Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.

২৭ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৫:০৮
টাঙ্গাইলের সখীপুরে নির্বাচনী পথসভায় বিএনপি প্রার্থীর পক্ষে কেঁদেকেটে মাটিতে লুটিয়ে পড়ে ভোট চাওয়ার ঘটনায় যুবদল নেতা নূর-ই-আজমকে শোকজ করেছে কেন্দ্রীয় কমিটি। গতকাল সোমবার ঢাকায় গিয়ে যুবদলের কেন্দ্রীয় কমিটির কাছে তিনি শোকজের জবাবও দিয়েছেন। পরে রাতে ফেসবুকে এক ভিডিও বার্তায় নিঃশর্ত ক্ষমা চেয়েছেন তিনি। আজ মঙ্গলবার বেলা ১১টার দিকে নূর-ই-আজম নিজেই আজকের পত্রিকাকে এসব তথ্য নিশ্চিত করেন। নূর-ই-আজম সখীপুর উপজেলা যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক।
প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয় নেতা-কর্মী সূত্রে জানা গেছে, ২৪ জানুয়ারি বিকেলে উপজেলার কাকড়াজান ইউনিয়নের খুইংগারচালা এলাকায় বিএনপি প্রার্থী অ্যাডভোকেট আহমেদ আযম খানের নির্বাচনী পথসভা ছিল।
ওই পথসভায় নূর-ই-আজম বক্তব্য দিতে গিয়ে আবেগপ্রবণ হয়ে পড়েন। আহমেদ আযম খানকে নিজের রাজনৈতিক ‘বাবা’ উল্লেখ করে তিনি এলাকাবাসীর কাছে ধানের শীষ প্রতীকে ভোট চাইতে গিয়ে কাঁদতে কাঁদতে মাটিতে লুটিয়ে পড়েন। ভোট চেয়ে কান্নাকাটির ওই ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অনেকেই তাঁর এমনভাবে আবেগ প্রকাশকে ‘অভিনয়’ বলে মন্তব্য করেন।
জানতে চাইলে নূর-ই-আজম বলেন, ‘শোকজ এবং ভিডিওতে করা মন্তব্যগুলো অত্যন্ত দুঃখজনক। আমার নামে ১১টি রাজনৈতিক মামলা হয়েছে। কয়েকবার জেল খেটেছি। ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক ছিলাম, সভাপতি ছিলাম।
আমি অভিনয় করে কোনো বক্তব্য দিইনি। যা বলেছি, সব মন থেকেই বলেছি।’ তিনি আরও বলেন, ‘ভিডিওর মন্তব্যগুলো প্রতিপক্ষরা ভুয়া আইডি দিয়ে করেছে। তারপরও যুবদলের কেন্দ্রীয় কমিটির নির্দেশে আমি নিঃশর্ত ক্ষমা চেয়েছি।’
সখীপুর উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক ফরহাদ ইকবাল বলেন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নূর-ই-আজমের বক্তব্যের ভিডিও ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়েছিল। মূলত প্রতিপক্ষের লোকজন ভুয়া আইডি ব্যবহার করে ওই ভিডিওতে অধিকহারে নেতিবাচক মন্তব্য করে। এসব বিষয় কেন্দ্রীয় কমিটির নজরে আসার কারণে সম্ভবত তাঁকে শোকজ নোটিশ দিয়েছিল। পরে কেন্দ্রীয় কমিটির নির্দেশে নূর-ই-আজম নিজের ফেসবুকের মাধ্যমে ভিডিও বার্তায় নিঃশর্ত ক্ষমা প্রার্থনা করেছেন।
টাঙ্গাইলের সখীপুরে নির্বাচনী পথসভায় বিএনপি প্রার্থীর পক্ষে কেঁদেকেটে মাটিতে লুটিয়ে পড়ে ভোট চাওয়ার ঘটনায় যুবদল নেতা নূর-ই-আজমকে শোকজ করেছে কেন্দ্রীয় কমিটি। গতকাল সোমবার ঢাকায় গিয়ে যুবদলের কেন্দ্রীয় কমিটির কাছে তিনি শোকজের জবাবও দিয়েছেন। পরে রাতে ফেসবুকে এক ভিডিও বার্তায় নিঃশর্ত ক্ষমা চেয়েছেন তিনি। আজ মঙ্গলবার বেলা ১১টার দিকে নূর-ই-আজম নিজেই আজকের পত্রিকাকে এসব তথ্য নিশ্চিত করেন। নূর-ই-আজম সখীপুর উপজেলা যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক।
প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয় নেতা-কর্মী সূত্রে জানা গেছে, ২৪ জানুয়ারি বিকেলে উপজেলার কাকড়াজান ইউনিয়নের খুইংগারচালা এলাকায় বিএনপি প্রার্থী অ্যাডভোকেট আহমেদ আযম খানের নির্বাচনী পথসভা ছিল।
ওই পথসভায় নূর-ই-আজম বক্তব্য দিতে গিয়ে আবেগপ্রবণ হয়ে পড়েন। আহমেদ আযম খানকে নিজের রাজনৈতিক ‘বাবা’ উল্লেখ করে তিনি এলাকাবাসীর কাছে ধানের শীষ প্রতীকে ভোট চাইতে গিয়ে কাঁদতে কাঁদতে মাটিতে লুটিয়ে পড়েন। ভোট চেয়ে কান্নাকাটির ওই ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অনেকেই তাঁর এমনভাবে আবেগ প্রকাশকে ‘অভিনয়’ বলে মন্তব্য করেন।
জানতে চাইলে নূর-ই-আজম বলেন, ‘শোকজ এবং ভিডিওতে করা মন্তব্যগুলো অত্যন্ত দুঃখজনক। আমার নামে ১১টি রাজনৈতিক মামলা হয়েছে। কয়েকবার জেল খেটেছি। ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক ছিলাম, সভাপতি ছিলাম।
আমি অভিনয় করে কোনো বক্তব্য দিইনি। যা বলেছি, সব মন থেকেই বলেছি।’ তিনি আরও বলেন, ‘ভিডিওর মন্তব্যগুলো প্রতিপক্ষরা ভুয়া আইডি দিয়ে করেছে। তারপরও যুবদলের কেন্দ্রীয় কমিটির নির্দেশে আমি নিঃশর্ত ক্ষমা চেয়েছি।’
সখীপুর উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক ফরহাদ ইকবাল বলেন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নূর-ই-আজমের বক্তব্যের ভিডিও ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়েছিল। মূলত প্রতিপক্ষের লোকজন ভুয়া আইডি ব্যবহার করে ওই ভিডিওতে অধিকহারে নেতিবাচক মন্তব্য করে। এসব বিষয় কেন্দ্রীয় কমিটির নজরে আসার কারণে সম্ভবত তাঁকে শোকজ নোটিশ দিয়েছিল। পরে কেন্দ্রীয় কমিটির নির্দেশে নূর-ই-আজম নিজের ফেসবুকের মাধ্যমে ভিডিও বার্তায় নিঃশর্ত ক্ষমা প্রার্থনা করেছেন।

২২ জুন, ২০২৬ ১৫:০৬
কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীকে কেন্দ্র করে রাজধানী ঢাকাসহ ছয় জেলায় সেনাবাহিনীর মোতায়েনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। ঢাকার বাইরের জেলাগুলো হলো- নারায়ণগঞ্জ, গাজীপুর, গোপালগঞ্জ, ফরিদপুর ও চট্টগ্রাম।
সোমবার (২২ জুন) স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে জারি করা এক চিঠিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
চিঠিতে বলা হয়েছে, কার্যক্রম নিষিদ্ধ ঘোষিত বিভিন্ন সংগঠন কর্তৃক দেশের বিভিন্ন স্থানে বেআইনি মিছিল, শোডাউন ও অন্যান্য কর্মসূচির মাধ্যমে নাশকতা ও বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির আশঙ্কা রয়েছে। এর ফলে দেশের বিভিন্ন জেলার সার্বিক আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি ঘটার পাশাপাশি জানমালের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির সম্ভাবনা রয়েছে।
এমতাবস্থায়, ঢাকা মেট্রোপলিটন এলাকা, চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন এলাকা, গাজীপুর মেট্রোপলিটন এলাকা, নারায়ণগঞ্জ জেলা, গোপালগঞ্জ জেলা এবং ফরিদপুর জেলার শান্তি-শৃঙ্খলা রক্ষা, জননিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ এবং জনগণের জানমালের সুরক্ষার লক্ষ্যে ২২ জুন থেকে ৩০ জুন পর্যন্ত 'ইন এইড টু সিভিল পাওয়ার'-এর আওতায় প্রয়োজনীয় সংখ্যক সেনাসদস্য মোতায়েনের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য নির্দেশক্রমে অনুরোধ করা হলো।
বরিশাল টাইমস

২২ জুন, ২০২৬ ১৩:৫২
নেত্রকোনার কলমাকান্দা উপজেলার পোগলা ইউনিয়নের বাহাত্তরকাহন গ্রামে বিদ্যুৎস্পর্শে বাচ্চু খান (৬৫) নামে এক বৃদ্ধের মৃত্যু হয়েছে। নিহত বাচ্চু খান ওই গ্রামের মৃত আবাল হোসেন খানের ছেলে।
রোববার (২১ জুন) সন্ধ্যা আনুমানিক ৮টার দিকে নিজ বাড়িতে অটোরিকশার ব্যাটারিতে চার্জ দেওয়ার সময় হঠাৎ শর্টসার্কিটের ঘটনায় তিনি বিদ্যুৎস্পর্শ হন। এ সময় পরিবারের সদস্যরা তাকে দ্রুত উদ্ধার করে কলমাকান্দা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। তবে হাসপাতালে পৌঁছানোর পর কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
কলমাকান্দা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেডিকেল অফিসার ডা. শৌভিক শ্রাবণ দত্ত বলেন, বাচ্চু খানকে হাসপাতালে আনার আগেই তার মৃত্যু হয়েছে।
ঘটনার খবর পেয়ে কলমাকান্দা থানা পুলিশ হাসপাতাল ও ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে।
কলমাকান্দা থানার ওসি (তদন্ত) সজল সরকার ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল ও হাসপাতালে যায়। আজ রাতেই আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন শেষে নিহতের মরদেহ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
এ ঘটনায় নিহতের পরিবার ও স্বজনদের মধ্যে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

২১ জুন, ২০২৬ ২৩:২৯
গাইবান্ধার সাঘাটা উপজেলার বোনারপাড়ায় একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি নির্বাচনকে কেন্দ্র করে বিরোধের জেরে সাইফুল ইসলাম (২২) নামের এক ছাত্রশিবির কর্মীকে ছুরিকাঘাতে হত্যা করা হয়েছে। এই ঘটনায় সালাউদ্দিন নামের আরও একজন গুরুতর আহত হয়েছেন।
রোববার (২১ জুন) দুপুর আড়াইটার দিকে বোনারপাড়া চৌরাস্তা মোড়ে এই হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। নিহত সাইফুল ইসলাম বোনারপাড়া ইউনিয়ন ছাত্রশিবিরের সভাপতি এবং শিমুল তাইড় গ্রামের হাবিবুর রহমানের ছেলে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, দুপুরে বোনারপাড়া চৌরাস্তা মোড়ে কচুয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক হাবিবুল্লাহর সঙ্গে ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি নির্বাচন নিয়ে বাটি গ্রামের জাহিদুল ইসলামের ছেলে মুকুলের কথা কাটাকাটি হচ্ছিল। ওই সময় ছাত্রশিবির নেতা সাইফুল ইসলাম ও সালাউদ্দিন সেখানে উপস্থিত হয়ে প্রধান শিক্ষকের সঙ্গে এমন আচরণের প্রতিবাদ জানান। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে মুকুল, তার সহোদর ভাই পলাশ এবং জনৈক আশরাফ ধারালো ছুরি দিয়ে সাইফুল ও সালাউদ্দিনকে উপর্যুপরি ছুরিকাঘাত করে পালিয়ে যায়।
পরে স্থানীয় লোকজন রক্তাক্ত অবস্থায় দুজনকে উদ্ধার করে গাইবান্ধা জেলা সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক সাইফুল ইসলামকে মৃত ঘোষণা করেন। অন্যদিকে, আশঙ্কাজনক অবস্থায় সালাউদ্দিনকে বগুড়ার শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে, যেখানে তিনি বর্তমানে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
সাঘাটা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মাহবুব আলম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, হত্যাকাণ্ডের পর থেকে এলাকায় চরম উত্তেজনা ও থমথমে অবস্থা বিরাজ করছে। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে ঘটনাস্থলে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। জড়িতদের গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান চলছে।
কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীকে কেন্দ্র করে রাজধানী ঢাকাসহ ছয় জেলায় সেনাবাহিনীর মোতায়েনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। ঢাকার বাইরের জেলাগুলো হলো- নারায়ণগঞ্জ, গাজীপুর, গোপালগঞ্জ, ফরিদপুর ও চট্টগ্রাম।
সোমবার (২২ জুন) স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে জারি করা এক চিঠিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
চিঠিতে বলা হয়েছে, কার্যক্রম নিষিদ্ধ ঘোষিত বিভিন্ন সংগঠন কর্তৃক দেশের বিভিন্ন স্থানে বেআইনি মিছিল, শোডাউন ও অন্যান্য কর্মসূচির মাধ্যমে নাশকতা ও বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির আশঙ্কা রয়েছে। এর ফলে দেশের বিভিন্ন জেলার সার্বিক আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি ঘটার পাশাপাশি জানমালের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির সম্ভাবনা রয়েছে।
এমতাবস্থায়, ঢাকা মেট্রোপলিটন এলাকা, চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন এলাকা, গাজীপুর মেট্রোপলিটন এলাকা, নারায়ণগঞ্জ জেলা, গোপালগঞ্জ জেলা এবং ফরিদপুর জেলার শান্তি-শৃঙ্খলা রক্ষা, জননিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ এবং জনগণের জানমালের সুরক্ষার লক্ষ্যে ২২ জুন থেকে ৩০ জুন পর্যন্ত 'ইন এইড টু সিভিল পাওয়ার'-এর আওতায় প্রয়োজনীয় সংখ্যক সেনাসদস্য মোতায়েনের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য নির্দেশক্রমে অনুরোধ করা হলো।
বরিশাল টাইমস
নেত্রকোনার কলমাকান্দা উপজেলার পোগলা ইউনিয়নের বাহাত্তরকাহন গ্রামে বিদ্যুৎস্পর্শে বাচ্চু খান (৬৫) নামে এক বৃদ্ধের মৃত্যু হয়েছে। নিহত বাচ্চু খান ওই গ্রামের মৃত আবাল হোসেন খানের ছেলে।
রোববার (২১ জুন) সন্ধ্যা আনুমানিক ৮টার দিকে নিজ বাড়িতে অটোরিকশার ব্যাটারিতে চার্জ দেওয়ার সময় হঠাৎ শর্টসার্কিটের ঘটনায় তিনি বিদ্যুৎস্পর্শ হন। এ সময় পরিবারের সদস্যরা তাকে দ্রুত উদ্ধার করে কলমাকান্দা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। তবে হাসপাতালে পৌঁছানোর পর কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
কলমাকান্দা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেডিকেল অফিসার ডা. শৌভিক শ্রাবণ দত্ত বলেন, বাচ্চু খানকে হাসপাতালে আনার আগেই তার মৃত্যু হয়েছে।
ঘটনার খবর পেয়ে কলমাকান্দা থানা পুলিশ হাসপাতাল ও ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে।
কলমাকান্দা থানার ওসি (তদন্ত) সজল সরকার ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল ও হাসপাতালে যায়। আজ রাতেই আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন শেষে নিহতের মরদেহ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
এ ঘটনায় নিহতের পরিবার ও স্বজনদের মধ্যে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
গাইবান্ধার সাঘাটা উপজেলার বোনারপাড়ায় একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি নির্বাচনকে কেন্দ্র করে বিরোধের জেরে সাইফুল ইসলাম (২২) নামের এক ছাত্রশিবির কর্মীকে ছুরিকাঘাতে হত্যা করা হয়েছে। এই ঘটনায় সালাউদ্দিন নামের আরও একজন গুরুতর আহত হয়েছেন।
রোববার (২১ জুন) দুপুর আড়াইটার দিকে বোনারপাড়া চৌরাস্তা মোড়ে এই হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। নিহত সাইফুল ইসলাম বোনারপাড়া ইউনিয়ন ছাত্রশিবিরের সভাপতি এবং শিমুল তাইড় গ্রামের হাবিবুর রহমানের ছেলে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, দুপুরে বোনারপাড়া চৌরাস্তা মোড়ে কচুয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক হাবিবুল্লাহর সঙ্গে ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি নির্বাচন নিয়ে বাটি গ্রামের জাহিদুল ইসলামের ছেলে মুকুলের কথা কাটাকাটি হচ্ছিল। ওই সময় ছাত্রশিবির নেতা সাইফুল ইসলাম ও সালাউদ্দিন সেখানে উপস্থিত হয়ে প্রধান শিক্ষকের সঙ্গে এমন আচরণের প্রতিবাদ জানান। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে মুকুল, তার সহোদর ভাই পলাশ এবং জনৈক আশরাফ ধারালো ছুরি দিয়ে সাইফুল ও সালাউদ্দিনকে উপর্যুপরি ছুরিকাঘাত করে পালিয়ে যায়।
পরে স্থানীয় লোকজন রক্তাক্ত অবস্থায় দুজনকে উদ্ধার করে গাইবান্ধা জেলা সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক সাইফুল ইসলামকে মৃত ঘোষণা করেন। অন্যদিকে, আশঙ্কাজনক অবস্থায় সালাউদ্দিনকে বগুড়ার শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে, যেখানে তিনি বর্তমানে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
সাঘাটা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মাহবুব আলম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, হত্যাকাণ্ডের পর থেকে এলাকায় চরম উত্তেজনা ও থমথমে অবস্থা বিরাজ করছে। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে ঘটনাস্থলে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। জড়িতদের গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান চলছে।