Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.

২৯ আগস্ট, ২০২৫ ১৫:৪৮
বরিশাল থেকে ২০০৪ সালে গজারিয়া নদীর তলদেশ হয়ে সাবমেরিন ক্যাবলের মাধ্যমে বিদ্যুৎ আসে মেহেন্দিগঞ্জ উপজেলায়। নদীর তলদেশের ক্যাবল ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় গত ৪ দিন ধরে বিদ্যুৎ নেই এই উপজেলায়। এতে জনজীবনে চরম বিপর্যয় নেমে এসেছে। বিদ্যুৎবিহীন রয়েছে ১৭টি ইউনিয়নের বাসিন্দা। স্থানীয়রা জানান, বিভিন্ন এলাকায় বিশুদ্ধ পানির সংকট তৈরি হয়েছে।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, বিদ্যুৎ না থাকায় মোবাইলে নেটওয়ার্ক বিপর্যয় দেখা দিয়েছে। পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-১ এর আওতাধীন পুরো উপজেলাতেই একই অবস্থা বিরাজ করছে। মার্কেটে ব্যবসায়ীদের ক্রেতাশূন্য অন্ধকার দোকানে বসে থাকতে দেখা গেছে। পানির অভাবে অনেক পরিবার ও প্রতিষ্ঠানে রান্নাবান্না করতে পারেনি। ফলে খেয়ে না খেয়ে অতি কষ্টে সময় পার করতে হচ্ছে তাদের।
স্থানীয়রা জানান, বিদ্যুৎ না থাকায় এলাকার মসজিদগুলোতেও অজুর পানি নেই। ফ্রিজের খাবার নষ্ট হয়ে গেছে। হাসপাতালে রোগীদের কষ্ট দ্বিগুণ বেড়েছে। সরকারি দপ্তরগুলোতে সেবাগ্রহীতা সকালে এসে বিকাল পর্যন্ত অপেক্ষা করে সেবা না পেয়ে ফিরে যাচ্ছেন।
ব্যাটারিচালিত যানবাহন বন্ধ হয়ে গেছে। থানায় লিখিত কোনো অভিযোগ করতে পারছেন না। বিভিন্ন পোলট্রি খামারিতে ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। ওষুধের ফার্মেসিতে ফ্রিজে রাখা ইনসুলিন এবং ইনজেকশনগুলো নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। লাখো মানুষ এখন বেকায়দায়।
নির্বাচন অফিসে সেবা নিতে আসা মো. নাসির উদ্দিন খান বলেন, আমি জয়নগর ইউনিয়ন থেকে সকাল ১০টায় অফিসে এসেছি ছেলের ভোটার আইডি কার্ড করাতে। বিদ্যুৎ না থাকায় কাজ না করেই ফিরে যাচ্ছি। আমাদের অনেক ভোগান্তি হচ্ছে।
মেহেন্দিগঞ্জ কেমিস্ট অ্যান্ড ড্রাগ সমিতির সাধারণ সম্পাদক মো. শাহাদাত সোহাগ বলেন, বিদ্যুৎ না থাকায় ওষুধের ফার্মেসিগুলো বিভিন্ন সমস্যার সম্মুখীন হয়েছে। সবচেয়ে বড় সমস্যা হচ্ছে রেবিকবিসি, টিটি বাক্স, ইনসুলিন, সাপোজিটর যেগুলো ফ্রিজে রাখা হয়। বিদ্যুৎ না থাকায় এসব ইনজেকশনগুলো রোগীদের দেওয়া যাচ্ছে না। যথাযথ কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করছি দ্রুত বিদ্যুৎ সার্ভিসের ব্যবস্থা করে।
মেহেন্দিগঞ্জ উপজেলা নির্বাচন অফিসার মো. সাইদুর রহমান বলেন, বিদ্যুৎ না থাকায় সেবা কার্যক্রম বন্ধ হয়ে গেছে। কম্পিউটার, ল্যাপটপ বন্ধ ও ফটোকপি মেশিন বন্ধ রয়েছে। জরুরি সেবাও দেওয়া যাচ্ছে না। আমাদের প্রতিটা সেবাই বিদ্যুতের সঙ্গে সম্পর্ক।
কখন বিদ্যুৎ পাবো তার নিশ্চয়তাও কেউ দিতে পারছে না। উপজেলা সমবায় কর্মকর্তা মো. জাহিদুল ইসলাম শেখ বলেন, গত মঙ্গলবার রাত ১০টার পর থেকে এখন পর্যন্ত বিদ্যুৎ আসেনি। আমাদের সকল ধরনের কার্যক্রম স্থবির হয়ে পড়েছে।
এ বিষয়ে মেহেন্দিগঞ্জ পল্লী বিদ্যুতের এজিএম হারুন অর রশিদ বলেন, গজারিয়া নদীতে জাহাজ নোঙর করার সময় গ্যারাপির আঘাতে নদীর তলদেশে সাবমেরিন ক্যাবল ক্ষতবিক্ষত হয়। তিনটি পেজে সমস্যা হয়েছে।
আমাদের ইঞ্জিনিয়ার ও বরিশালের ডুবুরি কাজ করছেন। আমরা ঘটনার পরপরই সমস্যা সমাধানের জন্য বিরামহীন কাজ করে যাচ্ছি। সমস্যা চিহ্নিত করা হয়েছে। তা ঠিক করা হচ্ছে। ঠিক হলেই দ্রুত বিদ্যুৎ সরবরাহ সচল করা হবে। আশা করছি, দু-একদিনের মধ্যেই বিদ্যুৎ সরবরাহ স্বাভাবিক হবে।
মেহেন্দিগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. রিয়াজুর রহমান বলেন, মেহেন্দিগঞ্জের বিদ্যুৎটা ৩৩ কেবি লাইনের মাধ্যমে বরিশাল থেকে মুলাদি হয়ে মেরিন ক্যাবলের মাধ্যমে গজারিয়া নদীর তলদেশ হয়ে মেহেন্দিগঞ্জে আসে। নদীর তলদেশের ক্যাবল ছিঁড়ে যাওয়ার ফলে বিদ্যুৎ নেই।
তিনি বলেন, আমরা দ্রুত কর্তৃপক্ষকে বিষয়টি জানিয়েছি। বরিশাল জেলা প্রশাসক স্যারকে জানিয়েছি। স্যার বিষয়টি বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সচিবকে জানিয়েছেন। তারা দ্রুত অপটিক্যাল ফাইবার ক্যাবল আনার ব্যবস্থা করছেন। আশা করি আগামী একদিনের মধ্যে বিদ্যুৎ স্বাভাবিক হবে।
বরিশাল থেকে ২০০৪ সালে গজারিয়া নদীর তলদেশ হয়ে সাবমেরিন ক্যাবলের মাধ্যমে বিদ্যুৎ আসে মেহেন্দিগঞ্জ উপজেলায়। নদীর তলদেশের ক্যাবল ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় গত ৪ দিন ধরে বিদ্যুৎ নেই এই উপজেলায়। এতে জনজীবনে চরম বিপর্যয় নেমে এসেছে। বিদ্যুৎবিহীন রয়েছে ১৭টি ইউনিয়নের বাসিন্দা। স্থানীয়রা জানান, বিভিন্ন এলাকায় বিশুদ্ধ পানির সংকট তৈরি হয়েছে।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, বিদ্যুৎ না থাকায় মোবাইলে নেটওয়ার্ক বিপর্যয় দেখা দিয়েছে। পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-১ এর আওতাধীন পুরো উপজেলাতেই একই অবস্থা বিরাজ করছে। মার্কেটে ব্যবসায়ীদের ক্রেতাশূন্য অন্ধকার দোকানে বসে থাকতে দেখা গেছে। পানির অভাবে অনেক পরিবার ও প্রতিষ্ঠানে রান্নাবান্না করতে পারেনি। ফলে খেয়ে না খেয়ে অতি কষ্টে সময় পার করতে হচ্ছে তাদের।
স্থানীয়রা জানান, বিদ্যুৎ না থাকায় এলাকার মসজিদগুলোতেও অজুর পানি নেই। ফ্রিজের খাবার নষ্ট হয়ে গেছে। হাসপাতালে রোগীদের কষ্ট দ্বিগুণ বেড়েছে। সরকারি দপ্তরগুলোতে সেবাগ্রহীতা সকালে এসে বিকাল পর্যন্ত অপেক্ষা করে সেবা না পেয়ে ফিরে যাচ্ছেন।
ব্যাটারিচালিত যানবাহন বন্ধ হয়ে গেছে। থানায় লিখিত কোনো অভিযোগ করতে পারছেন না। বিভিন্ন পোলট্রি খামারিতে ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। ওষুধের ফার্মেসিতে ফ্রিজে রাখা ইনসুলিন এবং ইনজেকশনগুলো নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। লাখো মানুষ এখন বেকায়দায়।
নির্বাচন অফিসে সেবা নিতে আসা মো. নাসির উদ্দিন খান বলেন, আমি জয়নগর ইউনিয়ন থেকে সকাল ১০টায় অফিসে এসেছি ছেলের ভোটার আইডি কার্ড করাতে। বিদ্যুৎ না থাকায় কাজ না করেই ফিরে যাচ্ছি। আমাদের অনেক ভোগান্তি হচ্ছে।
মেহেন্দিগঞ্জ কেমিস্ট অ্যান্ড ড্রাগ সমিতির সাধারণ সম্পাদক মো. শাহাদাত সোহাগ বলেন, বিদ্যুৎ না থাকায় ওষুধের ফার্মেসিগুলো বিভিন্ন সমস্যার সম্মুখীন হয়েছে। সবচেয়ে বড় সমস্যা হচ্ছে রেবিকবিসি, টিটি বাক্স, ইনসুলিন, সাপোজিটর যেগুলো ফ্রিজে রাখা হয়। বিদ্যুৎ না থাকায় এসব ইনজেকশনগুলো রোগীদের দেওয়া যাচ্ছে না। যথাযথ কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করছি দ্রুত বিদ্যুৎ সার্ভিসের ব্যবস্থা করে।
মেহেন্দিগঞ্জ উপজেলা নির্বাচন অফিসার মো. সাইদুর রহমান বলেন, বিদ্যুৎ না থাকায় সেবা কার্যক্রম বন্ধ হয়ে গেছে। কম্পিউটার, ল্যাপটপ বন্ধ ও ফটোকপি মেশিন বন্ধ রয়েছে। জরুরি সেবাও দেওয়া যাচ্ছে না। আমাদের প্রতিটা সেবাই বিদ্যুতের সঙ্গে সম্পর্ক।
কখন বিদ্যুৎ পাবো তার নিশ্চয়তাও কেউ দিতে পারছে না। উপজেলা সমবায় কর্মকর্তা মো. জাহিদুল ইসলাম শেখ বলেন, গত মঙ্গলবার রাত ১০টার পর থেকে এখন পর্যন্ত বিদ্যুৎ আসেনি। আমাদের সকল ধরনের কার্যক্রম স্থবির হয়ে পড়েছে।
এ বিষয়ে মেহেন্দিগঞ্জ পল্লী বিদ্যুতের এজিএম হারুন অর রশিদ বলেন, গজারিয়া নদীতে জাহাজ নোঙর করার সময় গ্যারাপির আঘাতে নদীর তলদেশে সাবমেরিন ক্যাবল ক্ষতবিক্ষত হয়। তিনটি পেজে সমস্যা হয়েছে।
আমাদের ইঞ্জিনিয়ার ও বরিশালের ডুবুরি কাজ করছেন। আমরা ঘটনার পরপরই সমস্যা সমাধানের জন্য বিরামহীন কাজ করে যাচ্ছি। সমস্যা চিহ্নিত করা হয়েছে। তা ঠিক করা হচ্ছে। ঠিক হলেই দ্রুত বিদ্যুৎ সরবরাহ সচল করা হবে। আশা করছি, দু-একদিনের মধ্যেই বিদ্যুৎ সরবরাহ স্বাভাবিক হবে।
মেহেন্দিগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. রিয়াজুর রহমান বলেন, মেহেন্দিগঞ্জের বিদ্যুৎটা ৩৩ কেবি লাইনের মাধ্যমে বরিশাল থেকে মুলাদি হয়ে মেরিন ক্যাবলের মাধ্যমে গজারিয়া নদীর তলদেশ হয়ে মেহেন্দিগঞ্জে আসে। নদীর তলদেশের ক্যাবল ছিঁড়ে যাওয়ার ফলে বিদ্যুৎ নেই।
তিনি বলেন, আমরা দ্রুত কর্তৃপক্ষকে বিষয়টি জানিয়েছি। বরিশাল জেলা প্রশাসক স্যারকে জানিয়েছি। স্যার বিষয়টি বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সচিবকে জানিয়েছেন। তারা দ্রুত অপটিক্যাল ফাইবার ক্যাবল আনার ব্যবস্থা করছেন। আশা করি আগামী একদিনের মধ্যে বিদ্যুৎ স্বাভাবিক হবে।

১৭ মার্চ, ২০২৬ ০০:৩৯
আজ ১৭ মার্চ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ১০৭তম জন্মদিন। ১৯২০ সালের এই দিনে ফরিদপুর জেলার তৎকালীন গোপালগঞ্জ মহকুমার টুঙ্গিপাড়া গ্রামে সম্ভ্রান্ত শেখ পরিবারে তিনি জন্মগ্রহণ করেন।
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলন, ১৯৫৪ সালের যুক্তফ্রন্ট নির্বাচন, ১৯৬২ সালের শিক্ষা আন্দোলনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন। ১৯৭১ সালে স্বাধীনতা অর্জনের পর তিনি প্রথমে বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি ও পরবর্তী সময়ে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নেন।
ব্রিটিশ ভারত এবং পরবর্তী সময়ে পূর্ব পাকিস্তানে মানুষের অধিকার আদায়ের লক্ষ্যেও তিনি সোচ্চার ছিলেন। রাজনৈতিক জীবনে তাকে বহুবার কারাবরণ করতে হয়।
১৯৬৬ সালে তিনি ঐতিহাসিক ৬ দফা পেশ করেন। ১৯৬৮ সালে তাকে আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলার প্রধান আসামি করা হয়। ১৯৬৯ সালের ২২ ফেব্রুয়ারি গণঅভ্যুত্থান ও জনগণের চাপের মুখে পাকিস্তান সরকার আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা প্রত্যাহার করে শেখ মুজিবসহ অন্যান্য আসামিকে মুক্তি দেয়। মুক্তিলাভের পর ছাত্র-জনতা শেখ মুজিবকে বঙ্গবন্ধু উপাধি দিয়ে সম্মানিত করেন। শিশুকালে ‘খোকা’ নামে পরিচিত মুজিবের ১৯৭১ সালে দেওয়া ঐতিহাসিক ৭ মার্চের ভাষণ বিশ্বপ্রামাণ্য ঐতিহ্য হিসেবে স্বীকৃতি প্রদান করে ইউনেস্কো।
১৯৭০ সালের নির্বাচনে পাকিস্তানের সংখ্যাগরিষ্ঠ জনগণের ম্যান্ডেট লাভ করে আওয়ামী লীগ। কিন্তু পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠী ক্ষমতা হস্তান্তরে গড়িমসি চালায়। এ প্রেক্ষাপটে ১৯৭১ সালের মার্চে অসহযোগ আন্দোলন শুরু হয়। ওই বছরের ৭ মার্চ তৎকালীন রেসকোর্স ময়দানে (বর্তমান সোহরাওয়ার্দী উদ্যান) ঐতিহাসিক ভাষণ দেন বঙ্গবন্ধু। ২৫ মার্চ রাতে তিনি গ্রেপ্তার হয়ে মুক্তিযুদ্ধের ৯ মাস পাকিস্তানের কারাগারে ছিলেন। ১৯৭২ সালের ১০ জানুয়ারি তিনি পাকিস্তানের কারাগার থেকে মুক্তি পান। ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট ধানমন্ডির বাসভবনে সপরিবারের নিহত হন বঙ্গবন্ধু।
২০২৪ সালের ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে আওয়ামী লীগ সরকার পতনের পর গঠিত অন্তর্বর্তী সরকার দিনটির রাষ্ট্রীয় মর্যাদা ও সরকারি ছুটি বাতিল করে। সেইসঙ্গে ২০০৯ সাল থেকে শুরু হওয়া জাতীয় শিশু দিবস পালনও বন্ধ হয়ে যায়। পরিবর্তিত প্রেক্ষাপটে এবারও বঙ্গবন্ধুর জন্মদিন ঘিরে কোনো কর্মসূচি পালন হচ্ছে না।’

১৬ মার্চ, ২০২৬ ২০:২৪
বরিশালে ওষুধ কোম্পানি অপসোনিন ফার্মাসিউটিক্যালসের গ্লোবাল ক্যাপসুল কারখানায় অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। সোমবার (১৬ মার্চ) বিকেলে নগরীর রূপাতলী কারখানায় এই অগ্নিকাণ্ড ঘটে। পরে ফায়ার সার্ভিসের ৫টি ইউনিট ঘণ্টাব্যাপী চেষ্টা চালিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।
বরিশাল ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন অফিসার রবিউল ইসলাম জানান, কারখানার বয়লারের জ্বালানির জন্য কাঠের গুড়ি স্তূপ করে রাখা ছিল। অসাবধানতাবশত ওই কাঠের গুড়িতে আগুন লেগে যায়। ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা খবর পেয়ে ছুটে এসে দ্রুত আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। তবে কাঠের গুড়ি হওয়ায় পুরোপুরি নিভে যেতে সময় লাগবে।
রবিউল ইসলাম আরও বলেন, কী কারণে আগুনের সূত্রপাত ও কত টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে তা তাৎক্ষণিক জানা সম্ভব নয়, পরবর্তীতে তদন্ত সাপেক্ষে সঠিক তথ্য জানা যাবে।

১৬ মার্চ, ২০২৬ ২০:১৭
আজ ১৭ মার্চ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ১০৭তম জন্মদিন। ১৯২০ সালের এই দিনে ফরিদপুর জেলার তৎকালীন গোপালগঞ্জ মহকুমার টুঙ্গিপাড়া গ্রামে সম্ভ্রান্ত শেখ পরিবারে তিনি জন্মগ্রহণ করেন।
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলন, ১৯৫৪ সালের যুক্তফ্রন্ট নির্বাচন, ১৯৬২ সালের শিক্ষা আন্দোলনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন। ১৯৭১ সালে স্বাধীনতা অর্জনের পর তিনি প্রথমে বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি ও পরবর্তী সময়ে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নেন।
ব্রিটিশ ভারত এবং পরবর্তী সময়ে পূর্ব পাকিস্তানে মানুষের অধিকার আদায়ের লক্ষ্যেও তিনি সোচ্চার ছিলেন। রাজনৈতিক জীবনে তাকে বহুবার কারাবরণ করতে হয়।
১৯৬৬ সালে তিনি ঐতিহাসিক ৬ দফা পেশ করেন। ১৯৬৮ সালে তাকে আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলার প্রধান আসামি করা হয়। ১৯৬৯ সালের ২২ ফেব্রুয়ারি গণঅভ্যুত্থান ও জনগণের চাপের মুখে পাকিস্তান সরকার আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা প্রত্যাহার করে শেখ মুজিবসহ অন্যান্য আসামিকে মুক্তি দেয়। মুক্তিলাভের পর ছাত্র-জনতা শেখ মুজিবকে বঙ্গবন্ধু উপাধি দিয়ে সম্মানিত করেন। শিশুকালে ‘খোকা’ নামে পরিচিত মুজিবের ১৯৭১ সালে দেওয়া ঐতিহাসিক ৭ মার্চের ভাষণ বিশ্বপ্রামাণ্য ঐতিহ্য হিসেবে স্বীকৃতি প্রদান করে ইউনেস্কো।
১৯৭০ সালের নির্বাচনে পাকিস্তানের সংখ্যাগরিষ্ঠ জনগণের ম্যান্ডেট লাভ করে আওয়ামী লীগ। কিন্তু পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠী ক্ষমতা হস্তান্তরে গড়িমসি চালায়। এ প্রেক্ষাপটে ১৯৭১ সালের মার্চে অসহযোগ আন্দোলন শুরু হয়। ওই বছরের ৭ মার্চ তৎকালীন রেসকোর্স ময়দানে (বর্তমান সোহরাওয়ার্দী উদ্যান) ঐতিহাসিক ভাষণ দেন বঙ্গবন্ধু। ২৫ মার্চ রাতে তিনি গ্রেপ্তার হয়ে মুক্তিযুদ্ধের ৯ মাস পাকিস্তানের কারাগারে ছিলেন। ১৯৭২ সালের ১০ জানুয়ারি তিনি পাকিস্তানের কারাগার থেকে মুক্তি পান। ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট ধানমন্ডির বাসভবনে সপরিবারের নিহত হন বঙ্গবন্ধু।
২০২৪ সালের ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে আওয়ামী লীগ সরকার পতনের পর গঠিত অন্তর্বর্তী সরকার দিনটির রাষ্ট্রীয় মর্যাদা ও সরকারি ছুটি বাতিল করে। সেইসঙ্গে ২০০৯ সাল থেকে শুরু হওয়া জাতীয় শিশু দিবস পালনও বন্ধ হয়ে যায়। পরিবর্তিত প্রেক্ষাপটে এবারও বঙ্গবন্ধুর জন্মদিন ঘিরে কোনো কর্মসূচি পালন হচ্ছে না।’
বরিশালে ওষুধ কোম্পানি অপসোনিন ফার্মাসিউটিক্যালসের গ্লোবাল ক্যাপসুল কারখানায় অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। সোমবার (১৬ মার্চ) বিকেলে নগরীর রূপাতলী কারখানায় এই অগ্নিকাণ্ড ঘটে। পরে ফায়ার সার্ভিসের ৫টি ইউনিট ঘণ্টাব্যাপী চেষ্টা চালিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।
বরিশাল ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন অফিসার রবিউল ইসলাম জানান, কারখানার বয়লারের জ্বালানির জন্য কাঠের গুড়ি স্তূপ করে রাখা ছিল। অসাবধানতাবশত ওই কাঠের গুড়িতে আগুন লেগে যায়। ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা খবর পেয়ে ছুটে এসে দ্রুত আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। তবে কাঠের গুড়ি হওয়ায় পুরোপুরি নিভে যেতে সময় লাগবে।
রবিউল ইসলাম আরও বলেন, কী কারণে আগুনের সূত্রপাত ও কত টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে তা তাৎক্ষণিক জানা সম্ভব নয়, পরবর্তীতে তদন্ত সাপেক্ষে সঠিক তথ্য জানা যাবে।
বরিশালের বাবুগঞ্জে কু-প্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় ৯ বছর বয়সী এক শিশুকে পুড়িয়ে মারার অভিযোগ উঠেছে প্রতিবেশী কিশোরের বিরুদ্ধে। রোববার (১৫ মার্চ) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে অগ্নিসংযোগের পর রাত সাড়ে ১০টার দিকে ঢাকা শেখ হাসিনা বার্ন ইউনিটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।
নিহত শিশু রাইসা বাবুগঞ্জ উপজেলার দেহেরগতি ইউনিয়নের চার নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা দিনমজুর নজরুল ইসলামের মেয়ে। সে স্থানীয় একটি মাদ্রাসার তৃতীয় শ্রেণির ছাত্রী বলে জানা গেছে।
মৃত্যুর আগে অগ্নিদগ্ধ রাইসার একটি ভিডিও বক্তব্য সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। সেখানে রাইসাকে বলতে শোনা যায়, আমারে খারাপ জিনিস কইছে, আমি হুনিনাই দেইখা শিফাত আমার গায় আগুন দিছে।
ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী স্থানীয় বাসিন্দা তসলিম জানান, রাইসারা এক ভাই, এক বোন। মা তাদের ফেলে রেখে অন্যত্র বিয়ে করেছেন। বড় ভাই ঢাকার একটি ফলের দোকানে চাকরি করেন। বাবা কাঠমিস্ত্রি।
তিনি বলেন, রাইসা স্থানীয় একটি মাদ্রাসার তৃতীয় শ্রেণিতে পড়ে। ঘটনার সময় ওর বাবা বাড়িতে ছিল না। দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে মানুষের ডাকাডাকি এবং রাইসার চিৎকার শুনে ওর ঘরের সামনে ছুটে যায়। দেখতে পাই সারা শরীরের দাউ দাউ করে আগুন জ্বলছে। দ্রুত এক বাতলি পানি মেরে আগুন নেভানোর চেষ্টা করি। পরে ওরে কোলে নিয়ে পাশে থাকা নদীতে ঝাঁপ দিয়ে আগুন নেভাই।
তসলিম বলেন, ‘রাইসাকে উদ্ধার করে যখন হাসপাতালে নিয়ে যাই তখন প্রতিবেশী জালাল সিকদারকে রাইসা দেখতে পায়। তখন রাইসা কাঁদতে কাঁদতে বলতে থাকে— জালাল সিকদারের ছেলে শিফাতের জন্য তার শরীরের আগুন লেগেছে।
তবে ঘটনার পর শিফাতকে ঘটনাস্থলের আশপাশে দেখা যায়নি। আদৌ কেউ ওর গায়ে আগুন দিয়েছে নাকি আগুন লেগেছে, অথবা নিজেই আগুন দিয়েছে কিনা আমার জানা নেই।
তসলিম জানান, ঘটনার পর রাইসাকে পার্শ্ববর্তী উজিরপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যাই। সেখান থেকে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়।
অবস্থা খারাপ হওয়ায় সেখানেও তাকে না রেখে ঢাকা মেডিকেলের শেখ হাসিনা বার্ন ইউনিটে প্রেরণ করে। সেখানে পৌঁছাতে রাত হয়ে যায়। ভর্তি করে অপারেশন থিয়েটার পর্যন্ত যেতে ২ ঘণ্টা সময় লাগে।
চিকিৎসক জানান, রাইসার শরীরের ৮০ শতাংশ পুড়ে গেছে, অবস্থা ভালো না। এরপর অপারেশন থিয়েটারে নেওয়ার কিছুক্ষণ পরই চিকিৎসক জানান রাইসা মারা গেছে। তখন রাত সাড়ে ১০টার মতো বাজতে পারে। বর্তমানে রাইসার মরদেহ মর্গে রয়েছে।
বাবুগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ শেখ মো. এহতেশামুল ইসলাম বলেন, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এমন একটি ঘটনার ভিডিও দেখেছি। তবে এমন অভিযোগ নিয়ে কেউ থানায় আসেনি বা কেউ পুলিশকে জানায়নি। লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
বরিশালের বাবুগঞ্জে কু-প্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় ৯ বছর বয়সী এক শিশুকে পুড়িয়ে মারার অভিযোগ উঠেছে প্রতিবেশী কিশোরের বিরুদ্ধে। রোববার (১৫ মার্চ) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে অগ্নিসংযোগের পর রাত সাড়ে ১০টার দিকে ঢাকা শেখ হাসিনা বার্ন ইউনিটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।
নিহত শিশু রাইসা বাবুগঞ্জ উপজেলার দেহেরগতি ইউনিয়নের চার নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা দিনমজুর নজরুল ইসলামের মেয়ে। সে স্থানীয় একটি মাদ্রাসার তৃতীয় শ্রেণির ছাত্রী বলে জানা গেছে।
মৃত্যুর আগে অগ্নিদগ্ধ রাইসার একটি ভিডিও বক্তব্য সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। সেখানে রাইসাকে বলতে শোনা যায়, আমারে খারাপ জিনিস কইছে, আমি হুনিনাই দেইখা শিফাত আমার গায় আগুন দিছে।
ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী স্থানীয় বাসিন্দা তসলিম জানান, রাইসারা এক ভাই, এক বোন। মা তাদের ফেলে রেখে অন্যত্র বিয়ে করেছেন। বড় ভাই ঢাকার একটি ফলের দোকানে চাকরি করেন। বাবা কাঠমিস্ত্রি।
তিনি বলেন, রাইসা স্থানীয় একটি মাদ্রাসার তৃতীয় শ্রেণিতে পড়ে। ঘটনার সময় ওর বাবা বাড়িতে ছিল না। দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে মানুষের ডাকাডাকি এবং রাইসার চিৎকার শুনে ওর ঘরের সামনে ছুটে যায়। দেখতে পাই সারা শরীরের দাউ দাউ করে আগুন জ্বলছে। দ্রুত এক বাতলি পানি মেরে আগুন নেভানোর চেষ্টা করি। পরে ওরে কোলে নিয়ে পাশে থাকা নদীতে ঝাঁপ দিয়ে আগুন নেভাই।
তসলিম বলেন, ‘রাইসাকে উদ্ধার করে যখন হাসপাতালে নিয়ে যাই তখন প্রতিবেশী জালাল সিকদারকে রাইসা দেখতে পায়। তখন রাইসা কাঁদতে কাঁদতে বলতে থাকে— জালাল সিকদারের ছেলে শিফাতের জন্য তার শরীরের আগুন লেগেছে।
তবে ঘটনার পর শিফাতকে ঘটনাস্থলের আশপাশে দেখা যায়নি। আদৌ কেউ ওর গায়ে আগুন দিয়েছে নাকি আগুন লেগেছে, অথবা নিজেই আগুন দিয়েছে কিনা আমার জানা নেই।
তসলিম জানান, ঘটনার পর রাইসাকে পার্শ্ববর্তী উজিরপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যাই। সেখান থেকে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়।
অবস্থা খারাপ হওয়ায় সেখানেও তাকে না রেখে ঢাকা মেডিকেলের শেখ হাসিনা বার্ন ইউনিটে প্রেরণ করে। সেখানে পৌঁছাতে রাত হয়ে যায়। ভর্তি করে অপারেশন থিয়েটার পর্যন্ত যেতে ২ ঘণ্টা সময় লাগে।
চিকিৎসক জানান, রাইসার শরীরের ৮০ শতাংশ পুড়ে গেছে, অবস্থা ভালো না। এরপর অপারেশন থিয়েটারে নেওয়ার কিছুক্ষণ পরই চিকিৎসক জানান রাইসা মারা গেছে। তখন রাত সাড়ে ১০টার মতো বাজতে পারে। বর্তমানে রাইসার মরদেহ মর্গে রয়েছে।
বাবুগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ শেখ মো. এহতেশামুল ইসলাম বলেন, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এমন একটি ঘটনার ভিডিও দেখেছি। তবে এমন অভিযোগ নিয়ে কেউ থানায় আসেনি বা কেউ পুলিশকে জানায়নি। লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।