Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.

১৫ এপ্রিল, ২০২৬ ১৭:৪৮
বাংলা নববর্ষকে ঘিরে নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ে আবারও শুরু হয়েছে পাঁচশ বছরের প্রাচীন ঐতিহ্যবাহী ‘বউ মেলা’। শত বছরের ঐতিহ্য বহন করা এই মেলা পহেলা বৈশাখে শুরু হয়ে ৩ দিনব্যাপী আয়োজনে রূপ নিয়েছে গ্রামীণ সংস্কৃতির এক অনন্য মিলনমেলায়।
সোনারগাঁ উপজেলা পরিষদ সংলগ্ন জয়রামপুর এলাকায় অবস্থিত ঐতিহ্যবাহী বটগাছকে কেন্দ্র করে অনুষ্ঠিত হয় এই মেলা, যা স্থানীয়ভাবে ‘সিদ্ধেশ্বরী বটতলার বউমেলা’ নামে পরিচিত। দীর্ঘদিন ধরে ধর্মীয় বিশ্বাস, সামাজিক বন্ধন ও লোকজ সংস্কৃতির সমন্বয়ে এটি পরিণত হয়েছে একটি বিশেষ উৎসবে।
মেলার দ্বিতীয় দিনেই ভিড় জমে দূর-দূরান্ত থেকে আসা দর্শনার্থীদের। ভোর থেকেই ভক্তদের ঢল নামে বটতলায়। নববধূ থেকে শুরু করে বয়োজ্যেষ্ঠ নারীরা ফল, মিষ্টান্ন ও পূজার সামগ্রী নিয়ে অংশ নেন পূজা-অর্চনায়। রঙিন শাড়ি আর ফুলেল সাজে পুরো এলাকা হয়ে ওঠে প্রাণবন্ত ও বর্ণিল।
স্থানীয়দের বিশ্বাস, এই বটবৃক্ষ ‘সিদ্ধেশ্বরী দেবী’ হিসেবে পূজিত। প্রতিবছর এখানে পূজা দিলে সংসারে সুখ-শান্তি আসে এবং পরিবারের মঙ্গল সাধিত হয়। সেই বিশ্বাস থেকেই নারীরা মানত করে বটগাছের সঙ্গে কড়ি বেঁধে প্রার্থনা করেন। অনেকেই মানত পূরণে কবুতর উড়িয়ে দেন, কেউ কেউ পাঁঠা বলিও দেন।
মেলায় গ্রামীণ ঐতিহ্যের নানা উপকরণের সমাহারও দেখা যায়। মৃৎশিল্পীদের তৈরি টেপা পুতুল, প্রাণীর আকৃতির খেলনা, হাঁড়ি-পাতিলসহ নানা সামগ্রী দর্শনার্থীদের আকৃষ্ট করছে। পাশাপাশি বাঁশ, কাঠ ও লৌহশিল্পের তৈরি পণ্য এবং বাহারি মিষ্টান্ন ও মন্ডা-মিঠাইয়ের দোকান মেলায় যোগ করেছে বাড়তি আকর্ষণ।
মেলায় আগত নারীরা জানান, পারিবারিকভাবে এই মেলার গুরুত্ব তারা ছোটোবেলা থেকেই জেনে আসছেন। প্রতি বছর এখানে এসে পূজা দিয়ে সংসারের কল্যাণ কামনা করেন তারা। তাদের বিশ্বাস, এই আয়োজন জীবনে শান্তি ও সমৃদ্ধি বয়ে আনে।
পুরোহিত উৎপল ভট্টাচার্য বলেন, বহু বছর ধরে এই মেলা ধর্মীয় ও সামাজিক ঐতিহ্যের অংশ হিসেবে পালিত হচ্ছে। দুপুরে মূল পূজা শুরু হলেও দিনভর চলে ভক্তদের আনাগোনা।
আয়োজক কমিটির কর্মকর্তা নিলোৎপল রায় জানান, নববর্ষ উপলক্ষে এখানে সিদ্ধেশ্বরী কালীপূজার আয়োজন করা হয়, যা সম্পূর্ণ সার্বজনীনভাবে উদযাপিত হয়। বিভিন্ন ধর্মের মানুষ এতে অংশ নেন, যা সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত।
সোনারগাঁ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আসিফ আল জিনাত বলেন, মেলাকে ঘিরে প্রশাসনের পক্ষ থেকে পর্যাপ্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। নারী-কেন্দ্রিক এই ঐতিহ্যবাহী আয়োজনকে ঘিরে স্থানীয়দের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা বিরাজ করছে।
ঐতিহ্য, বিশ্বাস ও লোকজ সংস্কৃতির মেলবন্ধনে সোনারগাঁয়ের ‘বউ মেলা’ এখন শুধু ধর্মীয় অনুষ্ঠান নয়- এটি বাঙালির গ্রামীণ জীবনের প্রাণের উৎসবে পরিণত হয়েছে।
বাংলা নববর্ষকে ঘিরে নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ে আবারও শুরু হয়েছে পাঁচশ বছরের প্রাচীন ঐতিহ্যবাহী ‘বউ মেলা’। শত বছরের ঐতিহ্য বহন করা এই মেলা পহেলা বৈশাখে শুরু হয়ে ৩ দিনব্যাপী আয়োজনে রূপ নিয়েছে গ্রামীণ সংস্কৃতির এক অনন্য মিলনমেলায়।
সোনারগাঁ উপজেলা পরিষদ সংলগ্ন জয়রামপুর এলাকায় অবস্থিত ঐতিহ্যবাহী বটগাছকে কেন্দ্র করে অনুষ্ঠিত হয় এই মেলা, যা স্থানীয়ভাবে ‘সিদ্ধেশ্বরী বটতলার বউমেলা’ নামে পরিচিত। দীর্ঘদিন ধরে ধর্মীয় বিশ্বাস, সামাজিক বন্ধন ও লোকজ সংস্কৃতির সমন্বয়ে এটি পরিণত হয়েছে একটি বিশেষ উৎসবে।
মেলার দ্বিতীয় দিনেই ভিড় জমে দূর-দূরান্ত থেকে আসা দর্শনার্থীদের। ভোর থেকেই ভক্তদের ঢল নামে বটতলায়। নববধূ থেকে শুরু করে বয়োজ্যেষ্ঠ নারীরা ফল, মিষ্টান্ন ও পূজার সামগ্রী নিয়ে অংশ নেন পূজা-অর্চনায়। রঙিন শাড়ি আর ফুলেল সাজে পুরো এলাকা হয়ে ওঠে প্রাণবন্ত ও বর্ণিল।
স্থানীয়দের বিশ্বাস, এই বটবৃক্ষ ‘সিদ্ধেশ্বরী দেবী’ হিসেবে পূজিত। প্রতিবছর এখানে পূজা দিলে সংসারে সুখ-শান্তি আসে এবং পরিবারের মঙ্গল সাধিত হয়। সেই বিশ্বাস থেকেই নারীরা মানত করে বটগাছের সঙ্গে কড়ি বেঁধে প্রার্থনা করেন। অনেকেই মানত পূরণে কবুতর উড়িয়ে দেন, কেউ কেউ পাঁঠা বলিও দেন।
মেলায় গ্রামীণ ঐতিহ্যের নানা উপকরণের সমাহারও দেখা যায়। মৃৎশিল্পীদের তৈরি টেপা পুতুল, প্রাণীর আকৃতির খেলনা, হাঁড়ি-পাতিলসহ নানা সামগ্রী দর্শনার্থীদের আকৃষ্ট করছে। পাশাপাশি বাঁশ, কাঠ ও লৌহশিল্পের তৈরি পণ্য এবং বাহারি মিষ্টান্ন ও মন্ডা-মিঠাইয়ের দোকান মেলায় যোগ করেছে বাড়তি আকর্ষণ।
মেলায় আগত নারীরা জানান, পারিবারিকভাবে এই মেলার গুরুত্ব তারা ছোটোবেলা থেকেই জেনে আসছেন। প্রতি বছর এখানে এসে পূজা দিয়ে সংসারের কল্যাণ কামনা করেন তারা। তাদের বিশ্বাস, এই আয়োজন জীবনে শান্তি ও সমৃদ্ধি বয়ে আনে।
পুরোহিত উৎপল ভট্টাচার্য বলেন, বহু বছর ধরে এই মেলা ধর্মীয় ও সামাজিক ঐতিহ্যের অংশ হিসেবে পালিত হচ্ছে। দুপুরে মূল পূজা শুরু হলেও দিনভর চলে ভক্তদের আনাগোনা।
আয়োজক কমিটির কর্মকর্তা নিলোৎপল রায় জানান, নববর্ষ উপলক্ষে এখানে সিদ্ধেশ্বরী কালীপূজার আয়োজন করা হয়, যা সম্পূর্ণ সার্বজনীনভাবে উদযাপিত হয়। বিভিন্ন ধর্মের মানুষ এতে অংশ নেন, যা সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত।
সোনারগাঁ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আসিফ আল জিনাত বলেন, মেলাকে ঘিরে প্রশাসনের পক্ষ থেকে পর্যাপ্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। নারী-কেন্দ্রিক এই ঐতিহ্যবাহী আয়োজনকে ঘিরে স্থানীয়দের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা বিরাজ করছে।
ঐতিহ্য, বিশ্বাস ও লোকজ সংস্কৃতির মেলবন্ধনে সোনারগাঁয়ের ‘বউ মেলা’ এখন শুধু ধর্মীয় অনুষ্ঠান নয়- এটি বাঙালির গ্রামীণ জীবনের প্রাণের উৎসবে পরিণত হয়েছে।

২০ জুন, ২০২৬ ১৫:২৪
নড়াইলে বিয়েবাড়িতে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে নকুল মল্লিক নামে (৫২) এক ব্যক্তির মৃত্যু হয়েছে। শুক্রবার (১৯ জুন) রাত ৮টার দিকে সদর উপজেলার কলোড়া ইউনিয়নের মুসুড়ি গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। নিহত নকুল মল্লিক ওই গ্রামের মৃত সতিস চন্দ্র মল্লিকের ছেলে।
নিহতের পরিবার ও স্বজন সূত্রে জানা গেছে, শুক্রবার নিহত নকুল মল্লিকের ভাইয়ের মেয়ের বিয়ে ছিল। বিয়ে উপলক্ষে বাড়িতে আলোকসজ্জা করা হয়েছিল। রাত ৮টার দিকে বরযাত্রী গেলে গেটে নতুন বরকে মিষ্টিমুখ করানোর জন্য যান নকুল মল্লিক।
এসময় ধাক্কাধাক্কির একপর্যায়ে তিনি আলোকসজ্জার বৈদ্যুতিক তারের ওপর পড়ে বিদ্যুতায়িত হন। পরে তাকে উদ্ধার করে নড়াইল জেলা হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
এ বিষয়ে নড়াইল সদর থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) অজয় কুমার কুন্ডু বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। এ ঘটনায় অপমৃত্যুর মামলা হচ্ছে।

২০ জুন, ২০২৬ ১৩:৫৩
ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬ সামনে রেখে টাঙানো বিশাল আকৃতির একটি আর্জেন্টিনা দলের পতাকা চুরির অভিযোগ উঠেছে জামালপুরের দেওয়ানগঞ্জে।
এ ঘটনায় স্থানীয় পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন আর্জেন্টিনা সমর্থকরা। অভিযোগ পাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন সানন্দবাড়ী পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ আবুল খায়ের।
শুক্রবার (১৯ জুন) বিকেলে দেওয়ানগঞ্জ উপজেলার চর আমখাওয়া ইউনিয়নের সানন্দবাড়ী মধ্যপাড়া এলাকার বাসিন্দা ও ‘ভেরুসেল এক্সপ্রেস’ ক্লাবের সদস্যরা সানন্দবাড়ী পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রে অভিযোগটি দায়ের করেন।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, আসন্ন বিশ্বকাপকে ঘিরে উৎসবের আমেজ তৈরি করতে ক্লাবের সদস্যরা চাঁদা তুলে প্রায় ২০ ফুট লম্বা ও ৬ ফুট চওড়া একটি আর্জেন্টিনা পতাকা তৈরি করেন। পরে সেটি এলাকার নদীর তীরবর্তী একটি খুঁটির সঙ্গে টাঙানো হয়।
ক্লাবের সদস্যদের দাবি, বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ৯টার দিকে তারা জানতে পারেন যে পতাকাটি আর সেখানে নেই। এরপর আশপাশের বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি চালিয়েও কোনো সন্ধান মেলেনি। একপর্যায়ে শুক্রবার জুমার নামাজের পর ক্লাবের সদস্য টুটুল শিকদার বাদী হয়ে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।
টুটুল শিকদার বলেন, “অনেক কষ্ট করে টাকা সংগ্রহ করে আমরা পতাকাটি বানিয়েছিলাম। ক্লাবের অধিকাংশ সদস্যই শিক্ষার্থী। কেউ টিফিনের টাকা বাঁচিয়ে, কেউ পরিবারের কাছ থেকে নিয়ে এই পতাকার জন্য অর্থ দিয়েছিল। তাই যারা এ ঘটনা ঘটিয়েছে, তাদের বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হোক।”
ক্লাবের আরেক সদস্য মামুন বলেন, “পতাকাটি কেউ খুঁজে দিতে পারলে তাকে ১০ হাজার টাকা পুরস্কার দেওয়া হবে।” এ বিষয়ে সানন্দবাড়ী পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ আবুল খায়ের বলেন, “পতাকা চুরির বিষয়ে একটি লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।”

২০ জুন, ২০২৬ ১৩:৪৩
টাঙ্গাইলের মধুপুর উপজেলায় পরিত্যক্ত সেপটিক ট্যাংকে নেমে শিশুসহ ৪ জনের মৃত্যু হয়েছে। শনিবার (২০ জুন) সকাল সাড়ে আটটার দিকে টেলকির জলই এলাকায় এই ঘটনা ঘটে। নিহতরা সবাই আদিবাসী।
নিহতরা হলেন, জলই গ্রামের বাবুল হাদিমা, তার শিশু পুত্র নেইমার ম্রং, একই গ্রামের রতন নকরেক ও গাবরিয়েল নকরেক। মধুপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা এ কে এম ফজলুল হক জানান, টেলকি জলই এলাকায় পরিত্যক্ত কূপে পড়ে যাওয়া ছাগল উদ্ধার করতে নেমে একে একে ৪জন ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর সদস্য নিহত হয়েছেন।
সকালে একটি ছাগল পড়ে যায় কুপে। এসময় প্রথমে গ্রাবিয়েল নকরেক (৩৫) ছাগল উদ্ধার করতে কূপে নামেন। পরবর্তীতে বাহির থেকে তার কোন সাড়াশব্দ না পেয়ে একে একে আরো ৩ জন প্রবেশ করেন।
তাদের সকলেরই কোন সাড়াশব্দ না পেয়ে স্থানীয় লোকজন মধুপুর ফায়ার সার্ভিস কে অবগত করেন। ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা গিয়ে তাদের মরদেহ উদ্ধার করেন।
নড়াইলে বিয়েবাড়িতে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে নকুল মল্লিক নামে (৫২) এক ব্যক্তির মৃত্যু হয়েছে। শুক্রবার (১৯ জুন) রাত ৮টার দিকে সদর উপজেলার কলোড়া ইউনিয়নের মুসুড়ি গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। নিহত নকুল মল্লিক ওই গ্রামের মৃত সতিস চন্দ্র মল্লিকের ছেলে।
নিহতের পরিবার ও স্বজন সূত্রে জানা গেছে, শুক্রবার নিহত নকুল মল্লিকের ভাইয়ের মেয়ের বিয়ে ছিল। বিয়ে উপলক্ষে বাড়িতে আলোকসজ্জা করা হয়েছিল। রাত ৮টার দিকে বরযাত্রী গেলে গেটে নতুন বরকে মিষ্টিমুখ করানোর জন্য যান নকুল মল্লিক।
এসময় ধাক্কাধাক্কির একপর্যায়ে তিনি আলোকসজ্জার বৈদ্যুতিক তারের ওপর পড়ে বিদ্যুতায়িত হন। পরে তাকে উদ্ধার করে নড়াইল জেলা হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
এ বিষয়ে নড়াইল সদর থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) অজয় কুমার কুন্ডু বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। এ ঘটনায় অপমৃত্যুর মামলা হচ্ছে।
ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬ সামনে রেখে টাঙানো বিশাল আকৃতির একটি আর্জেন্টিনা দলের পতাকা চুরির অভিযোগ উঠেছে জামালপুরের দেওয়ানগঞ্জে।
এ ঘটনায় স্থানীয় পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন আর্জেন্টিনা সমর্থকরা। অভিযোগ পাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন সানন্দবাড়ী পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ আবুল খায়ের।
শুক্রবার (১৯ জুন) বিকেলে দেওয়ানগঞ্জ উপজেলার চর আমখাওয়া ইউনিয়নের সানন্দবাড়ী মধ্যপাড়া এলাকার বাসিন্দা ও ‘ভেরুসেল এক্সপ্রেস’ ক্লাবের সদস্যরা সানন্দবাড়ী পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রে অভিযোগটি দায়ের করেন।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, আসন্ন বিশ্বকাপকে ঘিরে উৎসবের আমেজ তৈরি করতে ক্লাবের সদস্যরা চাঁদা তুলে প্রায় ২০ ফুট লম্বা ও ৬ ফুট চওড়া একটি আর্জেন্টিনা পতাকা তৈরি করেন। পরে সেটি এলাকার নদীর তীরবর্তী একটি খুঁটির সঙ্গে টাঙানো হয়।
ক্লাবের সদস্যদের দাবি, বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ৯টার দিকে তারা জানতে পারেন যে পতাকাটি আর সেখানে নেই। এরপর আশপাশের বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি চালিয়েও কোনো সন্ধান মেলেনি। একপর্যায়ে শুক্রবার জুমার নামাজের পর ক্লাবের সদস্য টুটুল শিকদার বাদী হয়ে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।
টুটুল শিকদার বলেন, “অনেক কষ্ট করে টাকা সংগ্রহ করে আমরা পতাকাটি বানিয়েছিলাম। ক্লাবের অধিকাংশ সদস্যই শিক্ষার্থী। কেউ টিফিনের টাকা বাঁচিয়ে, কেউ পরিবারের কাছ থেকে নিয়ে এই পতাকার জন্য অর্থ দিয়েছিল। তাই যারা এ ঘটনা ঘটিয়েছে, তাদের বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হোক।”
ক্লাবের আরেক সদস্য মামুন বলেন, “পতাকাটি কেউ খুঁজে দিতে পারলে তাকে ১০ হাজার টাকা পুরস্কার দেওয়া হবে।” এ বিষয়ে সানন্দবাড়ী পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ আবুল খায়ের বলেন, “পতাকা চুরির বিষয়ে একটি লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।”
টাঙ্গাইলের মধুপুর উপজেলায় পরিত্যক্ত সেপটিক ট্যাংকে নেমে শিশুসহ ৪ জনের মৃত্যু হয়েছে। শনিবার (২০ জুন) সকাল সাড়ে আটটার দিকে টেলকির জলই এলাকায় এই ঘটনা ঘটে। নিহতরা সবাই আদিবাসী।
নিহতরা হলেন, জলই গ্রামের বাবুল হাদিমা, তার শিশু পুত্র নেইমার ম্রং, একই গ্রামের রতন নকরেক ও গাবরিয়েল নকরেক। মধুপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা এ কে এম ফজলুল হক জানান, টেলকি জলই এলাকায় পরিত্যক্ত কূপে পড়ে যাওয়া ছাগল উদ্ধার করতে নেমে একে একে ৪জন ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর সদস্য নিহত হয়েছেন।
সকালে একটি ছাগল পড়ে যায় কুপে। এসময় প্রথমে গ্রাবিয়েল নকরেক (৩৫) ছাগল উদ্ধার করতে কূপে নামেন। পরবর্তীতে বাহির থেকে তার কোন সাড়াশব্দ না পেয়ে একে একে আরো ৩ জন প্রবেশ করেন।
তাদের সকলেরই কোন সাড়াশব্দ না পেয়ে স্থানীয় লোকজন মধুপুর ফায়ার সার্ভিস কে অবগত করেন। ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা গিয়ে তাদের মরদেহ উদ্ধার করেন।
২০ জুন, ২০২৬ ১৫:৩৮
২০ জুন, ২০২৬ ১৫:২৪
২০ জুন, ২০২৬ ১৪:১০
২০ জুন, ২০২৬ ১৩:৫৩