প্রয়াত আর জেলে থাকা ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলাসহ বরিশালে মামলা বাণিজ্যের মাস্টারমাইন্ডখ্যাত ছাত্রশক্তির নেতা মারজুক আব্দুল্লাহকে খুঁজছে পুলিশ। রোববার বিষয়টি জানিয়েছেন বরিশালের পুলিশ কমিশনার আশিক সাঈদ। পটুয়াখালীর দুমকি থানায় ডাকাতি চেষ্টার মামলায় মারজুক ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি বলে তিনি নিশ্চিত করেছেন।
এদিকে মারজুকের সর্বশেষ মিথ্যা মামলায় আসামির তালিকায় নাম থাকা বেশ কয়েকজনের কাছে এরই মধ্যে টাকা চাওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। তৃতীয় পক্ষের মাধ্যমে আসামির তালিকা থেকে নাম বাদ দেওয়ার শর্তে ওই টাকা চাওয়া হচ্ছে বলে ভুক্তভোগীরা জানিয়েছেন। এছাড়া এ মিথ্যা মামলার আসামির তালিকায় বেশ কয়েকজন বিএনপি নেতার নামও ঢোকানো হয়েছে। অথচ মামলার অভিযোগে আসামির তালিকায় থাকা ২৪৮ জনের সবাইকে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের নেতাকর্মী বলে উল্লেখ করেছেন মারজুক আব্দুল্লাহ।
[এই সংবাদটি আজ দৈনিক যুগান্তর পত্রিকার অনলাইন ও প্রিন্ট ভার্সনে বরিশাল ব্যুরো চিফ সিনিয়র সাংবাদিক আকতার ফারুক শাহীনের নামে প্রকাশ পেয়েছে]
জুলাই বিপ্লবের পর বরিশালে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের (বৈছাআ) নেতা হিসাবে পরিচিতি পান মারজুক। ঝিনাইদহের বাসিন্দা মারজুকের নানাবাড়ি বাকেরগঞ্জের চরামদ্দি ইউনিয়নে। কয়েক বছর ধরে তিনি বরিশালের বিভিন্ন এলাকায় বাসা ভাড়া করে থাকছেন। ৫ আগস্টের পর মারজুক প্রথম সাবেক মন্ত্রী আমির হোসেন আমুসহ আওয়ামী লীগের ২৪৭ নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে মামলা করেন। জুলাই আন্দোলনে হামলা, ভাঙচুর, গুলি আর মারধরের অভিযোগে দায়ের করা ওই মামলা দিয়েই বরিশালে প্রথমবার মামলা বাণিজ্যের মাস্টারমাইন্ড হিসাবে তার আত্মপ্রকাশ ঘটে। আসামির তালিকা থেকে নাম বাদ দেওয়ার কথা বলে বহুজনের কাছ থেকে তখন তিনি মোটা অঙ্কের টাকা আদায় করেন। মামলা বাণিজ্যের বিষয় নিয়ে সেসময় দেশের গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশিত হয়। পরে জুলাই বিপ্লবকেন্দ্রিক আরও একটি মামলা বাণিজ্যের চেষ্টা করেছিলেন মারজুক। কিন্তু প্রশাসনের তৎপরতায় সে চেষ্টা ব্যর্থ হয়। এরই মধ্যে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন বিলুপ্ত করা হলে জেলা সমন্বয়কের পদ হারান মারজুক। পরবর্তী সময়ে এনসিপির ছাত্র সংগঠন ছাত্রশক্তি গঠিত হলে তাকে বরিশাল মহানগর কমিটির যুগ্মসাধারণ সম্পাদক করা হয়। নতুন এ পরিচয়ে আবারও তিনি নগরীতে আধিপত্য বিস্তারের চেষ্টায় নামেন। ঘোষণা দেন বরিশাল সিটি করপোরেশনের মেয়র পদে নির্বাচন করার। পরে অবশ্য ছাত্রশক্তির কমিটি বাতিল করে কেন্দ্র।
দলীয় কোন পদ-পদবিতে না থাকাবস্থায় বৃহস্পতিবার বরিশালের অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে নতুন আরেকটি মামলার আবেদন করেন মারজুক। এবার তিনি কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীসহ ২৪৮ জনের বিরুদ্ধে বেশকিছু মিথ্যা অভিযোগ আনেন। অভিযোগটি মামলা হিসাবে রেকর্ড না করে তদন্তের জন্য বরিশালের উপপুলিশ কমিশনারকে দায়িত্ব দেন আদালত। মারজুকের নতুন এ মামলার খবর জানাজানি হওয়ার পর বরিশালে তোলপাড় শুরু হয়। কেননা এতে কবরে ও জেলে থাকা এইসব ব্যক্তির বিরুদ্ধে আনা হয়েছে বোমা ও ককটেল নিক্ষেপের অভিযোগ। ৮ আসামির নাম দুবার করে লেখা হয়েছে তালিকায়। আশ্চর্যের বিষয় হচ্ছে তালিকায় ৬ জন বিএনপি নেতাকর্মীর নামও রয়েছে।
বরিশাল মহানগর বিএনপির সদস্য সচিব জিয়াউদ্দিন সিকদার বলেন, ‘এর আগেও এই ছেলে এরকম মামলা বাণিজ্য করেছে। নতুন করে আবার এ মামলা দেওয়ার পেছনেও নিশ্চয়ই কোনো খারাপ উদ্দেশ্য রয়েছে। মামলায় বিএনপির লোকজনের নাম দেওয়াটাই তো সন্দেহ আর উদ্বেগজনক।’
এদিকে মামলার বাদী মারজুক আব্দুল্লাহর বিরুদ্ধে একটি ডাকাতি চেষ্টার মামলা বর্তমানে পটুয়াখালীর আদালতে বিচারাধীন রয়েছে। গত বছরের ৬ জুন পটুয়াখালীর পায়রা ব্রিজ এলাকায় অস্ত্র ঠেকিয়ে ডাকাতি চেষ্টার অভিযোগে ওই মামলা করেছিল দুমকি থানা পুলিশ। মামলার অপর দুই আসামি গ্রেফতার হওয়ার পর জামিনে মুক্তি পেলেও মারজুকের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা রয়েছে। পুলিশের খাতায় পলাতক আসামি হয়েও মারজুক কী করে প্রায় ১ বছর ধরে বরিশালে প্রকাশ্যে ঘুরে বেড়াচ্ছে, সেটাই এখন প্রশ্ন। বিষয়টি নিয়ে আলাপকালে বরিশালের পুলিশ কমিশনার আশিক সাঈদ বলেন, ‘আমি যেহেতু এখানে নতুন এসেছি, তাই বিষয়টি আমার জানা ছিল না। তবে ওয়ারেন্টের কপি হাতে পেয়েছি। এখন তার (মারজুক আব্দুল্লাহ) বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
বরিশাল আইনজীবী সমিতির সভাপতি অ্যাডভোকেট আবুল কালাম আজাদ বলেন, ‘যেহেতু অভিযোগটি তদন্তে আছে, তাই এটি নিয়ে টেনশনের কিছু নেই। তদন্তে অভিযোগ মিথ্যা প্রমাণিত হলে এমনিতেই আদালত তা খারিজ করে দেবেন।’

২৭ জুলাই, ২০২৬ ১৮:৩১
বরিশালের হিজলা উপজেলার ধুলখোলা ইউনিয়ন ভূমি অফিসের ইউনিয়ন ভূমি সহকারী কর্মকর্তা শঙ্কর চন্দ্র মালাকার কর্মক্ষেত্রে অনিয়ম-দুর্নীতির অভিযোগে চাকরি হারিয়েছেন। দীর্ঘফষন তিনি সাময়িক বরখাস্ত থাকলেও মাঠপর্যায়ের এই কর্মকর্তাকে চূড়ান্তভাবে ২২ জুলাই চাকরিচ্যুৎ করা হয়। তার বিরুদ্ধে ক্ষমতার অপব্যবহার এবং সরকারি জমি অবৈধভাবে ব্যক্তিমালিকানায় দেওয়ার অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে।
বিভিন্ন সূত্রে জানা গেছে, ১৯৮০ সালে সহকারী কমিশনার (ভূমি) পদ সৃষ্টি হওয়ার আগের পদবি ব্যবহার করে শঙ্কর চন্দ্র মালাকার প্রায় ২৫৮ একর ২৬ শতাংশ সরকারি খাসজমি ব্যক্তিমালিকানায় ছেড়ে দেন। এবং ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের অনুমোদন ব্যতিত আরও ২২২ একর খাসজমি ব্যক্তিমালিকানায় অবমুক্ত করার অভিযোগও তদন্তে প্রমাণিত হয়। এছাড়া স্থানীয় রামানন্দী মৌজার একটি নামজারি মামলায় ভিন্ন তারিখ ব্যবহার এবং দ্বৈত খতিয়ান সৃষ্টির অভিযোগেরও সত্যতা পাওয়া যায়।
এইসব অনিয়ম-দুর্নীতির প্রমাণ পাওয়ার পরে ২২ জুলাই তাকে স্থায়ীভাবে চাকরিচ্যুৎ করা হয়। ওই দিন বরিশাল বিভাগীয় কমিশনার কার্যালয় থেকে জারি করা এক আদেশে শঙ্কর চন্দ্র মালাকারকে বরখাস্তের সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়। বিভাগীয় কমিশনার খলিল আহমেদের স্বাক্ষরিত ওই আদেশে বলা হয়েছে, সরকারি কর্মচারী (শৃঙ্খলা ও আপিল) বিধিমালা, ২০১৮-এর বিধি ৪ (৩) (ঘ) অনুযায়ী তাকে চাকরি থেকে বরখাস্ত করা হয়।
আদেশে উল্লেখ করা হয়, ২০২৪ সালে দায়ের হওয়া বিভাগীয় মামলার তদন্তে শঙ্কর চন্দ্র মালাকারের বিরুদ্ধে আনা একাধিক অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেছে। তদন্তে দেখা যায়, তিনি হিজলা উপজেলার বিভিন্ন মৌজার ১ নম্বর খাস খতিয়ানের সরকারি জমি বিভিন্ন ব্যক্তির নামে অবৈধভাবে খাজনা আদায় করে হোল্ডিং খুলে দিয়ে সরকারের স্বার্থ ক্ষুণ্ন করেছেন এবং ব্যক্তিগত সুবিধা গ্রহণ করেন। এবং দুর্নীতিবাজ এই কর্মকর্তার অনুমোদিত ১০৫টি দাখিলার মধ্যে ৮৭ টির মাধ্যমে সরকারের প্রায় দুই হাজার একর খাসজমি ব্যক্তিমালিকানায় অবমুক্ত করা হয়েছে। এতে রাষ্ট্রের ব্যাপক ক্ষতি হয়।
বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয়সংশ্লিষ্টরা বলছেন, নীতিবিবর্জিত এই কর্মকর্তাকে রাজস্ব প্রশাসনে বহাল রাখা জনস্বার্থ ও সরকারি স্বার্থের পরিপন্থী। তাই তাকে চাকরি থেকে বরখাস্তের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে বেহাত হওয়া সরকারি খাসজমি দ্রুত সরকারের নিয়ন্ত্রণে ফিরিয়ে আনতে হিজলা উপজেলার সহকারী কমিশনারকে (ভূমি) প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেওয়া হয়।
বিষয়টির সত্যতা নিশ্চিত করে সহকারী কমিশনার (ভূমি) অভ্র জ্যোতি বড়াল রূপালী বাংলাদেশকে জানান, সাময়িক বরখাস্ত ইউনিয়ন ভূমি সহকারী কর্মকর্তা শঙ্কর চন্দ্র মালাকারকে চূড়ান্ত বরখাস্ত করা হয়েছে। সোমবার (২৭ জুলাই) উপজেলা ভূমি অফিসে আদেশ পৌঁছেছে। ওই আদেশের আগেই প্রায় সব খাসজমি উদ্ধার করা হয়। এরপরেও খাসজমি ব্যক্তিমালিকানায় আছে কি না তা তদন্তের জন্য সার্ভেয়ারকে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।’
বরিশালের হিজলা উপজেলার ধুলখোলা ইউনিয়ন ভূমি অফিসের ইউনিয়ন ভূমি সহকারী কর্মকর্তা শঙ্কর চন্দ্র মালাকার কর্মক্ষেত্রে অনিয়ম-দুর্নীতির অভিযোগে চাকরি হারিয়েছেন। দীর্ঘফষন তিনি সাময়িক বরখাস্ত থাকলেও মাঠপর্যায়ের এই কর্মকর্তাকে চূড়ান্তভাবে ২২ জুলাই চাকরিচ্যুৎ করা হয়। তার বিরুদ্ধে ক্ষমতার অপব্যবহার এবং সরকারি জমি অবৈধভাবে ব্যক্তিমালিকানায় দেওয়ার অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে।
বিভিন্ন সূত্রে জানা গেছে, ১৯৮০ সালে সহকারী কমিশনার (ভূমি) পদ সৃষ্টি হওয়ার আগের পদবি ব্যবহার করে শঙ্কর চন্দ্র মালাকার প্রায় ২৫৮ একর ২৬ শতাংশ সরকারি খাসজমি ব্যক্তিমালিকানায় ছেড়ে দেন। এবং ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের অনুমোদন ব্যতিত আরও ২২২ একর খাসজমি ব্যক্তিমালিকানায় অবমুক্ত করার অভিযোগও তদন্তে প্রমাণিত হয়। এছাড়া স্থানীয় রামানন্দী মৌজার একটি নামজারি মামলায় ভিন্ন তারিখ ব্যবহার এবং দ্বৈত খতিয়ান সৃষ্টির অভিযোগেরও সত্যতা পাওয়া যায়।
এইসব অনিয়ম-দুর্নীতির প্রমাণ পাওয়ার পরে ২২ জুলাই তাকে স্থায়ীভাবে চাকরিচ্যুৎ করা হয়। ওই দিন বরিশাল বিভাগীয় কমিশনার কার্যালয় থেকে জারি করা এক আদেশে শঙ্কর চন্দ্র মালাকারকে বরখাস্তের সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়। বিভাগীয় কমিশনার খলিল আহমেদের স্বাক্ষরিত ওই আদেশে বলা হয়েছে, সরকারি কর্মচারী (শৃঙ্খলা ও আপিল) বিধিমালা, ২০১৮-এর বিধি ৪ (৩) (ঘ) অনুযায়ী তাকে চাকরি থেকে বরখাস্ত করা হয়।
আদেশে উল্লেখ করা হয়, ২০২৪ সালে দায়ের হওয়া বিভাগীয় মামলার তদন্তে শঙ্কর চন্দ্র মালাকারের বিরুদ্ধে আনা একাধিক অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেছে। তদন্তে দেখা যায়, তিনি হিজলা উপজেলার বিভিন্ন মৌজার ১ নম্বর খাস খতিয়ানের সরকারি জমি বিভিন্ন ব্যক্তির নামে অবৈধভাবে খাজনা আদায় করে হোল্ডিং খুলে দিয়ে সরকারের স্বার্থ ক্ষুণ্ন করেছেন এবং ব্যক্তিগত সুবিধা গ্রহণ করেন। এবং দুর্নীতিবাজ এই কর্মকর্তার অনুমোদিত ১০৫টি দাখিলার মধ্যে ৮৭ টির মাধ্যমে সরকারের প্রায় দুই হাজার একর খাসজমি ব্যক্তিমালিকানায় অবমুক্ত করা হয়েছে। এতে রাষ্ট্রের ব্যাপক ক্ষতি হয়।
বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয়সংশ্লিষ্টরা বলছেন, নীতিবিবর্জিত এই কর্মকর্তাকে রাজস্ব প্রশাসনে বহাল রাখা জনস্বার্থ ও সরকারি স্বার্থের পরিপন্থী। তাই তাকে চাকরি থেকে বরখাস্তের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে বেহাত হওয়া সরকারি খাসজমি দ্রুত সরকারের নিয়ন্ত্রণে ফিরিয়ে আনতে হিজলা উপজেলার সহকারী কমিশনারকে (ভূমি) প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেওয়া হয়।
বিষয়টির সত্যতা নিশ্চিত করে সহকারী কমিশনার (ভূমি) অভ্র জ্যোতি বড়াল রূপালী বাংলাদেশকে জানান, সাময়িক বরখাস্ত ইউনিয়ন ভূমি সহকারী কর্মকর্তা শঙ্কর চন্দ্র মালাকারকে চূড়ান্ত বরখাস্ত করা হয়েছে। সোমবার (২৭ জুলাই) উপজেলা ভূমি অফিসে আদেশ পৌঁছেছে। ওই আদেশের আগেই প্রায় সব খাসজমি উদ্ধার করা হয়। এরপরেও খাসজমি ব্যক্তিমালিকানায় আছে কি না তা তদন্তের জন্য সার্ভেয়ারকে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।’

২৬ জুলাই, ২০২৬ ১৫:০৩
বরিশালের সিভিল সার্জন হিসেবে ডা. মনিরুজ্জামানের নিয়োগের প্রতিবাদ এবং বাতিলের দাবিতে অবস্থান কর্মসূচি পালন করেছেন বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা। আজ রোববার (২৬ জুলাই) দুপুরে এ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয় বরিশাল জেলা সিভিল সার্জন কার্যালয়ের সামনে।
কর্মসূচিতে অংশ নেওয়া শিক্ষার্থীরা অভিযোগ করেন, বিতর্কিত ও শাস্তিপ্রাপ্ত একজন কর্মকর্তাকে সিভিল সার্জনের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে, যা তারা মেনে নেবেন না।
পরে শিক্ষার্থীরা সিভিল সার্জনের কার্যালয়ে গিয়ে জানতে পারেন, যোগদানের শেষ দিন হলেও ডা. মনিরুজ্জামান অফিসে উপস্থিত হননি। এরপর বিক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীরা তার জন্য নির্ধারিত কক্ষের দরজায় তালা ঝুলিয়ে দেন।
বিএম কলেজের শিক্ষার্থী সাব্বির হোসেন জানিয়েছেন, যার বিরুদ্ধে বিভিন্ন অভিযোগ রয়েছে, তাকে বরিশালের মতো গুরুত্বপূর্ণ জেলার স্বাস্থ্য বিভাগের দায়িত্ব দেওয়া গ্রহণযোগ্য নয়।
তার দাবি, ডা. মনিরুজ্জামান যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থানরত আওয়ামী লীগ নেতা সাদিক আব্দুল্লাহর ঘনিষ্ঠ সহযোগী ছিলেন। বরিশালে একজন সৎ, যোগ্য ও বিতর্কমুক্ত কর্মকর্তাকে সিভিল সার্জন হিসেবে নিয়োগ দেওয়া উচিত।
বিএম কলেজের শিক্ষার্থী লাবনী আক্তার বলেছেন, বরিশালের মানুষ উন্নত স্বাস্থ্যসেবা পাওয়ার অধিকার রাখে। তাই জনস্বার্থে বিতর্কিত কর্মকর্তাকে অপসারণ করে নতুন সিভিল সার্জন নিয়োগ দিতে হবে। শিক্ষার্থীদের এই আন্দোলন জনস্বার্থে।
কর্মসূচি শেষে শিক্ষার্থীরা দ্রুত ডা. মনিরুজ্জামানের নিয়োগ বাতিল এবং একজন যোগ্য ও বিতর্কমুক্ত কর্মকর্তাকে বরিশালের সিভিল সার্জন হিসেবে নিয়োগের দাবি জানান। দাবি পূরণ না হলে আরও কঠোর কর্মসূচি দেওয়ার ঘোষণা দেন তারা।’
বরিশালের সিভিল সার্জন হিসেবে ডা. মনিরুজ্জামানের নিয়োগের প্রতিবাদ এবং বাতিলের দাবিতে অবস্থান কর্মসূচি পালন করেছেন বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা। আজ রোববার (২৬ জুলাই) দুপুরে এ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয় বরিশাল জেলা সিভিল সার্জন কার্যালয়ের সামনে।
কর্মসূচিতে অংশ নেওয়া শিক্ষার্থীরা অভিযোগ করেন, বিতর্কিত ও শাস্তিপ্রাপ্ত একজন কর্মকর্তাকে সিভিল সার্জনের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে, যা তারা মেনে নেবেন না।
পরে শিক্ষার্থীরা সিভিল সার্জনের কার্যালয়ে গিয়ে জানতে পারেন, যোগদানের শেষ দিন হলেও ডা. মনিরুজ্জামান অফিসে উপস্থিত হননি। এরপর বিক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীরা তার জন্য নির্ধারিত কক্ষের দরজায় তালা ঝুলিয়ে দেন।
বিএম কলেজের শিক্ষার্থী সাব্বির হোসেন জানিয়েছেন, যার বিরুদ্ধে বিভিন্ন অভিযোগ রয়েছে, তাকে বরিশালের মতো গুরুত্বপূর্ণ জেলার স্বাস্থ্য বিভাগের দায়িত্ব দেওয়া গ্রহণযোগ্য নয়।
তার দাবি, ডা. মনিরুজ্জামান যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থানরত আওয়ামী লীগ নেতা সাদিক আব্দুল্লাহর ঘনিষ্ঠ সহযোগী ছিলেন। বরিশালে একজন সৎ, যোগ্য ও বিতর্কমুক্ত কর্মকর্তাকে সিভিল সার্জন হিসেবে নিয়োগ দেওয়া উচিত।
বিএম কলেজের শিক্ষার্থী লাবনী আক্তার বলেছেন, বরিশালের মানুষ উন্নত স্বাস্থ্যসেবা পাওয়ার অধিকার রাখে। তাই জনস্বার্থে বিতর্কিত কর্মকর্তাকে অপসারণ করে নতুন সিভিল সার্জন নিয়োগ দিতে হবে। শিক্ষার্থীদের এই আন্দোলন জনস্বার্থে।
কর্মসূচি শেষে শিক্ষার্থীরা দ্রুত ডা. মনিরুজ্জামানের নিয়োগ বাতিল এবং একজন যোগ্য ও বিতর্কমুক্ত কর্মকর্তাকে বরিশালের সিভিল সার্জন হিসেবে নিয়োগের দাবি জানান। দাবি পূরণ না হলে আরও কঠোর কর্মসূচি দেওয়ার ঘোষণা দেন তারা।’

২৫ জুলাই, ২০২৬ ১১:৫৯
বরিশাল-পটুয়াখালীসহ দেশের অভ্যন্তরীণ ৭টি অঞ্চলের ওপর দিয়ে সর্বোচ্চ ৬০ কিলোমিটার বেগে অস্থায়ীভাবে দমকা বা ঝড়ো হাওয়াসহ বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদফতর।
আজ শনিবার (২৫ জুলাই) ভোর ৫টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত দেশের অভ্যন্তরীণ নদীবন্দরসমূহের জন্য দেওয়া আবহাওয়ার পূর্বাভাসে এই তথ্য জানানো হয়েছে।
পূর্বাভাসে বলা হয় খুলনা, বরিশাল, পটুয়াখালী, নোয়াখালী, কুমিল্লা, চট্টগ্রাম এবং কক্সবাজার অঞ্চলের ওপর দিয়ে দক্ষিণ বা দক্ষিণ-পূর্ব দিক থেকে ঘণ্টায় ৪৫ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে অস্থায়ীভাবে দমকা অথবা ঝড়ো হাওয়াসহ বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। ঝড়ো হাওয়ার আশঙ্কায় এসব এলাকার নদীবন্দরসমূহকে ১ নম্বর নম্বর সতর্কসংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।
এদিকে, গতকাল রাতে প্রকাশিত সারাদেশের সম্ভাব্য আবহাওয়া পূর্বাভাসে জানানো হয়েছে, আজ সন্ধ্যা ৬টার মধ্যে খুলনা, বরিশাল ও চট্টগ্রাম বিভাগের অনেক জায়গায় এবং রাজশাহী, রংপুর, ময়মনসিংহ, ঢাকা ও সিলেট বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে।
আবহাওয়া অধিদফতর আরও জানিয়েছে, বরিশাল, খুলনা ও চট্টগ্রাম বিভাগের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারী থেকে ভারী বর্ষণ হতে পারে। একই সময়ে সারাদেশে দিন ও রাতের তাপমাত্রা সামান্য বাড়তে পারে।’
বরিশাল-পটুয়াখালীসহ দেশের অভ্যন্তরীণ ৭টি অঞ্চলের ওপর দিয়ে সর্বোচ্চ ৬০ কিলোমিটার বেগে অস্থায়ীভাবে দমকা বা ঝড়ো হাওয়াসহ বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদফতর।
আজ শনিবার (২৫ জুলাই) ভোর ৫টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত দেশের অভ্যন্তরীণ নদীবন্দরসমূহের জন্য দেওয়া আবহাওয়ার পূর্বাভাসে এই তথ্য জানানো হয়েছে।
পূর্বাভাসে বলা হয় খুলনা, বরিশাল, পটুয়াখালী, নোয়াখালী, কুমিল্লা, চট্টগ্রাম এবং কক্সবাজার অঞ্চলের ওপর দিয়ে দক্ষিণ বা দক্ষিণ-পূর্ব দিক থেকে ঘণ্টায় ৪৫ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে অস্থায়ীভাবে দমকা অথবা ঝড়ো হাওয়াসহ বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। ঝড়ো হাওয়ার আশঙ্কায় এসব এলাকার নদীবন্দরসমূহকে ১ নম্বর নম্বর সতর্কসংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।
এদিকে, গতকাল রাতে প্রকাশিত সারাদেশের সম্ভাব্য আবহাওয়া পূর্বাভাসে জানানো হয়েছে, আজ সন্ধ্যা ৬টার মধ্যে খুলনা, বরিশাল ও চট্টগ্রাম বিভাগের অনেক জায়গায় এবং রাজশাহী, রংপুর, ময়মনসিংহ, ঢাকা ও সিলেট বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে।
আবহাওয়া অধিদফতর আরও জানিয়েছে, বরিশাল, খুলনা ও চট্টগ্রাম বিভাগের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারী থেকে ভারী বর্ষণ হতে পারে। একই সময়ে সারাদেশে দিন ও রাতের তাপমাত্রা সামান্য বাড়তে পারে।’

০৬ জুলাই, ২০২৬ ১৫:২২
প্রয়াত আর জেলে থাকা ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলাসহ বরিশালে মামলা বাণিজ্যের মাস্টারমাইন্ডখ্যাত ছাত্রশক্তির নেতা মারজুক আব্দুল্লাহকে খুঁজছে পুলিশ। রোববার বিষয়টি জানিয়েছেন বরিশালের পুলিশ কমিশনার আশিক সাঈদ। পটুয়াখালীর দুমকি থানায় ডাকাতি চেষ্টার মামলায় মারজুক ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি বলে তিনি নিশ্চিত করেছেন।
এদিকে মারজুকের সর্বশেষ মিথ্যা মামলায় আসামির তালিকায় নাম থাকা বেশ কয়েকজনের কাছে এরই মধ্যে টাকা চাওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। তৃতীয় পক্ষের মাধ্যমে আসামির তালিকা থেকে নাম বাদ দেওয়ার শর্তে ওই টাকা চাওয়া হচ্ছে বলে ভুক্তভোগীরা জানিয়েছেন। এছাড়া এ মিথ্যা মামলার আসামির তালিকায় বেশ কয়েকজন বিএনপি নেতার নামও ঢোকানো হয়েছে। অথচ মামলার অভিযোগে আসামির তালিকায় থাকা ২৪৮ জনের সবাইকে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের নেতাকর্মী বলে উল্লেখ করেছেন মারজুক আব্দুল্লাহ।
[এই সংবাদটি আজ দৈনিক যুগান্তর পত্রিকার অনলাইন ও প্রিন্ট ভার্সনে বরিশাল ব্যুরো চিফ সিনিয়র সাংবাদিক আকতার ফারুক শাহীনের নামে প্রকাশ পেয়েছে]
জুলাই বিপ্লবের পর বরিশালে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের (বৈছাআ) নেতা হিসাবে পরিচিতি পান মারজুক। ঝিনাইদহের বাসিন্দা মারজুকের নানাবাড়ি বাকেরগঞ্জের চরামদ্দি ইউনিয়নে। কয়েক বছর ধরে তিনি বরিশালের বিভিন্ন এলাকায় বাসা ভাড়া করে থাকছেন। ৫ আগস্টের পর মারজুক প্রথম সাবেক মন্ত্রী আমির হোসেন আমুসহ আওয়ামী লীগের ২৪৭ নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে মামলা করেন। জুলাই আন্দোলনে হামলা, ভাঙচুর, গুলি আর মারধরের অভিযোগে দায়ের করা ওই মামলা দিয়েই বরিশালে প্রথমবার মামলা বাণিজ্যের মাস্টারমাইন্ড হিসাবে তার আত্মপ্রকাশ ঘটে। আসামির তালিকা থেকে নাম বাদ দেওয়ার কথা বলে বহুজনের কাছ থেকে তখন তিনি মোটা অঙ্কের টাকা আদায় করেন। মামলা বাণিজ্যের বিষয় নিয়ে সেসময় দেশের গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশিত হয়। পরে জুলাই বিপ্লবকেন্দ্রিক আরও একটি মামলা বাণিজ্যের চেষ্টা করেছিলেন মারজুক। কিন্তু প্রশাসনের তৎপরতায় সে চেষ্টা ব্যর্থ হয়। এরই মধ্যে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন বিলুপ্ত করা হলে জেলা সমন্বয়কের পদ হারান মারজুক। পরবর্তী সময়ে এনসিপির ছাত্র সংগঠন ছাত্রশক্তি গঠিত হলে তাকে বরিশাল মহানগর কমিটির যুগ্মসাধারণ সম্পাদক করা হয়। নতুন এ পরিচয়ে আবারও তিনি নগরীতে আধিপত্য বিস্তারের চেষ্টায় নামেন। ঘোষণা দেন বরিশাল সিটি করপোরেশনের মেয়র পদে নির্বাচন করার। পরে অবশ্য ছাত্রশক্তির কমিটি বাতিল করে কেন্দ্র।
দলীয় কোন পদ-পদবিতে না থাকাবস্থায় বৃহস্পতিবার বরিশালের অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে নতুন আরেকটি মামলার আবেদন করেন মারজুক। এবার তিনি কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীসহ ২৪৮ জনের বিরুদ্ধে বেশকিছু মিথ্যা অভিযোগ আনেন। অভিযোগটি মামলা হিসাবে রেকর্ড না করে তদন্তের জন্য বরিশালের উপপুলিশ কমিশনারকে দায়িত্ব দেন আদালত। মারজুকের নতুন এ মামলার খবর জানাজানি হওয়ার পর বরিশালে তোলপাড় শুরু হয়। কেননা এতে কবরে ও জেলে থাকা এইসব ব্যক্তির বিরুদ্ধে আনা হয়েছে বোমা ও ককটেল নিক্ষেপের অভিযোগ। ৮ আসামির নাম দুবার করে লেখা হয়েছে তালিকায়। আশ্চর্যের বিষয় হচ্ছে তালিকায় ৬ জন বিএনপি নেতাকর্মীর নামও রয়েছে।
বরিশাল মহানগর বিএনপির সদস্য সচিব জিয়াউদ্দিন সিকদার বলেন, ‘এর আগেও এই ছেলে এরকম মামলা বাণিজ্য করেছে। নতুন করে আবার এ মামলা দেওয়ার পেছনেও নিশ্চয়ই কোনো খারাপ উদ্দেশ্য রয়েছে। মামলায় বিএনপির লোকজনের নাম দেওয়াটাই তো সন্দেহ আর উদ্বেগজনক।’
এদিকে মামলার বাদী মারজুক আব্দুল্লাহর বিরুদ্ধে একটি ডাকাতি চেষ্টার মামলা বর্তমানে পটুয়াখালীর আদালতে বিচারাধীন রয়েছে। গত বছরের ৬ জুন পটুয়াখালীর পায়রা ব্রিজ এলাকায় অস্ত্র ঠেকিয়ে ডাকাতি চেষ্টার অভিযোগে ওই মামলা করেছিল দুমকি থানা পুলিশ। মামলার অপর দুই আসামি গ্রেফতার হওয়ার পর জামিনে মুক্তি পেলেও মারজুকের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা রয়েছে। পুলিশের খাতায় পলাতক আসামি হয়েও মারজুক কী করে প্রায় ১ বছর ধরে বরিশালে প্রকাশ্যে ঘুরে বেড়াচ্ছে, সেটাই এখন প্রশ্ন। বিষয়টি নিয়ে আলাপকালে বরিশালের পুলিশ কমিশনার আশিক সাঈদ বলেন, ‘আমি যেহেতু এখানে নতুন এসেছি, তাই বিষয়টি আমার জানা ছিল না। তবে ওয়ারেন্টের কপি হাতে পেয়েছি। এখন তার (মারজুক আব্দুল্লাহ) বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
বরিশাল আইনজীবী সমিতির সভাপতি অ্যাডভোকেট আবুল কালাম আজাদ বলেন, ‘যেহেতু অভিযোগটি তদন্তে আছে, তাই এটি নিয়ে টেনশনের কিছু নেই। তদন্তে অভিযোগ মিথ্যা প্রমাণিত হলে এমনিতেই আদালত তা খারিজ করে দেবেন।’