প্রজনন ক্ষম এলাকায় মা ইলিশের প্রধান প্রজনন মৌসুমে ইলিশ রক্ষায় আগামী ৪ অক্টোবর মধ্যরাত থেকে ২৫ অক্টোবর পর্যন্ত টানা ২২ দিন ইলিশ ধরা, পরিবহন, মজুত, বেচাকেনা ও বিনিময় সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ ঘোষণা করেছে সরকার।
এ সময় আইন অমান্যকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেবে প্রশাসন। সরকারের এ আইন বাস্তবায়নে কাজ করে উপজেলা প্রশাসন, মৎস্য বিভাগ, পুলিশ ও কোষ্টগার্ডসহ সংশ্লিষ্ট প্রশাসন।
উপজেলা মৎস্য অফিস সুত্রে জানা যায়, তজুমদ্দিনের মেঘনায় মা ইলিশ রক্ষায় অভিযান চালাতে সব প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে উপজেলা প্রশাসন।
ইতোমধ্যে জেলেরা অভিযান বাস্তবায়নে মাছ ধরার সরঞ্জাম নৌকা ও জাল নিরাপদ জায়গায় তুলতে শুরু করেছেন। নিষেধাজ্ঞা কার্যকর করতে গত কয়েকদিন ধরে উপজেলা ট্রাস্কফোস কমিটির সভা করার মাধ্যমে কার্যক্রম শুরু করেন।
এছাড়াও তজুমদ্দিন উপজেলার শশীগঞ্জ ¯øুইজঘাটে জনসচেতনতা সভা, সোনাপুর আনন্দবাজারে জনসচেতনতা সভা, চৌমুহনী মাছঘাট এবং মহিষখালী মাছঘাটে জনসচেতনতা, কাটাখালী জনসচেনতা সভা ও গুরিন্দা বাজারে পথ সভা করেন মৎস্য প্রশাসন।
এছাড়াও শশীগঞ্জ মাছবাজার, মুচিবাড়ির কোনা মাছবাজার, শিবপুখাসেরহাট, শম্ভুপুর মাছবাজার এলাকায় মাইকিং, পথসভা, লিফলেট বিতরণ ও সচেতনতামূলক ব্যানার লাগিয়েছেন উপজেলা প্রশাসন ও মৎস্য বিভাগ।
উপজেলার বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় মোট ১৬টি ব্যানার ও একটি ড্রপডাউন ব্যানার লাগান। জানতে চাইলে তজুমদ্দিন উপজেলা নির্বাহি কর্মকর্তা শুভ দেবনাথ বলেন, মা ইলিশ নিরাপদে ডিম ছাড়তে না পারলে ভবিষ্যতে উৎপাদন ব্যাপককভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হবে।
তাই মা ইলিশ রক্ষায় মৎস্য অফিস, কোষ্টগার্ড ও পুলিশ রোষ্টার মোতাবেক সর্বক্ষণিক নদীতে টহল অবস্থায় থাকবে। সরকারের আইন বাস্তবায়নে উপজেলা প্রশাসন জিরো টলারেন্স নীতি অবলম্বন করবে।
অভিযান চলাকালীন জেলেদের জন্য সরকারের তরফ থেকে চাল বরাদ্দ চাওয়া হয়েছে। বরাদ্দ পাওয়ার সাথে সাথে চাল জেলেদের মাঝে বিতরণ করা হবে।
এই নিষেধাজ্ঞা শুধু জেলেদের শাস্তির জন্য নয়, বরং জেলেদের ভবিষ্যৎ সুরক্ষার জন্য। আজ যদি আমরা মা ইলিশ রক্ষা করি, আগামী দিনে আরও বেশি ইলিশ পাওয়া যাবে এবং উপকৃত হবেন জেলেসহ সাধারণ মানুষ।
প্রতিবছরের ন্যায় এবছরও ২২দিনের অভিযান বাস্তবায়নে জেলা থেকে নির্বাহি ম্যাজিষ্ট্রেট আসবে। উল্লেখ্য, তজুমদ্দিনে নিবন্ধিত জেলের সংখ্যা ১৮ হাজার ৯২৭ জেলে।
অভিযান চলাকালীন ১৮হাজার ৭১৫ জেলে পরিবারকে এ বছর ২৫ কেজি করে চাল দেয়া হবে। কড়া নজরদারিতে নদী নিষেধাজ্ঞাকালীন সময়ে ভোলার তজুমদ্দিন উপজেলার মেঘনা নদীর পশ্চিম সৈয়দ আউলিয়া পয়েন্টের ৮০ কিলোমিটার আয়তন এলাকায় সব ধরনের মাছ ধরা নিষিদ্ধ থাকবে। এ সময়ে কোস্টগার্ড, মৎস্য বিভাগ ও পুলিশসহ উপজেলা প্রশাসনের যৌথ টিম প্রতিদিন নদীতে টহল দেবে।
তজুমদ্দিন উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মোঃ আমির হোসেন বলেন, ২২ দিন ধৈর্য ধারণ করুন, মা ইলিশ রক্ষায় সক্রিয় ভূমিকা রাখুন এবং সরকার প্রদত্ত সহায়তা কার্যক্রমে অংশগ্রহণ করুন।
কেউ নিষেধাজ্ঞা অমান্য করলে তার বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে। আমির হোসেন আরো জানান, অভিযানে বিশেষ প্রযোজনে নৌবাহিনীও অংশ নেবে।

৩১ জুলাই, ২০২৬ ১৭:৫০
ভোলার লালমোহন উপজেলায় এক গৃহবধূকে দেশীয় অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে ডাকাতি ও শ্লীলতাহানির ঘটনায় তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। শুক্রবার সকালে তাদের আদালতে পাঠানো হয়েছে। এরআগে বৃহস্পতিবার এ ঘটনায় থানায় মামলা দায়ের করেন ভুক্তভোগী গৃহবধূ রোজিনা বেগম। তিনি লালমোহন পৌরসভার ২ নম্বর ওয়ার্ডের মো. খোকনের স্ত্রী। মামলার পরপরই অভিযান চালিয়ে অভিযুক্তদের মধ্যে তিনজনকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।
গ্রেপ্তাররা হলেন- উপজেলার পশ্চিম চরউমেদ ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের গজারিয়া এলাকার মো. পলাশ মৃধার ছেলে মো. শাহাদৎ হোসেন (২৪), জুয়েল স্বর্ণকারের ছেলে মো. জুবায়ের (২১) এবং একই ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের মো. মিলন পাটোয়ারির ছেলে মো. নাঈম (২৪)।
জানা গেছে, গত ২৯ জুলাই বিকেলে রোজিনা বেগম (৩৫) নামে এক গৃহবধূ চরফ্যাশন থেকে সিএনজিযোগে লালমোহনের গজারিয়া বাজার এলাকায় আসেন। সেখান থেকে পৌরসভায় অবস্থিত নিজ বাসায় ফেরার জন্য তিনি একটি অটোরিকশায় ওঠেন। অটোরিকশাটি গজারিয়া নৌকাপট্টিতে পৌঁছালে স্থানীয় মো. শাহাদাত হোসেন, মো. নাঈম এবং মো. জুবায়েরসহ আরও কয়েকজন মিলে অটোরিকশার গতিরোধ করে ভেতরে উঠে পড়েন এবং দেশীয় অস্ত্র দেখিয়ে ওই গৃহবধূকে ভয়ভীতি প্রদর্শন করেন। এরপর তারা অটোরিকশাটি ঘুরিয়ে সৈনিক বাজার সংলগ্ন একটি নির্জন স্থানে নিয়ে যান। সেখানে নিয়ে তারা চাকুর ভয় দেখিয়ে ওই গৃহবধূর কান থেকে ২৫ হাজার টাকা মূল্যের এক জোড়া স্বর্ণের কানের রিং, ৫০ হাজার টাকা মূল্যের এক জোড়া কানের দুল এবং ভেনিটি ব্যাগে থাকা নগদ ৪ হাজার টাকা ছিনিয়ে নিয়ে যান। এ সময় তারা ওই গৃহবধূকে শ্লীলতাহানিও চালান। পরে পালিয়ে যান অভিযুক্তরা।
এ বিষয়ে লালমোহন থানার ওসি মো. অলিউল ইসলাম বলেন, ভুক্তভোগী ওই গৃহবধূ মামলা দায়েরের পর উপজেলার পশ্চিম চরউমেদ ইউনিয়নের গজারিয়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে অভিযুক্তদের মধ্যে তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এ সময় তাদের কাছ থেকে লুণ্ঠিত স্বর্ণালঙ্কার উদ্ধার করা হয়েছে। শুক্রবার সকালে গ্রেপ্তারকৃত তিনজনকে আদালত পাঠানো হয়েছে। এছাড়া বাকি আসামিদেরও গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।
ভোলার লালমোহন উপজেলায় এক গৃহবধূকে দেশীয় অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে ডাকাতি ও শ্লীলতাহানির ঘটনায় তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। শুক্রবার সকালে তাদের আদালতে পাঠানো হয়েছে। এরআগে বৃহস্পতিবার এ ঘটনায় থানায় মামলা দায়ের করেন ভুক্তভোগী গৃহবধূ রোজিনা বেগম। তিনি লালমোহন পৌরসভার ২ নম্বর ওয়ার্ডের মো. খোকনের স্ত্রী। মামলার পরপরই অভিযান চালিয়ে অভিযুক্তদের মধ্যে তিনজনকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।
গ্রেপ্তাররা হলেন- উপজেলার পশ্চিম চরউমেদ ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের গজারিয়া এলাকার মো. পলাশ মৃধার ছেলে মো. শাহাদৎ হোসেন (২৪), জুয়েল স্বর্ণকারের ছেলে মো. জুবায়ের (২১) এবং একই ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের মো. মিলন পাটোয়ারির ছেলে মো. নাঈম (২৪)।
জানা গেছে, গত ২৯ জুলাই বিকেলে রোজিনা বেগম (৩৫) নামে এক গৃহবধূ চরফ্যাশন থেকে সিএনজিযোগে লালমোহনের গজারিয়া বাজার এলাকায় আসেন। সেখান থেকে পৌরসভায় অবস্থিত নিজ বাসায় ফেরার জন্য তিনি একটি অটোরিকশায় ওঠেন। অটোরিকশাটি গজারিয়া নৌকাপট্টিতে পৌঁছালে স্থানীয় মো. শাহাদাত হোসেন, মো. নাঈম এবং মো. জুবায়েরসহ আরও কয়েকজন মিলে অটোরিকশার গতিরোধ করে ভেতরে উঠে পড়েন এবং দেশীয় অস্ত্র দেখিয়ে ওই গৃহবধূকে ভয়ভীতি প্রদর্শন করেন। এরপর তারা অটোরিকশাটি ঘুরিয়ে সৈনিক বাজার সংলগ্ন একটি নির্জন স্থানে নিয়ে যান। সেখানে নিয়ে তারা চাকুর ভয় দেখিয়ে ওই গৃহবধূর কান থেকে ২৫ হাজার টাকা মূল্যের এক জোড়া স্বর্ণের কানের রিং, ৫০ হাজার টাকা মূল্যের এক জোড়া কানের দুল এবং ভেনিটি ব্যাগে থাকা নগদ ৪ হাজার টাকা ছিনিয়ে নিয়ে যান। এ সময় তারা ওই গৃহবধূকে শ্লীলতাহানিও চালান। পরে পালিয়ে যান অভিযুক্তরা।
এ বিষয়ে লালমোহন থানার ওসি মো. অলিউল ইসলাম বলেন, ভুক্তভোগী ওই গৃহবধূ মামলা দায়েরের পর উপজেলার পশ্চিম চরউমেদ ইউনিয়নের গজারিয়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে অভিযুক্তদের মধ্যে তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এ সময় তাদের কাছ থেকে লুণ্ঠিত স্বর্ণালঙ্কার উদ্ধার করা হয়েছে। শুক্রবার সকালে গ্রেপ্তারকৃত তিনজনকে আদালত পাঠানো হয়েছে। এছাড়া বাকি আসামিদেরও গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।

২৮ জুলাই, ২০২৬ ১৬:৪৩
ভোলায় একটি ভাড়া বাসা থেকে পুলিশ সদস্যের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার হয়েছে। মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) দুপুরের দিকে ভোলা পৌর এলাকার অফিসার পাড়ার একটি বাসা থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।
নিহত পুলিশ সদস্যের নাম মো. শাহাবুদ্দিন ফকির (৪৫)। তিনি ভোলা কোর্ট পুলিশে কনস্টেবল হিসেবে কর্মরত ছিলেন। শাহাবুদ্দিন বরিশাল জেলার গৌরনদী থানা দক্ষিণ বিজয়পুর গ্রামের আদম আলী ফকিরের ছেলে।
ভোলা কোর্ট ইন্সপেক্টর মো. নাছির উদ্দিন সাংবাদিকদের বলেন, কনস্টেবল শাহাবুদ্দিন অফিসার পাড়ায় একটি ভাড়া বাসায় পরিবারের নিয়ে থাকতেন। তবে কয়েক দিন আগে তার স্ত্রী গ্রামের বাড়িতে যান। মঙ্গলবার সকালে কোর্টে ডিউটি ছিলো শাহাবুদ্দিনের। সে ডিউটিতে যোগদান না করায় তাকে একাধিকবার ফোন দেওয়া হয়। কিন্তু ফোন না ধরায় তার বাসায় গিয়ে বাড়ির মালিকসহ ডাকাডাকি করি। তখনও কোনো সাড়াশব্দ না পেয়ে ঘরের দরজা ভেঙে তার ঝুলন্ত মরদেহ দেখতে পাই। পরে মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য ভোলা ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, এর আগে গত ৪ মে শাহাবুদ্দিনের একমাত্র সন্তান চৌত্রি ওই বাড়িতে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেন। এরপর থেকে শাহাবুদ্দিন মানসিকভাবে ভেঙে পরেন।’
ভোলায় একটি ভাড়া বাসা থেকে পুলিশ সদস্যের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার হয়েছে। মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) দুপুরের দিকে ভোলা পৌর এলাকার অফিসার পাড়ার একটি বাসা থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।
নিহত পুলিশ সদস্যের নাম মো. শাহাবুদ্দিন ফকির (৪৫)। তিনি ভোলা কোর্ট পুলিশে কনস্টেবল হিসেবে কর্মরত ছিলেন। শাহাবুদ্দিন বরিশাল জেলার গৌরনদী থানা দক্ষিণ বিজয়পুর গ্রামের আদম আলী ফকিরের ছেলে।
ভোলা কোর্ট ইন্সপেক্টর মো. নাছির উদ্দিন সাংবাদিকদের বলেন, কনস্টেবল শাহাবুদ্দিন অফিসার পাড়ায় একটি ভাড়া বাসায় পরিবারের নিয়ে থাকতেন। তবে কয়েক দিন আগে তার স্ত্রী গ্রামের বাড়িতে যান। মঙ্গলবার সকালে কোর্টে ডিউটি ছিলো শাহাবুদ্দিনের। সে ডিউটিতে যোগদান না করায় তাকে একাধিকবার ফোন দেওয়া হয়। কিন্তু ফোন না ধরায় তার বাসায় গিয়ে বাড়ির মালিকসহ ডাকাডাকি করি। তখনও কোনো সাড়াশব্দ না পেয়ে ঘরের দরজা ভেঙে তার ঝুলন্ত মরদেহ দেখতে পাই। পরে মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য ভোলা ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, এর আগে গত ৪ মে শাহাবুদ্দিনের একমাত্র সন্তান চৌত্রি ওই বাড়িতে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেন। এরপর থেকে শাহাবুদ্দিন মানসিকভাবে ভেঙে পরেন।’

২৫ জুলাই, ২০২৬ ১৯:২৮
ভোলার লালমোহন উপজেলায় যাত্রীবাহী বাস চাপায় মোসা. মাইশা আক্তার (৬) নামে এক শিশু নিহত হয়েছে। শনিবার বিকেলে উপজেলার পশ্চিম চরউমেদ ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের ভোলা-চরফ্যাশন আঞ্চলিক মহাসড়কের সৈনিক বাজার এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহত শিশু মাইশা ওই এলাকার মো. বিল্লাল হোসেনের মেয়ে।
জানা গেছে, শনিবার বিকেলে লালমোহন উপজেলার সৈনিক বাজার এলাকায় সড়ক পার হচ্ছিল শিশু মাইশা আক্তার। এ সময় ভোলা থেকে ছেড়ে আসা চরফ্যাশনগামী দ্রুতগতির একটি যাত্রীবাহী বাস তাকে চাপা দেয়। এতে ঘটনাস্থলেই মারা যায় শিশু মাইশা। ঘটনা বুঝতে পেরে বাস নিয়ে চলে যান চালক। খবর পেয়ে ওই শিশুর স্বজন ও স্থানীয়রা ঘটনাস্থলে ছুটে যান। তারা সড়কের ওপর গাছ ফেলে সব ধরনের যানবাহন চলাচল বন্ধ করে দেন।
এ বিষয়ে লালমোহন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. অলিউল ইসলাম বলেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশের একটি টিম পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় আইনি ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।’
ভোলার লালমোহন উপজেলায় যাত্রীবাহী বাস চাপায় মোসা. মাইশা আক্তার (৬) নামে এক শিশু নিহত হয়েছে। শনিবার বিকেলে উপজেলার পশ্চিম চরউমেদ ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের ভোলা-চরফ্যাশন আঞ্চলিক মহাসড়কের সৈনিক বাজার এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহত শিশু মাইশা ওই এলাকার মো. বিল্লাল হোসেনের মেয়ে।
জানা গেছে, শনিবার বিকেলে লালমোহন উপজেলার সৈনিক বাজার এলাকায় সড়ক পার হচ্ছিল শিশু মাইশা আক্তার। এ সময় ভোলা থেকে ছেড়ে আসা চরফ্যাশনগামী দ্রুতগতির একটি যাত্রীবাহী বাস তাকে চাপা দেয়। এতে ঘটনাস্থলেই মারা যায় শিশু মাইশা। ঘটনা বুঝতে পেরে বাস নিয়ে চলে যান চালক। খবর পেয়ে ওই শিশুর স্বজন ও স্থানীয়রা ঘটনাস্থলে ছুটে যান। তারা সড়কের ওপর গাছ ফেলে সব ধরনের যানবাহন চলাচল বন্ধ করে দেন।
এ বিষয়ে লালমোহন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. অলিউল ইসলাম বলেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশের একটি টিম পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় আইনি ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।’

০৩ অক্টোবর, ২০২৫ ১৭:১১
প্রজনন ক্ষম এলাকায় মা ইলিশের প্রধান প্রজনন মৌসুমে ইলিশ রক্ষায় আগামী ৪ অক্টোবর মধ্যরাত থেকে ২৫ অক্টোবর পর্যন্ত টানা ২২ দিন ইলিশ ধরা, পরিবহন, মজুত, বেচাকেনা ও বিনিময় সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ ঘোষণা করেছে সরকার।
এ সময় আইন অমান্যকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেবে প্রশাসন। সরকারের এ আইন বাস্তবায়নে কাজ করে উপজেলা প্রশাসন, মৎস্য বিভাগ, পুলিশ ও কোষ্টগার্ডসহ সংশ্লিষ্ট প্রশাসন।
উপজেলা মৎস্য অফিস সুত্রে জানা যায়, তজুমদ্দিনের মেঘনায় মা ইলিশ রক্ষায় অভিযান চালাতে সব প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে উপজেলা প্রশাসন।
ইতোমধ্যে জেলেরা অভিযান বাস্তবায়নে মাছ ধরার সরঞ্জাম নৌকা ও জাল নিরাপদ জায়গায় তুলতে শুরু করেছেন। নিষেধাজ্ঞা কার্যকর করতে গত কয়েকদিন ধরে উপজেলা ট্রাস্কফোস কমিটির সভা করার মাধ্যমে কার্যক্রম শুরু করেন।
এছাড়াও তজুমদ্দিন উপজেলার শশীগঞ্জ ¯øুইজঘাটে জনসচেতনতা সভা, সোনাপুর আনন্দবাজারে জনসচেতনতা সভা, চৌমুহনী মাছঘাট এবং মহিষখালী মাছঘাটে জনসচেতনতা, কাটাখালী জনসচেনতা সভা ও গুরিন্দা বাজারে পথ সভা করেন মৎস্য প্রশাসন।
এছাড়াও শশীগঞ্জ মাছবাজার, মুচিবাড়ির কোনা মাছবাজার, শিবপুখাসেরহাট, শম্ভুপুর মাছবাজার এলাকায় মাইকিং, পথসভা, লিফলেট বিতরণ ও সচেতনতামূলক ব্যানার লাগিয়েছেন উপজেলা প্রশাসন ও মৎস্য বিভাগ।
উপজেলার বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় মোট ১৬টি ব্যানার ও একটি ড্রপডাউন ব্যানার লাগান। জানতে চাইলে তজুমদ্দিন উপজেলা নির্বাহি কর্মকর্তা শুভ দেবনাথ বলেন, মা ইলিশ নিরাপদে ডিম ছাড়তে না পারলে ভবিষ্যতে উৎপাদন ব্যাপককভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হবে।
তাই মা ইলিশ রক্ষায় মৎস্য অফিস, কোষ্টগার্ড ও পুলিশ রোষ্টার মোতাবেক সর্বক্ষণিক নদীতে টহল অবস্থায় থাকবে। সরকারের আইন বাস্তবায়নে উপজেলা প্রশাসন জিরো টলারেন্স নীতি অবলম্বন করবে।
অভিযান চলাকালীন জেলেদের জন্য সরকারের তরফ থেকে চাল বরাদ্দ চাওয়া হয়েছে। বরাদ্দ পাওয়ার সাথে সাথে চাল জেলেদের মাঝে বিতরণ করা হবে।
এই নিষেধাজ্ঞা শুধু জেলেদের শাস্তির জন্য নয়, বরং জেলেদের ভবিষ্যৎ সুরক্ষার জন্য। আজ যদি আমরা মা ইলিশ রক্ষা করি, আগামী দিনে আরও বেশি ইলিশ পাওয়া যাবে এবং উপকৃত হবেন জেলেসহ সাধারণ মানুষ।
প্রতিবছরের ন্যায় এবছরও ২২দিনের অভিযান বাস্তবায়নে জেলা থেকে নির্বাহি ম্যাজিষ্ট্রেট আসবে। উল্লেখ্য, তজুমদ্দিনে নিবন্ধিত জেলের সংখ্যা ১৮ হাজার ৯২৭ জেলে।
অভিযান চলাকালীন ১৮হাজার ৭১৫ জেলে পরিবারকে এ বছর ২৫ কেজি করে চাল দেয়া হবে। কড়া নজরদারিতে নদী নিষেধাজ্ঞাকালীন সময়ে ভোলার তজুমদ্দিন উপজেলার মেঘনা নদীর পশ্চিম সৈয়দ আউলিয়া পয়েন্টের ৮০ কিলোমিটার আয়তন এলাকায় সব ধরনের মাছ ধরা নিষিদ্ধ থাকবে। এ সময়ে কোস্টগার্ড, মৎস্য বিভাগ ও পুলিশসহ উপজেলা প্রশাসনের যৌথ টিম প্রতিদিন নদীতে টহল দেবে।
তজুমদ্দিন উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মোঃ আমির হোসেন বলেন, ২২ দিন ধৈর্য ধারণ করুন, মা ইলিশ রক্ষায় সক্রিয় ভূমিকা রাখুন এবং সরকার প্রদত্ত সহায়তা কার্যক্রমে অংশগ্রহণ করুন।
কেউ নিষেধাজ্ঞা অমান্য করলে তার বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে। আমির হোসেন আরো জানান, অভিযানে বিশেষ প্রযোজনে নৌবাহিনীও অংশ নেবে।
০১ আগস্ট, ২০২৬ ১৮:৪২
০১ আগস্ট, ২০২৬ ১৮:৪০
০১ আগস্ট, ২০২৬ ১৮:৩৪
০১ আগস্ট, ২০২৬ ১৮:০১