
২২ জুলাই, ২০২৬ ১৩:৪১
আঞ্চলিক বার্তা সংস্থা বাংলাদেশ বেতার বরিশাল এর বরিশাল জেলা সংবাদদাতা হিসেবে নিয়োগ পেলেন সাংবাদিক সাইদুর রহমান পান্থ (সাঈদ পান্থ)। তিনি দীর্ঘ ১৮ বছর ধরে সুনামের সাথে বরিশালে সাংবাদিকতা করে আসছেন। সাংবাদিক সাঈদ পান্থ বর্তমানে মাটি ও মানুষের টেলিভিশন ‘চ্যানেল আই’র বরিশাল জেলা প্রতিনিধি, ইংরেজি দৈনিক দি ডেইলি ম্যাসেঞ্জারের ব্যুরো প্রধান ও বরিশালের জনপ্রিয় দৈনিক আজকের বার্তা পত্রিকার সহকারী সম্পাদক পদে দ্বায়িত্ব পালন করছেন।
সাংবাদিক সাঈদ পান্থ সরকারি ব্রজমোহন কলেজের বাংলা বিভাগ থেকে অনার্স সম্পন্ন করেন। ২০০৮ সালের শুরুর দিকে বরিশালের স্থানীয় দৈনিক শাহনামা স্টাফ রিপোর্টার হিসেবে সাংবাদিকতা শুরু করেন। কাজের ধারাবাহিকতায় দৈনিক আজকের বার্তায় স্টাফ রিপোর্টার, দৈনিক দক্ষিণাঞ্চলে সিনিয়র স্টাফ রিপোর্টার, দৈনিক আজকের পরির্বতনের সিনিয়র রিপোর্টার, আঞ্চলিক অনলাইন পোর্টাল আমাদের বরিশাল ডটকম, নিউজ এজেন্সি ডিফারেন্স নিউজের জেলা প্রতিনিধি, দৈনিক সকাল বেলার ব্যুরো প্রধান, বাংলা পোস্টের ব্যুরো প্রধান, ২০১৩ সালে দৈনিক আলোকিত বাংলাদেশ বরিশাল ব্যুরো অফিসের স্টাফ রিপোর্টার হিসেবে কাজ করেছেন।
এছাড়া তিনি ২০১৭ সাল থেকে ২০২৪ সালের ফেব্রুয়ারী পর্যন্ত দৈনিক যুগান্তর বরিশাল ব্যুরো অফিসের সিনিয়র রিপোর্টারের দ্বায়িত্ব পালন করেছেন। তিনি ২০১১ সালে প্রাথমিক শিক্ষা প্রসারে রিপোর্টিংয়ের জন্য শিক্ষণ জার্নালিস্ট অ্যাওয়ার্ড, ২০১৫ সালে তামাক ও ধূমপানবিরোধী রিপোর্টিংয়ের জন্য ‘আবিষ্কার’ সম্মাননা পেয়েছেন। মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় উজ্জীবিত হয়ে ২০১৫ সাল থেকে রিপোর্ট৭১ডটকম নামে একটি সরকার অনুমোদিত জাতীয় অনলাইন পোর্টালের প্রকাশকের দায়িত্ব পালন করছেন সাঈদ।
এছাড়াও তিনি বিভিন্ন সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও সাংবাদিক সংগঠনে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করছেন।’
আঞ্চলিক বার্তা সংস্থা বাংলাদেশ বেতার বরিশাল এর বরিশাল জেলা সংবাদদাতা হিসেবে নিয়োগ পেলেন সাংবাদিক সাইদুর রহমান পান্থ (সাঈদ পান্থ)। তিনি দীর্ঘ ১৮ বছর ধরে সুনামের সাথে বরিশালে সাংবাদিকতা করে আসছেন। সাংবাদিক সাঈদ পান্থ বর্তমানে মাটি ও মানুষের টেলিভিশন ‘চ্যানেল আই’র বরিশাল জেলা প্রতিনিধি, ইংরেজি দৈনিক দি ডেইলি ম্যাসেঞ্জারের ব্যুরো প্রধান ও বরিশালের জনপ্রিয় দৈনিক আজকের বার্তা পত্রিকার সহকারী সম্পাদক পদে দ্বায়িত্ব পালন করছেন।
সাংবাদিক সাঈদ পান্থ সরকারি ব্রজমোহন কলেজের বাংলা বিভাগ থেকে অনার্স সম্পন্ন করেন। ২০০৮ সালের শুরুর দিকে বরিশালের স্থানীয় দৈনিক শাহনামা স্টাফ রিপোর্টার হিসেবে সাংবাদিকতা শুরু করেন। কাজের ধারাবাহিকতায় দৈনিক আজকের বার্তায় স্টাফ রিপোর্টার, দৈনিক দক্ষিণাঞ্চলে সিনিয়র স্টাফ রিপোর্টার, দৈনিক আজকের পরির্বতনের সিনিয়র রিপোর্টার, আঞ্চলিক অনলাইন পোর্টাল আমাদের বরিশাল ডটকম, নিউজ এজেন্সি ডিফারেন্স নিউজের জেলা প্রতিনিধি, দৈনিক সকাল বেলার ব্যুরো প্রধান, বাংলা পোস্টের ব্যুরো প্রধান, ২০১৩ সালে দৈনিক আলোকিত বাংলাদেশ বরিশাল ব্যুরো অফিসের স্টাফ রিপোর্টার হিসেবে কাজ করেছেন।
এছাড়া তিনি ২০১৭ সাল থেকে ২০২৪ সালের ফেব্রুয়ারী পর্যন্ত দৈনিক যুগান্তর বরিশাল ব্যুরো অফিসের সিনিয়র রিপোর্টারের দ্বায়িত্ব পালন করেছেন। তিনি ২০১১ সালে প্রাথমিক শিক্ষা প্রসারে রিপোর্টিংয়ের জন্য শিক্ষণ জার্নালিস্ট অ্যাওয়ার্ড, ২০১৫ সালে তামাক ও ধূমপানবিরোধী রিপোর্টিংয়ের জন্য ‘আবিষ্কার’ সম্মাননা পেয়েছেন। মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় উজ্জীবিত হয়ে ২০১৫ সাল থেকে রিপোর্ট৭১ডটকম নামে একটি সরকার অনুমোদিত জাতীয় অনলাইন পোর্টালের প্রকাশকের দায়িত্ব পালন করছেন সাঈদ।
এছাড়াও তিনি বিভিন্ন সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও সাংবাদিক সংগঠনে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করছেন।’

২২ জুলাই, ২০২৬ ১৫:১১
বরিশালের পেশাদার সাংবাদিক শাহীন হাসান বেসরকারি স্যাটেলাইট টেলিভিশন নাগরিক টিভিতে বরিশাল প্রতিনিধি হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন। মঙ্গলবার (২১ জুলাই) তিনি নিজেই বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
দীর্ঘদিন ধরে বরিশালের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা, জনদুর্ভোগ, উন্নয়ন, রাজনীতি, সামাজিক ও মানবিক বিষয় নিয়ে নিষ্ঠা ও পেশাদারিত্বের সঙ্গে সাংবাদিকতা করে আসছেন শাহীন হাসান। মাঠপর্যায়ে দায়িত্বশীল সংবাদ সংগ্রহ এবং বস্তুনিষ্ঠ প্রতিবেদনের মাধ্যমে তিনি বরিশালের সাংবাদিক অঙ্গনে একজন পরিচিত মুখ হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছেন। শাহীন হাসান স্থানীয় দৈনিক পত্রিকা বরিশাল বার্তায় ওয়ার্ড প্রতিনিধি হিসেবে ২০০৬ সালে কাজ শুরু করেন। এরপর পর্যায়ক্রমে যুগ্ম বার্তা সম্পাদক হিসেবে দৈনিক বাংলার বনে , বার্তা সম্পাদক হিসেবে দৈনিক সত্য সংবাদ, দৈনিক ভোরের অঙ্গীকার পত্রিকায় দায়িত্ব পালন করেন দীর্ঘদিন। জাতীয় দৈনিক আমার দেশ এবং মানবকণ্ঠেও
বরিশাল প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করেছেন তিনি। এছাড়া স্যাটেলাইট টেলিভিশন মাই টিভি এবং বাংলাভিশনেও সুনামের সাথে কাজ করেন শাহীন হাসান।
নাগরিক টেলিভিশনের দায়িত্ব পাওয়ায় তাকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন সহকর্মী সাংবাদিক, রাজনীতিবিদ, শুভানুধ্যায়ী ও বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ।
বরিশালটাইমস অনলাইন নিউজপোর্টাল বরিশালটাইমসের প্রকাশক ও দৈনিক রূপালী বাংলাদেশ পত্রিকার ব্যুরো চিফ হাসিবুল ইসলাম বলেন, শাহীন হাসান একজন ভালো মানের সাংবাদিক, তিনি ইতিপূর্বে অসংখ্য পত্রিকায় সুনামের সাথে কাজ করেছেন এবং তিনি একজন দক্ষ সংগঠকও।
এই সিনিয়র সাংবাদিকের সাথে আমি দৈনিক বাংলার বনে পত্রিকাসহ একাধিক পত্রিকায় কাজ করেছি। তার অসাধারণ কাজগুলো আমি খুব কাজ থেকে প্রত্যক্ষ করি, যা বিমুগ্ধ হওয়ার মতো। তিনি এখন নাগরিক টিভিতে যোগদান করেছেন, এটা খুবই আনন্দের খবর এবং আগামীতে তার উত্তরোত্তর সাফল্য কামনা করি, মন্তব্য করে নিউজ এডিটরস্ কাউন্সিল, বরিশালের সভাপতি হাসিবুল ইসলাম।
বরিশালের পেশাদার সাংবাদিক শাহীন হাসান বেসরকারি স্যাটেলাইট টেলিভিশন নাগরিক টিভিতে বরিশাল প্রতিনিধি হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন। মঙ্গলবার (২১ জুলাই) তিনি নিজেই বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
দীর্ঘদিন ধরে বরিশালের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা, জনদুর্ভোগ, উন্নয়ন, রাজনীতি, সামাজিক ও মানবিক বিষয় নিয়ে নিষ্ঠা ও পেশাদারিত্বের সঙ্গে সাংবাদিকতা করে আসছেন শাহীন হাসান। মাঠপর্যায়ে দায়িত্বশীল সংবাদ সংগ্রহ এবং বস্তুনিষ্ঠ প্রতিবেদনের মাধ্যমে তিনি বরিশালের সাংবাদিক অঙ্গনে একজন পরিচিত মুখ হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছেন। শাহীন হাসান স্থানীয় দৈনিক পত্রিকা বরিশাল বার্তায় ওয়ার্ড প্রতিনিধি হিসেবে ২০০৬ সালে কাজ শুরু করেন। এরপর পর্যায়ক্রমে যুগ্ম বার্তা সম্পাদক হিসেবে দৈনিক বাংলার বনে , বার্তা সম্পাদক হিসেবে দৈনিক সত্য সংবাদ, দৈনিক ভোরের অঙ্গীকার পত্রিকায় দায়িত্ব পালন করেন দীর্ঘদিন। জাতীয় দৈনিক আমার দেশ এবং মানবকণ্ঠেও
বরিশাল প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করেছেন তিনি। এছাড়া স্যাটেলাইট টেলিভিশন মাই টিভি এবং বাংলাভিশনেও সুনামের সাথে কাজ করেন শাহীন হাসান।
নাগরিক টেলিভিশনের দায়িত্ব পাওয়ায় তাকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন সহকর্মী সাংবাদিক, রাজনীতিবিদ, শুভানুধ্যায়ী ও বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ।
বরিশালটাইমস অনলাইন নিউজপোর্টাল বরিশালটাইমসের প্রকাশক ও দৈনিক রূপালী বাংলাদেশ পত্রিকার ব্যুরো চিফ হাসিবুল ইসলাম বলেন, শাহীন হাসান একজন ভালো মানের সাংবাদিক, তিনি ইতিপূর্বে অসংখ্য পত্রিকায় সুনামের সাথে কাজ করেছেন এবং তিনি একজন দক্ষ সংগঠকও।
এই সিনিয়র সাংবাদিকের সাথে আমি দৈনিক বাংলার বনে পত্রিকাসহ একাধিক পত্রিকায় কাজ করেছি। তার অসাধারণ কাজগুলো আমি খুব কাজ থেকে প্রত্যক্ষ করি, যা বিমুগ্ধ হওয়ার মতো। তিনি এখন নাগরিক টিভিতে যোগদান করেছেন, এটা খুবই আনন্দের খবর এবং আগামীতে তার উত্তরোত্তর সাফল্য কামনা করি, মন্তব্য করে নিউজ এডিটরস্ কাউন্সিল, বরিশালের সভাপতি হাসিবুল ইসলাম।

১৬ মে, ২০২৬ ১৫:০৩
পটুয়াখালীর দুমকি উপজেলার মুরাদিয়া ইউনিয়নের ৭নম্বর ওয়ার্ডে চিংগরিয়া-মাদারবুনিয়া খালের নির্ধারিত এলাইনমেন্ট পরিবর্তন করে ভোগদখলীয় রেকর্ডীয় জমির ওপর দিয়ে খাল খননের চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও), সহকারী কমিশনার (ভূমি) এবং পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলীর কাছে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন ক্ষতিগ্রস্ত একটি পরিবার।
অভিযোগে বলা হয়, খালের জমির অবৈধ দখলদার হিসেবে পরিচিত একটি প্রভাবশালী পরিবার ঠিকাদারের যোগসাজশে সরকারি খালের নির্ধারিত অংশ পরিবর্তন করে অন্যের রেকর্ডীয় জমির ওপর দিয়ে খাল খননের চেষ্টা করছে। এতে বাধা দিলে সংশ্লিষ্ট ঠিকাদারসহ কয়েকজন ব্যক্তি বিভিন্নভাবে চাপ প্রয়োগ করছেন বলেও অভিযোগ করেন আবেদনকারী মো. আবুল কালাম মুন্সী।
গত সোমবার (১১ মে) পানি উন্নয়ন বোর্ড পটুয়াখালীর নির্বাহী প্রকৌশলী ও আজ শনিবার (১৬ মে) দুমকি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) বরাবর দেওয়া অভিযোগে চরগরবদী গ্রামের বাসিন্দা মো. আবুল কালাম মুন্সী জানান, এসএ ৩২১ ও ৩২৮ নম্বর খতিয়ানভুক্ত বিভিন্ন দাগে মোট ৬৩৪ শতাংশ জমি তাদের পরিবার দীর্ঘদিন ধরে ভোগদখল করে আসছে। জমির মালিক হোসেন আলী মুন্সীর মৃত্যুর পর তার ওয়ারিশরা ওই জমিতে ধানসহ বিভিন্ন ফসল আবাদ করে জীবিকা নির্বাহ করছেন।
অভিযোগপত্রে আরও উল্লেখ করা হয়, ভোগদখলীয় ৪৪৫৫ ও ৪০৭০ নম্বর দাগের পশ্চিম পাশে সরকারি খাল রয়েছে এবং পানি উন্নয়ন বোর্ড-এর উদ্যোগে সেই খাল খননের জন্য টেন্ডারও হয়েছে। তবে সরকারি খালের পরিবর্তে এলাইনমেন্ট পরিবর্তন করে তাদের জমির ওপর দিয়ে খাল কাটার চেষ্টা করা হচ্ছে।
মো. আবুল কালাম মুন্সী বলেন, তারা খাল খননের বিরোধী নন। সরকারি সার্ভেয়ার দিয়ে সীমানা নির্ধারণ করে নির্ধারিত খাল অংশে খনন কাজ করা হলে কোনো আপত্তি থাকবে না। তবে ভোগদখলীয় জমিতে খাল খননের চেষ্টা বন্ধের দাবি জানান তিনি।
এ বিষয়ে পানি উন্নয়ন বোর্ডের দায়িত্বরত এসও মুহাইমিনুল ইসলাম আবির লিখিত অভিযোগ পেয়েছেন জানিয়ে বলেন, এখন পর্যন্ত কারও রেকর্ডীয় জমিতে খাল খনন করা হয়নি। আপত্তির জায়গা রেখে অপর প্রান্ত থেকে খনন কাজ চলছে এবং সমঝোতার ভিত্তিতে পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
ঠিকাদার মো. মিলন মিয়া বলেন, উভয় পক্ষ তার আত্মীয় হওয়ায় তিনি সমঝোতার মাধ্যমে স্বার্থ রক্ষার পরামর্শ দিয়েছেন। তবে মুন্সীবাড়ির লোকজন কোনো সিদ্ধান্ত মানছে না বলে দাবি করেন তিনি।
এ বিষয়ে দুমকি উপজেলার ইউএনও রওজাতুন জান্নাত এর বক্তব্যের জন্য একাধিকবার মুঠোফোনে কল করেও তাকে পাওয়া যায় নি।
পটুয়াখালীর দুমকি উপজেলার মুরাদিয়া ইউনিয়নের ৭নম্বর ওয়ার্ডে চিংগরিয়া-মাদারবুনিয়া খালের নির্ধারিত এলাইনমেন্ট পরিবর্তন করে ভোগদখলীয় রেকর্ডীয় জমির ওপর দিয়ে খাল খননের চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও), সহকারী কমিশনার (ভূমি) এবং পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলীর কাছে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন ক্ষতিগ্রস্ত একটি পরিবার।
অভিযোগে বলা হয়, খালের জমির অবৈধ দখলদার হিসেবে পরিচিত একটি প্রভাবশালী পরিবার ঠিকাদারের যোগসাজশে সরকারি খালের নির্ধারিত অংশ পরিবর্তন করে অন্যের রেকর্ডীয় জমির ওপর দিয়ে খাল খননের চেষ্টা করছে। এতে বাধা দিলে সংশ্লিষ্ট ঠিকাদারসহ কয়েকজন ব্যক্তি বিভিন্নভাবে চাপ প্রয়োগ করছেন বলেও অভিযোগ করেন আবেদনকারী মো. আবুল কালাম মুন্সী।
গত সোমবার (১১ মে) পানি উন্নয়ন বোর্ড পটুয়াখালীর নির্বাহী প্রকৌশলী ও আজ শনিবার (১৬ মে) দুমকি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) বরাবর দেওয়া অভিযোগে চরগরবদী গ্রামের বাসিন্দা মো. আবুল কালাম মুন্সী জানান, এসএ ৩২১ ও ৩২৮ নম্বর খতিয়ানভুক্ত বিভিন্ন দাগে মোট ৬৩৪ শতাংশ জমি তাদের পরিবার দীর্ঘদিন ধরে ভোগদখল করে আসছে। জমির মালিক হোসেন আলী মুন্সীর মৃত্যুর পর তার ওয়ারিশরা ওই জমিতে ধানসহ বিভিন্ন ফসল আবাদ করে জীবিকা নির্বাহ করছেন।
অভিযোগপত্রে আরও উল্লেখ করা হয়, ভোগদখলীয় ৪৪৫৫ ও ৪০৭০ নম্বর দাগের পশ্চিম পাশে সরকারি খাল রয়েছে এবং পানি উন্নয়ন বোর্ড-এর উদ্যোগে সেই খাল খননের জন্য টেন্ডারও হয়েছে। তবে সরকারি খালের পরিবর্তে এলাইনমেন্ট পরিবর্তন করে তাদের জমির ওপর দিয়ে খাল কাটার চেষ্টা করা হচ্ছে।
মো. আবুল কালাম মুন্সী বলেন, তারা খাল খননের বিরোধী নন। সরকারি সার্ভেয়ার দিয়ে সীমানা নির্ধারণ করে নির্ধারিত খাল অংশে খনন কাজ করা হলে কোনো আপত্তি থাকবে না। তবে ভোগদখলীয় জমিতে খাল খননের চেষ্টা বন্ধের দাবি জানান তিনি।
এ বিষয়ে পানি উন্নয়ন বোর্ডের দায়িত্বরত এসও মুহাইমিনুল ইসলাম আবির লিখিত অভিযোগ পেয়েছেন জানিয়ে বলেন, এখন পর্যন্ত কারও রেকর্ডীয় জমিতে খাল খনন করা হয়নি। আপত্তির জায়গা রেখে অপর প্রান্ত থেকে খনন কাজ চলছে এবং সমঝোতার ভিত্তিতে পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
ঠিকাদার মো. মিলন মিয়া বলেন, উভয় পক্ষ তার আত্মীয় হওয়ায় তিনি সমঝোতার মাধ্যমে স্বার্থ রক্ষার পরামর্শ দিয়েছেন। তবে মুন্সীবাড়ির লোকজন কোনো সিদ্ধান্ত মানছে না বলে দাবি করেন তিনি।
এ বিষয়ে দুমকি উপজেলার ইউএনও রওজাতুন জান্নাত এর বক্তব্যের জন্য একাধিকবার মুঠোফোনে কল করেও তাকে পাওয়া যায় নি।

১৬ মে, ২০২৬ ১৫:০২
পটুয়াখালীর দুমকি উপজেলার মুরাদিয়া ইউনিয়নের ৭নম্বর ওয়ার্ডে চিংগরিয়া-মাদারবুনিয়া খালের নির্ধারিত এলাইনমেন্ট পরিবর্তন করে ভোগদখলীয় রেকর্ডীয় জমির ওপর দিয়ে খাল খননের চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও), সহকারী কমিশনার (ভূমি) এবং পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলীর কাছে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন ক্ষতিগ্রস্ত একটি পরিবার।
অভিযোগে বলা হয়, খালের জমির অবৈধ দখলদার হিসেবে পরিচিত একটি প্রভাবশালী পরিবার ঠিকাদারের যোগসাজশে সরকারি খালের নির্ধারিত অংশ পরিবর্তন করে অন্যের রেকর্ডীয় জমির ওপর দিয়ে খাল খননের চেষ্টা করছে। এতে বাধা দিলে সংশ্লিষ্ট ঠিকাদারসহ কয়েকজন ব্যক্তি বিভিন্নভাবে চাপ প্রয়োগ করছেন বলেও অভিযোগ করেন আবেদনকারী মো. আবুল কালাম মুন্সী।
গত সোমবার (১১ মে) পানি উন্নয়ন বোর্ড পটুয়াখালীর নির্বাহী প্রকৌশলী ও আজ শনিবার (১৬ মে) দুমকি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) বরাবর দেওয়া অভিযোগে চরগরবদী গ্রামের বাসিন্দা মো. আবুল কালাম মুন্সী জানান, এসএ ৩২১ ও ৩২৮ নম্বর খতিয়ানভুক্ত বিভিন্ন দাগে মোট ৬৩৪ শতাংশ জমি তাদের পরিবার দীর্ঘদিন ধরে ভোগদখল করে আসছে। জমির মালিক হোসেন আলী মুন্সীর মৃত্যুর পর তার ওয়ারিশরা ওই জমিতে ধানসহ বিভিন্ন ফসল আবাদ করে জীবিকা নির্বাহ করছেন।
অভিযোগপত্রে আরও উল্লেখ করা হয়, ভোগদখলীয় ৪৪৫৫ ও ৪০৭০ নম্বর দাগের পশ্চিম পাশে সরকারি খাল রয়েছে এবং পানি উন্নয়ন বোর্ড-এর উদ্যোগে সেই খাল খননের জন্য টেন্ডারও হয়েছে। তবে সরকারি খালের পরিবর্তে এলাইনমেন্ট পরিবর্তন করে তাদের জমির ওপর দিয়ে খাল কাটার চেষ্টা করা হচ্ছে।
মো. আবুল কালাম মুন্সী বলেন, তারা খাল খননের বিরোধী নন। সরকারি সার্ভেয়ার দিয়ে সীমানা নির্ধারণ করে নির্ধারিত খাল অংশে খনন কাজ করা হলে কোনো আপত্তি থাকবে না। তবে ভোগদখলীয় জমিতে খাল খননের চেষ্টা বন্ধের দাবি জানান তিনি।
এ বিষয়ে পানি উন্নয়ন বোর্ডের দায়িত্বরত এসও মুহাইমিনুল ইসলাম আবির লিখিত অভিযোগ পেয়েছেন জানিয়ে বলেন, এখন পর্যন্ত কারও রেকর্ডীয় জমিতে খাল খনন করা হয়নি। আপত্তির জায়গা রেখে অপর প্রান্ত থেকে খনন কাজ চলছে এবং সমঝোতার ভিত্তিতে পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
ঠিকাদার মো. মিলন মিয়া বলেন, উভয় পক্ষ তার আত্মীয় হওয়ায় তিনি সমঝোতার মাধ্যমে স্বার্থ রক্ষার পরামর্শ দিয়েছেন। তবে মুন্সীবাড়ির লোকজন কোনো সিদ্ধান্ত মানছে না বলে দাবি করেন তিনি।
এ বিষয়ে দুমকি উপজেলার ইউএনও রওজাতুন জান্নাত এর বক্তব্যের জন্য একাধিকবার মুঠোফোনে কল করেও তাকে পাওয়া যায় নি।
পটুয়াখালীর দুমকি উপজেলার মুরাদিয়া ইউনিয়নের ৭নম্বর ওয়ার্ডে চিংগরিয়া-মাদারবুনিয়া খালের নির্ধারিত এলাইনমেন্ট পরিবর্তন করে ভোগদখলীয় রেকর্ডীয় জমির ওপর দিয়ে খাল খননের চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও), সহকারী কমিশনার (ভূমি) এবং পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলীর কাছে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন ক্ষতিগ্রস্ত একটি পরিবার।
অভিযোগে বলা হয়, খালের জমির অবৈধ দখলদার হিসেবে পরিচিত একটি প্রভাবশালী পরিবার ঠিকাদারের যোগসাজশে সরকারি খালের নির্ধারিত অংশ পরিবর্তন করে অন্যের রেকর্ডীয় জমির ওপর দিয়ে খাল খননের চেষ্টা করছে। এতে বাধা দিলে সংশ্লিষ্ট ঠিকাদারসহ কয়েকজন ব্যক্তি বিভিন্নভাবে চাপ প্রয়োগ করছেন বলেও অভিযোগ করেন আবেদনকারী মো. আবুল কালাম মুন্সী।
গত সোমবার (১১ মে) পানি উন্নয়ন বোর্ড পটুয়াখালীর নির্বাহী প্রকৌশলী ও আজ শনিবার (১৬ মে) দুমকি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) বরাবর দেওয়া অভিযোগে চরগরবদী গ্রামের বাসিন্দা মো. আবুল কালাম মুন্সী জানান, এসএ ৩২১ ও ৩২৮ নম্বর খতিয়ানভুক্ত বিভিন্ন দাগে মোট ৬৩৪ শতাংশ জমি তাদের পরিবার দীর্ঘদিন ধরে ভোগদখল করে আসছে। জমির মালিক হোসেন আলী মুন্সীর মৃত্যুর পর তার ওয়ারিশরা ওই জমিতে ধানসহ বিভিন্ন ফসল আবাদ করে জীবিকা নির্বাহ করছেন।
অভিযোগপত্রে আরও উল্লেখ করা হয়, ভোগদখলীয় ৪৪৫৫ ও ৪০৭০ নম্বর দাগের পশ্চিম পাশে সরকারি খাল রয়েছে এবং পানি উন্নয়ন বোর্ড-এর উদ্যোগে সেই খাল খননের জন্য টেন্ডারও হয়েছে। তবে সরকারি খালের পরিবর্তে এলাইনমেন্ট পরিবর্তন করে তাদের জমির ওপর দিয়ে খাল কাটার চেষ্টা করা হচ্ছে।
মো. আবুল কালাম মুন্সী বলেন, তারা খাল খননের বিরোধী নন। সরকারি সার্ভেয়ার দিয়ে সীমানা নির্ধারণ করে নির্ধারিত খাল অংশে খনন কাজ করা হলে কোনো আপত্তি থাকবে না। তবে ভোগদখলীয় জমিতে খাল খননের চেষ্টা বন্ধের দাবি জানান তিনি।
এ বিষয়ে পানি উন্নয়ন বোর্ডের দায়িত্বরত এসও মুহাইমিনুল ইসলাম আবির লিখিত অভিযোগ পেয়েছেন জানিয়ে বলেন, এখন পর্যন্ত কারও রেকর্ডীয় জমিতে খাল খনন করা হয়নি। আপত্তির জায়গা রেখে অপর প্রান্ত থেকে খনন কাজ চলছে এবং সমঝোতার ভিত্তিতে পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
ঠিকাদার মো. মিলন মিয়া বলেন, উভয় পক্ষ তার আত্মীয় হওয়ায় তিনি সমঝোতার মাধ্যমে স্বার্থ রক্ষার পরামর্শ দিয়েছেন। তবে মুন্সীবাড়ির লোকজন কোনো সিদ্ধান্ত মানছে না বলে দাবি করেন তিনি।
এ বিষয়ে দুমকি উপজেলার ইউএনও রওজাতুন জান্নাত এর বক্তব্যের জন্য একাধিকবার মুঠোফোনে কল করেও তাকে পাওয়া যায় নি।
২২ জুলাই, ২০২৬ ১৫:১১
২২ জুলাই, ২০২৬ ১৪:৪৬
২২ জুলাই, ২০২৬ ১৩:৪১
২২ জুলাই, ২০২৬ ০১:৫৮