
০৬ জুলাই, ২০২৬ ১৫:২২
প্রয়াত আর জেলে থাকা ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলাসহ বরিশালে মামলা বাণিজ্যের মাস্টারমাইন্ডখ্যাত ছাত্রশক্তির নেতা মারজুক আব্দুল্লাহকে খুঁজছে পুলিশ। রোববার বিষয়টি জানিয়েছেন বরিশালের পুলিশ কমিশনার আশিক সাঈদ। পটুয়াখালীর দুমকি থানায় ডাকাতি চেষ্টার মামলায় মারজুক ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি বলে তিনি নিশ্চিত করেছেন।
এদিকে মারজুকের সর্বশেষ মিথ্যা মামলায় আসামির তালিকায় নাম থাকা বেশ কয়েকজনের কাছে এরই মধ্যে টাকা চাওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। তৃতীয় পক্ষের মাধ্যমে আসামির তালিকা থেকে নাম বাদ দেওয়ার শর্তে ওই টাকা চাওয়া হচ্ছে বলে ভুক্তভোগীরা জানিয়েছেন। এছাড়া এ মিথ্যা মামলার আসামির তালিকায় বেশ কয়েকজন বিএনপি নেতার নামও ঢোকানো হয়েছে। অথচ মামলার অভিযোগে আসামির তালিকায় থাকা ২৪৮ জনের সবাইকে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের নেতাকর্মী বলে উল্লেখ করেছেন মারজুক আব্দুল্লাহ।
[এই সংবাদটি আজ দৈনিক যুগান্তর পত্রিকার অনলাইন ও প্রিন্ট ভার্সনে বরিশাল ব্যুরো চিফ সিনিয়র সাংবাদিক আকতার ফারুক শাহীনের নামে প্রকাশ পেয়েছে]
জুলাই বিপ্লবের পর বরিশালে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের (বৈছাআ) নেতা হিসাবে পরিচিতি পান মারজুক। ঝিনাইদহের বাসিন্দা মারজুকের নানাবাড়ি বাকেরগঞ্জের চরামদ্দি ইউনিয়নে। কয়েক বছর ধরে তিনি বরিশালের বিভিন্ন এলাকায় বাসা ভাড়া করে থাকছেন। ৫ আগস্টের পর মারজুক প্রথম সাবেক মন্ত্রী আমির হোসেন আমুসহ আওয়ামী লীগের ২৪৭ নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে মামলা করেন। জুলাই আন্দোলনে হামলা, ভাঙচুর, গুলি আর মারধরের অভিযোগে দায়ের করা ওই মামলা দিয়েই বরিশালে প্রথমবার মামলা বাণিজ্যের মাস্টারমাইন্ড হিসাবে তার আত্মপ্রকাশ ঘটে। আসামির তালিকা থেকে নাম বাদ দেওয়ার কথা বলে বহুজনের কাছ থেকে তখন তিনি মোটা অঙ্কের টাকা আদায় করেন। মামলা বাণিজ্যের বিষয় নিয়ে সেসময় দেশের গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশিত হয়। পরে জুলাই বিপ্লবকেন্দ্রিক আরও একটি মামলা বাণিজ্যের চেষ্টা করেছিলেন মারজুক। কিন্তু প্রশাসনের তৎপরতায় সে চেষ্টা ব্যর্থ হয়। এরই মধ্যে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন বিলুপ্ত করা হলে জেলা সমন্বয়কের পদ হারান মারজুক। পরবর্তী সময়ে এনসিপির ছাত্র সংগঠন ছাত্রশক্তি গঠিত হলে তাকে বরিশাল মহানগর কমিটির যুগ্মসাধারণ সম্পাদক করা হয়। নতুন এ পরিচয়ে আবারও তিনি নগরীতে আধিপত্য বিস্তারের চেষ্টায় নামেন। ঘোষণা দেন বরিশাল সিটি করপোরেশনের মেয়র পদে নির্বাচন করার। পরে অবশ্য ছাত্রশক্তির কমিটি বাতিল করে কেন্দ্র।
দলীয় কোন পদ-পদবিতে না থাকাবস্থায় বৃহস্পতিবার বরিশালের অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে নতুন আরেকটি মামলার আবেদন করেন মারজুক। এবার তিনি কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীসহ ২৪৮ জনের বিরুদ্ধে বেশকিছু মিথ্যা অভিযোগ আনেন। অভিযোগটি মামলা হিসাবে রেকর্ড না করে তদন্তের জন্য বরিশালের উপপুলিশ কমিশনারকে দায়িত্ব দেন আদালত। মারজুকের নতুন এ মামলার খবর জানাজানি হওয়ার পর বরিশালে তোলপাড় শুরু হয়। কেননা এতে কবরে ও জেলে থাকা এইসব ব্যক্তির বিরুদ্ধে আনা হয়েছে বোমা ও ককটেল নিক্ষেপের অভিযোগ। ৮ আসামির নাম দুবার করে লেখা হয়েছে তালিকায়। আশ্চর্যের বিষয় হচ্ছে তালিকায় ৬ জন বিএনপি নেতাকর্মীর নামও রয়েছে।
বরিশাল মহানগর বিএনপির সদস্য সচিব জিয়াউদ্দিন সিকদার বলেন, ‘এর আগেও এই ছেলে এরকম মামলা বাণিজ্য করেছে। নতুন করে আবার এ মামলা দেওয়ার পেছনেও নিশ্চয়ই কোনো খারাপ উদ্দেশ্য রয়েছে। মামলায় বিএনপির লোকজনের নাম দেওয়াটাই তো সন্দেহ আর উদ্বেগজনক।’
এদিকে মামলার বাদী মারজুক আব্দুল্লাহর বিরুদ্ধে একটি ডাকাতি চেষ্টার মামলা বর্তমানে পটুয়াখালীর আদালতে বিচারাধীন রয়েছে। গত বছরের ৬ জুন পটুয়াখালীর পায়রা ব্রিজ এলাকায় অস্ত্র ঠেকিয়ে ডাকাতি চেষ্টার অভিযোগে ওই মামলা করেছিল দুমকি থানা পুলিশ। মামলার অপর দুই আসামি গ্রেফতার হওয়ার পর জামিনে মুক্তি পেলেও মারজুকের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা রয়েছে। পুলিশের খাতায় পলাতক আসামি হয়েও মারজুক কী করে প্রায় ১ বছর ধরে বরিশালে প্রকাশ্যে ঘুরে বেড়াচ্ছে, সেটাই এখন প্রশ্ন। বিষয়টি নিয়ে আলাপকালে বরিশালের পুলিশ কমিশনার আশিক সাঈদ বলেন, ‘আমি যেহেতু এখানে নতুন এসেছি, তাই বিষয়টি আমার জানা ছিল না। তবে ওয়ারেন্টের কপি হাতে পেয়েছি। এখন তার (মারজুক আব্দুল্লাহ) বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
বরিশাল আইনজীবী সমিতির সভাপতি অ্যাডভোকেট আবুল কালাম আজাদ বলেন, ‘যেহেতু অভিযোগটি তদন্তে আছে, তাই এটি নিয়ে টেনশনের কিছু নেই। তদন্তে অভিযোগ মিথ্যা প্রমাণিত হলে এমনিতেই আদালত তা খারিজ করে দেবেন।’
প্রয়াত আর জেলে থাকা ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলাসহ বরিশালে মামলা বাণিজ্যের মাস্টারমাইন্ডখ্যাত ছাত্রশক্তির নেতা মারজুক আব্দুল্লাহকে খুঁজছে পুলিশ। রোববার বিষয়টি জানিয়েছেন বরিশালের পুলিশ কমিশনার আশিক সাঈদ। পটুয়াখালীর দুমকি থানায় ডাকাতি চেষ্টার মামলায় মারজুক ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি বলে তিনি নিশ্চিত করেছেন।
এদিকে মারজুকের সর্বশেষ মিথ্যা মামলায় আসামির তালিকায় নাম থাকা বেশ কয়েকজনের কাছে এরই মধ্যে টাকা চাওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। তৃতীয় পক্ষের মাধ্যমে আসামির তালিকা থেকে নাম বাদ দেওয়ার শর্তে ওই টাকা চাওয়া হচ্ছে বলে ভুক্তভোগীরা জানিয়েছেন। এছাড়া এ মিথ্যা মামলার আসামির তালিকায় বেশ কয়েকজন বিএনপি নেতার নামও ঢোকানো হয়েছে। অথচ মামলার অভিযোগে আসামির তালিকায় থাকা ২৪৮ জনের সবাইকে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের নেতাকর্মী বলে উল্লেখ করেছেন মারজুক আব্দুল্লাহ।
[এই সংবাদটি আজ দৈনিক যুগান্তর পত্রিকার অনলাইন ও প্রিন্ট ভার্সনে বরিশাল ব্যুরো চিফ সিনিয়র সাংবাদিক আকতার ফারুক শাহীনের নামে প্রকাশ পেয়েছে]
জুলাই বিপ্লবের পর বরিশালে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের (বৈছাআ) নেতা হিসাবে পরিচিতি পান মারজুক। ঝিনাইদহের বাসিন্দা মারজুকের নানাবাড়ি বাকেরগঞ্জের চরামদ্দি ইউনিয়নে। কয়েক বছর ধরে তিনি বরিশালের বিভিন্ন এলাকায় বাসা ভাড়া করে থাকছেন। ৫ আগস্টের পর মারজুক প্রথম সাবেক মন্ত্রী আমির হোসেন আমুসহ আওয়ামী লীগের ২৪৭ নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে মামলা করেন। জুলাই আন্দোলনে হামলা, ভাঙচুর, গুলি আর মারধরের অভিযোগে দায়ের করা ওই মামলা দিয়েই বরিশালে প্রথমবার মামলা বাণিজ্যের মাস্টারমাইন্ড হিসাবে তার আত্মপ্রকাশ ঘটে। আসামির তালিকা থেকে নাম বাদ দেওয়ার কথা বলে বহুজনের কাছ থেকে তখন তিনি মোটা অঙ্কের টাকা আদায় করেন। মামলা বাণিজ্যের বিষয় নিয়ে সেসময় দেশের গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশিত হয়। পরে জুলাই বিপ্লবকেন্দ্রিক আরও একটি মামলা বাণিজ্যের চেষ্টা করেছিলেন মারজুক। কিন্তু প্রশাসনের তৎপরতায় সে চেষ্টা ব্যর্থ হয়। এরই মধ্যে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন বিলুপ্ত করা হলে জেলা সমন্বয়কের পদ হারান মারজুক। পরবর্তী সময়ে এনসিপির ছাত্র সংগঠন ছাত্রশক্তি গঠিত হলে তাকে বরিশাল মহানগর কমিটির যুগ্মসাধারণ সম্পাদক করা হয়। নতুন এ পরিচয়ে আবারও তিনি নগরীতে আধিপত্য বিস্তারের চেষ্টায় নামেন। ঘোষণা দেন বরিশাল সিটি করপোরেশনের মেয়র পদে নির্বাচন করার। পরে অবশ্য ছাত্রশক্তির কমিটি বাতিল করে কেন্দ্র।
দলীয় কোন পদ-পদবিতে না থাকাবস্থায় বৃহস্পতিবার বরিশালের অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে নতুন আরেকটি মামলার আবেদন করেন মারজুক। এবার তিনি কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীসহ ২৪৮ জনের বিরুদ্ধে বেশকিছু মিথ্যা অভিযোগ আনেন। অভিযোগটি মামলা হিসাবে রেকর্ড না করে তদন্তের জন্য বরিশালের উপপুলিশ কমিশনারকে দায়িত্ব দেন আদালত। মারজুকের নতুন এ মামলার খবর জানাজানি হওয়ার পর বরিশালে তোলপাড় শুরু হয়। কেননা এতে কবরে ও জেলে থাকা এইসব ব্যক্তির বিরুদ্ধে আনা হয়েছে বোমা ও ককটেল নিক্ষেপের অভিযোগ। ৮ আসামির নাম দুবার করে লেখা হয়েছে তালিকায়। আশ্চর্যের বিষয় হচ্ছে তালিকায় ৬ জন বিএনপি নেতাকর্মীর নামও রয়েছে।
বরিশাল মহানগর বিএনপির সদস্য সচিব জিয়াউদ্দিন সিকদার বলেন, ‘এর আগেও এই ছেলে এরকম মামলা বাণিজ্য করেছে। নতুন করে আবার এ মামলা দেওয়ার পেছনেও নিশ্চয়ই কোনো খারাপ উদ্দেশ্য রয়েছে। মামলায় বিএনপির লোকজনের নাম দেওয়াটাই তো সন্দেহ আর উদ্বেগজনক।’
এদিকে মামলার বাদী মারজুক আব্দুল্লাহর বিরুদ্ধে একটি ডাকাতি চেষ্টার মামলা বর্তমানে পটুয়াখালীর আদালতে বিচারাধীন রয়েছে। গত বছরের ৬ জুন পটুয়াখালীর পায়রা ব্রিজ এলাকায় অস্ত্র ঠেকিয়ে ডাকাতি চেষ্টার অভিযোগে ওই মামলা করেছিল দুমকি থানা পুলিশ। মামলার অপর দুই আসামি গ্রেফতার হওয়ার পর জামিনে মুক্তি পেলেও মারজুকের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা রয়েছে। পুলিশের খাতায় পলাতক আসামি হয়েও মারজুক কী করে প্রায় ১ বছর ধরে বরিশালে প্রকাশ্যে ঘুরে বেড়াচ্ছে, সেটাই এখন প্রশ্ন। বিষয়টি নিয়ে আলাপকালে বরিশালের পুলিশ কমিশনার আশিক সাঈদ বলেন, ‘আমি যেহেতু এখানে নতুন এসেছি, তাই বিষয়টি আমার জানা ছিল না। তবে ওয়ারেন্টের কপি হাতে পেয়েছি। এখন তার (মারজুক আব্দুল্লাহ) বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
বরিশাল আইনজীবী সমিতির সভাপতি অ্যাডভোকেট আবুল কালাম আজাদ বলেন, ‘যেহেতু অভিযোগটি তদন্তে আছে, তাই এটি নিয়ে টেনশনের কিছু নেই। তদন্তে অভিযোগ মিথ্যা প্রমাণিত হলে এমনিতেই আদালত তা খারিজ করে দেবেন।’

০৬ জুলাই, ২০২৬ ১৭:৩৯
বরিশাল মেট্রোপলিটন কাউনিয়া থানা পুলিশের মাদকবিরোধী অভিযানে ২০০ পিস ইয়াবাসহ দুই যুবক গ্রেপ্তার হয়েছেন, তাদের মধ্যেকার মো. সাব্বির হোসেন খান (২১) ফুটবল বিশ্বকাপ থেকে ছিটকে পড়া ব্রাজিল সমর্থক। এবং তার পরনে ফুটবল টিমের জার্সি রয়েছে।
কাউনিয়া পুলিশ জানায়, সাব্বির হোসেন খান এবং মো. সাব্বির খান (২২) দুজন বন্ধু এবং তারা উভয়ে শহরের নগরের পুল এলাকার বাসিন্দা।
সোমবার সকাল সাড়ে ১টার দিকে দুজনকে ১ নং ওয়ার্ডের বসু মিয়ার গলি থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। এবং তাদের দুজনের কাছ থেকে ২০০ পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়েছে।
কাউনিয়া থানা পুলিশের ওসি সনজিত চন্দ্র নাথ বরিশালটাইমসকে জানান, দুজনের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থাগ্রহণ করা হয়েছে।’
বরিশাল মেট্রোপলিটন কাউনিয়া থানা পুলিশের মাদকবিরোধী অভিযানে ২০০ পিস ইয়াবাসহ দুই যুবক গ্রেপ্তার হয়েছেন, তাদের মধ্যেকার মো. সাব্বির হোসেন খান (২১) ফুটবল বিশ্বকাপ থেকে ছিটকে পড়া ব্রাজিল সমর্থক। এবং তার পরনে ফুটবল টিমের জার্সি রয়েছে।
কাউনিয়া পুলিশ জানায়, সাব্বির হোসেন খান এবং মো. সাব্বির খান (২২) দুজন বন্ধু এবং তারা উভয়ে শহরের নগরের পুল এলাকার বাসিন্দা।
সোমবার সকাল সাড়ে ১টার দিকে দুজনকে ১ নং ওয়ার্ডের বসু মিয়ার গলি থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। এবং তাদের দুজনের কাছ থেকে ২০০ পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়েছে।
কাউনিয়া থানা পুলিশের ওসি সনজিত চন্দ্র নাথ বরিশালটাইমসকে জানান, দুজনের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থাগ্রহণ করা হয়েছে।’

০৬ জুলাই, ২০২৬ ১৭:০৪
বিসিএস (স্বাস্থ্য) ক্যাডারের কর্মকর্তা ডা. এস এম মনিরুজ্জামানকে বরিশাল বিভাগের নতুন বিভাগীয় পরিচালক (স্বাস্থ্য) হিসেবে চলতি দায়িত্বে পদায়ন করেছে সরকার। রোববার (৫ জুলাই) স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের স্বাস্থ্য সেবা বিভাগের পার-২ শাখা থেকে জারি করা এক প্রজ্ঞাপনে এই বদলি ও পদায়নের তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।
প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, ডা. এস এম মনিরুজ্জামান বর্তমানে সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের উপপরিচালক হিসেবে কর্মরত আছেন। সেখান থেকে তাকে বদলি করে বরিশাল বিভাগের বিভাগীয় পরিচালক (স্বাস্থ্য) পদের এই নতুন দায়িত্ব দেওয়া হলো। জনস্বার্থে এই আদেশ জারি করা হয়েছে বলে প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে।
স্বাস্থ্য সেবা বিভাগের উপসচিব সাইফুল ইসলাম স্বাক্ষরিত এই আদেশে আরও জানানো হয়, বদলিকৃত কর্মকর্তাকে আগামী ৭ জুলাই ২০২৬ তারিখের মধ্যে তার নতুন কর্মস্থলে যোগদান করতে হবে।
নির্ধারিত সময়ের মধ্যে যোগদান না করলে আগামী ৮ জুলাই ২০২৬ তারিখ থেকে তিনি বর্তমান কর্মস্থল থেকে তাৎক্ষণিকভাবে অবমুক্ত (Stand Released) বলে গণ্য হবেন। ইতোমধ্যে এই প্রজ্ঞাপনটি প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট দপ্তর ও কর্মকর্তাদের কাছে পাঠানো হয়েছে
বিসিএস (স্বাস্থ্য) ক্যাডারের কর্মকর্তা ডা. এস এম মনিরুজ্জামানকে বরিশাল বিভাগের নতুন বিভাগীয় পরিচালক (স্বাস্থ্য) হিসেবে চলতি দায়িত্বে পদায়ন করেছে সরকার। রোববার (৫ জুলাই) স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের স্বাস্থ্য সেবা বিভাগের পার-২ শাখা থেকে জারি করা এক প্রজ্ঞাপনে এই বদলি ও পদায়নের তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।
প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, ডা. এস এম মনিরুজ্জামান বর্তমানে সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের উপপরিচালক হিসেবে কর্মরত আছেন। সেখান থেকে তাকে বদলি করে বরিশাল বিভাগের বিভাগীয় পরিচালক (স্বাস্থ্য) পদের এই নতুন দায়িত্ব দেওয়া হলো। জনস্বার্থে এই আদেশ জারি করা হয়েছে বলে প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে।
স্বাস্থ্য সেবা বিভাগের উপসচিব সাইফুল ইসলাম স্বাক্ষরিত এই আদেশে আরও জানানো হয়, বদলিকৃত কর্মকর্তাকে আগামী ৭ জুলাই ২০২৬ তারিখের মধ্যে তার নতুন কর্মস্থলে যোগদান করতে হবে।
নির্ধারিত সময়ের মধ্যে যোগদান না করলে আগামী ৮ জুলাই ২০২৬ তারিখ থেকে তিনি বর্তমান কর্মস্থল থেকে তাৎক্ষণিকভাবে অবমুক্ত (Stand Released) বলে গণ্য হবেন। ইতোমধ্যে এই প্রজ্ঞাপনটি প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট দপ্তর ও কর্মকর্তাদের কাছে পাঠানো হয়েছে

০৬ জুলাই, ২০২৬ ১৬:৫২
বরিশালের হিজলা উপজেলার গৌরবদী ইউনিয়নে রাজনৈতিক কোন্দলে কয়েক দিন যাবৎ চলছে হামলা পাল্টা হামলা ভাঙচুর-লুটপাট-অগ্নিসংযোগ। এই পরিবেশ পরিস্থিতি দিন দিন ভয়াবহ সংঘর্ষের রূপ ধারণ করেছে। অভিযোগ উঠেছে, গত ২১ শে জুন বরিশাল জেলা ছাত্রদলের সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ইসমাইল মোল্লার ওপর অতর্কিত হামলা চালিয়ে গুরুতর আহত করেন যুবদল নেতা মোস্তফা সিকদারের ছেলে সোহাগ জুবায়ের এবং লাল চাঁন ফরাজীসহ কয়েকজন। সেই ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাতের আঁধারে কে বা কারা গৌরবদী ইউনিয়ন বিএনপির আহ্বায়ক ফরিদ উদ্দিন বেপারী এবং মোস্তফা সিকদারের মাছঘাটে হামলা ভাঙচুর লুটপাট অগ্নিসংযোগ করা হয়।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, দীর্ঘদিন চিকিৎসাধীন থাকা ইসমাইল হোসেন মোল্লা গতকাল রোববার বিকেলে নিজ এলাকায় আসার কথা ছিল। তাকে শুভেচ্ছা জানাতে স্থানীয় নেতাকর্মীরা গৌরবদী ইউনিয়নের শাওড়া বাজার থেকে ১০/১৫ টি মোটরসাইকেলেরযোগে একতা খেয়াঘাট যাওয়ার পথে হামলার মুখে পড়েন। তখন ছাত্রদল নেতা ইসমাইল মোল্লাকে শুভেচ্ছা জানাতে যাওয়া মোটরসাইকেলের বহরে হামলা চালিয়ে ৪ জন গুরুতর আহত হয়। এছাড়া বহরে থাকা ৬ টি মোটরসাইকেল আগুনে পুড়িয়ে দিয়েছে।
এসব সহিংসতার ঘটনায় গৌরবদী ইউনিয়ন বিএনপির আহ্বায়ক ফরিদ উদ্দিন বেপারী বলেন, গতকালের ঘটনার সময়ে আমি সেখানে ছিলাম না। তবে ইসমাইল মোল্লার সমর্থকরা যুবদল নেতা মোস্তফা সিকদারের বাড়ি ও শরীফ বাবুর্চির বাড়িতে হামলার অভিযোগ করেন।
গৌরবদী ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক সুলাইমান জমাদার জানান, ছাত্রদল নেতা ইসমাইল মোল্লার ওপর অতর্কিত হামলা ও পাল্টা হামলা নিয়ে হিজলা থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. সোলায়মান এবং উপজেলা বিএনপির সদস্যসচিব এবং সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক আলতাফ হোসেন খোকন মীমাংসা করার তারিখ উভয়পক্ষকে অবহিত করেন।
গতকাল ইসমাইল মোল্লা নিজ এলাকায় আসার কথা শুনে নেতাকর্মীরা শুভেচ্ছা জানাতে যাওয়ার পথে হামলা চালিয়ে ৪ জনকে গুরুতর আহত ও ৬ টি মোটরসাইকেল পুড়িয়ে দিয়েছে, এটা পূর্ব পরিকল্পিত। এ ঘটনায় প্রমাণ করে দলের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন ও প্রতিমন্ত্রী রাজিব আহসানের এলাকার সুনাম নষ্ট করার পাঁয়তারা করছে।
হিজলা থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. সোলায়মান বলেন, উভয়পক্ষকে নিয়ে সিনিয়র নেতারা আগামীকাল বসে আলোচনা সাপেক্ষে সমাধান করবেন। তবে দুই পক্ষ লিখত অভিযোগ দিয়েছেন। ঘটনার বিষয়ে তদন্ত চলছে।’
বরিশালের হিজলা উপজেলার গৌরবদী ইউনিয়নে রাজনৈতিক কোন্দলে কয়েক দিন যাবৎ চলছে হামলা পাল্টা হামলা ভাঙচুর-লুটপাট-অগ্নিসংযোগ। এই পরিবেশ পরিস্থিতি দিন দিন ভয়াবহ সংঘর্ষের রূপ ধারণ করেছে। অভিযোগ উঠেছে, গত ২১ শে জুন বরিশাল জেলা ছাত্রদলের সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ইসমাইল মোল্লার ওপর অতর্কিত হামলা চালিয়ে গুরুতর আহত করেন যুবদল নেতা মোস্তফা সিকদারের ছেলে সোহাগ জুবায়ের এবং লাল চাঁন ফরাজীসহ কয়েকজন। সেই ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাতের আঁধারে কে বা কারা গৌরবদী ইউনিয়ন বিএনপির আহ্বায়ক ফরিদ উদ্দিন বেপারী এবং মোস্তফা সিকদারের মাছঘাটে হামলা ভাঙচুর লুটপাট অগ্নিসংযোগ করা হয়।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, দীর্ঘদিন চিকিৎসাধীন থাকা ইসমাইল হোসেন মোল্লা গতকাল রোববার বিকেলে নিজ এলাকায় আসার কথা ছিল। তাকে শুভেচ্ছা জানাতে স্থানীয় নেতাকর্মীরা গৌরবদী ইউনিয়নের শাওড়া বাজার থেকে ১০/১৫ টি মোটরসাইকেলেরযোগে একতা খেয়াঘাট যাওয়ার পথে হামলার মুখে পড়েন। তখন ছাত্রদল নেতা ইসমাইল মোল্লাকে শুভেচ্ছা জানাতে যাওয়া মোটরসাইকেলের বহরে হামলা চালিয়ে ৪ জন গুরুতর আহত হয়। এছাড়া বহরে থাকা ৬ টি মোটরসাইকেল আগুনে পুড়িয়ে দিয়েছে।
এসব সহিংসতার ঘটনায় গৌরবদী ইউনিয়ন বিএনপির আহ্বায়ক ফরিদ উদ্দিন বেপারী বলেন, গতকালের ঘটনার সময়ে আমি সেখানে ছিলাম না। তবে ইসমাইল মোল্লার সমর্থকরা যুবদল নেতা মোস্তফা সিকদারের বাড়ি ও শরীফ বাবুর্চির বাড়িতে হামলার অভিযোগ করেন।
গৌরবদী ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক সুলাইমান জমাদার জানান, ছাত্রদল নেতা ইসমাইল মোল্লার ওপর অতর্কিত হামলা ও পাল্টা হামলা নিয়ে হিজলা থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. সোলায়মান এবং উপজেলা বিএনপির সদস্যসচিব এবং সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক আলতাফ হোসেন খোকন মীমাংসা করার তারিখ উভয়পক্ষকে অবহিত করেন।
গতকাল ইসমাইল মোল্লা নিজ এলাকায় আসার কথা শুনে নেতাকর্মীরা শুভেচ্ছা জানাতে যাওয়ার পথে হামলা চালিয়ে ৪ জনকে গুরুতর আহত ও ৬ টি মোটরসাইকেল পুড়িয়ে দিয়েছে, এটা পূর্ব পরিকল্পিত। এ ঘটনায় প্রমাণ করে দলের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন ও প্রতিমন্ত্রী রাজিব আহসানের এলাকার সুনাম নষ্ট করার পাঁয়তারা করছে।
হিজলা থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. সোলায়মান বলেন, উভয়পক্ষকে নিয়ে সিনিয়র নেতারা আগামীকাল বসে আলোচনা সাপেক্ষে সমাধান করবেন। তবে দুই পক্ষ লিখত অভিযোগ দিয়েছেন। ঘটনার বিষয়ে তদন্ত চলছে।’
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
০৬ জুলাই, ২০২৬ ১৭:৩৯
০৬ জুলাই, ২০২৬ ১৭:০৪
০৬ জুলাই, ২০২৬ ১৬:৫২
০৬ জুলাই, ২০২৬ ১৬:১৬