Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.

০৫ জুলাই, ২০২৬ ১৫:১৯
বরিশালে অগ্রণী হাউজিং (আবাসন) লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) আব্দুল আজিজ হাওলাদারের অণ্ডকোষ চেপে ধরে মারধর করে চেক ও স্ট্যাম্পে স্বাক্ষর নেওয়ার অভিযোগে মোস্তাফিজুর রহমান লিটুকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
রোববার বেলা ২টার দিকে নগরের সদর রোডের টপ টেন নামের একটি ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানের সামনে থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
বরিশাল কোতয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আল মামুন উল ইসলাম বেলা ৩টার দিকে গ্রেপ্তারের তথ্য নিশ্চিত করেন। তিনি জানান, এ ঘটনায় বিকেলে সংবাদ সম্মেলন করে বিস্তারিত জানানো হবে।
এর আগে গত ২৭ জুন সন্ধ্যার পর নগরের সদর রোডে অগ্রণী হাউজিংয়ের কার্যালয়ে এ ঘটনা ঘটে। ঘটনার শিকার আব্দুল আজিজ হাওলাদার শনিবার রাতে কার্যালয়ের সিসিটিভি ফুটেজ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশ করলে ঘটনাটি আলোচনায় আসে। এর আগে গত বৃহস্পতিবার তিনি আদালতে একটি নালিশি মামলা করেন।
সিসিটিভি ফুটেজে দেখা যায়, আব্দুল আজিজের কক্ষে চার যুবক প্রবেশ করেন। তাদের মধ্যে মোস্তাফিজুর রহমান লিটু নামে একজন তাকে মারধর করেন। একপর্যায়ে তার অণ্ডকোষ চেপে ধরে দুটি চেকে এবং একটি সাদা স্ট্যাম্পে স্বাক্ষর নেওয়া হয়। মারধরের সময় আজিজ ‘বাচ্চু, বাচ্চু’ বলে চিৎকার করলে আরেক ব্যক্তি কক্ষে প্রবেশের চেষ্টা করেন। তবে লিটুর সঙ্গে থাকা ব্যক্তিরা তাকে ধাক্কা দিয়ে বের করে দেন। পরে চেক ও স্ট্যাম্প হস্তান্তরের ছবিও তোলা হয়।
জানা গেছে, লিটুর বাড়ি অগ্রণী হাউজিংয়ের অদূরে কাটপট্টি সড়কে। তার বড় ভাই মাহবুবুর রহমান পিন্টু মহানগর স্বেচ্ছাসেবক দলের সাবেক সভাপতি। নগরীতে লিটু যুবদলের রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত বলে প্রচলিত থাকলেও রোববার দুপুরে বরিশাল প্রেসক্লাবে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে জেলা ও মহানগর যুবদলের নেতারা দাবি করেন, লিটু যুবদলের কোনো ওয়ার্ড কমিটিরও সদস্য নন। দলীয় কোনো কর্মসূচিতেও তাকে কখনো দেখা যায়নি।
ঘটনার শিকার আব্দুল আজিজ হাওলাদার বরিশালটাইমসকে জানান, লিটু একসময় অগ্রণী হাউজিংয়ের অংশীদার ছিলেন। তার বিনিয়োগের বিপরীতে জমি বুঝিয়ে দিয়ে বিক্রিও করা হয়েছে। এমনকি প্রতিষ্ঠানের কাছে তার কোনো পাওনা নেই-মর্মে লিখিত অঙ্গীকারনামাও রয়েছে। এরপরও লিটু তার কাছে এক কোটি টাকা দাবি করে আসছিলেন।
আজিজের অভিযোগ, ২৭ জুন সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে লিটু তার কার্যালয়ে ঢুকে মারধর করেন। পরে জোর করে ৭০ লাখ টাকার একটি চেক, একটি সাদা চেক এবং দুটি সাদা স্ট্যাম্পে স্বাক্ষর নেওয়া হয়।
তিনি আরও জানান, ঘটনার পরপরই সংশ্লিষ্ট ব্যাংককে বিষয়টি জানিয়ে চেকগুলোর বিষয়ে অভিযোগ করায় কোনো টাকা উত্তোলন করা সম্ভব হয়নি। গত বৃহস্পতিবার আদালত তার নালিশি মামলাটি এফআইআর হিসেবে গ্রহণের জন্য কোতয়ালি মডেল থানার ওসিকে নির্দেশ দেন। সিসিটিভি ফুটেজ তিনিই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশ করেছেন বলেও স্বীকার করেন তিনি।
অভিযোগের বিষয়ে মোস্তাফিজুর রহমান লিটু বরিশালটাইমসকে বলেন, যারা ওই দিন কার্যালয়ে গিয়েছিলেন, তারা সবাই প্রতিষ্ঠানের পরিচালক। আব্দুল আজিজ পরিচালকদের টাকা আত্মসাৎ করেছেন। এ বিষয়ে পরিচালকেরা সংবাদ সম্মেলন করে বিস্তারিত জানাবেন।
কোতয়ালি মডেল থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আল মামুন উল ইসলাম বরিশালটাইমসকে বলেন, আব্দুল আজিজ শনিবার রাতে থানায় এসে আদালতে মামলা করার বিষয়টি মৌখিকভাবে জানিয়েছেন। আদালতের আদেশের কপি রোববার থানায় পৌঁছানোর কথা রয়েছে।’
বরিশালে অগ্রণী হাউজিং (আবাসন) লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) আব্দুল আজিজ হাওলাদারের অণ্ডকোষ চেপে ধরে মারধর করে চেক ও স্ট্যাম্পে স্বাক্ষর নেওয়ার অভিযোগে মোস্তাফিজুর রহমান লিটুকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
রোববার বেলা ২টার দিকে নগরের সদর রোডের টপ টেন নামের একটি ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানের সামনে থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
বরিশাল কোতয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আল মামুন উল ইসলাম বেলা ৩টার দিকে গ্রেপ্তারের তথ্য নিশ্চিত করেন। তিনি জানান, এ ঘটনায় বিকেলে সংবাদ সম্মেলন করে বিস্তারিত জানানো হবে।
এর আগে গত ২৭ জুন সন্ধ্যার পর নগরের সদর রোডে অগ্রণী হাউজিংয়ের কার্যালয়ে এ ঘটনা ঘটে। ঘটনার শিকার আব্দুল আজিজ হাওলাদার শনিবার রাতে কার্যালয়ের সিসিটিভি ফুটেজ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশ করলে ঘটনাটি আলোচনায় আসে। এর আগে গত বৃহস্পতিবার তিনি আদালতে একটি নালিশি মামলা করেন।
সিসিটিভি ফুটেজে দেখা যায়, আব্দুল আজিজের কক্ষে চার যুবক প্রবেশ করেন। তাদের মধ্যে মোস্তাফিজুর রহমান লিটু নামে একজন তাকে মারধর করেন। একপর্যায়ে তার অণ্ডকোষ চেপে ধরে দুটি চেকে এবং একটি সাদা স্ট্যাম্পে স্বাক্ষর নেওয়া হয়। মারধরের সময় আজিজ ‘বাচ্চু, বাচ্চু’ বলে চিৎকার করলে আরেক ব্যক্তি কক্ষে প্রবেশের চেষ্টা করেন। তবে লিটুর সঙ্গে থাকা ব্যক্তিরা তাকে ধাক্কা দিয়ে বের করে দেন। পরে চেক ও স্ট্যাম্প হস্তান্তরের ছবিও তোলা হয়।
জানা গেছে, লিটুর বাড়ি অগ্রণী হাউজিংয়ের অদূরে কাটপট্টি সড়কে। তার বড় ভাই মাহবুবুর রহমান পিন্টু মহানগর স্বেচ্ছাসেবক দলের সাবেক সভাপতি। নগরীতে লিটু যুবদলের রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত বলে প্রচলিত থাকলেও রোববার দুপুরে বরিশাল প্রেসক্লাবে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে জেলা ও মহানগর যুবদলের নেতারা দাবি করেন, লিটু যুবদলের কোনো ওয়ার্ড কমিটিরও সদস্য নন। দলীয় কোনো কর্মসূচিতেও তাকে কখনো দেখা যায়নি।
ঘটনার শিকার আব্দুল আজিজ হাওলাদার বরিশালটাইমসকে জানান, লিটু একসময় অগ্রণী হাউজিংয়ের অংশীদার ছিলেন। তার বিনিয়োগের বিপরীতে জমি বুঝিয়ে দিয়ে বিক্রিও করা হয়েছে। এমনকি প্রতিষ্ঠানের কাছে তার কোনো পাওনা নেই-মর্মে লিখিত অঙ্গীকারনামাও রয়েছে। এরপরও লিটু তার কাছে এক কোটি টাকা দাবি করে আসছিলেন।
আজিজের অভিযোগ, ২৭ জুন সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে লিটু তার কার্যালয়ে ঢুকে মারধর করেন। পরে জোর করে ৭০ লাখ টাকার একটি চেক, একটি সাদা চেক এবং দুটি সাদা স্ট্যাম্পে স্বাক্ষর নেওয়া হয়।
তিনি আরও জানান, ঘটনার পরপরই সংশ্লিষ্ট ব্যাংককে বিষয়টি জানিয়ে চেকগুলোর বিষয়ে অভিযোগ করায় কোনো টাকা উত্তোলন করা সম্ভব হয়নি। গত বৃহস্পতিবার আদালত তার নালিশি মামলাটি এফআইআর হিসেবে গ্রহণের জন্য কোতয়ালি মডেল থানার ওসিকে নির্দেশ দেন। সিসিটিভি ফুটেজ তিনিই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশ করেছেন বলেও স্বীকার করেন তিনি।
অভিযোগের বিষয়ে মোস্তাফিজুর রহমান লিটু বরিশালটাইমসকে বলেন, যারা ওই দিন কার্যালয়ে গিয়েছিলেন, তারা সবাই প্রতিষ্ঠানের পরিচালক। আব্দুল আজিজ পরিচালকদের টাকা আত্মসাৎ করেছেন। এ বিষয়ে পরিচালকেরা সংবাদ সম্মেলন করে বিস্তারিত জানাবেন।
কোতয়ালি মডেল থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আল মামুন উল ইসলাম বরিশালটাইমসকে বলেন, আব্দুল আজিজ শনিবার রাতে থানায় এসে আদালতে মামলা করার বিষয়টি মৌখিকভাবে জানিয়েছেন। আদালতের আদেশের কপি রোববার থানায় পৌঁছানোর কথা রয়েছে।’

০৫ জুলাই, ২০২৬ ১৬:০৫

০৫ জুলাই, ২০২৬ ০০:২৪

০৪ জুলাই, ২০২৬ ১৯:১২
ছাত্রনেতা সুজয় শুভকে নিয়ে অপপ্রচার, মানহানির অভিযোগে মামলা
গণতান্ত্রিক ছাত্র কাউন্সিলের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক ও বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রনেতা সুজয় বিশ্বাস শুভর বিরুদ্ধে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মিথ্যা, বানোয়াট ও মানহানিকর বক্তব্য প্রচার ও মানহানির অভিযোগে মামলা দায়ের করা হয়েছে। সম্প্রতি সুজয় শুভ বাদী হয়ে কয়েকজনের বিরুদ্ধে আদালতে এ মামলা করেন।
এদিকে, সুজয় শুভর বিচারের দাবিতে সম্প্রতি বরিশাল নগরীতে অনুষ্ঠিত মানববন্ধনে অংশ নেওয়া ৯ জনের মধ্যে অন্তত দুজন জানিয়েছেন, অভিযোগের বিষয়বস্তু সম্পর্কে অবগত না হয়েই তারা মানববন্ধনে অংশ নিয়েছিলেন।
অভিযোগপত্রে বলা হয়েছে, বাদীর সুনাম ক্ষুণ্ন করার উদ্দেশে তার সম্পর্কে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে মিথ্যা ও মানহানিকর তথ্য প্রকাশ ও প্রচার করা হয়েছে। পাশাপাশি তার শরীর, সম্পত্তি ও সামাজিক সুনামের ক্ষতি করার হুমকিও দেওয়া হয়েছে বলে এজাহারে উল্লেখ করা হয়।
অভিযোগে আরও বলা হয়েছে, জুলাই অভ্যুত্থানের পর গণতান্ত্রিক ছাত্র কাউন্সিলের নেতা মাহিদুল ইসলাম দাউদের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগের সত্যতা পাওয়ায় সংগঠনের পক্ষ থেকে তার বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়।
এরপর মাহিদুল ইসলাম দাউদ ক্ষুব্ধ হয়ে আলিসা মুনতাজ, হুজাইফা রহমানসহ একটি সংঘবদ্ধ চক্র গড়ে তুলে মামলার বাদী সুজয় বিশ্বাস শুভর মানহানি করার উদ্দেশে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তার বিরুদ্ধে মিথ্যা, বানোয়াট ও অপমানজনক বক্তব্য প্রচার শুরু করেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে।
এর ধারাবাহিকতায় মামলার অন্যান্য আসামিরা ২০২৬ সালের ২ এপ্রিল নিজেদের ফেসবুক অ্যাকাউন্ট থেকে সুজয় শুভকে উদ্দেশ্য করে বিভিন্ন অবমাননাকর মন্তব্য ও বক্তব্য প্রকাশ করেন। পরে একই বছরের ১৬ এপ্রিল পুনরায় বাদীর নাম ও ছবি ব্যবহার করে তাকে সামাজিকভাবে হেয় প্রতিপন্ন করতে সংঘবদ্ধভাবে অপপ্রচার চালানো হয়।
এসব ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে সুজয় শুভ ২১ এপ্রিল অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন। তবে অভিযোগ অনুযায়ী, এরপরও অভিযুক্তরা অপপ্রচার বন্ধ না করে তার বিরুদ্ধে মিথ্যা তথ্য প্রচার, ভিডিওচিত্র তৈরি এবং তা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দিতে থাকেন।
অভিযোগপত্রে আরও জানানো হয়, চলতি বছরের জুন মাসে বাদীর বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ তুলে একটি মানববন্ধনের আয়োজন করা হয়। মিথ্যা ও বানোয়াট তথ্য প্রচারের মাধ্যমে তার ব্যক্তিগত, সামাজিক ও রাজনৈতিক সুনাম ক্ষুণ্ন করা হয়েছে উল্লেখ করে আদালতের কাছে বিচার চেয়ে মামলাটি দায়ের করেন সুজয় শুভ।
এদিকে, সুজয় শুভর বিরুদ্ধে অনুষ্ঠিত ওই মানববন্ধনে অংশ নেওয়া ৯ জন ব্যক্তির একজন শামীম দাবি করেন, তাকে কার বিরুদ্ধে এবং কী অভিযোগে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হচ্ছে তা না জানিয়েই সেখানে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল।
মানববন্ধনে অংশ নেওয়ার বিষয়ে শামীম বলেন, ‘ও... হ্যাঁ, না, আমি ওইখানে ছিলাম আরকি। আমার এক বড় ভাই আমাকে নিয়ে গেছে।’
সুজয় শুভর বিরুদ্ধে কী অভিযোগ রয়েছে- এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘আমি আসলে এই ব্যাপারে তেমন কোনো তথ্য জানি না। আপনি বরং যারা ফ্রন্টে ছিল, ওনাদেরকে জিজ্ঞেস করেন। মানে... আমাদের ওই সিরাজুল ভাইসহ যারা ছিল, ওনাদেরকে জিজ্ঞেস করেন।’
আপনি মানববন্ধনে অংশগ্রহণ করেছেন, কিন্তু কেন অংশ নিচ্ছেন তা জানেন না- এমন প্রশ্নের জবাবে শামীম বলেন, ‘না, আমি জানি যে আমি একটা প্রতিবাদী মিছিলে অংশগ্রহণ করছি আরকি, এইটুকু।’
অভিযোগ সত্য না মিথ্যা তা না জেনেই মানববন্ধনে দাঁড়ানোর বিষয়ে তিনি বলেন, ‘না, কারণ ছাড়া বলতে কী, আমাকে তো এমনিতে বলা হইছে যে চলো...।’
মানববন্ধনের অভিযোগকারীরাও সেখানে উপস্থিত ছিলেন না- এ অবস্থায় কীভাবে মানববন্ধনে অংশ নিলেন জানতে চাইলে শামীম বলেন, ‘যারা লিডিংয়ে ছিল, ওনারা হয়তো জানেন আরকি। এই ব্যাপারে আমার কাছে তেমন কোনো তথ্য নাই। আমার যেটা মনে হয় যে হয়তোবা রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে ওনারে(সুজয় শুভকে) হয়তো হ্যারাস করার জন্য এটা করছে।"
এছাড়া মানববন্ধনে অংশ নেওয়া সাধনা হালদার নামে এক নারীও একটি গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন, সুজয় শুভর বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ সম্পর্কে তিনি শুনেছেন, তাই তিনি মানববন্ধনে অংশ নিয়েছিলেন।
সাধনা হালদার আরও বলেন, ‘আমি সুজয় শুভকে চিনতাম। বিভিন্ন আন্দোলন তাকে সামনে থেকে নেতৃত্ব দিতে দেখেছি। গত কিছুদিন ধরে শুনতেছি- আমাদের সিনিয়র আপুরা তারা বলতেছে, তারা বিভিন্ন ধরণের যৌন নির্যাতনবা নিপীড়নের শিকার হইছে, ব্যাড টাচের শিকার হইছে, এই ধরণের ম্যানুপুলেশন বা ভিক্টিম ব্লেমিং এর শিকার হইছে। যখন শুনলাম একাধিক মানুষের কাছ থেকে তখন খুবই খারাপ লাগছে।’
মামলার বাদীপক্ষের দাবি, অভিযোগের সত্যতা যাচাই না করেই সাধারণ মানুষকে মানববন্ধনে অংশগ্রহণ করানো হয়েছে এবং তাদের ব্যবহার করে মিথ্যা তথ্য ছড়িয়ে একজন ছাত্রনেতার মানহানি করা হয়েছে। বিষয়টির সুষ্ঠু তদন্ত ও বিচার দাবি করেছেন বাদী সুজয় শুভ।
সুজয় আরও বলেন, রাজনৈতিক ও ব্যক্তিগত বিদ্বেষের জায়গা থেকে একটি সংঘবদ্ধ চক্র কিছুদিন ধরে আমার বিরদ্ধে অপপ্রচার চালিয়ে আসছে। তারা ফেইসবুকে নানা অসত্য, অসংলগ্ন ও ভিত্তিহীন অভিযোগ তুললেও কোনো অভিযোগের স্বপক্ষে ন্যূনতম প্রমাণ হাজির করতে পারেন নি। কাউকে হয়রানির উদ্দেশ্যে তথ্য, প্রমাণহীন ভুয়া অভিযোগ সাজিয়ে ভিকটিম কার্ড প্লে করা ; গুরুতর অন্যায় বলে মনে করি। এই অপতৎপরতার বিরুদ্ধে আমি আইনী ব্যবস্থা গ্রহণ করেছি। আমি চাই এই অসাধু চক্রের দ্বারা আর কেউ যেন হয়রানির শিকার না হয়, সেজন্য প্রচলিত আইনে মামলা করেছি।
এ সকল বিষয় বক্তব্য জানতে মামলার আসামি হুজাইফা রহমানের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে তাকে পাওয়া যায়নি।
ছাত্রনেতা সুজয় শুভকে নিয়ে অপপ্রচার, মানহানির অভিযোগে মামলা
গণতান্ত্রিক ছাত্র কাউন্সিলের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক ও বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রনেতা সুজয় বিশ্বাস শুভর বিরুদ্ধে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মিথ্যা, বানোয়াট ও মানহানিকর বক্তব্য প্রচার ও মানহানির অভিযোগে মামলা দায়ের করা হয়েছে। সম্প্রতি সুজয় শুভ বাদী হয়ে কয়েকজনের বিরুদ্ধে আদালতে এ মামলা করেন।
এদিকে, সুজয় শুভর বিচারের দাবিতে সম্প্রতি বরিশাল নগরীতে অনুষ্ঠিত মানববন্ধনে অংশ নেওয়া ৯ জনের মধ্যে অন্তত দুজন জানিয়েছেন, অভিযোগের বিষয়বস্তু সম্পর্কে অবগত না হয়েই তারা মানববন্ধনে অংশ নিয়েছিলেন।
অভিযোগপত্রে বলা হয়েছে, বাদীর সুনাম ক্ষুণ্ন করার উদ্দেশে তার সম্পর্কে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে মিথ্যা ও মানহানিকর তথ্য প্রকাশ ও প্রচার করা হয়েছে। পাশাপাশি তার শরীর, সম্পত্তি ও সামাজিক সুনামের ক্ষতি করার হুমকিও দেওয়া হয়েছে বলে এজাহারে উল্লেখ করা হয়।
অভিযোগে আরও বলা হয়েছে, জুলাই অভ্যুত্থানের পর গণতান্ত্রিক ছাত্র কাউন্সিলের নেতা মাহিদুল ইসলাম দাউদের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগের সত্যতা পাওয়ায় সংগঠনের পক্ষ থেকে তার বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়।
এরপর মাহিদুল ইসলাম দাউদ ক্ষুব্ধ হয়ে আলিসা মুনতাজ, হুজাইফা রহমানসহ একটি সংঘবদ্ধ চক্র গড়ে তুলে মামলার বাদী সুজয় বিশ্বাস শুভর মানহানি করার উদ্দেশে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তার বিরুদ্ধে মিথ্যা, বানোয়াট ও অপমানজনক বক্তব্য প্রচার শুরু করেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে।
এর ধারাবাহিকতায় মামলার অন্যান্য আসামিরা ২০২৬ সালের ২ এপ্রিল নিজেদের ফেসবুক অ্যাকাউন্ট থেকে সুজয় শুভকে উদ্দেশ্য করে বিভিন্ন অবমাননাকর মন্তব্য ও বক্তব্য প্রকাশ করেন। পরে একই বছরের ১৬ এপ্রিল পুনরায় বাদীর নাম ও ছবি ব্যবহার করে তাকে সামাজিকভাবে হেয় প্রতিপন্ন করতে সংঘবদ্ধভাবে অপপ্রচার চালানো হয়।
এসব ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে সুজয় শুভ ২১ এপ্রিল অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন। তবে অভিযোগ অনুযায়ী, এরপরও অভিযুক্তরা অপপ্রচার বন্ধ না করে তার বিরুদ্ধে মিথ্যা তথ্য প্রচার, ভিডিওচিত্র তৈরি এবং তা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দিতে থাকেন।
অভিযোগপত্রে আরও জানানো হয়, চলতি বছরের জুন মাসে বাদীর বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ তুলে একটি মানববন্ধনের আয়োজন করা হয়। মিথ্যা ও বানোয়াট তথ্য প্রচারের মাধ্যমে তার ব্যক্তিগত, সামাজিক ও রাজনৈতিক সুনাম ক্ষুণ্ন করা হয়েছে উল্লেখ করে আদালতের কাছে বিচার চেয়ে মামলাটি দায়ের করেন সুজয় শুভ।
এদিকে, সুজয় শুভর বিরুদ্ধে অনুষ্ঠিত ওই মানববন্ধনে অংশ নেওয়া ৯ জন ব্যক্তির একজন শামীম দাবি করেন, তাকে কার বিরুদ্ধে এবং কী অভিযোগে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হচ্ছে তা না জানিয়েই সেখানে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল।
মানববন্ধনে অংশ নেওয়ার বিষয়ে শামীম বলেন, ‘ও... হ্যাঁ, না, আমি ওইখানে ছিলাম আরকি। আমার এক বড় ভাই আমাকে নিয়ে গেছে।’
সুজয় শুভর বিরুদ্ধে কী অভিযোগ রয়েছে- এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘আমি আসলে এই ব্যাপারে তেমন কোনো তথ্য জানি না। আপনি বরং যারা ফ্রন্টে ছিল, ওনাদেরকে জিজ্ঞেস করেন। মানে... আমাদের ওই সিরাজুল ভাইসহ যারা ছিল, ওনাদেরকে জিজ্ঞেস করেন।’
আপনি মানববন্ধনে অংশগ্রহণ করেছেন, কিন্তু কেন অংশ নিচ্ছেন তা জানেন না- এমন প্রশ্নের জবাবে শামীম বলেন, ‘না, আমি জানি যে আমি একটা প্রতিবাদী মিছিলে অংশগ্রহণ করছি আরকি, এইটুকু।’
অভিযোগ সত্য না মিথ্যা তা না জেনেই মানববন্ধনে দাঁড়ানোর বিষয়ে তিনি বলেন, ‘না, কারণ ছাড়া বলতে কী, আমাকে তো এমনিতে বলা হইছে যে চলো...।’
মানববন্ধনের অভিযোগকারীরাও সেখানে উপস্থিত ছিলেন না- এ অবস্থায় কীভাবে মানববন্ধনে অংশ নিলেন জানতে চাইলে শামীম বলেন, ‘যারা লিডিংয়ে ছিল, ওনারা হয়তো জানেন আরকি। এই ব্যাপারে আমার কাছে তেমন কোনো তথ্য নাই। আমার যেটা মনে হয় যে হয়তোবা রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে ওনারে(সুজয় শুভকে) হয়তো হ্যারাস করার জন্য এটা করছে।"
এছাড়া মানববন্ধনে অংশ নেওয়া সাধনা হালদার নামে এক নারীও একটি গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন, সুজয় শুভর বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ সম্পর্কে তিনি শুনেছেন, তাই তিনি মানববন্ধনে অংশ নিয়েছিলেন।
সাধনা হালদার আরও বলেন, ‘আমি সুজয় শুভকে চিনতাম। বিভিন্ন আন্দোলন তাকে সামনে থেকে নেতৃত্ব দিতে দেখেছি। গত কিছুদিন ধরে শুনতেছি- আমাদের সিনিয়র আপুরা তারা বলতেছে, তারা বিভিন্ন ধরণের যৌন নির্যাতনবা নিপীড়নের শিকার হইছে, ব্যাড টাচের শিকার হইছে, এই ধরণের ম্যানুপুলেশন বা ভিক্টিম ব্লেমিং এর শিকার হইছে। যখন শুনলাম একাধিক মানুষের কাছ থেকে তখন খুবই খারাপ লাগছে।’
মামলার বাদীপক্ষের দাবি, অভিযোগের সত্যতা যাচাই না করেই সাধারণ মানুষকে মানববন্ধনে অংশগ্রহণ করানো হয়েছে এবং তাদের ব্যবহার করে মিথ্যা তথ্য ছড়িয়ে একজন ছাত্রনেতার মানহানি করা হয়েছে। বিষয়টির সুষ্ঠু তদন্ত ও বিচার দাবি করেছেন বাদী সুজয় শুভ।
সুজয় আরও বলেন, রাজনৈতিক ও ব্যক্তিগত বিদ্বেষের জায়গা থেকে একটি সংঘবদ্ধ চক্র কিছুদিন ধরে আমার বিরদ্ধে অপপ্রচার চালিয়ে আসছে। তারা ফেইসবুকে নানা অসত্য, অসংলগ্ন ও ভিত্তিহীন অভিযোগ তুললেও কোনো অভিযোগের স্বপক্ষে ন্যূনতম প্রমাণ হাজির করতে পারেন নি। কাউকে হয়রানির উদ্দেশ্যে তথ্য, প্রমাণহীন ভুয়া অভিযোগ সাজিয়ে ভিকটিম কার্ড প্লে করা ; গুরুতর অন্যায় বলে মনে করি। এই অপতৎপরতার বিরুদ্ধে আমি আইনী ব্যবস্থা গ্রহণ করেছি। আমি চাই এই অসাধু চক্রের দ্বারা আর কেউ যেন হয়রানির শিকার না হয়, সেজন্য প্রচলিত আইনে মামলা করেছি।
এ সকল বিষয় বক্তব্য জানতে মামলার আসামি হুজাইফা রহমানের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে তাকে পাওয়া যায়নি।
জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) ছাত্রসংগঠন ‘ছাত্রশক্তি’র বিতর্কিত নেতা মারযুক আব্দুল্লাহ এবার বরিশালের একজন আলোচিত সাংবাদিকের বিরুদ্ধে অপপ্রচার শুরু করেছেন। বরিশাল মিডিয়া লিমিটেডের মালিকানাধীন ‘জনপ্রিয় নিউজপোর্টাল ‘বরিশালটাইমস.কমের প্রকাশক হাসিবুল ইসলামকে তিনি টার্গেট করেছেন। বহু অঘটন পটিয়াসি মারযুক গত ২ জুলাই বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতা পরিচয়ে কীর্তনখোলা তীর জনপদের শহর বরিশালের সিনিয়র সিটিজেন, নিরীহ অসংখ্য মানুষের বিরুদ্ধে মামলা করলে এনিয়ে তথ্যনির্ভর এবং সংশ্লিষ্ট পুলিশ প্রশাসনের বক্তব্যসহ একটি সংবাদ ‘‘বরিশাল ছাত্রশক্তি নেতার মামলা-বাণিজ্য, চাঁদাবাজি, সংক্ষুব্ধ বরিশালবাসী’’ শিরোনামে প্রকাশ করে বরিশালটাইমস। শনিবার (০৪ জুন) সন্ধ্যা ঠিক সাতটায় সংবাটি প্রকাশের ঘণ্টা দুয়েকের মাথায় টিবিএন ‘বরিশালটপনিউজ’ নামক একটি ফেসবুক পেইজ থেকে সাংবাদিক হাসিবুল ইসলামের ছবিসংবলিত একটি ফটোকার্ড পত্রিকার আদলে তৈরি করে তাতে টাইটেল দেন, ‘মারযুক আব্দুল্লাহর কাছে এক লক্ষ টাকা চাঁদা চাইলেন সাংবাদিক হাসিবুল ইসলাম। এবং টাকা না পেলে মারযুককে প্রাণনাশের হুমকি দেন বলেও ফটোকার্ডটির সাব টাইটেলে উল্লেখ করেন।
অহেতুক বিএনপির নারী কর্মীসহ ব্যবসায়ী নিরীহ মানুষের বিরুদ্ধে মিথ্যে মামলা দিয়ে কেনো হয়রানি করা হচ্ছে, এই বিষয়ে জানতে শুক্রবার বিকেলে ‘নিউজ এডিটরস কাউন্সিল’ বরিশালের সভাপতি হাসিবুল ইসলাম তার ব্যক্তিগত নম্বর থেকে ফোন করেন মারযুক আব্দুল্লাহকে। আলাপচারিতার একপর্যায়ে তিনি বরিশালটাইমসের প্রকাশক ও দৈনিক রূপালী বাংলাদেশের ব্যুরো চিফের সাথে মিথ্যের আশ্রয় নেন। তখন প্রতিবাদ করলে ছাত্রশক্তির বরিশাল মহানগর শাখার যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মারযুক উত্তেজিত হয়ে ওঠেন, বাধ্য হয়ে সাংবাদিক নেতাও উত্তপ্ত হন, এই মোবাইল কনভারসেশনের ১০ মিনিট ৩০ সেকেন্ডের একটি ভয়েস রেকডিং বরিশালটাইমস কর্তৃপক্ষের কাছে সংরক্ষিত আছে। এবং মারযুকের মতো অপরাধীর বিষয়ে বরিশাল পুলিশ প্রশাসনের শীর্ষমহলকে অবগত করা হয়।
সাংবাদিক হাসিবুল ইসলাম জানান, ‘বরিশালটপনিউজ’ নাম একটি ফেসবুক পেইজ থেকে আমার নামে অপপ্রচার চালিয়েছে, তা বরিশালের একাধিক পুলিশ কর্মকর্তা নিশ্চিত করেন। পাশাপাশি বরিশালের নাগরিক সমাজ এবং সাংবাদিকেরা এই অপপ্রচারের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে মারযুকের মতো চাঁদাবাজকে গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় আনতে আহ্বান রেখেছেন। প্রয়োজনে মামলাবাজের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থাগ্রণের পরামর্শও দিয়েছেন।
বাণিজ্য করতে গিয়ে বরিশাল শহরের অসংখ্য মানুষকে মামলায় জড়ানোর বিষয়টি ক্ষমতাসীন বিএনপিও ভালো ভাবে গ্রহণ করেনি। বরিশাল মেট্রোপলিটন আদালতের সরকারি আইন কর্মকর্তা এপিপি হাফিজ আহমেদ বাবলু মামলাটি নিয়ে ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেন। বিএনপিপন্থী এই আইনজীবী বলেন, মামলায় মিথ্যা তথ্য এবং মৃত ব্যক্তিকে আসামি করাটাও একটি অপরাধ। আমরা রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী, অথচ এই মামলাটি সম্পর্কে আমরা কেউ কিছু জানি না।
বিজ্ঞ আদালত বিএমপির উপ-পুলিশ কমিশনার মর্যাদার একজন কর্মকর্তাকে মামলার তদন্ত করে প্রতিবেদন দিতে বলেছেন। আমরা মনে করি, এ মামলাটির কতটুকু গ্রহণযোগ্যতা হবে এবং মামলার সত্যতা কতটুকু তা তদন্তে বেরিয়ে আসবে। এতে বাদীর কোনো অনিয়ম পেলে আদালত ব্যবস্থাগ্রহণ করতে পারে।
এত অপকর্ম করার পরে ছাত্রশক্তির মতো একটি রাজনৈতিক সংগঠনে কি ভাবে মারযুক আব্দুল্লাহ স্থান পায় তা নিয়েও রয়েছে বিস্তর প্রশ্ন। বিভিন্ন মাধ্যম যোগাযোগ করেও এই সংগঠনের কোনো নেতাকে না পেয়ে মারযুক সম্পর্কে জানতে যোগাযোগ করা হয়, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতাদের সাথে, তাদের একজন বরিশাল মহানগর কমিটির সাবেক আহ্বায়ক শহিদুল ইসলাম শাহেদ। এই ছাত্রনেতা বরিশালটাইমসকে জানান, পটুয়াখালীতে ডাকাতি করতে গিয়ে মারযুক সহযোগীসহ গ্রেপ্তার হন, এছাড়াও বিভিন্ন অপকর্মের কারণে তাকে সংগঠন থেকে বহিস্ককার করা হয়।
মূলত সংবাদে সব মহলের বক্তব্য তুলে ধরায় মারযুকের ধান্ধাফিকির বন্ধ হওয়ার উপক্রম হয়, এতে তিনি বেসামাল হয়ে সিনিয়র সাংবাদিকের ওপর চটলেন, এমনকি হাসিবুল ইসলামের ছবিসহ অপপ্রচার চালালেন। এক্ষেত্রে সাংবাদিক হাসিবুল ইসলামের মন্তব্য হচ্ছে, পূর্বের সংবাদে মামলা-বাণিজ্য বন্ধ হওয়ার সম্ভবনা শতভাগ, তাছাড়া নতুন করে আইনি জটিলতায়ও পড়তে পারেন মারযুক। সবশেষ যখন দেখলেন সংবাদ সরানোর কোনো সুযোগ পাচ্ছেন না তখনই ফেসবুকে আক্রমণ করলেন, যা সাংবাদিকের মানহানিকর এবং সাইবার অপরাধ হিসেবে বিবেচিত হয়।
অবশ্য এর আগে শুক্রবার বিকেলে মারযুকের হয়ে জনৈক সুলতান খান নামক ব্যক্তি হাসিবুল ইসলামকে ফোন দিয়ে হুমকি দেন। তখন তিনি কোথায় আছেন, জানতে চাইলে অকথ্য ভাষায় গালি দিয়ে ফোন কেটে দেন।
প্রথমে হুমকি এবং পরবর্তীতে ফেসবুকে বরিশালটাইমস এবং হাসিবুল ইসলামের বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালিয়ে কোনো লাভ নেই। সাংবাদিকেরা বলছেন, বরিশালটাইমস ও হাসিবুল ইসলামকে নিয়ে এরআগেও একাধিকবার ষড়যন্ত্র হয়েছে। স্বৈরাচার আওয়ামী লীগের মন্ত্রী-মেয়র-এমপিদের মামলায় তাকে কারাবন্দি থাকতে হয়েছে, কিন্তু বরিশালটাইমসের কণ্ঠরোধ করা যায়নি...।
জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) ছাত্রসংগঠন ‘ছাত্রশক্তি’র বিতর্কিত নেতা মারযুক আব্দুল্লাহ এবার বরিশালের একজন আলোচিত সাংবাদিকের বিরুদ্ধে অপপ্রচার শুরু করেছেন। বরিশাল মিডিয়া লিমিটেডের মালিকানাধীন ‘জনপ্রিয় নিউজপোর্টাল ‘বরিশালটাইমস.কমের প্রকাশক হাসিবুল ইসলামকে তিনি টার্গেট করেছেন। বহু অঘটন পটিয়াসি মারযুক গত ২ জুলাই বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতা পরিচয়ে কীর্তনখোলা তীর জনপদের শহর বরিশালের সিনিয়র সিটিজেন, নিরীহ অসংখ্য মানুষের বিরুদ্ধে মামলা করলে এনিয়ে তথ্যনির্ভর এবং সংশ্লিষ্ট পুলিশ প্রশাসনের বক্তব্যসহ একটি সংবাদ ‘‘বরিশাল ছাত্রশক্তি নেতার মামলা-বাণিজ্য, চাঁদাবাজি, সংক্ষুব্ধ বরিশালবাসী’’ শিরোনামে প্রকাশ করে বরিশালটাইমস। শনিবার (০৪ জুন) সন্ধ্যা ঠিক সাতটায় সংবাটি প্রকাশের ঘণ্টা দুয়েকের মাথায় টিবিএন ‘বরিশালটপনিউজ’ নামক একটি ফেসবুক পেইজ থেকে সাংবাদিক হাসিবুল ইসলামের ছবিসংবলিত একটি ফটোকার্ড পত্রিকার আদলে তৈরি করে তাতে টাইটেল দেন, ‘মারযুক আব্দুল্লাহর কাছে এক লক্ষ টাকা চাঁদা চাইলেন সাংবাদিক হাসিবুল ইসলাম। এবং টাকা না পেলে মারযুককে প্রাণনাশের হুমকি দেন বলেও ফটোকার্ডটির সাব টাইটেলে উল্লেখ করেন।
অহেতুক বিএনপির নারী কর্মীসহ ব্যবসায়ী নিরীহ মানুষের বিরুদ্ধে মিথ্যে মামলা দিয়ে কেনো হয়রানি করা হচ্ছে, এই বিষয়ে জানতে শুক্রবার বিকেলে ‘নিউজ এডিটরস কাউন্সিল’ বরিশালের সভাপতি হাসিবুল ইসলাম তার ব্যক্তিগত নম্বর থেকে ফোন করেন মারযুক আব্দুল্লাহকে। আলাপচারিতার একপর্যায়ে তিনি বরিশালটাইমসের প্রকাশক ও দৈনিক রূপালী বাংলাদেশের ব্যুরো চিফের সাথে মিথ্যের আশ্রয় নেন। তখন প্রতিবাদ করলে ছাত্রশক্তির বরিশাল মহানগর শাখার যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মারযুক উত্তেজিত হয়ে ওঠেন, বাধ্য হয়ে সাংবাদিক নেতাও উত্তপ্ত হন, এই মোবাইল কনভারসেশনের ১০ মিনিট ৩০ সেকেন্ডের একটি ভয়েস রেকডিং বরিশালটাইমস কর্তৃপক্ষের কাছে সংরক্ষিত আছে। এবং মারযুকের মতো অপরাধীর বিষয়ে বরিশাল পুলিশ প্রশাসনের শীর্ষমহলকে অবগত করা হয়।
সাংবাদিক হাসিবুল ইসলাম জানান, ‘বরিশালটপনিউজ’ নাম একটি ফেসবুক পেইজ থেকে আমার নামে অপপ্রচার চালিয়েছে, তা বরিশালের একাধিক পুলিশ কর্মকর্তা নিশ্চিত করেন। পাশাপাশি বরিশালের নাগরিক সমাজ এবং সাংবাদিকেরা এই অপপ্রচারের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে মারযুকের মতো চাঁদাবাজকে গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় আনতে আহ্বান রেখেছেন। প্রয়োজনে মামলাবাজের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থাগ্রণের পরামর্শও দিয়েছেন।
বাণিজ্য করতে গিয়ে বরিশাল শহরের অসংখ্য মানুষকে মামলায় জড়ানোর বিষয়টি ক্ষমতাসীন বিএনপিও ভালো ভাবে গ্রহণ করেনি। বরিশাল মেট্রোপলিটন আদালতের সরকারি আইন কর্মকর্তা এপিপি হাফিজ আহমেদ বাবলু মামলাটি নিয়ে ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেন। বিএনপিপন্থী এই আইনজীবী বলেন, মামলায় মিথ্যা তথ্য এবং মৃত ব্যক্তিকে আসামি করাটাও একটি অপরাধ। আমরা রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী, অথচ এই মামলাটি সম্পর্কে আমরা কেউ কিছু জানি না।
বিজ্ঞ আদালত বিএমপির উপ-পুলিশ কমিশনার মর্যাদার একজন কর্মকর্তাকে মামলার তদন্ত করে প্রতিবেদন দিতে বলেছেন। আমরা মনে করি, এ মামলাটির কতটুকু গ্রহণযোগ্যতা হবে এবং মামলার সত্যতা কতটুকু তা তদন্তে বেরিয়ে আসবে। এতে বাদীর কোনো অনিয়ম পেলে আদালত ব্যবস্থাগ্রহণ করতে পারে।
এত অপকর্ম করার পরে ছাত্রশক্তির মতো একটি রাজনৈতিক সংগঠনে কি ভাবে মারযুক আব্দুল্লাহ স্থান পায় তা নিয়েও রয়েছে বিস্তর প্রশ্ন। বিভিন্ন মাধ্যম যোগাযোগ করেও এই সংগঠনের কোনো নেতাকে না পেয়ে মারযুক সম্পর্কে জানতে যোগাযোগ করা হয়, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতাদের সাথে, তাদের একজন বরিশাল মহানগর কমিটির সাবেক আহ্বায়ক শহিদুল ইসলাম শাহেদ। এই ছাত্রনেতা বরিশালটাইমসকে জানান, পটুয়াখালীতে ডাকাতি করতে গিয়ে মারযুক সহযোগীসহ গ্রেপ্তার হন, এছাড়াও বিভিন্ন অপকর্মের কারণে তাকে সংগঠন থেকে বহিস্ককার করা হয়।
মূলত সংবাদে সব মহলের বক্তব্য তুলে ধরায় মারযুকের ধান্ধাফিকির বন্ধ হওয়ার উপক্রম হয়, এতে তিনি বেসামাল হয়ে সিনিয়র সাংবাদিকের ওপর চটলেন, এমনকি হাসিবুল ইসলামের ছবিসহ অপপ্রচার চালালেন। এক্ষেত্রে সাংবাদিক হাসিবুল ইসলামের মন্তব্য হচ্ছে, পূর্বের সংবাদে মামলা-বাণিজ্য বন্ধ হওয়ার সম্ভবনা শতভাগ, তাছাড়া নতুন করে আইনি জটিলতায়ও পড়তে পারেন মারযুক। সবশেষ যখন দেখলেন সংবাদ সরানোর কোনো সুযোগ পাচ্ছেন না তখনই ফেসবুকে আক্রমণ করলেন, যা সাংবাদিকের মানহানিকর এবং সাইবার অপরাধ হিসেবে বিবেচিত হয়।
অবশ্য এর আগে শুক্রবার বিকেলে মারযুকের হয়ে জনৈক সুলতান খান নামক ব্যক্তি হাসিবুল ইসলামকে ফোন দিয়ে হুমকি দেন। তখন তিনি কোথায় আছেন, জানতে চাইলে অকথ্য ভাষায় গালি দিয়ে ফোন কেটে দেন।
প্রথমে হুমকি এবং পরবর্তীতে ফেসবুকে বরিশালটাইমস এবং হাসিবুল ইসলামের বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালিয়ে কোনো লাভ নেই। সাংবাদিকেরা বলছেন, বরিশালটাইমস ও হাসিবুল ইসলামকে নিয়ে এরআগেও একাধিকবার ষড়যন্ত্র হয়েছে। স্বৈরাচার আওয়ামী লীগের মন্ত্রী-মেয়র-এমপিদের মামলায় তাকে কারাবন্দি থাকতে হয়েছে, কিন্তু বরিশালটাইমসের কণ্ঠরোধ করা যায়নি...।
অবৈধভাবে আত্মঘাতী ড্রেজার দিয়ে বালু উত্তোলনের খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছানোর পর পরই বালু খেকোরা হামলা চালিয়ে পিটিয়ে গুরুত্বর আহত করেছে এক সাংবাদিককে। এসময় তার সাথে থাকা ক্যামেরা ছিনিয়ে নিয়ে ভাঙচুর করে পুকুরের পানিতে ফেলে দিয়েছে হামলাকারীরা। হামলার ঘটনায় মামলা দায়েরের জন্য থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।
ঘটনাটি ঘটেছে শনিবার (৪ জুলাই) সকাল সাড়ে দশটার দিকে বরিশালের হিজলা উপজেলার গুয়াবাড়িয়া ইউনিয়নের পূর্ব কোড়ালিয়া গ্রামের জনৈক মোশারফ মিয়ার বাড়ির পশ্চিম পাশের পুকুর পাড়ে। হামলায় গুরুত্বর আহত সাংবাদিক মো. মাসুদ সরদার (৪০) পূর্ব কোড়ালিয়া গ্রামের আব্দুল মজিদ সরদারের ছেলে। তিনি হিজলা রিপোর্টার্স ইউনিটির সদস্য ও টাইমস্ অফ বরিশাল পত্রিকার হিজলা প্রতিনিধি।
শনিবার দুপুরে হিজলা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন গুরুত্বর আহত সাংবাদিক মাসুদ সরদার বলেন, স্থানীয় একাধিক ব্যক্তি তাকে অভিযোগ করে জানায়, কোড়ালিয়া গ্রামের জনৈক মোশারফ মিয়ার বাড়ির পশ্চিম পাশের পুকুরে কতিপয় বালু খেকোরা স্থানীয় প্রযুক্তিতে তৈরি অবৈধ ও পরিবেশ বিধ্বংসী বালু উত্তোলনের যন্ত্র আত্মঘাতী ড্রেজার বসিয়ে বালু উত্তোলন করছে। যত্রতত্র ভূগর্ভস্থ থেকে বালু উত্তোলনের ফলে আশেপাশের বসতবাড়ি, রাস্তাঘাট হুমকির মুখে পরেছে।
সাংবাদিক মাসুদ সরদার আরও বলেন, স্থানীয়দের কাছে এ খবর পেয়ে আমি ঘটনাস্থলে পৌঁছানোর সাথে সাথেই বালু খেকো তুষার মিয়াজী, আবুল বাশার, আল-আমিন মিয়াজী, ইমরান সরদার, মিজানুর রহমান, আবু-সাঈদ বাবু, আবু-আব্দুল্লাহ, আব্দুল্লাহ্ বিন কালামসহ তাদের সাথে থাকা অজ্ঞাতনামা আরও ৭/৮ জনে অর্তকিতভাবে হামলা চালায়।
হামলাকারীরা তাকে (মাসুদ) লাঠিপেটা করে গুরুত্বর আহত করে। এসময় হামলাকারীরা সাংবাদিক মাসুদ সরদারের সাথে থাকা ক্যামেরা জোরপূর্বক ছিনিয়ে নিয়ে ভাংচুর করে পানিতে ফেলে দেয়।
হামলার ব্যাপারে প্রধান অভিযুক্ত তুষার মিয়াজীর ব্যবহৃত মোবাইল ফোনে একাধিকবার যোগাযোগ করা হলেও তা বন্ধ থাকায় কোনধরনের বক্তব্য নেয়া সম্ভব হয়নি। তবে মামলা দায়েরের জন্য লিখিত এজাহারপ্রাপ্তির সত্যতা স্বীকার করে হিজলা থানার ওসি মো. সুলাইমান হোসেন বলেন, সাংবাদিক মাসুদ সরদারের দায়ের করা লিখিত অভিযোগ পেয়ে অভিযোগের তদন্তের জন্য তাৎক্ষনিক ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। তদন্ত শেষে এ ঘটনায় পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
অপরদিকে সাংবাদিক মাসুদ সরদারের ওপর বালু খেকোদের হামলার ঘটনায় তীব্র নিন্দা, প্রতিবাদ ও ক্ষোভ প্রকাশ করে অনতিবিলম্বে হামলাকারীদের গ্রেপ্তারপূর্বক দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন বাংলাদেশ মফস্বল সাংবাদিক ফোরামের কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি আহমেদ আবু জাফর, সাধারণ সম্পাদক লায়ন মো. আবুল হোসেনসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দরা।
অবৈধভাবে আত্মঘাতী ড্রেজার দিয়ে বালু উত্তোলনের খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছানোর পর পরই বালু খেকোরা হামলা চালিয়ে পিটিয়ে গুরুত্বর আহত করেছে এক সাংবাদিককে। এসময় তার সাথে থাকা ক্যামেরা ছিনিয়ে নিয়ে ভাঙচুর করে পুকুরের পানিতে ফেলে দিয়েছে হামলাকারীরা। হামলার ঘটনায় মামলা দায়েরের জন্য থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।
ঘটনাটি ঘটেছে শনিবার (৪ জুলাই) সকাল সাড়ে দশটার দিকে বরিশালের হিজলা উপজেলার গুয়াবাড়িয়া ইউনিয়নের পূর্ব কোড়ালিয়া গ্রামের জনৈক মোশারফ মিয়ার বাড়ির পশ্চিম পাশের পুকুর পাড়ে। হামলায় গুরুত্বর আহত সাংবাদিক মো. মাসুদ সরদার (৪০) পূর্ব কোড়ালিয়া গ্রামের আব্দুল মজিদ সরদারের ছেলে। তিনি হিজলা রিপোর্টার্স ইউনিটির সদস্য ও টাইমস্ অফ বরিশাল পত্রিকার হিজলা প্রতিনিধি।
শনিবার দুপুরে হিজলা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন গুরুত্বর আহত সাংবাদিক মাসুদ সরদার বলেন, স্থানীয় একাধিক ব্যক্তি তাকে অভিযোগ করে জানায়, কোড়ালিয়া গ্রামের জনৈক মোশারফ মিয়ার বাড়ির পশ্চিম পাশের পুকুরে কতিপয় বালু খেকোরা স্থানীয় প্রযুক্তিতে তৈরি অবৈধ ও পরিবেশ বিধ্বংসী বালু উত্তোলনের যন্ত্র আত্মঘাতী ড্রেজার বসিয়ে বালু উত্তোলন করছে। যত্রতত্র ভূগর্ভস্থ থেকে বালু উত্তোলনের ফলে আশেপাশের বসতবাড়ি, রাস্তাঘাট হুমকির মুখে পরেছে।
সাংবাদিক মাসুদ সরদার আরও বলেন, স্থানীয়দের কাছে এ খবর পেয়ে আমি ঘটনাস্থলে পৌঁছানোর সাথে সাথেই বালু খেকো তুষার মিয়াজী, আবুল বাশার, আল-আমিন মিয়াজী, ইমরান সরদার, মিজানুর রহমান, আবু-সাঈদ বাবু, আবু-আব্দুল্লাহ, আব্দুল্লাহ্ বিন কালামসহ তাদের সাথে থাকা অজ্ঞাতনামা আরও ৭/৮ জনে অর্তকিতভাবে হামলা চালায়।
হামলাকারীরা তাকে (মাসুদ) লাঠিপেটা করে গুরুত্বর আহত করে। এসময় হামলাকারীরা সাংবাদিক মাসুদ সরদারের সাথে থাকা ক্যামেরা জোরপূর্বক ছিনিয়ে নিয়ে ভাংচুর করে পানিতে ফেলে দেয়।
হামলার ব্যাপারে প্রধান অভিযুক্ত তুষার মিয়াজীর ব্যবহৃত মোবাইল ফোনে একাধিকবার যোগাযোগ করা হলেও তা বন্ধ থাকায় কোনধরনের বক্তব্য নেয়া সম্ভব হয়নি। তবে মামলা দায়েরের জন্য লিখিত এজাহারপ্রাপ্তির সত্যতা স্বীকার করে হিজলা থানার ওসি মো. সুলাইমান হোসেন বলেন, সাংবাদিক মাসুদ সরদারের দায়ের করা লিখিত অভিযোগ পেয়ে অভিযোগের তদন্তের জন্য তাৎক্ষনিক ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। তদন্ত শেষে এ ঘটনায় পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
অপরদিকে সাংবাদিক মাসুদ সরদারের ওপর বালু খেকোদের হামলার ঘটনায় তীব্র নিন্দা, প্রতিবাদ ও ক্ষোভ প্রকাশ করে অনতিবিলম্বে হামলাকারীদের গ্রেপ্তারপূর্বক দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন বাংলাদেশ মফস্বল সাংবাদিক ফোরামের কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি আহমেদ আবু জাফর, সাধারণ সম্পাদক লায়ন মো. আবুল হোসেনসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দরা।
০৫ জুলাই, ২০২৬ ১৬:০৫
০৫ জুলাই, ২০২৬ ১৫:১৯
০৫ জুলাই, ২০২৬ ১৪:৪৯
০৫ জুলাই, ২০২৬ ০০:২৪