
২৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১২:২৪
প্রবল বৃষ্টিপাতে সৃষ্ট বন্যা ও ভূমিধসে ব্রাজিলের দক্ষিণ-পূর্ব মিনাস গেরাইস রাজ্যে কমপক্ষে ২৫ জনের মৃত্যু হয়েছে।নিখোঁজ রয়েছেন ৪০ জনের বেশি। উদ্ধারকর্মীরা ধ্বংসস্তূপের নিচে আটকে পড়াদের খুঁজতে দিন-রাত অভিযান চালাচ্ছেন।
সংবাদমাধ্যম বিবিসির প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা যায়।
প্রতিবেদনে বলা হয়, বন্যায় সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত শহর জুইজ ডি ফোরা। এ শহরে ১৮ জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। বাকি সাতজনের মৃত্যু হয় দেশটির উবা শহরে।
মঙ্গলবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) সেখানে ধ্বংসস্তূপে দুর্যোগ-প্রশিক্ষিত কুকুরসহ কয়েক ডজন জরুরি কর্মী তল্লাশি চালায়। সোমবার বৃষ্টি শুরু হওয়ার পর থেকেই বহু মানুষ নিখোঁজ রয়েছেন।
স্থানীয় বাসিন্দা ৪৪ বছর বয়সী লিভিয়া রোজা জানান, তার কয়েকজন আত্মীয় কাদার নিচে চাপা পড়েছেন। তিনি বলেন, গত রাত থেকে আমরা এখানে আছি তারা বেঁচে আছে কিনা দেখার জন্য। আশাই শেষ ভরসা।
মিক চিত্রে দেখা গেছে, শহরের বিভিন্ন এলাকা কাদা ও পানিতে তলিয়ে গেছে। একটি স্ফীত নদী গতিপথ পরিবর্তন করে নতুন এলাকায় প্লাবন সৃষ্টি করেছে। শহরটি রিও ডি জেনিরো থেকে প্রায় ৩১০ কিলোমিটার উত্তরে অবস্থিত। এ পর্যন্ত অন্তত ৪৪০ জন মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়েছেন।
জুইজ ডি ফোরার মেয়র মার্গারিডা সালোমাও জানান, এলাকায় অন্তত ২০টি ভূমিধসের ঘটনা ঘটেছে এবং বহু বাড়িঘর ধসে পড়েছে। তিনি বলেন, চার ঘণ্টায় ১৮০ মিলিমিটারের বেশি বৃষ্টি হয়েছে তীব্র, ধ্বংসাত্মক ও অবিরাম। এটি আমার প্রশাসনের সবচেয়ে দুঃখজনক দিন।
ফায়ার ব্রিগেডের মেজর ডেমেট্রিয়াস গৌলার্ট জানান, রাতের বৃষ্টির সময় অনেকেই ঘরের ভেতরে ছিলেন। আজ সকালে আমরা ধ্বংসস্তূপের নিচ থেকে এক শিশুকে জীবিত উদ্ধার করেছি। এতে দুই ঘণ্টা সময় লেগেছে।
কর্পো ডি বোম্বেইরোস মিলিটার ডি মিনাস গেরাইসের অন্তত ১০৮ জন সদস্য জুইজ ডি ফোরাতে ও ২৮ জন উবাতে মোতায়েন রয়েছেন।
ব্রাজিলের প্রেসিডেন্ট লুইজ ইনাসিউ লুলা দা সিলভা এক বার্তায় জানিয়েছেন, সরকার সর্বাত্মক সহায়তা দেবে। তিনি বলেন, আমাদের লক্ষ্য মানবিক সহায়তা নিশ্চিত করা, মৌলিক সেবা পুনরুদ্ধার, বাস্তুচ্যুতদের সহায়তা এবং পুনর্গঠনে সহযোগিতা করা।
আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, আগামী দিনগুলোতেও বৃষ্টিপাত অব্যাহত থাকতে পারে, যা উদ্ধার কার্যক্রমকে আরও জটিল করে তুলতে পারে।
প্রাকৃতিক দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাগুলোতে এখন সময়ের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে চলছে উদ্ধার ও ত্রাণ তৎপরতা।
বরিশাল টাইমস
ছবি: সংগৃহীত
প্রবল বৃষ্টিপাতে সৃষ্ট বন্যা ও ভূমিধসে ব্রাজিলের দক্ষিণ-পূর্ব মিনাস গেরাইস রাজ্যে কমপক্ষে ২৫ জনের মৃত্যু হয়েছে।নিখোঁজ রয়েছেন ৪০ জনের বেশি। উদ্ধারকর্মীরা ধ্বংসস্তূপের নিচে আটকে পড়াদের খুঁজতে দিন-রাত অভিযান চালাচ্ছেন।
সংবাদমাধ্যম বিবিসির প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা যায়।
প্রতিবেদনে বলা হয়, বন্যায় সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত শহর জুইজ ডি ফোরা। এ শহরে ১৮ জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। বাকি সাতজনের মৃত্যু হয় দেশটির উবা শহরে।
মঙ্গলবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) সেখানে ধ্বংসস্তূপে দুর্যোগ-প্রশিক্ষিত কুকুরসহ কয়েক ডজন জরুরি কর্মী তল্লাশি চালায়। সোমবার বৃষ্টি শুরু হওয়ার পর থেকেই বহু মানুষ নিখোঁজ রয়েছেন।
স্থানীয় বাসিন্দা ৪৪ বছর বয়সী লিভিয়া রোজা জানান, তার কয়েকজন আত্মীয় কাদার নিচে চাপা পড়েছেন। তিনি বলেন, গত রাত থেকে আমরা এখানে আছি তারা বেঁচে আছে কিনা দেখার জন্য। আশাই শেষ ভরসা।
মিক চিত্রে দেখা গেছে, শহরের বিভিন্ন এলাকা কাদা ও পানিতে তলিয়ে গেছে। একটি স্ফীত নদী গতিপথ পরিবর্তন করে নতুন এলাকায় প্লাবন সৃষ্টি করেছে। শহরটি রিও ডি জেনিরো থেকে প্রায় ৩১০ কিলোমিটার উত্তরে অবস্থিত। এ পর্যন্ত অন্তত ৪৪০ জন মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়েছেন।
জুইজ ডি ফোরার মেয়র মার্গারিডা সালোমাও জানান, এলাকায় অন্তত ২০টি ভূমিধসের ঘটনা ঘটেছে এবং বহু বাড়িঘর ধসে পড়েছে। তিনি বলেন, চার ঘণ্টায় ১৮০ মিলিমিটারের বেশি বৃষ্টি হয়েছে তীব্র, ধ্বংসাত্মক ও অবিরাম। এটি আমার প্রশাসনের সবচেয়ে দুঃখজনক দিন।
ফায়ার ব্রিগেডের মেজর ডেমেট্রিয়াস গৌলার্ট জানান, রাতের বৃষ্টির সময় অনেকেই ঘরের ভেতরে ছিলেন। আজ সকালে আমরা ধ্বংসস্তূপের নিচ থেকে এক শিশুকে জীবিত উদ্ধার করেছি। এতে দুই ঘণ্টা সময় লেগেছে।
কর্পো ডি বোম্বেইরোস মিলিটার ডি মিনাস গেরাইসের অন্তত ১০৮ জন সদস্য জুইজ ডি ফোরাতে ও ২৮ জন উবাতে মোতায়েন রয়েছেন।
ব্রাজিলের প্রেসিডেন্ট লুইজ ইনাসিউ লুলা দা সিলভা এক বার্তায় জানিয়েছেন, সরকার সর্বাত্মক সহায়তা দেবে। তিনি বলেন, আমাদের লক্ষ্য মানবিক সহায়তা নিশ্চিত করা, মৌলিক সেবা পুনরুদ্ধার, বাস্তুচ্যুতদের সহায়তা এবং পুনর্গঠনে সহযোগিতা করা।
আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, আগামী দিনগুলোতেও বৃষ্টিপাত অব্যাহত থাকতে পারে, যা উদ্ধার কার্যক্রমকে আরও জটিল করে তুলতে পারে।
প্রাকৃতিক দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাগুলোতে এখন সময়ের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে চলছে উদ্ধার ও ত্রাণ তৎপরতা।
বরিশাল টাইমস

২৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ২০:১৪
যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে ক্রমবর্ধমান উত্তজনা এখন যুদ্ধের দ্বারপ্রান্তে। জেনেভায় পরমাণু আলোচনা স্থবির হয়ে পড়ার পর ওয়াশিংটন মধ্যপ্রাচ্যে বিশাল নৌবহর মোতায়েন করায় পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠেছে। এই অবস্থায় সম্ভাব্য ইরানি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলার আশঙ্কায় পুরো ইসরায়েল জুড়ে হাই অ্যালার্ট জারি করা হয়েছে।
ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনী তাদের অত্যাধুনিক অ্যারো এবং ডেভিডস স্লিং আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাকে যুদ্ধের জন্য প্রস্তুত রেখেছে। তেল আবিব আশঙ্কা করছে, মার্কিন বাহিনী যদি ইরানে আগে হামলা চালায়, তবে তেহরান সরাসরি ইসরায়েলের জনবহুল শহরগুলোকে লক্ষ্য করে পাল্টা আক্রমণ করবে।
ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু সম্প্রতি সামরিক কর্মকর্তাদের একটি অনুষ্ঠানে ভাষণ দেওয়ার সময় ইরানকে কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়েছেন।
তিনি স্পষ্ট করে বলেছেন, যদি আয়াতুল্লাহর শাসিত প্রশাসন ইসরায়েলে হামলার ভুল করে, তবে তাদের এমন ভয়াবহ পরিণতির মুখোমুখি হতে হবে যা তাদের কল্পনারও বাইরে। ইসরায়েলি গোয়েন্দা সংস্থার মতে, ইরানের কাছে বর্তমানে প্রায় দুই থেকে তিন হাজার ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রের মজুদ রয়েছে।
যদিও ইসরায়েলের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা অতীতে অভাবনীয় সাফল্য দেখিয়েছে, তবুও সামরিক বিশ্লেষকরা চিন্তিত। তাদের মতে, ইরান যদি একসঙ্গে হাজার হাজার ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন দিয়ে হামলা চালায়, তবে সেই বিশাল সংখ্যাধিক্যের চাপে প্রতিরক্ষা ঢাল ভেঙে পড়ার ঝুঁকি তৈরি হতে পারে।
যুদ্ধের এই মেঘ শুধু ইরানের আকাশেই নয়, ইসরায়েলের উত্তর সীমান্তেও ঘনীভূত হচ্ছে। গোয়েন্দা তথ্যে জানা গেছে, লেবাননের হিজবুল্লাহ গোষ্ঠীও তাদের রকেট ও ক্ষেপণাস্ত্র প্রস্তুত রাখছে। ধারণা করা হচ্ছে, আমেরিকা ও ইরানের মধ্যে যুদ্ধ শুরু হলে হিজবুল্লাহ উত্তর দিক থেকে ইসরায়েলকে আক্রমণ করবে। বর্তমানে ইসরায়েল মার্কিন বাহিনীর সঙ্গে সার্বক্ষণিক যোগাযোগ রক্ষা করে চলেছে। প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের পরবর্তী পদক্ষেপের ওপর অনেক কিছু নির্ভর করলেও, ইসরায়েল সাফ জানিয়ে দিয়েছে, যেকোনো কূটনৈতিক বা সামরিক সমাধানের ক্ষেত্রে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র অবকাঠামো পুরোপুরি ধ্বংস করা তাদের প্রধান শর্ত।
বরিশাল টাইমস
যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে ক্রমবর্ধমান উত্তজনা এখন যুদ্ধের দ্বারপ্রান্তে। জেনেভায় পরমাণু আলোচনা স্থবির হয়ে পড়ার পর ওয়াশিংটন মধ্যপ্রাচ্যে বিশাল নৌবহর মোতায়েন করায় পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠেছে। এই অবস্থায় সম্ভাব্য ইরানি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলার আশঙ্কায় পুরো ইসরায়েল জুড়ে হাই অ্যালার্ট জারি করা হয়েছে।
ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনী তাদের অত্যাধুনিক অ্যারো এবং ডেভিডস স্লিং আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাকে যুদ্ধের জন্য প্রস্তুত রেখেছে। তেল আবিব আশঙ্কা করছে, মার্কিন বাহিনী যদি ইরানে আগে হামলা চালায়, তবে তেহরান সরাসরি ইসরায়েলের জনবহুল শহরগুলোকে লক্ষ্য করে পাল্টা আক্রমণ করবে।
ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু সম্প্রতি সামরিক কর্মকর্তাদের একটি অনুষ্ঠানে ভাষণ দেওয়ার সময় ইরানকে কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়েছেন।
তিনি স্পষ্ট করে বলেছেন, যদি আয়াতুল্লাহর শাসিত প্রশাসন ইসরায়েলে হামলার ভুল করে, তবে তাদের এমন ভয়াবহ পরিণতির মুখোমুখি হতে হবে যা তাদের কল্পনারও বাইরে। ইসরায়েলি গোয়েন্দা সংস্থার মতে, ইরানের কাছে বর্তমানে প্রায় দুই থেকে তিন হাজার ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রের মজুদ রয়েছে।
যদিও ইসরায়েলের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা অতীতে অভাবনীয় সাফল্য দেখিয়েছে, তবুও সামরিক বিশ্লেষকরা চিন্তিত। তাদের মতে, ইরান যদি একসঙ্গে হাজার হাজার ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন দিয়ে হামলা চালায়, তবে সেই বিশাল সংখ্যাধিক্যের চাপে প্রতিরক্ষা ঢাল ভেঙে পড়ার ঝুঁকি তৈরি হতে পারে।
যুদ্ধের এই মেঘ শুধু ইরানের আকাশেই নয়, ইসরায়েলের উত্তর সীমান্তেও ঘনীভূত হচ্ছে। গোয়েন্দা তথ্যে জানা গেছে, লেবাননের হিজবুল্লাহ গোষ্ঠীও তাদের রকেট ও ক্ষেপণাস্ত্র প্রস্তুত রাখছে। ধারণা করা হচ্ছে, আমেরিকা ও ইরানের মধ্যে যুদ্ধ শুরু হলে হিজবুল্লাহ উত্তর দিক থেকে ইসরায়েলকে আক্রমণ করবে। বর্তমানে ইসরায়েল মার্কিন বাহিনীর সঙ্গে সার্বক্ষণিক যোগাযোগ রক্ষা করে চলেছে। প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের পরবর্তী পদক্ষেপের ওপর অনেক কিছু নির্ভর করলেও, ইসরায়েল সাফ জানিয়ে দিয়েছে, যেকোনো কূটনৈতিক বা সামরিক সমাধানের ক্ষেত্রে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র অবকাঠামো পুরোপুরি ধ্বংস করা তাদের প্রধান শর্ত।
বরিশাল টাইমস

২৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১২:৪০
বরের সামনে বন্দুকের মুখে নববধূকে অপহরণ করার এক চাঞ্চল্যকর ঘটনা ঘটেছে ভারতের ওড়িশায়। বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা শেষে বাড়ি ফেরার পথেই প্রাক্তন প্রেমিক সশস্ত্র অবস্থায় পথরোধ করে কনেকে তুলে নিয়ে যায় বলে অভিযোগ উঠেছে। রোববার (২২ ফেব্রুয়ারি) ভোরে ওড়িশা রাজ্যের বলাঙ্গির জেলাতে এ ঘটনা ঘটে বলে জানিয়েছে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, বলাঙ্গির জেলার বাসিন্দা হরিবন্ধু প্যাটেল বিয়ের জন্য কান্তামাল এলাকায় যান। বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা শেষে নবদম্পতি ও পরিবারের সদস্যরা গাড়িতে করে বাড়ি ফিরছিলেন।
পথে তারভা রোডের বাদাবান্ধা এলাকার কাছে তাদের গাড়ির গতিরোধ করা হয়। এ সময় অভিযুক্ত প্রাক্তন প্রেমিক আরও দুই সহযোগীকে সঙ্গে নিয়ে বরকে আগ্নেয়াস্ত্র দেখিয়ে হুমকি দেয় এবং জোরপূর্বক নববধূকে গাড়ি থেকে নামিয়ে নিয়ে পালিয়ে যায়।
অভিযোগে বলা হয়, অস্ত্রের মুখে বর ও তার সঙ্গে থাকা স্বজনরা অসহায় হয়ে পড়েন এবং ঘটনাস্থলেই আটকে থাকেন। পরে বর স্থানীয় থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।
তারভা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা অনিতা কিডো জানান, বিয়ের অনুষ্ঠান শেষে ফেরার সময় তিন সশস্ত্র ব্যক্তি তাদের পথরোধ করে। তারা আগ্নেয়াস্ত্র দেখিয়ে ভয় দেখায় এবং কনেকে অপহরণ করে নিয়ে যায়।
পুলিশ জানিয়েছে, অভিযুক্তদের শনাক্ত করে গ্রেপ্তার এবং অপহৃত নারীকে উদ্ধারে তল্লাশি অভিযান শুরু হয়েছে। এ ঘটনায় পুরো এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ও উদ্বেগ সৃষ্টি হয়েছে।
বরের সামনে বন্দুকের মুখে নববধূকে অপহরণ করার এক চাঞ্চল্যকর ঘটনা ঘটেছে ভারতের ওড়িশায়। বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা শেষে বাড়ি ফেরার পথেই প্রাক্তন প্রেমিক সশস্ত্র অবস্থায় পথরোধ করে কনেকে তুলে নিয়ে যায় বলে অভিযোগ উঠেছে। রোববার (২২ ফেব্রুয়ারি) ভোরে ওড়িশা রাজ্যের বলাঙ্গির জেলাতে এ ঘটনা ঘটে বলে জানিয়েছে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, বলাঙ্গির জেলার বাসিন্দা হরিবন্ধু প্যাটেল বিয়ের জন্য কান্তামাল এলাকায় যান। বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা শেষে নবদম্পতি ও পরিবারের সদস্যরা গাড়িতে করে বাড়ি ফিরছিলেন।
পথে তারভা রোডের বাদাবান্ধা এলাকার কাছে তাদের গাড়ির গতিরোধ করা হয়। এ সময় অভিযুক্ত প্রাক্তন প্রেমিক আরও দুই সহযোগীকে সঙ্গে নিয়ে বরকে আগ্নেয়াস্ত্র দেখিয়ে হুমকি দেয় এবং জোরপূর্বক নববধূকে গাড়ি থেকে নামিয়ে নিয়ে পালিয়ে যায়।
অভিযোগে বলা হয়, অস্ত্রের মুখে বর ও তার সঙ্গে থাকা স্বজনরা অসহায় হয়ে পড়েন এবং ঘটনাস্থলেই আটকে থাকেন। পরে বর স্থানীয় থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।
তারভা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা অনিতা কিডো জানান, বিয়ের অনুষ্ঠান শেষে ফেরার সময় তিন সশস্ত্র ব্যক্তি তাদের পথরোধ করে। তারা আগ্নেয়াস্ত্র দেখিয়ে ভয় দেখায় এবং কনেকে অপহরণ করে নিয়ে যায়।
পুলিশ জানিয়েছে, অভিযুক্তদের শনাক্ত করে গ্রেপ্তার এবং অপহৃত নারীকে উদ্ধারে তল্লাশি অভিযান শুরু হয়েছে। এ ঘটনায় পুরো এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ও উদ্বেগ সৃষ্টি হয়েছে।

২২ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১৩:৫১
পাকিস্তানের আইএসআই ও বাংলাদেশভিত্তিক জঙ্গি গোষ্ঠীর মদদে ভারতে বড় ধরনের হামলার পরিকল্পনার অভিযোগে আটজনকে গ্রেপ্তার করছে দেশটির পুলিশ। দেশটির তামিলনাড়ু ও পশ্চিমবঙ্গ থেকে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে। গ্রেপ্তারকৃতদের মধ্যে একজন বাংলাদেশি আছেন।
রোববার (২২ ফেব্রুয়ারি) ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়েছে। সূত্রের বরাতে গ্রেপ্তারকৃতদের মধ্যে ছয়জনের নাম খবরে প্রকাশ করা হয়েছে।
তারা হচ্ছেন- মিজানুর রহমান, মোহাম্মদ শাবাত, উমর, মোহাম্মদ লিটন, মোহাম্মদ শহীদ এবং মোহাম্মদ উজ্জ্বল। তাদের তামিলনাড়ুর তিরুপুর জেলায় পোশাক উৎপাদন ইউনিট থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। দুইজনকে গ্রেপ্তার করা হয় পশ্চিমবঙ্গ থেকে।
কর্মকর্তাদের বরাতে এনডিটিভি বলছে, গ্রেপ্তারকৃতদের মধ্যে একজন বাংলাদেশি নাগরিক। সূত্র জানিয়েছে, অভিযুক্তরা পরিচয়পত্রের জন্য জাল আধার কার্ড ব্যবহার করছিল। তাদের কাছ থেকে আটটি মোবাইল এবং ১৬টি সিম উদ্ধার করা হয়েছে।
তামিলনাড়ু পুলিশ এসব সন্দেহভাজনকারীকে গ্রেপ্তার করেছে এবং দিল্লি পুলিশের কাছে হস্তান্তর করেছে। এনিয়ে আরও তদন্ত চলছে বলে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে।
ভারতের নিরাপত্তা সংস্থাগুলোর বরাত দিয়ে সূত্র জানিয়েছে, পাকিস্তানের লস্কর-ই-তৈয়বা দিল্লির লাল কেল্লা এবং চাঁদনী চকের একটি মন্দিরসহ গুরুত্বপূর্ণ ধর্মীয়স্থানের কাছে বিস্ফোরণের পরিকল্পনা করছে। এমন গোয়েন্দা তথ্যের একদিন পরেই তাদেরকে গ্রেপ্তার করা হলো। সূত্র জানিয়েছে, সন্ত্রাসী গোষ্ঠী বিস্ফোরক ডিভাইস দিয়ে হামলার ছক কষছিল।
পাকিস্তানের আইএসআই ও বাংলাদেশভিত্তিক জঙ্গি গোষ্ঠীর মদদে ভারতে বড় ধরনের হামলার পরিকল্পনার অভিযোগে আটজনকে গ্রেপ্তার করছে দেশটির পুলিশ। দেশটির তামিলনাড়ু ও পশ্চিমবঙ্গ থেকে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে। গ্রেপ্তারকৃতদের মধ্যে একজন বাংলাদেশি আছেন।
রোববার (২২ ফেব্রুয়ারি) ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়েছে। সূত্রের বরাতে গ্রেপ্তারকৃতদের মধ্যে ছয়জনের নাম খবরে প্রকাশ করা হয়েছে।
তারা হচ্ছেন- মিজানুর রহমান, মোহাম্মদ শাবাত, উমর, মোহাম্মদ লিটন, মোহাম্মদ শহীদ এবং মোহাম্মদ উজ্জ্বল। তাদের তামিলনাড়ুর তিরুপুর জেলায় পোশাক উৎপাদন ইউনিট থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। দুইজনকে গ্রেপ্তার করা হয় পশ্চিমবঙ্গ থেকে।
কর্মকর্তাদের বরাতে এনডিটিভি বলছে, গ্রেপ্তারকৃতদের মধ্যে একজন বাংলাদেশি নাগরিক। সূত্র জানিয়েছে, অভিযুক্তরা পরিচয়পত্রের জন্য জাল আধার কার্ড ব্যবহার করছিল। তাদের কাছ থেকে আটটি মোবাইল এবং ১৬টি সিম উদ্ধার করা হয়েছে।
তামিলনাড়ু পুলিশ এসব সন্দেহভাজনকারীকে গ্রেপ্তার করেছে এবং দিল্লি পুলিশের কাছে হস্তান্তর করেছে। এনিয়ে আরও তদন্ত চলছে বলে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে।
ভারতের নিরাপত্তা সংস্থাগুলোর বরাত দিয়ে সূত্র জানিয়েছে, পাকিস্তানের লস্কর-ই-তৈয়বা দিল্লির লাল কেল্লা এবং চাঁদনী চকের একটি মন্দিরসহ গুরুত্বপূর্ণ ধর্মীয়স্থানের কাছে বিস্ফোরণের পরিকল্পনা করছে। এমন গোয়েন্দা তথ্যের একদিন পরেই তাদেরকে গ্রেপ্তার করা হলো। সূত্র জানিয়েছে, সন্ত্রাসী গোষ্ঠী বিস্ফোরক ডিভাইস দিয়ে হামলার ছক কষছিল।
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
২৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ০৪:০০
২৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ০২:০০
২৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ২৩:২৯
২৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ২৩:১৮