
১১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১২:৪৫
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনী প্রচারণার ব্যানার চুরি ও ছিঁড়ে ফেলার ঘটনা রোধে ব্যানারের ওপর সিসি ক্যামেরা স্থাপন করেছেন নোয়াখালী-১ (চাটখিল-সোনাইমুড়ী) আসনের জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী অধ্যক্ষ মওলানা মো. ছাইফ উল্লাহসহ তার দলের কর্মীরা। সম্প্রতি এমন একটি ছবি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়লে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা ও সমালোচনা শুরু হয়।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, নোয়াখালীর সোনাইমুড়ী উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়ন-ওয়ার্ডগুলোতে জামায়েতের নির্বাচনী প্রচারণার ব্যানার ও পোস্টার চুরি এবং ছিঁড়ে ফেলা হচ্ছে, তারই প্রেক্ষিতে একাধিকবার প্রশাসনকে জানানোর পরও এ বিষয়ে কোনো কার্যকর ব্যবস্থা নিতে পারেনি প্রশাসন। এমন পরিস্থিতিতে বাধ্য হয়েই জামায়াতের কর্মীরা তাদের নিজ উদ্যোগে ব্যানারের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সিসি ক্যামেরা স্থাপন করে।
সরেজমিনে দেখা যায়, সোনাইমুড়ী উপজেলার দেওটি ইউনিয়নের ৪নং ওয়ার্ডে অবস্থিত আমিরাবাদ উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রের সামনে নির্বাচনী ব্যানার থেকে ৫০ গজ দূরে দোকান ঘরের পাশে একটি সিসি ক্যামেরা স্থাপন করে রাখা হয়েছে, আরেকটি সিসি ক্যামেরা সরাসরি ব্যানারের উপরে সংযোজন করা হয়েছে।
নোয়াখালী জেলা উত্তর ছাত্রশিবিরের সাধারণ সম্পাদক মুজাহিদুল ইসলাম সাংবাদিকদের বলেন, নির্বাচনী পরিবেশ শান্তিপূর্ণ রাখতে এবং প্রচারণার স্বাভাবিক কার্যক্রম বজায় রাখতেই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
নোয়াখালী-১ (চাটখিল-সোনাইমুড়ী) আসনের জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী অধ্যক্ষ মওলানা মো. ছাইফ উল্লাহ সাংবাদিককে বলেন, আমার দলের নির্বাচনী প্রচারণার ব্যানার বারবার চুরি ও ছিঁড়ে ফেলার ঘটনা ঘটছে। আমি প্রশাসনকে বারবার এ বিষয়টা নিয়ে অভিযোগ করার পরও প্রশাসনের তরফ থেকে কোনো সহযোগিতা না পাওয়ায়, দলের কর্মীরাসহ আমি বাধ্য হয়েই ব্যানারের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সিসি ক্যামেরা স্থাপন করেছি।
সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা ও সোনাইমুড়ী উপজেলার ইউএনও নাছরিন আকতার সাংবাদিকদের জানান, নির্বাচনী আচরণবিধি সংক্রান্ত সব ধরনের অভিযোগ অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হচ্ছে। প্রতিটি অভিযোগ সরেজমিনে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে। সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন আয়োজন করতে আমরা বদ্ধপরিকর, এ জন্য সবাইকে নির্বাচনী আচরণবিধি মেনে চলার আহ্বান জানাচ্ছি।
এদিকে সংসদীয় আসনটিতে চাটখিল উপজেলার ৯টি ইউনিয়ন ও একটি পৌরসভা এবং সোনাইমুড়ী উপজেলার ৭টি ইউনিয়ন ও একটি পৌরসভা নিয়ে গঠিত।
এই আসনে মোট সাতজন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। তারা হলেন- ধানের শীষ প্রতীকে বিএনপির এ এম মাহবুব উদ্দিন খোকন, দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে জামায়াতে ইসলামীর মো. ছাইফ উল্যাহ, হাতপাখা প্রতীকে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের জহিরুল ইসলাম, লাঙল প্রতীকে জাতীয় পার্টির মো. নুরুল আমিন, ডাব প্রতীকে বাংলাদেশ কংগ্রেসের মো. মনিনুল ইসলাম, আপেল, প্রতীকে ইনসানিয়াত বাংলাদেশের মো. মশিউর রহমান এবং তারা প্রতীকে জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল (জেএসডি) মনোনীত প্রার্থী রেহানা বেগম।
উল্লেখ্য, নোয়াখালী-১ (চাটখিল-সোনাইমুড়ী আংশিক) সংসদীয় আসনে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মোট ভোটার সংখ্যা ৪ লাখ ৫২ হাজার ৪২৫ জন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ২ লাখ ৩৩ হাজার ৭১১ জন এবং নারী ভোটার ২ লাখ ১৮ হাজার ৭১৪ জন।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনী প্রচারণার ব্যানার চুরি ও ছিঁড়ে ফেলার ঘটনা রোধে ব্যানারের ওপর সিসি ক্যামেরা স্থাপন করেছেন নোয়াখালী-১ (চাটখিল-সোনাইমুড়ী) আসনের জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী অধ্যক্ষ মওলানা মো. ছাইফ উল্লাহসহ তার দলের কর্মীরা। সম্প্রতি এমন একটি ছবি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়লে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা ও সমালোচনা শুরু হয়।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, নোয়াখালীর সোনাইমুড়ী উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়ন-ওয়ার্ডগুলোতে জামায়েতের নির্বাচনী প্রচারণার ব্যানার ও পোস্টার চুরি এবং ছিঁড়ে ফেলা হচ্ছে, তারই প্রেক্ষিতে একাধিকবার প্রশাসনকে জানানোর পরও এ বিষয়ে কোনো কার্যকর ব্যবস্থা নিতে পারেনি প্রশাসন। এমন পরিস্থিতিতে বাধ্য হয়েই জামায়াতের কর্মীরা তাদের নিজ উদ্যোগে ব্যানারের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সিসি ক্যামেরা স্থাপন করে।
সরেজমিনে দেখা যায়, সোনাইমুড়ী উপজেলার দেওটি ইউনিয়নের ৪নং ওয়ার্ডে অবস্থিত আমিরাবাদ উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রের সামনে নির্বাচনী ব্যানার থেকে ৫০ গজ দূরে দোকান ঘরের পাশে একটি সিসি ক্যামেরা স্থাপন করে রাখা হয়েছে, আরেকটি সিসি ক্যামেরা সরাসরি ব্যানারের উপরে সংযোজন করা হয়েছে।
নোয়াখালী জেলা উত্তর ছাত্রশিবিরের সাধারণ সম্পাদক মুজাহিদুল ইসলাম সাংবাদিকদের বলেন, নির্বাচনী পরিবেশ শান্তিপূর্ণ রাখতে এবং প্রচারণার স্বাভাবিক কার্যক্রম বজায় রাখতেই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
নোয়াখালী-১ (চাটখিল-সোনাইমুড়ী) আসনের জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী অধ্যক্ষ মওলানা মো. ছাইফ উল্লাহ সাংবাদিককে বলেন, আমার দলের নির্বাচনী প্রচারণার ব্যানার বারবার চুরি ও ছিঁড়ে ফেলার ঘটনা ঘটছে। আমি প্রশাসনকে বারবার এ বিষয়টা নিয়ে অভিযোগ করার পরও প্রশাসনের তরফ থেকে কোনো সহযোগিতা না পাওয়ায়, দলের কর্মীরাসহ আমি বাধ্য হয়েই ব্যানারের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সিসি ক্যামেরা স্থাপন করেছি।
সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা ও সোনাইমুড়ী উপজেলার ইউএনও নাছরিন আকতার সাংবাদিকদের জানান, নির্বাচনী আচরণবিধি সংক্রান্ত সব ধরনের অভিযোগ অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হচ্ছে। প্রতিটি অভিযোগ সরেজমিনে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে। সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন আয়োজন করতে আমরা বদ্ধপরিকর, এ জন্য সবাইকে নির্বাচনী আচরণবিধি মেনে চলার আহ্বান জানাচ্ছি।
এদিকে সংসদীয় আসনটিতে চাটখিল উপজেলার ৯টি ইউনিয়ন ও একটি পৌরসভা এবং সোনাইমুড়ী উপজেলার ৭টি ইউনিয়ন ও একটি পৌরসভা নিয়ে গঠিত।
এই আসনে মোট সাতজন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। তারা হলেন- ধানের শীষ প্রতীকে বিএনপির এ এম মাহবুব উদ্দিন খোকন, দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে জামায়াতে ইসলামীর মো. ছাইফ উল্যাহ, হাতপাখা প্রতীকে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের জহিরুল ইসলাম, লাঙল প্রতীকে জাতীয় পার্টির মো. নুরুল আমিন, ডাব প্রতীকে বাংলাদেশ কংগ্রেসের মো. মনিনুল ইসলাম, আপেল, প্রতীকে ইনসানিয়াত বাংলাদেশের মো. মশিউর রহমান এবং তারা প্রতীকে জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল (জেএসডি) মনোনীত প্রার্থী রেহানা বেগম।
উল্লেখ্য, নোয়াখালী-১ (চাটখিল-সোনাইমুড়ী আংশিক) সংসদীয় আসনে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মোট ভোটার সংখ্যা ৪ লাখ ৫২ হাজার ৪২৫ জন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ২ লাখ ৩৩ হাজার ৭১১ জন এবং নারী ভোটার ২ লাখ ১৮ হাজার ৭১৪ জন।

০৬ এপ্রিল, ২০২৬ ১৯:৩৬
মৌলভীবাজারের কুলাউড়ায় বন্ধুর বিয়েতে প্রচলিত উপহারের বদলে অকটেন উপহার দিয়েছেন এক যুবক ও তার বন্ধুরা। ব্যতিক্রমী এ ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
সোমবার (৬ এপ্রিল) দুপুরে উপজেলার সীমান্তবর্তী কর্মধা ইউনিয়নে আতিকুর রহমান ও নাদিয়া বেগমের বিয়েতে এ ঘটনা ঘটে। উপহার প্রদানকারী মাসুম বলেন, ‘বর্তমানে জ্বালানি তেলের সংকট চলছে। এ জন্য একটু ভিন্নভাবে বন্ধুকে শুভেচ্ছা জানাতে আমরা প্রতীকীভাবে দুই লিটার অকটেন উপহার দিয়েছি।’
বন্ধুদের এমন অভিনব উপহার ঘিরে বিয়ের অনুষ্ঠানে উপস্থিত অতিথি ও স্থানীয়দের মাঝে ব্যাপক আলোচনা ও কৌতূহলের সৃষ্টি হয়। অনেকেই বিষয়টিকে সময়ের প্রেক্ষাপটে ভিন্নধর্মী ও রসিকতাপূর্ণ উদ্যোগ হিসেবে দেখছেন।
মৌলভীবাজারের কুলাউড়ায় বন্ধুর বিয়েতে প্রচলিত উপহারের বদলে অকটেন উপহার দিয়েছেন এক যুবক ও তার বন্ধুরা। ব্যতিক্রমী এ ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
সোমবার (৬ এপ্রিল) দুপুরে উপজেলার সীমান্তবর্তী কর্মধা ইউনিয়নে আতিকুর রহমান ও নাদিয়া বেগমের বিয়েতে এ ঘটনা ঘটে। উপহার প্রদানকারী মাসুম বলেন, ‘বর্তমানে জ্বালানি তেলের সংকট চলছে। এ জন্য একটু ভিন্নভাবে বন্ধুকে শুভেচ্ছা জানাতে আমরা প্রতীকীভাবে দুই লিটার অকটেন উপহার দিয়েছি।’
বন্ধুদের এমন অভিনব উপহার ঘিরে বিয়ের অনুষ্ঠানে উপস্থিত অতিথি ও স্থানীয়দের মাঝে ব্যাপক আলোচনা ও কৌতূহলের সৃষ্টি হয়। অনেকেই বিষয়টিকে সময়ের প্রেক্ষাপটে ভিন্নধর্মী ও রসিকতাপূর্ণ উদ্যোগ হিসেবে দেখছেন।

০৬ এপ্রিল, ২০২৬ ১৭:৩৫
দিনাজপুরের হাকিমপুর উপজেলার আলিহাট এলাকায় অবস্থিত হিলি ফিলিং স্টেশনে জ্বালানি তেলের আশায় রাতভর অপেক্ষা করছেন মোটরসাইকেল চালকরা। সীমিত সরবরাহের কারণে পাম্প এলাকায় দীর্ঘ লাইনের সৃষ্টি হয়েছে, যা নিয়ন্ত্রণ করতে সংশ্লিষ্টদের হিমশিম খেতে হচ্ছে।
সোমবার (৬ এপ্রিল) সকালে সরেজমিনে দেখা যায়, তেল পাওয়ার আশায় অনেক বাইকার আগের রাত থেকেই পাম্প সংলগ্ন সড়কে অবস্থান করছেন। কেউ কেউ সড়কের পাশে বিছানা পেতে রাত যাপন করছেন, আবার কেউ মোটরসাইকেলের ওপর বা পাশে বসেই সময় পার করছেন।
জানা গেছে, প্রতিটি মোটরসাইকেলে সর্বোচ্চ ৩০০ টাকার জ্বালানি তেল সরবরাহ করা হচ্ছে। সীমিত এই বরাদ্দের কারণে অনেক চালক আগেভাগেই লাইনে দাঁড়িয়ে থাকছেন, যাতে অন্তত কিছু জ্বালানি পাওয়া যায়।
একাধিক মোটরসাইকেল চালক জানান, ৩০০ টাকার পরিবর্তে যদি ৫০০ টাকার তেল দেওয়া হতো, তাহলে তাদের ভোগান্তি কিছুটা কমত। তারা বলেন, দূর-দূরান্ত থেকে এসে দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করেও প্রয়োজন অনুযায়ী তেল না পাওয়ায় চরম দুর্ভোগে পড়তে হচ্ছে।
দিনাজপুরের হাকিমপুর উপজেলার আলিহাট এলাকায় অবস্থিত হিলি ফিলিং স্টেশনে জ্বালানি তেলের আশায় রাতভর অপেক্ষা করছেন মোটরসাইকেল চালকরা। সীমিত সরবরাহের কারণে পাম্প এলাকায় দীর্ঘ লাইনের সৃষ্টি হয়েছে, যা নিয়ন্ত্রণ করতে সংশ্লিষ্টদের হিমশিম খেতে হচ্ছে।
সোমবার (৬ এপ্রিল) সকালে সরেজমিনে দেখা যায়, তেল পাওয়ার আশায় অনেক বাইকার আগের রাত থেকেই পাম্প সংলগ্ন সড়কে অবস্থান করছেন। কেউ কেউ সড়কের পাশে বিছানা পেতে রাত যাপন করছেন, আবার কেউ মোটরসাইকেলের ওপর বা পাশে বসেই সময় পার করছেন।
জানা গেছে, প্রতিটি মোটরসাইকেলে সর্বোচ্চ ৩০০ টাকার জ্বালানি তেল সরবরাহ করা হচ্ছে। সীমিত এই বরাদ্দের কারণে অনেক চালক আগেভাগেই লাইনে দাঁড়িয়ে থাকছেন, যাতে অন্তত কিছু জ্বালানি পাওয়া যায়।
একাধিক মোটরসাইকেল চালক জানান, ৩০০ টাকার পরিবর্তে যদি ৫০০ টাকার তেল দেওয়া হতো, তাহলে তাদের ভোগান্তি কিছুটা কমত। তারা বলেন, দূর-দূরান্ত থেকে এসে দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করেও প্রয়োজন অনুযায়ী তেল না পাওয়ায় চরম দুর্ভোগে পড়তে হচ্ছে।

০৬ এপ্রিল, ২০২৬ ১৬:৫১
কিশোরগঞ্জে একটি ফিলিং স্টেশনে অপেক্ষারতদের লাইনের তোয়াক্কা না করে নম্বরবিহীন মোটরসাইকেলে তেল নিতে গিয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) কামরুল হাসান মারুফের হাতে আটক হয়েছেন এক কারারক্ষী।
আজ সোমবার (৬ এপ্রিল) দুপুরে সদর উপজেলার চৌধুরী ফিলিং স্টেশনে এ ঘটনা ঘটে। আটক কারারক্ষীর নাম শিহাব আহমেদ। তিনি কিশোরগঞ্জ জেলা কারাগারে কর্মরত আছেন।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, শিহাব আহমেদ নম্বরবিহীন একটি কালো মোটরসাইকেল নিয়ে চৌধুরী ফিলিং স্টেশনে তেল নিতে আসেন। ওই সময় সাধারণ মানুষ দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে তেল সংগ্রহ করলেও ক্ষমতার অপব্যবহার করে কারারক্ষী শিহাব আহমেদ সেই লাইন অমান্য করে মোটরসাইকেলে তেল নিতে থাকেন।
ওই সময় কিশোরগঞ্জ সদর উপজেলার ইউএনও কামরুল হাসান মারুফ ফিলিং স্টেশনে জ্বালানি তেল বণ্টন (ডিস্ট্রিবিউশন) কার্যক্রম মনিটরিং করছিলেন। মোটরসাইকেলটিতে কোনো রেজিস্ট্রেশন নম্বর না দেখে তিনি কারারক্ষী শিহাব আহমেদকে থামান এবং তাঁর কাছে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র দেখতে চান। শিহাব আহমেদ মোটরসাইকেলের কোনো বৈধ কাগজপত্র দেখাতে পারেননি।
সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) কামরুল হাসান মারুফ বলেন, আটক কারারক্ষীকে জেল সুপারের কাছে বুঝিয়ে দেওয়া হয়েছে এবং তাঁর বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করতে বলা হয়েছে।
এ বিষয়ে কিশোরগঞ্জ জেলা কারাগারের জেল সুপার দিদারুল আলম বলেন, ‘সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বিষয়টি আমাকে অবগত করেছেন। তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে।’
কিশোরগঞ্জে একটি ফিলিং স্টেশনে অপেক্ষারতদের লাইনের তোয়াক্কা না করে নম্বরবিহীন মোটরসাইকেলে তেল নিতে গিয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) কামরুল হাসান মারুফের হাতে আটক হয়েছেন এক কারারক্ষী।
আজ সোমবার (৬ এপ্রিল) দুপুরে সদর উপজেলার চৌধুরী ফিলিং স্টেশনে এ ঘটনা ঘটে। আটক কারারক্ষীর নাম শিহাব আহমেদ। তিনি কিশোরগঞ্জ জেলা কারাগারে কর্মরত আছেন।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, শিহাব আহমেদ নম্বরবিহীন একটি কালো মোটরসাইকেল নিয়ে চৌধুরী ফিলিং স্টেশনে তেল নিতে আসেন। ওই সময় সাধারণ মানুষ দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে তেল সংগ্রহ করলেও ক্ষমতার অপব্যবহার করে কারারক্ষী শিহাব আহমেদ সেই লাইন অমান্য করে মোটরসাইকেলে তেল নিতে থাকেন।
ওই সময় কিশোরগঞ্জ সদর উপজেলার ইউএনও কামরুল হাসান মারুফ ফিলিং স্টেশনে জ্বালানি তেল বণ্টন (ডিস্ট্রিবিউশন) কার্যক্রম মনিটরিং করছিলেন। মোটরসাইকেলটিতে কোনো রেজিস্ট্রেশন নম্বর না দেখে তিনি কারারক্ষী শিহাব আহমেদকে থামান এবং তাঁর কাছে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র দেখতে চান। শিহাব আহমেদ মোটরসাইকেলের কোনো বৈধ কাগজপত্র দেখাতে পারেননি।
সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) কামরুল হাসান মারুফ বলেন, আটক কারারক্ষীকে জেল সুপারের কাছে বুঝিয়ে দেওয়া হয়েছে এবং তাঁর বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করতে বলা হয়েছে।
এ বিষয়ে কিশোরগঞ্জ জেলা কারাগারের জেল সুপার দিদারুল আলম বলেন, ‘সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বিষয়টি আমাকে অবগত করেছেন। তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে।’
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.