
১৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১২:০২
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বরিশালের ছয়টি আসনের ৩৬ জন প্রার্থীর মধ্যে ২০ জন প্রার্থী প্রয়োজনীয় আট ভাগের এক ভাগ ভোট না পাওয়ায় তাদের জামানত বাজেয়াপ্ত হচ্ছে। সংশ্লিষ্ট আসনগুলোর ফলাফল বিশ্লেষণে এ তথ্য জানা গেছে।
জামানত বাজেয়াপ্তদের মধ্যে বরিশাল-১ আসনে জাতীয় পার্টির (জেপি) বাইসাইকেল প্রতীক নিয়ে ছেরনিয়াবাত সেকেন্দার আলী পেয়েছেন ১ হাজার ৭৩৬ ভোট।
ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের হাতপাখা প্রতীক নিয়ে মো. রাসেল সরদার পেয়েছেন ৬ হাজার ৮৪৬ ভোট। এ আসনে মোট প্রদত্ত ভোট ছিল ২ লাখ ৩ হাজার ৮৬০। প্রয়োজনীয় ভোট না পাওয়ায় এই দুই প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে।
বরিশাল-২ আসনে জাতীয় পার্টির (জেপি) বাইসাইকেল প্রতীক নিয়ে আব্দুল হক পেয়েছেন ২ হাজার ৩২৯ ভোট। জাতীয় পার্টির লাঙ্গল প্রতীক নিয়ে এম এ জলিল পেয়েছেন ১ হাজার ১৯৯ ভোট।
ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মোহাম্মাদ নেছার উদ্দিন হাতপাখা প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ৬ হাজার ২১ ভোট। জাসদের মো. আবুল কালাম আজাদ মোটরগাড়ি প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ১৩৫ ভোট।
গণঅধিকার পরিষদের রঞ্জিত কুমার বাড়ৈ ট্রাক প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ৭০০ ভোট এবং এনপিপির সাহেব আলী আম প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ১৮৫ ভোট। এ আসনে মোট প্রদত্ত ভোট ছিল ২ লাখ ৩০ হাজার ৭৭৫। ফলে এ আসনের উল্লেখিত ছয়জন প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে।
বরিশাল-৩ আসনে ট্রাক প্রতীক নিয়ে এইচ এম ফারদিন ইয়ামিন পেয়েছেন ৮৬০ ভোট। জাতীয় পার্টির গোলাম কিবরিয়া টিপু লাঙ্গল প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ১৪ হাজার ১৮৪ ভোট।
ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মুহাম্মাদ সিরাজুল ইসলাম হাতপাখা প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ১৬ হাজার ৩২৫ ভোট। মই প্রতীক নিয়ে আজমুল হাসান জিহাদ পেয়েছেন ২১৪ ভোট। এ আসনে মোট প্রদত্ত ভোট ছিল ১ লাখ ৭৭ হাজার ৭১৬। ফলে এ আসনের চারজন প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে।
বরিশাল-৪ আসনে মুক্তিজোটের আব্দুল জলিল ছড়ি প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ৪১৩ ভোট। জাসদের আব্দুস সালাম খোকন মোটরগাড়ি প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ৩৩৪ ভোট। এ আসনে মোট প্রদত্ত ভোট ছিল ২ লাখ ৪৫ হাজার ৪। ফলে এ দুই প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে।
বরিশাল-৫ আসনে জাতীয় পার্টির আখতার রহমান লাঙ্গল প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ৯০৯ ভোট। এনপিপির আব্দুল হান্নান সিকদার আম প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ৪৯৪ ভোট। বাংলাদেশ সমাজতান্ত্রিক দল (মার্কসবাদী) কাঁচি প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ৩০০ ভোট। এ আসনে মোট প্রদত্ত ভোট ছিল ২ লাখ ৬২ হাজার ৪৭০। ফলে উল্লেখিত তিন প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে।
বরিশাল-৬ আসনে বাংলাদেশ মুসলিম লীগের আব্দুল কুদ্দুস হারিকেন প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ২৪৪ ভোট। স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. কামরুল ইসলাম খান ফুটবল প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ৩৬৬ ভোট এবং গণঅধিকার পরিষদের মো. সালাউদ্দিন মিয়া ট্রাক প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ১৩৯ ভোট। এ আসনে মোট প্রদত্ত ভোট ছিল ১ লাখ ৭১ হাজার ১৩৮। ফলে ওই আসনের এই তিন প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে।
বরিশালের জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক মো. খায়রুল আলম সুমন বলেন, নির্বাচনী বিধি অনুযায়ী মোট প্রদত্ত ভোটের অন্তত আট ভাগের এক ভাগ ভোট না পেলে প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত হয়। সে হিসেবে যাদের জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে, তাদের তালিকা প্রস্তুতের কাজ চলছে।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বরিশালের ছয়টি আসনের ৩৬ জন প্রার্থীর মধ্যে ২০ জন প্রার্থী প্রয়োজনীয় আট ভাগের এক ভাগ ভোট না পাওয়ায় তাদের জামানত বাজেয়াপ্ত হচ্ছে। সংশ্লিষ্ট আসনগুলোর ফলাফল বিশ্লেষণে এ তথ্য জানা গেছে।
জামানত বাজেয়াপ্তদের মধ্যে বরিশাল-১ আসনে জাতীয় পার্টির (জেপি) বাইসাইকেল প্রতীক নিয়ে ছেরনিয়াবাত সেকেন্দার আলী পেয়েছেন ১ হাজার ৭৩৬ ভোট।
ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের হাতপাখা প্রতীক নিয়ে মো. রাসেল সরদার পেয়েছেন ৬ হাজার ৮৪৬ ভোট। এ আসনে মোট প্রদত্ত ভোট ছিল ২ লাখ ৩ হাজার ৮৬০। প্রয়োজনীয় ভোট না পাওয়ায় এই দুই প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে।
বরিশাল-২ আসনে জাতীয় পার্টির (জেপি) বাইসাইকেল প্রতীক নিয়ে আব্দুল হক পেয়েছেন ২ হাজার ৩২৯ ভোট। জাতীয় পার্টির লাঙ্গল প্রতীক নিয়ে এম এ জলিল পেয়েছেন ১ হাজার ১৯৯ ভোট।
ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মোহাম্মাদ নেছার উদ্দিন হাতপাখা প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ৬ হাজার ২১ ভোট। জাসদের মো. আবুল কালাম আজাদ মোটরগাড়ি প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ১৩৫ ভোট।
গণঅধিকার পরিষদের রঞ্জিত কুমার বাড়ৈ ট্রাক প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ৭০০ ভোট এবং এনপিপির সাহেব আলী আম প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ১৮৫ ভোট। এ আসনে মোট প্রদত্ত ভোট ছিল ২ লাখ ৩০ হাজার ৭৭৫। ফলে এ আসনের উল্লেখিত ছয়জন প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে।
বরিশাল-৩ আসনে ট্রাক প্রতীক নিয়ে এইচ এম ফারদিন ইয়ামিন পেয়েছেন ৮৬০ ভোট। জাতীয় পার্টির গোলাম কিবরিয়া টিপু লাঙ্গল প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ১৪ হাজার ১৮৪ ভোট।
ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মুহাম্মাদ সিরাজুল ইসলাম হাতপাখা প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ১৬ হাজার ৩২৫ ভোট। মই প্রতীক নিয়ে আজমুল হাসান জিহাদ পেয়েছেন ২১৪ ভোট। এ আসনে মোট প্রদত্ত ভোট ছিল ১ লাখ ৭৭ হাজার ৭১৬। ফলে এ আসনের চারজন প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে।
বরিশাল-৪ আসনে মুক্তিজোটের আব্দুল জলিল ছড়ি প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ৪১৩ ভোট। জাসদের আব্দুস সালাম খোকন মোটরগাড়ি প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ৩৩৪ ভোট। এ আসনে মোট প্রদত্ত ভোট ছিল ২ লাখ ৪৫ হাজার ৪। ফলে এ দুই প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে।
বরিশাল-৫ আসনে জাতীয় পার্টির আখতার রহমান লাঙ্গল প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ৯০৯ ভোট। এনপিপির আব্দুল হান্নান সিকদার আম প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ৪৯৪ ভোট। বাংলাদেশ সমাজতান্ত্রিক দল (মার্কসবাদী) কাঁচি প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ৩০০ ভোট। এ আসনে মোট প্রদত্ত ভোট ছিল ২ লাখ ৬২ হাজার ৪৭০। ফলে উল্লেখিত তিন প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে।
বরিশাল-৬ আসনে বাংলাদেশ মুসলিম লীগের আব্দুল কুদ্দুস হারিকেন প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ২৪৪ ভোট। স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. কামরুল ইসলাম খান ফুটবল প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ৩৬৬ ভোট এবং গণঅধিকার পরিষদের মো. সালাউদ্দিন মিয়া ট্রাক প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ১৩৯ ভোট। এ আসনে মোট প্রদত্ত ভোট ছিল ১ লাখ ৭১ হাজার ১৩৮। ফলে ওই আসনের এই তিন প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে।
বরিশালের জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক মো. খায়রুল আলম সুমন বলেন, নির্বাচনী বিধি অনুযায়ী মোট প্রদত্ত ভোটের অন্তত আট ভাগের এক ভাগ ভোট না পেলে প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত হয়। সে হিসেবে যাদের জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে, তাদের তালিকা প্রস্তুতের কাজ চলছে।

০৬ এপ্রিল, ২০২৬ ১৯:১৮
বরিশালের বাবুগঞ্জে ৫টি ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসনিক কর্মকর্তাদের একযোগে বদলি করা হয়েছে। বরিশাল জেলা প্রশাসক মো. খায়রুল আলম সুমন বদলির লিখিত এ আদেশ দেন।
বাবুগঞ্জ উপজেলা সদর রহমতপুর ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসনিক কর্মকর্তা তারিকুল ইসলামকে হিজলা উপজেলার গুয়াবাড়ী ইউনিয়ন পরিষদ, মাধবপাশা ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসনিক কর্মকর্তা মো. আবুল বাশারকে বাকেরগঞ্জ উপজেলার রঙ্গশ্রী ইউনিয়ন পরিষদ, কেদারপুর ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসনিক কর্মকর্তা ইউসুফ আলী দেওয়ানকে উজিরপুর উপজেলার গুঠিয়া ইউনিয়নে পরিষদে, জাহাঙ্গীরনগর ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসনিক কর্মকর্তা আমিনুল ইসলামকে মেহেন্দিগঞ্জ উপজেলার জাঙ্গালিয়া ইউনিয়ন পরিষদ, দেহেরগতি ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসনিক কর্মকর্তা জিয়াউল হককে বাকেরগঞ্জ উপজেলার ভরপাশা ইউনিয়ন পরিষদে বদলি করা হয়েছে।
বাবুগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আসমাউল হুসনা জানান, কাজের গতি বাড়ানোর লক্ষ্যে বাবুগঞ্জ উপজেলার ৫টি ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসনিক কর্মকর্তারা দীর্ঘদিন ধরে একই উপজেলায় কর্মরত ছিলেন। তাদের অন্যত্র বদলির আদেশ দেওয়া হয়েছে।
বরিশালের বাবুগঞ্জে ৫টি ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসনিক কর্মকর্তাদের একযোগে বদলি করা হয়েছে। বরিশাল জেলা প্রশাসক মো. খায়রুল আলম সুমন বদলির লিখিত এ আদেশ দেন।
বাবুগঞ্জ উপজেলা সদর রহমতপুর ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসনিক কর্মকর্তা তারিকুল ইসলামকে হিজলা উপজেলার গুয়াবাড়ী ইউনিয়ন পরিষদ, মাধবপাশা ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসনিক কর্মকর্তা মো. আবুল বাশারকে বাকেরগঞ্জ উপজেলার রঙ্গশ্রী ইউনিয়ন পরিষদ, কেদারপুর ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসনিক কর্মকর্তা ইউসুফ আলী দেওয়ানকে উজিরপুর উপজেলার গুঠিয়া ইউনিয়নে পরিষদে, জাহাঙ্গীরনগর ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসনিক কর্মকর্তা আমিনুল ইসলামকে মেহেন্দিগঞ্জ উপজেলার জাঙ্গালিয়া ইউনিয়ন পরিষদ, দেহেরগতি ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসনিক কর্মকর্তা জিয়াউল হককে বাকেরগঞ্জ উপজেলার ভরপাশা ইউনিয়ন পরিষদে বদলি করা হয়েছে।
বাবুগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আসমাউল হুসনা জানান, কাজের গতি বাড়ানোর লক্ষ্যে বাবুগঞ্জ উপজেলার ৫টি ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসনিক কর্মকর্তারা দীর্ঘদিন ধরে একই উপজেলায় কর্মরত ছিলেন। তাদের অন্যত্র বদলির আদেশ দেওয়া হয়েছে।

০৬ এপ্রিল, ২০২৬ ১৬:০৭
বরিশালের উজিরপুরে মাছের ঘের দখলকে কেন্দ্র করে যুবদলের দুই সদস্যকে কুপিয়ে ও পিটিয়ে আহত করার অভিযোগ উঠেছে বিএনপি ও ছাত্রদল নেতার বিরুদ্ধে।
রোববার (৫ এপ্রিল) রাতে উজিরপুর থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। এর আগে, শনিবার রাত সাড়ে নয়টার দিকে উপজেলার সাতলা ইউনিয়নের মুড়িবাড়ি এলাকায় এ হামলার ঘটনা ঘটে।
যুবদল নেতা জাহাঙ্গীর আলম জুয়েল বলেন, সাতলা ৯ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সহ-সভাপতি সরোয়ার সরদার ও ইউনিয়ন ছাত্রদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক রাহাত খন্দকার তাদের সহযোগীদের নিয়ে গত বছর পটিবাড়ি এলাকার প্রায় ১৪শ’ একর মৎস্য ঘের দখল করেন।
জমির মালিকদের না জানিয়ে এ বছরও ওই ঘেরে মাছ চাষের চেষ্টা চালাচ্ছেন তিনি। গত শনিবার বিকেলে জমির মালিকদের নিয়ে স্থানীয় মাহবুব খন্দকারের বাড়িতে সভা করা হলে সরোয়ার ও রাহাত তাদের লোকজন নিয়ে সভাস্থলে এসে তা পণ্ড করে দেন এবং জুয়েলকে খুঁজতে থাকেন। পরে ওইদিন রাত সাড়ে নয়টার দিকে মুড়িবাড়ি এলাকায় তাকে কুপিয়ে রক্তাক্ত করা হয়। এ সময় তার চিৎকারে ছুটে আসা যুবদল কর্মী মামুন হাওলাদারকেও পিটিয়ে আহত করা হয়। স্থানীয়রা আহতদের উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করেছেন।
আহতদের মধ্যে জাহাঙ্গীর আলম জুয়েল সাতলা ইউনিয়ন যুবদলের সদস্য ও মামুন হাওলাদার যুবদলের কর্মী। অভিযোগ অস্বীকার করে ছাত্রদল নেতা রাহাত খন্দকার বলেন, তারা কোনো হামলা করেননি বরং প্রতিপক্ষই তাদের ওপর হামলা করেছে।
এতে তাদের পক্ষের চারজন আহত হয়েছেন এবং সরোয়ার সরদারের অবস্থা গুরুতর। উজিরপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. রকিবুল ইসলাম বলেন, লিখিত অভিযোগ পাওয়া গেছে। বিষয়টি তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
বরিশালের উজিরপুরে মাছের ঘের দখলকে কেন্দ্র করে যুবদলের দুই সদস্যকে কুপিয়ে ও পিটিয়ে আহত করার অভিযোগ উঠেছে বিএনপি ও ছাত্রদল নেতার বিরুদ্ধে।
রোববার (৫ এপ্রিল) রাতে উজিরপুর থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। এর আগে, শনিবার রাত সাড়ে নয়টার দিকে উপজেলার সাতলা ইউনিয়নের মুড়িবাড়ি এলাকায় এ হামলার ঘটনা ঘটে।
যুবদল নেতা জাহাঙ্গীর আলম জুয়েল বলেন, সাতলা ৯ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সহ-সভাপতি সরোয়ার সরদার ও ইউনিয়ন ছাত্রদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক রাহাত খন্দকার তাদের সহযোগীদের নিয়ে গত বছর পটিবাড়ি এলাকার প্রায় ১৪শ’ একর মৎস্য ঘের দখল করেন।
জমির মালিকদের না জানিয়ে এ বছরও ওই ঘেরে মাছ চাষের চেষ্টা চালাচ্ছেন তিনি। গত শনিবার বিকেলে জমির মালিকদের নিয়ে স্থানীয় মাহবুব খন্দকারের বাড়িতে সভা করা হলে সরোয়ার ও রাহাত তাদের লোকজন নিয়ে সভাস্থলে এসে তা পণ্ড করে দেন এবং জুয়েলকে খুঁজতে থাকেন। পরে ওইদিন রাত সাড়ে নয়টার দিকে মুড়িবাড়ি এলাকায় তাকে কুপিয়ে রক্তাক্ত করা হয়। এ সময় তার চিৎকারে ছুটে আসা যুবদল কর্মী মামুন হাওলাদারকেও পিটিয়ে আহত করা হয়। স্থানীয়রা আহতদের উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করেছেন।
আহতদের মধ্যে জাহাঙ্গীর আলম জুয়েল সাতলা ইউনিয়ন যুবদলের সদস্য ও মামুন হাওলাদার যুবদলের কর্মী। অভিযোগ অস্বীকার করে ছাত্রদল নেতা রাহাত খন্দকার বলেন, তারা কোনো হামলা করেননি বরং প্রতিপক্ষই তাদের ওপর হামলা করেছে।
এতে তাদের পক্ষের চারজন আহত হয়েছেন এবং সরোয়ার সরদারের অবস্থা গুরুতর। উজিরপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. রকিবুল ইসলাম বলেন, লিখিত অভিযোগ পাওয়া গেছে। বিষয়টি তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

০৬ এপ্রিল, ২০২৬ ১৫:৫০
পটুয়াখালীর একটি বেসরকারি নার্সিং কলেজের চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে প্রতিষ্ঠানের এক নারী শিক্ষিকাকে পরকীয়ার ফাঁদে ফেলে অনৈতিক সম্পর্কে জড়ানোর অভিযোগ উঠেছে। এই ঘটনায় ওই কলেজের চেয়ারম্যান এবং সংশ্লিষ্ট শিক্ষিকার বিরুদ্ধে আদালতে মামলা দায়ের করা হয়েছে।
গত ৩১ মার্চ ঝালকাঠী সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে মামলাটি দায়ের করেন ভুক্তভোগী শিক্ষিকার স্বামী মো. মশিউর রহমান। মামলায় অভিযুক্তরা হলেন—বরিশালের রাজধানী ও ডিডাব্লিউএফ নার্সিং কলেজের চেয়ারম্যান এবং আওয়ামী লীগ নেতা জহিরুল ইসলাম এবং একই কলেজের সহকারী অধ্যাপক ও বাদীর স্ত্রী আয়শা আক্তার।
অভিযুক্ত জহিরুল ইসলাম পটুয়াখালীর বাসিন্দা এবং সেখানে ‘জহির-নেহেরু নার্সিং ইনস্টিটিউট’-এর পরিচালক। তবে ব্যবসায়িক সূত্রে তিনি বরিশাল নগরীর সিএন্ডবি রোড এলাকায় বসবাস করেন।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, গত ২৭ মার্চ শুক্রবার সকাল ১০টার দিকে অভিযুক্ত জহিরুল ইসলাম ও আয়শা আক্তার ঝালকাঠী সদর উপজেলার আলীপুর শশাংক গ্রামের বাড়িতে আপত্তিকর অবস্থায় ধরা পড়েন। বাদীর মা মর্জিনা আক্তার তাদের এই অনৈতিক কার্যকলাপ দেখে চিৎকার দিলে অভিযুক্তরা ঘর থেকে নগদ ৮০ হাজার টাকা ও এক ভরি ওজনের স্বর্ণের চেইনসহ প্রায় ৩ লাখ টাকার মালামাল নিয়ে এবং ৩ বছরের সন্তানসহ দ্রুত প্রাইভেট কারে ঘটনাস্থল ত্যাগ করেন।
বাদীর অভিযোগ, জহিরুল ইসলাম একজন প্রভাবশালী ব্যক্তি এবং নারীলোভী প্রকৃতির। প্রতিষ্ঠানের প্রধান হওয়ার সুবাদে তিনি সহকারী অধ্যাপক আয়শা আক্তারের সঙ্গে পরকীয়া সম্পর্কে জড়ান। বিষয়টি জানাজানি হওয়ার পর একাধিকবার বারণ করা সত্ত্বেও তারা সম্পর্ক বজায় রাখেন। এমনকি আয়শা আক্তারের বাবার বাড়িতে বিষয়টি জানিয়েও কোনো সমাধান মেলেনি।
অভিযোগ রয়েছে, নার্সিং ব্যবসার আড়ালে জহিরুল ইসলাম নানা অনিয়ম ও দুর্নীতির সঙ্গে জড়িত। ইতিপূর্বে এক ছাত্রীর সঙ্গে তার আপত্তিকর ফোনালাপের অডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়েছিল। রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে তিনি জেলা কৃষক লীগের সদস্য পদ বাগিয়ে নিয়েছেন এবং তার স্ত্রীকে বরিশাল জেলা মহিলা শ্রমিক লীগের সভাপতি বানিয়েছেন বলেও জানা যায়।
এই বিষয়ে বক্তব্য জানতে অভিযুক্ত জহিরুল ইসলামের মুঠোফোনে একাধিকবার কল এবং হোয়াটসঅ্যাপে বার্তা পাঠানো হলেও কোনো সাড়া পাওয়া যায়নি।
পটুয়াখালীর একটি বেসরকারি নার্সিং কলেজের চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে প্রতিষ্ঠানের এক নারী শিক্ষিকাকে পরকীয়ার ফাঁদে ফেলে অনৈতিক সম্পর্কে জড়ানোর অভিযোগ উঠেছে। এই ঘটনায় ওই কলেজের চেয়ারম্যান এবং সংশ্লিষ্ট শিক্ষিকার বিরুদ্ধে আদালতে মামলা দায়ের করা হয়েছে।
গত ৩১ মার্চ ঝালকাঠী সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে মামলাটি দায়ের করেন ভুক্তভোগী শিক্ষিকার স্বামী মো. মশিউর রহমান। মামলায় অভিযুক্তরা হলেন—বরিশালের রাজধানী ও ডিডাব্লিউএফ নার্সিং কলেজের চেয়ারম্যান এবং আওয়ামী লীগ নেতা জহিরুল ইসলাম এবং একই কলেজের সহকারী অধ্যাপক ও বাদীর স্ত্রী আয়শা আক্তার।
অভিযুক্ত জহিরুল ইসলাম পটুয়াখালীর বাসিন্দা এবং সেখানে ‘জহির-নেহেরু নার্সিং ইনস্টিটিউট’-এর পরিচালক। তবে ব্যবসায়িক সূত্রে তিনি বরিশাল নগরীর সিএন্ডবি রোড এলাকায় বসবাস করেন।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, গত ২৭ মার্চ শুক্রবার সকাল ১০টার দিকে অভিযুক্ত জহিরুল ইসলাম ও আয়শা আক্তার ঝালকাঠী সদর উপজেলার আলীপুর শশাংক গ্রামের বাড়িতে আপত্তিকর অবস্থায় ধরা পড়েন। বাদীর মা মর্জিনা আক্তার তাদের এই অনৈতিক কার্যকলাপ দেখে চিৎকার দিলে অভিযুক্তরা ঘর থেকে নগদ ৮০ হাজার টাকা ও এক ভরি ওজনের স্বর্ণের চেইনসহ প্রায় ৩ লাখ টাকার মালামাল নিয়ে এবং ৩ বছরের সন্তানসহ দ্রুত প্রাইভেট কারে ঘটনাস্থল ত্যাগ করেন।
বাদীর অভিযোগ, জহিরুল ইসলাম একজন প্রভাবশালী ব্যক্তি এবং নারীলোভী প্রকৃতির। প্রতিষ্ঠানের প্রধান হওয়ার সুবাদে তিনি সহকারী অধ্যাপক আয়শা আক্তারের সঙ্গে পরকীয়া সম্পর্কে জড়ান। বিষয়টি জানাজানি হওয়ার পর একাধিকবার বারণ করা সত্ত্বেও তারা সম্পর্ক বজায় রাখেন। এমনকি আয়শা আক্তারের বাবার বাড়িতে বিষয়টি জানিয়েও কোনো সমাধান মেলেনি।
অভিযোগ রয়েছে, নার্সিং ব্যবসার আড়ালে জহিরুল ইসলাম নানা অনিয়ম ও দুর্নীতির সঙ্গে জড়িত। ইতিপূর্বে এক ছাত্রীর সঙ্গে তার আপত্তিকর ফোনালাপের অডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়েছিল। রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে তিনি জেলা কৃষক লীগের সদস্য পদ বাগিয়ে নিয়েছেন এবং তার স্ত্রীকে বরিশাল জেলা মহিলা শ্রমিক লীগের সভাপতি বানিয়েছেন বলেও জানা যায়।
এই বিষয়ে বক্তব্য জানতে অভিযুক্ত জহিরুল ইসলামের মুঠোফোনে একাধিকবার কল এবং হোয়াটসঅ্যাপে বার্তা পাঠানো হলেও কোনো সাড়া পাওয়া যায়নি।
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.