
০৬ জুলাই, ২০২৬ ১৫:২২
প্রয়াত আর জেলে থাকা ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলাসহ বরিশালে মামলা বাণিজ্যের মাস্টারমাইন্ডখ্যাত ছাত্রশক্তির নেতা মারজুক আব্দুল্লাহকে খুঁজছে পুলিশ। রোববার বিষয়টি জানিয়েছেন বরিশালের পুলিশ কমিশনার আশিক সাঈদ। পটুয়াখালীর দুমকি থানায় ডাকাতি চেষ্টার মামলায় মারজুক ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি বলে তিনি নিশ্চিত করেছেন।
এদিকে মারজুকের সর্বশেষ মিথ্যা মামলায় আসামির তালিকায় নাম থাকা বেশ কয়েকজনের কাছে এরই মধ্যে টাকা চাওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। তৃতীয় পক্ষের মাধ্যমে আসামির তালিকা থেকে নাম বাদ দেওয়ার শর্তে ওই টাকা চাওয়া হচ্ছে বলে ভুক্তভোগীরা জানিয়েছেন। এছাড়া এ মিথ্যা মামলার আসামির তালিকায় বেশ কয়েকজন বিএনপি নেতার নামও ঢোকানো হয়েছে। অথচ মামলার অভিযোগে আসামির তালিকায় থাকা ২৪৮ জনের সবাইকে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের নেতাকর্মী বলে উল্লেখ করেছেন মারজুক আব্দুল্লাহ।
[এই সংবাদটি আজ দৈনিক যুগান্তর পত্রিকার অনলাইন ও প্রিন্ট ভার্সনে বরিশাল ব্যুরো চিফ সিনিয়র সাংবাদিক আকতার ফারুক শাহীনের নামে প্রকাশ পেয়েছে]
জুলাই বিপ্লবের পর বরিশালে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের (বৈছাআ) নেতা হিসাবে পরিচিতি পান মারজুক। ঝিনাইদহের বাসিন্দা মারজুকের নানাবাড়ি বাকেরগঞ্জের চরামদ্দি ইউনিয়নে। কয়েক বছর ধরে তিনি বরিশালের বিভিন্ন এলাকায় বাসা ভাড়া করে থাকছেন। ৫ আগস্টের পর মারজুক প্রথম সাবেক মন্ত্রী আমির হোসেন আমুসহ আওয়ামী লীগের ২৪৭ নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে মামলা করেন। জুলাই আন্দোলনে হামলা, ভাঙচুর, গুলি আর মারধরের অভিযোগে দায়ের করা ওই মামলা দিয়েই বরিশালে প্রথমবার মামলা বাণিজ্যের মাস্টারমাইন্ড হিসাবে তার আত্মপ্রকাশ ঘটে। আসামির তালিকা থেকে নাম বাদ দেওয়ার কথা বলে বহুজনের কাছ থেকে তখন তিনি মোটা অঙ্কের টাকা আদায় করেন। মামলা বাণিজ্যের বিষয় নিয়ে সেসময় দেশের গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশিত হয়। পরে জুলাই বিপ্লবকেন্দ্রিক আরও একটি মামলা বাণিজ্যের চেষ্টা করেছিলেন মারজুক। কিন্তু প্রশাসনের তৎপরতায় সে চেষ্টা ব্যর্থ হয়। এরই মধ্যে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন বিলুপ্ত করা হলে জেলা সমন্বয়কের পদ হারান মারজুক। পরবর্তী সময়ে এনসিপির ছাত্র সংগঠন ছাত্রশক্তি গঠিত হলে তাকে বরিশাল মহানগর কমিটির যুগ্মসাধারণ সম্পাদক করা হয়। নতুন এ পরিচয়ে আবারও তিনি নগরীতে আধিপত্য বিস্তারের চেষ্টায় নামেন। ঘোষণা দেন বরিশাল সিটি করপোরেশনের মেয়র পদে নির্বাচন করার। পরে অবশ্য ছাত্রশক্তির কমিটি বাতিল করে কেন্দ্র।
দলীয় কোন পদ-পদবিতে না থাকাবস্থায় বৃহস্পতিবার বরিশালের অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে নতুন আরেকটি মামলার আবেদন করেন মারজুক। এবার তিনি কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীসহ ২৪৮ জনের বিরুদ্ধে বেশকিছু মিথ্যা অভিযোগ আনেন। অভিযোগটি মামলা হিসাবে রেকর্ড না করে তদন্তের জন্য বরিশালের উপপুলিশ কমিশনারকে দায়িত্ব দেন আদালত। মারজুকের নতুন এ মামলার খবর জানাজানি হওয়ার পর বরিশালে তোলপাড় শুরু হয়। কেননা এতে কবরে ও জেলে থাকা এইসব ব্যক্তির বিরুদ্ধে আনা হয়েছে বোমা ও ককটেল নিক্ষেপের অভিযোগ। ৮ আসামির নাম দুবার করে লেখা হয়েছে তালিকায়। আশ্চর্যের বিষয় হচ্ছে তালিকায় ৬ জন বিএনপি নেতাকর্মীর নামও রয়েছে।
বরিশাল মহানগর বিএনপির সদস্য সচিব জিয়াউদ্দিন সিকদার বলেন, ‘এর আগেও এই ছেলে এরকম মামলা বাণিজ্য করেছে। নতুন করে আবার এ মামলা দেওয়ার পেছনেও নিশ্চয়ই কোনো খারাপ উদ্দেশ্য রয়েছে। মামলায় বিএনপির লোকজনের নাম দেওয়াটাই তো সন্দেহ আর উদ্বেগজনক।’
এদিকে মামলার বাদী মারজুক আব্দুল্লাহর বিরুদ্ধে একটি ডাকাতি চেষ্টার মামলা বর্তমানে পটুয়াখালীর আদালতে বিচারাধীন রয়েছে। গত বছরের ৬ জুন পটুয়াখালীর পায়রা ব্রিজ এলাকায় অস্ত্র ঠেকিয়ে ডাকাতি চেষ্টার অভিযোগে ওই মামলা করেছিল দুমকি থানা পুলিশ। মামলার অপর দুই আসামি গ্রেফতার হওয়ার পর জামিনে মুক্তি পেলেও মারজুকের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা রয়েছে। পুলিশের খাতায় পলাতক আসামি হয়েও মারজুক কী করে প্রায় ১ বছর ধরে বরিশালে প্রকাশ্যে ঘুরে বেড়াচ্ছে, সেটাই এখন প্রশ্ন। বিষয়টি নিয়ে আলাপকালে বরিশালের পুলিশ কমিশনার আশিক সাঈদ বলেন, ‘আমি যেহেতু এখানে নতুন এসেছি, তাই বিষয়টি আমার জানা ছিল না। তবে ওয়ারেন্টের কপি হাতে পেয়েছি। এখন তার (মারজুক আব্দুল্লাহ) বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
বরিশাল আইনজীবী সমিতির সভাপতি অ্যাডভোকেট আবুল কালাম আজাদ বলেন, ‘যেহেতু অভিযোগটি তদন্তে আছে, তাই এটি নিয়ে টেনশনের কিছু নেই। তদন্তে অভিযোগ মিথ্যা প্রমাণিত হলে এমনিতেই আদালত তা খারিজ করে দেবেন।’
প্রয়াত আর জেলে থাকা ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলাসহ বরিশালে মামলা বাণিজ্যের মাস্টারমাইন্ডখ্যাত ছাত্রশক্তির নেতা মারজুক আব্দুল্লাহকে খুঁজছে পুলিশ। রোববার বিষয়টি জানিয়েছেন বরিশালের পুলিশ কমিশনার আশিক সাঈদ। পটুয়াখালীর দুমকি থানায় ডাকাতি চেষ্টার মামলায় মারজুক ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি বলে তিনি নিশ্চিত করেছেন।
এদিকে মারজুকের সর্বশেষ মিথ্যা মামলায় আসামির তালিকায় নাম থাকা বেশ কয়েকজনের কাছে এরই মধ্যে টাকা চাওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। তৃতীয় পক্ষের মাধ্যমে আসামির তালিকা থেকে নাম বাদ দেওয়ার শর্তে ওই টাকা চাওয়া হচ্ছে বলে ভুক্তভোগীরা জানিয়েছেন। এছাড়া এ মিথ্যা মামলার আসামির তালিকায় বেশ কয়েকজন বিএনপি নেতার নামও ঢোকানো হয়েছে। অথচ মামলার অভিযোগে আসামির তালিকায় থাকা ২৪৮ জনের সবাইকে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের নেতাকর্মী বলে উল্লেখ করেছেন মারজুক আব্দুল্লাহ।
[এই সংবাদটি আজ দৈনিক যুগান্তর পত্রিকার অনলাইন ও প্রিন্ট ভার্সনে বরিশাল ব্যুরো চিফ সিনিয়র সাংবাদিক আকতার ফারুক শাহীনের নামে প্রকাশ পেয়েছে]
জুলাই বিপ্লবের পর বরিশালে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের (বৈছাআ) নেতা হিসাবে পরিচিতি পান মারজুক। ঝিনাইদহের বাসিন্দা মারজুকের নানাবাড়ি বাকেরগঞ্জের চরামদ্দি ইউনিয়নে। কয়েক বছর ধরে তিনি বরিশালের বিভিন্ন এলাকায় বাসা ভাড়া করে থাকছেন। ৫ আগস্টের পর মারজুক প্রথম সাবেক মন্ত্রী আমির হোসেন আমুসহ আওয়ামী লীগের ২৪৭ নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে মামলা করেন। জুলাই আন্দোলনে হামলা, ভাঙচুর, গুলি আর মারধরের অভিযোগে দায়ের করা ওই মামলা দিয়েই বরিশালে প্রথমবার মামলা বাণিজ্যের মাস্টারমাইন্ড হিসাবে তার আত্মপ্রকাশ ঘটে। আসামির তালিকা থেকে নাম বাদ দেওয়ার কথা বলে বহুজনের কাছ থেকে তখন তিনি মোটা অঙ্কের টাকা আদায় করেন। মামলা বাণিজ্যের বিষয় নিয়ে সেসময় দেশের গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশিত হয়। পরে জুলাই বিপ্লবকেন্দ্রিক আরও একটি মামলা বাণিজ্যের চেষ্টা করেছিলেন মারজুক। কিন্তু প্রশাসনের তৎপরতায় সে চেষ্টা ব্যর্থ হয়। এরই মধ্যে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন বিলুপ্ত করা হলে জেলা সমন্বয়কের পদ হারান মারজুক। পরবর্তী সময়ে এনসিপির ছাত্র সংগঠন ছাত্রশক্তি গঠিত হলে তাকে বরিশাল মহানগর কমিটির যুগ্মসাধারণ সম্পাদক করা হয়। নতুন এ পরিচয়ে আবারও তিনি নগরীতে আধিপত্য বিস্তারের চেষ্টায় নামেন। ঘোষণা দেন বরিশাল সিটি করপোরেশনের মেয়র পদে নির্বাচন করার। পরে অবশ্য ছাত্রশক্তির কমিটি বাতিল করে কেন্দ্র।
দলীয় কোন পদ-পদবিতে না থাকাবস্থায় বৃহস্পতিবার বরিশালের অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে নতুন আরেকটি মামলার আবেদন করেন মারজুক। এবার তিনি কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীসহ ২৪৮ জনের বিরুদ্ধে বেশকিছু মিথ্যা অভিযোগ আনেন। অভিযোগটি মামলা হিসাবে রেকর্ড না করে তদন্তের জন্য বরিশালের উপপুলিশ কমিশনারকে দায়িত্ব দেন আদালত। মারজুকের নতুন এ মামলার খবর জানাজানি হওয়ার পর বরিশালে তোলপাড় শুরু হয়। কেননা এতে কবরে ও জেলে থাকা এইসব ব্যক্তির বিরুদ্ধে আনা হয়েছে বোমা ও ককটেল নিক্ষেপের অভিযোগ। ৮ আসামির নাম দুবার করে লেখা হয়েছে তালিকায়। আশ্চর্যের বিষয় হচ্ছে তালিকায় ৬ জন বিএনপি নেতাকর্মীর নামও রয়েছে।
বরিশাল মহানগর বিএনপির সদস্য সচিব জিয়াউদ্দিন সিকদার বলেন, ‘এর আগেও এই ছেলে এরকম মামলা বাণিজ্য করেছে। নতুন করে আবার এ মামলা দেওয়ার পেছনেও নিশ্চয়ই কোনো খারাপ উদ্দেশ্য রয়েছে। মামলায় বিএনপির লোকজনের নাম দেওয়াটাই তো সন্দেহ আর উদ্বেগজনক।’
এদিকে মামলার বাদী মারজুক আব্দুল্লাহর বিরুদ্ধে একটি ডাকাতি চেষ্টার মামলা বর্তমানে পটুয়াখালীর আদালতে বিচারাধীন রয়েছে। গত বছরের ৬ জুন পটুয়াখালীর পায়রা ব্রিজ এলাকায় অস্ত্র ঠেকিয়ে ডাকাতি চেষ্টার অভিযোগে ওই মামলা করেছিল দুমকি থানা পুলিশ। মামলার অপর দুই আসামি গ্রেফতার হওয়ার পর জামিনে মুক্তি পেলেও মারজুকের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা রয়েছে। পুলিশের খাতায় পলাতক আসামি হয়েও মারজুক কী করে প্রায় ১ বছর ধরে বরিশালে প্রকাশ্যে ঘুরে বেড়াচ্ছে, সেটাই এখন প্রশ্ন। বিষয়টি নিয়ে আলাপকালে বরিশালের পুলিশ কমিশনার আশিক সাঈদ বলেন, ‘আমি যেহেতু এখানে নতুন এসেছি, তাই বিষয়টি আমার জানা ছিল না। তবে ওয়ারেন্টের কপি হাতে পেয়েছি। এখন তার (মারজুক আব্দুল্লাহ) বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
বরিশাল আইনজীবী সমিতির সভাপতি অ্যাডভোকেট আবুল কালাম আজাদ বলেন, ‘যেহেতু অভিযোগটি তদন্তে আছে, তাই এটি নিয়ে টেনশনের কিছু নেই। তদন্তে অভিযোগ মিথ্যা প্রমাণিত হলে এমনিতেই আদালত তা খারিজ করে দেবেন।’

১৪ জুলাই, ২০২৬ ১২:৪৫
বরিশালে মৃতদেহ ব্যবচ্ছেকারীদের অর্থাৎ ডোমদের আবাসন সংকট নিরসনে উদ্যোগ নিয়েছে বরিশাল সিটি কর্পোরেশন (বিসিসি)। শহরের মড়কখোলার পুলসংলগ্ন ৬ তলা বিশিষ্ট ভবন নির্মাণে ইতিমধ্যে সকল প্রকার প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হয়। এই সম্প্রদায়ের মানুষের দীর্ঘদিনের আবেদনের বিসিসি প্রশাসক অ্যাডভোকেট বিলকিস আক্তার জাহান শিরিন এমন উদ্যোগ নেন। এবং তিনি মানবিক এই প্রকল্পটি প্রধানমন্ত্রী বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমানের অনুমোদনের অপেক্ষা রেখেছিলেন।
বিসিসি সূত্র জানায়, শহরের মড়কখোলা পুলের কাছাকাছি স্থানে ভবনটি নির্মাণসংক্রান্ত সকল প্রক্রিয়া কিছুদিন পূর্বে শেষ হয়। শুধু বাকি ছিল সরকার প্রধানের তরফ থেকে আনুষ্ঠানিক অনুমোদনের বিষয়টি।
সূত্র জানিয়েছে, সোমবার প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সরকারি সফরে বরিশালে আসলে একান্তে আলোচনার এক ফাঁকে বিসিসি প্রশাসক শিরিক বিভিন্ন সম্ভব্য প্রকল্পগুলো উপস্থাপন করেন। তখন বরিশালে মৃতদেহ ব্যবচ্ছেকারীদের অর্থাৎ ডোমদের আবাসন সংকটের বিষয়টি অবহিত করা হলে তারেক রহমান একটি ভবন করে দেওয়ার অনুমোদন করেন।
প্রধানমন্ত্রীর এমন সিদ্ধান্তে বরিশালে মৃতদেহ ব্যবচ্ছেকারীদের সম্প্রদায়ের মধ্যে আনন্দের জোয়ার বইছে। অনেকে এ ইস্যুতে তারেক রহমান এবং শিরিনকে সাধুবাদ জানিয়েছেন।
বিসিসি প্রশাসকের একান্ত ব্যক্তিগত সহকারি মুসফিকুল হাসান মাসুম বরিশালটাইমসকে জানান, প্রকল্পটি প্রধানমন্ত্রীর অনুমোদনের অপেক্ষায় ছিল। বিসিসি প্রশাসক শিরিন গতকাল সোমবার বরিশাল শিল্পকলায় সাংগঠনিক সভায় বিষয়টি প্রধানমন্ত্রীর কাছে উপস্থাপন করলে তিনি এতে সায় দেন। ফলে এই প্রকল্প বাস্তবায়নে আর কোনো প্রতিবন্ধকতা থাকল না। খুব শিগগিরই ভবনটি নির্মাণকাজে উদ্যোগ নেবে সিটি কর্পোরেশন।
অবশ্য প্রশাসক শিরিনও এই তথ্য নিশ্চিত করেন। এবং তিনি বরিশালটাইমসকে বলেন, বরিশালে মৃতদেহ ব্যবচ্ছেকারীদের আবাসন সংকটের বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে দেখা হচ্ছে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের অনুমোদন পাওয়া গেছে, খুব শিগগিরই প্রকল্পটি বাস্তবে রূপ দিতে উদ্যোগ নেওয়া হবে।’

১৩ জুলাই, ২০২৬ ২৩:৫৮
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের বরিশাল যাওয়ার পথে নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা গাড়ি লক্ষ্য করে ইটের টুকরা নিক্ষেপ করা হয়েছে। আজ সোমবার (১৩ জুলাই) সকাল সাড়ে আটটার দিকে ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কে মাদারীপুরের সাধুরব্রিজ বাসস্ট্যান্ড এলাকায় এ ঘটনা ঘটে৷ এ ঘটনার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়েছে।
ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়া ১ মিনিট ৪৯ সেকেন্ডের একটি ভিডিওতে দেখা যায়, প্রধানমন্ত্রীর গাড়িবহর যাচ্ছে। তাঁকে বহন করা বাসটির সামনে ও পেছনে একাধিক গাড়ি আছে। মহাসড়কের পাশে লোকজন ভিড় করেছেন। তারেক রহমান বাসের ভেতর দাঁড়িয়ে হাত নেড়ে তাঁদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করছেন। তাঁকে বহন করা বাসটির পেছনে থাকা তৃতীয় গাড়িটির গাড়ির সামনে একটি ইটের টুকরা এসে পড়ে।
এটা অনাকাঙ্ক্ষিত, নাকি দুর্বৃত্তদের কাজ, তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ। এ বিষয়ে মাদারীপুরের পুলিশ সুপার হাবিবুর রহমান সাংবাদিকদের বলেন, ‘বহরের গাড়িতে একটি ইটের টুকরা পড়েছে। সেটি টায়ার থেকে আসছে, নাকি কেউ নিক্ষেপ করেছে, বিষয়টি নিয়ে আমরা অ্যানালাইসিস (অনুসন্ধান) করছি। বিষয়টি নিয়ে আতঙ্ক ছড়ানোর কিছু নেই। কী ঘটনা, সেটি আমরা তদন্ত করে দেখছি।’
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান আজ সকালে ঢাকা থেকে সড়কপথে বাসে করে বরিশালের উদ্দেশে রওনা হন। সকাল ১০টার কিছু আগে গৌরনদীর বাটাজোরে পৌঁছান। বিভিন্ন কর্মসূচি শেষে সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে তিনি সড়কপথে বরিশাল ত্যাগ করেন।'

১৩ জুলাই, ২০২৬ ২১:৫১
বরিশালে মৃতদেহ ব্যবচ্ছেকারীদের অর্থাৎ ডোমদের আবাসন সংকট নিরসনে উদ্যোগ নিয়েছে বরিশাল সিটি কর্পোরেশন (বিসিসি)। শহরের মড়কখোলার পুলসংলগ্ন ৬ তলা বিশিষ্ট ভবন নির্মাণে ইতিমধ্যে সকল প্রকার প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হয়। এই সম্প্রদায়ের মানুষের দীর্ঘদিনের আবেদনের বিসিসি প্রশাসক অ্যাডভোকেট বিলকিস আক্তার জাহান শিরিন এমন উদ্যোগ নেন। এবং তিনি মানবিক এই প্রকল্পটি প্রধানমন্ত্রী বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমানের অনুমোদনের অপেক্ষা রেখেছিলেন।
বিসিসি সূত্র জানায়, শহরের মড়কখোলা পুলের কাছাকাছি স্থানে ভবনটি নির্মাণসংক্রান্ত সকল প্রক্রিয়া কিছুদিন পূর্বে শেষ হয়। শুধু বাকি ছিল সরকার প্রধানের তরফ থেকে আনুষ্ঠানিক অনুমোদনের বিষয়টি।
সূত্র জানিয়েছে, সোমবার প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সরকারি সফরে বরিশালে আসলে একান্তে আলোচনার এক ফাঁকে বিসিসি প্রশাসক শিরিক বিভিন্ন সম্ভব্য প্রকল্পগুলো উপস্থাপন করেন। তখন বরিশালে মৃতদেহ ব্যবচ্ছেকারীদের অর্থাৎ ডোমদের আবাসন সংকটের বিষয়টি অবহিত করা হলে তারেক রহমান একটি ভবন করে দেওয়ার অনুমোদন করেন।
প্রধানমন্ত্রীর এমন সিদ্ধান্তে বরিশালে মৃতদেহ ব্যবচ্ছেকারীদের সম্প্রদায়ের মধ্যে আনন্দের জোয়ার বইছে। অনেকে এ ইস্যুতে তারেক রহমান এবং শিরিনকে সাধুবাদ জানিয়েছেন।
বিসিসি প্রশাসকের একান্ত ব্যক্তিগত সহকারি মুসফিকুল হাসান মাসুম বরিশালটাইমসকে জানান, প্রকল্পটি প্রধানমন্ত্রীর অনুমোদনের অপেক্ষায় ছিল। বিসিসি প্রশাসক শিরিন গতকাল সোমবার বরিশাল শিল্পকলায় সাংগঠনিক সভায় বিষয়টি প্রধানমন্ত্রীর কাছে উপস্থাপন করলে তিনি এতে সায় দেন। ফলে এই প্রকল্প বাস্তবায়নে আর কোনো প্রতিবন্ধকতা থাকল না। খুব শিগগিরই ভবনটি নির্মাণকাজে উদ্যোগ নেবে সিটি কর্পোরেশন।
অবশ্য প্রশাসক শিরিনও এই তথ্য নিশ্চিত করেন। এবং তিনি বরিশালটাইমসকে বলেন, বরিশালে মৃতদেহ ব্যবচ্ছেকারীদের আবাসন সংকটের বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে দেখা হচ্ছে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের অনুমোদন পাওয়া গেছে, খুব শিগগিরই প্রকল্পটি বাস্তবে রূপ দিতে উদ্যোগ নেওয়া হবে।’
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের বরিশাল যাওয়ার পথে নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা গাড়ি লক্ষ্য করে ইটের টুকরা নিক্ষেপ করা হয়েছে। আজ সোমবার (১৩ জুলাই) সকাল সাড়ে আটটার দিকে ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কে মাদারীপুরের সাধুরব্রিজ বাসস্ট্যান্ড এলাকায় এ ঘটনা ঘটে৷ এ ঘটনার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়েছে।
ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়া ১ মিনিট ৪৯ সেকেন্ডের একটি ভিডিওতে দেখা যায়, প্রধানমন্ত্রীর গাড়িবহর যাচ্ছে। তাঁকে বহন করা বাসটির সামনে ও পেছনে একাধিক গাড়ি আছে। মহাসড়কের পাশে লোকজন ভিড় করেছেন। তারেক রহমান বাসের ভেতর দাঁড়িয়ে হাত নেড়ে তাঁদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করছেন। তাঁকে বহন করা বাসটির পেছনে থাকা তৃতীয় গাড়িটির গাড়ির সামনে একটি ইটের টুকরা এসে পড়ে।
এটা অনাকাঙ্ক্ষিত, নাকি দুর্বৃত্তদের কাজ, তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ। এ বিষয়ে মাদারীপুরের পুলিশ সুপার হাবিবুর রহমান সাংবাদিকদের বলেন, ‘বহরের গাড়িতে একটি ইটের টুকরা পড়েছে। সেটি টায়ার থেকে আসছে, নাকি কেউ নিক্ষেপ করেছে, বিষয়টি নিয়ে আমরা অ্যানালাইসিস (অনুসন্ধান) করছি। বিষয়টি নিয়ে আতঙ্ক ছড়ানোর কিছু নেই। কী ঘটনা, সেটি আমরা তদন্ত করে দেখছি।’
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান আজ সকালে ঢাকা থেকে সড়কপথে বাসে করে বরিশালের উদ্দেশে রওনা হন। সকাল ১০টার কিছু আগে গৌরনদীর বাটাজোরে পৌঁছান। বিভিন্ন কর্মসূচি শেষে সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে তিনি সড়কপথে বরিশাল ত্যাগ করেন।'
আগামী বরিশাল সিটি নির্বাচনে বর্তমান প্রশাসক বিলকিস আক্তার জাহান শিরিনই কি বিএনপি তথা ধানের শীষের প্রার্থী হচ্ছেন এমন একটি গুঞ্জন রাজনৈতিক অঙ্গনে তুমুল আলোচনা তৈরি করেছে। সোমবার বিএনপির চেয়ারম্যান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বরিশালে সরকারি সফরে আসলে বড় একটি সময়জুড়ে নারী নেত্রী শিরিনকে কাছাকাছি দেখা যায়। এবং দুজনের মধ্যেকার আলোচনার বেশ কিছু ভিডিও ও ছবি ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়ে, যা নিয়ে বরিশালের রাজনৈতিকদের মধ্যে কানাঘুষা শুরু হয়ে গেছে।
কারও কারও মতে বরিশাল সিটির প্রশাসক শিরিন বিএনপির গুরুত্বপূর্ণ সাংগঠনিক দায়িত্বে রয়েছেন। বরিশালে সোমবার তারেক রহমানের সফর সফল করতে তিনি অগ্রণী ভূমিকা রাখেন। সম্ভবত এইসব বিষয়াদী নিয়ে দুজনের মধ্যেকার দীর্ঘ আলাপচারিতা হয়।
তবে আবার অনেকে বলছেন, আওয়ামী লীগের দীর্ঘ শাসনামলে নেত্রী শিরিন বহুবার হামলা-মামলায় নিপীড়িত হয়েছেন। বিএনপির শীর্ষনেতৃত্ব তারেক রহমান তার এই ত্যাগকে মূল্যায়ন করতে ভুল করেননি, প্রতিদানস্বরূপ শিরিনকে বরিশাল সিটির প্রশাসক করেছেন। অল্প কদিনে প্রশাসক শিরিন বরিশাল শহরের চিত্র পাল্টে দিয়েছেন উন্নয়নের মধ্যদিয়ে, তাকে নিয়ে জাতীয় এবং স্থানীয় দৈনিকগুলো প্রতিনিয়ত ইতিবাচক সংবাদ মোটাদাগে প্রকাশ করছে।
সবকিছু মিলিয়ে এই অঞ্চলের সৎ ও পরিচ্ছন্ন নেতাদের মধ্যে আলোচনায় আছেন প্রশাসক শিরিন। এবং আগামী সিটি নির্বাচনে তিনি প্রার্থী হওয়ার ইচ্ছাও পোষণ করেছেন, কর্মীরাও তাতে সায় দিয়েছেন। এখন বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সিদ্ধান্তের অপেক্ষা।
সোমবারের আলাপচারিতায় শিরিনকে বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান সিটি নির্বাচন নিয়ে তেমন কোনো নির্দেশনা দিলেন কী না- এমন আলোচনায় হচ্ছে সর্বত্র। যদিও শিরিন এই বিষয়ে কোনো মন্তব্য করেননি।
নারী নেত্রীর দাবি, নেতার সাথে বরিশালের সামগ্রিক উন্নয়ন এবং সাংগঠনিক আলোচনা হয়েছে। তিনি বেশকিছু নির্দেশনা দিয়েছেন, বিশেষ করে সাংগঠনিক দুর্বলতাগুলোর ব্যাপারে।
এই বাইরে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সাথে সিটি নির্বাচন নিয়ে কোনো আলোচনা হয়েছে কী না জানতে চাইলে শিরিন প্রশ্নটি এড়িয়ে যান। এবং বলেন, বর্তমানে যেহেতু সিটির প্রশাসক আছেন, পরবর্তীতে মেয়র প্রার্থীও হওয়ার ইচ্ছে, যদি দলীয় সমর্থন প্রাপ্ত হন, তাহলে অবশ্যই ইলেকশন করবেন।
তবে শিরিন অনুসারীদের বড় অংশ দাবি করছেন, তাদের নেত্রীকে আগামী সিটি নির্বাচন করতে অনেক আগেই বিএনপির হাইকমান্ড থেকে গ্রীণ সিগনাল দেওয়া হয়। সেই লক্ষে তিনি এগিয়েও যাচ্ছেন। কিন্তু দলীয় ঘরনার বিরোধী একটি পক্ষ রাজনৈতিক অঙ্গনে নৈতিবাচক কথা ছড়িয়ে দিচ্ছেন। নিন্দুকদের এই মন্তব্যে বিচলিত হওয়ার কিছু নেই, যোগ্য শিরিনকে দল মূল্যায়ন করেছে এবং আগামীতেও এই ধারাবাহিকতা বজায় থাকবে।
বরিশাল সিটি নির্বাচন নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর সাথে কোনো আলোচনা হয়েছে কী না জানতে চাইলে একাধিক শীর্ষস্থানীয় নেতৃত্ব বলেন, অনেক কিছু নিয়ে বিএনপি চেয়ারম্যানের সাথে আলোচনা হয়েছে। এর বাইরেও অনেকের সাথে পারসনাল আলাপ হয়, বিশেষ করে প্রশাসক শিরিন প্রধানমন্ত্রীর কাছাকাছি ছিলেন। তাকে সিটি নির্বাচন নিয়ে কিছু বলেছে কী না তা নিশ্চিত হওয়া যায়।
তবে সিটি নির্বাচন যেহেতু আসন্ন এবং এরই মধ্যে তারেক রহমান বরিশাল সফরে এসে প্রশাসক শিরিনের সাথে বিভিন্ন বিষয়ে কথা বলেছেন, সেখানে প্রার্থিতা নিয়ে আলোচনা হতে পারে। এনিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনা কমবেশি হবে এটা স্বাভাবিক ব্যাপার। তবে প্রার্থিতা চূড়ান্ত না হওয়ার আগপর্যন্ত নিশ্চিত কিছু বলা সম্ভব হচ্ছে না।’
আগামী বরিশাল সিটি নির্বাচনে বর্তমান প্রশাসক বিলকিস আক্তার জাহান শিরিনই কি বিএনপি তথা ধানের শীষের প্রার্থী হচ্ছেন এমন একটি গুঞ্জন রাজনৈতিক অঙ্গনে তুমুল আলোচনা তৈরি করেছে। সোমবার বিএনপির চেয়ারম্যান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বরিশালে সরকারি সফরে আসলে বড় একটি সময়জুড়ে নারী নেত্রী শিরিনকে কাছাকাছি দেখা যায়। এবং দুজনের মধ্যেকার আলোচনার বেশ কিছু ভিডিও ও ছবি ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়ে, যা নিয়ে বরিশালের রাজনৈতিকদের মধ্যে কানাঘুষা শুরু হয়ে গেছে।
কারও কারও মতে বরিশাল সিটির প্রশাসক শিরিন বিএনপির গুরুত্বপূর্ণ সাংগঠনিক দায়িত্বে রয়েছেন। বরিশালে সোমবার তারেক রহমানের সফর সফল করতে তিনি অগ্রণী ভূমিকা রাখেন। সম্ভবত এইসব বিষয়াদী নিয়ে দুজনের মধ্যেকার দীর্ঘ আলাপচারিতা হয়।
তবে আবার অনেকে বলছেন, আওয়ামী লীগের দীর্ঘ শাসনামলে নেত্রী শিরিন বহুবার হামলা-মামলায় নিপীড়িত হয়েছেন। বিএনপির শীর্ষনেতৃত্ব তারেক রহমান তার এই ত্যাগকে মূল্যায়ন করতে ভুল করেননি, প্রতিদানস্বরূপ শিরিনকে বরিশাল সিটির প্রশাসক করেছেন। অল্প কদিনে প্রশাসক শিরিন বরিশাল শহরের চিত্র পাল্টে দিয়েছেন উন্নয়নের মধ্যদিয়ে, তাকে নিয়ে জাতীয় এবং স্থানীয় দৈনিকগুলো প্রতিনিয়ত ইতিবাচক সংবাদ মোটাদাগে প্রকাশ করছে।
সবকিছু মিলিয়ে এই অঞ্চলের সৎ ও পরিচ্ছন্ন নেতাদের মধ্যে আলোচনায় আছেন প্রশাসক শিরিন। এবং আগামী সিটি নির্বাচনে তিনি প্রার্থী হওয়ার ইচ্ছাও পোষণ করেছেন, কর্মীরাও তাতে সায় দিয়েছেন। এখন বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সিদ্ধান্তের অপেক্ষা।
সোমবারের আলাপচারিতায় শিরিনকে বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান সিটি নির্বাচন নিয়ে তেমন কোনো নির্দেশনা দিলেন কী না- এমন আলোচনায় হচ্ছে সর্বত্র। যদিও শিরিন এই বিষয়ে কোনো মন্তব্য করেননি।
নারী নেত্রীর দাবি, নেতার সাথে বরিশালের সামগ্রিক উন্নয়ন এবং সাংগঠনিক আলোচনা হয়েছে। তিনি বেশকিছু নির্দেশনা দিয়েছেন, বিশেষ করে সাংগঠনিক দুর্বলতাগুলোর ব্যাপারে।
এই বাইরে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সাথে সিটি নির্বাচন নিয়ে কোনো আলোচনা হয়েছে কী না জানতে চাইলে শিরিন প্রশ্নটি এড়িয়ে যান। এবং বলেন, বর্তমানে যেহেতু সিটির প্রশাসক আছেন, পরবর্তীতে মেয়র প্রার্থীও হওয়ার ইচ্ছে, যদি দলীয় সমর্থন প্রাপ্ত হন, তাহলে অবশ্যই ইলেকশন করবেন।
তবে শিরিন অনুসারীদের বড় অংশ দাবি করছেন, তাদের নেত্রীকে আগামী সিটি নির্বাচন করতে অনেক আগেই বিএনপির হাইকমান্ড থেকে গ্রীণ সিগনাল দেওয়া হয়। সেই লক্ষে তিনি এগিয়েও যাচ্ছেন। কিন্তু দলীয় ঘরনার বিরোধী একটি পক্ষ রাজনৈতিক অঙ্গনে নৈতিবাচক কথা ছড়িয়ে দিচ্ছেন। নিন্দুকদের এই মন্তব্যে বিচলিত হওয়ার কিছু নেই, যোগ্য শিরিনকে দল মূল্যায়ন করেছে এবং আগামীতেও এই ধারাবাহিকতা বজায় থাকবে।
বরিশাল সিটি নির্বাচন নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর সাথে কোনো আলোচনা হয়েছে কী না জানতে চাইলে একাধিক শীর্ষস্থানীয় নেতৃত্ব বলেন, অনেক কিছু নিয়ে বিএনপি চেয়ারম্যানের সাথে আলোচনা হয়েছে। এর বাইরেও অনেকের সাথে পারসনাল আলাপ হয়, বিশেষ করে প্রশাসক শিরিন প্রধানমন্ত্রীর কাছাকাছি ছিলেন। তাকে সিটি নির্বাচন নিয়ে কিছু বলেছে কী না তা নিশ্চিত হওয়া যায়।
তবে সিটি নির্বাচন যেহেতু আসন্ন এবং এরই মধ্যে তারেক রহমান বরিশাল সফরে এসে প্রশাসক শিরিনের সাথে বিভিন্ন বিষয়ে কথা বলেছেন, সেখানে প্রার্থিতা নিয়ে আলোচনা হতে পারে। এনিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনা কমবেশি হবে এটা স্বাভাবিক ব্যাপার। তবে প্রার্থিতা চূড়ান্ত না হওয়ার আগপর্যন্ত নিশ্চিত কিছু বলা সম্ভব হচ্ছে না।’
১৪ জুলাই, ২০২৬ ১২:৪৫
১৩ জুলাই, ২০২৬ ২৩:৫৮
১৩ জুলাই, ২০২৬ ২১:৫১
১৩ জুলাই, ২০২৬ ২১:১৩