
২৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ২২:৫৯
ভোলার বোরহানউদ্দিনে এক ব্যবসায়ীর বাড়িতে হামলার অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ সময় ব্যবসায়ীসহ তার পরিবারের সাত সদস্যকে কুপিয়ে ও পিটিয়ে আহতের পর বোমা সদৃশ্য বস্তুর বিস্ফোরণ ঘটিয়ে পালিয়েছে দুর্বৃত্তরা।
এ ঘটনায় গুরুতর আহত তিনজনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় রেফার্ড করা হয়েছে। বাকিরা স্থানীয় স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা নিচ্ছেন। ঘটনাটি জানাজনির পর ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। স্বজনদের অভিযোগ হামলার ঘটনাটি পূর্বপরিকল্পিত। ঘটনার পর কয়েকবার ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে পুলিশ।
আহতরা হলেন—হার্ডওয়্যার ব্যবসায়ী বিল্লাল হোসেন মুন্সি (৪৬), তার মা মাজেদা বেগম (৭৫), স্ত্রী সাথী বেগম (৩৫), ভাই আমানুল্লাহ মুন্সি (৫৫), ভাতিজা মাসুম প্রিন্স (২৬), মো. আবির (২৩) ও আশিক হাওলাদার।
আহতদের মধ্যে বিল্লাল, সাথী ও প্রিন্সকে নিয়ে ঢাকার পথে রওনা হয়েছেন স্বজনরা। এ ছাড়া, প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়ে বাড়ি ফিরেছেন আবির আশিক নামে দুজন।
শুক্রবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাত ২টার দিকে উপজেলার দেউলা ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডের মুন্সি বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে।
ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, ব্যবসায়ী বিল্লাল ও তার বড় ভাই দেউলা ২ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপি সাধারণ সম্পাদক আহত আমানুল্লাহ মুন্সির বাড়িতে শনিবার দিবাগত রাতে একদল অস্ত্রধারী হামলা করে। তারা বাড়িতে প্রবেশ করে প্রথমে আমানুল্লাহর বসতঘরের বাইরের ছিটকিনি লাগিয়ে দেয় এবং ব্যবসায়ী বিল্লালের বসতঘরে প্রবেশ করে হামলা চালায়। এ সময় বিল্লাল ও তার ঘরে থাকা লোকজনকে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে জখম করে অস্ত্রধারীরা। এরপর তাদের ডাক-চিৎকারে আমানুল্লাহ ও তার পরিবারের লোকজন পেছনের দরজা থেকে বেরিয়ে তাদেরকে প্রতিহতের চেষ্টা করলে তাদের ওপরও হামলা চালায়। একপর্যায়ে বোমা সদৃশ্য বস্তুর বিস্ফোরণ ঘটিয়ে পালিয়ে যায় দৃর্বৃত্তরা।
তারা অভিযোগ করে আরও বলেন, এরপর তাদের পরিবারের অন্যান্য সদস্যরা আহতদের উদ্ধার করে প্রথমে বোরহানউদ্দিন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসার জন্য ভর্তি করার। সেখান থেকে ব্যবসায়ী বিল্লাল, তার স্ত্রী সাথী ও ভাতিজা প্রিন্সকে ভোলা সদর জেনারেল হাসপাতালে রেফার্ড করা হয়। সেখান থেকে তাদের উন্নত চিকিৎসার জন্য শনিবার সন্ধ্যায় ঢাকায় রেফার্ড করা হয়। এর আগেও ব্যবসায়ী বিল্লালের ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে অগ্নিসংযোগ ও দুই দফায় তার ভাইয়ের গরু চুরির ঘটনা ঘটিয়েছে দুর্বৃত্তরা।
এ ঘটনায় হামলার শিকার ব্যবসায়ী বিল্লালের বড় ভাই আকবর মুন্সি অভিযোগ করে ঢাকা পোস্টকে বলেন, এটি পূর্বপরিকল্পিত বলেই মনে করি। সম্প্রতি আমার ছোট ভাই বিল্লালের স্থানীয় মজমবাজারের ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে আগুন দিয়েছিল দুর্বৃত্তরা, এতে প্রায় ২০ লাখ টাকার ক্ষতি করেছে। হামলাকারীরা আমার ভাইকে মেরে ফেলার উদ্দেশেই ঘরে ঢুকে এলোপাতাড়ি কুপিয়েছে এবং অন্যদেরকেও কুপিয়ে ও পিটিয়ে আহত করেছে। অন্য ঘরে থাকা আমার বড় ভাই ও তার পরিবারের সদস্যরা বিষয়টি টের পাওয়ার পর ঘর থেকে বের হওয়ায় তাদেরকেও এলোপাতাড়ি মারধরের পর সন্ত্রাসীরা বোমা বিস্ফোরণ ঘটিয়ে পালিয়েছে।
হামলায় নারী পুরুষসহ সাতজনকে আহত করা হয়েছে। তিনজনকে ঢাকায় নেওয়া হয়েছে। আমরা বিচার চাই। আমাদের লোকজন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন থাকায় এখনও থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করতে পারিনি।
এক প্রশ্নের জবাবে তিনি আরও বলেন, সন্ত্রাসীরা শুধু আমার মায়ের কানের একজোড়া সোনার দুল নিতে পেরেছে।
দেউলা ২ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপি সাধারণ সম্পাদক আহত আমানুল্লাহ মুন্সি বলেন, কিছু বুঝে ওঠার আগেই আমাদের উপরেও হামলা চালিয়েছে সন্ত্রাসীরা। এবং বোমার বিস্ফোরণ ঘটিয়ে পালিয়েছে, কাউকে চিহ্নিত করতে পারিনি। তারা ৫-৬ জনের একটা দল ছিল।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে বোরহানউদ্দিন থানা-পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মনিরুজ্জামান বরিশাল টাইমসকে বলেন, ঘটনাটি শোনার পরপরই আমরা ঘটনাস্থলে গিয়েছি, তদন্ত চলছে। তবে ভুক্তভোগীদের পক্ষ থেকে এখনও কোনো অভিযোগ পাইনি।
বরিশাল টাইমস
ছবি: সংগৃহীত
ভোলার বোরহানউদ্দিনে এক ব্যবসায়ীর বাড়িতে হামলার অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ সময় ব্যবসায়ীসহ তার পরিবারের সাত সদস্যকে কুপিয়ে ও পিটিয়ে আহতের পর বোমা সদৃশ্য বস্তুর বিস্ফোরণ ঘটিয়ে পালিয়েছে দুর্বৃত্তরা।
এ ঘটনায় গুরুতর আহত তিনজনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় রেফার্ড করা হয়েছে। বাকিরা স্থানীয় স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা নিচ্ছেন। ঘটনাটি জানাজনির পর ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। স্বজনদের অভিযোগ হামলার ঘটনাটি পূর্বপরিকল্পিত। ঘটনার পর কয়েকবার ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে পুলিশ।
আহতরা হলেন—হার্ডওয়্যার ব্যবসায়ী বিল্লাল হোসেন মুন্সি (৪৬), তার মা মাজেদা বেগম (৭৫), স্ত্রী সাথী বেগম (৩৫), ভাই আমানুল্লাহ মুন্সি (৫৫), ভাতিজা মাসুম প্রিন্স (২৬), মো. আবির (২৩) ও আশিক হাওলাদার।
আহতদের মধ্যে বিল্লাল, সাথী ও প্রিন্সকে নিয়ে ঢাকার পথে রওনা হয়েছেন স্বজনরা। এ ছাড়া, প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়ে বাড়ি ফিরেছেন আবির আশিক নামে দুজন।
শুক্রবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাত ২টার দিকে উপজেলার দেউলা ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডের মুন্সি বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে।
ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, ব্যবসায়ী বিল্লাল ও তার বড় ভাই দেউলা ২ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপি সাধারণ সম্পাদক আহত আমানুল্লাহ মুন্সির বাড়িতে শনিবার দিবাগত রাতে একদল অস্ত্রধারী হামলা করে। তারা বাড়িতে প্রবেশ করে প্রথমে আমানুল্লাহর বসতঘরের বাইরের ছিটকিনি লাগিয়ে দেয় এবং ব্যবসায়ী বিল্লালের বসতঘরে প্রবেশ করে হামলা চালায়। এ সময় বিল্লাল ও তার ঘরে থাকা লোকজনকে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে জখম করে অস্ত্রধারীরা। এরপর তাদের ডাক-চিৎকারে আমানুল্লাহ ও তার পরিবারের লোকজন পেছনের দরজা থেকে বেরিয়ে তাদেরকে প্রতিহতের চেষ্টা করলে তাদের ওপরও হামলা চালায়। একপর্যায়ে বোমা সদৃশ্য বস্তুর বিস্ফোরণ ঘটিয়ে পালিয়ে যায় দৃর্বৃত্তরা।
তারা অভিযোগ করে আরও বলেন, এরপর তাদের পরিবারের অন্যান্য সদস্যরা আহতদের উদ্ধার করে প্রথমে বোরহানউদ্দিন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসার জন্য ভর্তি করার। সেখান থেকে ব্যবসায়ী বিল্লাল, তার স্ত্রী সাথী ও ভাতিজা প্রিন্সকে ভোলা সদর জেনারেল হাসপাতালে রেফার্ড করা হয়। সেখান থেকে তাদের উন্নত চিকিৎসার জন্য শনিবার সন্ধ্যায় ঢাকায় রেফার্ড করা হয়। এর আগেও ব্যবসায়ী বিল্লালের ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে অগ্নিসংযোগ ও দুই দফায় তার ভাইয়ের গরু চুরির ঘটনা ঘটিয়েছে দুর্বৃত্তরা।
এ ঘটনায় হামলার শিকার ব্যবসায়ী বিল্লালের বড় ভাই আকবর মুন্সি অভিযোগ করে ঢাকা পোস্টকে বলেন, এটি পূর্বপরিকল্পিত বলেই মনে করি। সম্প্রতি আমার ছোট ভাই বিল্লালের স্থানীয় মজমবাজারের ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে আগুন দিয়েছিল দুর্বৃত্তরা, এতে প্রায় ২০ লাখ টাকার ক্ষতি করেছে। হামলাকারীরা আমার ভাইকে মেরে ফেলার উদ্দেশেই ঘরে ঢুকে এলোপাতাড়ি কুপিয়েছে এবং অন্যদেরকেও কুপিয়ে ও পিটিয়ে আহত করেছে। অন্য ঘরে থাকা আমার বড় ভাই ও তার পরিবারের সদস্যরা বিষয়টি টের পাওয়ার পর ঘর থেকে বের হওয়ায় তাদেরকেও এলোপাতাড়ি মারধরের পর সন্ত্রাসীরা বোমা বিস্ফোরণ ঘটিয়ে পালিয়েছে।
হামলায় নারী পুরুষসহ সাতজনকে আহত করা হয়েছে। তিনজনকে ঢাকায় নেওয়া হয়েছে। আমরা বিচার চাই। আমাদের লোকজন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন থাকায় এখনও থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করতে পারিনি।
এক প্রশ্নের জবাবে তিনি আরও বলেন, সন্ত্রাসীরা শুধু আমার মায়ের কানের একজোড়া সোনার দুল নিতে পেরেছে।
দেউলা ২ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপি সাধারণ সম্পাদক আহত আমানুল্লাহ মুন্সি বলেন, কিছু বুঝে ওঠার আগেই আমাদের উপরেও হামলা চালিয়েছে সন্ত্রাসীরা। এবং বোমার বিস্ফোরণ ঘটিয়ে পালিয়েছে, কাউকে চিহ্নিত করতে পারিনি। তারা ৫-৬ জনের একটা দল ছিল।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে বোরহানউদ্দিন থানা-পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মনিরুজ্জামান বরিশাল টাইমসকে বলেন, ঘটনাটি শোনার পরপরই আমরা ঘটনাস্থলে গিয়েছি, তদন্ত চলছে। তবে ভুক্তভোগীদের পক্ষ থেকে এখনও কোনো অভিযোগ পাইনি।
বরিশাল টাইমস

২৯ এপ্রিল, ২০২৬ ২০:৪০
ভোলার তজুমদ্দিন উপজেলায় কালবৈশাখীর তীব্র ঝড়ে একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ভবন মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) আকস্মিক ঝড়ো হাওয়া ও বজ্রসহ বৃষ্টিতে বিদ্যালয়টির টিনের ছাউনি উড়ে যায়। ফলে শিক্ষা কার্যক্রম বন্ধ হয়ে পড়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, উপজেলার দুর্গম চর জহিরউদ্দিন এলাকায় অবস্থিত ৬৩ নম্বর মরিয়ম সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়টি বিকেলে কালবৈশাখীর ঝড়ে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির শিকার হয়। ঝড়ের তীব্রতায় বিদ্যালয় ভবনের পুরো চাল উপড়ে গিয়ে দূরে ছিটকে পড়ে। এতে বিদ্যালয়ের আসবাবপত্র ক্ষতিগ্রস্ত হয় এবং শ্রেণিকক্ষে পাঠদান অনুপযোগী হয়ে পড়ে।
বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আবুল কাশেম জানান, হঠাৎ আকাশ কালো হয়ে ঝড় শুরু হলে আমরা দ্রুত শিক্ষার্থীদের ছুটি দিয়ে দিই। সৌভাগ্যবশত, ঝড়ের সময় কোনো শিক্ষার্থী বিদ্যালয়ে না থাকায় বড় ধরনের দুর্ঘটনা এড়ানো গেছে। তবে বিদ্যালয়ের ভেতরের আসবাবপত্র ব্যাপকভাবে নষ্ট হয়েছে।
স্থানীয় বাসিন্দারা দ্রুত বিদ্যালয়টি সংস্কারের দাবি জানিয়েছেন। তারা বলেন, দ্রুত ব্যবস্থা না নিলে শিক্ষার্থীদের পাঠদান ব্যাহত হবে।
এ বিষয়ে উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. রিয়াজ আলম জানান, ক্ষতিগ্রস্ত বিদ্যালয়ের ছবি সংযুক্ত করে জরুরি বরাদ্দের জন্য ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন পাঠানো হয়েছে। বরাদ্দ পাওয়া গেলে দ্রুত বিদ্যালয়টি মেরামত করে শিক্ষার স্বাভাবিক পরিবেশ ফিরিয়ে আনা হবে।
ভোলার তজুমদ্দিন উপজেলায় কালবৈশাখীর তীব্র ঝড়ে একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ভবন মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) আকস্মিক ঝড়ো হাওয়া ও বজ্রসহ বৃষ্টিতে বিদ্যালয়টির টিনের ছাউনি উড়ে যায়। ফলে শিক্ষা কার্যক্রম বন্ধ হয়ে পড়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, উপজেলার দুর্গম চর জহিরউদ্দিন এলাকায় অবস্থিত ৬৩ নম্বর মরিয়ম সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়টি বিকেলে কালবৈশাখীর ঝড়ে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির শিকার হয়। ঝড়ের তীব্রতায় বিদ্যালয় ভবনের পুরো চাল উপড়ে গিয়ে দূরে ছিটকে পড়ে। এতে বিদ্যালয়ের আসবাবপত্র ক্ষতিগ্রস্ত হয় এবং শ্রেণিকক্ষে পাঠদান অনুপযোগী হয়ে পড়ে।
বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আবুল কাশেম জানান, হঠাৎ আকাশ কালো হয়ে ঝড় শুরু হলে আমরা দ্রুত শিক্ষার্থীদের ছুটি দিয়ে দিই। সৌভাগ্যবশত, ঝড়ের সময় কোনো শিক্ষার্থী বিদ্যালয়ে না থাকায় বড় ধরনের দুর্ঘটনা এড়ানো গেছে। তবে বিদ্যালয়ের ভেতরের আসবাবপত্র ব্যাপকভাবে নষ্ট হয়েছে।
স্থানীয় বাসিন্দারা দ্রুত বিদ্যালয়টি সংস্কারের দাবি জানিয়েছেন। তারা বলেন, দ্রুত ব্যবস্থা না নিলে শিক্ষার্থীদের পাঠদান ব্যাহত হবে।
এ বিষয়ে উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. রিয়াজ আলম জানান, ক্ষতিগ্রস্ত বিদ্যালয়ের ছবি সংযুক্ত করে জরুরি বরাদ্দের জন্য ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন পাঠানো হয়েছে। বরাদ্দ পাওয়া গেলে দ্রুত বিদ্যালয়টি মেরামত করে শিক্ষার স্বাভাবিক পরিবেশ ফিরিয়ে আনা হবে।

২৮ এপ্রিল, ২০২৬ ১৮:০২
টেলিগ্রামভিত্তিক পর্নোগ্রাফি কনটেন্ট বাণিজ্যের সঙ্গে জড়িত একটি সাইবার অপরাধ চক্রের পাঁচ সদস্যকে ভোলা জেলা থেকে গ্রেপ্তার করেছে র্যাব-৮, বরিশাল।
র্যাব জানায়, দীর্ঘদিন ধরে দেশের বিভিন্ন স্কুল, কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়পড়ুয়া মেয়েদের ব্যক্তিগত ছবি ও ভিডিও সংগ্রহ, সংরক্ষণ এবং অর্থের বিনিময়ে বিক্রি করে আসছিল একটি সংঘবদ্ধ চক্র। তারা মূলত টেলিগ্রাম প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করে বিভিন্ন প্রাইভেট চ্যানেলের মাধ্যমে অশ্লীল ছবি ও ভিডিও সরবরাহ করত।
র্যাব-৮ সোমবার (২৭ এপ্রিল) রাতে এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানায়, সম্প্রতি দেশের বিভিন্ন গণমাধ্যমে টেলিগ্রাম অ্যাপের অপব্যবহার, সাইবার ব্ল্যাকমেইল এবং গোপন ছবি-ভিডিও ফাঁসের ঘটনা নিয়ে সংবাদ প্রকাশিত হলে বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত শুরু করে র্যাব।
অনুসন্ধানে জানা যায়, চক্রটি ফেসবুক ও ব্যক্তিগত ডিভাইস হ্যাকিং, ব্রেকআপের পর প্রাক্তন প্রেমিকদের কাছ থেকে ছবি-ভিডিও সংগ্রহ এবং ব্যক্তিগত শত্রুতার জেরে গোপন ছবি ও ভিডিও সংগ্রহ করে তা অর্থের বিনিময়ে বিক্রি করত।
র্যাব জানায়, অভিযুক্তদের ব্যবহৃত মোবাইল ফোন থেকে প্রায় দেড় লাখ নগ্ন ও স্পর্শকাতর ছবি-ভিডিও এবং প্রায় ৩৫০টি গ্রুপ ও চ্যানেলের সন্ধান পাওয়া গেছে।
এ ঘটনায় গত ২৬ এপ্রিল রাতে র্যাব-৮-এর একটি আভিযানিক দল ভোলা ও বরিশাল জেলার বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে চক্রের পাঁচ সদস্যকে গ্রেপ্তার করে।
গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন- মেরাজুর রহমান আরমান (২১), বিল্লাল হোসেন অন্তর (২১), রবি আলম মমিন (২১), আল আমিন ইসলাম মাহি (১৯) এবং মো. হাসিব (২৩)।
এ সময় তাদের কাছ থেকে অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে ব্যবহৃত ১২টি মোবাইল ফোনও উদ্ধার করা হয়।
র্যাব-৮-এর কোম্পানি অধিনায়ক অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. কামরুজ্জামান বলেন, আইনের শাসন সমুন্নত রাখা, মানবাধিকার রক্ষা এবং নাগরিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে র্যাব ভবিষ্যতেও এ ধরনের অপরাধ দমনে আরও কঠোরভাবে অভিযান পরিচালনা করবে।
বরিশাল টাইমস
টেলিগ্রামভিত্তিক পর্নোগ্রাফি কনটেন্ট বাণিজ্যের সঙ্গে জড়িত একটি সাইবার অপরাধ চক্রের পাঁচ সদস্যকে ভোলা জেলা থেকে গ্রেপ্তার করেছে র্যাব-৮, বরিশাল।
র্যাব জানায়, দীর্ঘদিন ধরে দেশের বিভিন্ন স্কুল, কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়পড়ুয়া মেয়েদের ব্যক্তিগত ছবি ও ভিডিও সংগ্রহ, সংরক্ষণ এবং অর্থের বিনিময়ে বিক্রি করে আসছিল একটি সংঘবদ্ধ চক্র। তারা মূলত টেলিগ্রাম প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করে বিভিন্ন প্রাইভেট চ্যানেলের মাধ্যমে অশ্লীল ছবি ও ভিডিও সরবরাহ করত।
র্যাব-৮ সোমবার (২৭ এপ্রিল) রাতে এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানায়, সম্প্রতি দেশের বিভিন্ন গণমাধ্যমে টেলিগ্রাম অ্যাপের অপব্যবহার, সাইবার ব্ল্যাকমেইল এবং গোপন ছবি-ভিডিও ফাঁসের ঘটনা নিয়ে সংবাদ প্রকাশিত হলে বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত শুরু করে র্যাব।
অনুসন্ধানে জানা যায়, চক্রটি ফেসবুক ও ব্যক্তিগত ডিভাইস হ্যাকিং, ব্রেকআপের পর প্রাক্তন প্রেমিকদের কাছ থেকে ছবি-ভিডিও সংগ্রহ এবং ব্যক্তিগত শত্রুতার জেরে গোপন ছবি ও ভিডিও সংগ্রহ করে তা অর্থের বিনিময়ে বিক্রি করত।
র্যাব জানায়, অভিযুক্তদের ব্যবহৃত মোবাইল ফোন থেকে প্রায় দেড় লাখ নগ্ন ও স্পর্শকাতর ছবি-ভিডিও এবং প্রায় ৩৫০টি গ্রুপ ও চ্যানেলের সন্ধান পাওয়া গেছে।
এ ঘটনায় গত ২৬ এপ্রিল রাতে র্যাব-৮-এর একটি আভিযানিক দল ভোলা ও বরিশাল জেলার বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে চক্রের পাঁচ সদস্যকে গ্রেপ্তার করে।
গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন- মেরাজুর রহমান আরমান (২১), বিল্লাল হোসেন অন্তর (২১), রবি আলম মমিন (২১), আল আমিন ইসলাম মাহি (১৯) এবং মো. হাসিব (২৩)।
এ সময় তাদের কাছ থেকে অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে ব্যবহৃত ১২টি মোবাইল ফোনও উদ্ধার করা হয়।
র্যাব-৮-এর কোম্পানি অধিনায়ক অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. কামরুজ্জামান বলেন, আইনের শাসন সমুন্নত রাখা, মানবাধিকার রক্ষা এবং নাগরিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে র্যাব ভবিষ্যতেও এ ধরনের অপরাধ দমনে আরও কঠোরভাবে অভিযান পরিচালনা করবে।
বরিশাল টাইমস

২৮ এপ্রিল, ২০২৬ ১৭:১২
ভোলার মনপুরা উপজেলায় নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুতের দাবিতে বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করেছেন স্থানীয়রা। এ সময় ওয়েস্টার্ন সোলার মিনি গ্রিড বিদ্যুৎ কেন্দ্রের অফিস ঘেরাও করে কর্মচারীদের অবরুদ্ধ করার ঘটনাও ঘটে।
মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে উপজেলার দক্ষিণ সাকুচিয়া ইউনিয়নে অবস্থিত ওয়েস্টার্ন সোলার মিনি গ্রিড বিদ্যুৎ কেন্দ্রের সামনে প্রায় পাঁচ শতাধিক মানুষের উপস্থিতিতে এ বিক্ষোভ অনুষ্ঠিত হয়।
বিক্ষোভে অংশ নেওয়া স্থানীয় বাসিন্দা আজাদ খলিফা, জসিম মিজি ও মো. ফরহাদ অভিযোগ করেন, ওয়েস্টার্ন রিনিউএবল এনার্জি পরিচালিত সোলার মিনি গ্রিড কোম্পানি নিয়মিত বিদ্যুৎ সরবরাহে ব্যর্থ হচ্ছে।
তাদের দাবি, দিনে মাত্র দুই থেকে তিন ঘণ্টা বিদ্যুৎ দেওয়া হচ্ছে, যা সাধারণ মানুষের জন্য চরম ভোগান্তির কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
তারা আরও অভিযোগ করেন, সরেজমিনে ডিজেল মজুদ থাকার পরও কর্তৃপক্ষ “ডিজেল সংকট” দেখিয়ে বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ রাখছে, যা নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে ক্ষোভ তৈরি হয়েছে।
এ বিষয়ে সোলার মিনি গ্রিড বিদ্যুৎ কেন্দ্রের লাইনম্যান এনায়েত হোসেন বলেন, দেশের চলমান জ্বালানি সংকটের কারণে নিয়মিত বিদ্যুৎ সরবরাহ করা সম্ভব হচ্ছে না।
তিনি বিক্ষোভকারীদের দাবিকে যৌক্তিক বলে উল্লেখ করে জানান, বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে এবং দ্রুত সমাধানের আশ্বাস দেওয়া হয়েছে।
এ ঘটনায় এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করলেও পরিস্থিতি বর্তমানে নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। স্থানীয়রা দ্রুত স্থায়ী সমাধানের দাবি জানিয়েছেন।
বরিশাল টাইমস
ভোলার মনপুরা উপজেলায় নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুতের দাবিতে বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করেছেন স্থানীয়রা। এ সময় ওয়েস্টার্ন সোলার মিনি গ্রিড বিদ্যুৎ কেন্দ্রের অফিস ঘেরাও করে কর্মচারীদের অবরুদ্ধ করার ঘটনাও ঘটে।
মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে উপজেলার দক্ষিণ সাকুচিয়া ইউনিয়নে অবস্থিত ওয়েস্টার্ন সোলার মিনি গ্রিড বিদ্যুৎ কেন্দ্রের সামনে প্রায় পাঁচ শতাধিক মানুষের উপস্থিতিতে এ বিক্ষোভ অনুষ্ঠিত হয়।
বিক্ষোভে অংশ নেওয়া স্থানীয় বাসিন্দা আজাদ খলিফা, জসিম মিজি ও মো. ফরহাদ অভিযোগ করেন, ওয়েস্টার্ন রিনিউএবল এনার্জি পরিচালিত সোলার মিনি গ্রিড কোম্পানি নিয়মিত বিদ্যুৎ সরবরাহে ব্যর্থ হচ্ছে।
তাদের দাবি, দিনে মাত্র দুই থেকে তিন ঘণ্টা বিদ্যুৎ দেওয়া হচ্ছে, যা সাধারণ মানুষের জন্য চরম ভোগান্তির কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
তারা আরও অভিযোগ করেন, সরেজমিনে ডিজেল মজুদ থাকার পরও কর্তৃপক্ষ “ডিজেল সংকট” দেখিয়ে বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ রাখছে, যা নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে ক্ষোভ তৈরি হয়েছে।
এ বিষয়ে সোলার মিনি গ্রিড বিদ্যুৎ কেন্দ্রের লাইনম্যান এনায়েত হোসেন বলেন, দেশের চলমান জ্বালানি সংকটের কারণে নিয়মিত বিদ্যুৎ সরবরাহ করা সম্ভব হচ্ছে না।
তিনি বিক্ষোভকারীদের দাবিকে যৌক্তিক বলে উল্লেখ করে জানান, বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে এবং দ্রুত সমাধানের আশ্বাস দেওয়া হয়েছে।
এ ঘটনায় এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করলেও পরিস্থিতি বর্তমানে নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। স্থানীয়রা দ্রুত স্থায়ী সমাধানের দাবি জানিয়েছেন।
বরিশাল টাইমস
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.