
০৮ নভেম্বর, ২০২৫ ১৬:৫৪
বরিশালে ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে নারীসহ দুজনের মৃত্যু হয়েছে। শুক্রবার (৭ নভেম্বর) সকাল ৮টা থেকে শনিবার (৮ নভেম্বর) সকাল ৮টার মধ্যে বরিশাল শেরে বাংলা মেডিকেল কলেজ (শেবাচিম) হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাদের মৃত্যু হয়।
এ নিয়ে চলতি বছরে বরিশাল বিভাগে ডেঙ্গুতে মৃতের সংখ্যা ৪৪ জনে দাঁড়িয়েছে। তারা হলেন— ঝালকাঠির রাজাপুর উপজেলার ইউসুফ আলীর ছেলে আবুল কালাম (৪৮) এবং পটুয়াখালীর মির্জাগঞ্জ উপজেলার মো. নাসিমের স্ত্রী লাইজু বেগম (৪০)।
তাদের মধ্যে আবুল কালামকে শুক্রবার সকালে শেবাচিম হাসপাতালে ভর্তি করা হলে সন্ধ্যায় মারা যান। অন্যদিকে গত ৬ নভেম্বর (বৃহস্পতিবার) একই হাসপাতালে ভর্তি হওয়া লাইজু বেগমের মৃত্যু হয় শুক্রবার রাতে।
এদিকে বিগত ২৪ ঘণ্টায় বিভাগের ছয় জেলায় নতুন করে আরও ১৫৭ ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগী দুটি মেডিকেল কলেজসহ বিভিন্ন সরকারি হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে। এ নিয়ে চলতি বছরে বিভাগে ডেঙ্গু আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১৮ হাজার ৬৪৯ জন। এদের মধ্যে বর্তমানে ৪২৫ জন বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি থেকে চিকিৎসা নিচ্ছেন।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের বরিশাল বিভাগীয় পরিচালকের কার্যালয় থেকে এসব তথ্য নিশ্চিত করা হয়। তাদের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, বিভাগে এখন পর্যন্ত আক্রান্তের শীর্ষে রয়েছে- বরগুনা জেলা। এ জেলায় এখন পর্যন্ত ৮ হাজার ৯৮৬ জন আক্রান্ত রোগী জেলার বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়েছে।
এছাড়া বরিশাল জেলার বিভিন্ন হাসপাতালে এক হাজার ৪৫৪ জন, পটুয়াখালী জেলায় ২ হাজার ১২১ জন, ভোলা জেলায় ৩৬৮ জন, পিরোজপুর জেলায় এক হাজার ৩৬৩ জন এবং ঝালকাঠি জেলার হাসপাতালগুলোতে চিকিৎসা নেওয়া রোগীদের সংখ্যা ৬২২ জন।
এর বাইরে বরিশাল শেরে বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে এক হাজার ৯৫৯ জন এবং পটুয়াখালী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি হয়ে চিকিৎসা নিয়েছেন এক হাজার ৫০৬ জন। এর মধ্যে শেরে বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে সর্বোচ্চ ২৫ জন, বরগুনার বিভিন্ন হাসপাতালে ১৫ জন, ভোলায় একজন, পটুয়াখালী মেডিকেল কলেজে একজন এবং পটুয়াখালীর দুটি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে দুজনের মৃত্যু হয়েছে। তবে বরিশাল শেরে বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে মৃত্যু হওয়া ২৫ জনের মধ্যে বেশিরভাগের বাড়ি বরগুনা জেলায়।
বরিশাল বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালক ডা. শ্যামল কৃষ্ণ মণ্ডল বলেন, দেশের অন্য বিভাগের তুলনায় বরিশাল বিভাগে ডেঙ্গু আক্রান্তের হার কিছুটা বেশি। পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার অভাবে মশাবাহিত এ রোগটি গ্রামাঞ্চলে বেশি ছড়াচ্ছে। তবে মানুষের মাঝে সচেতনতা বৃদ্ধি পাওয়ায় এ বছর ডেঙ্গুতে মৃত্যুর হার কম। ডেঙ্গু থেকে বাঁচতে সবাইকে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতে হবে।
বরিশালে ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে নারীসহ দুজনের মৃত্যু হয়েছে। শুক্রবার (৭ নভেম্বর) সকাল ৮টা থেকে শনিবার (৮ নভেম্বর) সকাল ৮টার মধ্যে বরিশাল শেরে বাংলা মেডিকেল কলেজ (শেবাচিম) হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাদের মৃত্যু হয়।
এ নিয়ে চলতি বছরে বরিশাল বিভাগে ডেঙ্গুতে মৃতের সংখ্যা ৪৪ জনে দাঁড়িয়েছে। তারা হলেন— ঝালকাঠির রাজাপুর উপজেলার ইউসুফ আলীর ছেলে আবুল কালাম (৪৮) এবং পটুয়াখালীর মির্জাগঞ্জ উপজেলার মো. নাসিমের স্ত্রী লাইজু বেগম (৪০)।
তাদের মধ্যে আবুল কালামকে শুক্রবার সকালে শেবাচিম হাসপাতালে ভর্তি করা হলে সন্ধ্যায় মারা যান। অন্যদিকে গত ৬ নভেম্বর (বৃহস্পতিবার) একই হাসপাতালে ভর্তি হওয়া লাইজু বেগমের মৃত্যু হয় শুক্রবার রাতে।
এদিকে বিগত ২৪ ঘণ্টায় বিভাগের ছয় জেলায় নতুন করে আরও ১৫৭ ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগী দুটি মেডিকেল কলেজসহ বিভিন্ন সরকারি হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে। এ নিয়ে চলতি বছরে বিভাগে ডেঙ্গু আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১৮ হাজার ৬৪৯ জন। এদের মধ্যে বর্তমানে ৪২৫ জন বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি থেকে চিকিৎসা নিচ্ছেন।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের বরিশাল বিভাগীয় পরিচালকের কার্যালয় থেকে এসব তথ্য নিশ্চিত করা হয়। তাদের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, বিভাগে এখন পর্যন্ত আক্রান্তের শীর্ষে রয়েছে- বরগুনা জেলা। এ জেলায় এখন পর্যন্ত ৮ হাজার ৯৮৬ জন আক্রান্ত রোগী জেলার বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়েছে।
এছাড়া বরিশাল জেলার বিভিন্ন হাসপাতালে এক হাজার ৪৫৪ জন, পটুয়াখালী জেলায় ২ হাজার ১২১ জন, ভোলা জেলায় ৩৬৮ জন, পিরোজপুর জেলায় এক হাজার ৩৬৩ জন এবং ঝালকাঠি জেলার হাসপাতালগুলোতে চিকিৎসা নেওয়া রোগীদের সংখ্যা ৬২২ জন।
এর বাইরে বরিশাল শেরে বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে এক হাজার ৯৫৯ জন এবং পটুয়াখালী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি হয়ে চিকিৎসা নিয়েছেন এক হাজার ৫০৬ জন। এর মধ্যে শেরে বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে সর্বোচ্চ ২৫ জন, বরগুনার বিভিন্ন হাসপাতালে ১৫ জন, ভোলায় একজন, পটুয়াখালী মেডিকেল কলেজে একজন এবং পটুয়াখালীর দুটি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে দুজনের মৃত্যু হয়েছে। তবে বরিশাল শেরে বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে মৃত্যু হওয়া ২৫ জনের মধ্যে বেশিরভাগের বাড়ি বরগুনা জেলায়।
বরিশাল বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালক ডা. শ্যামল কৃষ্ণ মণ্ডল বলেন, দেশের অন্য বিভাগের তুলনায় বরিশাল বিভাগে ডেঙ্গু আক্রান্তের হার কিছুটা বেশি। পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার অভাবে মশাবাহিত এ রোগটি গ্রামাঞ্চলে বেশি ছড়াচ্ছে। তবে মানুষের মাঝে সচেতনতা বৃদ্ধি পাওয়ায় এ বছর ডেঙ্গুতে মৃত্যুর হার কম। ডেঙ্গু থেকে বাঁচতে সবাইকে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতে হবে।

১১ এপ্রিল, ২০২৬ ২২:১০
বরিশালের বাবুগঞ্জে প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষার্থীদের শিক্ষা উপকরণ প্রদান করেছেন বরিশাল মহানগর ছাত্রদলের সহ-সভাপতি ও সরকারি বাবুগঞ্জ পাইলট মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের খণ্ডকালীন সহকারী শিক্ষক আজিজুল হক। শনিবার (১১ এপ্রিল) দুপুরে তিনি নিজ উদ্যোগে এবং অর্থায়নে বাবুগঞ্জ সরকারি মডেল প্রাথমিক বিদ্যালয় মিলনায়তনে পঞ্চম শ্রেণির ৪৮ জন জুনিয়র বৃত্তি পরীক্ষার্থীদের মাঝে ক্লিপ বোর্ড, স্কেল, কলম, ফাইলসহ বিভিন্ন শিক্ষা উপকরণ বিতরণ করেন। এসময় সেখানে এক সংক্ষিপ্ত মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়।
বাবুগঞ্জ সরকারি মডেল প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোসম্মৎ আমিনার সভাপতিত্বে এসময় বক্তব্য রাখেন বরিশাল মহানগর ছাত্রদলের সহ-সভাপতি আজিজুল হক মাস্টার, বিমানবন্দর প্রেসক্লাবের সভাপতি ও সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন) সম্পাদক আরিফ আহমেদ মুন্না এবং বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক আবদুস সালাম। এসময় সেখানে শিক্ষা উপকরণ উপহারপ্রাপ্ত পঞ্চম শ্রেণির বৃত্তি পরীক্ষার্থী ছাড়াও তাদের অভিভাবক, বিদ্যালয়ের শিক্ষকবৃন্দ, সাংবাদিক ও সুশীল সমাজের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
জুনিয়র বৃত্তি পরীক্ষার্থীদের বিনামূল্যে শিক্ষা উপকরণ বিতরণ প্রসঙ্গে বরিশাল মহানগর ছাত্রদলের সহ-সভাপতি আজিজুল হক মাস্টার বলেন, 'শিক্ষা জীবনের প্রাথমিক ধাপটা অতিক্রম করার সময় মেধাবী বৃত্তি পরীক্ষার্থীদের একটু উৎসাহ এবং অনুপ্রেরণা দিতেই আমার এই ক্ষুদ্র প্রয়াস। এর আগেও আমি সরকারি বাবুগঞ্জ পাইলট মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের মাঝে বিভিন্ন সময়ে শিক্ষা উপকরণ বিতরণ করেছি। এর পাশাপাশি বিভিন্ন গরীব, অসহায় শিক্ষার্থীদের বিভিন্ন সাহায্য সহযোগিতা করাসহ তাদের পাশে থাকার চেষ্টা করেছি। ছাত্রদলের একজন কর্মী হিসেবে সবসময় ছাত্র-ছাত্রীদের পাশে থাকা আমার দায়িত্ব বলে মনে করি। আমার সাধ অনেক কিন্তু সাধ্য সীমিত। তবুও সেই সীমিত সাধ্য দিয়েই যতটুকু সম্ভব মানুষের কল্যাণে সবসময় কাজ করে যেতে চাই।' #


১১ এপ্রিল, ২০২৬ ১৯:৪৭
মধুমাস জ্যৈষ্ঠ অত্যাসন্ন। ফলের মৌসুমের শুরুতে চৈত্রেই গাছে গাছে ঝুঁলছে আম, কাঁঠাল, জাম্বুরা, লিচু,কলা,পেয়ারাসহ নানা রসাঁলো ফল। ক্ষেতে তরমুজ ফুটি/ভাঙ্গিসহ প্রভৃতি ফল জানান দিচ্ছে এসেছে ফলের মৌসুম।
এ বছর আম-কাঁঠালের বাম্পার ফলণের সম্ভাবনা উঁকি দিচ্ছে। দেশের প্রতিটি বাড়িতে,বাগানে আম,কাঁঠাল, জাম্বুরার ফলণ রেকর্ড সৃষ্টি করেছে। ক্ষেতের তরমুজ, ফুটি-ভাঙ্গি সেই রমজান থেকেই বাজারে পাওয়া যাচ্ছে।
আগাম কাঁচা-পাকা আমেরও দেখা মিলছে হাট-বাজারে। বরিশালের বানারীপাড়া পৌর শহরের ২ নম্বর ওয়ার্ডে ঘরের আঙিনায় সাইদুর রহমানের এক গাছে শতাধিক কাঁঠাল যেন দেশজুড়ে কাঁঠালের বাম্পার ফলণেরই প্রতিচ্ছবি ফুটে উঠেছে।
মাত্র ৪ বছর বয়সী এ গাছটির গোড়া থেকে আগা পর্যন্ত থোকায় থোকায় ঝুলে আছে সুস্বাদু রসালো ফল কাঁঠাল। সাইদুর রহমান বলেন, আল্লাহর রহমতে কাঁঠালগুলো পরিপক্ব হয়ে পাকার পরে নিজের পরিবারের সদস্যদের নিয়ে খাওয়ার পাশাপাশি প্রতিবেশীসহ আত্মীয়-স্বজনদের মাঝে বিতরণ করবেন।

১১ এপ্রিল, ২০২৬ ১৭:৪৭
বরিশালের বানারীপাড়া পৌরসভার ২ নম্বর ওয়ার্ডে অবৈধভাবে গ্যাস সিলিন্ডার মজুদ ও অতিরিক্ত দামে বিক্রির অভিযোগে এক স্থানীয় ডিলারকে জরিমানা করেছে উপজেলা প্রশাসন।
শনিবার (১১ এপ্রিল) দুপুর ২টার দিকে আলম কমিশনার বাড়িতে পরিচালিত এক অভিযানে স্থানীয় ডিলার মোঃ শামসুল আলম শিমুকে ১ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়। জরিমানা অনাদায়ে তাকে ৩ মাসের কারাদণ্ডের আদেশ দেওয়া হয়েছে।
জাতীয় নিরাপত্তা গোয়েন্দা (এনএসআই), বরিশাল জেলা’র গোপন সংবাদের ভিত্তিতে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ বাইজিদুর রহমানের নেতৃত্বে এ অভিযান পরিচালিত হয়।
এসময় জেলা এনএসআইয়ের কর্মকর্তা ও বানারীপাড়া থানা পুলিশের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন। অনুসন্ধানে জানা যায়, শামসুল আলম শিমুর সর্বোচ্চ ৪০টি গ্যাস সিলিন্ডার মজুদের অনুমতি থাকলেও তিনি দীর্ঘদিন ধরে প্রায় ২০০০ থেকে ২৫০০টি গ্যাস ভর্তি সিলিন্ডার নিজ বাড়িতে মজুদ করে রাখেন।
পরবর্তীতে এসব সিলিন্ডার তিনি উপজেলা সদরের বন্দর বাজারের ফেরিঘাট সংলগ্ন তার দোকান ‘বৈশাখী প্লাস’ থেকে বেশি দামে বিক্রি করে আসছিলেন বলে অভিযোগ রয়েছে।
এনএসআই সদস্যদের দীর্ঘদিনের নজরদারিতে অভিযোগের সত্যতা প্রমাণিত হলে উপজেলা প্রশাসন তার বাড়ি ও দোকানে অভিযান চালিয়ে এ জরিমানা আরোপ করে।
পাশাপাশি মজুদকৃত সিলিন্ডার দ্রুত সরবরাহ এবং অনুমতিপত্র অনুযায়ী ব্যবসা পরিচালনার নির্দেশনা দেওয়া হয়। এছাড়া তাকে ১ হাজার টাকার মুচলেকা নিয়ে সতর্ক করে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।
স্থানীয় প্রশাসন জানিয়েছে, ভোক্তাদের স্বার্থ রক্ষায় এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
বরিশালের বাবুগঞ্জে প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষার্থীদের শিক্ষা উপকরণ প্রদান করেছেন বরিশাল মহানগর ছাত্রদলের সহ-সভাপতি ও সরকারি বাবুগঞ্জ পাইলট মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের খণ্ডকালীন সহকারী শিক্ষক আজিজুল হক। শনিবার (১১ এপ্রিল) দুপুরে তিনি নিজ উদ্যোগে এবং অর্থায়নে বাবুগঞ্জ সরকারি মডেল প্রাথমিক বিদ্যালয় মিলনায়তনে পঞ্চম শ্রেণির ৪৮ জন জুনিয়র বৃত্তি পরীক্ষার্থীদের মাঝে ক্লিপ বোর্ড, স্কেল, কলম, ফাইলসহ বিভিন্ন শিক্ষা উপকরণ বিতরণ করেন। এসময় সেখানে এক সংক্ষিপ্ত মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়।
বাবুগঞ্জ সরকারি মডেল প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোসম্মৎ আমিনার সভাপতিত্বে এসময় বক্তব্য রাখেন বরিশাল মহানগর ছাত্রদলের সহ-সভাপতি আজিজুল হক মাস্টার, বিমানবন্দর প্রেসক্লাবের সভাপতি ও সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন) সম্পাদক আরিফ আহমেদ মুন্না এবং বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক আবদুস সালাম। এসময় সেখানে শিক্ষা উপকরণ উপহারপ্রাপ্ত পঞ্চম শ্রেণির বৃত্তি পরীক্ষার্থী ছাড়াও তাদের অভিভাবক, বিদ্যালয়ের শিক্ষকবৃন্দ, সাংবাদিক ও সুশীল সমাজের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
জুনিয়র বৃত্তি পরীক্ষার্থীদের বিনামূল্যে শিক্ষা উপকরণ বিতরণ প্রসঙ্গে বরিশাল মহানগর ছাত্রদলের সহ-সভাপতি আজিজুল হক মাস্টার বলেন, 'শিক্ষা জীবনের প্রাথমিক ধাপটা অতিক্রম করার সময় মেধাবী বৃত্তি পরীক্ষার্থীদের একটু উৎসাহ এবং অনুপ্রেরণা দিতেই আমার এই ক্ষুদ্র প্রয়াস। এর আগেও আমি সরকারি বাবুগঞ্জ পাইলট মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের মাঝে বিভিন্ন সময়ে শিক্ষা উপকরণ বিতরণ করেছি। এর পাশাপাশি বিভিন্ন গরীব, অসহায় শিক্ষার্থীদের বিভিন্ন সাহায্য সহযোগিতা করাসহ তাদের পাশে থাকার চেষ্টা করেছি। ছাত্রদলের একজন কর্মী হিসেবে সবসময় ছাত্র-ছাত্রীদের পাশে থাকা আমার দায়িত্ব বলে মনে করি। আমার সাধ অনেক কিন্তু সাধ্য সীমিত। তবুও সেই সীমিত সাধ্য দিয়েই যতটুকু সম্ভব মানুষের কল্যাণে সবসময় কাজ করে যেতে চাই।' #

মধুমাস জ্যৈষ্ঠ অত্যাসন্ন। ফলের মৌসুমের শুরুতে চৈত্রেই গাছে গাছে ঝুঁলছে আম, কাঁঠাল, জাম্বুরা, লিচু,কলা,পেয়ারাসহ নানা রসাঁলো ফল। ক্ষেতে তরমুজ ফুটি/ভাঙ্গিসহ প্রভৃতি ফল জানান দিচ্ছে এসেছে ফলের মৌসুম।
এ বছর আম-কাঁঠালের বাম্পার ফলণের সম্ভাবনা উঁকি দিচ্ছে। দেশের প্রতিটি বাড়িতে,বাগানে আম,কাঁঠাল, জাম্বুরার ফলণ রেকর্ড সৃষ্টি করেছে। ক্ষেতের তরমুজ, ফুটি-ভাঙ্গি সেই রমজান থেকেই বাজারে পাওয়া যাচ্ছে।
আগাম কাঁচা-পাকা আমেরও দেখা মিলছে হাট-বাজারে। বরিশালের বানারীপাড়া পৌর শহরের ২ নম্বর ওয়ার্ডে ঘরের আঙিনায় সাইদুর রহমানের এক গাছে শতাধিক কাঁঠাল যেন দেশজুড়ে কাঁঠালের বাম্পার ফলণেরই প্রতিচ্ছবি ফুটে উঠেছে।
মাত্র ৪ বছর বয়সী এ গাছটির গোড়া থেকে আগা পর্যন্ত থোকায় থোকায় ঝুলে আছে সুস্বাদু রসালো ফল কাঁঠাল। সাইদুর রহমান বলেন, আল্লাহর রহমতে কাঁঠালগুলো পরিপক্ব হয়ে পাকার পরে নিজের পরিবারের সদস্যদের নিয়ে খাওয়ার পাশাপাশি প্রতিবেশীসহ আত্মীয়-স্বজনদের মাঝে বিতরণ করবেন।
বরিশালের বানারীপাড়া পৌরসভার ২ নম্বর ওয়ার্ডে অবৈধভাবে গ্যাস সিলিন্ডার মজুদ ও অতিরিক্ত দামে বিক্রির অভিযোগে এক স্থানীয় ডিলারকে জরিমানা করেছে উপজেলা প্রশাসন।
শনিবার (১১ এপ্রিল) দুপুর ২টার দিকে আলম কমিশনার বাড়িতে পরিচালিত এক অভিযানে স্থানীয় ডিলার মোঃ শামসুল আলম শিমুকে ১ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়। জরিমানা অনাদায়ে তাকে ৩ মাসের কারাদণ্ডের আদেশ দেওয়া হয়েছে।
জাতীয় নিরাপত্তা গোয়েন্দা (এনএসআই), বরিশাল জেলা’র গোপন সংবাদের ভিত্তিতে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ বাইজিদুর রহমানের নেতৃত্বে এ অভিযান পরিচালিত হয়।
এসময় জেলা এনএসআইয়ের কর্মকর্তা ও বানারীপাড়া থানা পুলিশের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন। অনুসন্ধানে জানা যায়, শামসুল আলম শিমুর সর্বোচ্চ ৪০টি গ্যাস সিলিন্ডার মজুদের অনুমতি থাকলেও তিনি দীর্ঘদিন ধরে প্রায় ২০০০ থেকে ২৫০০টি গ্যাস ভর্তি সিলিন্ডার নিজ বাড়িতে মজুদ করে রাখেন।
পরবর্তীতে এসব সিলিন্ডার তিনি উপজেলা সদরের বন্দর বাজারের ফেরিঘাট সংলগ্ন তার দোকান ‘বৈশাখী প্লাস’ থেকে বেশি দামে বিক্রি করে আসছিলেন বলে অভিযোগ রয়েছে।
এনএসআই সদস্যদের দীর্ঘদিনের নজরদারিতে অভিযোগের সত্যতা প্রমাণিত হলে উপজেলা প্রশাসন তার বাড়ি ও দোকানে অভিযান চালিয়ে এ জরিমানা আরোপ করে।
পাশাপাশি মজুদকৃত সিলিন্ডার দ্রুত সরবরাহ এবং অনুমতিপত্র অনুযায়ী ব্যবসা পরিচালনার নির্দেশনা দেওয়া হয়। এছাড়া তাকে ১ হাজার টাকার মুচলেকা নিয়ে সতর্ক করে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।
স্থানীয় প্রশাসন জানিয়েছে, ভোক্তাদের স্বার্থ রক্ষায় এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।