Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.

০৪ ডিসেম্বর, ২০২৫ ১৫:৫২
বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) সদস্যরা যশোর সদরের মুরাদগড় বাস স্ট্যান্ড এলাকায় অভিযান চালিয়ে দুই কোটি ১১ লাখ দামের দুটি সোনার বারসহ দুজনকে আটক করেছেন। যশোর ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লে. কর্নেল সাইফুল্লাহ্ সিদ্দিকী সোনাসহ দুই যুবককে আটকের তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
যশোর ব্যাটালিয়ন (৪৯ বিজিবি) জানায়, বৃহস্পতিবার (৪ ডিসেম্বর) ভোর সাড়ে ৫টার দিকে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে মুরাদগড় বাস স্ট্যান্ড এলাকায় অভিযান চালানো হয়। ওইসময় ফরিদুল ইসলাম (২৮) ও মাহাফুজ আলম (৩১) নামে দুই যুবককে আটক করা হয়।
এরপর তল্লাশি করে তাদের প্যান্টের পকেটে বিশেষ কায়দায় লুকিয়ে রাখা ১০টি সোনার বার উদ্ধার করা হয়। জব্দ করা সোনার ওজন ১ দশমিক ১৬৪ কেজি, যার বাজারমূল্য দুই কোটি ১১ লাখ লাখ ১৯ হাজার ২৪৪ টাকা।
আটক দুই যুবক বিজিবিকে জানান, ঢাকা থেকে যশোর ও চৌগাছা হয়ে ভারতে পাচার করার উদ্দেশ্যে সোনার বারগুলো নিয়ে যাচ্ছিলেন। তারা ঢাকার তাঁতিবাজার এলাকার চোরাকারবারিদের কাছ থেকে এগুলো সংগ্রহ করে চৌগাছার দিকে যাচ্ছিলেন।
জানা গেছে, আটক ফরিদুল ইসলাম চুয়াডাঙ্গার দামুড়হুদা উপজেলার দক্ষিণ চাঁদপুর গ্রামের আবুল কালামের ছেলে এবং মাহাফুজ আলম ঝিনাইদহের মহেশপুর উপজেলার বাজিপোতা গ্রামের আব্দুল লতিফের ছেলে। তাদের বিরুদ্ধে মামলা করে যশোর কোতোয়ালি থানায় সোপর্দ করা হয়েছে।
বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) সদস্যরা যশোর সদরের মুরাদগড় বাস স্ট্যান্ড এলাকায় অভিযান চালিয়ে দুই কোটি ১১ লাখ দামের দুটি সোনার বারসহ দুজনকে আটক করেছেন। যশোর ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লে. কর্নেল সাইফুল্লাহ্ সিদ্দিকী সোনাসহ দুই যুবককে আটকের তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
যশোর ব্যাটালিয়ন (৪৯ বিজিবি) জানায়, বৃহস্পতিবার (৪ ডিসেম্বর) ভোর সাড়ে ৫টার দিকে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে মুরাদগড় বাস স্ট্যান্ড এলাকায় অভিযান চালানো হয়। ওইসময় ফরিদুল ইসলাম (২৮) ও মাহাফুজ আলম (৩১) নামে দুই যুবককে আটক করা হয়।
এরপর তল্লাশি করে তাদের প্যান্টের পকেটে বিশেষ কায়দায় লুকিয়ে রাখা ১০টি সোনার বার উদ্ধার করা হয়। জব্দ করা সোনার ওজন ১ দশমিক ১৬৪ কেজি, যার বাজারমূল্য দুই কোটি ১১ লাখ লাখ ১৯ হাজার ২৪৪ টাকা।
আটক দুই যুবক বিজিবিকে জানান, ঢাকা থেকে যশোর ও চৌগাছা হয়ে ভারতে পাচার করার উদ্দেশ্যে সোনার বারগুলো নিয়ে যাচ্ছিলেন। তারা ঢাকার তাঁতিবাজার এলাকার চোরাকারবারিদের কাছ থেকে এগুলো সংগ্রহ করে চৌগাছার দিকে যাচ্ছিলেন।
জানা গেছে, আটক ফরিদুল ইসলাম চুয়াডাঙ্গার দামুড়হুদা উপজেলার দক্ষিণ চাঁদপুর গ্রামের আবুল কালামের ছেলে এবং মাহাফুজ আলম ঝিনাইদহের মহেশপুর উপজেলার বাজিপোতা গ্রামের আব্দুল লতিফের ছেলে। তাদের বিরুদ্ধে মামলা করে যশোর কোতোয়ালি থানায় সোপর্দ করা হয়েছে।

০২ মার্চ, ২০২৬ ১৩:৫৮
সিরাজগঞ্জের কাজীপুরে বসতবাড়ির আঙিনায় ১২ ফুট উচ্চতার ৫ কেজি ওজনের গাঁজার গাছসহ মাহবুবুর রহমান (৪৫) নামে এক যুবদল নেতাকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। রোববার (১ মার্চ) রাত সাড়ে ৯টার দিকে উপজেলার চালিতাডাঙ্গা দক্ষিণপাড়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেফতার করা হয়।
মাহবুবুর রহমান ওই গ্রামের মৃত মজিবুর রহমানের ছেলে ও উপজেলা উপজেলা যুবদলের সাবেক প্রচার সম্পাদক। বর্তমানে তিনি স্থানীয় একটি কারিগরি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে সিনিয়র ইনস্ট্রাক্টর পদে কর্মরত রয়েছেন বলে জানা গেছে। কাজীপুর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) আবু সাইদ এ তথ্য নিশ্চিত করেন।
তিনি জানান, বাড়ির আঙিনায় গাঁজার চাষ করা করা হয় এমন এক গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেফতার করা হয়। ১২ ফুট উচ্চতার ৫ কেজি ওজনের গাঁজার গাছটি মাহবুবুর রহমান পরিচর্যার মাধ্যমে বড় করেছেন।
তিনি আরও বলেন, অপরাধ স্বীকার করায় নিয়মিত মামলায় সোমবার সকালে তাকে আদালতে পাঠানো হয়েছে। অভিযানকালে জেলা মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক নজরুল ইসলাম ও পরিদর্শক নিজাম উদ্দিন খান উপস্থিত ছিলেন।

০২ মার্চ, ২০২৬ ১২:২৯

০২ মার্চ, ২০২৬ ১১:৪৪
৩৫ বাংলাদেশিসহ ২৪৫ প্রবাসীকে নিজ দেশে ফেরত পাঠিয়েছে মালয়েশিয়া। সোমবার (২ মার্চ) দেশটির ইমিগ্রেশন বিভাগ এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, গত ফেব্রুয়ারির শেষ সপ্তাহে ইমিগ্রেশন জোহর রাজ্য শাখার অধীনে পরিচালিত পাইনঅ্যাপল টাউন ইমিগ্রেশন ডিপো থেকে বিভিন্ন দেশের ২৪৫ জন বন্দিকে নিজ নিজ দেশে পাঠানো হয়েছে।
ফেরত পাঠানোদের মধ্যে রয়েছেন ৮২ জন মিয়ানমার, ৬৮ জন ইন্দোনেশিয়া, ৩৫ জন বাংলাদেশি, ২৬ জন পাকিস্তানি, ২৩ জন ভারতীয় নাগরিক। এছাড়া ২ জন করে নাইজেরিয়া, ভিয়েতনাম ও থাইল্যান্ডের নাগরিক এবং নেপাল, সিরিয়া, ফিলিপাইন, কম্বোডিয়া ও কঙ্গোর একজন করে নাগরিক রয়েছেন।
সব বন্দিকে কুয়ালালামপুর আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর টার্মিনাল ১ ও ২ (কেএলআইএ ১ ও ২) এবং স্টুলাং লাউত ফেরি টার্মিনালের মাধ্যমে নিজ দেশে পাঠানো হয়েছে। সংশ্লিষ্ট সবাই বৈধ পাসপোর্টধারী ছিলেন। যাদের পাসপোর্ট ছিল না, তাদের নিজ নিজ দূতাবাসের মাধ্যমে অস্থায়ী ভ্রমণ নথি বা ‘ইমার্জেন্সি ট্রাভেল ডকুমেন্ট’ ইস্যু করা হয়।
প্রত্যাবর্তন সংক্রান্ত বিমান টিকিটের ব্যয় বন্দিদের ব্যক্তিগত সঞ্চয়, পরিবারের আর্থিক সহায়তা এবং কিছু ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট দূতাবাস বহন করেছে।
ইমিগ্রেশন বিভাগ জানিয়েছে, প্রত্যাবাসিত সব ব্যক্তিকে বিভাগের সিস্টেমে কালো তালিকাভুক্ত (ব্ল্যাকলিস্ট) করা হয়েছে। নির্ধারিত সময়সীমার মধ্যে তারা আর কোনো উদ্দেশ্যে মালয়েশিয়ায় প্রবেশ করতে পারবেন না।
বিভাগের পক্ষ থেকে জানানো হয়, সাজা সম্পন্ন করার পরও যেন কোনো বন্দি দেশে অবৈধভাবে অবস্থান করতে না পারে, সে লক্ষ্যেই নিয়মিতভাবে এই প্রত্যাবর্তন কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। এটি পাইনঅ্যাপল টাউন ইমিগ্রেশন ডিটেনশন ডিপোর প্রধান কার্যক্রমগুলোর একটি।
প্রত্যাবাসন সংক্রান্ত যাবতীয় কার্যক্রম—যেমন টিকিট ক্রয় ও অন্যান্য আনুষঙ্গিক বিষয়—পাইনঅ্যাপল টাউন ইমিগ্রেশন ডিপোতে স্থাপিত সেবা কাউন্টারে সম্পন্ন করা যাবে বলেও বিবৃতিতে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট বিভাগ।
বরিশাল টাইমস
সিরাজগঞ্জের কাজীপুরে বসতবাড়ির আঙিনায় ১২ ফুট উচ্চতার ৫ কেজি ওজনের গাঁজার গাছসহ মাহবুবুর রহমান (৪৫) নামে এক যুবদল নেতাকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। রোববার (১ মার্চ) রাত সাড়ে ৯টার দিকে উপজেলার চালিতাডাঙ্গা দক্ষিণপাড়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেফতার করা হয়।
মাহবুবুর রহমান ওই গ্রামের মৃত মজিবুর রহমানের ছেলে ও উপজেলা উপজেলা যুবদলের সাবেক প্রচার সম্পাদক। বর্তমানে তিনি স্থানীয় একটি কারিগরি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে সিনিয়র ইনস্ট্রাক্টর পদে কর্মরত রয়েছেন বলে জানা গেছে। কাজীপুর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) আবু সাইদ এ তথ্য নিশ্চিত করেন।
তিনি জানান, বাড়ির আঙিনায় গাঁজার চাষ করা করা হয় এমন এক গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেফতার করা হয়। ১২ ফুট উচ্চতার ৫ কেজি ওজনের গাঁজার গাছটি মাহবুবুর রহমান পরিচর্যার মাধ্যমে বড় করেছেন।
তিনি আরও বলেন, অপরাধ স্বীকার করায় নিয়মিত মামলায় সোমবার সকালে তাকে আদালতে পাঠানো হয়েছে। অভিযানকালে জেলা মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক নজরুল ইসলাম ও পরিদর্শক নিজাম উদ্দিন খান উপস্থিত ছিলেন।
যশোর শহরের শংকরপুরে বিএনপি নেতা আলমগীর হোসেন হত্যা মামলার চাঞ্চল্যকর রহস্য উন্মোচন করেছে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)।
হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগে ১৭ মামলার আসামি মনিরুল ইসলামকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। রোববার (১ মার্চ) সন্ধ্যায় আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন তিনি।
ডিবি সূত্র জানায়, শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) রাতে শহরতলীর ঝুমঝুমপুরের মাস্টারপাড়া এলাকা থেকে মনিরুলকে গ্রেপ্তার করা হয়। তিনি শহরের ষষ্ঠীতলাপাড়ার আব্দুল খালেকের ছেলে।
যশোর সদর আমলি আদালতের বিচারক জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট সাকিব আহম্মেদ ইমন তার জবানবন্দি গ্রহণ করে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ডিবির উপপরিদর্শক (এসআই) অলক কুমার দে জানান, মনিরুলের বিরুদ্ধে হত্যা ও অস্ত্রসহ ১৭টি মামলা রয়েছে। আদালতে তিনি বিএনপি নেতা আলমগীর হোসেন হত্যায় জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছেন।
স্বীকারোক্তিতে উঠে এসেছে, হত্যার মূল পরিকল্পনাকারী ছিলেন নিহতের জামাই পরশ। শ্বশুরকে হত্যার জন্য ১৫ লাখ টাকার চুক্তি করেন তিনি। ঘটনার দিন মিশনে অংশ নেওয়া ব্যক্তিদের ৫ লাখ টাকা দেওয়ার কথা ছিল। বিকেলে শুটার ত্রিদিব ওরফে মিশুকের হাতে এক লাখ টাকা ও একটি পিস্তল তুলে দেন পরশ।
হত্যার পর বাকি ৪ লাখ টাকা শংকরপুরের প্রিন্সের কাছ থেকে ধার নিয়ে দেওয়ার কথা ছিল। অবশিষ্ট ১০ লাখ টাকা পরে পরিশোধের আশ্বাস দেন তিনি। হত্যামিশনে অংশ নেয় ১০ থেকে ১২ জন।
পরিকল্পনা অনুযায়ী তিনটি মোটরসাইকেলে ভাগ হয়ে অভিযানে নামে হামলাকারীরা। প্রথম মোটরসাইকেলে ছিল অমিত ও শুটার মিশুক। দ্বিতীয়টিতে আরও দুজন এবং তৃতীয়টিতে তিনজন।
গত ৩ জানুয়ারি সন্ধ্যা ছয়টার দিকে আলমগীর হোসেন শংকরপুর বটতলা হয়ে ইসহাক সড়কে প্রবেশ করলে তিনটি মোটরসাইকেল তাকে অনুসরণ করে। ইসহাক সড়কে একটি দোকানে কিছুক্ষণ থামলে তারাও অবস্থান নেয়।
সাবেক কাউন্সিলার নয়নের অফিসের কাছে পৌঁছালে চলন্ত মোটরসাইকেল থেকে গুলি করে মিশুক। এরপর দুই মোটরসাইকেলে চারজন দ্রুত গোলপাতা মসজিদের দিকে পালিয়ে যায়। অপর মোটরসাইকেলটি বটতলার দিকে ঘুরে যায়।
হত্যাকাণ্ডের পরপরই পুলিশ অভিযান চালিয়ে নিহতের জামাই পরশ ও তার সহযোগী সাগরকে আটক করে। তাদের তথ্যের ভিত্তিতে বেজপাড়ার ত্রিদিব ওরফে মিশুককে গ্রেপ্তার করা হয়। মিশুকের স্বীকারোক্তিতে রায়পাড়া তুলোতলা এলাকার শাহীন কাজীকে আটক করা হয়।
শাহীন কাজীর জবানবন্দিতে উঠে আসে মনিরুলের নাম। সেই সূত্র ধরেই তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। আটক পাঁচজনের মধ্যে তিনজন আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন।
নিহত আলমগীর হোসেন যশোর শহরের শংকরপুর এলাকার ইসহাক সড়কের বাসিন্দা। ঘটনার পর তার স্ত্রী শামীমা বাদী হয়ে কোতোয়ালি থানায় জামাই পরশ, সাগরসহ অজ্ঞাত ব্যক্তিদের আসামি করে হত্যা মামলা করেন।
তদন্ত সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, হত্যায় ব্যবহৃত মোটরসাইকেলও উদ্ধার করা হয়েছে। মোটরসাইকেলের নম্বর প্লেটে লেখা ছিল— ‘হাদি ইজ নট নেম, হাদি মিনস বাংলাদেশ’। চাঞ্চল্যকর এই হত্যাকাণ্ডে জড়িত অন্যদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে বলে জানিয়েছে ডিবি পুলিশ।
যশোর শহরের শংকরপুরে বিএনপি নেতা আলমগীর হোসেন হত্যা মামলার চাঞ্চল্যকর রহস্য উন্মোচন করেছে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)।
হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগে ১৭ মামলার আসামি মনিরুল ইসলামকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। রোববার (১ মার্চ) সন্ধ্যায় আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন তিনি।
ডিবি সূত্র জানায়, শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) রাতে শহরতলীর ঝুমঝুমপুরের মাস্টারপাড়া এলাকা থেকে মনিরুলকে গ্রেপ্তার করা হয়। তিনি শহরের ষষ্ঠীতলাপাড়ার আব্দুল খালেকের ছেলে।
যশোর সদর আমলি আদালতের বিচারক জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট সাকিব আহম্মেদ ইমন তার জবানবন্দি গ্রহণ করে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ডিবির উপপরিদর্শক (এসআই) অলক কুমার দে জানান, মনিরুলের বিরুদ্ধে হত্যা ও অস্ত্রসহ ১৭টি মামলা রয়েছে। আদালতে তিনি বিএনপি নেতা আলমগীর হোসেন হত্যায় জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছেন।
স্বীকারোক্তিতে উঠে এসেছে, হত্যার মূল পরিকল্পনাকারী ছিলেন নিহতের জামাই পরশ। শ্বশুরকে হত্যার জন্য ১৫ লাখ টাকার চুক্তি করেন তিনি। ঘটনার দিন মিশনে অংশ নেওয়া ব্যক্তিদের ৫ লাখ টাকা দেওয়ার কথা ছিল। বিকেলে শুটার ত্রিদিব ওরফে মিশুকের হাতে এক লাখ টাকা ও একটি পিস্তল তুলে দেন পরশ।
হত্যার পর বাকি ৪ লাখ টাকা শংকরপুরের প্রিন্সের কাছ থেকে ধার নিয়ে দেওয়ার কথা ছিল। অবশিষ্ট ১০ লাখ টাকা পরে পরিশোধের আশ্বাস দেন তিনি। হত্যামিশনে অংশ নেয় ১০ থেকে ১২ জন।
পরিকল্পনা অনুযায়ী তিনটি মোটরসাইকেলে ভাগ হয়ে অভিযানে নামে হামলাকারীরা। প্রথম মোটরসাইকেলে ছিল অমিত ও শুটার মিশুক। দ্বিতীয়টিতে আরও দুজন এবং তৃতীয়টিতে তিনজন।
গত ৩ জানুয়ারি সন্ধ্যা ছয়টার দিকে আলমগীর হোসেন শংকরপুর বটতলা হয়ে ইসহাক সড়কে প্রবেশ করলে তিনটি মোটরসাইকেল তাকে অনুসরণ করে। ইসহাক সড়কে একটি দোকানে কিছুক্ষণ থামলে তারাও অবস্থান নেয়।
সাবেক কাউন্সিলার নয়নের অফিসের কাছে পৌঁছালে চলন্ত মোটরসাইকেল থেকে গুলি করে মিশুক। এরপর দুই মোটরসাইকেলে চারজন দ্রুত গোলপাতা মসজিদের দিকে পালিয়ে যায়। অপর মোটরসাইকেলটি বটতলার দিকে ঘুরে যায়।
হত্যাকাণ্ডের পরপরই পুলিশ অভিযান চালিয়ে নিহতের জামাই পরশ ও তার সহযোগী সাগরকে আটক করে। তাদের তথ্যের ভিত্তিতে বেজপাড়ার ত্রিদিব ওরফে মিশুককে গ্রেপ্তার করা হয়। মিশুকের স্বীকারোক্তিতে রায়পাড়া তুলোতলা এলাকার শাহীন কাজীকে আটক করা হয়।
শাহীন কাজীর জবানবন্দিতে উঠে আসে মনিরুলের নাম। সেই সূত্র ধরেই তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। আটক পাঁচজনের মধ্যে তিনজন আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন।
নিহত আলমগীর হোসেন যশোর শহরের শংকরপুর এলাকার ইসহাক সড়কের বাসিন্দা। ঘটনার পর তার স্ত্রী শামীমা বাদী হয়ে কোতোয়ালি থানায় জামাই পরশ, সাগরসহ অজ্ঞাত ব্যক্তিদের আসামি করে হত্যা মামলা করেন।
তদন্ত সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, হত্যায় ব্যবহৃত মোটরসাইকেলও উদ্ধার করা হয়েছে। মোটরসাইকেলের নম্বর প্লেটে লেখা ছিল— ‘হাদি ইজ নট নেম, হাদি মিনস বাংলাদেশ’। চাঞ্চল্যকর এই হত্যাকাণ্ডে জড়িত অন্যদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে বলে জানিয়েছে ডিবি পুলিশ।
৩৫ বাংলাদেশিসহ ২৪৫ প্রবাসীকে নিজ দেশে ফেরত পাঠিয়েছে মালয়েশিয়া। সোমবার (২ মার্চ) দেশটির ইমিগ্রেশন বিভাগ এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, গত ফেব্রুয়ারির শেষ সপ্তাহে ইমিগ্রেশন জোহর রাজ্য শাখার অধীনে পরিচালিত পাইনঅ্যাপল টাউন ইমিগ্রেশন ডিপো থেকে বিভিন্ন দেশের ২৪৫ জন বন্দিকে নিজ নিজ দেশে পাঠানো হয়েছে।
ফেরত পাঠানোদের মধ্যে রয়েছেন ৮২ জন মিয়ানমার, ৬৮ জন ইন্দোনেশিয়া, ৩৫ জন বাংলাদেশি, ২৬ জন পাকিস্তানি, ২৩ জন ভারতীয় নাগরিক। এছাড়া ২ জন করে নাইজেরিয়া, ভিয়েতনাম ও থাইল্যান্ডের নাগরিক এবং নেপাল, সিরিয়া, ফিলিপাইন, কম্বোডিয়া ও কঙ্গোর একজন করে নাগরিক রয়েছেন।
সব বন্দিকে কুয়ালালামপুর আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর টার্মিনাল ১ ও ২ (কেএলআইএ ১ ও ২) এবং স্টুলাং লাউত ফেরি টার্মিনালের মাধ্যমে নিজ দেশে পাঠানো হয়েছে। সংশ্লিষ্ট সবাই বৈধ পাসপোর্টধারী ছিলেন। যাদের পাসপোর্ট ছিল না, তাদের নিজ নিজ দূতাবাসের মাধ্যমে অস্থায়ী ভ্রমণ নথি বা ‘ইমার্জেন্সি ট্রাভেল ডকুমেন্ট’ ইস্যু করা হয়।
প্রত্যাবর্তন সংক্রান্ত বিমান টিকিটের ব্যয় বন্দিদের ব্যক্তিগত সঞ্চয়, পরিবারের আর্থিক সহায়তা এবং কিছু ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট দূতাবাস বহন করেছে।
ইমিগ্রেশন বিভাগ জানিয়েছে, প্রত্যাবাসিত সব ব্যক্তিকে বিভাগের সিস্টেমে কালো তালিকাভুক্ত (ব্ল্যাকলিস্ট) করা হয়েছে। নির্ধারিত সময়সীমার মধ্যে তারা আর কোনো উদ্দেশ্যে মালয়েশিয়ায় প্রবেশ করতে পারবেন না।
বিভাগের পক্ষ থেকে জানানো হয়, সাজা সম্পন্ন করার পরও যেন কোনো বন্দি দেশে অবৈধভাবে অবস্থান করতে না পারে, সে লক্ষ্যেই নিয়মিতভাবে এই প্রত্যাবর্তন কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। এটি পাইনঅ্যাপল টাউন ইমিগ্রেশন ডিটেনশন ডিপোর প্রধান কার্যক্রমগুলোর একটি।
প্রত্যাবাসন সংক্রান্ত যাবতীয় কার্যক্রম—যেমন টিকিট ক্রয় ও অন্যান্য আনুষঙ্গিক বিষয়—পাইনঅ্যাপল টাউন ইমিগ্রেশন ডিপোতে স্থাপিত সেবা কাউন্টারে সম্পন্ন করা যাবে বলেও বিবৃতিতে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট বিভাগ।
বরিশাল টাইমস
০২ মার্চ, ২০২৬ ২৩:২০
০২ মার্চ, ২০২৬ ২৩:০৮
০২ মার্চ, ২০২৬ ২১:৩৯
০২ মার্চ, ২০২৬ ২১:৩৫