
২৬ আগস্ট, ২০২৫ ১৫:১৯
ভোলার বাজারে ইলিশের সরবরাহ কিছুটা বেড়েছে। বাজারগুলোতে বিভিন্ন আকারের ইলিশ নিয়ে এসেছেন খুচরা বিক্রেতারা। তবে দাম নিয়ে ক্ষোভ রয়েছে সাধারণ ক্রেতাদের। ক্রেতাদের দাবি, ইলিশ কিনতে বাজারে এসে হিমশিম খাচ্ছেন তারা। সামর্থ্য অনুয়ায়ী পছন্দের আকারের ইলিশ কিনতে পারছেন না।
মঙ্গলবার (২৬ আগস্ট) দুপুরের দিকে ভোলা শহরের কিচেন মার্কেটে সরেজমিনে গিয়ে দেখা গেছে, ভোলার তুলাতুলি, ইলিশার জংশন, ভোলার খাল, নাছির মাঝি মৎস্য ঘাটসহ বিভিন্ন ঘাট থেকে ইলিশ নিয়ে এসেছে খুচরা বিক্রেতারা। এক কেজি, ৭০০-৯০০ গ্রাম, ২০০-৬০০ গ্রাম সব আকারেরই ইলিশ রয়েছে বিক্রেতাদের কাছে। বাজারও রয়েছে ক্রেতাদের বেশ ভিড়। কিন্তু ইলিশের দাম নিয়ে ক্রেতারা সন্তুষ্ট নন।
ক্রেতা মো. ইকবাল হোসেন, খাইরুল আলম ও খুশি আক্তার জানান, তারা বাজারের এসেছেন ইলিশ কিনতে। কিন্তু দাম বেশি হওয়ায় পছন্দের আকারের ইলিশ কিনতে হিমশিম খাচ্ছেন। তাই ৬০০-৭০০ গ্রামের ইলিশ ১৭০০ টাকা কেজি দরে কিনেছেন। ৯০০ গ্রাম থেকে এক কেজি আকারের ইলিশ কেনার ইচ্ছে থাকলেও দাম বেশি হওয়ায় কিনতে পারেননি বলে জানান তারা।
ক্রেতা আকলিমা বেগম, হারুন অর রশিদ ও শান্তা রহমান জানান, এক কেজির ইলিশ বাজারে ২৫০০-২৭০০ টাকায় বিক্রি করছেন বিক্রেতারা। তবে সাগরের ইলিশ আরও ৫০০ টাকা কম হলেও তেমন সুস্বাদু না হওয়া সেগুলো কেনেননি।
ক্রেতা ফারজানা বেগম, তৈয়বুর রহমান ও মো. হেলাল জানান, সারাদেশে ৩৩ ভাড়ের বেশি ইলিশ অহরণ হয় ভোলায়। কিন্তু ভোলার বাজারের ইলিশের দাম ঢাকা, চাঁদপুর, বরিশালসহ বিভিন্ন জেলার থেকে বেশি, এটি মেনে নেওয়া যায় না।
তারা আরও জানান, বিগত বছরগুলোর তুলনায় এ বছর ভরা মৌসুমে ইলিশের দাম বেশি রয়েছে। ইলিশের খুচরা বিক্রেতা মো. জয়নাল ও মো. জুয়েল ব্যাপারী জানান, জাটকার কেজি ৬০০-৭০০ টাকা, ৬০০-৯০০ গ্রামের ইলিশের দাম ১৪০০-২২০০ টাকা ও এক কেজি ও তার বেশি আকারের ইলিশের দাম ২৫০০-২৭০০ টাকা বিক্রি করছি।
বিক্রেতা মো. মহিউদ্দিন জানান, ইলিশের সরবরাহ আগের চেয়ে কিছু বেড়েছে কিন্তু ঘাটে দাম কমেনি। চাহিদা বেশি থাকায় দাম বেশি রয়েছে। ঘাট থেকে তারা বেশি দামে কিনে খুচরা বাজারের ১০০-২০০ টাকা বেশিতে বিক্রি করছেন।
ভোলা সদরের তুলাতুলি মৎস্য ঘারে আড়তদার মো. কামাল ব্যাপারী ও মঞ্জু ইসলাম জানান, তারা ঢাকা, বরিশাল ও চাঁদপুরের পাইকারি আড়ত থেকে দাদন এনে জেলেদের দিয়েছেন। এখন পাইকারি আড়তদারদের চাপ আছে কিন্তু তেমন সরবরাহ বাড়েনি। এজন্য দাম এখনও বেশি রয়েছে। তবে আগামী সপ্তাহে ইলিশের সরবরাহ আরও বাড়বে। তখন কেজিপ্রতি ৩০০-৫০০ টাকা কমে যাবে।
ভোলা জেলা মৎস্য কর্মকর্তা বিশ্বজিৎ কুমার দেব জানান, বর্তমানের ইলিশের ভরা মৌসুম শুরু হয়েছে। জেলেদের জালে ইলিশ ভালোই ধরা পড়ছে। আগামী কয়েক দিন পর বেশি ধরা পরবে। তখন জেলেরা কাঙ্ক্ষিত পরিমাণ ইলিশ পাবেন। দামও কমে যাবে।
ভোলার বাজারে ইলিশের সরবরাহ কিছুটা বেড়েছে। বাজারগুলোতে বিভিন্ন আকারের ইলিশ নিয়ে এসেছেন খুচরা বিক্রেতারা। তবে দাম নিয়ে ক্ষোভ রয়েছে সাধারণ ক্রেতাদের। ক্রেতাদের দাবি, ইলিশ কিনতে বাজারে এসে হিমশিম খাচ্ছেন তারা। সামর্থ্য অনুয়ায়ী পছন্দের আকারের ইলিশ কিনতে পারছেন না।
মঙ্গলবার (২৬ আগস্ট) দুপুরের দিকে ভোলা শহরের কিচেন মার্কেটে সরেজমিনে গিয়ে দেখা গেছে, ভোলার তুলাতুলি, ইলিশার জংশন, ভোলার খাল, নাছির মাঝি মৎস্য ঘাটসহ বিভিন্ন ঘাট থেকে ইলিশ নিয়ে এসেছে খুচরা বিক্রেতারা। এক কেজি, ৭০০-৯০০ গ্রাম, ২০০-৬০০ গ্রাম সব আকারেরই ইলিশ রয়েছে বিক্রেতাদের কাছে। বাজারও রয়েছে ক্রেতাদের বেশ ভিড়। কিন্তু ইলিশের দাম নিয়ে ক্রেতারা সন্তুষ্ট নন।
ক্রেতা মো. ইকবাল হোসেন, খাইরুল আলম ও খুশি আক্তার জানান, তারা বাজারের এসেছেন ইলিশ কিনতে। কিন্তু দাম বেশি হওয়ায় পছন্দের আকারের ইলিশ কিনতে হিমশিম খাচ্ছেন। তাই ৬০০-৭০০ গ্রামের ইলিশ ১৭০০ টাকা কেজি দরে কিনেছেন। ৯০০ গ্রাম থেকে এক কেজি আকারের ইলিশ কেনার ইচ্ছে থাকলেও দাম বেশি হওয়ায় কিনতে পারেননি বলে জানান তারা।
ক্রেতা আকলিমা বেগম, হারুন অর রশিদ ও শান্তা রহমান জানান, এক কেজির ইলিশ বাজারে ২৫০০-২৭০০ টাকায় বিক্রি করছেন বিক্রেতারা। তবে সাগরের ইলিশ আরও ৫০০ টাকা কম হলেও তেমন সুস্বাদু না হওয়া সেগুলো কেনেননি।
ক্রেতা ফারজানা বেগম, তৈয়বুর রহমান ও মো. হেলাল জানান, সারাদেশে ৩৩ ভাড়ের বেশি ইলিশ অহরণ হয় ভোলায়। কিন্তু ভোলার বাজারের ইলিশের দাম ঢাকা, চাঁদপুর, বরিশালসহ বিভিন্ন জেলার থেকে বেশি, এটি মেনে নেওয়া যায় না।
তারা আরও জানান, বিগত বছরগুলোর তুলনায় এ বছর ভরা মৌসুমে ইলিশের দাম বেশি রয়েছে। ইলিশের খুচরা বিক্রেতা মো. জয়নাল ও মো. জুয়েল ব্যাপারী জানান, জাটকার কেজি ৬০০-৭০০ টাকা, ৬০০-৯০০ গ্রামের ইলিশের দাম ১৪০০-২২০০ টাকা ও এক কেজি ও তার বেশি আকারের ইলিশের দাম ২৫০০-২৭০০ টাকা বিক্রি করছি।
বিক্রেতা মো. মহিউদ্দিন জানান, ইলিশের সরবরাহ আগের চেয়ে কিছু বেড়েছে কিন্তু ঘাটে দাম কমেনি। চাহিদা বেশি থাকায় দাম বেশি রয়েছে। ঘাট থেকে তারা বেশি দামে কিনে খুচরা বাজারের ১০০-২০০ টাকা বেশিতে বিক্রি করছেন।
ভোলা সদরের তুলাতুলি মৎস্য ঘারে আড়তদার মো. কামাল ব্যাপারী ও মঞ্জু ইসলাম জানান, তারা ঢাকা, বরিশাল ও চাঁদপুরের পাইকারি আড়ত থেকে দাদন এনে জেলেদের দিয়েছেন। এখন পাইকারি আড়তদারদের চাপ আছে কিন্তু তেমন সরবরাহ বাড়েনি। এজন্য দাম এখনও বেশি রয়েছে। তবে আগামী সপ্তাহে ইলিশের সরবরাহ আরও বাড়বে। তখন কেজিপ্রতি ৩০০-৫০০ টাকা কমে যাবে।
ভোলা জেলা মৎস্য কর্মকর্তা বিশ্বজিৎ কুমার দেব জানান, বর্তমানের ইলিশের ভরা মৌসুম শুরু হয়েছে। জেলেদের জালে ইলিশ ভালোই ধরা পড়ছে। আগামী কয়েক দিন পর বেশি ধরা পরবে। তখন জেলেরা কাঙ্ক্ষিত পরিমাণ ইলিশ পাবেন। দামও কমে যাবে।

২৯ এপ্রিল, ২০২৬ ২০:৪০
ভোলার তজুমদ্দিন উপজেলায় কালবৈশাখীর তীব্র ঝড়ে একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ভবন মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) আকস্মিক ঝড়ো হাওয়া ও বজ্রসহ বৃষ্টিতে বিদ্যালয়টির টিনের ছাউনি উড়ে যায়। ফলে শিক্ষা কার্যক্রম বন্ধ হয়ে পড়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, উপজেলার দুর্গম চর জহিরউদ্দিন এলাকায় অবস্থিত ৬৩ নম্বর মরিয়ম সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়টি বিকেলে কালবৈশাখীর ঝড়ে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির শিকার হয়। ঝড়ের তীব্রতায় বিদ্যালয় ভবনের পুরো চাল উপড়ে গিয়ে দূরে ছিটকে পড়ে। এতে বিদ্যালয়ের আসবাবপত্র ক্ষতিগ্রস্ত হয় এবং শ্রেণিকক্ষে পাঠদান অনুপযোগী হয়ে পড়ে।
বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আবুল কাশেম জানান, হঠাৎ আকাশ কালো হয়ে ঝড় শুরু হলে আমরা দ্রুত শিক্ষার্থীদের ছুটি দিয়ে দিই। সৌভাগ্যবশত, ঝড়ের সময় কোনো শিক্ষার্থী বিদ্যালয়ে না থাকায় বড় ধরনের দুর্ঘটনা এড়ানো গেছে। তবে বিদ্যালয়ের ভেতরের আসবাবপত্র ব্যাপকভাবে নষ্ট হয়েছে।
স্থানীয় বাসিন্দারা দ্রুত বিদ্যালয়টি সংস্কারের দাবি জানিয়েছেন। তারা বলেন, দ্রুত ব্যবস্থা না নিলে শিক্ষার্থীদের পাঠদান ব্যাহত হবে।
এ বিষয়ে উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. রিয়াজ আলম জানান, ক্ষতিগ্রস্ত বিদ্যালয়ের ছবি সংযুক্ত করে জরুরি বরাদ্দের জন্য ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন পাঠানো হয়েছে। বরাদ্দ পাওয়া গেলে দ্রুত বিদ্যালয়টি মেরামত করে শিক্ষার স্বাভাবিক পরিবেশ ফিরিয়ে আনা হবে।
ভোলার তজুমদ্দিন উপজেলায় কালবৈশাখীর তীব্র ঝড়ে একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ভবন মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) আকস্মিক ঝড়ো হাওয়া ও বজ্রসহ বৃষ্টিতে বিদ্যালয়টির টিনের ছাউনি উড়ে যায়। ফলে শিক্ষা কার্যক্রম বন্ধ হয়ে পড়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, উপজেলার দুর্গম চর জহিরউদ্দিন এলাকায় অবস্থিত ৬৩ নম্বর মরিয়ম সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়টি বিকেলে কালবৈশাখীর ঝড়ে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির শিকার হয়। ঝড়ের তীব্রতায় বিদ্যালয় ভবনের পুরো চাল উপড়ে গিয়ে দূরে ছিটকে পড়ে। এতে বিদ্যালয়ের আসবাবপত্র ক্ষতিগ্রস্ত হয় এবং শ্রেণিকক্ষে পাঠদান অনুপযোগী হয়ে পড়ে।
বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আবুল কাশেম জানান, হঠাৎ আকাশ কালো হয়ে ঝড় শুরু হলে আমরা দ্রুত শিক্ষার্থীদের ছুটি দিয়ে দিই। সৌভাগ্যবশত, ঝড়ের সময় কোনো শিক্ষার্থী বিদ্যালয়ে না থাকায় বড় ধরনের দুর্ঘটনা এড়ানো গেছে। তবে বিদ্যালয়ের ভেতরের আসবাবপত্র ব্যাপকভাবে নষ্ট হয়েছে।
স্থানীয় বাসিন্দারা দ্রুত বিদ্যালয়টি সংস্কারের দাবি জানিয়েছেন। তারা বলেন, দ্রুত ব্যবস্থা না নিলে শিক্ষার্থীদের পাঠদান ব্যাহত হবে।
এ বিষয়ে উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. রিয়াজ আলম জানান, ক্ষতিগ্রস্ত বিদ্যালয়ের ছবি সংযুক্ত করে জরুরি বরাদ্দের জন্য ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন পাঠানো হয়েছে। বরাদ্দ পাওয়া গেলে দ্রুত বিদ্যালয়টি মেরামত করে শিক্ষার স্বাভাবিক পরিবেশ ফিরিয়ে আনা হবে।

২৮ এপ্রিল, ২০২৬ ১৮:০২
টেলিগ্রামভিত্তিক পর্নোগ্রাফি কনটেন্ট বাণিজ্যের সঙ্গে জড়িত একটি সাইবার অপরাধ চক্রের পাঁচ সদস্যকে ভোলা জেলা থেকে গ্রেপ্তার করেছে র্যাব-৮, বরিশাল।
র্যাব জানায়, দীর্ঘদিন ধরে দেশের বিভিন্ন স্কুল, কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়পড়ুয়া মেয়েদের ব্যক্তিগত ছবি ও ভিডিও সংগ্রহ, সংরক্ষণ এবং অর্থের বিনিময়ে বিক্রি করে আসছিল একটি সংঘবদ্ধ চক্র। তারা মূলত টেলিগ্রাম প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করে বিভিন্ন প্রাইভেট চ্যানেলের মাধ্যমে অশ্লীল ছবি ও ভিডিও সরবরাহ করত।
র্যাব-৮ সোমবার (২৭ এপ্রিল) রাতে এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানায়, সম্প্রতি দেশের বিভিন্ন গণমাধ্যমে টেলিগ্রাম অ্যাপের অপব্যবহার, সাইবার ব্ল্যাকমেইল এবং গোপন ছবি-ভিডিও ফাঁসের ঘটনা নিয়ে সংবাদ প্রকাশিত হলে বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত শুরু করে র্যাব।
অনুসন্ধানে জানা যায়, চক্রটি ফেসবুক ও ব্যক্তিগত ডিভাইস হ্যাকিং, ব্রেকআপের পর প্রাক্তন প্রেমিকদের কাছ থেকে ছবি-ভিডিও সংগ্রহ এবং ব্যক্তিগত শত্রুতার জেরে গোপন ছবি ও ভিডিও সংগ্রহ করে তা অর্থের বিনিময়ে বিক্রি করত।
র্যাব জানায়, অভিযুক্তদের ব্যবহৃত মোবাইল ফোন থেকে প্রায় দেড় লাখ নগ্ন ও স্পর্শকাতর ছবি-ভিডিও এবং প্রায় ৩৫০টি গ্রুপ ও চ্যানেলের সন্ধান পাওয়া গেছে।
এ ঘটনায় গত ২৬ এপ্রিল রাতে র্যাব-৮-এর একটি আভিযানিক দল ভোলা ও বরিশাল জেলার বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে চক্রের পাঁচ সদস্যকে গ্রেপ্তার করে।
গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন- মেরাজুর রহমান আরমান (২১), বিল্লাল হোসেন অন্তর (২১), রবি আলম মমিন (২১), আল আমিন ইসলাম মাহি (১৯) এবং মো. হাসিব (২৩)।
এ সময় তাদের কাছ থেকে অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে ব্যবহৃত ১২টি মোবাইল ফোনও উদ্ধার করা হয়।
র্যাব-৮-এর কোম্পানি অধিনায়ক অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. কামরুজ্জামান বলেন, আইনের শাসন সমুন্নত রাখা, মানবাধিকার রক্ষা এবং নাগরিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে র্যাব ভবিষ্যতেও এ ধরনের অপরাধ দমনে আরও কঠোরভাবে অভিযান পরিচালনা করবে।
বরিশাল টাইমস
টেলিগ্রামভিত্তিক পর্নোগ্রাফি কনটেন্ট বাণিজ্যের সঙ্গে জড়িত একটি সাইবার অপরাধ চক্রের পাঁচ সদস্যকে ভোলা জেলা থেকে গ্রেপ্তার করেছে র্যাব-৮, বরিশাল।
র্যাব জানায়, দীর্ঘদিন ধরে দেশের বিভিন্ন স্কুল, কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়পড়ুয়া মেয়েদের ব্যক্তিগত ছবি ও ভিডিও সংগ্রহ, সংরক্ষণ এবং অর্থের বিনিময়ে বিক্রি করে আসছিল একটি সংঘবদ্ধ চক্র। তারা মূলত টেলিগ্রাম প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করে বিভিন্ন প্রাইভেট চ্যানেলের মাধ্যমে অশ্লীল ছবি ও ভিডিও সরবরাহ করত।
র্যাব-৮ সোমবার (২৭ এপ্রিল) রাতে এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানায়, সম্প্রতি দেশের বিভিন্ন গণমাধ্যমে টেলিগ্রাম অ্যাপের অপব্যবহার, সাইবার ব্ল্যাকমেইল এবং গোপন ছবি-ভিডিও ফাঁসের ঘটনা নিয়ে সংবাদ প্রকাশিত হলে বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত শুরু করে র্যাব।
অনুসন্ধানে জানা যায়, চক্রটি ফেসবুক ও ব্যক্তিগত ডিভাইস হ্যাকিং, ব্রেকআপের পর প্রাক্তন প্রেমিকদের কাছ থেকে ছবি-ভিডিও সংগ্রহ এবং ব্যক্তিগত শত্রুতার জেরে গোপন ছবি ও ভিডিও সংগ্রহ করে তা অর্থের বিনিময়ে বিক্রি করত।
র্যাব জানায়, অভিযুক্তদের ব্যবহৃত মোবাইল ফোন থেকে প্রায় দেড় লাখ নগ্ন ও স্পর্শকাতর ছবি-ভিডিও এবং প্রায় ৩৫০টি গ্রুপ ও চ্যানেলের সন্ধান পাওয়া গেছে।
এ ঘটনায় গত ২৬ এপ্রিল রাতে র্যাব-৮-এর একটি আভিযানিক দল ভোলা ও বরিশাল জেলার বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে চক্রের পাঁচ সদস্যকে গ্রেপ্তার করে।
গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন- মেরাজুর রহমান আরমান (২১), বিল্লাল হোসেন অন্তর (২১), রবি আলম মমিন (২১), আল আমিন ইসলাম মাহি (১৯) এবং মো. হাসিব (২৩)।
এ সময় তাদের কাছ থেকে অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে ব্যবহৃত ১২টি মোবাইল ফোনও উদ্ধার করা হয়।
র্যাব-৮-এর কোম্পানি অধিনায়ক অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. কামরুজ্জামান বলেন, আইনের শাসন সমুন্নত রাখা, মানবাধিকার রক্ষা এবং নাগরিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে র্যাব ভবিষ্যতেও এ ধরনের অপরাধ দমনে আরও কঠোরভাবে অভিযান পরিচালনা করবে।
বরিশাল টাইমস

২৮ এপ্রিল, ২০২৬ ১৭:১২
ভোলার মনপুরা উপজেলায় নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুতের দাবিতে বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করেছেন স্থানীয়রা। এ সময় ওয়েস্টার্ন সোলার মিনি গ্রিড বিদ্যুৎ কেন্দ্রের অফিস ঘেরাও করে কর্মচারীদের অবরুদ্ধ করার ঘটনাও ঘটে।
মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে উপজেলার দক্ষিণ সাকুচিয়া ইউনিয়নে অবস্থিত ওয়েস্টার্ন সোলার মিনি গ্রিড বিদ্যুৎ কেন্দ্রের সামনে প্রায় পাঁচ শতাধিক মানুষের উপস্থিতিতে এ বিক্ষোভ অনুষ্ঠিত হয়।
বিক্ষোভে অংশ নেওয়া স্থানীয় বাসিন্দা আজাদ খলিফা, জসিম মিজি ও মো. ফরহাদ অভিযোগ করেন, ওয়েস্টার্ন রিনিউএবল এনার্জি পরিচালিত সোলার মিনি গ্রিড কোম্পানি নিয়মিত বিদ্যুৎ সরবরাহে ব্যর্থ হচ্ছে।
তাদের দাবি, দিনে মাত্র দুই থেকে তিন ঘণ্টা বিদ্যুৎ দেওয়া হচ্ছে, যা সাধারণ মানুষের জন্য চরম ভোগান্তির কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
তারা আরও অভিযোগ করেন, সরেজমিনে ডিজেল মজুদ থাকার পরও কর্তৃপক্ষ “ডিজেল সংকট” দেখিয়ে বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ রাখছে, যা নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে ক্ষোভ তৈরি হয়েছে।
এ বিষয়ে সোলার মিনি গ্রিড বিদ্যুৎ কেন্দ্রের লাইনম্যান এনায়েত হোসেন বলেন, দেশের চলমান জ্বালানি সংকটের কারণে নিয়মিত বিদ্যুৎ সরবরাহ করা সম্ভব হচ্ছে না।
তিনি বিক্ষোভকারীদের দাবিকে যৌক্তিক বলে উল্লেখ করে জানান, বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে এবং দ্রুত সমাধানের আশ্বাস দেওয়া হয়েছে।
এ ঘটনায় এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করলেও পরিস্থিতি বর্তমানে নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। স্থানীয়রা দ্রুত স্থায়ী সমাধানের দাবি জানিয়েছেন।
বরিশাল টাইমস
ভোলার মনপুরা উপজেলায় নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুতের দাবিতে বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করেছেন স্থানীয়রা। এ সময় ওয়েস্টার্ন সোলার মিনি গ্রিড বিদ্যুৎ কেন্দ্রের অফিস ঘেরাও করে কর্মচারীদের অবরুদ্ধ করার ঘটনাও ঘটে।
মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে উপজেলার দক্ষিণ সাকুচিয়া ইউনিয়নে অবস্থিত ওয়েস্টার্ন সোলার মিনি গ্রিড বিদ্যুৎ কেন্দ্রের সামনে প্রায় পাঁচ শতাধিক মানুষের উপস্থিতিতে এ বিক্ষোভ অনুষ্ঠিত হয়।
বিক্ষোভে অংশ নেওয়া স্থানীয় বাসিন্দা আজাদ খলিফা, জসিম মিজি ও মো. ফরহাদ অভিযোগ করেন, ওয়েস্টার্ন রিনিউএবল এনার্জি পরিচালিত সোলার মিনি গ্রিড কোম্পানি নিয়মিত বিদ্যুৎ সরবরাহে ব্যর্থ হচ্ছে।
তাদের দাবি, দিনে মাত্র দুই থেকে তিন ঘণ্টা বিদ্যুৎ দেওয়া হচ্ছে, যা সাধারণ মানুষের জন্য চরম ভোগান্তির কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
তারা আরও অভিযোগ করেন, সরেজমিনে ডিজেল মজুদ থাকার পরও কর্তৃপক্ষ “ডিজেল সংকট” দেখিয়ে বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ রাখছে, যা নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে ক্ষোভ তৈরি হয়েছে।
এ বিষয়ে সোলার মিনি গ্রিড বিদ্যুৎ কেন্দ্রের লাইনম্যান এনায়েত হোসেন বলেন, দেশের চলমান জ্বালানি সংকটের কারণে নিয়মিত বিদ্যুৎ সরবরাহ করা সম্ভব হচ্ছে না।
তিনি বিক্ষোভকারীদের দাবিকে যৌক্তিক বলে উল্লেখ করে জানান, বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে এবং দ্রুত সমাধানের আশ্বাস দেওয়া হয়েছে।
এ ঘটনায় এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করলেও পরিস্থিতি বর্তমানে নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। স্থানীয়রা দ্রুত স্থায়ী সমাধানের দাবি জানিয়েছেন।
বরিশাল টাইমস
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.