
০৬ মে, ২০২৬ ০১:২৮
চট্টগ্রাম নগরে বিশেষ অভিযানে অস্ত্র, ডাকাতি, হত্যা, বিশেষ ক্ষমতা আইন ও মাদক মামলাসহ ২২ মামলার আসামি সাত্তার শাহ ওরফে ডিপজলকে (৪৭) গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। সোমবার দিবাগত রাতে নগরের বাকলিয়া থানার তুলাতলী জামাই বাজার এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তার সাত্তার রাউজান উপজেলার কদলপুর ইউনিয়নের ইসলামিয়া নতুনপাড়া এলাকার বাসিন্দা। তার বাবার নাম ফরিদ শাহ। তিনি বর্তমানে বাকলিয়ার জামাই বাজার এলাকায় ভাড়া বাসায় বসবাস করছিলেন।
পুলিশ জানায়, অভিযানের সময় তার কাছ থেকে একটি দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে।
কোতয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আফতাব উদ্দিন বলেন, সোমবার রাতে বিশেষ অভিযান চালিয়ে সাত্তার শাহকে গ্রেপ্তার করা হয়। তার বিরুদ্ধে অস্ত্র, ডাকাতি, হত্যা, বিশেষ ক্ষমতা আইন ও মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মোট ২২টি মামলা রয়েছে।
পুলিশ জানায়, এসব মামলার মধ্যে কোতয়ালি, চান্দগাঁও, ইপিজেড, পতেঙ্গা, পাহাড়তলী, বাকলিয়া, হাটহাজারী ও পটিয়া থানায় দায়ের করা অন্তত ১৬টি মামলায় তাঁর বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা রয়েছে।
গ্রেপ্তারের পর তাকে কোতোয়ালী থানার একটি হত্যা মামলায় আদালতে পাঠানো হয়েছে।
চট্টগ্রাম নগরে বিশেষ অভিযানে অস্ত্র, ডাকাতি, হত্যা, বিশেষ ক্ষমতা আইন ও মাদক মামলাসহ ২২ মামলার আসামি সাত্তার শাহ ওরফে ডিপজলকে (৪৭) গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। সোমবার দিবাগত রাতে নগরের বাকলিয়া থানার তুলাতলী জামাই বাজার এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তার সাত্তার রাউজান উপজেলার কদলপুর ইউনিয়নের ইসলামিয়া নতুনপাড়া এলাকার বাসিন্দা। তার বাবার নাম ফরিদ শাহ। তিনি বর্তমানে বাকলিয়ার জামাই বাজার এলাকায় ভাড়া বাসায় বসবাস করছিলেন।
পুলিশ জানায়, অভিযানের সময় তার কাছ থেকে একটি দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে।
কোতয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আফতাব উদ্দিন বলেন, সোমবার রাতে বিশেষ অভিযান চালিয়ে সাত্তার শাহকে গ্রেপ্তার করা হয়। তার বিরুদ্ধে অস্ত্র, ডাকাতি, হত্যা, বিশেষ ক্ষমতা আইন ও মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মোট ২২টি মামলা রয়েছে।
পুলিশ জানায়, এসব মামলার মধ্যে কোতয়ালি, চান্দগাঁও, ইপিজেড, পতেঙ্গা, পাহাড়তলী, বাকলিয়া, হাটহাজারী ও পটিয়া থানায় দায়ের করা অন্তত ১৬টি মামলায় তাঁর বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা রয়েছে।
গ্রেপ্তারের পর তাকে কোতোয়ালী থানার একটি হত্যা মামলায় আদালতে পাঠানো হয়েছে।

০৬ মে, ২০২৬ ১৫:০৪
জ্ঞাত আয়বহির্ভূত ২৬ কোটি টাকার সম্পদ অর্জনের অভিযোগে পুলিশের সাবেক অতিরিক্ত ডিআইজি হামিদুল আলমের (৫৩) জামিনের আবেদন না মঞ্জুর করে বগুড়া কারাগারে প্রেরণ করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (৫ মে) বিকেলে বগুড়ার সিনিয়র স্পেশাল জজ আদালতের বিচারক শাহজাহান কবির এই আদেশ দেন। দুর্নীতি দমন কমিশন আইনসহ দুর্নীতি প্রতিরোধ আইনে এবং মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইনে দায়ের মামলার বিচারক এই আদেশ দেন।
দুদকের পিপি অ্যাডভোকেট আনোয়ার হোসেন এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, দুর্নীতি দমন কমিশন বগুড়া জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক জাহিদুল ইসলাম বাদি হয়ে গত ১১ জানুয়ারি তার কার্যালয়ে মামলাটি করেন।
মামলায় উল্লেখ করা হয়েছে, বগুড়ার সারিয়াকান্দির তাজুরপাড়ার মৃত এএসএম ইবনে আজিজের ছেলে সাবেক অতিরিক্ত ডিআইজি (বাধ্যতামূলক অবসরে) আসামি হামিদুল আলম এবং তার স্ত্রী শাহাজাদী আলম লিপি দুর্নীতি দমন কমিশনে দাখিলকৃত সম্পদ বিবরণীতে অসৎ উদ্দেশে ১৯ কোটি ৫৬ লাখ ২৭ হাজার ৮৭৮ টাকা ৭৮ পয়সা মূল্যের সম্পদের তথ্য/উৎস গোপন করে মিথ্যা হিসাব ও ভিত্তিহীন ঘোষণা প্রদান করেন।
মামলায় আরও উল্লেখ করা হয়, অসাধু উপায়ে এই মামলার এজাহারে বর্ণিত ১ নম্বর আসামি শাহাজাদী আলম লিপি তার স্বামীর (২ নম্বর আসামি হামিদুল আলম) অবৈধ সহায়তায় ২৬ কোটি ১ লাখ ২৯ হাজার ৯৯৭ টাকা মূল্যের জ্ঞাত আয়বহির্ভূত অর্জনপূর্বক ভোগ দখলে রেখেছেন।
আসামি শাহাজাদী আলম লিপি তার স্বামী হামিদুল আলমের সরকারি ক্ষমতার অপব্যবহার এবং দুর্নীতি ও ঘুস (যা মানিলন্ডারিংয়ের সম্পৃক্ত অপরাধ) এর মাধ্যমে অর্জিত অর্থ দিয়ে স্বামীর সহায়তায় ৩ কোটি ৭৪ লাখ ৪২ হাজার টাকা মূল্যের সম্পদ অর্জন করে সম্পদের উৎস গোপন বা আড়াল করার অসৎ উদ্দেশে রূপান্তর বা স্থানান্তর বা হস্তান্তর (লেয়ারিং) করার অপরাধ মর্মে উল্লেখ করা হয়েছে।
মামলাটি পরিচালনা করেন, দুদকের পিপি অ্যাডভোকেট আনোয়ার হোসেন, অ্যাডভোকেট গোলাম দস্তগীর ও অ্যাডভোকেট মাহবুবা খাতুন সুখী।
আসামির পক্ষে ছিলেন ব্যারিস্টার আব্দুল্লাহ আল মামুন, অ্যাডভোকেট একেএম মাহবুবর রহমান, অ্যাডভোকেট শেখ রেজাউল করিম মিন্টুসহ অনেকে।

০৬ মে, ২০২৬ ১৪:৩৯
রংপুরে জমি নিয়ে বিরোধের মামলার হাজিরা দিতে এসে অসুস্থ হয়ে আদালত চত্বরে মারা গেছেন শাহিনা ইসলাম নামে পঞ্চাশোর্ধ্ব বয়সের এক নারী। মঙ্গলবার (৫ মে) দুপুরে রংপুর আদালত চত্বরে এই ঘটনা ঘটে।
শাহিনা ইসলাম নগরীর ঘাঘটপাড়া আক্কেলপুর গ্রামের বাসিন্দা। তিনি অসুস্থ হয়ে পড়লে স্বামী নজরুল ইসলামের কোলে মাথা রাখেন। এ অবস্থায় সেখানে তার মৃত্যু হয়।
ঘটনাটি নিশ্চিত করে রংপুর আদালতের কোর্ট ইন্সপেক্টর শাহিনুর আলম জানান, পারিবারিক জমিসংক্রান্ত মামলায় আগে থেকেই জামিনে থাকা নগরীর ঘাঘটপাড়া আক্কেলপুরের বাসিন্দা শাহিনা ইসলাম চিফ মেট্রোপলিটন আদালতে হাজিরা দিতে আসেন।
এ সময় তার সঙ্গে স্বামী সাবেক পুলিশ কর্মকর্তা নজরুল ইসলাম ছিলেন। আদালত কক্ষে যাওয়ার পর শাহীনা ইসলাম অসুস্থতা বোধ হলে তিনি বিষয়টি তার আইনজীবীকে জানান।
পরে অবস্থা বেগতিক হলে স্বামীর কোলে মাথা রাখেন শাহিনা। সেখান থেকে তাকে অটোরিকশায় করে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। এ ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। দেড় শতক জমি নিয়ে পারিবারিক বিরোধে মামলার আসামি হয়েছিলেন ওই নারী।

০৬ মে, ২০২৬ ১২:৩৬
বগুড়ায় জিন তাড়ানোর কথা বলে এসএসসি (দাখিল) পরীক্ষার্থীকে ধর্ষণের অভিযোগে কবিরাজকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার (৫ মে) রাতে শহরের নামাজগড় এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তার কবিরাজের নাম হাকিম রেজাউল করিম (৪০)।
তিনি নামাজগড় এলাকায় ভান্ডারী মসজিদসংলগ্ন ‘আশ-সিফা দাওয়া খানা’ নামে প্রতিষ্ঠানে কবিরাজি ও ঝাড়ফুঁকের মাধ্যমে চিকিৎসা করতেন।
ভুক্তভোগী কিশোরীর বাবা জানান, তার মেয়ে রাজশাহীর একটি কওমি মহিলা মাদ্রাসায় দাখিল (এসএসসি সমমান) শ্রেণিতে পড়াশোনা করে।
বেশ কিছুদিন ধরে মাথাব্যথায় ভুগছিল সে। বিভিন্ন চিকিৎসকের কাছে নিয়েও উন্নতি না হওয়ায় এক পরিচিত ব্যক্তির মাধ্যমে রোববার (৩ মে) সকালে মেয়েকে নিয়ে অভিযুক্তের দাওয়াখানায় যান তিনি।
অভিযোগে বলা হয়, অভিযুক্ত কিশোরীর ওপর ‘জিনের আসর’ রয়েছে দাবি করে ঝাড়ফুঁক করার কথা বলেন। একপর্যায়ে তিনি কিশোরীকে কক্ষে নিয়ে দরজা বন্ধ করে দেন এবং সবাইকে বাইরে যেতে বলেন। পরে চিকিৎসার কথা বলে কিশোরীর ইচ্ছার বিরুদ্ধে তাকে ধর্ষণ করে।
অভিযোগে আরও বলা হয়, একই দিন বিকেলে ১৬ হাজার ৫০০ টাকা নিয়ে আবার যেতে বলেন অভিযুক্ত কবিরাজ। পরিবারের সদস্যরা টাকা নিয়ে পুনরায় সেখানে গেলে কিশোরীকে আবারও কক্ষে নিয়ে একইভাবে ধর্ষণ করা হয়।
পরে কিশোরী কাঁদতে কাঁদতে বিষয়টি পরিবারকে জানায়। জানাজানি হলে স্থানীয় কয়েকজনের সঙ্গে আলোচনা করে পরিবার থানায় লিখিত অভিযোগ করে।
বগুড়া সদর থানার কর্মকর্তা (ওসি) ইব্রাহীম আলী বলেন, অভিযোগ পাওয়ার পর দ্রুত অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। ভুক্তভোগীর ডাক্তারি পরীক্ষা সম্পন্ন হয়েছে। এ ঘটনায় প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
জ্ঞাত আয়বহির্ভূত ২৬ কোটি টাকার সম্পদ অর্জনের অভিযোগে পুলিশের সাবেক অতিরিক্ত ডিআইজি হামিদুল আলমের (৫৩) জামিনের আবেদন না মঞ্জুর করে বগুড়া কারাগারে প্রেরণ করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (৫ মে) বিকেলে বগুড়ার সিনিয়র স্পেশাল জজ আদালতের বিচারক শাহজাহান কবির এই আদেশ দেন। দুর্নীতি দমন কমিশন আইনসহ দুর্নীতি প্রতিরোধ আইনে এবং মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইনে দায়ের মামলার বিচারক এই আদেশ দেন।
দুদকের পিপি অ্যাডভোকেট আনোয়ার হোসেন এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, দুর্নীতি দমন কমিশন বগুড়া জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক জাহিদুল ইসলাম বাদি হয়ে গত ১১ জানুয়ারি তার কার্যালয়ে মামলাটি করেন।
মামলায় উল্লেখ করা হয়েছে, বগুড়ার সারিয়াকান্দির তাজুরপাড়ার মৃত এএসএম ইবনে আজিজের ছেলে সাবেক অতিরিক্ত ডিআইজি (বাধ্যতামূলক অবসরে) আসামি হামিদুল আলম এবং তার স্ত্রী শাহাজাদী আলম লিপি দুর্নীতি দমন কমিশনে দাখিলকৃত সম্পদ বিবরণীতে অসৎ উদ্দেশে ১৯ কোটি ৫৬ লাখ ২৭ হাজার ৮৭৮ টাকা ৭৮ পয়সা মূল্যের সম্পদের তথ্য/উৎস গোপন করে মিথ্যা হিসাব ও ভিত্তিহীন ঘোষণা প্রদান করেন।
মামলায় আরও উল্লেখ করা হয়, অসাধু উপায়ে এই মামলার এজাহারে বর্ণিত ১ নম্বর আসামি শাহাজাদী আলম লিপি তার স্বামীর (২ নম্বর আসামি হামিদুল আলম) অবৈধ সহায়তায় ২৬ কোটি ১ লাখ ২৯ হাজার ৯৯৭ টাকা মূল্যের জ্ঞাত আয়বহির্ভূত অর্জনপূর্বক ভোগ দখলে রেখেছেন।
আসামি শাহাজাদী আলম লিপি তার স্বামী হামিদুল আলমের সরকারি ক্ষমতার অপব্যবহার এবং দুর্নীতি ও ঘুস (যা মানিলন্ডারিংয়ের সম্পৃক্ত অপরাধ) এর মাধ্যমে অর্জিত অর্থ দিয়ে স্বামীর সহায়তায় ৩ কোটি ৭৪ লাখ ৪২ হাজার টাকা মূল্যের সম্পদ অর্জন করে সম্পদের উৎস গোপন বা আড়াল করার অসৎ উদ্দেশে রূপান্তর বা স্থানান্তর বা হস্তান্তর (লেয়ারিং) করার অপরাধ মর্মে উল্লেখ করা হয়েছে।
মামলাটি পরিচালনা করেন, দুদকের পিপি অ্যাডভোকেট আনোয়ার হোসেন, অ্যাডভোকেট গোলাম দস্তগীর ও অ্যাডভোকেট মাহবুবা খাতুন সুখী।
আসামির পক্ষে ছিলেন ব্যারিস্টার আব্দুল্লাহ আল মামুন, অ্যাডভোকেট একেএম মাহবুবর রহমান, অ্যাডভোকেট শেখ রেজাউল করিম মিন্টুসহ অনেকে।
রংপুরে জমি নিয়ে বিরোধের মামলার হাজিরা দিতে এসে অসুস্থ হয়ে আদালত চত্বরে মারা গেছেন শাহিনা ইসলাম নামে পঞ্চাশোর্ধ্ব বয়সের এক নারী। মঙ্গলবার (৫ মে) দুপুরে রংপুর আদালত চত্বরে এই ঘটনা ঘটে।
শাহিনা ইসলাম নগরীর ঘাঘটপাড়া আক্কেলপুর গ্রামের বাসিন্দা। তিনি অসুস্থ হয়ে পড়লে স্বামী নজরুল ইসলামের কোলে মাথা রাখেন। এ অবস্থায় সেখানে তার মৃত্যু হয়।
ঘটনাটি নিশ্চিত করে রংপুর আদালতের কোর্ট ইন্সপেক্টর শাহিনুর আলম জানান, পারিবারিক জমিসংক্রান্ত মামলায় আগে থেকেই জামিনে থাকা নগরীর ঘাঘটপাড়া আক্কেলপুরের বাসিন্দা শাহিনা ইসলাম চিফ মেট্রোপলিটন আদালতে হাজিরা দিতে আসেন।
এ সময় তার সঙ্গে স্বামী সাবেক পুলিশ কর্মকর্তা নজরুল ইসলাম ছিলেন। আদালত কক্ষে যাওয়ার পর শাহীনা ইসলাম অসুস্থতা বোধ হলে তিনি বিষয়টি তার আইনজীবীকে জানান।
পরে অবস্থা বেগতিক হলে স্বামীর কোলে মাথা রাখেন শাহিনা। সেখান থেকে তাকে অটোরিকশায় করে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। এ ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। দেড় শতক জমি নিয়ে পারিবারিক বিরোধে মামলার আসামি হয়েছিলেন ওই নারী।
বগুড়ায় জিন তাড়ানোর কথা বলে এসএসসি (দাখিল) পরীক্ষার্থীকে ধর্ষণের অভিযোগে কবিরাজকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার (৫ মে) রাতে শহরের নামাজগড় এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তার কবিরাজের নাম হাকিম রেজাউল করিম (৪০)।
তিনি নামাজগড় এলাকায় ভান্ডারী মসজিদসংলগ্ন ‘আশ-সিফা দাওয়া খানা’ নামে প্রতিষ্ঠানে কবিরাজি ও ঝাড়ফুঁকের মাধ্যমে চিকিৎসা করতেন।
ভুক্তভোগী কিশোরীর বাবা জানান, তার মেয়ে রাজশাহীর একটি কওমি মহিলা মাদ্রাসায় দাখিল (এসএসসি সমমান) শ্রেণিতে পড়াশোনা করে।
বেশ কিছুদিন ধরে মাথাব্যথায় ভুগছিল সে। বিভিন্ন চিকিৎসকের কাছে নিয়েও উন্নতি না হওয়ায় এক পরিচিত ব্যক্তির মাধ্যমে রোববার (৩ মে) সকালে মেয়েকে নিয়ে অভিযুক্তের দাওয়াখানায় যান তিনি।
অভিযোগে বলা হয়, অভিযুক্ত কিশোরীর ওপর ‘জিনের আসর’ রয়েছে দাবি করে ঝাড়ফুঁক করার কথা বলেন। একপর্যায়ে তিনি কিশোরীকে কক্ষে নিয়ে দরজা বন্ধ করে দেন এবং সবাইকে বাইরে যেতে বলেন। পরে চিকিৎসার কথা বলে কিশোরীর ইচ্ছার বিরুদ্ধে তাকে ধর্ষণ করে।
অভিযোগে আরও বলা হয়, একই দিন বিকেলে ১৬ হাজার ৫০০ টাকা নিয়ে আবার যেতে বলেন অভিযুক্ত কবিরাজ। পরিবারের সদস্যরা টাকা নিয়ে পুনরায় সেখানে গেলে কিশোরীকে আবারও কক্ষে নিয়ে একইভাবে ধর্ষণ করা হয়।
পরে কিশোরী কাঁদতে কাঁদতে বিষয়টি পরিবারকে জানায়। জানাজানি হলে স্থানীয় কয়েকজনের সঙ্গে আলোচনা করে পরিবার থানায় লিখিত অভিযোগ করে।
বগুড়া সদর থানার কর্মকর্তা (ওসি) ইব্রাহীম আলী বলেন, অভিযোগ পাওয়ার পর দ্রুত অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। ভুক্তভোগীর ডাক্তারি পরীক্ষা সম্পন্ন হয়েছে। এ ঘটনায় প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
০৬ মে, ২০২৬ ১৫:০৪
০৬ মে, ২০২৬ ১৪:৩৯
০৬ মে, ২০২৬ ১৪:২০
০৬ মে, ২০২৬ ১৩:৫৩