সংবাদ প্রকাশের জেরে ঝালকাঠির নলছিটিতে খান মাইনউদ্দিন (৪০) নামে এক সাংবাদিকের ওপর হামলা চালিয়েছে সন্ত্রাসীরা। মঙ্গলবার (২৪ জুন) রাত ৯টার দিকে উপজেলার দপদপিয়া ইউনিয়নের জুরকাঠি গ্রামে তার নিজ বাড়িতে এ হামলার ঘটনা ঘটে। গুরুতর আহত অবস্থায় খান মাইনউদ্দিনকে বরিশাল শের-ই বাংলা মেডিকেল কলেজ (শেবাচিম) হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
সাংবাদিক খান মাইনউদ্দিন দৈনিক বাংলাদেশ বুলেটিন পত্রিকার বরিশাল ব্যুরো প্রধান ও আঞ্চলিক দৈনিক দখিনের কন্ঠ পত্রিকার স্টাফ রিপোর্টার হিসেবে কর্মরত আছেন।
পরিবার সূত্রে জানা গেছে, মঙ্গলবার দুপুরে নলছিটির দপদপিয়া ইউনিয়নের উত্তর জুরকাঠি গ্রামের সরকারি অর্থায়নে নির্মিত একটি কালভার্ট কাঠের গেট বানিয়ে বন্ধ করে রাখার ঘটনায় সংবাদ প্রকাশ করেন সাংবাদিক খান মাইনউদ্দিন।
সংবাদ প্রকাশের পর ওই এলাকার আবু হোসেন, তার ছেলে ইমরান হাওলাদার, রিয়াজ হাওলাদার, মুসা হাওলাদারের ছেলে ইব্রাহিম হাওলাদার, হাবিব সিকদারের ছেলে নিশাত সিকদার, আলম হাওলাদার, সানি হাওলাদারসহ ১০/১২ জন লোক রামদা, চাপাতি, ছুরি, লোহার রড, হাতুড়ি নিয়ে সাংবাদিক খান মাইনউদ্দিনের বাড়িতে ঢুকে তার ওপর হামলা চালান। তাকে কুপিয়ে ও পিটিয়ে মৃত্যু নিশ্চিত করতে অজ্ঞান অবস্থায় পার্শ্ববর্তী খালে ফেলে দেন।
পরে আশঙ্কাজনক অবস্থায় স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে বরিশাল শের-ই বাংলা মেডিকেল কলেজ (শেবাচিম) হাসপাতালে ভর্তি করেন।নলছিটি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুস সালাম বলেন, সাংবাদিকদের ওপর হামলা ঘটনায় অভিযোগ পেলে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

২৬ অক্টোবর, ২০২৬ ১৮:৫৫
ঝালকাঠির সুগন্ধা নদীর তীরে নিয়মিত ময়লা-আবর্জনা ফেলার অভিযোগ উঠেছে ঝালকাঠি ও নলছিটি পৌরসভার বিরুদ্ধে। নদীর তীরবর্তী বিভিন্ন স্থানে বর্জ্য ফেলার কারণে পরিবেশ দূষণের পাশাপাশি নদীর পানি দূষিত হওয়ার আশঙ্কা করছেন স্থানীয়রা।
ঝালকাঠি শহরের মেঘনা তেলের ডিপোসংলগ্ন স্থানে সুগন্ধা নদীর পাড় ও নলছিটি পৌর এলাকার কলবাড়ীসহ নদীর তীরবর্তী কয়েকটি স্থানে সম্প্রতি ময়লার স্তূপ দেখা গেছে। এসব স্তূপে গৃহস্থালি বর্জ্য, পলিথিন, প্লাস্টিকের বোতল, খাবারের উচ্ছিষ্টসহ বিভিন্ন ধরনের আবর্জনা রয়েছে। বর্জ্য পচে দুর্গন্ধ ছড়াচ্ছে আশপাশের এলাকায়।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, পৌর এলাকার বাসাবাড়ি, বাজার ও বিভিন্ন ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান থেকে প্রতিদিন বিপুল পরিমাণ বর্জ্য সংগ্রহ করা হয়। এর একটি অংশ নির্দিষ্ট স্থানে না নিয়ে নদীর তীরে ফেলা হচ্ছে। পরে বৃষ্টি ও জোয়ারের পানিতে এসব বর্জ্যের একটি অংশ নদীতে গিয়ে পড়ছে।
নলছিটি পৌরসভার বাসিন্দা এইচ এম সিজার বলেন,পৌরসভার যত বর্জ্য আছে, সেগুলো নিয়ে এসে কলবাড়ী এলাকার সুগন্ধা নদীর তীরে ফেলা হচ্ছে। এতে দুর্গন্ধ ছড়িয়ে পরিবেশ দূষিত হচ্ছে। জোয়ারের পানিতে ময়লা নদীতেও মিশে যাচ্ছে। বর্জ্য ব্যবস্থাপনার জন্য নির্দিষ্ট জায়গা প্রয়োজন।
ঝালকাঠি পৌর শহরে বাসিন্দা মাহবুব হোসেন সৈকত বলেন,নদীর পাশে ময়লা ফেলায় সব সময় দুর্গন্ধ থাকে। বৃষ্টি হলে ময়লা পানিতে মিশে নদীতে চলে যায়। দ্রুত এভাবে ময়লা ফেলা বন্ধ করা দরকার।
সুজন ও ঝালকাঠি গাছপালা নদীনালা রক্ষা আন্দোলনের জেলা সেক্রেটারি ইসমাঈল মুসাফির বলেন, ঝালকাঠি ও নলছিটি পৌর এলাকায় প্রতিদিন যে পরিমাণ বর্জ্য উৎপাদন হয় তা সংগ্রহ ও অপসারণে পরিচ্ছন্নতাকর্মী অনেক কিন্তু বাস্তবে কম। দুটি পৌরসভার বর্জ্যই সুগন্ধা নদীর পাড়ে ফেলা হচ্ছে। এগুলোর গলিত পানি ভূগর্ভস্থ পানিতে চলে যাচ্ছে। জোয়ার ও বৃষ্টিতে আশপাশের কৃষিজমি ও নদীনালায় যাচ্ছে। অনেক সময় বর্জ্য পুড়িয়ে দিলেও বাতাস দূষিত হচ্ছে। সভ্য কোনো দেশে এভাবে নদীর পাড়ে বর্জ্য ফেলা হয় না।
পৌর রাজস্ব বাজেটের অনেকটাই খরচ হওয়ার কথা বর্জ্য ব্যবস্থাপনায়। রাতের অন্ধকারে সড়কের পাশে, নদীর পাড়ে বর্জ্য ফেলা বন্ধ করতে কার্যকর ব্যবস্থা নিতে হবে। দ্রুত সময়ের মধ্যে আধুনিক বর্জ্য ব্যবস্থাপনা স্টেশন তৈরি করতে পারলে ময়লা ধ্বংস বা রিসাইকেল করা যাবে- যা স্থায়ী সমাধান।
ঝালকাঠির কুনিহারীতে আধুনিক বর্জ্য ব্যবস্থাপনা ইউনিট নির্মাণে পরিবেশ অধিদপ্তরের সাইট ক্লিয়ারেন্স ও পরিবেশের ছাড়পত্র পাওয়া গেলেও এখনও জমি অধিগ্রহণের কাজ শেষ হয়নি। অন্যদিকে নলছিটি পৌরসভার ক্ষেত্রেও এমন উদ্যোগ নিতে হবে।
নলছিটি পৌর প্রশাসক প্রতীক কুমার কুন্ডুর মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগ করা হলেও তিনি ফোন ধরেননি। ফলে এ বিষয়ে তাঁর বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
ঝালকাঠি পৌরসভার প্রশাসক জুলিয়া সুকায়না বলেন, এর আগে ডাম্পিং স্টেশন ছিল না। বর্তমানে পৌরসভার জন্য ডাম্পিংয়ের ব্যবস্থা করা হয়েছে। নদীর তীরে যাতে বর্জ্য ফেলা না হয়, সে বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
জেলা প্রশাসক মোহাম্মাদ মমিন উদ্দিন বলেন,পৌরসভার প্রশাসকদের আগে থেকেই নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে, নদীর তীরে ময়লা ফেলা যাবে না। ময়লা ফেলার জন্য বিকল্প ব্যবস্থা নিতে বলা হয়েছে। এরপরও যদি নদীতে ময়লা ফেলা হয়, বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে দেখা হবে।
ঝালকাঠির সুগন্ধা নদীর তীরে নিয়মিত ময়লা-আবর্জনা ফেলার অভিযোগ উঠেছে ঝালকাঠি ও নলছিটি পৌরসভার বিরুদ্ধে। নদীর তীরবর্তী বিভিন্ন স্থানে বর্জ্য ফেলার কারণে পরিবেশ দূষণের পাশাপাশি নদীর পানি দূষিত হওয়ার আশঙ্কা করছেন স্থানীয়রা।
ঝালকাঠি শহরের মেঘনা তেলের ডিপোসংলগ্ন স্থানে সুগন্ধা নদীর পাড় ও নলছিটি পৌর এলাকার কলবাড়ীসহ নদীর তীরবর্তী কয়েকটি স্থানে সম্প্রতি ময়লার স্তূপ দেখা গেছে। এসব স্তূপে গৃহস্থালি বর্জ্য, পলিথিন, প্লাস্টিকের বোতল, খাবারের উচ্ছিষ্টসহ বিভিন্ন ধরনের আবর্জনা রয়েছে। বর্জ্য পচে দুর্গন্ধ ছড়াচ্ছে আশপাশের এলাকায়।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, পৌর এলাকার বাসাবাড়ি, বাজার ও বিভিন্ন ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান থেকে প্রতিদিন বিপুল পরিমাণ বর্জ্য সংগ্রহ করা হয়। এর একটি অংশ নির্দিষ্ট স্থানে না নিয়ে নদীর তীরে ফেলা হচ্ছে। পরে বৃষ্টি ও জোয়ারের পানিতে এসব বর্জ্যের একটি অংশ নদীতে গিয়ে পড়ছে।
নলছিটি পৌরসভার বাসিন্দা এইচ এম সিজার বলেন,পৌরসভার যত বর্জ্য আছে, সেগুলো নিয়ে এসে কলবাড়ী এলাকার সুগন্ধা নদীর তীরে ফেলা হচ্ছে। এতে দুর্গন্ধ ছড়িয়ে পরিবেশ দূষিত হচ্ছে। জোয়ারের পানিতে ময়লা নদীতেও মিশে যাচ্ছে। বর্জ্য ব্যবস্থাপনার জন্য নির্দিষ্ট জায়গা প্রয়োজন।
ঝালকাঠি পৌর শহরে বাসিন্দা মাহবুব হোসেন সৈকত বলেন,নদীর পাশে ময়লা ফেলায় সব সময় দুর্গন্ধ থাকে। বৃষ্টি হলে ময়লা পানিতে মিশে নদীতে চলে যায়। দ্রুত এভাবে ময়লা ফেলা বন্ধ করা দরকার।
সুজন ও ঝালকাঠি গাছপালা নদীনালা রক্ষা আন্দোলনের জেলা সেক্রেটারি ইসমাঈল মুসাফির বলেন, ঝালকাঠি ও নলছিটি পৌর এলাকায় প্রতিদিন যে পরিমাণ বর্জ্য উৎপাদন হয় তা সংগ্রহ ও অপসারণে পরিচ্ছন্নতাকর্মী অনেক কিন্তু বাস্তবে কম। দুটি পৌরসভার বর্জ্যই সুগন্ধা নদীর পাড়ে ফেলা হচ্ছে। এগুলোর গলিত পানি ভূগর্ভস্থ পানিতে চলে যাচ্ছে। জোয়ার ও বৃষ্টিতে আশপাশের কৃষিজমি ও নদীনালায় যাচ্ছে। অনেক সময় বর্জ্য পুড়িয়ে দিলেও বাতাস দূষিত হচ্ছে। সভ্য কোনো দেশে এভাবে নদীর পাড়ে বর্জ্য ফেলা হয় না।
পৌর রাজস্ব বাজেটের অনেকটাই খরচ হওয়ার কথা বর্জ্য ব্যবস্থাপনায়। রাতের অন্ধকারে সড়কের পাশে, নদীর পাড়ে বর্জ্য ফেলা বন্ধ করতে কার্যকর ব্যবস্থা নিতে হবে। দ্রুত সময়ের মধ্যে আধুনিক বর্জ্য ব্যবস্থাপনা স্টেশন তৈরি করতে পারলে ময়লা ধ্বংস বা রিসাইকেল করা যাবে- যা স্থায়ী সমাধান।
ঝালকাঠির কুনিহারীতে আধুনিক বর্জ্য ব্যবস্থাপনা ইউনিট নির্মাণে পরিবেশ অধিদপ্তরের সাইট ক্লিয়ারেন্স ও পরিবেশের ছাড়পত্র পাওয়া গেলেও এখনও জমি অধিগ্রহণের কাজ শেষ হয়নি। অন্যদিকে নলছিটি পৌরসভার ক্ষেত্রেও এমন উদ্যোগ নিতে হবে।
নলছিটি পৌর প্রশাসক প্রতীক কুমার কুন্ডুর মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগ করা হলেও তিনি ফোন ধরেননি। ফলে এ বিষয়ে তাঁর বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
ঝালকাঠি পৌরসভার প্রশাসক জুলিয়া সুকায়না বলেন, এর আগে ডাম্পিং স্টেশন ছিল না। বর্তমানে পৌরসভার জন্য ডাম্পিংয়ের ব্যবস্থা করা হয়েছে। নদীর তীরে যাতে বর্জ্য ফেলা না হয়, সে বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
জেলা প্রশাসক মোহাম্মাদ মমিন উদ্দিন বলেন,পৌরসভার প্রশাসকদের আগে থেকেই নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে, নদীর তীরে ময়লা ফেলা যাবে না। ময়লা ফেলার জন্য বিকল্প ব্যবস্থা নিতে বলা হয়েছে। এরপরও যদি নদীতে ময়লা ফেলা হয়, বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে দেখা হবে।
২২ অক্টোবর, ২০২৬ ১৬:৩৯
ঝালকাঠির কাঁঠালিয়ায় ১০৫ পিস ইয়াবাসহ দুই মাদককারবারিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
বুধবার (২১ অক্টোবর) রাতে উপজেলার শৌলজালিয়া ইউনিয়নের কচুয়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।ঘড়ি কিনুন
গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন- মো. কবির হাওলাদার (৪৫) ও মো. রাজিব হাওলাদার (২৪)।
পুলিশ জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়। এ সময় তাদের কাছ থেকে ১০৫ পিস ইয়াবা জব্দ করা হয়।
তারা দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় মাদককারবারে জড়িত বলে দাবি পুলিশের।
কাঁঠালিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. নাছের রায়হান বলেন, ‘এ ঘটনায় তাদের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা হয়েছে। বৃহস্পতিবার দুপুরে তাদের ঝালকাঠি আদালতে পাঠানো হয়েছে।’
ঝালকাঠির কাঁঠালিয়ায় ১০৫ পিস ইয়াবাসহ দুই মাদককারবারিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
বুধবার (২১ অক্টোবর) রাতে উপজেলার শৌলজালিয়া ইউনিয়নের কচুয়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।ঘড়ি কিনুন
গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন- মো. কবির হাওলাদার (৪৫) ও মো. রাজিব হাওলাদার (২৪)।
পুলিশ জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়। এ সময় তাদের কাছ থেকে ১০৫ পিস ইয়াবা জব্দ করা হয়।
তারা দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় মাদককারবারে জড়িত বলে দাবি পুলিশের।
কাঁঠালিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. নাছের রায়হান বলেন, ‘এ ঘটনায় তাদের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা হয়েছে। বৃহস্পতিবার দুপুরে তাদের ঝালকাঠি আদালতে পাঠানো হয়েছে।’

২১ অক্টোবর, ২০২৬ ১২:২৮
ঝালকাঠির রাজাপুরে বিকাশ ব্যবসায়ীকে কুপিয়ে গুরুতর জখম করে ৭ লাখ টাকাসহ মোবাইল ফোন ডাকাতির ঘটনায় ৭২ ঘণ্টার মধ্যে ডাকাত দলের সরদারসহ পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করেছে স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন (এসআরবি)। এ সময় তাদের কাছ থেকে নগদ ১ লাখ ৯ হাজার ৫৫১ টাকা এবং চারটি মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়েছে।
এর আগে গত ১৭ অক্টোবর রাত আনুমানিক ৯টা ৪৫ মিনিটে ঝালকাঠির রাজাপুর উপজেলার বারাকপুর এলাকায় বিকাশ ব্যবসায়ী মো. সুমন হোসেনের পথরোধ করে দেশীয় অস্ত্রধারী দুর্বৃত্তরা। এ সময় ধারালো রামদা ও লোহার রড দিয়ে তাকে এলোপাতাড়ি আঘাত করে গুরুতর জখম করা হয়। পরে তার সঙ্গে থাকা ব্যাগ থেকে বিকাশের নগদ ৭ লাখ টাকা ও ব্যবহৃত মোবাইল ফোন ছিনিয়ে নিয়ে পালিয়ে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী রাজাপুর থানায় মামলা করেন। মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তার আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে এসআরবি-৮, সিপিএসসি, বরিশালের একটি আভিযানিক দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ২০ অক্টোবর রাতে বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে আফজাল হোসেন (৫০), লিটন হাওলাদার (৩০), আবুল কালাম (৩৮), চান মিয়া (২৯) এবং মামুন হাওলাদারকে (২৪) গ্রেপ্তার করে।
এসআরবি সূত্রে জানা যায়, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে লিটন হাওলাদারের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে এ ঘটনায় জড়িত অন্য অভিযুক্তদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তার করা সম্ভব হয়। তাদের কাছ থেকে উদ্ধার করা নগদ টাকা ও মোবাইল ফোনের বিষয়ে প্রয়োজনীয় আইনগত কার্যক্রম শেষে তাদের ঝালকাঠির রাজাপুর থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থাগ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে।
এই গ্রেপ্তার অভিযানের বিষয়টি ২১ অক্টোবর এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে নিশ্চিত করেছে এলিট ফোর্স।’
ঝালকাঠির রাজাপুরে বিকাশ ব্যবসায়ীকে কুপিয়ে গুরুতর জখম করে ৭ লাখ টাকাসহ মোবাইল ফোন ডাকাতির ঘটনায় ৭২ ঘণ্টার মধ্যে ডাকাত দলের সরদারসহ পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করেছে স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন (এসআরবি)। এ সময় তাদের কাছ থেকে নগদ ১ লাখ ৯ হাজার ৫৫১ টাকা এবং চারটি মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়েছে।
এর আগে গত ১৭ অক্টোবর রাত আনুমানিক ৯টা ৪৫ মিনিটে ঝালকাঠির রাজাপুর উপজেলার বারাকপুর এলাকায় বিকাশ ব্যবসায়ী মো. সুমন হোসেনের পথরোধ করে দেশীয় অস্ত্রধারী দুর্বৃত্তরা। এ সময় ধারালো রামদা ও লোহার রড দিয়ে তাকে এলোপাতাড়ি আঘাত করে গুরুতর জখম করা হয়। পরে তার সঙ্গে থাকা ব্যাগ থেকে বিকাশের নগদ ৭ লাখ টাকা ও ব্যবহৃত মোবাইল ফোন ছিনিয়ে নিয়ে পালিয়ে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী রাজাপুর থানায় মামলা করেন। মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তার আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে এসআরবি-৮, সিপিএসসি, বরিশালের একটি আভিযানিক দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ২০ অক্টোবর রাতে বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে আফজাল হোসেন (৫০), লিটন হাওলাদার (৩০), আবুল কালাম (৩৮), চান মিয়া (২৯) এবং মামুন হাওলাদারকে (২৪) গ্রেপ্তার করে।
এসআরবি সূত্রে জানা যায়, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে লিটন হাওলাদারের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে এ ঘটনায় জড়িত অন্য অভিযুক্তদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তার করা সম্ভব হয়। তাদের কাছ থেকে উদ্ধার করা নগদ টাকা ও মোবাইল ফোনের বিষয়ে প্রয়োজনীয় আইনগত কার্যক্রম শেষে তাদের ঝালকাঠির রাজাপুর থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থাগ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে।
এই গ্রেপ্তার অভিযানের বিষয়টি ২১ অক্টোবর এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে নিশ্চিত করেছে এলিট ফোর্স।’

২৫ জুন, ২০২৫ ১২:১৯
সংবাদ প্রকাশের জেরে ঝালকাঠির নলছিটিতে খান মাইনউদ্দিন (৪০) নামে এক সাংবাদিকের ওপর হামলা চালিয়েছে সন্ত্রাসীরা। মঙ্গলবার (২৪ জুন) রাত ৯টার দিকে উপজেলার দপদপিয়া ইউনিয়নের জুরকাঠি গ্রামে তার নিজ বাড়িতে এ হামলার ঘটনা ঘটে। গুরুতর আহত অবস্থায় খান মাইনউদ্দিনকে বরিশাল শের-ই বাংলা মেডিকেল কলেজ (শেবাচিম) হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
সাংবাদিক খান মাইনউদ্দিন দৈনিক বাংলাদেশ বুলেটিন পত্রিকার বরিশাল ব্যুরো প্রধান ও আঞ্চলিক দৈনিক দখিনের কন্ঠ পত্রিকার স্টাফ রিপোর্টার হিসেবে কর্মরত আছেন।
পরিবার সূত্রে জানা গেছে, মঙ্গলবার দুপুরে নলছিটির দপদপিয়া ইউনিয়নের উত্তর জুরকাঠি গ্রামের সরকারি অর্থায়নে নির্মিত একটি কালভার্ট কাঠের গেট বানিয়ে বন্ধ করে রাখার ঘটনায় সংবাদ প্রকাশ করেন সাংবাদিক খান মাইনউদ্দিন।
সংবাদ প্রকাশের পর ওই এলাকার আবু হোসেন, তার ছেলে ইমরান হাওলাদার, রিয়াজ হাওলাদার, মুসা হাওলাদারের ছেলে ইব্রাহিম হাওলাদার, হাবিব সিকদারের ছেলে নিশাত সিকদার, আলম হাওলাদার, সানি হাওলাদারসহ ১০/১২ জন লোক রামদা, চাপাতি, ছুরি, লোহার রড, হাতুড়ি নিয়ে সাংবাদিক খান মাইনউদ্দিনের বাড়িতে ঢুকে তার ওপর হামলা চালান। তাকে কুপিয়ে ও পিটিয়ে মৃত্যু নিশ্চিত করতে অজ্ঞান অবস্থায় পার্শ্ববর্তী খালে ফেলে দেন।
পরে আশঙ্কাজনক অবস্থায় স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে বরিশাল শের-ই বাংলা মেডিকেল কলেজ (শেবাচিম) হাসপাতালে ভর্তি করেন।নলছিটি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুস সালাম বলেন, সাংবাদিকদের ওপর হামলা ঘটনায় অভিযোগ পেলে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
০১ নভেম্বর, ২০২৬ ১৭:২৫
০১ নভেম্বর, ২০২৬ ১৭:২১
০১ নভেম্বর, ২০২৬ ১৩:২০
০১ নভেম্বর, ২০২৬ ১০:৫০