Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
০৯ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১৭:৩৮
নদীবেষ্টিত বরিশাল বিভাগের ৪২টি উপজেলার মধ্যে ১৩টি দুর্গম হিসেবে চিহ্নিত করেছে প্রশাসন। সরকারি নথিতে দুই হাজার ৮শ ৩৮টি ভোট কেন্দ্রের অর্ধেকের বেশিই ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। ৩৪টি কেন্দ্র বিদ্যুৎ বিহীন। যদিও এযাবৎকালের মধ্যে সর্বোচ্চ সতর্কবস্থানে রয়েছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।
রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) বরিশাল মহানগরীর কাশিপুরের ১২ নং তিলক কলাডেমা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে দেখা যায় পুরোদমে চলছে সিসি ক্যামেরা বসানোর কাজ। দ্রুত সময়ে সকল কেন্দ্রেই সিসি ক্যামেরা স্থাপনে তড়িঘড়ি। নির্বাচন কমিশনের অমন উদ্যোগে খুশি ভোট গ্রহণকারীরাও।
ভোট কেন্দ্রে সিসিটিভি ক্যামেরা বসানো অপারেটর সাব্বির বলেন, 'নির্বাচন কমিশনের নির্দেশনানুযায়ী ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্রগুলোতে ছয়টি করে এবং কম ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্রগুলোতে দুইটি করে ক্যামেরা স্থাপন করা হয়েছে।
নারী ভোট গ্রহণ কর্মকর্তা আকলিমা বেগম জানান, 'তিনি যতগুলো ভোটে দায়িত্ব পালন করেছেন তার মধ্যে সবচেয়ে বেশি নিরাপত্তা এবারের নির্বাচনে। সিসি ক্যামেরা স্থাপন করা হয়েছে। পাশাপাশি প্রশিক্ষণ ক্ষেত্রে ভিন্নতা দেখা গেছে।' তিনি আরও বলেন, 'সঠিক নিরাপত্তা দিয়ে যেন সুষ্ঠুভাবে যেন ভোট গ্রহণ সম্পন্ন করতে পারে।'
তথ্য বলছে, দেশের সবচে বেশি নদীবেষ্টিত বিভাগ বরিশাল। বিভাগে এমন বেশ কয়েকটি উপজেলা রয়েছে যা মূল শহর থেকে একদম বিচ্ছিন্ন। যাতায়াতে ভরসা নৌ পথ। আছে চরাঞ্চলসহ একেবারে দুর্গম উপজেলা। বিভাগে দুই হাজার ৮৩৮টি কেন্দ্রে হবে ভোটগ্রহণ।
বিভাগীয় প্রশাসনে তথ্যমতে, এসব কেন্দ্রের অর্ধেকের বেশিই ঝুঁকিপূর্ণ। মাত্র ২৩৯টি কেন্দ্রে আগে থেকে আছে সিসি ক্যামেরা। আর বিদ্যুৎ নেই ৩৪টি কেন্দ্রে। আর বিভাগের ৪২ উপজেলার ১৩টিই দুর্গম। যার মধ্যে বরিশাল জেলাতেই অতিঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্রই ২১২টি। এখানে মোট কেন্দ্র ৮৩৩টি আর ঝুঁকিপূর্ণ ১৯৬ টি।
বরগুনা জেলায় মোট কেন্দ্র ৩১২টি, যার মধ্যে ঝুঁকিপূর্ণ ৭৫টি এবং ঝুঁকিপূর্ণ ৬৯টি। পটুয়াখালীর ৫১৩টি কেন্দ্রের ঝুঁকিপূর্ণ ১৮০টি আর ঝুঁকিপূর্ণ ১৩৫টি। দ্বীপজেলা ভোলায় ৫২৫টি কেন্দ্রের ঝুঁকিপূর্ণ ১৫৪টি আর অতি ঝূঁকিপূর্ন ৯৯টি। ঝালকাঠি জেলাতে ২৩৭ টি কেন্দ্রের ঝুঁকিপূর্ন ৮৩ ও অতিঝূঁকিপূর্ন ৫০ ও পিরোজপুরের ৪১৮ কেন্দ্রের ঝুঁকিপূর্ণ ১৩৯ টি ও অতিঝূঁকিপূর্ণ ৫৬টি।
এছাড়া বিভাগের বেতাগী, পাথরঘাটা, বামনা, গলাচিপা, রাঙ্গাবালী, কলাপাড়া, দশমিনা, চরফ্যাশন, মনপুরা, মেহেন্দীগঞ্জ, হিজলা, মুলাদী ও কাউখালী উপজেলাকে দূর্গম উপজেলা হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।
সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন) বরিশালের সাধারণ সম্পাদক রফিকুল আলম বলেন, 'সুষ্ঠু নির্বাচনের চ্যালেঞ্জ পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে চিহ্নিত করে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর আরও নজরদারি বাড়ানোর পাশাপাশি সিসি ক্যামেরা নজরদারিতে আনতে হবে দূর্গম এলাকাগুলো।'
এ বিষয়ে বরিশাল রেঞ্জ ডিআইজি মো. মঞ্জুর মোর্শেদ বলেন, 'ভৌগোলিক কারনে বরিশাল বিভাগকে ভাগ করা হয়েছে কয়েকটি নিরাপত্তা স্তরে। ভোলা, পটুয়াখালী ও বরগুনার উপকূলীয় আসনগুলোতে নৌ-বাহিনী ও কোস্টগার্ডের বিশেষ নজরদারি বাড়ানো হয়েছে। স্ট্রাইকিং ফোর্স হিসেবে বিজিবি ও সশস্ত্র বাহিনী মোতায়েন হয়েছে সর্বত্র। দুর্গম আসনগুলোতে ব্যবহার হবে ড্রোন। নিরাপত্তা নিশ্চিতে বরাদ্দ এসেছে একটি বিশেষ হেলিকপ্টারও।' নির্বাচন কমিশনের তথ্য মতে বরিশাল বিভাগের ছয় জেলায় ২১টি সংসদীয় আসনে মোট ভোটার ২২ লাখ ৮৪ হাজার ৯৭৮ জন।
নদীবেষ্টিত বরিশাল বিভাগের ৪২টি উপজেলার মধ্যে ১৩টি দুর্গম হিসেবে চিহ্নিত করেছে প্রশাসন। সরকারি নথিতে দুই হাজার ৮শ ৩৮টি ভোট কেন্দ্রের অর্ধেকের বেশিই ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। ৩৪টি কেন্দ্র বিদ্যুৎ বিহীন। যদিও এযাবৎকালের মধ্যে সর্বোচ্চ সতর্কবস্থানে রয়েছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।
রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) বরিশাল মহানগরীর কাশিপুরের ১২ নং তিলক কলাডেমা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে দেখা যায় পুরোদমে চলছে সিসি ক্যামেরা বসানোর কাজ। দ্রুত সময়ে সকল কেন্দ্রেই সিসি ক্যামেরা স্থাপনে তড়িঘড়ি। নির্বাচন কমিশনের অমন উদ্যোগে খুশি ভোট গ্রহণকারীরাও।
ভোট কেন্দ্রে সিসিটিভি ক্যামেরা বসানো অপারেটর সাব্বির বলেন, 'নির্বাচন কমিশনের নির্দেশনানুযায়ী ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্রগুলোতে ছয়টি করে এবং কম ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্রগুলোতে দুইটি করে ক্যামেরা স্থাপন করা হয়েছে।
নারী ভোট গ্রহণ কর্মকর্তা আকলিমা বেগম জানান, 'তিনি যতগুলো ভোটে দায়িত্ব পালন করেছেন তার মধ্যে সবচেয়ে বেশি নিরাপত্তা এবারের নির্বাচনে। সিসি ক্যামেরা স্থাপন করা হয়েছে। পাশাপাশি প্রশিক্ষণ ক্ষেত্রে ভিন্নতা দেখা গেছে।' তিনি আরও বলেন, 'সঠিক নিরাপত্তা দিয়ে যেন সুষ্ঠুভাবে যেন ভোট গ্রহণ সম্পন্ন করতে পারে।'
তথ্য বলছে, দেশের সবচে বেশি নদীবেষ্টিত বিভাগ বরিশাল। বিভাগে এমন বেশ কয়েকটি উপজেলা রয়েছে যা মূল শহর থেকে একদম বিচ্ছিন্ন। যাতায়াতে ভরসা নৌ পথ। আছে চরাঞ্চলসহ একেবারে দুর্গম উপজেলা। বিভাগে দুই হাজার ৮৩৮টি কেন্দ্রে হবে ভোটগ্রহণ।
বিভাগীয় প্রশাসনে তথ্যমতে, এসব কেন্দ্রের অর্ধেকের বেশিই ঝুঁকিপূর্ণ। মাত্র ২৩৯টি কেন্দ্রে আগে থেকে আছে সিসি ক্যামেরা। আর বিদ্যুৎ নেই ৩৪টি কেন্দ্রে। আর বিভাগের ৪২ উপজেলার ১৩টিই দুর্গম। যার মধ্যে বরিশাল জেলাতেই অতিঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্রই ২১২টি। এখানে মোট কেন্দ্র ৮৩৩টি আর ঝুঁকিপূর্ণ ১৯৬ টি।
বরগুনা জেলায় মোট কেন্দ্র ৩১২টি, যার মধ্যে ঝুঁকিপূর্ণ ৭৫টি এবং ঝুঁকিপূর্ণ ৬৯টি। পটুয়াখালীর ৫১৩টি কেন্দ্রের ঝুঁকিপূর্ণ ১৮০টি আর ঝুঁকিপূর্ণ ১৩৫টি। দ্বীপজেলা ভোলায় ৫২৫টি কেন্দ্রের ঝুঁকিপূর্ণ ১৫৪টি আর অতি ঝূঁকিপূর্ন ৯৯টি। ঝালকাঠি জেলাতে ২৩৭ টি কেন্দ্রের ঝুঁকিপূর্ন ৮৩ ও অতিঝূঁকিপূর্ন ৫০ ও পিরোজপুরের ৪১৮ কেন্দ্রের ঝুঁকিপূর্ণ ১৩৯ টি ও অতিঝূঁকিপূর্ণ ৫৬টি।
এছাড়া বিভাগের বেতাগী, পাথরঘাটা, বামনা, গলাচিপা, রাঙ্গাবালী, কলাপাড়া, দশমিনা, চরফ্যাশন, মনপুরা, মেহেন্দীগঞ্জ, হিজলা, মুলাদী ও কাউখালী উপজেলাকে দূর্গম উপজেলা হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।
সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন) বরিশালের সাধারণ সম্পাদক রফিকুল আলম বলেন, 'সুষ্ঠু নির্বাচনের চ্যালেঞ্জ পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে চিহ্নিত করে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর আরও নজরদারি বাড়ানোর পাশাপাশি সিসি ক্যামেরা নজরদারিতে আনতে হবে দূর্গম এলাকাগুলো।'
এ বিষয়ে বরিশাল রেঞ্জ ডিআইজি মো. মঞ্জুর মোর্শেদ বলেন, 'ভৌগোলিক কারনে বরিশাল বিভাগকে ভাগ করা হয়েছে কয়েকটি নিরাপত্তা স্তরে। ভোলা, পটুয়াখালী ও বরগুনার উপকূলীয় আসনগুলোতে নৌ-বাহিনী ও কোস্টগার্ডের বিশেষ নজরদারি বাড়ানো হয়েছে। স্ট্রাইকিং ফোর্স হিসেবে বিজিবি ও সশস্ত্র বাহিনী মোতায়েন হয়েছে সর্বত্র। দুর্গম আসনগুলোতে ব্যবহার হবে ড্রোন। নিরাপত্তা নিশ্চিতে বরাদ্দ এসেছে একটি বিশেষ হেলিকপ্টারও।' নির্বাচন কমিশনের তথ্য মতে বরিশাল বিভাগের ছয় জেলায় ২১টি সংসদীয় আসনে মোট ভোটার ২২ লাখ ৮৪ হাজার ৯৭৮ জন।

০৬ এপ্রিল, ২০২৬ ২১:৩০
বরিশাল শহরের ২৬ নং ওয়ার্ড বিএনপির শীর্ষ নেতা আব্দুল খালেক এবং তার পুত্র উজ্জল হাওলাদারের বিরুদ্ধে বিরোধপূর্ণ পুকুরের মাছ লুটের অভিযোগ পাওয়া গেছে। সাউথ এ্যাপোলো মেডিকেলসংলগ্ন পুকুরে রোববার রাতে সেচ করে বিভিন্ন প্রজাতির অন্তত মণ মাছ ক্ষমতার প্রভাব খাটিয়ে নিয়ে যায়। এসময় তাদের বাধা দিতে গেলে পুকুরসহ ভূমির মালিক দাবিদার মোহসেনা শহীদের লোক শহিদকে প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হয়। এই মাছ লুটের ঘটনায় ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি খালেক এবং তার ছেলে উজ্জলকে অভিযুক্ত করে সংশ্লিষ্ট কোতয়ালি মডেল থানায় মোহসেনা শহীদ একটি অভিযোগ করলে পুলিশ সোমবার ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে।
মোহসেনা শহীদ অভিযোগ করেন, তার স্বামী জীবিত থাকাকালীন পুকুরসহ ভূমিটি বিএনপি নেতা আব্দুল খালেকের মাধ্যমে ক্রয় করা হয়েছিল। কিন্তু তিনি এখন ভূমির মালিকানা দাবি করছেন এবং জোর-জবরদস্তি দখল দেওয়ার পায়তারা চালাচ্ছেন। রোববার ছেলেসহ লোকজন নিয়ে পুকুর সেচ করে বিভিন্ন প্রজাতির অন্তত মণ মাছ জোরপূর্বক ধরে। তখন তাদের বাধা দিতে গিয়ে পাহারাদার শহিদ হুমকি-ধামকির শিকার হয়ে ভয়ে সরে গেলে মাছ ট্রাকভর্তি করে নিয়ে যাওয়া হয়।
তবে মাছ চুরি বা লুটপাটের মতো গুরুতর এই অভিযোগ অস্বীকার করেছেন ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি আব্দুল খালেক। বরং তিনি নিজেকে এই ভূমির মালিক দাবি করে মাছ ধরে নেওয়ার বিষয়ে সরল স্বীকারোক্তি দেন। বিএনপি নেতার দাবি, এই ভূমি নিয়ে তিনি আদালতে একটি মামলা করেছেন, কিন্তু বিবাদী মোহসেনা শহীদ সেই মামলায় আইনি লড়াইয়ে যাচ্ছেন না। সোমবার মোহসেনা শহীদের অভিযোগের সূত্র ধরে কোতয়ালি মডেল থানা পুলিশের একটি টিম ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে।
বরিশাল কোতয়ালি মডেল থানা পুলিশের ওসি মো. আল মামুন-উল ইসলাম সাংবাদিকদের বলেন, ঘটনাটি তদন্ত করা হচ্ছে। পরবর্তীতে আইনগত ব্যবস্থাগ্রহণ করা হতে পারে। তবে যদ্দুর জানা গেছে, জমি নিয়ে আব্দুল খালেকের সাথে নারীর পূর্ব-বিরোধ রয়েছে এবং বিষয়টি নিয়ে আদালতে মামলাও চলছে, জানান ওসি।’

০৬ এপ্রিল, ২০২৬ ১৯:৩৬
মৌলভীবাজারের কুলাউড়ায় বন্ধুর বিয়েতে প্রচলিত উপহারের বদলে অকটেন উপহার দিয়েছেন এক যুবক ও তার বন্ধুরা। ব্যতিক্রমী এ ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
সোমবার (৬ এপ্রিল) দুপুরে উপজেলার সীমান্তবর্তী কর্মধা ইউনিয়নে আতিকুর রহমান ও নাদিয়া বেগমের বিয়েতে এ ঘটনা ঘটে। উপহার প্রদানকারী মাসুম বলেন, ‘বর্তমানে জ্বালানি তেলের সংকট চলছে। এ জন্য একটু ভিন্নভাবে বন্ধুকে শুভেচ্ছা জানাতে আমরা প্রতীকীভাবে দুই লিটার অকটেন উপহার দিয়েছি।’
বন্ধুদের এমন অভিনব উপহার ঘিরে বিয়ের অনুষ্ঠানে উপস্থিত অতিথি ও স্থানীয়দের মাঝে ব্যাপক আলোচনা ও কৌতূহলের সৃষ্টি হয়। অনেকেই বিষয়টিকে সময়ের প্রেক্ষাপটে ভিন্নধর্মী ও রসিকতাপূর্ণ উদ্যোগ হিসেবে দেখছেন।

০৬ এপ্রিল, ২০২৬ ১৯:২৭
আমতলীতে বাসচাপায় এক ব্যক্তি নিহত হয়েছেন। তিনি আমড়াগাছিয়া খানকায়ে ছালেহিয়া কমপ্লেক্সের খাদেম মো. নুরুল হক মৃধা। আজ সোমবার সকাল পৌনে ৬টার দিকে আমতলী-কুয়াকাটা মহাসড়কের খানকার সামনে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
পটুয়াখালী-কুয়াকাটা মহাসড়কসংলগ্ন আমড়াগাছিয়া নামক স্থানে অবস্থিত খানকায়ে ছালেহিয়া কমপ্লেক্স। সড়কে চলাচল করা গাড়ি থেকে চাঁদা/সহায়তা নিয়ে খানকার শিক্ষার্থীদের লেখাপড়া, থাকা-খাওয়া চলে। খানকার খাদেমরা ওই সহায়তার টাকা সড়ক থেকে তুলে নেন। আজ সকালে ফজরের নামাজ পড়ে খাদেম মো. নুরুল হক মৃধা সড়কে ফেলে রাখা সহায়তার টাকা তুলছিলেন। এ সময় একটি বাস তাঁকে চাপা দিলে ঘটনাস্থলেই নিহত হন খাদেম।
খবর পেয়ে আমতলী থানা-পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে তাঁর মরদেহ উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়। ওই হাসপাতালের চিকিৎসক সাবিনা ইয়াসমিন স্বর্ণা তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন। তিনি বলেন, হাসপাতালে আনার আগেই মারা গেছেন নুরুল হক মৃধা।
আমতলী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর হোসেন বলেন, নিহত নুরুল হক মৃধার বাড়ি পটুয়াখালী জেলার গলাচিপা উপজেলার আমখোলা গ্রামে। নিহতের পরিবারের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে ময়নাতদন্ত ছাড়াই মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
বরিশাল শহরের ২৬ নং ওয়ার্ড বিএনপির শীর্ষ নেতা আব্দুল খালেক এবং তার পুত্র উজ্জল হাওলাদারের বিরুদ্ধে বিরোধপূর্ণ পুকুরের মাছ লুটের অভিযোগ পাওয়া গেছে। সাউথ এ্যাপোলো মেডিকেলসংলগ্ন পুকুরে রোববার রাতে সেচ করে বিভিন্ন প্রজাতির অন্তত মণ মাছ ক্ষমতার প্রভাব খাটিয়ে নিয়ে যায়। এসময় তাদের বাধা দিতে গেলে পুকুরসহ ভূমির মালিক দাবিদার মোহসেনা শহীদের লোক শহিদকে প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হয়। এই মাছ লুটের ঘটনায় ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি খালেক এবং তার ছেলে উজ্জলকে অভিযুক্ত করে সংশ্লিষ্ট কোতয়ালি মডেল থানায় মোহসেনা শহীদ একটি অভিযোগ করলে পুলিশ সোমবার ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে।
মোহসেনা শহীদ অভিযোগ করেন, তার স্বামী জীবিত থাকাকালীন পুকুরসহ ভূমিটি বিএনপি নেতা আব্দুল খালেকের মাধ্যমে ক্রয় করা হয়েছিল। কিন্তু তিনি এখন ভূমির মালিকানা দাবি করছেন এবং জোর-জবরদস্তি দখল দেওয়ার পায়তারা চালাচ্ছেন। রোববার ছেলেসহ লোকজন নিয়ে পুকুর সেচ করে বিভিন্ন প্রজাতির অন্তত মণ মাছ জোরপূর্বক ধরে। তখন তাদের বাধা দিতে গিয়ে পাহারাদার শহিদ হুমকি-ধামকির শিকার হয়ে ভয়ে সরে গেলে মাছ ট্রাকভর্তি করে নিয়ে যাওয়া হয়।
তবে মাছ চুরি বা লুটপাটের মতো গুরুতর এই অভিযোগ অস্বীকার করেছেন ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি আব্দুল খালেক। বরং তিনি নিজেকে এই ভূমির মালিক দাবি করে মাছ ধরে নেওয়ার বিষয়ে সরল স্বীকারোক্তি দেন। বিএনপি নেতার দাবি, এই ভূমি নিয়ে তিনি আদালতে একটি মামলা করেছেন, কিন্তু বিবাদী মোহসেনা শহীদ সেই মামলায় আইনি লড়াইয়ে যাচ্ছেন না। সোমবার মোহসেনা শহীদের অভিযোগের সূত্র ধরে কোতয়ালি মডেল থানা পুলিশের একটি টিম ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে।
বরিশাল কোতয়ালি মডেল থানা পুলিশের ওসি মো. আল মামুন-উল ইসলাম সাংবাদিকদের বলেন, ঘটনাটি তদন্ত করা হচ্ছে। পরবর্তীতে আইনগত ব্যবস্থাগ্রহণ করা হতে পারে। তবে যদ্দুর জানা গেছে, জমি নিয়ে আব্দুল খালেকের সাথে নারীর পূর্ব-বিরোধ রয়েছে এবং বিষয়টি নিয়ে আদালতে মামলাও চলছে, জানান ওসি।’
মৌলভীবাজারের কুলাউড়ায় বন্ধুর বিয়েতে প্রচলিত উপহারের বদলে অকটেন উপহার দিয়েছেন এক যুবক ও তার বন্ধুরা। ব্যতিক্রমী এ ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
সোমবার (৬ এপ্রিল) দুপুরে উপজেলার সীমান্তবর্তী কর্মধা ইউনিয়নে আতিকুর রহমান ও নাদিয়া বেগমের বিয়েতে এ ঘটনা ঘটে। উপহার প্রদানকারী মাসুম বলেন, ‘বর্তমানে জ্বালানি তেলের সংকট চলছে। এ জন্য একটু ভিন্নভাবে বন্ধুকে শুভেচ্ছা জানাতে আমরা প্রতীকীভাবে দুই লিটার অকটেন উপহার দিয়েছি।’
বন্ধুদের এমন অভিনব উপহার ঘিরে বিয়ের অনুষ্ঠানে উপস্থিত অতিথি ও স্থানীয়দের মাঝে ব্যাপক আলোচনা ও কৌতূহলের সৃষ্টি হয়। অনেকেই বিষয়টিকে সময়ের প্রেক্ষাপটে ভিন্নধর্মী ও রসিকতাপূর্ণ উদ্যোগ হিসেবে দেখছেন।
আমতলীতে বাসচাপায় এক ব্যক্তি নিহত হয়েছেন। তিনি আমড়াগাছিয়া খানকায়ে ছালেহিয়া কমপ্লেক্সের খাদেম মো. নুরুল হক মৃধা। আজ সোমবার সকাল পৌনে ৬টার দিকে আমতলী-কুয়াকাটা মহাসড়কের খানকার সামনে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
পটুয়াখালী-কুয়াকাটা মহাসড়কসংলগ্ন আমড়াগাছিয়া নামক স্থানে অবস্থিত খানকায়ে ছালেহিয়া কমপ্লেক্স। সড়কে চলাচল করা গাড়ি থেকে চাঁদা/সহায়তা নিয়ে খানকার শিক্ষার্থীদের লেখাপড়া, থাকা-খাওয়া চলে। খানকার খাদেমরা ওই সহায়তার টাকা সড়ক থেকে তুলে নেন। আজ সকালে ফজরের নামাজ পড়ে খাদেম মো. নুরুল হক মৃধা সড়কে ফেলে রাখা সহায়তার টাকা তুলছিলেন। এ সময় একটি বাস তাঁকে চাপা দিলে ঘটনাস্থলেই নিহত হন খাদেম।
খবর পেয়ে আমতলী থানা-পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে তাঁর মরদেহ উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়। ওই হাসপাতালের চিকিৎসক সাবিনা ইয়াসমিন স্বর্ণা তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন। তিনি বলেন, হাসপাতালে আনার আগেই মারা গেছেন নুরুল হক মৃধা।
আমতলী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর হোসেন বলেন, নিহত নুরুল হক মৃধার বাড়ি পটুয়াখালী জেলার গলাচিপা উপজেলার আমখোলা গ্রামে। নিহতের পরিবারের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে ময়নাতদন্ত ছাড়াই মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।