
০৪ জুন, ২০২৫ ১২:২০
পবিত্র ঈদুল আজহা ঘনিয়ে আসতেই জমজমাট হয়ে উঠেছে পিরোজপুরের পশুর হাটগুলো। তবে হাটে উপচে পড়া ভিড় থাকলেও কাঙ্ক্ষিত ক্রেতা ও দাম পাচ্ছেন না বলে অভিযোগ বিক্রেতাদের। দাম যাচাই করে চলে যাচ্ছেন অনেকে। এতদিন ধরে কষ্ট করে বড় করা কোরবানির পশুটি কম দামে বিক্রি করে লোকসান গুনতে হচ্ছে অনেক খামারিকে।
পিরোজপুরের নাজিরপুর উপজেলার দীঘিরজান স্থায়ী পশুর হাট ঘুরে গতকাল মঙ্গলবার (৩ জুন) এমন চিত্র দেখা গেছে। এদিন সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত দীঘিরজান হাটে দেখা যায়, পিরোজপুরসহ আশপাশের বিভিন্ন জেলা-উপজেলা থেকে ট্রাক ভরে গরু নিয়ে এসেছেন ব্যাপারী ও খামারিরা। কোরবানির গরুতে কানায় কানায় পরিপূর্ণ হয়ে গেছে পুরো পশুর হাট।
ছোট-বড় সব ধরনের কোরবানির পশুর নিয়ে ক্রেতাদের অপেক্ষায় বসে আছেন বিক্রেতারা। ট্রাকভর্তি গরু, সাজানো পশুর সারি, উচ্চস্বরে ডাক সব মিলিয়ে যেন উৎসবমুখর পরিবেশ। কিন্তু এতসব আয়োজনের মাঝেও নেই কাঙ্ক্ষিত সেই ক্রেতা। ফলে দিন শেষে পশু বিক্রির সংখ্যা তুলনামূলকভাবে কম।
গরু নিয়ে আসা খামারিরা অভিযোগ করে বলেন, বছরজুড়ে কষ্ট করে বড় করেছি কোরবানির গরু। খাবার, চিকিৎসা, পরিচর্যা সব কিছুতেই প্রচুর খরচ হয়েছে। কিন্তু এখন হাটে গরুর প্রকৃত দাম পাচ্ছি না। লোক আসে, দেখে, দাম জেনে চলে যায়।
দীঘিরজান হাটে গরু নিয়ে আসা খামারি লিটু শেখ বলেন, আমি একটি গরু লালন-পালন করেছি। এই গরুর পেছনে আমার খরচ হয়েছে দেড় লাখ টাকার ওপরে। কিন্তু এখন ১ লাখ ১০ হাজার টাকার বেশি কেউ দিতে চায় না। আমরা তো এত কমে দিলে লোকসান ছাড়া কিছুই থাকছে না।
বাগেরহাটের চিতলমারী উপজেলা থেকে ১৫টি গরু নিয়ে এসেছেন বেপারী মো. রেদোয়ান। তিনি বলেন, দীঘিরজান হাট সব থেকে বড় হাট। তাই আমি বিভিন্ন গ্রাম থেকে গরুগুলো কিনে নিয়ে প্রথম এখানেই এসেছি। একটি গরু বিক্রি করেছি। ক্রেতা খুব কম, যারা আছেন তারা দাম ঠিকঠাক বলছেন না। প্রত্যেকটা গরুতে ১৫ থেকে ২০ হাজার টাকা কম বলছেন।
ক্রেতারা বলছেন, তারা এখনো বাজার যাচাই করছেন। ঈদের আরও কিছুদিন বাকি থাকায় অনেকে অপেক্ষায় আছেন দাম আরও কিছুটা কমে গেলে কিনবেন। সাজিদুল ইসলাম নামে এক ক্রেতা বলেন, আজকে মূলত গরু দেখতে এসেছি। গরুর দাম এবছর কমই মনে হচ্ছে। দু-একদিন পরে গরু কিনবো। কেননা আজই গরু কিনে বাড়িতে এতদিন রাখার সুযোগ নাই।
এদিকে বাজার পরিস্থিতি নিয়ে সতর্ক অবস্থানে আছে প্রশাসন। হাটে ক্রেতা-বিক্রেতার সঙ্গে প্রতারণা এড়াতে নিয়মিত নজরদারি, পশুর স্বাস্থ্য পরীক্ষা ও ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা এবং জাল টাকা নির্ণয়ে পর্যাপ্ত ব্যবস্থা রয়েছে তাদের।
উপজেলার দীঘিরজান স্থায়ী পশুর হাটের ইজারাদারের দায়িত্বে থাকা মিজানুর রহমান শরিফ বলেন, গরুর হাট শতবর্ষ পুরনো একটি হাট। এটি পিরোজপুর জেলার সবচেয়ে বড় গরুর হাট। এ বছর এই হাটে প্রচুর পরিমাণ গরুর আমদানি হয়েছে।
তবে ক্রেতা সমাগম কিছুটা কম। অন্যান্য বছরের তুলনায় এ বছর কোরবানির পশুর দাম কম। প্রশাসনের পক্ষ থেকে সব ধরনের নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। পাশাপাশি পুলিশের টহল চলছে। প্রাণিসম্পদের পক্ষ থেকে গরুর স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য হেলথ ক্যাম্প বসানো হয়েছে। আশাকরি, ধীরে ধীরে ক্রেতাদের সংখ্যা বাড়বে।
উল্লেখ্য, চলতি বছরে জেলার ছোট-বড় প্রায় ৫৩ হাজার বিভিন্ন জাতের পশুর খামার থেকে কোরবানিযোগ্য ৪৬ হাজার ৯৩৫টি পশু প্রস্তুত করা হচ্ছে। এর মধ্যে ষাঁড় ও গাভী গরু মিলিয়ে রয়েছে মোট ২৬ হাজার ৯২০টি, মহিষ রয়েছে ২১০টি, ছাগল রয়েছে ১৭ হাজার ৭০০টি, ভেড়া রয়েছে ১৮ হাজার ৮৭টি এবং অন্যান্য কোরবানিযোগ্য পশু রয়েছে ৮টি। এ বছর জেলায় কোরবানির পশুর চাহিদা রয়েছে ৪০ হাজার ২৫৭টি।
উদ্বৃত্ত বা বাড়তি পশু রয়েছে প্রায় ৬ হাজার ৬৭৮টি, যা জেলার চাহিদা মিটিয়ে আশপাশের বিভিন্ন জেলায় পাঠানো সম্ভব হবে। এ ছাড়া পিরোজপুর জেলায় যে পরিমাণ কুরবানির পশু মজুদ আছে, তাতে প্রায় ২১৮ কোটি ৩২ লাখ টাকা লেনদেন হবার সম্ভাবনা রয়েছে।
পবিত্র ঈদুল আজহা ঘনিয়ে আসতেই জমজমাট হয়ে উঠেছে পিরোজপুরের পশুর হাটগুলো। তবে হাটে উপচে পড়া ভিড় থাকলেও কাঙ্ক্ষিত ক্রেতা ও দাম পাচ্ছেন না বলে অভিযোগ বিক্রেতাদের। দাম যাচাই করে চলে যাচ্ছেন অনেকে। এতদিন ধরে কষ্ট করে বড় করা কোরবানির পশুটি কম দামে বিক্রি করে লোকসান গুনতে হচ্ছে অনেক খামারিকে।
পিরোজপুরের নাজিরপুর উপজেলার দীঘিরজান স্থায়ী পশুর হাট ঘুরে গতকাল মঙ্গলবার (৩ জুন) এমন চিত্র দেখা গেছে। এদিন সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত দীঘিরজান হাটে দেখা যায়, পিরোজপুরসহ আশপাশের বিভিন্ন জেলা-উপজেলা থেকে ট্রাক ভরে গরু নিয়ে এসেছেন ব্যাপারী ও খামারিরা। কোরবানির গরুতে কানায় কানায় পরিপূর্ণ হয়ে গেছে পুরো পশুর হাট।
ছোট-বড় সব ধরনের কোরবানির পশুর নিয়ে ক্রেতাদের অপেক্ষায় বসে আছেন বিক্রেতারা। ট্রাকভর্তি গরু, সাজানো পশুর সারি, উচ্চস্বরে ডাক সব মিলিয়ে যেন উৎসবমুখর পরিবেশ। কিন্তু এতসব আয়োজনের মাঝেও নেই কাঙ্ক্ষিত সেই ক্রেতা। ফলে দিন শেষে পশু বিক্রির সংখ্যা তুলনামূলকভাবে কম।
গরু নিয়ে আসা খামারিরা অভিযোগ করে বলেন, বছরজুড়ে কষ্ট করে বড় করেছি কোরবানির গরু। খাবার, চিকিৎসা, পরিচর্যা সব কিছুতেই প্রচুর খরচ হয়েছে। কিন্তু এখন হাটে গরুর প্রকৃত দাম পাচ্ছি না। লোক আসে, দেখে, দাম জেনে চলে যায়।
দীঘিরজান হাটে গরু নিয়ে আসা খামারি লিটু শেখ বলেন, আমি একটি গরু লালন-পালন করেছি। এই গরুর পেছনে আমার খরচ হয়েছে দেড় লাখ টাকার ওপরে। কিন্তু এখন ১ লাখ ১০ হাজার টাকার বেশি কেউ দিতে চায় না। আমরা তো এত কমে দিলে লোকসান ছাড়া কিছুই থাকছে না।
বাগেরহাটের চিতলমারী উপজেলা থেকে ১৫টি গরু নিয়ে এসেছেন বেপারী মো. রেদোয়ান। তিনি বলেন, দীঘিরজান হাট সব থেকে বড় হাট। তাই আমি বিভিন্ন গ্রাম থেকে গরুগুলো কিনে নিয়ে প্রথম এখানেই এসেছি। একটি গরু বিক্রি করেছি। ক্রেতা খুব কম, যারা আছেন তারা দাম ঠিকঠাক বলছেন না। প্রত্যেকটা গরুতে ১৫ থেকে ২০ হাজার টাকা কম বলছেন।
ক্রেতারা বলছেন, তারা এখনো বাজার যাচাই করছেন। ঈদের আরও কিছুদিন বাকি থাকায় অনেকে অপেক্ষায় আছেন দাম আরও কিছুটা কমে গেলে কিনবেন। সাজিদুল ইসলাম নামে এক ক্রেতা বলেন, আজকে মূলত গরু দেখতে এসেছি। গরুর দাম এবছর কমই মনে হচ্ছে। দু-একদিন পরে গরু কিনবো। কেননা আজই গরু কিনে বাড়িতে এতদিন রাখার সুযোগ নাই।
এদিকে বাজার পরিস্থিতি নিয়ে সতর্ক অবস্থানে আছে প্রশাসন। হাটে ক্রেতা-বিক্রেতার সঙ্গে প্রতারণা এড়াতে নিয়মিত নজরদারি, পশুর স্বাস্থ্য পরীক্ষা ও ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা এবং জাল টাকা নির্ণয়ে পর্যাপ্ত ব্যবস্থা রয়েছে তাদের।
উপজেলার দীঘিরজান স্থায়ী পশুর হাটের ইজারাদারের দায়িত্বে থাকা মিজানুর রহমান শরিফ বলেন, গরুর হাট শতবর্ষ পুরনো একটি হাট। এটি পিরোজপুর জেলার সবচেয়ে বড় গরুর হাট। এ বছর এই হাটে প্রচুর পরিমাণ গরুর আমদানি হয়েছে।
তবে ক্রেতা সমাগম কিছুটা কম। অন্যান্য বছরের তুলনায় এ বছর কোরবানির পশুর দাম কম। প্রশাসনের পক্ষ থেকে সব ধরনের নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। পাশাপাশি পুলিশের টহল চলছে। প্রাণিসম্পদের পক্ষ থেকে গরুর স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য হেলথ ক্যাম্প বসানো হয়েছে। আশাকরি, ধীরে ধীরে ক্রেতাদের সংখ্যা বাড়বে।
উল্লেখ্য, চলতি বছরে জেলার ছোট-বড় প্রায় ৫৩ হাজার বিভিন্ন জাতের পশুর খামার থেকে কোরবানিযোগ্য ৪৬ হাজার ৯৩৫টি পশু প্রস্তুত করা হচ্ছে। এর মধ্যে ষাঁড় ও গাভী গরু মিলিয়ে রয়েছে মোট ২৬ হাজার ৯২০টি, মহিষ রয়েছে ২১০টি, ছাগল রয়েছে ১৭ হাজার ৭০০টি, ভেড়া রয়েছে ১৮ হাজার ৮৭টি এবং অন্যান্য কোরবানিযোগ্য পশু রয়েছে ৮টি। এ বছর জেলায় কোরবানির পশুর চাহিদা রয়েছে ৪০ হাজার ২৫৭টি।
উদ্বৃত্ত বা বাড়তি পশু রয়েছে প্রায় ৬ হাজার ৬৭৮টি, যা জেলার চাহিদা মিটিয়ে আশপাশের বিভিন্ন জেলায় পাঠানো সম্ভব হবে। এ ছাড়া পিরোজপুর জেলায় যে পরিমাণ কুরবানির পশু মজুদ আছে, তাতে প্রায় ২১৮ কোটি ৩২ লাখ টাকা লেনদেন হবার সম্ভাবনা রয়েছে।

১৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১৮:৩৫
পিরোজপুরের মঠবাড়িয়ায় দীর্ঘদিন পর ঢাক-ঢোল (ব্যান্ডপার্টি) বাজিয়ে জমি দখল বুঝে নিলেন এমাদুল হক দফাদার ও তার ছেলেরা।বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) সকালে উপজেলার মিরুখালী ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডের দেবীপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। এ সময় গ্রামে উৎসবমুখর পরিবেশের সৃষ্টি হয়।
ভুক্তভোগী এমাদুল হক দফাদারের ছেলে এনামুল ও স্থানীয়রা জানান, পূর্বপুরুষদের সময় থেকে গ্রামের ছয় কাটা জমি এমাদুল দফাদার ভোগদখল করে আসছিলেন।
এনামুল ও তার ভাইয়েরা বাড়িতে না থাকার সুযোগে একই গ্রামের বাসিন্দা বাদশা মাতুব্বর দলবল নিয়ে ওই জমি দখল করে নেন। বিভিন্ন সময়ে সালিশ বৈঠক হলেও বাদশা মাতুব্বর জমিটি নিজের দখলেই রাখেন।
শেষমেশ পূর্বের কাগজপত্র বিবেচনা করে গণ্যমান্য ব্যক্তিদের উপস্থিতিতে বুধবার সকালে নিজেদের জমির দখল বুঝে নেন এমাদুল হক দফাদার গং।
এ ব্যাপারে সরেজমিনে গিয়ে দীর্ঘ সময় যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও অভিযুক্ত বাদশা মাতুব্বরকে না পাওয়ায় তার বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।
পিরোজপুরের মঠবাড়িয়ায় দীর্ঘদিন পর ঢাক-ঢোল (ব্যান্ডপার্টি) বাজিয়ে জমি দখল বুঝে নিলেন এমাদুল হক দফাদার ও তার ছেলেরা।বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) সকালে উপজেলার মিরুখালী ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডের দেবীপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। এ সময় গ্রামে উৎসবমুখর পরিবেশের সৃষ্টি হয়।
ভুক্তভোগী এমাদুল হক দফাদারের ছেলে এনামুল ও স্থানীয়রা জানান, পূর্বপুরুষদের সময় থেকে গ্রামের ছয় কাটা জমি এমাদুল দফাদার ভোগদখল করে আসছিলেন।
এনামুল ও তার ভাইয়েরা বাড়িতে না থাকার সুযোগে একই গ্রামের বাসিন্দা বাদশা মাতুব্বর দলবল নিয়ে ওই জমি দখল করে নেন। বিভিন্ন সময়ে সালিশ বৈঠক হলেও বাদশা মাতুব্বর জমিটি নিজের দখলেই রাখেন।
শেষমেশ পূর্বের কাগজপত্র বিবেচনা করে গণ্যমান্য ব্যক্তিদের উপস্থিতিতে বুধবার সকালে নিজেদের জমির দখল বুঝে নেন এমাদুল হক দফাদার গং।
এ ব্যাপারে সরেজমিনে গিয়ে দীর্ঘ সময় যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও অভিযুক্ত বাদশা মাতুব্বরকে না পাওয়ায় তার বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।

১৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১৬:৫৭
পিরোজপুরের ইন্দুরকানী উপজেলায় বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-এর এক নেতাসহ দুজনকে কুপিয়ে জখমের ঘটনায় প্রতিবাদে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে। এ ঘটনায় এক যুবককে জনতা আটক করে ডিবি পুলিশের কাছে সোপর্দ করেছে।
মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) সকাল সাড়ে ১১টায় উপজেলার পাড়েরহাট রাজলক্ষ্মী মাধ্যমিক বিদ্যালয় ও কলেজের সামনে শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের আয়োজনে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।
মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন রাজলক্ষ্মী মাধ্যমিক বিদ্যালয় ও কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ মো: মোস্তফা তালুকদার, সিনিয়র শিক্ষক উত্তম সাহা ও রাশিদা খানম প্রমুখ। এ সময় বিদ্যালয়ের সকল শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।
বক্তারা হামলার সঙ্গে জড়িতদের দ্রুত শনাক্ত করে গ্রেপ্তার এবং দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান। তারা বলেন, ঘটনার কয়েকদিন পেরিয়ে গেলেও এখনও জড়িতদের পুরোপুরি শনাক্ত করা হয়নি। দ্রুত তদন্ত শেষ করে দোষীদের আইনের আওতায় আনার আহ্বান জানান তারা।
এদিকে মঙ্গলবার দুপুর ১২টার দিকে হামলার ঘটনায় জড়িত সন্দেহে পাড়েরহাটের সাইফুল ইসলামের ছেলে তাকরিম (২৪)কে স্থানীয় জনতা হামলার সাথে সজড়িত থাকার সন্দেহে ‘মল্লিক বাড়ি’ এলাকায় মোটরসাইকেলসহ আটক করেন।
পরে তাঁকে ডিবি পুলিশের কাছে সোপর্দ করা হয়। এ সময় উত্তেজিত জনতা তাঁর ব্যবহৃত মোটরসাইকেলে আগুন দেয় বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে। ঘটনার পর এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে।
উল্লেখ্য, গত ১৫ ফেব্রুয়ারি রাত ১১টার দিকে পাড়েরহাট বাসস্ট্যান্ড সংলগ্ন এলাকায় পিরোজপুর সদর উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি ও পাড়েরহাট রাজলক্ষ্মী মাধ্যমিক বিদ্যালয় ও কলেজের গভর্নিং বডির সভাপতি মহিউদ্দিন মল্লিক নাসির (নাসির মল্লিক) এবং তাঁর ভাইপো রিয়াজ উদ্দিন মল্লিক নিপুর ওপর দুর্বৃত্তরা হামলা চালায়। এতে দুজনই শরীরের বিভিন্ন স্থানে গুরুতর আহত হন।
স্থানীয়রা তাঁদের উদ্ধার করে প্রথমে পিরোজপুর জেলা হাসপাতালে ভর্তি করেন। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। নাসির মল্লিকের অবস্থার অবনতি হলে এয়ার অ্যাম্বুলেন্সযোগে তাঁকে ঢাকায় নেওয়া হয়।
পিরোজপুরের ইন্দুরকানী উপজেলায় বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-এর এক নেতাসহ দুজনকে কুপিয়ে জখমের ঘটনায় প্রতিবাদে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে। এ ঘটনায় এক যুবককে জনতা আটক করে ডিবি পুলিশের কাছে সোপর্দ করেছে।
মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) সকাল সাড়ে ১১টায় উপজেলার পাড়েরহাট রাজলক্ষ্মী মাধ্যমিক বিদ্যালয় ও কলেজের সামনে শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের আয়োজনে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।
মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন রাজলক্ষ্মী মাধ্যমিক বিদ্যালয় ও কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ মো: মোস্তফা তালুকদার, সিনিয়র শিক্ষক উত্তম সাহা ও রাশিদা খানম প্রমুখ। এ সময় বিদ্যালয়ের সকল শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।
বক্তারা হামলার সঙ্গে জড়িতদের দ্রুত শনাক্ত করে গ্রেপ্তার এবং দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান। তারা বলেন, ঘটনার কয়েকদিন পেরিয়ে গেলেও এখনও জড়িতদের পুরোপুরি শনাক্ত করা হয়নি। দ্রুত তদন্ত শেষ করে দোষীদের আইনের আওতায় আনার আহ্বান জানান তারা।
এদিকে মঙ্গলবার দুপুর ১২টার দিকে হামলার ঘটনায় জড়িত সন্দেহে পাড়েরহাটের সাইফুল ইসলামের ছেলে তাকরিম (২৪)কে স্থানীয় জনতা হামলার সাথে সজড়িত থাকার সন্দেহে ‘মল্লিক বাড়ি’ এলাকায় মোটরসাইকেলসহ আটক করেন।
পরে তাঁকে ডিবি পুলিশের কাছে সোপর্দ করা হয়। এ সময় উত্তেজিত জনতা তাঁর ব্যবহৃত মোটরসাইকেলে আগুন দেয় বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে। ঘটনার পর এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে।
উল্লেখ্য, গত ১৫ ফেব্রুয়ারি রাত ১১টার দিকে পাড়েরহাট বাসস্ট্যান্ড সংলগ্ন এলাকায় পিরোজপুর সদর উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি ও পাড়েরহাট রাজলক্ষ্মী মাধ্যমিক বিদ্যালয় ও কলেজের গভর্নিং বডির সভাপতি মহিউদ্দিন মল্লিক নাসির (নাসির মল্লিক) এবং তাঁর ভাইপো রিয়াজ উদ্দিন মল্লিক নিপুর ওপর দুর্বৃত্তরা হামলা চালায়। এতে দুজনই শরীরের বিভিন্ন স্থানে গুরুতর আহত হন।
স্থানীয়রা তাঁদের উদ্ধার করে প্রথমে পিরোজপুর জেলা হাসপাতালে ভর্তি করেন। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। নাসির মল্লিকের অবস্থার অবনতি হলে এয়ার অ্যাম্বুলেন্সযোগে তাঁকে ঢাকায় নেওয়া হয়।

১৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১৬:১৮
পিরোজপুরে দুর্বৃত্তদের হামলায় বিএনপির দুই নেতা গুরুতর আহত হয়েছেন। রোববার (১৫ ফেব্রুয়ারি) রাত ১১টার সময় ইন্দুরকানী উপজেলার পাড়েরহাট বাসস্ট্যান্ড সংলগ্ন এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
আহতরা হলেন পিরোজপুর সদর উপজেলা বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক মহিউদ্দিন মল্লিক নাছির ও শংকরপাশা ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক রিয়াজ উদ্দিন মল্লিক নিপু।
আহত রিয়াজ উদ্দিন মল্লিক নিপু জানান, মোটরসাইকেলযোগে বাড়ি ফেরার পথে ৮ থেকে ১০টি মোটরসাইকেলে করে আসা একদল লোক তাদের গতিরোধ করে। পরে ধারালো অস্ত্র দিয়ে অতর্কিত হামলা চালিয়ে শরীরের বিভিন্নস্থানে গুরুতর জখম করেন।
পরে স্থানীয়রা দ্রুত তাদের উদ্ধার করে প্রথমে পিরোজপুর জেলা হাসপাতালে ভর্তি করেন। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে অবস্থার অবনতি হওয়ায় উন্নত চিকিৎসার জন্য খুলনায় পাঠানো হয়।
পিরোজপুর জেলা হাসপাতালের চিকিৎসক ডা. রাজিব পাইক জানান, আহত দুজনের শরীরের বিভিন্ন স্থানে গুরুতর জখম রয়েছে। প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে তাদের উন্নত চিকিৎসার জন্য খুলনায় পাঠানো হয়েছে।
এ বিষয়ে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) নাসরিন জাহান বলেন, ঘটনার সংবাদ পেয়ে আমরা হাসপাতালে গিয়ে আহতদের সঙ্গে কথা বলেছি। লিখিত অভিযোগ পেলে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
ঘটনার পর এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে। হামলার কারণ ও জড়িতদের পরিচয় তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি। বিষয়টি নিয়ে পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে।
পিরোজপুরে দুর্বৃত্তদের হামলায় বিএনপির দুই নেতা গুরুতর আহত হয়েছেন। রোববার (১৫ ফেব্রুয়ারি) রাত ১১টার সময় ইন্দুরকানী উপজেলার পাড়েরহাট বাসস্ট্যান্ড সংলগ্ন এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
আহতরা হলেন পিরোজপুর সদর উপজেলা বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক মহিউদ্দিন মল্লিক নাছির ও শংকরপাশা ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক রিয়াজ উদ্দিন মল্লিক নিপু।
আহত রিয়াজ উদ্দিন মল্লিক নিপু জানান, মোটরসাইকেলযোগে বাড়ি ফেরার পথে ৮ থেকে ১০টি মোটরসাইকেলে করে আসা একদল লোক তাদের গতিরোধ করে। পরে ধারালো অস্ত্র দিয়ে অতর্কিত হামলা চালিয়ে শরীরের বিভিন্নস্থানে গুরুতর জখম করেন।
পরে স্থানীয়রা দ্রুত তাদের উদ্ধার করে প্রথমে পিরোজপুর জেলা হাসপাতালে ভর্তি করেন। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে অবস্থার অবনতি হওয়ায় উন্নত চিকিৎসার জন্য খুলনায় পাঠানো হয়।
পিরোজপুর জেলা হাসপাতালের চিকিৎসক ডা. রাজিব পাইক জানান, আহত দুজনের শরীরের বিভিন্ন স্থানে গুরুতর জখম রয়েছে। প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে তাদের উন্নত চিকিৎসার জন্য খুলনায় পাঠানো হয়েছে।
এ বিষয়ে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) নাসরিন জাহান বলেন, ঘটনার সংবাদ পেয়ে আমরা হাসপাতালে গিয়ে আহতদের সঙ্গে কথা বলেছি। লিখিত অভিযোগ পেলে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
ঘটনার পর এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে। হামলার কারণ ও জড়িতদের পরিচয় তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি। বিষয়টি নিয়ে পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে।

Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.