
১৪ এপ্রিল, ২০২৬ ১৩:১৪
টাঙ্গাইলে কৃষক কার্ডের উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে শহীদ মারুফ স্টেডিয়ামে প্রধান অতিথি হিসেবে তিনি কৃষক কার্ড বিতরণ ও প্রি-পাইলটিং কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন তিনি। এসময় ১৫ জন কৃষককে নিজ হাতে প্রধানমন্ত্রী কৃষক কার্ড বিতরণ করেন ও গাছের চারা তুলে দেন।
প্রধানমন্ত্রী ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে আরো ৯ উপজেলায় কৃষক কার্ডের উদ্বোধন করেন। কৃষি, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদের সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতানা সালাউদ্দিন টুকু, প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা রুহুল কবির রিজভী৷
এতে স্বাগত বক্তব্য রাখেন কৃষি সচিব রফিকুল ই মোহামেদ। এছাড়া একজন কৃষক ও কৃষানি বক্তব্য রাখেন। এর আগে মঙ্গলবার সকাল ১১টা ২০ মিনিটে প্রধানমন্ত্রী সড়কপথে শহীদ মারুফ স্টেডিয়ামে পৌঁছান৷
এসময় বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তা, প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, সংসদ সদস্য, কৃষক ও বিভিন্ন শ্রেণিপেশার মানুষ উপস্থিত ছিলেন। প্রথম পর্যায়ে টাঙ্গাইল সদর উপজেলায় ১ হাজার ৪৫৩ জন কৃষক এই কার্ডের সুবিধা পাবেন।
এই কার্ডের মাধ্যমে বছরে আড়াই হাজার টাকা, কৃষকদের পরিচিতি, ভর্তুকি, ঋণ, বীজ ও সারসহ ১০ ধরনের সুবিধা পাবেন কৃষকরা। এর ফলে কৃষি সহায়তা বিতরণে মধ্যস্বত্বভোগীদের দৌরাত্ম্য কমবে এবং প্রকৃত কৃষকদের কাছে সরাসরি সরকারি সুবিধা পৌঁছানো নিশ্চিত হবে।
ফলে ফসলের উৎপাদন বৃদ্ধির পাশাপাশি অধিক লাভের আশা করছেন কৃষকরা। তাদের দাবি, মাঠ পর্যায়ে প্রকৃত কৃষকদের মাঝে কার্ড বিতরণ করলে উপকৃত হবে কৃষকরা। আর কৃষি কর্মকর্তা বলছেন, এই কার্ডের আওতায় ভর্তুকিসহ সরকারের অন্তত ১০টি সুবিধা পাবে কৃষকরা। প্রধানমন্ত্রী দুপুরে শহরের পৌর উদ্যানে আয়োজিত কৃষি মেলায় উদ্বোধন করবেন।
টাঙ্গাইলে কৃষক কার্ডের উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে শহীদ মারুফ স্টেডিয়ামে প্রধান অতিথি হিসেবে তিনি কৃষক কার্ড বিতরণ ও প্রি-পাইলটিং কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন তিনি। এসময় ১৫ জন কৃষককে নিজ হাতে প্রধানমন্ত্রী কৃষক কার্ড বিতরণ করেন ও গাছের চারা তুলে দেন।
প্রধানমন্ত্রী ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে আরো ৯ উপজেলায় কৃষক কার্ডের উদ্বোধন করেন। কৃষি, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদের সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতানা সালাউদ্দিন টুকু, প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা রুহুল কবির রিজভী৷
এতে স্বাগত বক্তব্য রাখেন কৃষি সচিব রফিকুল ই মোহামেদ। এছাড়া একজন কৃষক ও কৃষানি বক্তব্য রাখেন। এর আগে মঙ্গলবার সকাল ১১টা ২০ মিনিটে প্রধানমন্ত্রী সড়কপথে শহীদ মারুফ স্টেডিয়ামে পৌঁছান৷
এসময় বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তা, প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, সংসদ সদস্য, কৃষক ও বিভিন্ন শ্রেণিপেশার মানুষ উপস্থিত ছিলেন। প্রথম পর্যায়ে টাঙ্গাইল সদর উপজেলায় ১ হাজার ৪৫৩ জন কৃষক এই কার্ডের সুবিধা পাবেন।
এই কার্ডের মাধ্যমে বছরে আড়াই হাজার টাকা, কৃষকদের পরিচিতি, ভর্তুকি, ঋণ, বীজ ও সারসহ ১০ ধরনের সুবিধা পাবেন কৃষকরা। এর ফলে কৃষি সহায়তা বিতরণে মধ্যস্বত্বভোগীদের দৌরাত্ম্য কমবে এবং প্রকৃত কৃষকদের কাছে সরাসরি সরকারি সুবিধা পৌঁছানো নিশ্চিত হবে।
ফলে ফসলের উৎপাদন বৃদ্ধির পাশাপাশি অধিক লাভের আশা করছেন কৃষকরা। তাদের দাবি, মাঠ পর্যায়ে প্রকৃত কৃষকদের মাঝে কার্ড বিতরণ করলে উপকৃত হবে কৃষকরা। আর কৃষি কর্মকর্তা বলছেন, এই কার্ডের আওতায় ভর্তুকিসহ সরকারের অন্তত ১০টি সুবিধা পাবে কৃষকরা। প্রধানমন্ত্রী দুপুরে শহরের পৌর উদ্যানে আয়োজিত কৃষি মেলায় উদ্বোধন করবেন।

১৪ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:৫৫
কুষ্টিয়ার দৌলতপুরে ‘পীর’ শামীম রেজা (এনআইডি নাম : আব্দুর রহমান) হত্যাকাণ্ডের তিনদিন পর অবশেষে মামলা দায়ের হয়েছে। সোমবার রাত সাড়ে ১১টার দিকে নিহতের বড় ভাই ফজলুর রহমান সান্টু বাদী হয়ে দৌলতপুর থানায় এই মামলা করেন।
মামলায় রাজিব মিস্ত্রি (৩২) নামে এক যুবককে প্রধান আসামি করে অজ্ঞাতনামা আরও ১৮০ থেকে ২০০ জনকে আসামি করা হয়েছে। রাজিব ওই এলাকার গাজী মিস্ত্রির ছেলে এবং স্থানীয়ভাবে জামায়াতের কর্মী হিসেবে পরিচিত। শুরুতে নিরাপত্তার আশঙ্কায় নিহতের পরিবার মামলা করতে দ্বিধাবোধ করলেও, পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের আশ্বাসের পরিপ্রেক্ষিতে তারা আইনি পদক্ষেপ নেন।
গত শনিবার দুপুরে ‘কোরআন অবমাননার’ অভিযোগ তুলে রাজিবসহ কয়েকজনের নেতৃত্বে শতাধিক উচ্ছৃঙ্খল জনতা শামীম রেজার দরবারে হামলা চালায়। হামলাকারীরা তাকে কক্ষ থেকে টেনেহিঁচড়ে বের করে ধারালো অস্ত্র ও লাঠি দিয়ে পিটিয়ে ও কুপিয়ে হত্যা করে এবং পরে দোতলা থেকে নিচে ফেলে দেয়। এরপর তারা দরবারে ব্যাপক ভাঙচুর, অগ্নিসংযোগ ও লুটপাট চালায়।
পুলিশ ও গোয়েন্দা সূত্রে জানা গেছে, এ হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় অন্তত ১৯ জনকে শনাক্ত করা হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিও ফুটেজ বিশ্লেষণ করে হামলাকারীদের চিহ্নিত করা হচ্ছে। পুলিশের একাধিক সূত্র নিশ্চিত করেছে যে, এ ঘটনায় অন্তত দুটি রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মীদের সম্পৃক্ততা পাওয়া গেছে।
এ বিষয়ে জেলা জামায়াতের সেক্রেটারি সুজা উদ্দীন জোয়ার্দ্দার দাবি করেন, এটি এলাকাবাসীর ক্ষোভের বহিঃপ্রকাশ হতে পারে এবং এতে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের লোক থাকতে পারে।
অন্যদিকে দৌলতপুর উপজেলা জামায়াতের কর্মপরিষদের সদস্য খাজা আহম্মেদ জানান, প্রধান আসামি রাজিবের সঙ্গে তার ব্যক্তিগত কোনো ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক নেই।
দৌলতপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আরিফুর রহমান জানান, মামলার প্রধান আসামি রাজিবসহ শতাধিক ব্যক্তিকে চিহ্নিত করা হয়েছে। কুষ্টিয়ার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ভেড়ামারা সার্কেল) দেলোয়ার হোসেন বলেন, ঘটনায় জড়িতদের গ্রেপ্তারে পুলিশ সাঁড়াশি অভিযান শুরু করেছে। খুব দ্রুতই আসামিদের আইনের আওতায় আনা হবে।
এখন পর্যন্ত এই মামলায় কাউকে গ্রেপ্তার করা সম্ভব না হলেও, ঘটনার মূল রহস্য উন্মোচন ও জড়িতদের ধরতে পুলিশি তৎপরতা জোরদার করা হয়েছে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।
কুষ্টিয়ার দৌলতপুরে ‘পীর’ শামীম রেজা (এনআইডি নাম : আব্দুর রহমান) হত্যাকাণ্ডের তিনদিন পর অবশেষে মামলা দায়ের হয়েছে। সোমবার রাত সাড়ে ১১টার দিকে নিহতের বড় ভাই ফজলুর রহমান সান্টু বাদী হয়ে দৌলতপুর থানায় এই মামলা করেন।
মামলায় রাজিব মিস্ত্রি (৩২) নামে এক যুবককে প্রধান আসামি করে অজ্ঞাতনামা আরও ১৮০ থেকে ২০০ জনকে আসামি করা হয়েছে। রাজিব ওই এলাকার গাজী মিস্ত্রির ছেলে এবং স্থানীয়ভাবে জামায়াতের কর্মী হিসেবে পরিচিত। শুরুতে নিরাপত্তার আশঙ্কায় নিহতের পরিবার মামলা করতে দ্বিধাবোধ করলেও, পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের আশ্বাসের পরিপ্রেক্ষিতে তারা আইনি পদক্ষেপ নেন।
গত শনিবার দুপুরে ‘কোরআন অবমাননার’ অভিযোগ তুলে রাজিবসহ কয়েকজনের নেতৃত্বে শতাধিক উচ্ছৃঙ্খল জনতা শামীম রেজার দরবারে হামলা চালায়। হামলাকারীরা তাকে কক্ষ থেকে টেনেহিঁচড়ে বের করে ধারালো অস্ত্র ও লাঠি দিয়ে পিটিয়ে ও কুপিয়ে হত্যা করে এবং পরে দোতলা থেকে নিচে ফেলে দেয়। এরপর তারা দরবারে ব্যাপক ভাঙচুর, অগ্নিসংযোগ ও লুটপাট চালায়।
পুলিশ ও গোয়েন্দা সূত্রে জানা গেছে, এ হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় অন্তত ১৯ জনকে শনাক্ত করা হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিও ফুটেজ বিশ্লেষণ করে হামলাকারীদের চিহ্নিত করা হচ্ছে। পুলিশের একাধিক সূত্র নিশ্চিত করেছে যে, এ ঘটনায় অন্তত দুটি রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মীদের সম্পৃক্ততা পাওয়া গেছে।
এ বিষয়ে জেলা জামায়াতের সেক্রেটারি সুজা উদ্দীন জোয়ার্দ্দার দাবি করেন, এটি এলাকাবাসীর ক্ষোভের বহিঃপ্রকাশ হতে পারে এবং এতে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের লোক থাকতে পারে।
অন্যদিকে দৌলতপুর উপজেলা জামায়াতের কর্মপরিষদের সদস্য খাজা আহম্মেদ জানান, প্রধান আসামি রাজিবের সঙ্গে তার ব্যক্তিগত কোনো ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক নেই।
দৌলতপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আরিফুর রহমান জানান, মামলার প্রধান আসামি রাজিবসহ শতাধিক ব্যক্তিকে চিহ্নিত করা হয়েছে। কুষ্টিয়ার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ভেড়ামারা সার্কেল) দেলোয়ার হোসেন বলেন, ঘটনায় জড়িতদের গ্রেপ্তারে পুলিশ সাঁড়াশি অভিযান শুরু করেছে। খুব দ্রুতই আসামিদের আইনের আওতায় আনা হবে।
এখন পর্যন্ত এই মামলায় কাউকে গ্রেপ্তার করা সম্ভব না হলেও, ঘটনার মূল রহস্য উন্মোচন ও জড়িতদের ধরতে পুলিশি তৎপরতা জোরদার করা হয়েছে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।

১৪ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:২৮
বঙ্গোপসাগরে বাংলাদেশের জলসীমায় সব ধরনের মাছ ধরার ওপর ৫৮ দিনের সরকারি নিষেধাজ্ঞা শুরু হচ্ছে মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল) দিনগত মধ্যরাত থেকে। এ নিষেধাজ্ঞা চলবে আগামী ১১ জুন মধ্যরাত পর্যন্ত। সামুদ্রিক মৎস্য সংরক্ষণ ও টেকসই আহরণ নিশ্চিত করতে এ সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার।
ভোলা জেলার বঙ্গোপসাগর উপকূলীয় অঞ্চলে এ নিষেধাজ্ঞার প্রভাব সবচেয়ে বেশি পড়বে বলে জানা গেছে। জেলা মৎস্য বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, ভোলার সাত উপজেলায় নিবন্ধিত সাগরগামী জেলের সংখ্যা ৬৩ হাজার ৯৫৪ জন। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি জেলে চরফ্যাশন উপজেলায়।
নিষেধাজ্ঞার ফলে উপার্জনের পথ বন্ধ হয়ে ভোলার প্রায় ৬৫ হাজার জেলে কর্মহীন হয়ে পড়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। অনেক জেলে আগেই জাল ও ট্রলার তীরে তুলে মেরামতের কাজ শুরু করেছেন।
সরেজমিনে ভোলার বিভিন্ন ঘাট এলাকায় দেখা গেছে, নিষেধাজ্ঞার খবর পেয়ে জেলেরা দলে দলে সাগর থেকে ফিরে আসছেন। কেউ কেউ আবার নৌযান নিরাপদ স্থানে রেখে প্রস্তুতি নিচ্ছেন।
জেলেরা জানান, নিষেধাজ্ঞা মেনে আগেভাগেই তারা ফিরে এসেছেন। তবে দীর্ঘ ৫৮ দিন কাজ বন্ধ থাকায় পরিবার নিয়ে চরম কষ্টে দিন কাটাতে হবে বলে আশঙ্কা করছেন তারা। সরকারি সহায়তা হিসেবে দ্রুত ভিজিএফ চাল বিতরণ ও এনজিও ঋণের কিস্তি স্থগিতের দাবি জানিয়েছেন জেলেরা।
একই সঙ্গে তারা অভিযোগ করে বলেন, নিষেধাজ্ঞার সময় বাংলাদেশের জলসীমায় বিদেশি জেলেরা অবৈধভাবে মাছ শিকার করে। এতে দেশীয় জেলেরা ক্ষতিগ্রস্ত হন।
ভোলা জেলা মৎস্য কর্মকর্তা মোহাম্মদ ইকবাল হোসেন বলেন, নিষেধাজ্ঞা বাস্তবায়নে সব ধরনের প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। জেলেদের সচেতন করতে সভা ও প্রচার কার্যক্রম চালানো হয়েছে। নিষেধাজ্ঞার শুরুতেই প্রতিজন জেলেকে ৭৭ কেজি করে ভিজিএফ চাল বিতরণ করা হবে বলেও জানান তিনি।
জেলেরা সরকারের কাছে দাবি জানিয়েছেন, নিষেধাজ্ঞা কার্যকালে কঠোর নজরদারির মাধ্যমে জলসীমায় বিদেশি অনুপ্রবেশ বন্ধ করতে হবে এবং দ্রুত খাদ্য সহায়তা নিশ্চিত করতে হবে।
বঙ্গোপসাগরে বাংলাদেশের জলসীমায় সব ধরনের মাছ ধরার ওপর ৫৮ দিনের সরকারি নিষেধাজ্ঞা শুরু হচ্ছে মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল) দিনগত মধ্যরাত থেকে। এ নিষেধাজ্ঞা চলবে আগামী ১১ জুন মধ্যরাত পর্যন্ত। সামুদ্রিক মৎস্য সংরক্ষণ ও টেকসই আহরণ নিশ্চিত করতে এ সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার।
ভোলা জেলার বঙ্গোপসাগর উপকূলীয় অঞ্চলে এ নিষেধাজ্ঞার প্রভাব সবচেয়ে বেশি পড়বে বলে জানা গেছে। জেলা মৎস্য বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, ভোলার সাত উপজেলায় নিবন্ধিত সাগরগামী জেলের সংখ্যা ৬৩ হাজার ৯৫৪ জন। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি জেলে চরফ্যাশন উপজেলায়।
নিষেধাজ্ঞার ফলে উপার্জনের পথ বন্ধ হয়ে ভোলার প্রায় ৬৫ হাজার জেলে কর্মহীন হয়ে পড়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। অনেক জেলে আগেই জাল ও ট্রলার তীরে তুলে মেরামতের কাজ শুরু করেছেন।
সরেজমিনে ভোলার বিভিন্ন ঘাট এলাকায় দেখা গেছে, নিষেধাজ্ঞার খবর পেয়ে জেলেরা দলে দলে সাগর থেকে ফিরে আসছেন। কেউ কেউ আবার নৌযান নিরাপদ স্থানে রেখে প্রস্তুতি নিচ্ছেন।
জেলেরা জানান, নিষেধাজ্ঞা মেনে আগেভাগেই তারা ফিরে এসেছেন। তবে দীর্ঘ ৫৮ দিন কাজ বন্ধ থাকায় পরিবার নিয়ে চরম কষ্টে দিন কাটাতে হবে বলে আশঙ্কা করছেন তারা। সরকারি সহায়তা হিসেবে দ্রুত ভিজিএফ চাল বিতরণ ও এনজিও ঋণের কিস্তি স্থগিতের দাবি জানিয়েছেন জেলেরা।
একই সঙ্গে তারা অভিযোগ করে বলেন, নিষেধাজ্ঞার সময় বাংলাদেশের জলসীমায় বিদেশি জেলেরা অবৈধভাবে মাছ শিকার করে। এতে দেশীয় জেলেরা ক্ষতিগ্রস্ত হন।
ভোলা জেলা মৎস্য কর্মকর্তা মোহাম্মদ ইকবাল হোসেন বলেন, নিষেধাজ্ঞা বাস্তবায়নে সব ধরনের প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। জেলেদের সচেতন করতে সভা ও প্রচার কার্যক্রম চালানো হয়েছে। নিষেধাজ্ঞার শুরুতেই প্রতিজন জেলেকে ৭৭ কেজি করে ভিজিএফ চাল বিতরণ করা হবে বলেও জানান তিনি।
জেলেরা সরকারের কাছে দাবি জানিয়েছেন, নিষেধাজ্ঞা কার্যকালে কঠোর নজরদারির মাধ্যমে জলসীমায় বিদেশি অনুপ্রবেশ বন্ধ করতে হবে এবং দ্রুত খাদ্য সহায়তা নিশ্চিত করতে হবে।

১৪ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০১
ঝিনাইদহের শৈলকুপায় জ্বরের ওষুধ খাওয়াতে গিয়ে গলায় ট্যাবলেট আটকে বায়েজিদ (৪) নামে এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে। সোমবার (১৩ এপ্রিল) রাতে উপজেলার মৌকুড়ী গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। মৃত বায়েজিদ ওই গ্রামের শ্রমজীবী মহব্বত আলীর ছেলে।
পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, কয়েক দিন ধরে বায়েজিদ জ্বরে ভুগছিল। শিশুটির বাবা কাজের সন্ধানে বাইরে থাকায় মা একাই তাকে দেখাশোনা করছিলেন। সোমবার রাত ১০টার দিকে জ্বরের তীব্রতা কমাতে মা বায়েজিদকে অর্ধেক নাপা ট্যাবলেট খাওয়ানোর চেষ্টা করেন।
ট্যাবলেটটি খাওয়াতে গেলে সেটি অসাবধানতাবশত শিশুর গলায় আটকে যায়। এতে দ্রুত শিশুটির শ্বাসকষ্ট শুরু হলে পরিবারের সদস্যরা তাকে দ্রুত উদ্ধার করে শৈলকুপা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসেন।
উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের দায়িত্বরত মেডিকেল অফিসার ডা. এহতেশাম শহীদ জানান, স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে আনার আগেই শিশুটির মৃত্যু হয়েছে। তিনি বলেন, গলায় কিছু আটকে গেলে সাধারণত শ্বাস-প্রশ্বাস বন্ধ হয়ে যায় এবং ৫ মিনিটের বেশি বেঁচে থাকা কঠিন। সচেতনতার অভাবে এমন দুর্ভাগ্যজনক ঘটনা ঘটেছে।
শিশুদের জ্বরের জন্য ট্যাবলেট না খাইয়ে চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী সবসময় তরলজাতীয় ওষুধ (সিরাপ) সেবন করা উচিত। শৈলকুপা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হুমায়ুন কবির মোল্লা ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, বিষয়টি আমরা অবগত হয়েছি।
ঝিনাইদহের শৈলকুপায় জ্বরের ওষুধ খাওয়াতে গিয়ে গলায় ট্যাবলেট আটকে বায়েজিদ (৪) নামে এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে। সোমবার (১৩ এপ্রিল) রাতে উপজেলার মৌকুড়ী গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। মৃত বায়েজিদ ওই গ্রামের শ্রমজীবী মহব্বত আলীর ছেলে।
পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, কয়েক দিন ধরে বায়েজিদ জ্বরে ভুগছিল। শিশুটির বাবা কাজের সন্ধানে বাইরে থাকায় মা একাই তাকে দেখাশোনা করছিলেন। সোমবার রাত ১০টার দিকে জ্বরের তীব্রতা কমাতে মা বায়েজিদকে অর্ধেক নাপা ট্যাবলেট খাওয়ানোর চেষ্টা করেন।
ট্যাবলেটটি খাওয়াতে গেলে সেটি অসাবধানতাবশত শিশুর গলায় আটকে যায়। এতে দ্রুত শিশুটির শ্বাসকষ্ট শুরু হলে পরিবারের সদস্যরা তাকে দ্রুত উদ্ধার করে শৈলকুপা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসেন।
উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের দায়িত্বরত মেডিকেল অফিসার ডা. এহতেশাম শহীদ জানান, স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে আনার আগেই শিশুটির মৃত্যু হয়েছে। তিনি বলেন, গলায় কিছু আটকে গেলে সাধারণত শ্বাস-প্রশ্বাস বন্ধ হয়ে যায় এবং ৫ মিনিটের বেশি বেঁচে থাকা কঠিন। সচেতনতার অভাবে এমন দুর্ভাগ্যজনক ঘটনা ঘটেছে।
শিশুদের জ্বরের জন্য ট্যাবলেট না খাইয়ে চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী সবসময় তরলজাতীয় ওষুধ (সিরাপ) সেবন করা উচিত। শৈলকুপা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হুমায়ুন কবির মোল্লা ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, বিষয়টি আমরা অবগত হয়েছি।
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
১৪ এপ্রিল, ২০২৬ ১৭:০৫
১৪ এপ্রিল, ২০২৬ ১৬:৩০
১৪ এপ্রিল, ২০২৬ ১৬:১০
১৪ এপ্রিল, ২০২৬ ১৩:৩৫