বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের এক কনস্টেবলের স্ত্রীর সঙ্গে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে পরিচয় থেকে ঘনিষ্ঠতা এবং পরবর্তী সময়ে বিবাহবহির্ভূত সম্পর্কে জড়ানোর অভিযোগ উঠেছিল এএসপি কাজী মিজানুর রহমানের বিরুদ্ধে। দীর্ঘ বিভাগীয় তদন্ত শেষে অভিযোগের সত্যতা পাওয়ায় তাকে বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠানো হয়েছে।
শনিবার (৩১ অক্টোবর) স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের শৃঙ্খলা-১ শাখা থেকে এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়। রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে প্রজ্ঞাপনে স্বাক্ষর করেন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মনজুর মোর্শেদ চৌধুরী।
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের প্রজ্ঞাপন ও বিভাগীয় মামলার নথির বরাত দিয়ে প্রকাশিত সংবাদ অনুযায়ী, কাজী মিজানুর রহমান ২০২০ সালের ১৪ জুলাই থেকে ২০২৩ সালের ৬ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) তেজগাঁও ট্রাফিক জোনে সহকারী পুলিশ কমিশনার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
বিভাগীয় মামলার অভিযোগে বলা হয়, ২০২২ সালের এপ্রিল মাসে বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের এক কনস্টেবলের স্ত্রীর সঙ্গে ফেসবুকের মাধ্যমে তার পরিচয় হয়। পরবর্তী সময়ে ওই নারীর সঙ্গে তিনি বিবাহবহির্ভূত সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েন বলে অভিযোগ ওঠে।
এ ঘটনায় দায়ের করা মামলার আদালতের পর্যবেক্ষণেও তাদের স্বেচ্ছায় শারীরিক সম্পর্কের বিষয়টি উঠে আসে বলে বিভাগীয় মামলার নথির সারসংক্ষেপে উল্লেখ করা হয়েছে।
বিভাগীয় তদন্তে বলা হয়, একজন দায়িত্বশীল পুলিশ কর্মকর্তা হিসেবে এ ধরনের সম্পর্কে জড়িয়ে পড়া বাহিনীর ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করেছে। এ ঘটনায় সরকারি কর্মচারী (শৃঙ্খলা ও আপিল) বিধিমালা, ২০১৮-এর ৩(খ) বিধি অনুযায়ী তার বিরুদ্ধে অসদাচরণের অভিযোগ আনা হয়।
তদন্তে অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ার পর তাকে বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠানোর সুপারিশ করা হয়। এ বিষয়ে সরকারি কর্ম কমিশনের (পিএসসি) পরামর্শ নেওয়া হয়। পরে গত ২৫ অক্টোবর রাষ্ট্রপতির অনুমোদন পাওয়ার পর ৩১ অক্টোবর আনুষ্ঠানিকভাবে অবসরের আদেশ জারি করা হয়।
কাজী মিজানুর রহমান সর্বশেষ পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি) দিনাজপুর জেলায় কর্মরত ছিলেন। এর আগে তিনি ডিএমপির তেজগাঁও ট্রাফিক বিভাগে সহকারী পুলিশ কমিশনার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
উল্লেখ্য, তাকে সরাসরি চাকরিচ্যুত করা হয়নি; বরং বিভাগীয় শাস্তিমূলক ব্যবস্থা হিসেবে বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠানো হয়েছে।'

৩১ অক্টোবর, ২০২৬ ২০:২০
বরিশালের বাবুগঞ্জে রোগী সেজে এক ভুয়া ডাক্তারের চেম্বারে গিয়ে চিকিৎসা নেন জাতীয় নিরাপত্তা গোয়েন্দা সংস্থার (এনএসআই) সদস্যরা। পরে তাদের সাথে নিয়ে সেখানে যৌথ অভিযান চালায় উপজেলা প্রশাসন। এসময় মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে এক ভুয়া চিকিৎসক ও একটি অবৈধ ডায়াগনস্টিক সেন্টারকে মোট দেড় লাখ টাকা জরিমানা করা হয়। যৌথ অভিযানকালে ওই অর্থদণ্ড করেন ভ্রাম্যমান আদালতের বিচারক বাবুগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) আসমা উল হুসনা। বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) সন্ধ্যা ৬টা থেকে রাত সাড়ে ১১টা পর্যন্ত বাবুগঞ্জ উপজেলার মাধবপাশা বাজার এলাকায় পৃথক দুটি অভিযান পরিচালনা করা হয়।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, মাধবপাশা বাজারে তাসলিমা আক্তার আন্নি নামে এক নারী দীর্ঘদিন বিশেষজ্ঞ ডাক্তারের মতো চিকিৎসা দিয়ে আসছিলেন। তিনি কোনো এমবিবিএস বা বিডিএস ডিগ্রি ছাড়াই দীর্ঘদিন ধরে মা ও শিশুদের বিভিন্ন রোগের চিকিৎসা দিতেন। খবর পেয়ে ঘটনাটি যাচাই করতে এনএসআইয়ের সদস্যরা ছদ্মবেশে রোগী সেজে তাঁর চেম্বারে যান। এসময় তাঁর নিজস্ব ফার্মেসিতে কিছু মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধও পাওয়া যায়। এসব অপরাধে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন, ২০০৯-এর ৫৩ ধারায় তাকে মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে ৫০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড করা হয়। এসময় জরিমানার অর্থ আদায়সহ ভবিষ্যতের জন্য তাকে সতর্ক করা হয়।
পরে একই এলাকায় পল্লবী ডিজিটাল ডায়াগনস্টিক সেন্টারেও অভিযান চালানো হয়। সেখানে প্রয়োজনীয় সনদ ও প্যাথলজিস্ট ছাড়াই বিভিন্ন পরীক্ষা-নিরীক্ষা এবং প্রতিবেদন দেওয়ার পাশাপাশি পরীক্ষাগারে যথাযথ পরিবেশ না থাকার অভিযোগ পাওয়া যায়। এসব অপরাধে প্রতিষ্ঠানটির ব্যবস্থাপক মো. সাব্বির সরদারকে ১ লাখ টাকা জরিমানা করেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।
খবর পেয়ে এনএসআইয়ের সদস্যরা বেশ কিছুদিন ধরেই মাধবপাশার ওই ডায়াগনস্টিক সেন্টার এবং ভুয়া চিকিৎসকের কার্যক্রম গোপনে নিবিড় পর্যবেক্ষণ করছিলেন। পরে ছদ্মবেশে রোগী সেজে সত্যতা যাচাই করে উপজেলা প্রশাসনের সঙ্গে সমন্বিত ওই অভিযান পরিচালনা করা হয় বলে জানা গেছে। ওই অভিযানে উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) আসমা উল হুসনা নেতৃত্বে এনএসআইয়ের সদস্য ছাড়াও উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেডিকেল অফিসার ডাঃ তূর্য অধিকারী এবং বিমানবন্দর থানা পুলিশের একটি দল উপস্থিত ছিলেন।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আসমা উল হুসনা বলেন, 'বাবুগঞ্জ উপজেলায় বিভিন্ন অনিয়ম, দুর্নীতি বন্ধে কাজ করে যাচ্ছে উপজেলা প্রশাসন। তথ্য পেলে যাচাই করে সঙ্গেসঙ্গেই প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে। জনস্বার্থে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে। #
বরিশালের বাবুগঞ্জে রোগী সেজে এক ভুয়া ডাক্তারের চেম্বারে গিয়ে চিকিৎসা নেন জাতীয় নিরাপত্তা গোয়েন্দা সংস্থার (এনএসআই) সদস্যরা। পরে তাদের সাথে নিয়ে সেখানে যৌথ অভিযান চালায় উপজেলা প্রশাসন। এসময় মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে এক ভুয়া চিকিৎসক ও একটি অবৈধ ডায়াগনস্টিক সেন্টারকে মোট দেড় লাখ টাকা জরিমানা করা হয়। যৌথ অভিযানকালে ওই অর্থদণ্ড করেন ভ্রাম্যমান আদালতের বিচারক বাবুগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) আসমা উল হুসনা। বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) সন্ধ্যা ৬টা থেকে রাত সাড়ে ১১টা পর্যন্ত বাবুগঞ্জ উপজেলার মাধবপাশা বাজার এলাকায় পৃথক দুটি অভিযান পরিচালনা করা হয়।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, মাধবপাশা বাজারে তাসলিমা আক্তার আন্নি নামে এক নারী দীর্ঘদিন বিশেষজ্ঞ ডাক্তারের মতো চিকিৎসা দিয়ে আসছিলেন। তিনি কোনো এমবিবিএস বা বিডিএস ডিগ্রি ছাড়াই দীর্ঘদিন ধরে মা ও শিশুদের বিভিন্ন রোগের চিকিৎসা দিতেন। খবর পেয়ে ঘটনাটি যাচাই করতে এনএসআইয়ের সদস্যরা ছদ্মবেশে রোগী সেজে তাঁর চেম্বারে যান। এসময় তাঁর নিজস্ব ফার্মেসিতে কিছু মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধও পাওয়া যায়। এসব অপরাধে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন, ২০০৯-এর ৫৩ ধারায় তাকে মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে ৫০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড করা হয়। এসময় জরিমানার অর্থ আদায়সহ ভবিষ্যতের জন্য তাকে সতর্ক করা হয়।
পরে একই এলাকায় পল্লবী ডিজিটাল ডায়াগনস্টিক সেন্টারেও অভিযান চালানো হয়। সেখানে প্রয়োজনীয় সনদ ও প্যাথলজিস্ট ছাড়াই বিভিন্ন পরীক্ষা-নিরীক্ষা এবং প্রতিবেদন দেওয়ার পাশাপাশি পরীক্ষাগারে যথাযথ পরিবেশ না থাকার অভিযোগ পাওয়া যায়। এসব অপরাধে প্রতিষ্ঠানটির ব্যবস্থাপক মো. সাব্বির সরদারকে ১ লাখ টাকা জরিমানা করেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।
খবর পেয়ে এনএসআইয়ের সদস্যরা বেশ কিছুদিন ধরেই মাধবপাশার ওই ডায়াগনস্টিক সেন্টার এবং ভুয়া চিকিৎসকের কার্যক্রম গোপনে নিবিড় পর্যবেক্ষণ করছিলেন। পরে ছদ্মবেশে রোগী সেজে সত্যতা যাচাই করে উপজেলা প্রশাসনের সঙ্গে সমন্বিত ওই অভিযান পরিচালনা করা হয় বলে জানা গেছে। ওই অভিযানে উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) আসমা উল হুসনা নেতৃত্বে এনএসআইয়ের সদস্য ছাড়াও উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেডিকেল অফিসার ডাঃ তূর্য অধিকারী এবং বিমানবন্দর থানা পুলিশের একটি দল উপস্থিত ছিলেন।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আসমা উল হুসনা বলেন, 'বাবুগঞ্জ উপজেলায় বিভিন্ন অনিয়ম, দুর্নীতি বন্ধে কাজ করে যাচ্ছে উপজেলা প্রশাসন। তথ্য পেলে যাচাই করে সঙ্গেসঙ্গেই প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে। জনস্বার্থে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে। #

৩১ অক্টোবর, ২০২৬ ১৮:২৮
বরিশালের গৌরনদীতে চাঁদাবাজির মামলায় জামান শরীফ (৩৫) নামের এক যুবদল কর্মীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। শুক্রবার (৩০ অক্টোবর) দিবাগত রাতে উপজেলার গৌরনদী বাসস্ট্যান্ড এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়।
গৌরনদী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তারিক হাসান রাসেল গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
গ্রেপ্তার জামান শরীফ গৌরনদী পৌর যুবদলের পদবিহীন নেতা জসিম শরীফের ভাই। তিনি উপজেলা বিএনপির সদস্যসচিব শরীফ জহির সাজ্জাদ হান্নানের ভাতিজা।
পুলিশ জানায়, জামান শরীফের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজির অভিযোগে একটি মামলা রয়েছে। প্রায় দুই মাস আগে উপজেলার উত্তর বিল্বগ্রাম এলাকার আঁখি বেগম নামের এক নারী বাদী হয়ে গৌরনদী মডেল থানায় মামলাটি করেন। ওই মামলায় জামান শরীফকে প্রধান আসামি করা হয়।
মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা গৌরনদী মডেল থানার উপপরিদর্শক (এসআই) পারভেজ হোসেন বলেন, আঁখি বেগমের দায়ের করা চাঁদাবাজির মামলায় জামান শরীফকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। শুক্রবার রাতে গৌরনদী বাসস্ট্যান্ড এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাঁকে আটক করা হয়।
গৌরনদী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তারিক হাসান রাসেল বলেন, নিয়মিত মামলার আসামি হিসেবে জামান শরীফকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। শনিবার সকালে তাঁকে আদালতে পাঠানো হয়েছে।
সুত্র: সমকাল
বরিশালের গৌরনদীতে চাঁদাবাজির মামলায় জামান শরীফ (৩৫) নামের এক যুবদল কর্মীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। শুক্রবার (৩০ অক্টোবর) দিবাগত রাতে উপজেলার গৌরনদী বাসস্ট্যান্ড এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়।
গৌরনদী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তারিক হাসান রাসেল গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
গ্রেপ্তার জামান শরীফ গৌরনদী পৌর যুবদলের পদবিহীন নেতা জসিম শরীফের ভাই। তিনি উপজেলা বিএনপির সদস্যসচিব শরীফ জহির সাজ্জাদ হান্নানের ভাতিজা।
পুলিশ জানায়, জামান শরীফের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজির অভিযোগে একটি মামলা রয়েছে। প্রায় দুই মাস আগে উপজেলার উত্তর বিল্বগ্রাম এলাকার আঁখি বেগম নামের এক নারী বাদী হয়ে গৌরনদী মডেল থানায় মামলাটি করেন। ওই মামলায় জামান শরীফকে প্রধান আসামি করা হয়।
মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা গৌরনদী মডেল থানার উপপরিদর্শক (এসআই) পারভেজ হোসেন বলেন, আঁখি বেগমের দায়ের করা চাঁদাবাজির মামলায় জামান শরীফকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। শুক্রবার রাতে গৌরনদী বাসস্ট্যান্ড এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাঁকে আটক করা হয়।
গৌরনদী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তারিক হাসান রাসেল বলেন, নিয়মিত মামলার আসামি হিসেবে জামান শরীফকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। শনিবার সকালে তাঁকে আদালতে পাঠানো হয়েছে।
সুত্র: সমকাল

৩১ অক্টোবর, ২০২৬ ১৩:৩২
২০২৬ সালের উচ্চমাধ্যমিক সার্টিফিকেট (এইচএসসি) ও সমমান পরীক্ষার ফলাফলে বরিশাল শিক্ষা বোর্ডে উদ্বেগজনক চিত্র দেখা গেছে। বোর্ডের অধীন ১১টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের কোনো শিক্ষার্থীই পাস করতে পারেননি। অর্থাৎ এসব প্রতিষ্ঠানের শতভাগ পরীক্ষার্থী অকৃতকার্য হয়েছেন।
শনিবার (৩১ অক্টোবর) বেলা ১১টায় প্রকাশিত ফলাফলে এ তথ্য জানা গেছে।
বরিশাল শিক্ষা বোর্ডের প্রকাশিত ফল অনুযায়ী, এ বছর বোর্ডে পাসের হার দাঁড়িয়েছে ৪৪ দশমিক ৮৪ শতাংশ। জিপিএ-৫ পেয়েছেন ৯৫০ জন শিক্ষার্থী।
এ বছর বরিশাল বোর্ডের অধীন বিভাগের ছয় জেলার ৩৫০টি কলেজ থেকে মোট ৫৭ হাজার ৯১২ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নেন। তাঁদের মধ্যে ছাত্র ২৬ হাজার ৭৫৫ জন এবং ছাত্রী ৩১ হাজার ১৫৭ জন। উত্তীর্ণ হয়েছেন ২৫ হাজার ৯৭০ জন।
গত বছর (২০২৫) বরিশাল বোর্ডে পাসের হার ছিল ৬২ দশমিক ৫৭ শতাংশ। ওই বছর জিপিএ-৫ পেয়েছিলেন ১ হাজার ৬৭৪ জন। সেই হিসাবে এক বছরের ব্যবধানে পাসের হার কমেছে ১৭ দশমিক ৭৩ শতাংশ পয়েন্ট। একই সঙ্গে জিপিএ-৫ পাওয়া শিক্ষার্থীর সংখ্যা কমেছে ৭২৪ জন।
শনিবার সকালে বরিশাল শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক অধ্যাপক শরীফ মোর্শেদ রেজা আনুষ্ঠানিকভাবে ফলাফল ঘোষণা করেন।
ফলাফল প্রকাশকালে তিনি বলেন, যথাযথভাবে পর্যালোচনা ও মূল্যায়নের মাধ্যমে এবারের ফলাফল প্রকাশ করা হয়েছে। এতে শিক্ষার্থীদের প্রকৃত মেধার প্রতিফলন ঘটেছে।
তবে ১১টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের কোনো শিক্ষার্থী পাস করতে না পারার বিষয়টি শিক্ষা সংশ্লিষ্টদের মধ্যে নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে। এসব প্রতিষ্ঠানের ফলাফল বিপর্যয়ের কারণ অনুসন্ধান এবং শিক্ষার মানোন্নয়নে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার বিষয়টিও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।
২০২৬ সালের উচ্চমাধ্যমিক সার্টিফিকেট (এইচএসসি) ও সমমান পরীক্ষার ফলাফলে বরিশাল শিক্ষা বোর্ডে উদ্বেগজনক চিত্র দেখা গেছে। বোর্ডের অধীন ১১টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের কোনো শিক্ষার্থীই পাস করতে পারেননি। অর্থাৎ এসব প্রতিষ্ঠানের শতভাগ পরীক্ষার্থী অকৃতকার্য হয়েছেন।
শনিবার (৩১ অক্টোবর) বেলা ১১টায় প্রকাশিত ফলাফলে এ তথ্য জানা গেছে।
বরিশাল শিক্ষা বোর্ডের প্রকাশিত ফল অনুযায়ী, এ বছর বোর্ডে পাসের হার দাঁড়িয়েছে ৪৪ দশমিক ৮৪ শতাংশ। জিপিএ-৫ পেয়েছেন ৯৫০ জন শিক্ষার্থী।
এ বছর বরিশাল বোর্ডের অধীন বিভাগের ছয় জেলার ৩৫০টি কলেজ থেকে মোট ৫৭ হাজার ৯১২ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নেন। তাঁদের মধ্যে ছাত্র ২৬ হাজার ৭৫৫ জন এবং ছাত্রী ৩১ হাজার ১৫৭ জন। উত্তীর্ণ হয়েছেন ২৫ হাজার ৯৭০ জন।
গত বছর (২০২৫) বরিশাল বোর্ডে পাসের হার ছিল ৬২ দশমিক ৫৭ শতাংশ। ওই বছর জিপিএ-৫ পেয়েছিলেন ১ হাজার ৬৭৪ জন। সেই হিসাবে এক বছরের ব্যবধানে পাসের হার কমেছে ১৭ দশমিক ৭৩ শতাংশ পয়েন্ট। একই সঙ্গে জিপিএ-৫ পাওয়া শিক্ষার্থীর সংখ্যা কমেছে ৭২৪ জন।
শনিবার সকালে বরিশাল শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক অধ্যাপক শরীফ মোর্শেদ রেজা আনুষ্ঠানিকভাবে ফলাফল ঘোষণা করেন।
ফলাফল প্রকাশকালে তিনি বলেন, যথাযথভাবে পর্যালোচনা ও মূল্যায়নের মাধ্যমে এবারের ফলাফল প্রকাশ করা হয়েছে। এতে শিক্ষার্থীদের প্রকৃত মেধার প্রতিফলন ঘটেছে।
তবে ১১টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের কোনো শিক্ষার্থী পাস করতে না পারার বিষয়টি শিক্ষা সংশ্লিষ্টদের মধ্যে নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে। এসব প্রতিষ্ঠানের ফলাফল বিপর্যয়ের কারণ অনুসন্ধান এবং শিক্ষার মানোন্নয়নে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার বিষয়টিও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।

৩১ অক্টোবর, ২০২৬ ২২:৫২
বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের এক কনস্টেবলের স্ত্রীর সঙ্গে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে পরিচয় থেকে ঘনিষ্ঠতা এবং পরবর্তী সময়ে বিবাহবহির্ভূত সম্পর্কে জড়ানোর অভিযোগ উঠেছিল এএসপি কাজী মিজানুর রহমানের বিরুদ্ধে। দীর্ঘ বিভাগীয় তদন্ত শেষে অভিযোগের সত্যতা পাওয়ায় তাকে বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠানো হয়েছে।
শনিবার (৩১ অক্টোবর) স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের শৃঙ্খলা-১ শাখা থেকে এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়। রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে প্রজ্ঞাপনে স্বাক্ষর করেন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মনজুর মোর্শেদ চৌধুরী।
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের প্রজ্ঞাপন ও বিভাগীয় মামলার নথির বরাত দিয়ে প্রকাশিত সংবাদ অনুযায়ী, কাজী মিজানুর রহমান ২০২০ সালের ১৪ জুলাই থেকে ২০২৩ সালের ৬ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) তেজগাঁও ট্রাফিক জোনে সহকারী পুলিশ কমিশনার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
বিভাগীয় মামলার অভিযোগে বলা হয়, ২০২২ সালের এপ্রিল মাসে বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের এক কনস্টেবলের স্ত্রীর সঙ্গে ফেসবুকের মাধ্যমে তার পরিচয় হয়। পরবর্তী সময়ে ওই নারীর সঙ্গে তিনি বিবাহবহির্ভূত সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েন বলে অভিযোগ ওঠে।
এ ঘটনায় দায়ের করা মামলার আদালতের পর্যবেক্ষণেও তাদের স্বেচ্ছায় শারীরিক সম্পর্কের বিষয়টি উঠে আসে বলে বিভাগীয় মামলার নথির সারসংক্ষেপে উল্লেখ করা হয়েছে।
বিভাগীয় তদন্তে বলা হয়, একজন দায়িত্বশীল পুলিশ কর্মকর্তা হিসেবে এ ধরনের সম্পর্কে জড়িয়ে পড়া বাহিনীর ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করেছে। এ ঘটনায় সরকারি কর্মচারী (শৃঙ্খলা ও আপিল) বিধিমালা, ২০১৮-এর ৩(খ) বিধি অনুযায়ী তার বিরুদ্ধে অসদাচরণের অভিযোগ আনা হয়।
তদন্তে অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ার পর তাকে বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠানোর সুপারিশ করা হয়। এ বিষয়ে সরকারি কর্ম কমিশনের (পিএসসি) পরামর্শ নেওয়া হয়। পরে গত ২৫ অক্টোবর রাষ্ট্রপতির অনুমোদন পাওয়ার পর ৩১ অক্টোবর আনুষ্ঠানিকভাবে অবসরের আদেশ জারি করা হয়।
কাজী মিজানুর রহমান সর্বশেষ পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি) দিনাজপুর জেলায় কর্মরত ছিলেন। এর আগে তিনি ডিএমপির তেজগাঁও ট্রাফিক বিভাগে সহকারী পুলিশ কমিশনার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
উল্লেখ্য, তাকে সরাসরি চাকরিচ্যুত করা হয়নি; বরং বিভাগীয় শাস্তিমূলক ব্যবস্থা হিসেবে বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠানো হয়েছে।'
৩১ অক্টোবর, ২০২৬ ২৩:৪৬
৩১ অক্টোবর, ২০২৬ ২২:৫২
৩১ অক্টোবর, ২০২৬ ২১:১৮
৩১ অক্টোবর, ২০২৬ ২১:১৩