
১৩ নভেম্বর, ২০২৫ ১৩:৩৭
প্রেমের সম্পর্কে আট মাস পূর্বে ১৬ বছরের তরুনী তার প্রেমিককে বিয়ে করে সুখের সংসার করার স্বপ্ন দেখেছিলো। অবশেষে তার সেই স্বপ্ন দুঃস্বপ্নে পরিনত হয়েছে। বর্তমানে (১২ নভেম্বর দিবাগত রাতে) বরিশাল মর্গে পরে রয়েছে রিয়া মনি (১৬) নামের ওই গৃহবধূর লাশ।
মেহেন্দিহঞ্জ থানার ওসি মো. ফকরুল ইসলাম বলেন, রিয়া মনির মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে প্রেরণ করা হয়েছে। প্রাথমিকভাবে এ ঘটনায় একটি অপমৃত্যু মামলা দায়ের করা হয়েছে। তবে ময়নাতদন্তের রিপোর্ট হাতে পাওয়ার পর মৃত্যুর আসল রহস্য জানা যাবে।
মৃত রিয়া মনি মুলাদী উপজেলা সদরের বাসিন্দা রায়হান মন্ডলের মেয়ে। বুধবার দিবাগত রাতে মৃত রিয়া মনির বাবা রায়হান মন্ডল অভিযোগ করে বলেন, প্রেমের সম্পর্কে গত মার্চ মাসে মেহেন্দীগঞ্জের উলানিয়া ইউনিয়নের হাসানপুর গ্রামের ইমন হাওলাদারের সাথে রিয়া মনির বিয়ে হয়। বিয়ের পর থেকেই ইমন ও তার পরিবারের সদস্যরা কারণে অকারণে রিয়া মনিকে নির্যাতিত চালাতো।
তিনি আরও বলেন-শুক্রবার রিয়া মনির নানী মৃত্যুবরণ করেন। খবর পেয়ে রিয়া তার নানীর লাশ দেখতে আসার কথা বললে তাকে আসতে দেয়া হয়নি। পরবর্তীতে না বলে পালিয়ে নানীর লাশ দেখতে আসার পথে মেহেন্দিগঞ্জ লঞ্চঘাট থেকে রিয়া মনিকে তার শ্বশুর পরিবারের লোকজন জোরপূর্বক বাড়িতে নিয়ে আটকে রাখে।
১১ নভেম্বর বেলা ১১ দিকে রিয়া মনির স্বামী ইমন তাকে (রায়হান মন্ডল) মোবাইল ফোনে জানায়- রিয়া মনি গলায় ফাঁস দিয়েছেন। কিছুক্ষণ পর পুনরায় ফোন করে জানায়-রিয়া মনি মারা গেছে। এরপর থেকে আর তাদের মোবাইলে যোগাযোগ করা হলেও তা বন্ধ পাওয়া যায়।
রায়হান মন্ডল আরও বলেন-মেহেন্দিগঞ্জ থানা থেকে ফোন করে তাকে জানানো হয় রিয়া মনির লাশ বরিশাল শের-ই বাংলা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের মর্গে রয়েছে। পরে বুধবার সকালে মর্গে গিয়ে রিয়া মনির লাশ দেখতে পান। কিন্তু রিয়া মনির শ্বশুর পরিবারের কাউকে সেখানে পাওয়া যায়নি।
রায়হান মন্ডল অভিযোগ করে বলেন-আমার শতভাগ বিশ্বাস রিয়া মনির স্বামী ও শ্বশুড় পরিবারের সদস্যরা রিয়াকে হত্যা করেছে। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে-রিয়া মনির মৃত্যুর পর থেকে ইমন ও তার পরিবারের সদস্যরা এলাকা ছেড়ে আত্মগোপন করেছে। এ ঘটনায় হত্যা মামলা দায়ের করা হবে বলেও তিনি (রায়হান) উল্লেখ করেন।
প্রেমের সম্পর্কে আট মাস পূর্বে ১৬ বছরের তরুনী তার প্রেমিককে বিয়ে করে সুখের সংসার করার স্বপ্ন দেখেছিলো। অবশেষে তার সেই স্বপ্ন দুঃস্বপ্নে পরিনত হয়েছে। বর্তমানে (১২ নভেম্বর দিবাগত রাতে) বরিশাল মর্গে পরে রয়েছে রিয়া মনি (১৬) নামের ওই গৃহবধূর লাশ।
মেহেন্দিহঞ্জ থানার ওসি মো. ফকরুল ইসলাম বলেন, রিয়া মনির মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে প্রেরণ করা হয়েছে। প্রাথমিকভাবে এ ঘটনায় একটি অপমৃত্যু মামলা দায়ের করা হয়েছে। তবে ময়নাতদন্তের রিপোর্ট হাতে পাওয়ার পর মৃত্যুর আসল রহস্য জানা যাবে।
মৃত রিয়া মনি মুলাদী উপজেলা সদরের বাসিন্দা রায়হান মন্ডলের মেয়ে। বুধবার দিবাগত রাতে মৃত রিয়া মনির বাবা রায়হান মন্ডল অভিযোগ করে বলেন, প্রেমের সম্পর্কে গত মার্চ মাসে মেহেন্দীগঞ্জের উলানিয়া ইউনিয়নের হাসানপুর গ্রামের ইমন হাওলাদারের সাথে রিয়া মনির বিয়ে হয়। বিয়ের পর থেকেই ইমন ও তার পরিবারের সদস্যরা কারণে অকারণে রিয়া মনিকে নির্যাতিত চালাতো।
তিনি আরও বলেন-শুক্রবার রিয়া মনির নানী মৃত্যুবরণ করেন। খবর পেয়ে রিয়া তার নানীর লাশ দেখতে আসার কথা বললে তাকে আসতে দেয়া হয়নি। পরবর্তীতে না বলে পালিয়ে নানীর লাশ দেখতে আসার পথে মেহেন্দিগঞ্জ লঞ্চঘাট থেকে রিয়া মনিকে তার শ্বশুর পরিবারের লোকজন জোরপূর্বক বাড়িতে নিয়ে আটকে রাখে।
১১ নভেম্বর বেলা ১১ দিকে রিয়া মনির স্বামী ইমন তাকে (রায়হান মন্ডল) মোবাইল ফোনে জানায়- রিয়া মনি গলায় ফাঁস দিয়েছেন। কিছুক্ষণ পর পুনরায় ফোন করে জানায়-রিয়া মনি মারা গেছে। এরপর থেকে আর তাদের মোবাইলে যোগাযোগ করা হলেও তা বন্ধ পাওয়া যায়।
রায়হান মন্ডল আরও বলেন-মেহেন্দিগঞ্জ থানা থেকে ফোন করে তাকে জানানো হয় রিয়া মনির লাশ বরিশাল শের-ই বাংলা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের মর্গে রয়েছে। পরে বুধবার সকালে মর্গে গিয়ে রিয়া মনির লাশ দেখতে পান। কিন্তু রিয়া মনির শ্বশুর পরিবারের কাউকে সেখানে পাওয়া যায়নি।
রায়হান মন্ডল অভিযোগ করে বলেন-আমার শতভাগ বিশ্বাস রিয়া মনির স্বামী ও শ্বশুড় পরিবারের সদস্যরা রিয়াকে হত্যা করেছে। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে-রিয়া মনির মৃত্যুর পর থেকে ইমন ও তার পরিবারের সদস্যরা এলাকা ছেড়ে আত্মগোপন করেছে। এ ঘটনায় হত্যা মামলা দায়ের করা হবে বলেও তিনি (রায়হান) উল্লেখ করেন।

১০ এপ্রিল, ২০২৬ ১৫:০০
বরিশাল শের-ই বাংলা মেডিকেল কলেজ (শেবাচিম) হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় হাম উপসর্গ নিয়ে গত ২৪ ঘণ্টায় আরও দুই শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে বরিশাল বিভাগে হাম উপসর্গ নিয়ে শিশু মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১৪ জনে।
মৃত সাদিয়া (২ বছর) বরিশালের মুলাদী উপজেলার কাজিরচর ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের রাজীবের মেয়ে এবং রাকিব (৯ মাস) বানারীপাড়া উপজেলার চাখার ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ডের হাবিবুর রহমানের ছেলে।
শুক্রবার (১০ এপ্রিল) সকালে বিষয়টি নিশ্চিত করে বরিশাল শের-ই বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ডা. মুশিউল মুনির জানান, এই দুই শিশু ৮ এপ্রিল দুপুর ২টার দিকে হাসপাতালে ভর্তি হয় হাম উপসর্গ নিয়ে এবং শুক্রবার (১০ এপ্রিল) ভোরে দুজনারই মৃত্যু হয় একঘণ্টার ব্যবধানে।
সাদিয়ার মৃত্যু হয় পৌনে চারটায় ও রাকিবের মৃত্যু হয় ভোর পৌনে পাঁচটায়। এই নিয়ে হাসপাতালে হাম উপসর্গে ৫ শিশুর মৃত্যু হয়েছে।
পরিচালক আরও জানান, হাসপাতালে বর্তমানে ৯২ জন হাম উপসর্গ নিয়ে চিকিৎসাধীন রয়েছেন, যার মধ্যে গত ২৪ ঘণ্টায় ৩১ জন ভর্তি হয়েছেন। একই সঙ্গে গত ২৪ ঘণ্টায় ২৮ জন রোগী সুস্থ হয়ে বাড়ি গিয়েছেন। এই পর্যন্ত এই হাসপাতালে মোট ৩৪১ জন হাম উপসর্গ থাকা রোগী ভর্তি হয়েছেন।’
বরিশাল শের-ই বাংলা মেডিকেল কলেজ (শেবাচিম) হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় হাম উপসর্গ নিয়ে গত ২৪ ঘণ্টায় আরও দুই শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে বরিশাল বিভাগে হাম উপসর্গ নিয়ে শিশু মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১৪ জনে।
মৃত সাদিয়া (২ বছর) বরিশালের মুলাদী উপজেলার কাজিরচর ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের রাজীবের মেয়ে এবং রাকিব (৯ মাস) বানারীপাড়া উপজেলার চাখার ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ডের হাবিবুর রহমানের ছেলে।
শুক্রবার (১০ এপ্রিল) সকালে বিষয়টি নিশ্চিত করে বরিশাল শের-ই বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ডা. মুশিউল মুনির জানান, এই দুই শিশু ৮ এপ্রিল দুপুর ২টার দিকে হাসপাতালে ভর্তি হয় হাম উপসর্গ নিয়ে এবং শুক্রবার (১০ এপ্রিল) ভোরে দুজনারই মৃত্যু হয় একঘণ্টার ব্যবধানে।
সাদিয়ার মৃত্যু হয় পৌনে চারটায় ও রাকিবের মৃত্যু হয় ভোর পৌনে পাঁচটায়। এই নিয়ে হাসপাতালে হাম উপসর্গে ৫ শিশুর মৃত্যু হয়েছে।
পরিচালক আরও জানান, হাসপাতালে বর্তমানে ৯২ জন হাম উপসর্গ নিয়ে চিকিৎসাধীন রয়েছেন, যার মধ্যে গত ২৪ ঘণ্টায় ৩১ জন ভর্তি হয়েছেন। একই সঙ্গে গত ২৪ ঘণ্টায় ২৮ জন রোগী সুস্থ হয়ে বাড়ি গিয়েছেন। এই পর্যন্ত এই হাসপাতালে মোট ৩৪১ জন হাম উপসর্গ থাকা রোগী ভর্তি হয়েছেন।’

০৯ এপ্রিল, ২০২৬ ১৯:২১
বরিশালের বানারীপাড়ায় যৌতুক না পেয়ে নির্মম নির্যাতন করে স্ত্রী মারিয়া আক্তারকে (১৮) হত্যা মামলার আসামী ঘাতক স্বামী রবিউল মৃধাকে (২৮) গ্রেপ্তার করেছে থানা পুলিশ।
বুধবার (৮ এপ্রিল) দিবাগত রাত দুইটার দিকে রাজধানীর নন্দীপাড়ার ছোট বটতলার ভাড়াটিয়া বাসা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) সকালে তাকে বানারীপাড়া থানায় নিয়ে আসার পরে বরিশাল আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হয়।
বানারীপাড়া থানার ওসি মোঃ মজিবুর রহমান জানান, বরিশাল জেলা পুলিশ সুপার জেড, এম মোস্তাফিজুর রহমানের দূরদর্শী দিক নির্দেশনায় গৃহবধু মারিয়া আক্তার মারা যাওয়ার কয়েক ঘন্টার মধ্যেই ঢাকা থেকে হত্যা মামলার মূল আসামী রবিউলকে গ্রেপ্তার করতে পেরেছি।এর আগে বুধবার রাতে নিহত মারিয়া আক্তারের পিতা হুমায়ুন কবির হাওলাদার বাদী হয়ে মেয়ে জামাতা রবিউলকে প্রধান আসামী ও ৪ জনকে অজ্ঞাতনামা আসামী করে বানারীপাড়া থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন।
প্রসঙ্গত, বানারীপাড়া উপজেলার সলিয়াবাকপুর ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের পূর্ব সলিয়াবাকপুর গ্রামের বাসিন্দা হুমায়ুন কবির হাওলাদারের মেয়ে মারিয়া আক্তারের সঙ্গে প্রায় তিন বছর আগে একই এলাকার রবিউল মৃধার পারিবারিক ভাবে বিবাহ হয়।
তাদের সংসারে দুই বছরের একটি কন্যা সন্তান রয়েছে। জীবিকার তাগিদে তারা রাজধানী ঢাকায় নন্দীপাড়ার ছোট বটতলায় ভাড়া বাসায় বসবাস করতেন। রবিউল সেখানে লেগুনা গাড়ির চালক।
যৌতুকের টাকার দাবি পূরণ ও বিয়ের সময়ে প্রতিশ্রুত স্বর্নের কানের দুল দিতে না পারা এবং মাদক সেবনে বাধা দেওয়ায় দীর্ঘদিন ধরে রবিউল স্ত্রী মারিয়াকে মানসিক ও শারিরীকভাবে নির্যাতন করতেন।
স্ত্রীকে নির্যাতনে রবিউলকে তার মা ও বোন ইন্ধন যোগাতেন। রমজান মাসে রবিউল তার স্ত্রী মারিয়াকে বাবার বাড়ি থেকে ১৫ হাজার টাকা এনে দিতে বলেন। চা দোকানী দরিদ্র বাবার কাছ থেকে টাকা এনে দিতে অস্বীকৃতি জানানো এবং বাসায় বসে গাঁজাসহ বিভিন্ন মাদক সেবনে বাধা দেওয়ায় তাকে প্রায়ই মারধর করা হতো।
এরই ধারাবাহিকতায় গত শনিবার (৪ এপ্রিল) রবিউল মৃধা স্ত্রী মারিয়াকে অমানবিকভাবে মারধর করে। এ সময় পিটিয়ে তার শরীরের বিভিন্ন স্থানে গুরুতর জখম করা হয়। , এমনকি তার সংবেদনশীল অঙ্গেও আঘাতের অভিযোগ রয়েছে।
নির্মম নির্যাতনের পরে তাকে কোন চিকিৎসাও করানো হয়নি। গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় বিনা চিকিৎসায় বাসায় ফেলে রাখা হয়। অসুস্থতার কারনে বাসায় রান্না করতে না পারায় দ্বিতীয় দফা তাকে মারধর করা হয়।
মারিয়ার গুরুতর অসুস্থ অবস্থার খবর পেয়ে তার মা হাফিজা বেগম ঢাকায় ছুঁটে যান। সেখান থেকে বুধবার (৮ এপ্রিল) বেলা ১১টার দিকে গুরুতর আহত মারিয়াকে বানারীপাড়ায় পূর্ব সলিয়াবাকপুর গ্রামের বাড়িতে নিয়ে আসা হয়।
বাড়িতে আসার পর অবস্থার অবনতি ঘটলে বেলা সাড়ে ১১টার দিকে তাকে বানারীপাড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স নিয়ে আসার পর চিকিৎসাধিন অবস্থায় দুপুর ১২টার দিকে তার মৃত্যু হয়।
খবর পেয়ে বানারীপাড়া থানা পুলিশ হাসপাতাল থেকে মারিয়ার মরদেহ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য বরিশাল শেবাচিম হাসপাতাল মর্গে পাঠায়। সেখানে ময়না তদন্ত শেষে বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) সন্ধ্যায় জানাজা শেষে তার মরদেহ বাবার বাড়ির পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হয়। এদিকে মারিয়ার ঘাতক রবিউল মৃধা অল্প সময়ের মধ্যে গ্রেপ্তার হওয়ায় নিহতের পরিবার ও এলাকাবাসী স্বস্তি প্রকাশ করেছেন। তারা ঘাতকের ফাঁসির দাবি জানিয়েছেন।
বরিশালের বানারীপাড়ায় যৌতুক না পেয়ে নির্মম নির্যাতন করে স্ত্রী মারিয়া আক্তারকে (১৮) হত্যা মামলার আসামী ঘাতক স্বামী রবিউল মৃধাকে (২৮) গ্রেপ্তার করেছে থানা পুলিশ।
বুধবার (৮ এপ্রিল) দিবাগত রাত দুইটার দিকে রাজধানীর নন্দীপাড়ার ছোট বটতলার ভাড়াটিয়া বাসা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) সকালে তাকে বানারীপাড়া থানায় নিয়ে আসার পরে বরিশাল আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হয়।
বানারীপাড়া থানার ওসি মোঃ মজিবুর রহমান জানান, বরিশাল জেলা পুলিশ সুপার জেড, এম মোস্তাফিজুর রহমানের দূরদর্শী দিক নির্দেশনায় গৃহবধু মারিয়া আক্তার মারা যাওয়ার কয়েক ঘন্টার মধ্যেই ঢাকা থেকে হত্যা মামলার মূল আসামী রবিউলকে গ্রেপ্তার করতে পেরেছি।এর আগে বুধবার রাতে নিহত মারিয়া আক্তারের পিতা হুমায়ুন কবির হাওলাদার বাদী হয়ে মেয়ে জামাতা রবিউলকে প্রধান আসামী ও ৪ জনকে অজ্ঞাতনামা আসামী করে বানারীপাড়া থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন।
প্রসঙ্গত, বানারীপাড়া উপজেলার সলিয়াবাকপুর ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের পূর্ব সলিয়াবাকপুর গ্রামের বাসিন্দা হুমায়ুন কবির হাওলাদারের মেয়ে মারিয়া আক্তারের সঙ্গে প্রায় তিন বছর আগে একই এলাকার রবিউল মৃধার পারিবারিক ভাবে বিবাহ হয়।
তাদের সংসারে দুই বছরের একটি কন্যা সন্তান রয়েছে। জীবিকার তাগিদে তারা রাজধানী ঢাকায় নন্দীপাড়ার ছোট বটতলায় ভাড়া বাসায় বসবাস করতেন। রবিউল সেখানে লেগুনা গাড়ির চালক।
যৌতুকের টাকার দাবি পূরণ ও বিয়ের সময়ে প্রতিশ্রুত স্বর্নের কানের দুল দিতে না পারা এবং মাদক সেবনে বাধা দেওয়ায় দীর্ঘদিন ধরে রবিউল স্ত্রী মারিয়াকে মানসিক ও শারিরীকভাবে নির্যাতন করতেন।
স্ত্রীকে নির্যাতনে রবিউলকে তার মা ও বোন ইন্ধন যোগাতেন। রমজান মাসে রবিউল তার স্ত্রী মারিয়াকে বাবার বাড়ি থেকে ১৫ হাজার টাকা এনে দিতে বলেন। চা দোকানী দরিদ্র বাবার কাছ থেকে টাকা এনে দিতে অস্বীকৃতি জানানো এবং বাসায় বসে গাঁজাসহ বিভিন্ন মাদক সেবনে বাধা দেওয়ায় তাকে প্রায়ই মারধর করা হতো।
এরই ধারাবাহিকতায় গত শনিবার (৪ এপ্রিল) রবিউল মৃধা স্ত্রী মারিয়াকে অমানবিকভাবে মারধর করে। এ সময় পিটিয়ে তার শরীরের বিভিন্ন স্থানে গুরুতর জখম করা হয়। , এমনকি তার সংবেদনশীল অঙ্গেও আঘাতের অভিযোগ রয়েছে।
নির্মম নির্যাতনের পরে তাকে কোন চিকিৎসাও করানো হয়নি। গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় বিনা চিকিৎসায় বাসায় ফেলে রাখা হয়। অসুস্থতার কারনে বাসায় রান্না করতে না পারায় দ্বিতীয় দফা তাকে মারধর করা হয়।
মারিয়ার গুরুতর অসুস্থ অবস্থার খবর পেয়ে তার মা হাফিজা বেগম ঢাকায় ছুঁটে যান। সেখান থেকে বুধবার (৮ এপ্রিল) বেলা ১১টার দিকে গুরুতর আহত মারিয়াকে বানারীপাড়ায় পূর্ব সলিয়াবাকপুর গ্রামের বাড়িতে নিয়ে আসা হয়।
বাড়িতে আসার পর অবস্থার অবনতি ঘটলে বেলা সাড়ে ১১টার দিকে তাকে বানারীপাড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স নিয়ে আসার পর চিকিৎসাধিন অবস্থায় দুপুর ১২টার দিকে তার মৃত্যু হয়।
খবর পেয়ে বানারীপাড়া থানা পুলিশ হাসপাতাল থেকে মারিয়ার মরদেহ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য বরিশাল শেবাচিম হাসপাতাল মর্গে পাঠায়। সেখানে ময়না তদন্ত শেষে বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) সন্ধ্যায় জানাজা শেষে তার মরদেহ বাবার বাড়ির পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হয়। এদিকে মারিয়ার ঘাতক রবিউল মৃধা অল্প সময়ের মধ্যে গ্রেপ্তার হওয়ায় নিহতের পরিবার ও এলাকাবাসী স্বস্তি প্রকাশ করেছেন। তারা ঘাতকের ফাঁসির দাবি জানিয়েছেন।

০৯ এপ্রিল, ২০২৬ ১৬:৪১
বরিশালের গৌরনদীতে ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কের একটি ব্রিজের রেলিং ভেঙে পণ্যবাহী ট্রাক খাদে পড়ে যাওয়ার ঘটনা ঘটেছে। এতে ট্রাকটির চালক ও হেলপার আহত হলেও ভাগ্যক্রমে প্রাণে বেঁচে গেছেন। তারা স্থানীয়ভাবে প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়েছেন। বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) সকাল ৯টার দিকে মহাসড়কের টরকী বাসস্ট্যান্ড সংলগ্ন নীলখোলা এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় ও প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা গেছে, বরিশালগামী একটি মালবাহী ট্রাক নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে নীলখোলা ব্রিজের রেলিং ভেঙে সরাসরি খাদে পড়ে যায়। দুর্ঘটনার বিকট শব্দ শুনে স্থানীয় লোকজন দ্রুত ঘটনাস্থলে ছুটে আসেন এবং ট্রাকের ভেতর আটকে পড়া চালক ও হেলপারকে উদ্ধার করেন। দুর্ঘটনার তীব্রতা বেশি থাকলেও তারা দুজনেই সামান্য আঘাত পেয়ে প্রাণে রক্ষা পান।
এ বিষয়ে গৌরনদী হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শামীম শেখ জানান, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। দুর্ঘটনাকবলিত ট্রাকটি বর্তমানে পুলিশি হেফাজতে রয়েছে। এ ঘটনায় পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।
বরিশালের গৌরনদীতে ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কের একটি ব্রিজের রেলিং ভেঙে পণ্যবাহী ট্রাক খাদে পড়ে যাওয়ার ঘটনা ঘটেছে। এতে ট্রাকটির চালক ও হেলপার আহত হলেও ভাগ্যক্রমে প্রাণে বেঁচে গেছেন। তারা স্থানীয়ভাবে প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়েছেন। বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) সকাল ৯টার দিকে মহাসড়কের টরকী বাসস্ট্যান্ড সংলগ্ন নীলখোলা এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় ও প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা গেছে, বরিশালগামী একটি মালবাহী ট্রাক নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে নীলখোলা ব্রিজের রেলিং ভেঙে সরাসরি খাদে পড়ে যায়। দুর্ঘটনার বিকট শব্দ শুনে স্থানীয় লোকজন দ্রুত ঘটনাস্থলে ছুটে আসেন এবং ট্রাকের ভেতর আটকে পড়া চালক ও হেলপারকে উদ্ধার করেন। দুর্ঘটনার তীব্রতা বেশি থাকলেও তারা দুজনেই সামান্য আঘাত পেয়ে প্রাণে রক্ষা পান।
এ বিষয়ে গৌরনদী হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শামীম শেখ জানান, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। দুর্ঘটনাকবলিত ট্রাকটি বর্তমানে পুলিশি হেফাজতে রয়েছে। এ ঘটনায় পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.