাকার নদীর তীরবর্তী একটি খুঁটির সঙ্গে টাঙানো হয়।
ক্লাবের সদস্যদের দাবি, বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ৯টার দিকে তারা জানতে পারেন যে পতাকাটি আর সেখানে নেই। এরপর আশপাশের বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি চালিয়েও কোনো সন্ধান মেলেনি। একপর্যায়ে শুক্রবার জুমার নামাজের পর ক্লাবের সদস্য টুটুল শিকদার বাদী হয়ে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।
টুটুল শিকদার বলেন, “অনেক কষ্ট করে টাকা সংগ্রহ করে আমরা পতাকাটি বানিয়েছিলাম। ক্লাবের অধিকাংশ সদস্যই শিক্ষার্থী। কেউ টিফিনের টাকা বাঁচিয়ে, কেউ পরিবারের কাছ থেকে নিয়ে এই পতাকার জন্য অর্থ দিয়েছিল। তাই যারা এ ঘটনা ঘটিয়েছে, তাদের বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হোক।”
ক্লাবের আরেক সদস্য মামুন বলেন, “পতাকাটি কেউ খুঁজে দিতে পারলে তাকে ১০ হাজার টাকা পুরস্কার দেওয়া হবে।” এ বিষয়ে সানন্দবাড়ী পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ আবুল খায়ের বলেন, “পতাকা চুরির বিষয়ে একটি লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।”

২০ জুন, ২০২৬ ১৩:৪৩
টাঙ্গাইলের মধুপুর উপজেলায় পরিত্যক্ত সেপটিক ট্যাংকে নেমে শিশুসহ ৪ জনের মৃত্যু হয়েছে। শনিবার (২০ জুন) সকাল সাড়ে আটটার দিকে টেলকির জলই এলাকায় এই ঘটনা ঘটে। নিহতরা সবাই আদিবাসী।
নিহতরা হলেন, জলই গ্রামের বাবুল হাদিমা, তার শিশু পুত্র নেইমার ম্রং, একই গ্রামের রতন নকরেক ও গাবরিয়েল নকরেক। মধুপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা এ কে এম ফজলুল হক জানান, টেলকি জলই এলাকায় পরিত্যক্ত কূপে পড়ে যাওয়া ছাগল উদ্ধার করতে নেমে একে একে ৪জন ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর সদস্য নিহত হয়েছেন।
সকালে একটি ছাগল পড়ে যায় কুপে। এসময় প্রথমে গ্রাবিয়েল নকরেক (৩৫) ছাগল উদ্ধার করতে কূপে নামেন। পরবর্তীতে বাহির থেকে তার কোন সাড়াশব্দ না পেয়ে একে একে আরো ৩ জন প্রবেশ করেন।
তাদের সকলেরই কোন সাড়াশব্দ না পেয়ে স্থানীয় লোকজন মধুপুর ফায়ার সার্ভিস কে অবগত করেন। ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা গিয়ে তাদের মরদেহ উদ্ধার করেন।
টাঙ্গাইলের মধুপুর উপজেলায় পরিত্যক্ত সেপটিক ট্যাংকে নেমে শিশুসহ ৪ জনের মৃত্যু হয়েছে। শনিবার (২০ জুন) সকাল সাড়ে আটটার দিকে টেলকির জলই এলাকায় এই ঘটনা ঘটে। নিহতরা সবাই আদিবাসী।
নিহতরা হলেন, জলই গ্রামের বাবুল হাদিমা, তার শিশু পুত্র নেইমার ম্রং, একই গ্রামের রতন নকরেক ও গাবরিয়েল নকরেক। মধুপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা এ কে এম ফজলুল হক জানান, টেলকি জলই এলাকায় পরিত্যক্ত কূপে পড়ে যাওয়া ছাগল উদ্ধার করতে নেমে একে একে ৪জন ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর সদস্য নিহত হয়েছেন।
সকালে একটি ছাগল পড়ে যায় কুপে। এসময় প্রথমে গ্রাবিয়েল নকরেক (৩৫) ছাগল উদ্ধার করতে কূপে নামেন। পরবর্তীতে বাহির থেকে তার কোন সাড়াশব্দ না পেয়ে একে একে আরো ৩ জন প্রবেশ করেন।
তাদের সকলেরই কোন সাড়াশব্দ না পেয়ে স্থানীয় লোকজন মধুপুর ফায়ার সার্ভিস কে অবগত করেন। ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা গিয়ে তাদের মরদেহ উদ্ধার করেন।
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.