পটুয়াখালীর মির্জাগঞ্জে ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতির বসতঘর বুলডোজার দিয়ে ভেঙে ফেলার পর মালামাল লুট করে আগুন দেওয়া হয়েছে। শুক্রবার রাত ১২টার পর থেকে শনিবার ভোর পর্যন্ত এ হামলা চালানো হয়। ওই বাড়ির বাসিন্দাদের অভিযোগ, পটুয়াখালী-১ আসনের সংসদ সদস্য আলতাফ হোসেন চৌধুরীর ছোট ভাই শাহীন চৌধুরী এবং স্থানীয় বিএনপির নেতাকর্মীরা এ ঘটনায় জড়িত।
ওই আওয়ামী লীগের নেতার নাম কাজী মিজানুর রহমান (লাভলু), তিনি মাধবখালী ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি এবং ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ছিলেন। ২০২৪ সালের ৫ আগস্টে সরকার পরিবর্তন হওয়ার পর থেকে তিনি আত্মগোপনে আছেন। তাঁর জায়গায় ইউপি চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পালন করেছেন উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা।
আওয়ামী লীগ নেতার বাড়িটি উপজেলার কাঁঠালতলী বাজারসংলগ্ন উত্তর বাসস্ট্যান্ড এলাকায়। আগুনের খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের একটি দল ঘটনাস্থলে গিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। তবে বিষয়টি নিয়ে স্থানীয় কেউ কথা বলতে রাজি হননি।
মির্জাগঞ্জ ফায়ার সার্ভিসের ভারপ্রাপ্ত স্টেশন কর্মকর্তা মো. ইব্রাহীম সাংবাদিকদের বলেন, শনিবার সকাল ৬টা ৮ মিনিটে ফোন পেয়ে তাঁদের একটি দল ঘটনাস্থলে যায়। সেখানে গিয়ে ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা দেখতে পান, কাজী মিজানুর রহমানের বসতঘরে আগুন জ্বলছে এবং বাড়ির সামনের অংশ ভাঙা। পরে তাঁরা চারটি কক্ষের আগুন নিয়ন্ত্রণে আনেন।
কাজী মিজানুর রহমানের স্ত্রী মেহেরুন্নেছা শিল্পী সাংবাদিকদের জানান, তাঁর বৃদ্ধা শাশুড়ি অসুস্থ থাকায় পরিবার নিয়ে তাঁরা ঢাকায় অবস্থান করছিলেন। এই সুযোগে মাধবখালী ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি শাহিন চৌধুরী, সাধারণ সম্পাদক মেহেদী হাসান ওরফে পলাশ হাওলাদার এবং সাবেক সভাপতি মনির খন্দকারের নেতৃত্বে প্রায় আড়াই শ মানুষ বুলডোজার দিয়ে তাঁদের পাকা বসতঘরটি ভেঙে ফেলেন।
তার ভাষ্য, ভবন ভাঙার পর ঘরে থাকা চারটি রেফ্রিজারেটর, ওয়াশিং মেশিন, ওভেন, শীতাতপনিয়ন্ত্রণ যন্ত্র (এসি), স্বর্ণালংকারসহ পরিবারের ব্যবহার্য প্রায় সব মালামাল লুট করা হয়। লুট হওয়া মালামালের মূল্য প্রায় ৩০ থেকে ৩৫ লাখ টাকা। এরপর পরে ৬ কক্ষের প্রায় এক কোটি টাকা মূল্যের বাড়িতে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয় এবং বুলডোজার দিয়ে গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়।
মেহেরুন্নেছা জানান, এ ঘটনার খবর পেয়ে তিনি রাজধানী ঢাকা থেকে রওনা হয়ে শনিবার ভোরে বাড়িতে পৌঁছান। স্থানীয় লোকজনের কাছ থেকে তিনি জানতে পারেন, হামলার আগে কাঁঠালতলী বাজার ও আশপাশের এলাকা থেকে ব্যবসায়ী ও সাধারণ মানুষকে সরে যেতে বাধ্য করা হয়। কেউ ভিডিও ধারণের চেষ্টা করলে তাঁদের কাছ থেকে মুঠোফোনও ছিনিয়ে নেওয়া হয়। তিনি বলেন, তাঁদের বাড়ি থেকে প্রায় ৩০ ফুট দূরে কাঁঠালতলী পুলিশ ফাঁড়ি অবস্থিত। গভীর রাতে বুলডোজারের শব্দ শুনে পুলিশ ঘটনাস্থলে এলেও হামলাকারীরা তাদের ধাওয়া দিলে পুলিশ সদস্যরা নিরাপত্তার কারণে সরে যান। এ ঘটনায় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও কাঁঠালতলী পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জকে মৌখিকভাবে অভিযোগ জানানো হয়েছে।
মিজানুর রহমান মুঠোফোনে সাংবাদিকদের বলেন, জমি কিনে তিনি বাড়ি করেছেন। কী কারণে তাঁর বাড়ি ভাঙা হয়েছে, এ প্রশ্ন করলে তিনি বলেন, ‘যাঁরা আমার বাড়ি ভাঙায় জড়িত, তাঁদের সঙ্গে আমার কোনো বিরোধ নেই।’
হামলায় জড়িত থাকার অভিযোগ অস্বীকার করেছেন মাধবখালী ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি শাহিন চৌধুরী। হামলা, লুটপাট ও অগ্নিসংযোগের ঘটনায় কারা জড়িত—এমন প্রশ্নের জবাবে শাহীন চৌধুরী বলেন, শুক্রবার তিনি ঢাকা থেকে এলাকায় ফিরেছেন, তাই ঘটনার বিষয়ে অবগত নন।
অভিযুক্ত মাধবখালী ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মেহেদী হাসানের সঙ্গে মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাঁকে পাওয়া যায়নি। মাধবখালী ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সভাপতি মনির খন্দকারের সঙ্গে মুঠোফোনে কথা হলে তিনি অভিযোগ সরাসরি অস্বীকার করেননি। মনির খন্দকার সাংবাদিকদের বলেন, মিজানুর রহমান পাবলিক লাইব্রেরির জমি দখল করে ঘর তুলেছেন, যা ভূমি অফিসের মাধ্যমে প্রমাণিত, সেখানে তার এক টুকরো জমিও নেই।
প্রশাসনের মাধ্যমে ঘরটি না ভেঙে নিজেরা কেন ভাঙলেন, এমন প্রশ্নে মনির খন্দকার বলেন, ‘বিগত দিনে বিএনপি কিন্তু প্রশাসন ব্যবহার করেননি। তাছাড়া তাঁরা (মিজানুর রহমান ও তাঁর অনুসারীরা) জবরদখল করছেন। এমপি আলতাফ হোসেন চৌধুরীর বাসায় তিনবার হামলা চালিয়ে ভাঙচুর করেছে। আমরা চাইলে ৫ আগস্ট পরবর্তী সময়ে ঘরটি ভাঙতে পারতাম, সেটি না করে পাহারা দিয়েছি।’ এরপর মুঠোফোনের সংযোগ কেটে দেন তিনি।
এ বিষয়ে মির্জাগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. তৌহিদুজ্জামান জানান, ভোররাতে অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিরা মিজানুর রহমানের বসতঘরে আগুন দেয় এবং বেকু (খনন) মেশিন দিয়ে বাড়ির অংশ ভেঙে ফেলে। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিস আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। ঘরের ভেতরে কেউ না থাকায় হতাহতের ঘটনা ঘটেনি। তিনি আরও বলেন, এ ঘটনায় এখনো ভুক্তভোগীদের পক্ষ থেকে লিখিত অভিযোগ পাওয়া যায়নি। তবে পুলিশ বিষয়টি তদন্ত করে দেখছে।
মির্জাগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শেখ মো. রাসেল সাংবাদিকদের বলেন, ভোররাতে ফায়ার সার্ভিস থেকে খবর পেয়ে তিনি ঘটনাস্থলে যান। সেখানে ভুক্তভোগী ও স্থানীয় লোকজনের সঙ্গে কথা বলে বিষয়টি জানার চেষ্টা করেন। তবে অনেকেই এ বিষয়ে কথা বলতে রাজি হননি। পরে কাঁঠালতলী পুলিশ ফাঁড়িকে বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেন, জানান ইউএনও।’

২২ আগস্ট, ২০২৬ ১৯:০১
পটুয়াখালীর বাউফলে পুলশিরে বিশেষ অভিযানে ৮০০ পিস ইয়াবাসহ একাধিক মাদক মামলার আসামি মো. সুমন মৃধা (৩০) ও তানিয়া বগেম (৩৩) নামে দুজনকে আটক করে বাউফল থানা পুলশি।
শনিবার (২২ আগস্ট) দুপুরে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সহকারী পুলশি সুপার (বাউফল সারকেল) সব্যসাচী মজুমদার ও ওসি সিরাজুল ইসলামের নেতৃত্বে উপজেলার মদনপুরা ইউনিয়নের চন্দ্রপাড়া গ্রামের আর্দশপাড়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদেরকে আটক করা হয়।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, সুমন মৃধা তানিয়ার স্বামীর কাছ থেকে ২০০ পসি ইয়াবা কিনে নিয়ে যাওয়ার সময় পুলিশের হাতে আটক হন। পরে তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে তানিয়ার বাড়িতে অভিযান চালিয়ে আরও ৬০০ পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়। এ সময় তানিয়াকে আটক করা হলেও তার স্বামী মোঃ সুমন মৃধা (৩৫) পালিয়ে যায়।
বাউফল থানার ওসি সিরাজুল ইসলাম বলেন, আটক সুমন এর আগেও মাদকসহ গ্রেফতার হয়েছিল। এ ঘটনায় আটক দুজনের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা করা হয়েছে । মাদকরে বিরুদ্ধে পুলিশের অভিযান অব্যাহত থাকবে বলেও জানান তিনি।
পটুয়াখালীর বাউফলে পুলশিরে বিশেষ অভিযানে ৮০০ পিস ইয়াবাসহ একাধিক মাদক মামলার আসামি মো. সুমন মৃধা (৩০) ও তানিয়া বগেম (৩৩) নামে দুজনকে আটক করে বাউফল থানা পুলশি।
শনিবার (২২ আগস্ট) দুপুরে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সহকারী পুলশি সুপার (বাউফল সারকেল) সব্যসাচী মজুমদার ও ওসি সিরাজুল ইসলামের নেতৃত্বে উপজেলার মদনপুরা ইউনিয়নের চন্দ্রপাড়া গ্রামের আর্দশপাড়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদেরকে আটক করা হয়।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, সুমন মৃধা তানিয়ার স্বামীর কাছ থেকে ২০০ পসি ইয়াবা কিনে নিয়ে যাওয়ার সময় পুলিশের হাতে আটক হন। পরে তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে তানিয়ার বাড়িতে অভিযান চালিয়ে আরও ৬০০ পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়। এ সময় তানিয়াকে আটক করা হলেও তার স্বামী মোঃ সুমন মৃধা (৩৫) পালিয়ে যায়।
বাউফল থানার ওসি সিরাজুল ইসলাম বলেন, আটক সুমন এর আগেও মাদকসহ গ্রেফতার হয়েছিল। এ ঘটনায় আটক দুজনের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা করা হয়েছে । মাদকরে বিরুদ্ধে পুলিশের অভিযান অব্যাহত থাকবে বলেও জানান তিনি।

২০ আগস্ট, ২০২৬ ১৬:০৩
পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলার কালাইয়া বন্দরে একটি সালিশ বৈঠক চলাকালে হামলার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় তিন ভাইসহ চারজন আহত হয়েছেন। বুধবার (১৯ আগস্ট) রাত সাড়ে ৯টার দিকে কালাইয়া বন্দরের সিনেমা সড়কের এ ঘটনাটি ঘটেছে।
আহতরা হলেন উপজেলার দাসপাড়া ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ড মোল্লা বাড়ীর ফার্নিচার ব্যবসায়ী মো. শহিদুল মোল্লা (৩২), তার ভাই রিয়াজ মোল্লা (৪৬) এবং শাহিন মোল্লা (২৬)। এছাড়াও তাদের দোকানের কর্মচারী রাব্বি আহত হয়েছেন বলে জানা গেছে।
আহত শহিদুল মোল্লার অভিযোগ, তিনি একই এলাকার ছাত্রদল নেতা ইয়াসিন (২৩) দীর্ঘদিন ধরে তার (শহিদুল) কাছে চাঁদা দাবি করে আসছিলেন। বিষয়টি নিয়ে স্থানীয় বিএনপি নেতাদের অবহিত করলে বুধবার রাতে সালিশ বৈঠকের আয়োাজন করা হয়। বৈঠকে স্থানীয় নেতৃবৃন্দ ও এলাকাবাসী উপস্থিত ছিলেন। একপর্যায়ে ইয়াসিন, ইব্রাহিম ও সোহান পঞ্চায়েতসহ ২০-৩০ জন তাদের ওপর হামলা চালান বলে অভিযোগ করেন তিনি।
অভিযোগে আরও বলা হয়, হামলার সময় সালিশ বৈঠকে উপস্থিত লোকজনের ওপরও হামলা হয়। এতে শহিদুলের ছোট ভাই শাহিন ও বড় ভাই রিয়াজসহ কয়েকজন আহত হন। পরে তারা সিনেমা হল থেকে বের হয়ে একটি চায়ের দোকানে আশ্রয় নিলে সেখানেও হামলার অভিযোগ ওঠে। এ ঘটনায় রিয়াজ মোল্লা দাবি করেন, হামলার সময় তার কাছে থাকা ৪০ হাজার টাকা নিয়ে যায় হামলাকারিরা।
অভিযুক্তদের মধ্যে রয়েছে বাউফল সরকারি কলেজ ছাত্রদলের সহ-সভাপতি হিসেবে পরিচয় দেওয়া ইয়াসিন (২৫), কালাইয়ার ইব্রাহিম এবং সোহান পঞ্চায়েত।
অভিযুক্ত ইয়াসিন দাবি করেন, গত ১৬ আগস্ট রাত ৯টার দিকে শাহিন তাকে অপহরণ করে মারধর করেন। পরদিন শহিদুল মোল্লার দোকানের সামনে শাহিনের সঙ্গে তার ধাক্কাধাক্কির ঘটনা ঘটে। এ ঘটনার জেরেই বুধবার সালিশ বৈঠক বসে। বৈঠকে উভয় পক্ষের কথা-কাটাকাটির একপর্যায়ে তার উপর হামলা করে। এ ঘটনায় ইভয় পক্ষের মধ্যে মারামারি শুরু হয় এবং তিনিও আহত হয়েছন বলে দাবি করেন।
সালিশ বৈঠকে সাবেক বাউফল উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম আহ্বায়ক রিয়াজ পঞ্চায়েত, উপজেলা যুবদলের সদস্য স্বপন মৃধাসহ স্থানীয় রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ ও এলাকাবাসী উপস্থিত ছিলেন বলে জানা গেছে।
বাউফল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সিরাজুল ইসলাম সাংবাদিকদের জানান, সালিশ বৈঠকে হামলার ঘটনাটি সম্পর্কে তারা শুনেছেন। সাথে সাথে ঘটনাস্থানে পুলিশ পাঠিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে আনা হয়েছে। তবে এখন পর্যন্ত কোনো লিখিত অভিযোগ দাখিল করা হয়নি। লিখিত অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলার কালাইয়া বন্দরে একটি সালিশ বৈঠক চলাকালে হামলার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় তিন ভাইসহ চারজন আহত হয়েছেন। বুধবার (১৯ আগস্ট) রাত সাড়ে ৯টার দিকে কালাইয়া বন্দরের সিনেমা সড়কের এ ঘটনাটি ঘটেছে।
আহতরা হলেন উপজেলার দাসপাড়া ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ড মোল্লা বাড়ীর ফার্নিচার ব্যবসায়ী মো. শহিদুল মোল্লা (৩২), তার ভাই রিয়াজ মোল্লা (৪৬) এবং শাহিন মোল্লা (২৬)। এছাড়াও তাদের দোকানের কর্মচারী রাব্বি আহত হয়েছেন বলে জানা গেছে।
আহত শহিদুল মোল্লার অভিযোগ, তিনি একই এলাকার ছাত্রদল নেতা ইয়াসিন (২৩) দীর্ঘদিন ধরে তার (শহিদুল) কাছে চাঁদা দাবি করে আসছিলেন। বিষয়টি নিয়ে স্থানীয় বিএনপি নেতাদের অবহিত করলে বুধবার রাতে সালিশ বৈঠকের আয়োাজন করা হয়। বৈঠকে স্থানীয় নেতৃবৃন্দ ও এলাকাবাসী উপস্থিত ছিলেন। একপর্যায়ে ইয়াসিন, ইব্রাহিম ও সোহান পঞ্চায়েতসহ ২০-৩০ জন তাদের ওপর হামলা চালান বলে অভিযোগ করেন তিনি।
অভিযোগে আরও বলা হয়, হামলার সময় সালিশ বৈঠকে উপস্থিত লোকজনের ওপরও হামলা হয়। এতে শহিদুলের ছোট ভাই শাহিন ও বড় ভাই রিয়াজসহ কয়েকজন আহত হন। পরে তারা সিনেমা হল থেকে বের হয়ে একটি চায়ের দোকানে আশ্রয় নিলে সেখানেও হামলার অভিযোগ ওঠে। এ ঘটনায় রিয়াজ মোল্লা দাবি করেন, হামলার সময় তার কাছে থাকা ৪০ হাজার টাকা নিয়ে যায় হামলাকারিরা।
অভিযুক্তদের মধ্যে রয়েছে বাউফল সরকারি কলেজ ছাত্রদলের সহ-সভাপতি হিসেবে পরিচয় দেওয়া ইয়াসিন (২৫), কালাইয়ার ইব্রাহিম এবং সোহান পঞ্চায়েত।
অভিযুক্ত ইয়াসিন দাবি করেন, গত ১৬ আগস্ট রাত ৯টার দিকে শাহিন তাকে অপহরণ করে মারধর করেন। পরদিন শহিদুল মোল্লার দোকানের সামনে শাহিনের সঙ্গে তার ধাক্কাধাক্কির ঘটনা ঘটে। এ ঘটনার জেরেই বুধবার সালিশ বৈঠক বসে। বৈঠকে উভয় পক্ষের কথা-কাটাকাটির একপর্যায়ে তার উপর হামলা করে। এ ঘটনায় ইভয় পক্ষের মধ্যে মারামারি শুরু হয় এবং তিনিও আহত হয়েছন বলে দাবি করেন।
সালিশ বৈঠকে সাবেক বাউফল উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম আহ্বায়ক রিয়াজ পঞ্চায়েত, উপজেলা যুবদলের সদস্য স্বপন মৃধাসহ স্থানীয় রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ ও এলাকাবাসী উপস্থিত ছিলেন বলে জানা গেছে।
বাউফল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সিরাজুল ইসলাম সাংবাদিকদের জানান, সালিশ বৈঠকে হামলার ঘটনাটি সম্পর্কে তারা শুনেছেন। সাথে সাথে ঘটনাস্থানে পুলিশ পাঠিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে আনা হয়েছে। তবে এখন পর্যন্ত কোনো লিখিত অভিযোগ দাখিল করা হয়নি। লিখিত অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

১৯ আগস্ট, ২০২৬ ১৯:০৮
পটুয়াখালীর দশমিনা উপজেলায় মিথ্যা অভিযোগ ও সংবাদের বিরুদ্দে সংবাদ মম্মেলন করেছেন ডাঃ ডলি আকবর মহিলা কলেজের ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগের প্রভাষক মোঃ মহিউদ্দিন। বুধবার দুপুর ৩টায় প্রভাষক মো. মহিউদ্দিন তার নিজ বাসভবনে এ সংবাদ সম্মেলন করেন।
তিনি অভিযোগ করে বলেন, ডা. ডলি আকবর মহিলা কলেজের সহকারী শারীরিক শিক্ষক মো. বেল্লাল হোসেন দীর্ঘদিন পর্যন্ত আমার সাথে শত্রুতা পোষন করে আসছে। সেই শত্রুতার জের ধরে চলতি মাসের ১ তারিখ কৃষি শিক্ষা ২য় পত্র এমসিকিউ পরীক্ষা শেষে আমি হল সুপার থাকায় ভারপ্রাপ্ত কেন্দ্র সচিবকে অবহিত করে অফিস কক্ষে বসে শিক্ষা বোর্ডের নিয়ম অনুযায়ী ওএমআরএ রোলের ডিজিট সংশোধন করি। ওই অবস্থায় সহকারী শারীরিক শিক্ষক মো. বেল্লাল হোসেন শত্রুতা বশত পিছন থেকে আমার ছবি তুলে তার নিজ পত্রিকাসহ অন্যান্য মিডিয়ায় মিথ্যা সংবাদ প্রকাশ করে। সংবাদে উল্লেখ করে আমি নাকি ওএমআরএ উত্তরপত্র ভরাট করি, যা সম্পূর্ণ মিথ্যা ও ভিত্তিহীন।
মহিউদ্দিন আরও বলেন, সহকারী শারীরিক শিক্ষক মো. বেল্লাল হোসেন ডা. ডলি আকবর মহিলা কলেজে বিগত ২০১৬ সালের সেপ্টেম্বর মাসের ২১ তারিখ থেকে যোগদান করে এবং ২০২৩ সালে মে মাসের ১ তারিখ ১০ গ্রেডে এমপিওভুক্ত হয়, যার ইনডেক্স নং- (ঘ৫৬৮৫১৩২৫)। অথচ ওই শিক্ষক একই সময়ে উপজেলার দক্ষিণ দাসপাড়া আব্দুল গণি মহিলা দাখিল মাদ্রাসায় ২০১৬ সালের সেপ্টেম্বর মাসের ২১ তারিখ থেকে ২০২৩ সালের এপ্রিল মাসের ৩০ তারিখ পর্যন্ত দুই প্রতিষ্ঠানে কর্মরত ছিলেন। একই সময়ে একাধিক প্রতিষ্ঠানে কর্মরত থাকায় তার বিরুদ্ধে মাউশিতে মামলা চলমান রয়েছে। এই বিষয়ে মামলা হওয়ার পর থেকেই আমাকে অভিযোগকারী হিসেবে সন্দেহ করে দীর্ঘদিন যাবৎ শত্রুতা পোষণ করে আসছে।
এর আগে বুধবার দুপুর ১২ টায় উপজেলা পরিষদের সামনে জায়েদ ইকবাল খানের নেতৃত্বে স্থানীয় কয়েকজন মিলে প্রভাষক মহিউদ্দিনের বিরুদ্ধে একটি মানব বন্ধন করেন। মানব বন্ধনে বক্তব্য রাখেন, ফখরুজ্জামান বাদল, রুহুল আমীন মোল্লা এবং জায়েদ ইকবাল খান প্রমুখ।
এ বিষিয়ে ডা. ডলি আকবর মহিলা কলেজে অধ্যক্ষ মো. সোহরাব হোসেন বলেন, এমসিকিউ ভরাট করার কোন ঘটনা ঘটেছে- এমন কোন সত্যতা পাওয়া যায়না। তবে অনুমতি নিয়ে ওএমআরএ রোলের ডিজিট সংশোধন করে।
পটুয়াখালীর দশমিনা উপজেলায় মিথ্যা অভিযোগ ও সংবাদের বিরুদ্দে সংবাদ মম্মেলন করেছেন ডাঃ ডলি আকবর মহিলা কলেজের ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগের প্রভাষক মোঃ মহিউদ্দিন। বুধবার দুপুর ৩টায় প্রভাষক মো. মহিউদ্দিন তার নিজ বাসভবনে এ সংবাদ সম্মেলন করেন।
তিনি অভিযোগ করে বলেন, ডা. ডলি আকবর মহিলা কলেজের সহকারী শারীরিক শিক্ষক মো. বেল্লাল হোসেন দীর্ঘদিন পর্যন্ত আমার সাথে শত্রুতা পোষন করে আসছে। সেই শত্রুতার জের ধরে চলতি মাসের ১ তারিখ কৃষি শিক্ষা ২য় পত্র এমসিকিউ পরীক্ষা শেষে আমি হল সুপার থাকায় ভারপ্রাপ্ত কেন্দ্র সচিবকে অবহিত করে অফিস কক্ষে বসে শিক্ষা বোর্ডের নিয়ম অনুযায়ী ওএমআরএ রোলের ডিজিট সংশোধন করি। ওই অবস্থায় সহকারী শারীরিক শিক্ষক মো. বেল্লাল হোসেন শত্রুতা বশত পিছন থেকে আমার ছবি তুলে তার নিজ পত্রিকাসহ অন্যান্য মিডিয়ায় মিথ্যা সংবাদ প্রকাশ করে। সংবাদে উল্লেখ করে আমি নাকি ওএমআরএ উত্তরপত্র ভরাট করি, যা সম্পূর্ণ মিথ্যা ও ভিত্তিহীন।
মহিউদ্দিন আরও বলেন, সহকারী শারীরিক শিক্ষক মো. বেল্লাল হোসেন ডা. ডলি আকবর মহিলা কলেজে বিগত ২০১৬ সালের সেপ্টেম্বর মাসের ২১ তারিখ থেকে যোগদান করে এবং ২০২৩ সালে মে মাসের ১ তারিখ ১০ গ্রেডে এমপিওভুক্ত হয়, যার ইনডেক্স নং- (ঘ৫৬৮৫১৩২৫)। অথচ ওই শিক্ষক একই সময়ে উপজেলার দক্ষিণ দাসপাড়া আব্দুল গণি মহিলা দাখিল মাদ্রাসায় ২০১৬ সালের সেপ্টেম্বর মাসের ২১ তারিখ থেকে ২০২৩ সালের এপ্রিল মাসের ৩০ তারিখ পর্যন্ত দুই প্রতিষ্ঠানে কর্মরত ছিলেন। একই সময়ে একাধিক প্রতিষ্ঠানে কর্মরত থাকায় তার বিরুদ্ধে মাউশিতে মামলা চলমান রয়েছে। এই বিষয়ে মামলা হওয়ার পর থেকেই আমাকে অভিযোগকারী হিসেবে সন্দেহ করে দীর্ঘদিন যাবৎ শত্রুতা পোষণ করে আসছে।
এর আগে বুধবার দুপুর ১২ টায় উপজেলা পরিষদের সামনে জায়েদ ইকবাল খানের নেতৃত্বে স্থানীয় কয়েকজন মিলে প্রভাষক মহিউদ্দিনের বিরুদ্ধে একটি মানব বন্ধন করেন। মানব বন্ধনে বক্তব্য রাখেন, ফখরুজ্জামান বাদল, রুহুল আমীন মোল্লা এবং জায়েদ ইকবাল খান প্রমুখ।
এ বিষিয়ে ডা. ডলি আকবর মহিলা কলেজে অধ্যক্ষ মো. সোহরাব হোসেন বলেন, এমসিকিউ ভরাট করার কোন ঘটনা ঘটেছে- এমন কোন সত্যতা পাওয়া যায়না। তবে অনুমতি নিয়ে ওএমআরএ রোলের ডিজিট সংশোধন করে।

১৯ জুলাই, ২০২৬ ১৪:৪৪
পটুয়াখালীর মির্জাগঞ্জে ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতির বসতঘর বুলডোজার দিয়ে ভেঙে ফেলার পর মালামাল লুট করে আগুন দেওয়া হয়েছে। শুক্রবার রাত ১২টার পর থেকে শনিবার ভোর পর্যন্ত এ হামলা চালানো হয়। ওই বাড়ির বাসিন্দাদের অভিযোগ, পটুয়াখালী-১ আসনের সংসদ সদস্য আলতাফ হোসেন চৌধুরীর ছোট ভাই শাহীন চৌধুরী এবং স্থানীয় বিএনপির নেতাকর্মীরা এ ঘটনায় জড়িত।
ওই আওয়ামী লীগের নেতার নাম কাজী মিজানুর রহমান (লাভলু), তিনি মাধবখালী ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি এবং ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ছিলেন। ২০২৪ সালের ৫ আগস্টে সরকার পরিবর্তন হওয়ার পর থেকে তিনি আত্মগোপনে আছেন। তাঁর জায়গায় ইউপি চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পালন করেছেন উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা।
আওয়ামী লীগ নেতার বাড়িটি উপজেলার কাঁঠালতলী বাজারসংলগ্ন উত্তর বাসস্ট্যান্ড এলাকায়। আগুনের খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের একটি দল ঘটনাস্থলে গিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। তবে বিষয়টি নিয়ে স্থানীয় কেউ কথা বলতে রাজি হননি।
মির্জাগঞ্জ ফায়ার সার্ভিসের ভারপ্রাপ্ত স্টেশন কর্মকর্তা মো. ইব্রাহীম সাংবাদিকদের বলেন, শনিবার সকাল ৬টা ৮ মিনিটে ফোন পেয়ে তাঁদের একটি দল ঘটনাস্থলে যায়। সেখানে গিয়ে ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা দেখতে পান, কাজী মিজানুর রহমানের বসতঘরে আগুন জ্বলছে এবং বাড়ির সামনের অংশ ভাঙা। পরে তাঁরা চারটি কক্ষের আগুন নিয়ন্ত্রণে আনেন।
কাজী মিজানুর রহমানের স্ত্রী মেহেরুন্নেছা শিল্পী সাংবাদিকদের জানান, তাঁর বৃদ্ধা শাশুড়ি অসুস্থ থাকায় পরিবার নিয়ে তাঁরা ঢাকায় অবস্থান করছিলেন। এই সুযোগে মাধবখালী ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি শাহিন চৌধুরী, সাধারণ সম্পাদক মেহেদী হাসান ওরফে পলাশ হাওলাদার এবং সাবেক সভাপতি মনির খন্দকারের নেতৃত্বে প্রায় আড়াই শ মানুষ বুলডোজার দিয়ে তাঁদের পাকা বসতঘরটি ভেঙে ফেলেন।
তার ভাষ্য, ভবন ভাঙার পর ঘরে থাকা চারটি রেফ্রিজারেটর, ওয়াশিং মেশিন, ওভেন, শীতাতপনিয়ন্ত্রণ যন্ত্র (এসি), স্বর্ণালংকারসহ পরিবারের ব্যবহার্য প্রায় সব মালামাল লুট করা হয়। লুট হওয়া মালামালের মূল্য প্রায় ৩০ থেকে ৩৫ লাখ টাকা। এরপর পরে ৬ কক্ষের প্রায় এক কোটি টাকা মূল্যের বাড়িতে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয় এবং বুলডোজার দিয়ে গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়।
মেহেরুন্নেছা জানান, এ ঘটনার খবর পেয়ে তিনি রাজধানী ঢাকা থেকে রওনা হয়ে শনিবার ভোরে বাড়িতে পৌঁছান। স্থানীয় লোকজনের কাছ থেকে তিনি জানতে পারেন, হামলার আগে কাঁঠালতলী বাজার ও আশপাশের এলাকা থেকে ব্যবসায়ী ও সাধারণ মানুষকে সরে যেতে বাধ্য করা হয়। কেউ ভিডিও ধারণের চেষ্টা করলে তাঁদের কাছ থেকে মুঠোফোনও ছিনিয়ে নেওয়া হয়। তিনি বলেন, তাঁদের বাড়ি থেকে প্রায় ৩০ ফুট দূরে কাঁঠালতলী পুলিশ ফাঁড়ি অবস্থিত। গভীর রাতে বুলডোজারের শব্দ শুনে পুলিশ ঘটনাস্থলে এলেও হামলাকারীরা তাদের ধাওয়া দিলে পুলিশ সদস্যরা নিরাপত্তার কারণে সরে যান। এ ঘটনায় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও কাঁঠালতলী পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জকে মৌখিকভাবে অভিযোগ জানানো হয়েছে।
মিজানুর রহমান মুঠোফোনে সাংবাদিকদের বলেন, জমি কিনে তিনি বাড়ি করেছেন। কী কারণে তাঁর বাড়ি ভাঙা হয়েছে, এ প্রশ্ন করলে তিনি বলেন, ‘যাঁরা আমার বাড়ি ভাঙায় জড়িত, তাঁদের সঙ্গে আমার কোনো বিরোধ নেই।’
হামলায় জড়িত থাকার অভিযোগ অস্বীকার করেছেন মাধবখালী ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি শাহিন চৌধুরী। হামলা, লুটপাট ও অগ্নিসংযোগের ঘটনায় কারা জড়িত—এমন প্রশ্নের জবাবে শাহীন চৌধুরী বলেন, শুক্রবার তিনি ঢাকা থেকে এলাকায় ফিরেছেন, তাই ঘটনার বিষয়ে অবগত নন।
অভিযুক্ত মাধবখালী ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মেহেদী হাসানের সঙ্গে মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাঁকে পাওয়া যায়নি। মাধবখালী ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সভাপতি মনির খন্দকারের সঙ্গে মুঠোফোনে কথা হলে তিনি অভিযোগ সরাসরি অস্বীকার করেননি। মনির খন্দকার সাংবাদিকদের বলেন, মিজানুর রহমান পাবলিক লাইব্রেরির জমি দখল করে ঘর তুলেছেন, যা ভূমি অফিসের মাধ্যমে প্রমাণিত, সেখানে তার এক টুকরো জমিও নেই।
প্রশাসনের মাধ্যমে ঘরটি না ভেঙে নিজেরা কেন ভাঙলেন, এমন প্রশ্নে মনির খন্দকার বলেন, ‘বিগত দিনে বিএনপি কিন্তু প্রশাসন ব্যবহার করেননি। তাছাড়া তাঁরা (মিজানুর রহমান ও তাঁর অনুসারীরা) জবরদখল করছেন। এমপি আলতাফ হোসেন চৌধুরীর বাসায় তিনবার হামলা চালিয়ে ভাঙচুর করেছে। আমরা চাইলে ৫ আগস্ট পরবর্তী সময়ে ঘরটি ভাঙতে পারতাম, সেটি না করে পাহারা দিয়েছি।’ এরপর মুঠোফোনের সংযোগ কেটে দেন তিনি।
এ বিষয়ে মির্জাগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. তৌহিদুজ্জামান জানান, ভোররাতে অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিরা মিজানুর রহমানের বসতঘরে আগুন দেয় এবং বেকু (খনন) মেশিন দিয়ে বাড়ির অংশ ভেঙে ফেলে। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিস আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। ঘরের ভেতরে কেউ না থাকায় হতাহতের ঘটনা ঘটেনি। তিনি আরও বলেন, এ ঘটনায় এখনো ভুক্তভোগীদের পক্ষ থেকে লিখিত অভিযোগ পাওয়া যায়নি। তবে পুলিশ বিষয়টি তদন্ত করে দেখছে।
মির্জাগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শেখ মো. রাসেল সাংবাদিকদের বলেন, ভোররাতে ফায়ার সার্ভিস থেকে খবর পেয়ে তিনি ঘটনাস্থলে যান। সেখানে ভুক্তভোগী ও স্থানীয় লোকজনের সঙ্গে কথা বলে বিষয়টি জানার চেষ্টা করেন। তবে অনেকেই এ বিষয়ে কথা বলতে রাজি হননি। পরে কাঁঠালতলী পুলিশ ফাঁড়িকে বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেন, জানান ইউএনও।’
২৬ আগস্ট, ২০২৬ ১৭:৫৭
২৬ আগস্ট, ২০২৬ ১৪:২৫
২৬ আগস্ট, ২০২৬ ১৪:১৫
২৬ আগস্ট, ২০২৬ ১২:৩১