
২২ নভেম্বর, ২০২৫ ১৩:০২
ভারতের দক্ষিণের রাজ্য কর্ণাটকে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কর্মকর্তা সেজে ৭ কোটি রুপি (বাংলাদেশি মুদ্রায় ৯ কোটি ৮৬ লাখ টাকা) বহনকারী একটি গাড়ি থামিয়ে অর্থ লুট করেছে সশস্ত্র গোষ্ঠীরা। বুধবার (২১ নভেম্বর) প্রকাশ্য দিবালোকেই কর্ণাটকের বেঙ্গালুরুতে এই দুর্ধর্ষ ডাকাতির ঘটনা ঘটে।
বেঙ্গালুরুর পুলিশ কমিশনার সীমান্ত কুমার সিং ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসিকে জানান, নগরীর ব্যস্ত রাস্তায় একটি এসইউভি গাড়িতে করে আসা ছয় ব্যক্তি ওই অর্থ–বহনকারী ভ্যানটি থামাতে বলেন। ভ্যানটি একটি ব্যাংকের এক শাখা থেকে অন্য শাখায় নগদ টাকা নিয়ে যাচ্ছিল। ভ্যানে ছিলেন চালক, একজন তত্ত্বাবধায়ক এবং দুজন সশস্ত্র নিরাপত্তারক্ষী। ডাকাতরা ভ্যানের আরোহীদের কাছে নিজেদের ভারতীয় রিজার্ভ ব্যাংকের কর্মকর্তা বলে পরিচয় দেন। এত বিপুল পরিমাণ অর্থ পরিবহনের জন্য সঠিক কাগজপত্র আছে কি–না, তা যাচাই করতে হবে বলে জানান।
আশপাশে সিসিটিভি না থাকায় ঘটনাস্থলের কোনো ভিডিও পাওয়া যায়নি। ডাকাতরা এ অভিযানে একাধিক গাড়ি ব্যবহার করেছে কি–না, সেটি খতিয়ে দেখছে পুলিশ। অর্থ–বহনকারী প্রতিষ্ঠান থানায় মামলা করেছে।
এক পুলিশ কর্মকর্তা বিবিসিকে বলেন, ‘ডাকাতরা যে এসইউভিটি ব্যবহার করেছে, তাতে ছিল ভুয়া নম্বর প্লেট ও গভর্নমেন্ট অব ইন্ডিয়া লেখা স্টিকার। কোম্পানির কোনো কর্মীও ঘটনাটির সঙ্গে জড়িত থাকতে পারেন বলে সন্দেহ করা হচ্ছে।’
কর্ণাটকের মুখ্যমন্ত্রী সিদ্দারামাইয়া জানিয়েছেন, পুলিশ ডাকাতদের ব্যবহৃত এসইউভিটি উদ্ধার করেছে। তবে রাজ্যের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জি. পরমেশ্বর বলেছেন, সন্দেহভাজনরা কোন গাড়িতে করে শেষ পর্যন্ত পালিয়েছে, তা এখনো পরিষ্কার নয়। ডাকাতরা গাড়ি বদল করে টাকা সরিয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। সাম্প্রতিক আরও কয়েকটি বড় ব্যাংক ডাকাতির তদন্ত যেমন সফল হয়েছে, এটিও হবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।
এর আগে গত মে মাসে বিজয়পুরা জেলার একটি ব্যাংক থেকে ডুপ্লিকেট চাবি ব্যবহার করে ৫৯ কেজি সোনা চুরি হয়েছিল। যার মূল্য প্রায় ৫৩ কোটি রুপি। পরে পুলিশ ৩৯ কেজি সোনা ও কিছু নগদ টাকা উদ্ধার করে এবং সাবেক দুই ব্যাংককর্মীসহ ১৫ জনকে গ্রেফতার করে।
এরপর ডাকাতরা নগদ অর্থ তত্ত্বাবধায়ক ও দুই রক্ষীকে তাদের অস্ত্র ভ্যানে রেখে এসইউভিতে ওঠার নির্দেশ দেয়। চালককে বলা হয় নগদ অর্থসহ ভ্যানটি সামনে এগিয়ে নিতে। এসইউভিটি কয়েক কিলোমিটার ধরে ভ্যানটির পেছনে আসে। একপর্যায়ে ডাকাতরা চালককে ভ্যান থেকে নামিয়ে দেয়। আর এসইউভি থেকে নামানো হয় ওই তত্ত্বাবধায়ক এবং দুই রক্ষীকে। এরপর অস্ত্রের মুখে ভ্যান থেকে টাকা নিজেদের গাড়িতে তুলে নেয় ডাকাতরা।
আশপাশে সিসিটিভি না থাকায় ঘটনাস্থলের কোনো ভিডিও পাওয়া যায়নি। ডাকাতরা এ অভিযানে একাধিক গাড়ি ব্যবহার করেছে কি–না, সেটি খতিয়ে দেখছে পুলিশ। অর্থ–বহনকারী প্রতিষ্ঠান থানায় মামলা করেছে।
এক পুলিশ কর্মকর্তা বিবিসিকে বলেন, ‘ডাকাতরা যে এসইউভিটি ব্যবহার করেছে, তাতে ছিল ভুয়া নম্বর প্লেট ও গভর্নমেন্ট অব ইন্ডিয়া লেখা স্টিকার। কোম্পানির কোনো কর্মীও ঘটনাটির সঙ্গে জড়িত থাকতে পারেন বলে সন্দেহ করা হচ্ছে।’
কর্ণাটকের মুখ্যমন্ত্রী সিদ্দারামাইয়া জানিয়েছেন, পুলিশ ডাকাতদের ব্যবহৃত এসইউভিটি উদ্ধার করেছে। তবে রাজ্যের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জি. পরমেশ্বর বলেছেন, সন্দেহভাজনরা কোন গাড়িতে করে শেষ পর্যন্ত পালিয়েছে, তা এখনো পরিষ্কার নয়। ডাকাতরা গাড়ি বদল করে টাকা সরিয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। সাম্প্রতিক আরও কয়েকটি বড় ব্যাংক ডাকাতির তদন্ত যেমন সফল হয়েছে, এটিও হবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।
এর আগে গত মে মাসে বিজয়পুরা জেলার একটি ব্যাংক থেকে ডুপ্লিকেট চাবি ব্যবহার করে ৫৯ কেজি সোনা চুরি হয়েছিল। যার মূল্য প্রায় ৫৩ কোটি রুপি। পরে পুলিশ ৩৯ কেজি সোনা ও কিছু নগদ টাকা উদ্ধার করে এবং সাবেক দুই ব্যাংককর্মীসহ ১৫ জনকে গ্রেফতার করে।
ভারতের দক্ষিণের রাজ্য কর্ণাটকে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কর্মকর্তা সেজে ৭ কোটি রুপি (বাংলাদেশি মুদ্রায় ৯ কোটি ৮৬ লাখ টাকা) বহনকারী একটি গাড়ি থামিয়ে অর্থ লুট করেছে সশস্ত্র গোষ্ঠীরা। বুধবার (২১ নভেম্বর) প্রকাশ্য দিবালোকেই কর্ণাটকের বেঙ্গালুরুতে এই দুর্ধর্ষ ডাকাতির ঘটনা ঘটে।
বেঙ্গালুরুর পুলিশ কমিশনার সীমান্ত কুমার সিং ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসিকে জানান, নগরীর ব্যস্ত রাস্তায় একটি এসইউভি গাড়িতে করে আসা ছয় ব্যক্তি ওই অর্থ–বহনকারী ভ্যানটি থামাতে বলেন। ভ্যানটি একটি ব্যাংকের এক শাখা থেকে অন্য শাখায় নগদ টাকা নিয়ে যাচ্ছিল। ভ্যানে ছিলেন চালক, একজন তত্ত্বাবধায়ক এবং দুজন সশস্ত্র নিরাপত্তারক্ষী। ডাকাতরা ভ্যানের আরোহীদের কাছে নিজেদের ভারতীয় রিজার্ভ ব্যাংকের কর্মকর্তা বলে পরিচয় দেন। এত বিপুল পরিমাণ অর্থ পরিবহনের জন্য সঠিক কাগজপত্র আছে কি–না, তা যাচাই করতে হবে বলে জানান।
আশপাশে সিসিটিভি না থাকায় ঘটনাস্থলের কোনো ভিডিও পাওয়া যায়নি। ডাকাতরা এ অভিযানে একাধিক গাড়ি ব্যবহার করেছে কি–না, সেটি খতিয়ে দেখছে পুলিশ। অর্থ–বহনকারী প্রতিষ্ঠান থানায় মামলা করেছে।
এক পুলিশ কর্মকর্তা বিবিসিকে বলেন, ‘ডাকাতরা যে এসইউভিটি ব্যবহার করেছে, তাতে ছিল ভুয়া নম্বর প্লেট ও গভর্নমেন্ট অব ইন্ডিয়া লেখা স্টিকার। কোম্পানির কোনো কর্মীও ঘটনাটির সঙ্গে জড়িত থাকতে পারেন বলে সন্দেহ করা হচ্ছে।’
কর্ণাটকের মুখ্যমন্ত্রী সিদ্দারামাইয়া জানিয়েছেন, পুলিশ ডাকাতদের ব্যবহৃত এসইউভিটি উদ্ধার করেছে। তবে রাজ্যের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জি. পরমেশ্বর বলেছেন, সন্দেহভাজনরা কোন গাড়িতে করে শেষ পর্যন্ত পালিয়েছে, তা এখনো পরিষ্কার নয়। ডাকাতরা গাড়ি বদল করে টাকা সরিয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। সাম্প্রতিক আরও কয়েকটি বড় ব্যাংক ডাকাতির তদন্ত যেমন সফল হয়েছে, এটিও হবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।
এর আগে গত মে মাসে বিজয়পুরা জেলার একটি ব্যাংক থেকে ডুপ্লিকেট চাবি ব্যবহার করে ৫৯ কেজি সোনা চুরি হয়েছিল। যার মূল্য প্রায় ৫৩ কোটি রুপি। পরে পুলিশ ৩৯ কেজি সোনা ও কিছু নগদ টাকা উদ্ধার করে এবং সাবেক দুই ব্যাংককর্মীসহ ১৫ জনকে গ্রেফতার করে।
এরপর ডাকাতরা নগদ অর্থ তত্ত্বাবধায়ক ও দুই রক্ষীকে তাদের অস্ত্র ভ্যানে রেখে এসইউভিতে ওঠার নির্দেশ দেয়। চালককে বলা হয় নগদ অর্থসহ ভ্যানটি সামনে এগিয়ে নিতে। এসইউভিটি কয়েক কিলোমিটার ধরে ভ্যানটির পেছনে আসে। একপর্যায়ে ডাকাতরা চালককে ভ্যান থেকে নামিয়ে দেয়। আর এসইউভি থেকে নামানো হয় ওই তত্ত্বাবধায়ক এবং দুই রক্ষীকে। এরপর অস্ত্রের মুখে ভ্যান থেকে টাকা নিজেদের গাড়িতে তুলে নেয় ডাকাতরা।
আশপাশে সিসিটিভি না থাকায় ঘটনাস্থলের কোনো ভিডিও পাওয়া যায়নি। ডাকাতরা এ অভিযানে একাধিক গাড়ি ব্যবহার করেছে কি–না, সেটি খতিয়ে দেখছে পুলিশ। অর্থ–বহনকারী প্রতিষ্ঠান থানায় মামলা করেছে।
এক পুলিশ কর্মকর্তা বিবিসিকে বলেন, ‘ডাকাতরা যে এসইউভিটি ব্যবহার করেছে, তাতে ছিল ভুয়া নম্বর প্লেট ও গভর্নমেন্ট অব ইন্ডিয়া লেখা স্টিকার। কোম্পানির কোনো কর্মীও ঘটনাটির সঙ্গে জড়িত থাকতে পারেন বলে সন্দেহ করা হচ্ছে।’
কর্ণাটকের মুখ্যমন্ত্রী সিদ্দারামাইয়া জানিয়েছেন, পুলিশ ডাকাতদের ব্যবহৃত এসইউভিটি উদ্ধার করেছে। তবে রাজ্যের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জি. পরমেশ্বর বলেছেন, সন্দেহভাজনরা কোন গাড়িতে করে শেষ পর্যন্ত পালিয়েছে, তা এখনো পরিষ্কার নয়। ডাকাতরা গাড়ি বদল করে টাকা সরিয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। সাম্প্রতিক আরও কয়েকটি বড় ব্যাংক ডাকাতির তদন্ত যেমন সফল হয়েছে, এটিও হবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।
এর আগে গত মে মাসে বিজয়পুরা জেলার একটি ব্যাংক থেকে ডুপ্লিকেট চাবি ব্যবহার করে ৫৯ কেজি সোনা চুরি হয়েছিল। যার মূল্য প্রায় ৫৩ কোটি রুপি। পরে পুলিশ ৩৯ কেজি সোনা ও কিছু নগদ টাকা উদ্ধার করে এবং সাবেক দুই ব্যাংককর্মীসহ ১৫ জনকে গ্রেফতার করে।

২৮ জুন, ২০২৬ ১৭:০৮
ভারতে অবস্থানরত ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জানিয়েছেন, তিনি চলতি বছরেই বাংলাদেশে ফিরবেন। ভারতীয় সংবাদ মাধ্যম এনডিটিভিকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি এ কথা জানিয়েছেন। রোববার সাক্ষাৎকারটি প্রকাশ হয়।
ভারতে অবস্থানরত ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জানিয়েছেন, তিনি চলতি বছরেই বাংলাদেশে ফিরবেন। ভারতীয় সংবাদ মাধ্যম এনডিটিভিকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি এ কথা জানিয়েছেন। রোববার সাক্ষাৎকারটি প্রকাশ হয়।

২৫ জুন, ২০২৬ ১২:৫৭
বুধবার ভেনেজুয়েলায় ৭ মাত্রা ছাড়িয়ে যাওয়া বিধ্বংসী জোড়া ভূমিকম্পে নিহতের সংখ্যা ১ লাখে পৌঁছাতে পারে বলে ধারণা করছে যুক্তরাষ্ট্রের ভূতত্ত্ব জরিপ ও গবেষণা সংস্থা ইউনাইটেড স্টেটস জিওলজিক্যাল সার্ভে (ইউএসজিএস)। বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) ইউএসজিএস থেকে দেওয়া এক বিবৃতিতে জানানো হয়েছে এ তথ্য।
কিন্তু কিসের ভিত্তিতে এই অনুমান করেছে ইউএসজিএস—সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের উত্তরে সংস্থাটির সদস্য এবং যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূতত্ত্ববিদ ভাশান রাইটস জানান, প্রম্প অ্যাসেসমেন্ট অব গ্লোবাল আর্থকোয়েক রেসপন্স বা পেজার নামে একটি অগ্রসর ও উন্নত প্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে এ তথ্য জানতে পেরেছেন তারা।
সাংবাদিকদের তিনি বলেন, “পেজার প্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে ভূমিকম্পের মাত্রা, গভীরতা, অবস্থান, জনসংখ্যার ঘনত্ব, অতীতের ভূমিকম্পের রেকর্ড এবং ভবন নির্মাণের ধরন প্রভৃতি সম্পর্কিত সমস্ত জ্ঞাত তথ্য নিয়ে ও বিশ্লেষণ করে একটি পূর্বাভাস দেওয়া যায় যে কী ঘটতে পারে। অনেক সময়ই পেজারের পূর্বাভাস প্রকৃত মৃতের সংখ্যার বেশ কাছাকাছি থাকে।”
ইউএসজিএসের বিবৃতিতে আরও বলা হয়েছে, “ভূমিকম্পে প্রচুরসংখ্যক হতাহত এবং ক্ষয়ক্ষতির আশঙ্কা রয়েওছে এবং এই দুর্যোগটি সম্ভবত বিস্তৃত হবে।”
গতকাল বুধবার স্থানীয় সময় সন্ধ্যা ৬টা ৪ মিনিটে দিকে ৭ দশমিক ২ এবং ৭ দশমিক ৫ মাত্রার ভূমিকম্প আঘাত হানে ভেনেজুয়েলায়। দুই ভূমিকম্পের মাঝখানে সময়ের ব্যবধান ছিল মাত্র ৪০ সেকেন্ড ছিল বলে এক বিবৃতিতে জানিয়েছে ইউএসজিএস।
প্রেসিডেন্ট দেলসি রদ্রিগুয়েজ ইতোমধ্যে দেশজুড়ে জরুরি অবস্থা জারি করেছেন। মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএনের জিওলোকেশন করা একাধিক ভিডিওতে ভেনিজুয়েলা জুড়ে ভবন ও অবকাঠামোর ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি দেখা গেছে, যার মধ্যে রাজধানী কারাকাস এবং উপকূলীয় শহর কাতিয়া লা মারও রয়েছে। সেখানে একটি পাহাড়ের ঢালে বেশ কয়েকটি ভবন ধসে পড়তে দেখা গেছে। বিভিন্ন ভিডিওতে দেখা গেছে, আতঙ্কিত বাসিন্দারা তাদের প্রিয়জন ও পোষা প্রাণীসহ ভবনগুলো থেকে বেরিয়ে এসে রাস্তায় জড়ো হচ্ছেন।
সরকারি-বেসরকারি উদ্যোগে উদ্ধার তৎপরতা শুরু হয়েছে ভেনেজুয়েলায়। ইতোমধ্যে রাজধানী কারাকাসসহ বিভিন্ন শহর-গ্রাম থেকে ৩২ জনের মরদেহ এবং ৭ শতাধিক মানুষকে আহত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়েছে।
ভেনেজুয়েলার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী দিওসদাদো কাবেল্লো রাষ্ট্রায়ত্ব টেলিভিশনে প্রদান করা এক বক্তব্যে বলেছেন, “আমাদের অনেক ভবন, বাড়িঘর ধসে পড়েছে এবং নিরাপত্তা ও বেসামরিক সহায়তার ক্ষেত্রে আমাদের কাছে যা কিছু আছে, সেসব দিয়েই আমরা পরিস্থিতি সামাল দিচ্ছি।”
বুধবার ভেনেজুয়েলায় ৭ মাত্রা ছাড়িয়ে যাওয়া বিধ্বংসী জোড়া ভূমিকম্পে নিহতের সংখ্যা ১ লাখে পৌঁছাতে পারে বলে ধারণা করছে যুক্তরাষ্ট্রের ভূতত্ত্ব জরিপ ও গবেষণা সংস্থা ইউনাইটেড স্টেটস জিওলজিক্যাল সার্ভে (ইউএসজিএস)। বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) ইউএসজিএস থেকে দেওয়া এক বিবৃতিতে জানানো হয়েছে এ তথ্য।
কিন্তু কিসের ভিত্তিতে এই অনুমান করেছে ইউএসজিএস—সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের উত্তরে সংস্থাটির সদস্য এবং যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূতত্ত্ববিদ ভাশান রাইটস জানান, প্রম্প অ্যাসেসমেন্ট অব গ্লোবাল আর্থকোয়েক রেসপন্স বা পেজার নামে একটি অগ্রসর ও উন্নত প্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে এ তথ্য জানতে পেরেছেন তারা।
সাংবাদিকদের তিনি বলেন, “পেজার প্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে ভূমিকম্পের মাত্রা, গভীরতা, অবস্থান, জনসংখ্যার ঘনত্ব, অতীতের ভূমিকম্পের রেকর্ড এবং ভবন নির্মাণের ধরন প্রভৃতি সম্পর্কিত সমস্ত জ্ঞাত তথ্য নিয়ে ও বিশ্লেষণ করে একটি পূর্বাভাস দেওয়া যায় যে কী ঘটতে পারে। অনেক সময়ই পেজারের পূর্বাভাস প্রকৃত মৃতের সংখ্যার বেশ কাছাকাছি থাকে।”
ইউএসজিএসের বিবৃতিতে আরও বলা হয়েছে, “ভূমিকম্পে প্রচুরসংখ্যক হতাহত এবং ক্ষয়ক্ষতির আশঙ্কা রয়েওছে এবং এই দুর্যোগটি সম্ভবত বিস্তৃত হবে।”
গতকাল বুধবার স্থানীয় সময় সন্ধ্যা ৬টা ৪ মিনিটে দিকে ৭ দশমিক ২ এবং ৭ দশমিক ৫ মাত্রার ভূমিকম্প আঘাত হানে ভেনেজুয়েলায়। দুই ভূমিকম্পের মাঝখানে সময়ের ব্যবধান ছিল মাত্র ৪০ সেকেন্ড ছিল বলে এক বিবৃতিতে জানিয়েছে ইউএসজিএস।
প্রেসিডেন্ট দেলসি রদ্রিগুয়েজ ইতোমধ্যে দেশজুড়ে জরুরি অবস্থা জারি করেছেন। মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএনের জিওলোকেশন করা একাধিক ভিডিওতে ভেনিজুয়েলা জুড়ে ভবন ও অবকাঠামোর ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি দেখা গেছে, যার মধ্যে রাজধানী কারাকাস এবং উপকূলীয় শহর কাতিয়া লা মারও রয়েছে। সেখানে একটি পাহাড়ের ঢালে বেশ কয়েকটি ভবন ধসে পড়তে দেখা গেছে। বিভিন্ন ভিডিওতে দেখা গেছে, আতঙ্কিত বাসিন্দারা তাদের প্রিয়জন ও পোষা প্রাণীসহ ভবনগুলো থেকে বেরিয়ে এসে রাস্তায় জড়ো হচ্ছেন।
সরকারি-বেসরকারি উদ্যোগে উদ্ধার তৎপরতা শুরু হয়েছে ভেনেজুয়েলায়। ইতোমধ্যে রাজধানী কারাকাসসহ বিভিন্ন শহর-গ্রাম থেকে ৩২ জনের মরদেহ এবং ৭ শতাধিক মানুষকে আহত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়েছে।
ভেনেজুয়েলার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী দিওসদাদো কাবেল্লো রাষ্ট্রায়ত্ব টেলিভিশনে প্রদান করা এক বক্তব্যে বলেছেন, “আমাদের অনেক ভবন, বাড়িঘর ধসে পড়েছে এবং নিরাপত্তা ও বেসামরিক সহায়তার ক্ষেত্রে আমাদের কাছে যা কিছু আছে, সেসব দিয়েই আমরা পরিস্থিতি সামাল দিচ্ছি।”

২২ জুন, ২০২৬ ২০:৪১
মালয়েশিয়ার জোহর অঙ্গরাজ্যের পেকান নেনাস ইমিগ্রেশন ডিপো থেকে জুনের তৃতীয় সপ্তাহজুড়ে বিভিন্ন দেশের ১৮০ জন বিদেশি বন্দিকে নিজ নিজ দেশে ফেরত পাঠানো হয়েছে।
রোববার (২১ জুন) এক বিবৃতিতে মালয়েশিয়ার ইমিগ্রেশন বিভাগ জানায়, ফেরত পাঠানোদের মধ্যে ১৩২ জন মিয়ানমারের, ২২ জন বাংলাদেশের, ১২ জন ভিয়েতনামের, ৯ জন থাইল্যান্ডের, ২ জন নেপালের এবং শ্রীলঙ্কা, চীন ও সিঙ্গাপুরের একজন করে নাগরিক রয়েছেন।
ইমিগ্রেশন বিভাগ জানায়, বন্দিদের কুয়ালালামপুর আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের (কেএলআইএ-১ ও কেএলআইএ-২), সেনাই আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর এবং সুলতান ইস্কান্দার ভবন আইসিকিউএস কমপ্লেক্সের মাধ্যমে নিজ নিজ দেশে পাঠানো হয়েছে।
প্রত্যাবাসনের বিমান টিকিটের ব্যয় বন্দিদের ব্যক্তিগত সঞ্চয়, তাদের পরিবারের আর্থিক সহায়তা এবং বিশেষ কিছু ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট দূতাবাস বহন করেছে।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, এসব বিদেশি নাগরিক মালয়েশিয়ার বিভিন্ন আইনের আওতায় সাজা ভোগ শেষে দেশে ফেরত গেছেন।
ইমিগ্রেশন বিভাগ জানিয়েছে, প্রত্যাবাসিত সব বিদেশিকে বিভাগীয় কালো তালিকাভুক্ত (ব্ল্যাকলিস্ট) করা হয়েছে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে তারা কোনো উদ্দেশ্যেই মালয়েশিয়ায় পুনরায় প্রবেশ করতে পারবেন না।
মালয়েশিয়ার জোহর অঙ্গরাজ্যের পেকান নেনাস ইমিগ্রেশন ডিপো থেকে জুনের তৃতীয় সপ্তাহজুড়ে বিভিন্ন দেশের ১৮০ জন বিদেশি বন্দিকে নিজ নিজ দেশে ফেরত পাঠানো হয়েছে।
রোববার (২১ জুন) এক বিবৃতিতে মালয়েশিয়ার ইমিগ্রেশন বিভাগ জানায়, ফেরত পাঠানোদের মধ্যে ১৩২ জন মিয়ানমারের, ২২ জন বাংলাদেশের, ১২ জন ভিয়েতনামের, ৯ জন থাইল্যান্ডের, ২ জন নেপালের এবং শ্রীলঙ্কা, চীন ও সিঙ্গাপুরের একজন করে নাগরিক রয়েছেন।
ইমিগ্রেশন বিভাগ জানায়, বন্দিদের কুয়ালালামপুর আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের (কেএলআইএ-১ ও কেএলআইএ-২), সেনাই আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর এবং সুলতান ইস্কান্দার ভবন আইসিকিউএস কমপ্লেক্সের মাধ্যমে নিজ নিজ দেশে পাঠানো হয়েছে।
প্রত্যাবাসনের বিমান টিকিটের ব্যয় বন্দিদের ব্যক্তিগত সঞ্চয়, তাদের পরিবারের আর্থিক সহায়তা এবং বিশেষ কিছু ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট দূতাবাস বহন করেছে।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, এসব বিদেশি নাগরিক মালয়েশিয়ার বিভিন্ন আইনের আওতায় সাজা ভোগ শেষে দেশে ফেরত গেছেন।
ইমিগ্রেশন বিভাগ জানিয়েছে, প্রত্যাবাসিত সব বিদেশিকে বিভাগীয় কালো তালিকাভুক্ত (ব্ল্যাকলিস্ট) করা হয়েছে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে তারা কোনো উদ্দেশ্যেই মালয়েশিয়ায় পুনরায় প্রবেশ করতে পারবেন না।
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.