
০৬ অক্টোবর, ২০২৫ ১৪:৪২
বরিশালে এক সপ্তাহ ধরে ৪০০ থেকে ৫০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে কাঁচামরিচ। এর পাশাপাশি অন্যান্য সবজি ও মাছের দামেও হতাশ ক্রেতারা। পূজার ছুটিতে পোর্টগুলো বন্ধ থাকায় সবজির দাম বৃদ্ধি পেয়েছে বলে জানিয়েছেন পাইকাররা। এখন পোর্ট খোলায় দাম দুই একদিনের মধ্যে স্বাভাবিক হবে বলে জানিয়েছেন তারা।
সোমবার (৬ অক্টোবর) বরিশালের একমাত্র পাইকারি সবজির বাজার, পোর্ট রোড বাজার, বাংলাবাজার বাজার, সাগরদী বাজারসহ বেশকিছু বাজার ঘুরে দেখা গেছে এমন চিত্র।
পাইকারি বাজার ঘুরে দেখা গেছে, বেগম লম্বা ৩৫-৪০ টাকা, বেগুন গোল ৫৫-৬০ টাকা, শসা ২৫-৩০ টাকা, বরবটি ৪৫-৫০ টাকা, করলা ৫০-৫৫ টাকা, টমেটো ইন্ডিয়ান ১২০ টাকা, গাজর ইন্ডিয়ান ১০০ টাকা, পটল ৫০-৬০ টাকা, ঢ্যাঁড়স ৪৫-৫০ টাকা, লাউ আকার ভেদে ৩০-৪০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া প্রতি হালি কাঁচা কলা ২০ টাকা ও লেবুর হালি ১৫-২৫ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এসব সবজি খুচরা বাজারে ২০-৩০ টাকা বেশি দামে বিক্রি করতে দেখা গেছে।
এরমধ্যে সবচেয়ে বেশি কাঁচামরিচ কেজি ৩৫০-৪০০ টাকা, বেগম লম্বা ৫৫-৬০ টাকা, বেগুন গোল ৭০-৮০ টাকা, শসা ৪৫ টাকা, বরবটি ৫৫-৬০ টাকা, করল্লা ৬০ টাকা, টমেটো ইন্ডিয়ান ১৫০ টাকা, গাজর ইন্ডিয়ান ১৩০ টাকা, পটল ৭০ টাকা, ঢ্যাঁড়স ৬০ টাকা, লাউ আকার ভেদে ৪০-৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া প্রতি হালি কাঁচা কলা ৩০-৪০ টাকা ও লেবুর হালি ২০-৩০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
এছাড়া মাংসের বাজারে ব্রয়লার মুরগি বিক্রি হচ্ছে কেজি ১৫০-১৬০ টাকা, সোনালি মুরগি ২৭০-২৮০ টাকা, লেয়ার মুরগি ২৫০-২৭০ টাকা দরে। গরুর মাংস ৭৫০ টাকা ও খাসির মাংস ১১৫০ টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে।
অপরদিকে ইলিশ মাছ ধরা বন্ধ থাকায় এর প্রভাব পড়েছে অন্যান্য মাছের দামে। রুই মাছ ৩০০-৪৫০ টাকা, টেংরা মাছ ৫০০-৬০০ টাকা, ঘেরের তেলাপিয়া ১২০-১৪০ টাকা, পাঙাশ মাছ ২০০-২৮০ টাকা, চিংড়ি প্রকারভেদে ৫৫০-৮৫০ টাকা, পাবদা ২৫০-৪০০ টাকা ও মাঝারি ভেটকি ৪০০ টাকা।
বাংলাবাজারে আসা শহিদুল বলেন, বেশ কিছুদিন ধরে সবজির বাজারে আগুন। কোনো সবজির দাম ৮০-১০০ টাকার নিচে নেই। যে কোনো উৎসব-পার্বণ হলে সব জিনিসপত্রের দাম বেড়ে যায়। মাছের গায়ে তো হাত দেয়াই যায় না।
বাজার করতে গিয়ে জিনিসপত্রের দাম নিয়ে একই কথা বলেন সবুজ হাওলাদার ও খাইরুল ইসলাম। তারা বলেন, বেশকিছু দিন ধরে সবজি ও মাছের বাজার অস্থির। ১ হাজার টাকা নিয়ে বাজারে গেলে ৫ জনের সংসারে এখন একদিনের বাজার করা যায় না।
দুই ধরনের সবজি কিনতে ৩০০-৩৫০ টাকা চলে যায়। অন্যান্য জিনিসপত্র কিনতে হিমশিম খেতে হয়। বাজারের এ দুরবস্থায় সবচেয়ে বেশি ভোগান্তিতে পড়েছেন নিম্ন আয়ের মানুষ। এ দিকে সরকারের দ্রুত নজর দেওয়া উচিত।
বরিশালে সবজির পাইকারি বাজার বহুমুখী সিটি মার্কেটের দুলাল বাণিজ্যালয়ের প্রোপাইটর মো. আমিন শুভ জানান, পূজার ছুটির কারণে সবজির সরবরাহ কম থাকায় এ সপ্তাহে দামের ওপর প্রভাব পড়েছে। দুই এক দিনের মধ্যে আবার বাজার স্বাভাবিক হয়ে যাবে।
তবে পাইকারি বাজারের তুলনায় খুচরা বাজারে সবজির দাম কিছুটা বেশি। খুচরা ব্যবসায়ীরা নানান খরচের দোহাই দিয়ে আরও বেশি দামে বিক্রি করছে। কারণ তারা পাইকারি বাজার থেকে সবজি কিনে লেবার খরচ, ভ্যান ভাড়া, খুচরা বাজারে বিক্রির ইজারা ও বিদ্যুৎ বিল দিতে হয়। তাই খুচরা বাজারে সবজি কিছুটা বেশি দামে বিক্রি করে।
বরিশালে এক সপ্তাহ ধরে ৪০০ থেকে ৫০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে কাঁচামরিচ। এর পাশাপাশি অন্যান্য সবজি ও মাছের দামেও হতাশ ক্রেতারা। পূজার ছুটিতে পোর্টগুলো বন্ধ থাকায় সবজির দাম বৃদ্ধি পেয়েছে বলে জানিয়েছেন পাইকাররা। এখন পোর্ট খোলায় দাম দুই একদিনের মধ্যে স্বাভাবিক হবে বলে জানিয়েছেন তারা।
সোমবার (৬ অক্টোবর) বরিশালের একমাত্র পাইকারি সবজির বাজার, পোর্ট রোড বাজার, বাংলাবাজার বাজার, সাগরদী বাজারসহ বেশকিছু বাজার ঘুরে দেখা গেছে এমন চিত্র।
পাইকারি বাজার ঘুরে দেখা গেছে, বেগম লম্বা ৩৫-৪০ টাকা, বেগুন গোল ৫৫-৬০ টাকা, শসা ২৫-৩০ টাকা, বরবটি ৪৫-৫০ টাকা, করলা ৫০-৫৫ টাকা, টমেটো ইন্ডিয়ান ১২০ টাকা, গাজর ইন্ডিয়ান ১০০ টাকা, পটল ৫০-৬০ টাকা, ঢ্যাঁড়স ৪৫-৫০ টাকা, লাউ আকার ভেদে ৩০-৪০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া প্রতি হালি কাঁচা কলা ২০ টাকা ও লেবুর হালি ১৫-২৫ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এসব সবজি খুচরা বাজারে ২০-৩০ টাকা বেশি দামে বিক্রি করতে দেখা গেছে।
এরমধ্যে সবচেয়ে বেশি কাঁচামরিচ কেজি ৩৫০-৪০০ টাকা, বেগম লম্বা ৫৫-৬০ টাকা, বেগুন গোল ৭০-৮০ টাকা, শসা ৪৫ টাকা, বরবটি ৫৫-৬০ টাকা, করল্লা ৬০ টাকা, টমেটো ইন্ডিয়ান ১৫০ টাকা, গাজর ইন্ডিয়ান ১৩০ টাকা, পটল ৭০ টাকা, ঢ্যাঁড়স ৬০ টাকা, লাউ আকার ভেদে ৪০-৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া প্রতি হালি কাঁচা কলা ৩০-৪০ টাকা ও লেবুর হালি ২০-৩০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
এছাড়া মাংসের বাজারে ব্রয়লার মুরগি বিক্রি হচ্ছে কেজি ১৫০-১৬০ টাকা, সোনালি মুরগি ২৭০-২৮০ টাকা, লেয়ার মুরগি ২৫০-২৭০ টাকা দরে। গরুর মাংস ৭৫০ টাকা ও খাসির মাংস ১১৫০ টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে।
অপরদিকে ইলিশ মাছ ধরা বন্ধ থাকায় এর প্রভাব পড়েছে অন্যান্য মাছের দামে। রুই মাছ ৩০০-৪৫০ টাকা, টেংরা মাছ ৫০০-৬০০ টাকা, ঘেরের তেলাপিয়া ১২০-১৪০ টাকা, পাঙাশ মাছ ২০০-২৮০ টাকা, চিংড়ি প্রকারভেদে ৫৫০-৮৫০ টাকা, পাবদা ২৫০-৪০০ টাকা ও মাঝারি ভেটকি ৪০০ টাকা।
বাংলাবাজারে আসা শহিদুল বলেন, বেশ কিছুদিন ধরে সবজির বাজারে আগুন। কোনো সবজির দাম ৮০-১০০ টাকার নিচে নেই। যে কোনো উৎসব-পার্বণ হলে সব জিনিসপত্রের দাম বেড়ে যায়। মাছের গায়ে তো হাত দেয়াই যায় না।
বাজার করতে গিয়ে জিনিসপত্রের দাম নিয়ে একই কথা বলেন সবুজ হাওলাদার ও খাইরুল ইসলাম। তারা বলেন, বেশকিছু দিন ধরে সবজি ও মাছের বাজার অস্থির। ১ হাজার টাকা নিয়ে বাজারে গেলে ৫ জনের সংসারে এখন একদিনের বাজার করা যায় না।
দুই ধরনের সবজি কিনতে ৩০০-৩৫০ টাকা চলে যায়। অন্যান্য জিনিসপত্র কিনতে হিমশিম খেতে হয়। বাজারের এ দুরবস্থায় সবচেয়ে বেশি ভোগান্তিতে পড়েছেন নিম্ন আয়ের মানুষ। এ দিকে সরকারের দ্রুত নজর দেওয়া উচিত।
বরিশালে সবজির পাইকারি বাজার বহুমুখী সিটি মার্কেটের দুলাল বাণিজ্যালয়ের প্রোপাইটর মো. আমিন শুভ জানান, পূজার ছুটির কারণে সবজির সরবরাহ কম থাকায় এ সপ্তাহে দামের ওপর প্রভাব পড়েছে। দুই এক দিনের মধ্যে আবার বাজার স্বাভাবিক হয়ে যাবে।
তবে পাইকারি বাজারের তুলনায় খুচরা বাজারে সবজির দাম কিছুটা বেশি। খুচরা ব্যবসায়ীরা নানান খরচের দোহাই দিয়ে আরও বেশি দামে বিক্রি করছে। কারণ তারা পাইকারি বাজার থেকে সবজি কিনে লেবার খরচ, ভ্যান ভাড়া, খুচরা বাজারে বিক্রির ইজারা ও বিদ্যুৎ বিল দিতে হয়। তাই খুচরা বাজারে সবজি কিছুটা বেশি দামে বিক্রি করে।

১৩ এপ্রিল, ২০২৬ ১৮:২৩

১৩ এপ্রিল, ২০২৬ ১৭:৪৬

১৩ এপ্রিল, ২০২৬ ১৬:২৯
আন্তর্জাতিক পথশিশু দিবস উপলক্ষে মানবাধিকার রক্ষায় অসামান্য অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ ‘হিউম্যান রাইটস চ্যাম্পিয়ন ২০২৬’ সম্মানে ভূষিত হয়েছেন বিদেশের মাটিতে প্রথম বাংলাদেশি উপাচার্য (ভিসি) প্রফেসর ড. শেখ আসিফ এস. মিজান। আজ রবিবার রাজধানীর সেগুনবাগিচায় ওয়ার্ল্ড হিউম্যান রাইটস অর্গানাইজেশন আয়োজিত "ইন্টারন্যাশনাল হিউম্যান রাইটস অ্যাওয়ার্ড ২০২৬" অনুষ্ঠানে তাকে এই বিশেষ পদক ও সম্মাননা প্রদান করা হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব জননেতা হাবিব উন নবী খান সোহেল। সংগঠনের সভাপতি মহি উদ্দিন আমিনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে ড. মিজানের হাতে সম্মাননা ক্রেস্ট ও সার্টিফিকেট তুলে দেওয়া হয়। এসময় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জনপ্রিয় চলচ্চিত্র অভিনেতা ওমর সানী ও সংগীতশিল্পী রবি চৌধুরীসহ অন্যান্য বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ।
উল্লেখ্য, ২০২৪ সালের ফেব্রুয়ারিতে সোমালিয়ার মোগাদিশুর দারুসালাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি পদে যোগ দিয়ে ইতিহাস গড়েন ড. মিজান। এর আগে বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত একজন কানাডিয়ান নাগরিক বিদেশের মাটিতে ভিসি হলেও, সরাসরি বাংলাদেশি পাসপোর্টধারী হিসেবে তিনিই প্রথম এই শীর্ষ পদে আসীন হন। সুশাসন ও মানবাধিকারে পিএইচডিধারী এই শিক্ষাবিদ দীর্ঘকাল ধরে রোটারি ক্লাব, মসজিদ সমাজ বাংলাদেশ এবং এশিয়ান নারী ও শিশু অধিকার ফাউন্ডেশনসহ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছেন।
সম্মাননা গ্রহণকালে ড. আসিফ মিজান বলেন, “এই স্বীকৃতি আমার দায়িত্ব আরও বাড়িয়ে দিল। শিক্ষা ও মানবাধিকার রক্ষায় আমার এই প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকবে।” অনুষ্ঠানে বিভিন্ন স্তরের রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, আইনজীবী, ব্যবসায়ী এবং বিপুল সংখ্যক পথশিশু উপস্থিত ছিলেন।’
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
বরিশালের বাবুগঞ্জে ১২ বছর বয়সী এক মাদ্রাসা ছাত্রকে বলাৎকারের অভিযোগে মাদ্রাসার সহকারী শিক্ষকের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে। এদিকে ঘটনার পর থেকেই পলাতক রয়েছেন অভিযুক্ত মাদ্রাসা শিক্ষক। বলাৎকারের দায়ে অভিযুক্ত ওই শিক্ষকের নাম মাসুম বিল্লাহ (২৬)। তিনি বাবুগঞ্জ থানার সামনে অবস্থিত আল ইকরা দারুল উলুম নূরানী ও হাফিজিয়া মাদ্রাসার সহকারী শিক্ষক এবং নাটোর জেলার সিংড়া উপজেলার চকহিয়াতপুর গ্রামের শাহাদাৎ হোসেনের ছেলে।
থানা পুলিশ ও ভুক্তভোগী পরিবার সূত্রে জানা যায়, গত ১৫ মার্চ রাত আনুমানিক ১টার দিকে হিফজ শাখার ১২ বছর বয়সী এক আবাসিক শিশু শিক্ষার্থীকে ঘুম থেকে ডেকে তুলে পাশের কক্ষে নিয়ে যান মাদ্রাসা শিক্ষক মাসুম বিল্লাহ। সেখানে তাকে রাতভর অনৈতিক শারীরিক নির্যাতনসহ বলাৎকার করা হয়। পরবর্তীতে বিষয়টি কাউকে না জানানোর জন্য শিশুটিকে নানান ভয়ভীতি দেখানো হয়। এতে শিশুটি বাড়িতে গিয়ে অসুস্থ হয়ে পড়ে এবং মারপিটের ভয়ে পরিবারের কাছে ঘটনাটি গোপন রাখে। পরবর্তীতে তার পায়ুপথে সংক্রমণ দেখা দিলে এবং মাদ্রাসায় যেতে অস্বীকৃতি জানালে পরিবারের সন্দেহ হয়। পরে সে বিষয়টি স্বীকার করে এবং এর আগেও শিক্ষক মাসুম বিল্লাহ একাধিকবার তাকে বলাৎকার এবং শারীরিক নির্যাতন করেছে বলে পরিবারকে জানায়। ঘটনা জানার পরে ভুক্তভোগী শিশুটির বাবা বাদী হয়ে রোববার রাতে বাবুগঞ্জ থানায় শিশু ধর্ষণ ও বলাৎকারের অভিযোগে একটি মামলা দায়ের করেন।
এদিকে ঘটনা জানাজানি হওয়ার পর পালিয়ে যান অভিযুক্ত মাদ্রাসা শিক্ষক মাসুম বিল্লাহ। স্থানীয়দের অভিযোগ, মাদ্রাসা পরিচালক মুফতি আমিনুল ইসলাম নাটোর জেলার বাসিন্দা হওয়ায় তিনিই সহকারী শিক্ষক মাসুম বিল্লাহকে নাটোর থেকে এনে অবৈধভাবে চাকরি দিয়েছেন এবং মাদ্রাসার একটি কক্ষে থাকতে দিয়েছেন। এর আগেও এই প্রতিষ্ঠানে শিক্ষার্থী নির্যাতনের ঘটনা ঘটলেও রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে তা ধামাচাপা দেওয়া হয়। এবারও স্থানীয় বিভিন্ন প্রভাবশালী মহলের সঙ্গে যোগাযোগ করে থানার মাধ্যমে বিষয়টি মীমাংসার চেষ্টা করা হচ্ছে। তবে এসব অভিযোগ সরাসরি অস্বীকার করেছেন মাদ্রাসা পরিচালক মুফতি আমিনুল ইসলাম। অভিযুক্ত শিক্ষক মাসুম বিল্লাহ পলাতক এবং মোবাইল বন্ধ থাকায় তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
বাবুগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ শেখ মোহাম্মদ এহতেশামুল ইসলাম বলেন, 'ভিকটিমের বাবা কবির হোসেনের লিখিত অভিযোগ পাওয়ার পরে তা আমলে নিয়ে মামলা গ্রহণ করা হয়েছে। অভিযুক্ত শিক্ষকের অবস্থান সনাক্ত করে তাকে আটকের চেষ্টা চলছে। এটা মীমাংসাযোগ্য অপরাধ নয়। থানার বাইরে কেউ মীমাংসার চেষ্টা করছে কিনা তা আমাদের জানা নেই।' #
বরিশালের বাবুগঞ্জে ১২ বছর বয়সী এক মাদ্রাসা ছাত্রকে বলাৎকারের অভিযোগে মাদ্রাসার সহকারী শিক্ষকের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে। এদিকে ঘটনার পর থেকেই পলাতক রয়েছেন অভিযুক্ত মাদ্রাসা শিক্ষক। বলাৎকারের দায়ে অভিযুক্ত ওই শিক্ষকের নাম মাসুম বিল্লাহ (২৬)। তিনি বাবুগঞ্জ থানার সামনে অবস্থিত আল ইকরা দারুল উলুম নূরানী ও হাফিজিয়া মাদ্রাসার সহকারী শিক্ষক এবং নাটোর জেলার সিংড়া উপজেলার চকহিয়াতপুর গ্রামের শাহাদাৎ হোসেনের ছেলে।
থানা পুলিশ ও ভুক্তভোগী পরিবার সূত্রে জানা যায়, গত ১৫ মার্চ রাত আনুমানিক ১টার দিকে হিফজ শাখার ১২ বছর বয়সী এক আবাসিক শিশু শিক্ষার্থীকে ঘুম থেকে ডেকে তুলে পাশের কক্ষে নিয়ে যান মাদ্রাসা শিক্ষক মাসুম বিল্লাহ। সেখানে তাকে রাতভর অনৈতিক শারীরিক নির্যাতনসহ বলাৎকার করা হয়। পরবর্তীতে বিষয়টি কাউকে না জানানোর জন্য শিশুটিকে নানান ভয়ভীতি দেখানো হয়। এতে শিশুটি বাড়িতে গিয়ে অসুস্থ হয়ে পড়ে এবং মারপিটের ভয়ে পরিবারের কাছে ঘটনাটি গোপন রাখে। পরবর্তীতে তার পায়ুপথে সংক্রমণ দেখা দিলে এবং মাদ্রাসায় যেতে অস্বীকৃতি জানালে পরিবারের সন্দেহ হয়। পরে সে বিষয়টি স্বীকার করে এবং এর আগেও শিক্ষক মাসুম বিল্লাহ একাধিকবার তাকে বলাৎকার এবং শারীরিক নির্যাতন করেছে বলে পরিবারকে জানায়। ঘটনা জানার পরে ভুক্তভোগী শিশুটির বাবা বাদী হয়ে রোববার রাতে বাবুগঞ্জ থানায় শিশু ধর্ষণ ও বলাৎকারের অভিযোগে একটি মামলা দায়ের করেন।
এদিকে ঘটনা জানাজানি হওয়ার পর পালিয়ে যান অভিযুক্ত মাদ্রাসা শিক্ষক মাসুম বিল্লাহ। স্থানীয়দের অভিযোগ, মাদ্রাসা পরিচালক মুফতি আমিনুল ইসলাম নাটোর জেলার বাসিন্দা হওয়ায় তিনিই সহকারী শিক্ষক মাসুম বিল্লাহকে নাটোর থেকে এনে অবৈধভাবে চাকরি দিয়েছেন এবং মাদ্রাসার একটি কক্ষে থাকতে দিয়েছেন। এর আগেও এই প্রতিষ্ঠানে শিক্ষার্থী নির্যাতনের ঘটনা ঘটলেও রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে তা ধামাচাপা দেওয়া হয়। এবারও স্থানীয় বিভিন্ন প্রভাবশালী মহলের সঙ্গে যোগাযোগ করে থানার মাধ্যমে বিষয়টি মীমাংসার চেষ্টা করা হচ্ছে। তবে এসব অভিযোগ সরাসরি অস্বীকার করেছেন মাদ্রাসা পরিচালক মুফতি আমিনুল ইসলাম। অভিযুক্ত শিক্ষক মাসুম বিল্লাহ পলাতক এবং মোবাইল বন্ধ থাকায় তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
বাবুগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ শেখ মোহাম্মদ এহতেশামুল ইসলাম বলেন, 'ভিকটিমের বাবা কবির হোসেনের লিখিত অভিযোগ পাওয়ার পরে তা আমলে নিয়ে মামলা গ্রহণ করা হয়েছে। অভিযুক্ত শিক্ষকের অবস্থান সনাক্ত করে তাকে আটকের চেষ্টা চলছে। এটা মীমাংসাযোগ্য অপরাধ নয়। থানার বাইরে কেউ মীমাংসার চেষ্টা করছে কিনা তা আমাদের জানা নেই।' #
বরিশালের বাবুগঞ্জ উপজেলায় অবৈধভাবে ডিজেল ও পেট্রোল মজুদ এবং অতিরিক্ত দামে বিক্রির অভিযোগে ৩ প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা করেছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। এ সময় ৫ হাজার ৬০০ লিটার জ্বালানি তেল জব্দ করা হয়েছে। পরে জব্দকৃত ৩ হাজার লিটার তেল তাৎক্ষণিক নিলামের মাধ্যমে স্থানীয় ট্রলার, ট্রাক্টর, স্পিডবোট ও আলফা চালকদের কাছে বিক্রি করা হয়েছে। এতে মোট ৩ লাখ ৯ হাজার ৬০০ টাকা আদায় করে তা সরকারি কোষাগারে জমা দেওয়া হয়।
রোববার (১২ এপ্রিল) রাতে বাবুগঞ্জ উপজেলার মীরগঞ্জ ফেরিঘাট এলাকায় উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) আসমা উল হুসনা এবং জাতীয় নিরাপত্তা গোয়েন্দা সংস্থার (এনএসআই) যৌথ দল এক বিশেষ অভিযান পরিচালনা করেন। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পরিচালিত এ অভিযানে মেসার্স হাওলাদার স্টোর ও সিকদার স্টোর নামে দুটি প্রতিষ্ঠানে তল্লাশি চালানো হয়। এসময় অবৈধভাবে জ্বালানি তেল মজুদ ও বিক্রির দায়ে ডিলার আব্দুল কুদ্দুস হাওলাদারকে ৫ হাজার টাকা এবং সাইদুর রহমান সিকদারকে ৩ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। অভিযানকালে প্রতিষ্ঠান দুটি থেকে ২ হাজার ৪০০ লিটার ডিজেল এবং ৬০০ লিটার পেট্রোলসহ মোট ৩ হাজার লিটার জ্বালানি তেল জব্দ করা হয়। অভিযুক্তরা বরিশাল নগরীর লঞ্চঘাট এলাকার একটি ফিলিং স্টেশন থেকে অবৈধভাবে জ্বালানি তেল সংগ্রহ করে এনে উপজেলার মীরগঞ্জ ফেরিঘাট সংলগ্ন দোকানে মজুদ করে সরকার নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে বেশি দামে বিক্রি করছিলেন।
এদিকে রোববার বিকেলে বাবুগঞ্জ উপজেলার ক্ষুদ্রকাঠী গ্রামে মোল্লা এন্টারপ্রাইজ নামের একটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালায় ভ্রাম্যমান আদালত। সেখানে তল্লাশী চালিয়ে অবৈধভাবে মজুতকৃত ২ হাজার ৬০০ লিটার ডিজেল জব্দ করা হয়। এসময় মোল্লা এন্টারপ্রাইজের সত্ত্বাধিকারী সিদ্দিকুর রহমান মোল্লাকে ১০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড করা হয়। ভ্রাম্যমান আদালতের ওই অভিযানের নেতৃত্ব দেন সহকারী কমিশনার (ভূমি) কামরুন্নাহার তামান্না।
বাবুগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) আসমা উল হুসনা বলেন, 'রোববার উপজেলা প্রশাসনের পৃথক দুইটি অভিযানে মোট ৫ হাজার ৬০০ লিটার জ্বালানি তেল জব্দ করা হয়েছে। তাৎক্ষণিক ৩ হাজার লিটার তেল স্পট নিলামের মাধ্যমে বিক্রি করে ৩ লক্ষাধিক টাকা সরকারি কোষাগারে জমা দেওয়া হয়েছে। এনএসআই বরিশাল কার্যালয় ও স্থানীয় থানা পুলিশের সহায়তায় মোবাইল কোর্টের এসব অভিযান পরিচালনা করা হয়। অবৈধ মজুদ ও অতিরিক্ত দামে জ্বালানি তেল বিক্রির বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানে রয়েছে উপজেলা প্রশাসন। অসাধু ব্যবসায়ী সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে উপজেলা প্রশাসনের এই অভিযান অব্যাহত থাকবে।' #

বরিশালের বাবুগঞ্জ উপজেলায় অবৈধভাবে ডিজেল ও পেট্রোল মজুদ এবং অতিরিক্ত দামে বিক্রির অভিযোগে ৩ প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা করেছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। এ সময় ৫ হাজার ৬০০ লিটার জ্বালানি তেল জব্দ করা হয়েছে। পরে জব্দকৃত ৩ হাজার লিটার তেল তাৎক্ষণিক নিলামের মাধ্যমে স্থানীয় ট্রলার, ট্রাক্টর, স্পিডবোট ও আলফা চালকদের কাছে বিক্রি করা হয়েছে। এতে মোট ৩ লাখ ৯ হাজার ৬০০ টাকা আদায় করে তা সরকারি কোষাগারে জমা দেওয়া হয়।
রোববার (১২ এপ্রিল) রাতে বাবুগঞ্জ উপজেলার মীরগঞ্জ ফেরিঘাট এলাকায় উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) আসমা উল হুসনা এবং জাতীয় নিরাপত্তা গোয়েন্দা সংস্থার (এনএসআই) যৌথ দল এক বিশেষ অভিযান পরিচালনা করেন। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পরিচালিত এ অভিযানে মেসার্স হাওলাদার স্টোর ও সিকদার স্টোর নামে দুটি প্রতিষ্ঠানে তল্লাশি চালানো হয়। এসময় অবৈধভাবে জ্বালানি তেল মজুদ ও বিক্রির দায়ে ডিলার আব্দুল কুদ্দুস হাওলাদারকে ৫ হাজার টাকা এবং সাইদুর রহমান সিকদারকে ৩ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। অভিযানকালে প্রতিষ্ঠান দুটি থেকে ২ হাজার ৪০০ লিটার ডিজেল এবং ৬০০ লিটার পেট্রোলসহ মোট ৩ হাজার লিটার জ্বালানি তেল জব্দ করা হয়। অভিযুক্তরা বরিশাল নগরীর লঞ্চঘাট এলাকার একটি ফিলিং স্টেশন থেকে অবৈধভাবে জ্বালানি তেল সংগ্রহ করে এনে উপজেলার মীরগঞ্জ ফেরিঘাট সংলগ্ন দোকানে মজুদ করে সরকার নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে বেশি দামে বিক্রি করছিলেন।
এদিকে রোববার বিকেলে বাবুগঞ্জ উপজেলার ক্ষুদ্রকাঠী গ্রামে মোল্লা এন্টারপ্রাইজ নামের একটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালায় ভ্রাম্যমান আদালত। সেখানে তল্লাশী চালিয়ে অবৈধভাবে মজুতকৃত ২ হাজার ৬০০ লিটার ডিজেল জব্দ করা হয়। এসময় মোল্লা এন্টারপ্রাইজের সত্ত্বাধিকারী সিদ্দিকুর রহমান মোল্লাকে ১০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড করা হয়। ভ্রাম্যমান আদালতের ওই অভিযানের নেতৃত্ব দেন সহকারী কমিশনার (ভূমি) কামরুন্নাহার তামান্না।
বাবুগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) আসমা উল হুসনা বলেন, 'রোববার উপজেলা প্রশাসনের পৃথক দুইটি অভিযানে মোট ৫ হাজার ৬০০ লিটার জ্বালানি তেল জব্দ করা হয়েছে। তাৎক্ষণিক ৩ হাজার লিটার তেল স্পট নিলামের মাধ্যমে বিক্রি করে ৩ লক্ষাধিক টাকা সরকারি কোষাগারে জমা দেওয়া হয়েছে। এনএসআই বরিশাল কার্যালয় ও স্থানীয় থানা পুলিশের সহায়তায় মোবাইল কোর্টের এসব অভিযান পরিচালনা করা হয়। অবৈধ মজুদ ও অতিরিক্ত দামে জ্বালানি তেল বিক্রির বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানে রয়েছে উপজেলা প্রশাসন। অসাধু ব্যবসায়ী সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে উপজেলা প্রশাসনের এই অভিযান অব্যাহত থাকবে।' #

আন্তর্জাতিক পথশিশু দিবস উপলক্ষে মানবাধিকার রক্ষায় অসামান্য অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ ‘হিউম্যান রাইটস চ্যাম্পিয়ন ২০২৬’ সম্মানে ভূষিত হয়েছেন বিদেশের মাটিতে প্রথম বাংলাদেশি উপাচার্য (ভিসি) প্রফেসর ড. শেখ আসিফ এস. মিজান। আজ রবিবার রাজধানীর সেগুনবাগিচায় ওয়ার্ল্ড হিউম্যান রাইটস অর্গানাইজেশন আয়োজিত "ইন্টারন্যাশনাল হিউম্যান রাইটস অ্যাওয়ার্ড ২০২৬" অনুষ্ঠানে তাকে এই বিশেষ পদক ও সম্মাননা প্রদান করা হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব জননেতা হাবিব উন নবী খান সোহেল। সংগঠনের সভাপতি মহি উদ্দিন আমিনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে ড. মিজানের হাতে সম্মাননা ক্রেস্ট ও সার্টিফিকেট তুলে দেওয়া হয়। এসময় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জনপ্রিয় চলচ্চিত্র অভিনেতা ওমর সানী ও সংগীতশিল্পী রবি চৌধুরীসহ অন্যান্য বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ।
উল্লেখ্য, ২০২৪ সালের ফেব্রুয়ারিতে সোমালিয়ার মোগাদিশুর দারুসালাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি পদে যোগ দিয়ে ইতিহাস গড়েন ড. মিজান। এর আগে বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত একজন কানাডিয়ান নাগরিক বিদেশের মাটিতে ভিসি হলেও, সরাসরি বাংলাদেশি পাসপোর্টধারী হিসেবে তিনিই প্রথম এই শীর্ষ পদে আসীন হন। সুশাসন ও মানবাধিকারে পিএইচডিধারী এই শিক্ষাবিদ দীর্ঘকাল ধরে রোটারি ক্লাব, মসজিদ সমাজ বাংলাদেশ এবং এশিয়ান নারী ও শিশু অধিকার ফাউন্ডেশনসহ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছেন।
সম্মাননা গ্রহণকালে ড. আসিফ মিজান বলেন, “এই স্বীকৃতি আমার দায়িত্ব আরও বাড়িয়ে দিল। শিক্ষা ও মানবাধিকার রক্ষায় আমার এই প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকবে।” অনুষ্ঠানে বিভিন্ন স্তরের রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, আইনজীবী, ব্যবসায়ী এবং বিপুল সংখ্যক পথশিশু উপস্থিত ছিলেন।’
১৩ এপ্রিল, ২০২৬ ১৮:২৩
১৩ এপ্রিল, ২০২৬ ১৭:৪৬
১৩ এপ্রিল, ২০২৬ ১৭:১৪
১৩ এপ্রিল, ২০২৬ ১৬:২৯