ছোট বোনকে উত্ত্যক্ত করার ঘটনায় থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করে বাড়ি ফেরার পথে হামলার শিকার হয়েছেন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেত্রী বৈশাখী ইসলাম বর্ষা। ঘটনাটি নিয়ে দেশজুড়ে সমালোচনার পর ফরিদপুরের নগরকান্দা থানার ওসি মো. সফর আলীকে প্রত্যাহার করা হয়েছে।
শনিবার (৩১ মে) ফরিদপুরের পুলিশ সুপার এ আদেশ দেন। এর আগে, শুক্রবার (৩০ মে) দুপুরে নগরকান্দা উপজেলার ডাঙ্গী ইউনিয়নের ভাবুকদিয়া গ্রামে বর্ষার ওপর এ হামলা হয়। অভিযোগ রয়েছে, পূর্বপরিকল্পিতভাবে তাকে লক্ষ্য করে এ হামলা চালানো হয়।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বর্ষা থানায় অভিযোগ জমা দিয়ে বের হওয়ার কিছুক্ষণের মধ্যেই সেকেন গাজীর নেতৃত্বে একদল সশস্ত্র ব্যক্তি তার ওপর চড়াও হয়। রাস্তায় ফেলে মারধর করে এবং চুল ধরে টেনে হিঁচড়ে শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করা হয়।
এ সময় স্থানীয়রা এগিয়ে আসলে হামলাকারীরা পালিয়ে যায়। পরে বর্ষা ফেসবুক লাইভে এসে কান্নাজড়িত কণ্ঠে ঘটনার বিবরণ দিলে মুহূর্তেই বিষয়টি সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে অভিযান চালিয়ে ৫ জনকে আটক করে। তবে এই সময় পুলিশের ওপরও হামলা হয়, যাতে কনস্টেবল-ড্রাইভার হান্নু শরীফ আহত হন।
এ ঘটনার পরপরই বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতাকর্মী ও সাধারণ শিক্ষার্থীরা ভাবুকদিয়া বাজার এলাকায় সড়ক অবরোধ করে। এতে ফরিদপুর-বরিশাল আঞ্চলিক সড়কে যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। উত্তেজনাকর পরিস্থিতি মোকাবেলায় বিপুল সংখ্যক পুলিশ ও র্যাব মোতায়েন করা হয়। প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়, পরিস্থিতি এখন নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।
ফরিদপুরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অপরাধ) মো. শামসুল আজম বলেন, ‘প্রশাসনিক কারণে ওসি সফর আলীকে ফরিদপুর পুলিশ লাইনে ক্লোজড করা হয়েছে। শনিবার পুলিশ সুপার এই নির্দেশ দিয়েছেন।’
মো. সফর আলী ২০২৪ সালের ১৪ সেপ্টেম্বর নগরকান্দা থানার ওসি হিসেবে যোগ দেন। দায়িত্বকালেই কয়েকটি ঘটনার প্রেক্ষিতে স্থানীয় পর্যায়ে তার ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন দেখা দিয়েছিল, যা বর্ষার ওপর হামলার পর নতুন করে আলোচনায় এসেছে।

২৭ আগস্ট, ২০২৬ ১২:১০
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) ছাত্র-শিক্ষক সাংস্কৃতিক কেন্দ্রে (টিএসসিসি) একটি অনুষ্ঠানে চেয়ারে বসাকে কেন্দ্র করে দুই বিভাগের শিক্ষার্থীদের মধ্যে দফায় দফায় সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। ম্যানেজমেন্ট স্টাডিজ ও রসায়ন বিভাগের শিক্ষার্থীদের মধ্যকার এই সংঘর্ষে অন্তত চারজন আহত হয়েছেন।
বুধবার (২৬ আগস্ট) রাত ১০টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের নবাব আবদুল লতিফ হলের পেছনে এবং সংশ্লিষ্ট দুই বিভাগের একাডেমিক ভবনে এই সংঘর্ষ ও ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে। রাত ১২টায় এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত দুই বিভাগের শিক্ষার্থীরাই নিজ নিজ বিভাগের সামনে লাঠিসোঁটা নিয়ে অবস্থান করছিলেন এবং ক্যাম্পাসে চরম উত্তেজনা বিরাজ করছিল।
সংঘর্ষে আহত শিক্ষার্থীরা হলেন— রসায়ন বিভাগের ফেরদৌস হাসান, সাজিদুর, নোমান ও সামিন। তাঁদের মধ্যে ফেরদৌস ও সাজিদুরের অবস্থা গুরুতর। আহতদের উদ্ধার করে প্রথমে বিশ্ববিদ্যালয় চিকিৎসা কেন্দ্রে নেওয়া হয়। পরে সেখান থেকে তাদের রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
বিশ্ববিদ্যালয় চিকিৎসা কেন্দ্রের অতিরিক্ত প্রধান চিকিৎসক সাজিদ হাফিজ বলেন, ‘সংঘর্ষের ঘটনায় চারজন শিক্ষার্থী চিকিৎসা নিয়েছেন। এর মধ্যে দুজনের মাথায় ও চোখে গুরুতর আঘাত রয়েছে। প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাঁদের রামেক হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।’
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, টিএসসিসিতে আয়োজিত একটি অনুষ্ঠানে বসার চেয়ার নিয়ে ম্যানেজমেন্ট স্টাডিজ ও রসায়ন বিভাগের কয়েকজন শিক্ষার্থীর মধ্যে বাগ্বিতণ্ডা হয়। তাৎক্ষণিকভাবে বিষয়টি মীমাংসার চেষ্টা করা হলেও উত্তেজনা প্রশমিত হয়নি। এর একপর্যায়ে ম্যানেজমেন্ট স্টাডিজ বিভাগের কিছু শিক্ষার্থী নবাব আবদুল লতিফ হলের পেছনে রসায়ন বিভাগের শিক্ষার্থীদের ওপর হামলা চালান। এতে দুই শিক্ষার্থী আহত হন।
এই ঘটনার জের ধরে রসায়ন বিভাগের শিক্ষার্থীরা ম্যানেজমেন্ট স্টাডিজ বিভাগ অবস্থিত রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর একাডেমিক ভবনে হামলা চালিয়ে ভাঙচুর করেন। এ সময় ওই ভবনের ওপরতলা থেকে ম্যানেজমেন্টের শিক্ষার্থীরা ইটপাটকেল নিক্ষেপ করলে রসায়ন বিভাগের আরও দুই শিক্ষার্থী আহত হন। পরে পাল্টা ব্যবস্থা হিসেবে ম্যানেজমেন্ট স্টাডিজের শিক্ষার্থীরা রসায়ন বিভাগের একাডেমিক ভবন জাবির ইবনে হাইয়ান ভবনেও হামলা ও ভাঙচুর চালান।
বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী প্রক্টর অধ্যাপক রফিকুল ইসলাম বলেন, ‘একটি তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে দুই বিভাগের শিক্ষার্থীদের মধ্যে অনাকাঙ্ক্ষিত সংঘর্ষ ঘটেছে। এতে রসায়ন বিভাগের কয়েকজন আহত হয়েছেন, যার মধ্যে একজনকে হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। আমরা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার সর্বোচ্চ চেষ্টা করছি।’
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) ছাত্র-শিক্ষক সাংস্কৃতিক কেন্দ্রে (টিএসসিসি) একটি অনুষ্ঠানে চেয়ারে বসাকে কেন্দ্র করে দুই বিভাগের শিক্ষার্থীদের মধ্যে দফায় দফায় সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। ম্যানেজমেন্ট স্টাডিজ ও রসায়ন বিভাগের শিক্ষার্থীদের মধ্যকার এই সংঘর্ষে অন্তত চারজন আহত হয়েছেন।
বুধবার (২৬ আগস্ট) রাত ১০টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের নবাব আবদুল লতিফ হলের পেছনে এবং সংশ্লিষ্ট দুই বিভাগের একাডেমিক ভবনে এই সংঘর্ষ ও ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে। রাত ১২টায় এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত দুই বিভাগের শিক্ষার্থীরাই নিজ নিজ বিভাগের সামনে লাঠিসোঁটা নিয়ে অবস্থান করছিলেন এবং ক্যাম্পাসে চরম উত্তেজনা বিরাজ করছিল।
সংঘর্ষে আহত শিক্ষার্থীরা হলেন— রসায়ন বিভাগের ফেরদৌস হাসান, সাজিদুর, নোমান ও সামিন। তাঁদের মধ্যে ফেরদৌস ও সাজিদুরের অবস্থা গুরুতর। আহতদের উদ্ধার করে প্রথমে বিশ্ববিদ্যালয় চিকিৎসা কেন্দ্রে নেওয়া হয়। পরে সেখান থেকে তাদের রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
বিশ্ববিদ্যালয় চিকিৎসা কেন্দ্রের অতিরিক্ত প্রধান চিকিৎসক সাজিদ হাফিজ বলেন, ‘সংঘর্ষের ঘটনায় চারজন শিক্ষার্থী চিকিৎসা নিয়েছেন। এর মধ্যে দুজনের মাথায় ও চোখে গুরুতর আঘাত রয়েছে। প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাঁদের রামেক হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।’
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, টিএসসিসিতে আয়োজিত একটি অনুষ্ঠানে বসার চেয়ার নিয়ে ম্যানেজমেন্ট স্টাডিজ ও রসায়ন বিভাগের কয়েকজন শিক্ষার্থীর মধ্যে বাগ্বিতণ্ডা হয়। তাৎক্ষণিকভাবে বিষয়টি মীমাংসার চেষ্টা করা হলেও উত্তেজনা প্রশমিত হয়নি। এর একপর্যায়ে ম্যানেজমেন্ট স্টাডিজ বিভাগের কিছু শিক্ষার্থী নবাব আবদুল লতিফ হলের পেছনে রসায়ন বিভাগের শিক্ষার্থীদের ওপর হামলা চালান। এতে দুই শিক্ষার্থী আহত হন।
এই ঘটনার জের ধরে রসায়ন বিভাগের শিক্ষার্থীরা ম্যানেজমেন্ট স্টাডিজ বিভাগ অবস্থিত রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর একাডেমিক ভবনে হামলা চালিয়ে ভাঙচুর করেন। এ সময় ওই ভবনের ওপরতলা থেকে ম্যানেজমেন্টের শিক্ষার্থীরা ইটপাটকেল নিক্ষেপ করলে রসায়ন বিভাগের আরও দুই শিক্ষার্থী আহত হন। পরে পাল্টা ব্যবস্থা হিসেবে ম্যানেজমেন্ট স্টাডিজের শিক্ষার্থীরা রসায়ন বিভাগের একাডেমিক ভবন জাবির ইবনে হাইয়ান ভবনেও হামলা ও ভাঙচুর চালান।
বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী প্রক্টর অধ্যাপক রফিকুল ইসলাম বলেন, ‘একটি তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে দুই বিভাগের শিক্ষার্থীদের মধ্যে অনাকাঙ্ক্ষিত সংঘর্ষ ঘটেছে। এতে রসায়ন বিভাগের কয়েকজন আহত হয়েছেন, যার মধ্যে একজনকে হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। আমরা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার সর্বোচ্চ চেষ্টা করছি।’

২৭ আগস্ট, ২০২৬ ১১:১৩
গাইবান্ধার পুলিশ সুপারের বাসভবনের ব্যারাক থেকে হাবিবুর রহমান (৩৩) নামে এক পুলিশ সদস্যের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। ব্যারাকে স্ত্রীর সঙ্গে ভিডিও কলে থেকে ওই পুলিশ সদস্য আত্মহত্যা করেছেন বলে জানিয়েছে পুলিশ।
বুধবার (২৬ আগস্ট) সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে বিষয়টি ঢাকা পোস্টকে নিশ্চিত করেছেন গাইবান্ধার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (বি সার্কেল) শেখ মুত্তাজুল ইসলাম।
এদিন বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে পুলিশ সুপার জসিম উদ্দিনের শহরের সরকারি বাসভবনের ব্যারাক থেকে ওই পুলিশ সদস্যের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
নিহত হাবিবুর রহমানের বাড়ি নীলফামারী সদর উপজেলার সরদারপাড়ায়। তিনি ওই এলাকার মন্টু মিয়ার ছেলে। তার ৫-৭ বছরের একটি ছেলে সন্তান রয়েছে বলে জানা গেছে।
পুলিশ সূত্র জানায়, ঢাকা থেকে গত ১২ আগস্ট গাইবান্ধা পুলিশ সুপারের বাংলোতে গার্ডে যোগদান করেন হাবিবুর রহমান। সেখানে আরও কয়েকজন পুলিশ সদস্য দায়িত্ব পালন করেন। আজ বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে ব্যারাকের ওয়াশরুমের দরজা দীর্ঘ সময় বন্ধ পান অন্য সদস্যরা। পরে সন্দেহ হলে ব্যারাকের গার্ড কমান্ডার সোহেল মিয়া তাকে কয়েকবার ডাকেন। এতে সাড়া না মেলায় কয়েকজনকে সঙ্গে নিয়ে ওয়াশরুমের দরজায় ধাক্কা দিয়ে দরজা খুললে ভেতরে প্রবেশ করে হাবিবুরকে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখা যায়। হাবিবুর গলায় গামছা প্যাঁচিয়ে ভবনের রডের সাথে ঝুলছিল। পরে তাকে মৃত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়। পরে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সাব্বির হোসেনের উপস্থিতিতে মরদেহের সুরতহাল রিপোর্ট করে পুলিশ।
গাইবান্ধা সদর থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নাজমুল ঢাকা পোস্টকে বলেন, দুপুরে মোবাইল ফোনে হাবিবুর তার স্ত্রীর সাথে ভিডিও কলে ঝগড়া করছিল। ঝগড়ার একপর্যায়ে সে ওয়াশরুমে প্রবেশ করে এবং স্ত্রীর সাথে ভিডিও কলে থেকে আত্মহত্যা করে।
তিনি বলেন, এটি চরম দুঃখজনক। হাবিবুরের উগ্রতা দেখে তার স্ত্রী আমাদের জানাতে পারতেন অথবা ৯৯৯ নম্বরেও হেল্প চাইতে পারতেন। নিহত হাবিবুর আজ রোজা ছিলেন। তার পরিবারের সদস্যরা আসছেন বলেও জানান ওসি।
গাইবান্ধার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (বি সার্কেল) শেখ মুত্তাজুল ইসলাম ঢাকা পোস্টকে বলেন, বিকেল সাড়ে ৩টার আগে/পরে ওয়াশরুমে গলায় গামছা প্যাঁচিয়ে আত্মহত্যা করেন নায়েক হাবিবুর রহমান। পরে মরদেহ উদ্ধার করে ম্যাজিস্ট্রেটের উপস্থিতিতে সুরতহাল করা হয়। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য গাইবান্ধা জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হচ্ছে।
তিনি বলেন, পারিবারিক কলহ থেকে এই আত্মহত্যা ঘটিয়েছে বলে আমরা প্রাথমিকভাবে জানতে পেরেছি। ঘটনাটি তদন্ত করা হচ্ছে।
গাইবান্ধার পুলিশ সুপারের বাসভবনের ব্যারাক থেকে হাবিবুর রহমান (৩৩) নামে এক পুলিশ সদস্যের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। ব্যারাকে স্ত্রীর সঙ্গে ভিডিও কলে থেকে ওই পুলিশ সদস্য আত্মহত্যা করেছেন বলে জানিয়েছে পুলিশ।
বুধবার (২৬ আগস্ট) সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে বিষয়টি ঢাকা পোস্টকে নিশ্চিত করেছেন গাইবান্ধার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (বি সার্কেল) শেখ মুত্তাজুল ইসলাম।
এদিন বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে পুলিশ সুপার জসিম উদ্দিনের শহরের সরকারি বাসভবনের ব্যারাক থেকে ওই পুলিশ সদস্যের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
নিহত হাবিবুর রহমানের বাড়ি নীলফামারী সদর উপজেলার সরদারপাড়ায়। তিনি ওই এলাকার মন্টু মিয়ার ছেলে। তার ৫-৭ বছরের একটি ছেলে সন্তান রয়েছে বলে জানা গেছে।
পুলিশ সূত্র জানায়, ঢাকা থেকে গত ১২ আগস্ট গাইবান্ধা পুলিশ সুপারের বাংলোতে গার্ডে যোগদান করেন হাবিবুর রহমান। সেখানে আরও কয়েকজন পুলিশ সদস্য দায়িত্ব পালন করেন। আজ বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে ব্যারাকের ওয়াশরুমের দরজা দীর্ঘ সময় বন্ধ পান অন্য সদস্যরা। পরে সন্দেহ হলে ব্যারাকের গার্ড কমান্ডার সোহেল মিয়া তাকে কয়েকবার ডাকেন। এতে সাড়া না মেলায় কয়েকজনকে সঙ্গে নিয়ে ওয়াশরুমের দরজায় ধাক্কা দিয়ে দরজা খুললে ভেতরে প্রবেশ করে হাবিবুরকে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখা যায়। হাবিবুর গলায় গামছা প্যাঁচিয়ে ভবনের রডের সাথে ঝুলছিল। পরে তাকে মৃত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়। পরে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সাব্বির হোসেনের উপস্থিতিতে মরদেহের সুরতহাল রিপোর্ট করে পুলিশ।
গাইবান্ধা সদর থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নাজমুল ঢাকা পোস্টকে বলেন, দুপুরে মোবাইল ফোনে হাবিবুর তার স্ত্রীর সাথে ভিডিও কলে ঝগড়া করছিল। ঝগড়ার একপর্যায়ে সে ওয়াশরুমে প্রবেশ করে এবং স্ত্রীর সাথে ভিডিও কলে থেকে আত্মহত্যা করে।
তিনি বলেন, এটি চরম দুঃখজনক। হাবিবুরের উগ্রতা দেখে তার স্ত্রী আমাদের জানাতে পারতেন অথবা ৯৯৯ নম্বরেও হেল্প চাইতে পারতেন। নিহত হাবিবুর আজ রোজা ছিলেন। তার পরিবারের সদস্যরা আসছেন বলেও জানান ওসি।
গাইবান্ধার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (বি সার্কেল) শেখ মুত্তাজুল ইসলাম ঢাকা পোস্টকে বলেন, বিকেল সাড়ে ৩টার আগে/পরে ওয়াশরুমে গলায় গামছা প্যাঁচিয়ে আত্মহত্যা করেন নায়েক হাবিবুর রহমান। পরে মরদেহ উদ্ধার করে ম্যাজিস্ট্রেটের উপস্থিতিতে সুরতহাল করা হয়। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য গাইবান্ধা জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হচ্ছে।
তিনি বলেন, পারিবারিক কলহ থেকে এই আত্মহত্যা ঘটিয়েছে বলে আমরা প্রাথমিকভাবে জানতে পেরেছি। ঘটনাটি তদন্ত করা হচ্ছে।

২৭ আগস্ট, ২০২৬ ১১:০০
সাভারের ‘চাইল্ড অ্যান্ড ওল্ড এজ কেয়ার’ নামের একটি আশ্রমে এক অসহায় বৃদ্ধাকে পৌঁছে দিতে গিয়ে সাংবাদিক ও কনটেন্ট ক্রিয়েটরকে আটকে রেখে মারধরের অভিযোগ উঠেছে প্রতিষ্ঠানটির চেয়ারম্যান মিল্টন সমাদ্দার ও তার কর্মীদের বিরুদ্ধে।
ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত, দায়ীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা এবং প্রতিষ্ঠানটির কার্যক্রমে সরকারি তদারকির দাবিতে বুধবার (২৬ আগস্ট) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মধুর ক্যান্টিনের সামনে সংবাদ সম্মেলন করেছেন ভুক্তভোগীরা।
সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন হামলার অভিযোগকারী ঢাকা মেইলের মাল্টিমিডিয়া রিপোর্টার ইলিয়াস হোসেন ও উজান টিভির কনটেন্ট ক্রিয়েটর নাহিদ হাসান। তারা ঘটনার বিস্তারিত তুলে ধরেন।
ভুক্তভোগীদের দাবি, মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) দিবাগত রাত আড়াইটার দিকে বাগেরহাটের শরণখোলা থেকে উদ্ধার করা এক অসহায় বৃদ্ধাকে নিয়ে তারা সাভারের ওই আশ্রমে যান। সেখানে পৌঁছানোর পর আশ্রমের চেয়ারম্যান মিল্টন সমাদ্দার ও তার কর্মীরা তাদের সঙ্গে অসদাচরণ করেন। একপর্যায়ে তাদের ওপর হামলা চালানো হয় এবং আশ্রমের ভেতরে আটকে রেখে মারধর করা হয় বলে অভিযোগ করেন তারা।
ইলিয়াস হোসেন ও নাহিদ হাসান জানান, হামলার ঘটনায় তাদের কাছে একটি অডিও রেকর্ড রয়েছে। ঘটনার সুষ্ঠু তদন্তের পাশাপাশি আশ্রমটির কার্যক্রমে সরকারি তদারকি এবং অভিযোগের সত্যতা যাচাই করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান তারা।
ভুক্তভোগীদের ভাষ্য অনুযায়ী, ঘটনার সূত্রপাত বাগেরহাটের শরণখোলা উপজেলায়। গত ২৩ আগস্ট সেখানে মাথায় গুরুতর ক্ষত ও পোকায় আক্রান্ত অবস্থায় এক বেওয়ারিশ বৃদ্ধাকে উদ্ধার করা হয়। পরে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়ার পর উপজেলা সমাজসেবা কার্যালয়ের অনুদানের মাধ্যমে তাকে ঢাকায় মিল্টন সমাদ্দারের প্রতিষ্ঠানে পাঠানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়।
তাদের অভিযোগ, ওই বৃদ্ধাকে আশ্রমে নেওয়ার বিষয়ে কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে শুরু থেকেই বিনামূল্যে আশ্রয় দেওয়ার বিষয়ে আপত্তি জানানো হয়। এ সময় বৃদ্ধার জন্য মাসে ১৮ হাজার টাকা খরচ দাবি করা হয়েছে বলেও সংবাদ সম্মেলনে অভিযোগ করেন তারা।
ভুক্তভোগীরা আরও দাবি করেন, বৃদ্ধাকে আশ্রমে পৌঁছে দেওয়ার পর বিষয়টি নিয়ে কথা বলার একপর্যায়ে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। এরপর মিল্টন সমাদ্দার ও তার কর্মীরা তাদের ওপর হামলা করেন এবং কিছু সময়ের জন্য আশ্রমের ভেতরে আটকে রাখেন।
তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে জানতে মিল্টন সমাদ্দার ও আশ্রম কর্তৃপক্ষকে একাধিকবার ফোন করেও পাওয়া যায়নি।
সাভারের ‘চাইল্ড অ্যান্ড ওল্ড এজ কেয়ার’ নামের একটি আশ্রমে এক অসহায় বৃদ্ধাকে পৌঁছে দিতে গিয়ে সাংবাদিক ও কনটেন্ট ক্রিয়েটরকে আটকে রেখে মারধরের অভিযোগ উঠেছে প্রতিষ্ঠানটির চেয়ারম্যান মিল্টন সমাদ্দার ও তার কর্মীদের বিরুদ্ধে।
ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত, দায়ীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা এবং প্রতিষ্ঠানটির কার্যক্রমে সরকারি তদারকির দাবিতে বুধবার (২৬ আগস্ট) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মধুর ক্যান্টিনের সামনে সংবাদ সম্মেলন করেছেন ভুক্তভোগীরা।
সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন হামলার অভিযোগকারী ঢাকা মেইলের মাল্টিমিডিয়া রিপোর্টার ইলিয়াস হোসেন ও উজান টিভির কনটেন্ট ক্রিয়েটর নাহিদ হাসান। তারা ঘটনার বিস্তারিত তুলে ধরেন।
ভুক্তভোগীদের দাবি, মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) দিবাগত রাত আড়াইটার দিকে বাগেরহাটের শরণখোলা থেকে উদ্ধার করা এক অসহায় বৃদ্ধাকে নিয়ে তারা সাভারের ওই আশ্রমে যান। সেখানে পৌঁছানোর পর আশ্রমের চেয়ারম্যান মিল্টন সমাদ্দার ও তার কর্মীরা তাদের সঙ্গে অসদাচরণ করেন। একপর্যায়ে তাদের ওপর হামলা চালানো হয় এবং আশ্রমের ভেতরে আটকে রেখে মারধর করা হয় বলে অভিযোগ করেন তারা।
ইলিয়াস হোসেন ও নাহিদ হাসান জানান, হামলার ঘটনায় তাদের কাছে একটি অডিও রেকর্ড রয়েছে। ঘটনার সুষ্ঠু তদন্তের পাশাপাশি আশ্রমটির কার্যক্রমে সরকারি তদারকি এবং অভিযোগের সত্যতা যাচাই করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান তারা।
ভুক্তভোগীদের ভাষ্য অনুযায়ী, ঘটনার সূত্রপাত বাগেরহাটের শরণখোলা উপজেলায়। গত ২৩ আগস্ট সেখানে মাথায় গুরুতর ক্ষত ও পোকায় আক্রান্ত অবস্থায় এক বেওয়ারিশ বৃদ্ধাকে উদ্ধার করা হয়। পরে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়ার পর উপজেলা সমাজসেবা কার্যালয়ের অনুদানের মাধ্যমে তাকে ঢাকায় মিল্টন সমাদ্দারের প্রতিষ্ঠানে পাঠানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়।
তাদের অভিযোগ, ওই বৃদ্ধাকে আশ্রমে নেওয়ার বিষয়ে কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে শুরু থেকেই বিনামূল্যে আশ্রয় দেওয়ার বিষয়ে আপত্তি জানানো হয়। এ সময় বৃদ্ধার জন্য মাসে ১৮ হাজার টাকা খরচ দাবি করা হয়েছে বলেও সংবাদ সম্মেলনে অভিযোগ করেন তারা।
ভুক্তভোগীরা আরও দাবি করেন, বৃদ্ধাকে আশ্রমে পৌঁছে দেওয়ার পর বিষয়টি নিয়ে কথা বলার একপর্যায়ে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। এরপর মিল্টন সমাদ্দার ও তার কর্মীরা তাদের ওপর হামলা করেন এবং কিছু সময়ের জন্য আশ্রমের ভেতরে আটকে রাখেন।
তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে জানতে মিল্টন সমাদ্দার ও আশ্রম কর্তৃপক্ষকে একাধিকবার ফোন করেও পাওয়া যায়নি।

০১ জুন, ২০২৫ ১২:৫৭
ছোট বোনকে উত্ত্যক্ত করার ঘটনায় থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করে বাড়ি ফেরার পথে হামলার শিকার হয়েছেন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেত্রী বৈশাখী ইসলাম বর্ষা। ঘটনাটি নিয়ে দেশজুড়ে সমালোচনার পর ফরিদপুরের নগরকান্দা থানার ওসি মো. সফর আলীকে প্রত্যাহার করা হয়েছে।
শনিবার (৩১ মে) ফরিদপুরের পুলিশ সুপার এ আদেশ দেন। এর আগে, শুক্রবার (৩০ মে) দুপুরে নগরকান্দা উপজেলার ডাঙ্গী ইউনিয়নের ভাবুকদিয়া গ্রামে বর্ষার ওপর এ হামলা হয়। অভিযোগ রয়েছে, পূর্বপরিকল্পিতভাবে তাকে লক্ষ্য করে এ হামলা চালানো হয়।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বর্ষা থানায় অভিযোগ জমা দিয়ে বের হওয়ার কিছুক্ষণের মধ্যেই সেকেন গাজীর নেতৃত্বে একদল সশস্ত্র ব্যক্তি তার ওপর চড়াও হয়। রাস্তায় ফেলে মারধর করে এবং চুল ধরে টেনে হিঁচড়ে শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করা হয়।
এ সময় স্থানীয়রা এগিয়ে আসলে হামলাকারীরা পালিয়ে যায়। পরে বর্ষা ফেসবুক লাইভে এসে কান্নাজড়িত কণ্ঠে ঘটনার বিবরণ দিলে মুহূর্তেই বিষয়টি সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে অভিযান চালিয়ে ৫ জনকে আটক করে। তবে এই সময় পুলিশের ওপরও হামলা হয়, যাতে কনস্টেবল-ড্রাইভার হান্নু শরীফ আহত হন।
এ ঘটনার পরপরই বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতাকর্মী ও সাধারণ শিক্ষার্থীরা ভাবুকদিয়া বাজার এলাকায় সড়ক অবরোধ করে। এতে ফরিদপুর-বরিশাল আঞ্চলিক সড়কে যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। উত্তেজনাকর পরিস্থিতি মোকাবেলায় বিপুল সংখ্যক পুলিশ ও র্যাব মোতায়েন করা হয়। প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়, পরিস্থিতি এখন নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।
ফরিদপুরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অপরাধ) মো. শামসুল আজম বলেন, ‘প্রশাসনিক কারণে ওসি সফর আলীকে ফরিদপুর পুলিশ লাইনে ক্লোজড করা হয়েছে। শনিবার পুলিশ সুপার এই নির্দেশ দিয়েছেন।’
মো. সফর আলী ২০২৪ সালের ১৪ সেপ্টেম্বর নগরকান্দা থানার ওসি হিসেবে যোগ দেন। দায়িত্বকালেই কয়েকটি ঘটনার প্রেক্ষিতে স্থানীয় পর্যায়ে তার ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন দেখা দিয়েছিল, যা বর্ষার ওপর হামলার পর নতুন করে আলোচনায় এসেছে।
২৭ আগস্ট, ২০২৬ ২১:৫৫
২৭ আগস্ট, ২০২৬ ২১:১৫
২৭ আগস্ট, ২০২৬ ২০:৩৬
২৭ আগস্ট, ২০২৬ ২০:১৮